X
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ৮ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

আনিসুজ্জামানের ‘স্বরূপের সন্ধানে’ : পাঠ-অনুভব

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৩৬

আনিসুজ্জামান (১৯৩৭-২০২০) সংস্কৃতির এক স্থিতপ্রজ্ঞ, ঐতিহ্য-তাড়িত চিন্তানায়ক এবং প্রকৃত অর্থেই ছিলেন পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল। জীবনের বেশিরভাগ সময়ে শিক্ষকতার সুবাদে এই মনীষী বাঙালি সংস্কৃতিচর্চায় রেখে গেছেন চৈতন্য-তাড়িত অসামান্য সৃষ্টিকর্ম, লালিত আদর্শের তাত্ত্বিক ও অ্যাকাডেমিক ক্রিয়াভাষ্য। বাঙালি সংস্কৃতির ভেতরের শক্তিগুলোকে অবলীলায় উপস্থাপন করেছেন। বাঙালিয়ানার প্রকাশ, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ, প্রাগ্রসর চিন্তা, একসাথেই থাকা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, প্রসন্ন মেজাজ ধরে রাখা এবং রসবোধ—এগুলো ছিল আদর্শিক স্তম্ভ। এই আদর্শ হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাস এবং বহমান ঐতিহ্য। আনিসুজ্জামান বস্তুত বহমান ইতিহাস-ঐতিহ্যের যোগ্য উত্তরসাধক হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে গিয়েছেন এবং তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাঙালি সমাজের চেতনার বাতিঘর।

একজন শিক্ষক, একজন সমাজমনস্ক প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী অনন্য সাধারণ মানুষ আনিসুজ্জামান দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির ধারা ও ঐতিহ্যকে বিশ্ব-ভূগোলে স্থাপন করেছেন। বহুধা বিচিত্র সৃজন সামর্থ্যে আনিসুজ্জামান হয়ে উঠেছেন শিক্ষক, লেখক, গবেষক, শিক্ষাচিন্তক, বাঙালিসংস্কৃতি সাধক, মানবাধিকার সংগঠক, মুক্তিকামী, সর্বোপরি জাতির বিবেক। এই সমাজসচেতন বুদ্ধিজীবী ছিলেন দীপ্ত এক মনীষার পূর্ণাবয়ব। ‘স্বরূপের সন্ধানে’ প্রবন্ধটিতে এমন এক ইতিহাসের পাঠ তিনি তুলে ধরেছেন, যেখানে এক পলকে সত্যিই জাতির স্বরূপকে চিহ্নিত করা যায় এবং বাঙালি জাতির একটা বিশেষ পর্বের ইতিহাসের সাথে অনন্য ব্যক্তিত্ব আনিসুজ্জামানকেও অবলীলায় চিহ্নিত করা যায়। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের যে স্তম্ভ, যাতে সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছিল জাতীয়তাবাদের প্রসঙ্গ, তা যে কতটা গগণবিদারী আর্তনাদ এবং বহু মতের কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি—তার একটা সুস্পষ্ট দলিল হয়ে উঠেছে কালজয়ী প্রবন্ধটি। ঔপনিবেশিকতা থেকে বেরিয়ে ভারতের দ্বিখণ্ডিত নিয়তির বাস্তবায়নের যে ইতিহাস, তার রয়েছে একটি সুস্পষ্ট বিবর্তিত রেখা। বিশেষভাবে পাকিস্তান নামক যে রাষ্ট্রযন্ত্রটির উদ্ভব ঘটেছিল ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এবং পূর্ববাংলা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বলা যেতে পারে অলীক স্বপ্নে বিভোর হয়ে উদ্বাস্তুর মতো রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যুক্ত হয়েছিল পাকিস্তানের সাথে। একই ভাষা ও সংস্কৃতির লালনকারী এবং ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার বহনকারী পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা করা হলো। এই পটভূমির অন্তর্গূঢ় বিষয়কে প্রাবন্ধিক উল্লিখিত প্রবন্ধে নির্মোহ দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করেছেন। বিভাগ-পূর্ব সময়ে ভাষা-সংস্কৃতির উত্তরাধিকার প্রশ্নে মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের যে সন্তোষজনক সমাধান খুঁজতে দেখা যায় তাতে সুস্পষ্ট দ্বৈত মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়। একদিকে সংগীত, চিত্রকলা, নৃত্যকলা সম্পর্কে ধর্মবিশ্বাসজনিত আপত্তি, অন্যদিকে ধর্মীয় নির্দেশ যাই হোক না কেন, বিষয়ভিত্তিক গুণাগুণ বিচার করে একটি যৌক্তিক মীমাংসায় উপনীত হওয়া—এই তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই চলছিল পশ্চিম পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক পরিবেশ। প্রাবন্ধিক পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করেছেন তৎকালীন সংস্কৃতির বহমান ইতিহাসের ধারা। উনিশ শতকের মুসলিম সংস্কার-আন্দোলনের ধারাটি কীভাবে হাজার বছরের বহমান শিল্পচর্চার বিরোধী হয়ে উঠেছিল তার ঐতিহাসিক পটভূমি বিব্রতকর হলেও প্রবন্ধে জোরালোভাবে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে উপস্থাপিত হয়েছে। পাঠকের সামনে ঐতিহাসিক পটভূমিটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশ্নের অবতারণা করে, তা হলো-সংস্কার-আন্দোলনের বিষয়ভাব এবং রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক সীমা-অতিক্রমকারী হিসেবে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করার প্রসঙ্গ। এই প্রশ্নের মধ্যেই পাঠক-অন্তরে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শিল্পগত উৎকর্ষের বিষয়টি উঁকি দিতে থাকে।

একুশ শতকের ২য় দশকে এসে যখন প্রবন্ধটি পড়ছি তখন চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে উনিশ-বিশ শতকের দ্বন্দ্বময় ইতিহাস, ভাষা স্থাপনের দ্বন্দ্ব, উদারনৈতিক সাহিত্যিকদের মনস্তত্ত্ব, মূল্যবোধের বিকাশ সাধনের ঘূর্ণায়মান পথ। একদিকে উনিশ শতকে আধুনিকতা বা আধুনিক যুগের সাহিত্য নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব অন্যদিকে শিল্প-সাহিত্যে ইসলামি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াস। কাজী নজরুলের ইসলামকে মুসলিম সংস্কার-আন্দোলনের ধারায় প্রথম দিকে গর্বের বিষয় হিসেবে দেখা হলেও বা বুলবুল চৌধুরীকে গৌরবগাথার জন্য অভিনন্দিত করলেও ধর্মদ্রোহিতা, খোদাদ্রোহিতা, পয়গম্বরদ্রোহিতা প্রভৃতি এসে আরোপিত হতে লাগল। শব্দের ব্যবহারের নিন্দিত রূপই হয়ে উঠল আলোচ্য বিষয়। বাঙালি মুসলমানদের মাতৃভাষা বাংলা হলেও ব্যাবহারিক রূপ নিয়ে যে দ্বন্দ্ব চলছিল, প্রবন্ধে তা গুরুত্বের সাথে উপস্থাপিত হওয়ায় বুদ্ধিবৃত্তিক বৃত্তপথে হেঁটে পাঠক বিষয়বস্তুকেন্দ্রিক ও প্রকাশভঙ্গিগত মনোভাব সহজেই অনুধাবন করতে পারেন। পূর্ব-পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর পক্ষে সেই সময় পাকিস্তানি জাতীয়তার স্বরূপ, সাংস্কৃতিক স্বরূপ আদৌ বোঝা সম্ভবপর হয়নি, ফলে দেখা যায় কতিপয় ব্যক্তিত্বের কারণে জোর করে মুসলমানদের স্বকীয়তার উদ্বোধন ও আত্মোপলব্ধিতে ইসলামিকরণের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়। প্রাবন্ধিক পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের সাথে সংস্কৃতির সম্পর্ক বিষয়ে আবুল মনসুর আহমেদের বক্তব্যের যে দীর্ঘ উদ্ধৃতি দিয়েছেন তাতে উপরিউক্ত বিষয়টির সার্বিক প্রমাণ পাওয়া যায়।

ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রাবন্ধিক যেভাবে পাকিস্তান-প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে বাংলাদেশের জটিল পরিস্থিতির চিত্র নিপুণভাবে উপস্থাপন করেছেন তাতে তৎকালীন হিন্দু-মুসলমানের ক্রমবর্ধমান ব্যবধানের প্রক্রিয়ার গভীরতর উপলব্ধির পরিচয় সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র ধোঁয়াশার অবকাশ থাকে না। চল্লিশের দশকের গোড়ায় ‘সাংস্কৃতিক স্বাধিকার’ শব্দটির যেভাবে উদ্ভব দেখা যায় ষাটের দশকে এসে তার অর্থের ও প্রয়োগের যে পরিবর্তন ঘটে তাতে সাংস্কৃতিক রূপপরিবর্তনের একটি সুস্পষ্ট রেখা অনায়াসে চিহ্নিত করা যায়। লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, সম্প্রদায়গত পরিচয়—তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়াস থাকলেও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যই স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের স্বরূপ প্রকাশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাংলা ভাষা ও তার বর্ণমালার ওপর যেভাবে পৌত্তলিকতার অভিযোগ আরোপিত হয়েছিল তাতে দেখা যায় তৎকালীন বুদ্ধিজীবীদের বেশ বড় অংশই যেমন এই অভিযোগের সমর্থন জুগিয়েছিলেন, আবার কেউ কেউ সচেতনভাবে রবীন্দ্র-বিরোধিতার মধ্যদিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্যিক ভাষার একটি সুনির্দিষ্ট একটি ফর্ম প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কোনোভাবেই এসব প্রচেষ্টায় সফলতা আসেনি। বিভাগ-পূর্ব বাংলা সাহিত্যে যেভাবে মুসলিম সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়া হয়েছিল, প্রবন্ধে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির তাত্ত্বিক উপস্থাপনা পাঠকের মননবৃত্তিকে ঐতিহাসিক সত্যের সামনে এনে দাঁড় করায়। উপলব্ধি করতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয় না তৎকালীন প্রেক্ষাপট সম্পর্কে যথার্থ অনুধাবন করতে।

উনিশ শতকের সাহিত্যে মুসলমান সাহিত্যিকদের আরবি-ফারসি শব্দের প্রয়োগের বিষয় এবং প্রাত্যহিক জীবনেও তার ব্যবহার সম্বন্ধে প্রাবন্ধিক এক দীর্ঘ ইতিহাস ও তার পরম্পরা যৌক্তিকভাবে উপস্থাপন করায় পাঠকের জাতিগত স্বরূপের অন্তমুর্খিতা ও বহির্মুখিতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ হয়। তৎকালীন এক দ্বান্দ্বিক পরিবেশের মধ্যদিয়ে বলা যায় কয়েকটি বিষয়ের সুরাহা হয়েছিল। বিশেষভাবে বাংলাভাষার সংস্কৃতিকরণের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ মতবাদ কার্যকরী হয়ে উঠেছিল। পরবর্তীকালে দেখা যায় বাংলা ভাষার ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষত নাগরিক ভাষা ও আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগ বেগবান হয়েছিল। যদিও এই বিষয়টি সরল পথে আবর্তিত হয়নি। ষাটের দশকের তরুণ লেখকেরা তো বিবেচনা করতেই সম্মত ছিলেন না। কিন্তু সময়ের পালাবদলে পূর্ববাংলার লেখকদের মধ্যেও ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। প্রবন্ধে চমৎকার ভাষাভঙ্গিতে উল্লিখিত বিষয়ভাবের যে যুক্তিনিষ্ঠ তত্ত্ব প্রাবন্ধিক উপস্থাপন করেছেন তাতে বাংলাদেশ-পূর্ব বাংলা উপন্যাস, কবিতা এবং তার চিত্রকল্পের নির্মাণ সম্পর্কে বাঁকবদলের পরিধি ও মনস্তত্ত্বটি সহজেই অনুমেয় হয়। কবিতায় স্বদেশ আর নিসর্গ এক হয়ে ওঠে। ষাটের দশক থেকে যে রাজনৈতিক টানাপড়েন, জাতির যে অভিজ্ঞতা তা কেমন করে বাঙালি জাতির জীবনে স্বাধীনতাস্পৃহায় পরিণত হয়—তা প্রবন্ধে প্রকৃত অর্থেই ঐতিহাসিক ঘটনাক্রমের নিরিখে প্রাবন্ধিক উপস্থাপন করে বাঙালি জাতির স্বরূপ, সময়ের চালচিত্র, বিরোধ-সংগ্রাম এবং আকাঙ্ক্ষাকে উপস্থাপন করেছেন। ফলে প্রবন্ধটি পাঠকের কাছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়ে ওঠে জাতির জীবনমান ও বহমানতার দলিল; যেখানে রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংস্কৃতিবিষয়ক বিক্ষোভ—এই যুগপৎ বিষয়ের মধ্যদিয়ে জাতির একাত্মতার বিষয় অনুরণিত হয়। প্রাবন্ধিক প্রবন্ধ শেষে শামসুর রাহমানের ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতার উপস্থাপনের মধ্যদিয়ে স্বরূপের আধার ও আধেয়বিষয়ক যে মনস্তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন, তা বাঙালি জাতির একান্ত নিজের চাওয়া, একান্ত নিজের রূপ এবং জাতীয়তাবাদের নিবিড় আত্মানুসন্ধান। অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের 'স্বরূপের সন্ধানে' প্রবন্ধটি অনুসন্ধিৎসু পাঠক-অন্তরে ইতিহাস-পরিক্রমার মধ্যদিয়ে অবলোকন ও ঐতিহাসিক রূপরেখার যে বিষয়ভাব আস্বাদন করায়, তা অনন্য এবং 'আত্মানাং বিদ্ধি'র মতো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অবশ্য পাঠ্য হওয়া উচিত।

শুভ জন্মদিন, শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

/জেডএস/

সম্পর্কিত

ঐশী গল্প

ঐশী গল্প

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

বসন্তের লঘু হাওয়া

বসন্তের লঘু হাওয়া

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

সর্বশেষ

ঐশী গল্প

ঐশী গল্প

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

বসন্তের লঘু হাওয়া

বসন্তের লঘু হাওয়া

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

বইমেলায় নভেরা হোসেনের ‘অন্তর্গত করবী’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.
© 2021 Bangla Tribune