X
মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

কয়েক মিনিটের তাণ্ডবে হাজারো কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ২০:১৩

কৃষকের কান্নায় ক্রমশ ভারি হয়ে উঠছে নেত্রকোনা জেলার হাওরাঞ্চল হিসেবে খ্যাত খালিয়াজুরী, মদন ও মোহনগঞ্জ উপজেলা। রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতের কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন মুহূর্তে বিলীন হয়ে গেছে। শীষে ধান নেই, জমিতে শুধু ধান গাছ দাঁড়িয়ে রয়েছে। সোমবার সকাল থেকে হাওরাঞ্চলে চলছে কৃষকদের বিলাপ করা কান্না।

নেত্রকোনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে খালিয়াজুরী উপজেলায় ১৯ হাজার ৯ শত ৫০ হেক্টর, মদনে ১৭ হাজার ৩ শত ৪০ হেক্টর ও মোহনগঞ্জ উপজেলায় ১৭ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের ফলন ভাল হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে বলে আশা ছিলো কৃষকদের। বেশির ভাগ জমির ধানই পাকতে শুরু করেছে। আর কয়েক দিনের মধ্যে ব্রি-আর ২৮ জাতের ধানের পাশাপাশি হাইব্রিড জাতের ধান কাটা শুরু হতে যাচ্ছে। এরি মধ্যে আগে লাগানো কিছু কিছু জমিতে ধান কাটা শুরু হয়েছে। সারা বছরের একমাত্র হাড়ভাঙা কষ্টে ফলানো সোনার ফসল ঘরে তুলতে অনেকেই বিভোর সময় পার করছে। জমিতে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেছে। কিন্তু গত রবিবার সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে মাত্র কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ের গরম বাতাস যেন কৃষকদের সব স্বপ্ন বিলীন করে দিয়েছে। ধার-দেনা করে এক ফসলী জমির ফসল হারিয়ে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই কৃষকের।

মদনের তিয়শ্রী ইউনিয়নের বাগজান গ্রামের কৃষক আবুল মিয়া, খালিয়াজুরী উপজেলার মেন্দীপুর গ্রামের আরিফ মিয়া, মোহনগঞ্জ উপজেলার হাটনাইয়া গ্রামের হাসেম মিয়া, নলজুরী গ্রামের হেলিম মিয়াসহ অনেকেই জানান, হাওরের এক ফসলী বোরো জমির ফসল দিয়ে সারা বছর পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। রবিবার সন্ধ্যায় কয়েক মিনিটের গরম বাতাসে জমির সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণ করে জমিতে ফসল উৎপাদন করেছিলাম। এখন সারা বছর খাবো কি আর কি দিয়ে ঋণ পরিশোধ করবো। সরকার যদি আমাদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

সোমবার সকালে মদন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদসহ কৃষি বিভাগের লোকজন হাওরাঞ্চল পরিদর্শন করেছেন।

মদন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার রায়হানুল হক জানান, রবিবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখী ঝড়ে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নেত্রকোনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমি স্থানীয় কৃষি অফিসারদের নিয়ে মদন, মোহনগঞ্জ ও কালিয়াজুরী উপজেলার বিভিন্ন হাওরাঞ্চল পরিদর্শন করছি। তিনি জানান, যে সমস্ত জমিতে এখনও ধান পাকেনি সে সমস্ত জমির ধান গরম বাতাসের কারণে চিটা হতে পারে। আমাদের লোকজন মাঠে আছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের চেষ্টা চলছে।

 

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৪ মৃত্যু

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১০:২৫

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় মারা গেছেন তিন জন। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকালে হাসপাতালের পরিচালক কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
 
সূত্র জানায়, সোমবার (২ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৫ জন। তাদের মধ্যে নয় জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। একই সময়ে (গত ২৪ ঘণ্টায়) বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ৫৬ জন করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে নয় জন করোনায় আক্রান্ত। ২২টি আইসিইউ শয্যার একটিও ফাঁকা নেই।

মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত করোনা ওয়ার্ডে মোট চিকিৎসাধীন ৩২৭ জন। তাদের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২৩ জনের। অন্যরা এই ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন।

এদিকে শের-ই বাংলা মেডিক্যালের পিসিআর ল্যাবে প্রকাশিত সোমবার রাতের সবশেষ রিপোর্টে ১৯০টি নমুনা পরীক্ষায় ৮২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৩.১৫ শতাংশ।

২০২০ সালের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত শের-ই বাংলা মেডিক্যালের করোনা ওয়ার্ডে মোট ভর্তি ছয় হাজার ৪৫১ জন ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই হাজার চার জন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। ছাড়পত্র নিয়েছেন চার হাজার ৯৯৩ জন। তাদের মধ্যে এক হাজার ৫৬৪ জন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। এক হাজার ১৩১ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত ছিলেন ৩২৬ জন।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

দুই ডোজ টিকা নিয়েও করোনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বিবাহিত, কমিটি বিলুপ্ত

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বিবাহিত, কমিটি বিলুপ্ত

করোনার টিকা ছাড়াই সুই পুশ: বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

করোনার টিকা ছাড়াই সুই পুশ: বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্ত

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু কমেছে, বেড়েছে শনাক্ত

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১০:১৬

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ রোগী মারা গেছেন। এদের মধ্যে ছয় জন করোনায় ও ১১ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। 

করোনায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার দুই জন করে এবং দিনাজপুর ও নরসিংদীর একজন করে রোগী রয়েছেন। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহের আট জন, টাঙ্গাইলের দুই এবং নেত্রকোনার একজন রোগী মারা গেছেন। 

১৭ জন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫৫১ জন এবং আইসিইউতে ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া ৫২ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। 

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে করোনা শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা হচ্ছে ১৫ হাজার ৯৯৫জন। আর এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৮৬৫ জন।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১০:০১

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় রাতের খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় এক ছাত্র মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও ১৭ ছাত্রকে অসুস্থ অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়।

মৃত নিশান নুর হাদী (৯) উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে ওই মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রথম জামাতের ছাত্র ছিল। সোমবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯ টায় মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায় রাতের খাবারের পর এ ঘটনা ঘটে।

মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সুপারিনটেনডেন্ট ইসমাইল হোসেন বলেন, দুপুরে মাদ্রাসায় মাংস রান্না হয়। রাতে এশার নামাজের পর মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগের ১৮ জন ছাত্র ওই মাংস দিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। এক পর্যায়ে রাতে ১৮ জন ছাত্র অসুস্থ হয়ে সবাই পেট ব্যাথায় বমি করতে শুরু করে। এসময় মাদ্রাসার একজন আবাসিক শিক্ষক বিষয়টি জানান এবং একজন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে ডেকে আনেন। পরবর্তীতে তার পরামর্শ অনুযায়ী অসুস্থ ১৮ ছাত্রকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রথম ধাপে ১৮ জন রাতের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন, বাকি আর কেউ খাবার খায়নি। ১২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে এ মাদ্রাসায় ৭০ জন শিক্ষার্থী দৈনিক খাবার খায়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার (ফুড পয়জনিং) কারণে রাতের খাবার খেয়ে ছাত্ররা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে নিশান নামের এক ছাত্রকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এছাড়া আরও ১৭ জন ছাত্র অসুস্থ অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান শিকদার বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খাবারের সঙ্গে কোনও বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়েছিল কিনা, তা তদন্ত করতে বাকি খাবার পরীক্ষার জন্যে জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:৪১

‘নির্মাণশ্রমিক হিসেবে ৫০ বছর কাজ করেছি। গত ১০ বছর কোনও কাজ করতে পারি না। মানুষের কাছে হাত পেতে সংসার চলে। ৫০০ টাকা ভাড়ায় এক বাড়িওয়ালার ঘরে ছিলাম। তিন মাসের ভাড়া দিতে না পারায় বাড়িওয়ালা ঘর থেকে বের করে দেন। এরপর অন্যের বাড়ির বারান্দায় ছিলাম। অবশেষে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেলাম। মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে আমার। ঘর পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি।’

কথাগুলো বলেছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার কুমারগাতা ইউনিয়নের মনতলার হতদরিদ্র আব্দুস সালাম (৮০)। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিসহ ঘর পেয়েছেন তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, ‘এক ছেলে এক মেয়ে আমার। বিয়ে দিয়েছি। যে যার মতো সংসার করছে। আমরা স্বামী-স্ত্রী মানুষের কাছে হাত পেতে চলছি। উপহার ঘর পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে। ঘর নির্মাণের কাজ ভালো হয়েছে। কারণ আমি দীর্ঘসময় নির্মাণশ্রমিক ছিলাম। অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। নিজের চোখে দেখেছি, এক বস্তা সিমেন্টের সঙ্গে চার বস্তা বালু মিশিয়ে ঘরের গাঁথুনি ও মেঝের ঢালাই দেওয়া হয়েছে। মজবুত করে ঘর বানানো হয়েছে। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করেছেন ইউএনও।’

মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে দুই দফায় মুক্তাগাছার নয় ইউনিয়নে ৯৫টি ঘরের বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে দুল্লা ইউনিয়নে সাত, তারাটিতে ২৭, কুমারগাতায় ২১, বড়গ্রামে এক, কাশিমপুরে চার, খেরুয়াজানিতে চার, মানকোনে পাঁচ, ঘোগায় ১৫ ও দাওগাওয়ে ১১টি।

 সরেজমিনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো ঘুরে দেখা যায়, প্রথম দফায় বরাদ্দ পাওয়া ৫০টি ঘরের কাজ শেষ হয়েছে। এসব ঘরে উপকারভোগীরা বসবাস করছেন। তবে দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দের ৪৫টি ঘরের নির্মাণকাজ অর্ধেক বাকি।

তারাটি ইউনিয়নের নিজ শষা আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে দেখা যায়, ২৭টি ঘরের ১০টি দরিদ্রদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭টির নির্মাণকাজ চলছে।

প্রকল্পের উপকারভোগী রোকসানা পারভীন (৫৫) বলেন, ২০০৫ সালে স্বামী নুরুজ্জামান অসুস্থ হয়ে মারা যান। জায়গাজমি না থাকায় বাপের বাড়ি খামারবাজার এলাকায় দুই ছেলেকে নিয়ে বসবাস শুরু করি। ব্র্যাক স্কুলে সাড়ে ৭০০ টাকায় বেতনে শিক্ষকতা করে দুই ছেলেকে লেখাপড়া করানোসহ সংসার চালিয়েছি। করোনার কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাকরি চলে গেলো। এরপর আবেদন করে জমিসহ সরকারি ঘর বরাদ্দ পাই।

তিনি বলেন, ভিক্ষা করে খেলেও প্রত্যেক মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের প্রয়োজন আছে। আমি কল্পনাও করিনি ঘর পাবো। দুই ছেলেকে নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটিয়েছি। ঘর পেয়ে খুশি হয়েছি। ঘরগুলো ভালোভাবে বানানো হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে বাথরুম দেবে যায়। ইউএনওকে জানানোর পর ঠিক করে দিয়েছেন।

একই প্রকল্পের ৩ নম্বর ঘরের সুবিধাভোগী হাবিবুর রহমান (৮৫) বলেন, প্রতিটি ঘরে দুটি থাকার রুম, বাথরুম ও রান্নাঘর আছে। ঘরের বারান্দা আছে। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ঘরের ভেতরে গোসলখানা না থাকায় সমস্যা হচ্ছে।

দুল্লা ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগী নওসের আলী (৭২) বলেন, আমাদের আশ্রয়ণ প্রকল্পে একটিমাত্র টিউবওয়েল। খাবার, রান্না ও গোসলের পানি এই টিউবওয়েল থেকেই ব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে বাথরুমে পানির ব্যবস্থা না থাকায় এক টিউবওয়েলের ওপর চাপ পড়ে। বেশির ভাগ সময় লাইন ধরে পানি নিতে হয়। আরও দুটি টিউবওয়েল থাকলে ভালো হতো।

কুমারগাতার মনতলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সোলেমা বেগম (৬০) বলেন, ‘২১টি ঘরের মধ্যে ১১টির কাজ শেষ হয়নি। বৃষ্টির জন্য ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না মিস্ত্রিরা। ইউএনও সবসময় দেখার জন্য আসেন। সিমেন্ট, বালু ও ইট ঠিকমতো ব্যবহার হচ্ছে কি-না তা দেখেন। অনেক সময় ইউএনও আমাদের জিজ্ঞাসা করেন কাজ ঠিক হচ্ছে কি-না। সিমেন্ট, বালু পরিমাণ মতো না দিলে গাঁথুনি খুলে আবার করার নির্দেশ দেন ইউএনও। ঘরগুলো মজবুত করে বানানো হচ্ছে।’

তারাটি শংকরপুরের বাসিন্দা সুরুজ আলী বলেন, প্রতিটি ঘরের জন্য সরকারি বরাদ্দ এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। কিন্তু বরাদ্দের চেয়ে বেশি ব্যয়ের কথা শুনেছি। মিস্ত্রিরা বলছেন, প্রতি ঘরে বরাদ্দের চেয়ে ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। এজন্য প্রকল্পের ঘরগুলো মজবুত হচ্ছে।

 পুরো প্রকল্পের ঘর নির্মাণকাজের অর্ধেক বাকি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মনসুর বলেন, বর্ষা শুরুর পর আট দিন ও রোজার ঈদের ছয় দিন ছুটি থাকায় মোট ১৪ দিন প্রকল্পের কাজ হয়নি। তবে এখন কাজ চলছে। কাজের মান ভালো হচ্ছে বিধায় ধীরগতি। আগামী ৭ আগস্টের মধ্যে ঘরের কাজ শেষ করে সবার হাতে চাবি তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মধ্যে পানির জন্য টিউবওয়েল বসানোর বরাদ্দ ছিল না। নিজের উদ্যোগে ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি প্রকল্পে একটি করে টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করেছি। ঈদের পর সাতটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে আরও দুটি করে টিউবওয়েল এবং দুটি প্রকল্পে সাবমারসিবল পাম্প বসানো হবে। ফলে পানির সমস্যা থাকবে না। ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ টানার জন্য কোনও বরাদ্দ ছিল না। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের মাধ্যমে ফ্রি কাজ করিয়েছি।

প্রতিটি ঘর নির্মাণে বরাদ্দের চেয়ে বেশি ব্যয় হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঘরের কাজ করার সময় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বালু ভরাট করে সহায়তা করেছেন। ইট কেনার সময় কম দাম রাখতে ভাটা মালিকদের অনুরোধ করেছি। তারা অনুরোধ রেখেছেন। এছাড়া সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ঘরের নির্মাণকাজে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এজন্য ঘরগুলো মজবুত করে বানাতে পেরেছি। কাজের মান নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। কারণ সরকারি বরাদ্দের চেয়ে বেশি টাকা খরচ করে ঘর বানাচ্ছি। কোনও সমস্যার কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করছি। প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে মনে হয়েছে, নিজের পরিবারের লোকজন বসবাস করবে, কাজেই মজবুত করে নির্মাণ করতে হবে।’

 

/এএম/

সম্পর্কিত

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:৩১

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার পর এই তথ্য জানা গেছে।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে ৮৫ হাজার ১৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৬১৫ জন মহানগর এলাকার, বাকি ২১ হাজার ৫২৯ জন বিভিন্ন উপজেলার। অন্যদিকে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৯৪ জন। এর মধ্যে ৫৯১ জন নগরীর, বাকি ৪০৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতকালের তুলনায় আজ চট্টগ্রামে করোনা রোগী শনাক্ত বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আরও এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮৩৫ জন চট্টগ্রাম নগরীর, বাকি ৪৩৮ জন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে তিন হাজার ৪৫০টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ২৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৪৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৭৭৯টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৫৬৭টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ২৩২টি এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। 

এর মধ্যে চবি ল্যাবে ২৩৮ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ২২৬ জন, চমেক ল্যাবে ১৯৩ জন, সিভাসু ল্যাবে ১০৫ জন এবং আরটিআরএল ল্যাবে ২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এদিন ৮১৩ টি অ্যান্টিজেন টেস্টে ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৯ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৭৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮ জন, মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ৪৩ টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩ জন এবং ইপিক হেলথ কেয়ারে ২২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২৪ টি নমুনা পরীক্ষায় ছয় জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

সর্বশেষ

ইউনেসকো'র বাংলাদেশ অফিসে চাকরি

ইউনেসকো'র বাংলাদেশ অফিসে চাকরি

উন্নত প্রযুক্তির নিরাপত্তা পণ্য ভালো শর্তে ক্রয়ে আগ্রহী বাংলাদেশ

উন্নত প্রযুক্তির নিরাপত্তা পণ্য ভালো শর্তে ক্রয়ে আগ্রহী বাংলাদেশ

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৪ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

বাংলাদেশের 'বিশ্বকাপ' শুরু তো আজ থেকেই!

বাংলাদেশের 'বিশ্বকাপ' শুরু তো আজ থেকেই!

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কথা রাখেননি গার্মেন্টস মালিকরা

কথা রাখেননি গার্মেন্টস মালিকরা

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

শেষদিনে অফিসারের গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন কনস্টেবল ফারুক

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ মৃত্যু

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন

যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন

মৃত্যু বেড়েছে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে

মৃত্যু বেড়েছে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ১৬ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ১৬ জনের মৃত্যু

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ঈদে সাড়ে ১১ লাখ দাম উঠেছিল, বিক্রি না করে বিপাকে

ঈদে সাড়ে ১১ লাখ দাম উঠেছিল, বিক্রি না করে বিপাকে

© 2021 Bangla Tribune