X
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ৮ আষাঢ় ১৪২৮

সেকশনস

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

গতিময় এক বাংলাদেশের সাফল্যের নানা কথা

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২১, ০০:০০

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এখন চোখে পড়ার মতো। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ এই উন্নয়ন যাত্রাকে আরও সমৃদ্ধি করেছে। বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক সূচকে বাংলাদেশের যে অগ্রগতিশীল উন্নয়ন—এটি অনেকটা স্বপ্নের মতো। অনেকের ভাবনাতেই ছিল না বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে যাবে। আর্থসামাজিক সব সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বে নজর কাড়তে সক্ষম হবে। 

ক্ষুদ্র আয়তনের বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রাকে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মকৌশলের মধ্যে আনার বড় কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বুকে ধরে যিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বেই দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। মানুষে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, পোশাক ও ওষুধ শিল্পের অগ্রগতিও হয়েছে সমান্তরাল। পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, মেট্রোরেল—এসব মেগা প্রকল্পগুলো এখন প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান হচ্ছে। মানুষের ক্রয়সক্ষমতা আগের চেয়ে এখন বেশি। গ্রামীণ অর্থনীতিও এখন আরও সবল। সেবাখাতগুলোতেও এসেছে বহুধা পরিবর্তন। ঘরে বসেই এখন দরিদ্র মানুষেরা সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সুবিধাদি গ্রহণ করতে পারছে। এই সামগ্রিক পরিবর্তনের মাঝে প্রষ্ফুটিত হচ্ছে গতিময় নতুন এক বাংলাদেশ।   

বাংলাদেশের উদ্ভাবনীমূলক উন্নয়ন মডেলের জয়জয়কার। তার মানে এই নয় যে আমাদের সমস্যা নেই। নিশ্চয় আছে। আগেও ছিল। আছে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি, বৈষম্য, সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার, জলবায়ু পরিববর্তনের প্রচ- চাপ, মন্থর আমলাতন্ত্র এবং বিচারব্যবস্থা। তা সত্ত্বেও থেমে নেই বাংলাদেশ। পরিশ্রমী মানুষ এবং সুদূরপ্রসারী বিচক্ষণ নেতৃত্বের গুণে এতসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই সফলতার এক অনন্য সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। সুবর্ণজয়ন্তীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে এই আরেক বাংলাদেশের সাফল্যের নানা গল্প বিশ্ব গণমাধ্যমে প্রায়ই প্রকাশিত হচ্ছে।

গত ১০ মার্চ কলামিস্ট নিকোলাস ক্রিস্টফ বিশ্ববিখ্যাত দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমসে লিখেছেন যে দারিদ্র্য কি করে কমাতে হয় তা বোঝার জন্য জন্য বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের কাছ থেকে শিখতে পারে। বিশেষ করে নারী, শিশুকে শিক্ষিত করে একটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ কি করে এত অল্প সময়ের মধ্যে তীব্র দারিদ্র্য নিরসন করে এমন মাথা উঁচু করে তরতর করে উন্নয়নের মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তা সত্যি অনুসন্ধানের বিষয়।

কলামিস্ট নিকোলাস ক্রিস্টফ পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া সাংবাদিক। তাঁর মতে গরিব মানুষের পেছনে বিনিয়োগ করেই বাংলাদেশ এই সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুই প্রাথমিক শিক্ষার অবারিত সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশুরা বেশি করে সরকারের দেয়া শিক্ষার সুযোগ গ্রহণ করছে। যার ফলে মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বেশি হারে পড়ছে। এই মেয়েরাই এখন গ্রাম থেকে শহরে এসে পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানায় কাজ করছে। আঠারো বছরের আগে বিয়ে না করে তারা আনুষ্ঠানিক কর্মে যুক্ত হচ্ছে। কাজ করে করেই তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। তাই তাদের দক্ষতাও বাড়ছে। আর বাড়ছে উৎপাদনশীলতা। সরকার এবং সরকারের বাইরের অনেক সামাজিক উন্নয়নে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান মিলেই নারীর শিক্ষা এবং দারিদ্র্য নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

কর্মজীবী এই নারী শুধু তাদের পরিবারের দারিদ্র্য ঘোচাচ্ছে সেটিই গল্পের পুরোটা নয়। একইসঙ্গে তারা তাদের পরিবারে ও সমাজে নারীর ক্ষমতায়নের গতিকে বেগবান করছে। নিজেদের ভাই-বোন ও সন্তানদের পড়ালেখার সুযোগও করে দিচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিয়মিত টাকা পাঠিয়ে পরিবারের ভোগের স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে। গ্রামীণ চাহিদা চাঙ্গা করে রেখেছে। বাড়িতে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের ব্যবস্থা ছাড়াও বোনেদের ও মায়েদের স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বাঁচবার সংস্কৃতিও গড়ে তুলতে সাহায্য করছে।

এবারের মার্চে মহামারির মধ্যেও যুগপৎ মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে বাংলাদেশ। এমন সময়ে এমন প্রশংসনীয় কথা শুনতে কার না ভালো লাগে। তাও আবার বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যম থেকে। মাত্র ক’দিন আগেই আরেক বিখ্যাত মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল লিখেছে যে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গতিময় (‘বুল রানিং কেইস’) দেশ হতে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনামের মতো রপ্তানি নির্ভরশীল এশীয় উন্নয়ন মডেলের প্রতিচ্ছবি বাংলাদেশের মাঝে এই পত্রিকার কলামিস্ট দেখতে পাচ্ছেন। মাথাপিছু আয় এবং ক্রমবর্ধমান রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে বাংলাদেশ এমন চমকে দেয়া উন্নয়নের গতিময় ধারা সচল রেখেছে বলে তিনি মনে করেন।

এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ পরিচালিত কোভিড-১৯ সংকট ব্যবস্থাপনার সাফল্য মাপার ব্লুমবার্গ রেজিলিয়েন্স সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম বিশটি দেশের তালিকায় নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছে। করোনা প্রতিরোধের টিকা ব্যবস্থাপনাতেও বাংলাদেশ দারুণ পারফর্ম করছে। জাতিসংঘের মহাসচিব, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নেতৃত্বের গুণেই যে বাংলাদেশ এমন অসামান্য অর্জন করে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। তাই তো কমনওয়েলথ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কমনওয়েলথ অঞ্চলের তিন সফলতম নারীনেত্রী হিসেব চিহ্নিত করেছেন।

বাহাত্তরের দিকে ফিরে তাকানো যাক একটু। ১০ জানুয়ারি নিজভূমিতে পা রাখলেন বঙ্গবন্ধু। জনসভায় দাঁড়িয়ে কাঁদলেন আর মানুষকে বাঁচানোর অঙ্গীকার করলেন। তাঁর কাছে তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত এক পোড়া বাংলাদেশ। চারদিকে হাহাকার, কান্না, দ্রোহ। লাখো শহিদের রক্তস্নাত বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শূন্য হাতেই বঙ্গবন্ধু তাঁর উন্নয়ন অভিযাত্রা শুরু করলেন। এক ডলারও রিজার্ভ নেই। রাস্তাঘাট, সেতু, রেল, বন্দরসহ প্রায় সকল অবকাঠামো বিধ্বস্ত। এক কোটি শরণার্থীর পুনর্বাসন করতে হবে। কৃষি ও শিল্পের পুনর্নির্মাণ করতে হবে। তিনি দমলেন না। উদ্যোক্তাবিহীন বাংলাদেশে শিল্পের রাষ্ট্রীয়করণ ছিল অবধারিত। কৃষির আধুনিকায়নে তিনি উন্নত বীজ, সার ও সেচের ব্যবস্থা করলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুললেন। কুদরত-ই-খুদা কমিশন করে উপযুক্ত নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য তৎপর হলেন। দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দিলেন। সকলের সাথে বন্ধুত্বের কূটনীতি চালু করে বাংলাদেশকে সুপরিচিত করলেন। বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদস্য হলো বাংলাদেশ। দ্রুতই সংবিধান ও প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চালু করে পরিকল্পিত উপায়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ করার সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ গ্রহণ করলেন তিনি। বৈদেশিক সাহায্যের জন্য হাত বাড়ালেন।

কিন্তু ভাগ্য খারাপ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও বৈরী যুক্তরাষ্ট্রের নানা ষড়যন্ত্রে অনেক কিছুই থমকে যেতে থাকে। তবুও এসব মোকাবিলা করেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার সংকল্পে স্থির থাকে। মাত্র সাড়ে তিন বছরেই মাথাপিছু আয় ৯৩ ডলার থেকে ১৯৭৫-এ ২৭৩ ডলারে উন্নীত হয়। কৃষি উৎপাদনে গতি আসতে শুরু করে। সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয়। আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষা এবং সাম্যের অর্থনীতি পরিচালনার জন্য বিকেন্দ্রায়িত প্রশাসন ও অর্থনীতি পরিচালনার উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু শত্রুরা বঙ্গবন্ধুর এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট। শারীরিকভাবে হারিয়ে ফেলি তাঁকে। কিন্তু তিনি থেকে যান আমাদের নিশ্বাসে প্রশ্বাসে। ষড়যন্ত্রকারীদের নির্বাচনে পরাস্ত করে বঙ্গবন্ধুকন্যা ক্ষমতায় আসেন ১৯৯৬ সালে। বাংলাদেশ ফিরতে থাকে বঙ্গবন্ধুর জনকল্যাণের উন্নয়নের পথে। ব্যক্তিখাত ও সরকারি খাত মিলেমিশে উন্নয়নের এক ভারসাম্যময় কৌশল গ্রহণ করে বাংলাদেশ। সামাজিক সুরক্ষার নীতি চালু করা হয় গরিব-দুঃখী মানুষের কল্যাণের জন্য। দেশ ফিরে আসতে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের আকাক্সক্ষার পথে। ফের ছন্দপতন ২০০১ সালে। নানা আঘাত আক্রমণ মোকাবিলা করে ফের বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার সিটে বসেন ২০০৯ সালে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।

গত এক যুগে বাংলাদেশের বিস্ময়কর পরিবর্তন অস্বীকার করার উপায় নেই। অর্থনীতি ও সমাজে নানান পরিবর্তন নজর না কেড়ে পারে না। গ্রামগুলোতে গেলে বোঝা যায় কতটা বদলে গেছে বাংলাদেশ। মাথাপিছু আয় বেড়েছে সাড়ে তিনগুণ। রপ্তানি বেড়েছে চার গুণ। প্রবাসী আয় বেড়েছে তিনগুণের মতো। পঁচাত্তরের পর রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৮৫ গুণ এবং রপ্তানি বেড়েছে ১৩৩ গুণ। গত বারো বছরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় সাত গুণ। গত পঞ্চাশ বছরের হিসাব নিলে দেখা যায় যে ৭৫ পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ৭৩ শতাংশই হয়েছে গত এক যুগে। গত পাঁচ দশকে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে চার গুণ। ব্যক্তিখাতে বস্ত্র শিল্পের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। পূর্ব এশিয়ার অনুরূপ কম দক্ষ নারী শ্রমিকনির্ভর শিল্পায়ন বাংলাদেশকে প্রতিযোগী করে তুলেছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে আর্থিক খাত ও প্রশাসন গতিময় ও অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে। মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের গতি বেড়েছে। কৃষি আধুনিক হয়েছে। করোনাকালেও এই খাত ভালো করছে। খুদে ও মাঝারি শিল্পের দেয়া প্রণোদনা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে পবৃদ্ধির হার আরও বাড়বে। বিদ্যুতের প্রসার তো চোখেই পড়ছে। শিক্ষাখাতে ব্যাপক সংখ্যাগত উন্নতি হলেও গুণমানের উন্নতি এখনো চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে। রাস্তা-ঘাটের আরও উন্নতি কাম্য। বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়লেও বিতরণ সমস্যা রয়ে গেছে। আগামী দিনে সবুজ বিদ্যুতের দিকে আরও বেশি করে মনোযোগ দিতে হবে। আগেই বলেছি বাংলাদেশ কোভিড মোকাবিলায় সাফল্য দেখিয়ে চলেছে। বাংলাদেশে গড় আয়ু বাড়ছে, শিশু ও মাতমৃত্যুর হার কমছে, অপুষ্টির হার কমছে। অসরকারি খাত এবং সরকারি খাত মিলেই এই সাফল্য বয়ে এনেছে।

বাংলাদেশে অভূতপূর্ব অগ্রগতিকে অনেকেই বলছেন ‘উন্নয়ন বিস্ময়’। কথাটা অসত্য নয়। দারিদ্র্য দূরীকরণে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। গতিময় এক বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে দুরন্ত গতিতে। এই বাংলাদেশে আরও যে আর্থসামাজিক পরিবর্তন আসন্ন এতে কোনো সন্দেহ নেই। 

লেখক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর।

 

/জেডএস/

সর্বশেষ

ঘু‌রে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ব্রিটে‌নের বাংলা‌দেশিরা

ঘু‌রে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ব্রিটে‌নের বাংলা‌দেশিরা

৬ মিনিটের ঝলকে গ্রুপ সেরা বেলজিয়াম

৬ মিনিটের ঝলকে গ্রুপ সেরা বেলজিয়াম

প্রথমবারের মতো আমিরাত সফরে যাচ্ছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রথমবারের মতো আমিরাত সফরে যাচ্ছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আজ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে রাজধানী

আজ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে রাজধানী

বাংলাদেশের ফেসবুক লাইভে যুক্ত হচ্ছেন নোম চমস্কি

বাংলাদেশের ফেসবুক লাইভে যুক্ত হচ্ছেন নোম চমস্কি

দুবাইয়ের সেই রাজকন্যাকে স্পেনে দেখা গেছে

দুবাইয়ের সেই রাজকন্যাকে স্পেনে দেখা গেছে

পিরোজপুরে ১৮ ইউপিতে নৌকা, ১১টিতে স্বতন্ত্র জয়ী

পিরোজপুরে ১৮ ইউপিতে নৌকা, ১১টিতে স্বতন্ত্র জয়ী

জ্যামিতি বক্সে ইয়াবা বহন করতেন বাবা-ছেলে

জ্যামিতি বক্সে ইয়াবা বহন করতেন বাবা-ছেলে

‘আমরা ১০-১১ গোল খেতাম, এখন ৫-৬টা খাই’

‘আমরা ১০-১১ গোল খেতাম, এখন ৫-৬টা খাই’

চাঁদপুর-ঢাকা-নারায়ণগঞ্জেও লঞ্চ বন্ধ ঘোষণা

চাঁদপুর-ঢাকা-নারায়ণগঞ্জেও লঞ্চ বন্ধ ঘোষণা

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থীদের ক্ষমা করে দেবে স্পেন

কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থীদের ক্ষমা করে দেবে স্পেন

মাঠ থেকে সরানো হবে পিলার, জবি প্রশাসনকে ডিএসসিসির আশ্বাস

মাঠ থেকে সরানো হবে পিলার, জবি প্রশাসনকে ডিএসসিসির আশ্বাস

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আমার গুণ
আমার প্রিয়-অপ্রিয়

আমার প্রিয়-অপ্রিয়

প্রেমের কবি

প্রেমের কবি

আমার চেতনার কবি

আমার চেতনার কবি

সুফিয়া কামালের কবিতা

সুফিয়া কামালের কবিতা

অশ্রুবিন্দুর মতো স্পষ্ট ও নিঃসঙ্গ

পাখিদের নির্মিত সাঁকোঅশ্রুবিন্দুর মতো স্পষ্ট ও নিঃসঙ্গ

দেখা না দেখার বায়োস্কোপ

দেখা না দেখার বায়োস্কোপ

‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ ও হাসান হাফিজুর রহমান

‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ ও হাসান হাফিজুর রহমান

ঈশ্বর ভাবনার ‘বিগ্রহ ও নিরাকার’

ঈশ্বর ভাবনার ‘বিগ্রহ ও নিরাকার’

মলিন জগতের প্রাণ

মলিন জগতের প্রাণ

© 2021 Bangla Tribune