X
মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ইটভাটায় মাটিচাপা পড়ে শ্রমিক নিহত

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৩৪

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার এক ইটভাটায় মাটিচাপা পড়ে শ্রমিক মো. হাবিবুর রহমান (২৫) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাহতা ইউনিয়নের কদম দেউলি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাবিব বারহাট্টা উপজেলার বাউশী ইউনিয়ের হারুলিয়া গ্রামের কালা চাঁনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার এ.এস.এফ ব্রিকসের ইট প্রস্তুতকারী শ্রমিক হাবিবুর রহমান সকালে ইটভাটায় ইট তৈরির কাজ করছিলেন। আকস্মিকভাবে ভাটার ইট তৈরির ছাকুনি ভাঙার পর মাটিচাপা পড়েন তিনি। পরে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বারহাট্টার এ.এস.এফ ব্রিকসের ম্যানেজার মো. আব্দুল হান্নান বলেন, কাজ করার সময় হাবিবুর রহমান ছাকুনি ভেঙে মাটিচাপা পড়ে মারা যান, ঘটনাটি দুঃখজন।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত শ্রমিকের লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন

যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১০:০১

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় রাতের খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় এক ছাত্র মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও ১৭ ছাত্রকে অসুস্থ অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়।

মৃত নিশান নুর হাদী (৯) উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে ওই মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রথম জামাতের ছাত্র ছিল। সোমবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯ টায় মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় রাতের খাবারের পর এ ঘটনা ঘটে।

মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সুপারিনটেনডেন্ট ইসমাইল হোসেন বলেন, দুপুরে মাদ্রাসায় মাংস রান্না হয়। রাতে এশার নামাজের পর মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগের ১৮ জন ছাত্র ওই মাংস দিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। এক পর্যায়ে রাতে ১৮ জন ছাত্র অসুস্থ হয়ে সবাই পেট ব্যাথায় বমি করতে শুরু করে। এসময় মাদ্রাসার একজন আবাসিক শিক্ষক বিষয়টি জানান এবং একজন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে ডেকে আনেন। পরবর্তীতে তার পরামর্শ অনুযায়ী অসুস্থ ১৮ ছাত্রকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রথম ধাপে ১৮ জন রাতের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন, বাকি আর কেউ খাবার খায়নি। ১২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে এ মাদ্রাসায় ৭০ জন শিক্ষার্থী দৈনিক খাবার খায়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার (ফুড পয়জনিং) কারণে রাতের খাবার খেয়ে ছাত্ররা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে নিশান নামের এক ছাত্রকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এছাড়া আরও ১৭ জন ছাত্র অসুস্থ অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান শিকদার বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খাবারের সঙ্গে কোনও বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়েছিল কিনা, তা তদন্ত করতে বাকি খাবার পরীক্ষার জন্যে জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:৪১

‘নির্মাণশ্রমিক হিসেবে ৫০ বছর কাজ করেছি। গত ১০ বছর কোনও কাজ করতে পারি না। মানুষের কাছে হাত পেতে সংসার চলে। ৫০০ টাকা ভাড়ায় এক বাড়িওয়ালার ঘরে ছিলাম। তিন মাসের ভাড়া দিতে না পারায় বাড়িওয়ালা ঘর থেকে বের করে দেন। এরপর অন্যের বাড়ির বারান্দায় ছিলাম। অবশেষে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেলাম। মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে আমার। ঘর পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি।’

কথাগুলো বলেছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার কুমারগাতা ইউনিয়নের মনতলার হতদরিদ্র আব্দুস সালাম (৮০)। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিসহ ঘর পেয়েছেন তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, ‘এক ছেলে এক মেয়ে আমার। বিয়ে দিয়েছি। যে যার মতো সংসার করছে। আমরা স্বামী-স্ত্রী মানুষের কাছে হাত পেতে চলছি। উপহার ঘর পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে। ঘর নির্মাণের কাজ ভালো হয়েছে। কারণ আমি দীর্ঘসময় নির্মাণশ্রমিক ছিলাম। অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। নিজের চোখে দেখেছি, এক বস্তা সিমেন্টের সঙ্গে চার বস্তা বালু মিশিয়ে ঘরের গাঁথুনি ও মেঝের ঢালাই দেওয়া হয়েছে। মজবুত করে ঘর বানানো হয়েছে। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করেছেন ইউএনও।’

মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে দুই দফায় মুক্তাগাছার নয় ইউনিয়নে ৯৫টি ঘরের বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে দুল্লা ইউনিয়নে সাত, তারাটিতে ২৭, কুমারগাতায় ২১, বড়গ্রামে এক, কাশিমপুরে চার, খেরুয়াজানিতে চার, মানকোনে পাঁচ, ঘোগায় ১৫ ও দাওগাওয়ে ১১টি।

 সরেজমিনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো ঘুরে দেখা যায়, প্রথম দফায় বরাদ্দ পাওয়া ৫০টি ঘরের কাজ শেষ হয়েছে। এসব ঘরে উপকারভোগীরা বসবাস করছেন। তবে দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দের ৪৫টি ঘরের নির্মাণকাজ অর্ধেক বাকি।

তারাটি ইউনিয়নের নিজ শষা আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে দেখা যায়, ২৭টি ঘরের ১০টি দরিদ্রদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭টির নির্মাণকাজ চলছে।

প্রকল্পের উপকারভোগী রোকসানা পারভীন (৫৫) বলেন, ২০০৫ সালে স্বামী নুরুজ্জামান অসুস্থ হয়ে মারা যান। জায়গাজমি না থাকায় বাপের বাড়ি খামারবাজার এলাকায় দুই ছেলেকে নিয়ে বসবাস শুরু করি। ব্র্যাক স্কুলে সাড়ে ৭০০ টাকায় বেতনে শিক্ষকতা করে দুই ছেলেকে লেখাপড়া করানোসহ সংসার চালিয়েছি। করোনার কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাকরি চলে গেলো। এরপর আবেদন করে জমিসহ সরকারি ঘর বরাদ্দ পাই।

তিনি বলেন, ভিক্ষা করে খেলেও প্রত্যেক মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের প্রয়োজন আছে। আমি কল্পনাও করিনি ঘর পাবো। দুই ছেলেকে নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটিয়েছি। ঘর পেয়ে খুশি হয়েছি। ঘরগুলো ভালোভাবে বানানো হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে বাথরুম দেবে যায়। ইউএনওকে জানানোর পর ঠিক করে দিয়েছেন।

একই প্রকল্পের ৩ নম্বর ঘরের সুবিধাভোগী হাবিবুর রহমান (৮৫) বলেন, প্রতিটি ঘরে দুটি থাকার রুম, বাথরুম ও রান্নাঘর আছে। ঘরের বারান্দা আছে। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ঘরের ভেতরে গোসলখানা না থাকায় সমস্যা হচ্ছে।

দুল্লা ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগী নওসের আলী (৭২) বলেন, আমাদের আশ্রয়ণ প্রকল্পে একটিমাত্র টিউবওয়েল। খাবার, রান্না ও গোসলের পানি এই টিউবওয়েল থেকেই ব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে বাথরুমে পানির ব্যবস্থা না থাকায় এক টিউবওয়েলের ওপর চাপ পড়ে। বেশির ভাগ সময় লাইন ধরে পানি নিতে হয়। আরও দুটি টিউবওয়েল থাকলে ভালো হতো।

কুমারগাতার মনতলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সোলেমা বেগম (৬০) বলেন, ‘২১টি ঘরের মধ্যে ১১টির কাজ শেষ হয়নি। বৃষ্টির জন্য ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না মিস্ত্রিরা। ইউএনও সবসময় দেখার জন্য আসেন। সিমেন্ট, বালু ও ইট ঠিকমতো ব্যবহার হচ্ছে কি-না তা দেখেন। অনেক সময় ইউএনও আমাদের জিজ্ঞাসা করেন কাজ ঠিক হচ্ছে কি-না। সিমেন্ট, বালু পরিমাণ মতো না দিলে গাঁথুনি খুলে আবার করার নির্দেশ দেন ইউএনও। ঘরগুলো মজবুত করে বানানো হচ্ছে।’

তারাটি শংকরপুরের বাসিন্দা সুরুজ আলী বলেন, প্রতিটি ঘরের জন্য সরকারি বরাদ্দ এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। কিন্তু বরাদ্দের চেয়ে বেশি ব্যয়ের কথা শুনেছি। মিস্ত্রিরা বলছেন, প্রতি ঘরে বরাদ্দের চেয়ে ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। এজন্য প্রকল্পের ঘরগুলো মজবুত হচ্ছে।

 পুরো প্রকল্পের ঘর নির্মাণকাজের অর্ধেক বাকি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মনসুর বলেন, বর্ষা শুরুর পর আট দিন ও রোজার ঈদের ছয় দিন ছুটি থাকায় মোট ১৪ দিন প্রকল্পের কাজ হয়নি। তবে এখন কাজ চলছে। কাজের মান ভালো হচ্ছে বিধায় ধীরগতি। আগামী ৭ আগস্টের মধ্যে ঘরের কাজ শেষ করে সবার হাতে চাবি তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মধ্যে পানির জন্য টিউবওয়েল বসানোর বরাদ্দ ছিল না। নিজের উদ্যোগে ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি প্রকল্পে একটি করে টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করেছি। ঈদের পর সাতটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে আরও দুটি করে টিউবওয়েল এবং দুটি প্রকল্পে সাবমারসিবল পাম্প বসানো হবে। ফলে পানির সমস্যা থাকবে না। ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ টানার জন্য কোনও বরাদ্দ ছিল না। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের মাধ্যমে ফ্রি কাজ করিয়েছি।

প্রতিটি ঘর নির্মাণে বরাদ্দের চেয়ে বেশি ব্যয় হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঘরের কাজ করার সময় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বালু ভরাট করে সহায়তা করেছেন। ইট কেনার সময় কম দাম রাখতে ভাটা মালিকদের অনুরোধ করেছি। তারা অনুরোধ রেখেছেন। এছাড়া সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ঘরের নির্মাণকাজে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এজন্য ঘরগুলো মজবুত করে বানাতে পেরেছি। কাজের মান নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। কারণ সরকারি বরাদ্দের চেয়ে বেশি টাকা খরচ করে ঘর বানাচ্ছি। কোনও সমস্যার কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করছি। প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে মনে হয়েছে, নিজের পরিবারের লোকজন বসবাস করবে, কাজেই মজবুত করে নির্মাণ করতে হবে।’

 

/এএম/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:৩১

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার পর এই তথ্য জানা গেছে।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে ৮৫ হাজার ১৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৬১৫ জন মহানগর এলাকার, বাকি ২১ হাজার ৫২৯ জন বিভিন্ন উপজেলার। অন্যদিকে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৯৪ জন। এর মধ্যে ৫৯১ জন নগরীর, বাকি ৪০৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতকালের তুলনায় আজ চট্টগ্রামে করোনা রোগী শনাক্ত বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আরও এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮৩৫ জন চট্টগ্রাম নগরীর, বাকি ৪৩৮ জন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে তিন হাজার ৪৫০টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৪৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৭৭৯টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৫৬৭টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ২৩২টি এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। 

এর মধ্যে চবি ল্যাবে ২৩৮ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ২২৬ জন, চমেক ল্যাবে ১৯৩ জন, সিভাসু ল্যাবে ১০৫ জন এবং আরটিআরএল ল্যাবে ২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এদিন ৮১৩ টি অ্যান্টিজেন টেস্টে ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৯ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৭৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮ জন, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ৪৩ টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩ জন এবং ইপিক হেলথ কেয়ারে ২২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২৪ টি নমুনা পরীক্ষায় ছয় জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:৫৭

দীর্ঘ চাকরি জীবন শেষে অবসরে গেলেন টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল ফারুক আহমেদ। দিনটিকে স্মরণীয় করতে বিশেষ আয়োজন করে শেষ কর্মস্থল এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহকর্মীরা। তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে দিতে সাজানো হয় পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি। সোমবার (২ আগস্ট) বিকালে পুলিশ সদস্য ফারুক আহমেদ বিদায় সংবর্ধনা নিয়ে ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো গাড়িতে করে বাড়ি ফেরেন। তার সঙ্গে স্ত্রী রিনা বেগম ও মেয়ে রুনা আক্তারও সঙ্গী হয়। এসময় কনস্টেবল ফারুক আহমেদের চোখে-মুখে ছিল কান্নার ছাপ। সৎ ও নিষ্ঠাবান কনস্টেবল ফারুক আহমেদকে বিদায় দিতে গিয়ে তার সহকর্মীরাও আবেগ আপ্লুত হন।

এদিকে ফারুক আহমেদের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গ্রামের বাড়িতে গাড়িটি পৌঁছালে সেখানেও স্বজনরা তাকে বরণ করে নেন। এই ব্যতিক্রমী বিদায়ে সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফারুক আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। আনন্দঘন এই আয়োজন দেখতে ফারুকের বাড়িতে ভিড় জমান স্থানীয়রাও।

জানা গেছে, ফারুক আহমেদ ১৯৮৬ সালে পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। প্রায় ৩৭ বছরে ডিএমপি, ঢাকা রেঞ্জ, পাবর্ত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন থানায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে বিশেষ আয়োজন করে শেষ কর্মস্থল এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহকর্মীরা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কনস্টেবল ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমি কর্মজীবনের দীর্ঘ সময়ে অনেক থানায় দায়িত্ব পালন করেছি। শেষ কর্মস্থলের সহকর্মীরা বিদায়কালের এভাবে সম্মান দিবে কখনও ভাবিনি। আমার পরিবারসহ এই সম্মান পেয়ে আমি আবেগ আপ্লুত। আমি সহকর্মীদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।’

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘ফারুক আহমেদ গত ৯ মাস ধরে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। আজ তিনি অবসরে গেলেন। তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানোসহ ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পরে সুসজ্জিত গাড়িতে করে তিনিসহ তার স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রবীণ এই পুলিশ সদস্যের চাকরিজীবনের শেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।’

প্রসঙ্গত, এরআগে গত ৩১ জুলাই জেলার সখীপুর থানার কনস্টেবল জাহিদ হাসানকে সুসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।  

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

মায়ের মৃত্যুর খবরে মেয়েরও মৃত্যু

মায়ের মৃত্যুর খবরে মেয়েরও মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:৩৬

রোহিঙ্গা বসতির কারণে বনভূমি ধ্বংস ও মানুষের নানা অত্যাচারে আবাসস্থল হারিয়ে কক্সবাজারে হ্রাস পেয়েছে বন্য হাতি। এসবের মধ্যে টেকনাফ পাহাড়ের গহীনে একটি বন্য হাতির বাচ্চা প্রসবের সুসংবাদ দিয়েছে দক্ষিণ বন বিভাগ। এ নিয়ে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি।

দক্ষিণ বন বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার (০২ আগস্ট) দুপুরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হোয়াইক্যং বিটের মংলা জাইন চাকমার ঘোনা এলাকার বনে একটি বন্য হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে। এ নিয়ে গত এক বছরে বন বিভাগে বন্য হাতির বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬টি।

টেকনাফের হোয়াইক্যং রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান বলেন, ‘বনের ভেতর একটি বন্য হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে দেখতে পেয়ে দায়িত্বরত সিপিজির সদস্যরা বন বিভাগকে জানান। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘সবকিছু প্রাকৃতিকভাবেই ঘটছে। মা হাতি ও বাচ্চা সুস্থ এবং স্বাভাবিক আছে। সিপিজি সদস্যদের মা ও বাচ্চা হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে।’

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, ‘২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে উখিয়া ও টেকনাফের অন্তত ১০ হাজার একর বনভূমি ধ্বংস করে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এ কারণে বনাঞ্চলে হাতিগুলোর পরিবেশ, আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। বন্য হাতির জীবন সংকটে পড়েছে। বন্ধ হয়ে যায় তাদের চলাচল। এসবের মধ্যে বন্য হাতির বাচ্চা প্রসবের খবর অত্যন্ত সুখকর। এই অবস্থায় হাতিদের যে আবাস্থল রয়েছে, তা নিরাপদ রাখতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তাসহ নানাভাবে হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শেখ নাজমুল হুদা বলেন, ‘হাতির আবাসস্থলের এসব এলাকায় আগের পরিবেশ ফিরে এসেছে। এখনও হাতির নিরাপদ আবাসস্থল জোন হিসেবে রয়েছে এসব বনাঞ্চল। খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ এবং সহনীয় পরিবেশ রয়েছে বলে এখনও হাতিরা এসব এলাকায় বিচরণ করছে। সেই সঙ্গে বাচ্চা প্রসব করছে। এসব বন্য হাতিকে বিরক্ত করা যাবে না। যদি মানুষের কারণে অবাধ চলাফেরা করতে না পারে, তাহলে হাতিগুলো অন্যত্র চলে যেতে পারে। তাই বন বিভাগকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’  

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন বনাঞ্চলে গত এক বছরে এক বছর বয়সী  প্রায় ১৬টি বাচ্চা দেখা গেছে। হিমছড়ি, ধোয়াপালং, পানেরছড়া, ইনানী, হোয়াইক্যং, শীলখালী রেঞ্জের বনাঞ্চলে এসব বাচ্চা প্রসব করে মা হাতি। এসব হাতি এশিয়ান প্রজাতির।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, সর্বশেষ ২ আগস্ট দক্ষিণ বন বিভাগের হোয়াইক্যং বিটের মংলা জাইন চাকমার ঘোনা এলাকার বনের অভ্যন্তরে একটি হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে। মা এবং বাচ্চা হাতি সুুুস্থ আছে। ২০১৭ সালের সর্বশেষ জরিপে কক্সবাজারের এই দক্ষিণ বনাঞ্চলে মোট এশিয়ান হাতির সংখ্যা ছিল ৬৩টি। এসব হাতি থেকে প্রজনন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, সারাদেশে ২৬৮টি মহাবিপন্ন এশিয়ান হাতির দুই-তৃতীয়াংশের বাস কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে। কিন্তু কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে রেললাইন, বিভিন্ন প্রকল্প, অবৈধ দখলসহ বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে হাতির আবাসস্থল উজাড়, চলাচলের করিডোর বাধাগ্রস্ত হয়ে খাদ্য সংকটে পড়েছিল এসব হাতি। ফলে বাধ্য হয়ে খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দেওয়ায় বন্য হাতি ও মানুষের মধ্যে তিক্ততা দেখা দেয়।

অন্যদিকে, ফসলরক্ষায় এসব হাতিকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে ও গুলি করে হত্যার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে গত তিন বছরে কক্সবাজার দক্ষিণ ও উত্তর বনাঞ্চলে ১৮টি বন্য হাতির মৃত্যু হয়।

 

/এএম/

সম্পর্কিত

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ২ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

সর্বশেষ

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

বাংলাদেশের 'বিশ্বকাপ' শুরু তো আজ থেকেই!

বাংলাদেশের 'বিশ্বকাপ' শুরু তো আজ থেকেই!

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কথা রাখেননি গার্মেন্টস মালিকরা

কথা রাখেননি গার্মেন্টস মালিকরা

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কমনওয়েলথ সম্মেলনের প্রথম ভাষণে যা বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু

কমনওয়েলথ সম্মেলনের প্রথম ভাষণে যা বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু

চূড়ান্ত হলো  বিল ও মেলিন্ডা গেটসের বিচ্ছেদ

চূড়ান্ত হলো  বিল ও মেলিন্ডা গেটসের বিচ্ছেদ

শিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহশিশুর মুখের স্বাস্থ্যে বুকের দুধ

রাজনীতি ছাড়লেও এমপি পদ রাখবেন ভারতের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

রাজনীতি ছাড়লেও এমপি পদ রাখবেন ভারতের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন

যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন

মৃত্যু বেড়েছে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে

মৃত্যু বেড়েছে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ১৬ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ১৬ জনের মৃত্যু

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ঈদে সাড়ে ১১ লাখ দাম উঠেছিল, বিক্রি না করে বিপাকে

ঈদে সাড়ে ১১ লাখ দাম উঠেছিল, বিক্রি না করে বিপাকে

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

© 2021 Bangla Tribune