টিভি সূচি (বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১)
ফুটবল
ইউরোপা লিগ
কোয়ার্টার ফাইনাল, প্রথম লেগ
গ্রানাদা-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
সরাসরি, রাত ১টা, সনি টেন ২
আয়াক্স-রোমা
সরাসরি, রাত ১টা, সনি সিক্স
আর্সেনাল-প্রাগ
সরাসরি, রাত ১টা, সনি টেন ১

টিভি সূচি (বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১)
ফুটবল
ইউরোপা লিগ
কোয়ার্টার ফাইনাল, প্রথম লেগ
গ্রানাদা-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
সরাসরি, রাত ১টা, সনি টেন ২
আয়াক্স-রোমা
সরাসরি, রাত ১টা, সনি সিক্স
আর্সেনাল-প্রাগ
সরাসরি, রাত ১টা, সনি টেন ১

আর মাত্র ৫ রান। তাহলেই টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সেঞ্চুরির আনন্দে মাততে পারবেন। কিন্তু এলো না সেই উপলক্ষ। শতকের কাছে গিয়েও হতাশায় পুড়তে হলো লিটন দাসকে। ৯৫ রানে আউট হয়ে গেছেন এই উইকেটকিপার।
হারারে টেস্টের প্রথম দুই সেশনে জিম্বাবুয়ের পর শেষ সেশনে দাপট দেখালো মাহমুদউল্লাহ ও লিটন জুটি। দুই ব্যাটসম্যানের শতরানের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে সফরকারী বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে টপ অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন লিটন। ‘প্রিয়’ প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়েকে পেয়ে অনেকটা ওয়ানডে ধাঁচে সাদা পোশাকে প্রথম সেঞ্চুরির দিকে ছুটছিলেন তিনি। কিন্তু ডোনাল্ড তিরিপানোর বলে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন এই উইকেটকিপার।
জিম্বাবুয়ে মানেই লিটনের ব্যাট ফুলঝুড়ি। ২০১৯ সালে করোনার আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজে সব ফরম্যাটেই রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন লিটন। ওয়ানডেতে দুই সেঞ্চুরির আগে টেস্টে এক ইনিংসে ব্যাটিং করে পেয়েছিলেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। সেই লিটন গত কয়েক সিরিজ ধরে রান খরায় ভুগেছেন। দেশের বাইরে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাতে রান পাননি। দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও ব্যাটে রান ছিল না। এমনকি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটেও সুবিধা করতে পারেননি লিটন। এমন ফর্মহীনতা নিয়েই জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
বুধবার হারারেতে শুরু থেকেই দারুণ ব্যাটিং করেছেন লিটন। বাঁহাতি স্পিনার মিল্টন শুম্বার বল স্লগ সুইপে মিড উইকেট দিয়ে বাউন্ডারিতে মেরে হাফসেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। হাফসেঞ্চুরির পর কিছুটা স্লো ব্যাটিং করতে থাকেন। একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তিরিপানোর বলে খেলেছিলেন ফাইন লেগে। কিন্তু লাফিয়ে ওঠা বল তালুবন্দি করে লিটনকে সাজঘরে ফেরান নাইউচি। আউট হওয়ার আগে লিটন ১৪৭ বলে ১৩ চারে করেন ৯৫ রান।
টেস্ট ক্রিকেট ৪২ ইনিংস ব্যাট করে এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটে সেঞ্চুরির দেখা পাননি লিটন। আজই খেললেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। এই ফরম্যাটে এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯৪ রান করে আউট হয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। সব মিলিয়ে সাদা পোশাকে লিটনের হাফসেঞ্চুরি ৯টি। ২৯.৯৭ গড়ে তার রান ১ হাজার ২২৯।

সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছিল না লিটন দাসের। করোনাভাইরাস যেন তার ব্যাটিং শৈলী কেড়ে নিয়েছিল! প্রাণঘাতী ভাইরাস বাংলাদেশে ছড়ানোর আগে সবশেষ খেলা সিরিজে হেসেছিল তার ব্যাট। এরপর থেকে কেবলই হতাশার ছবি। তবে প্রয়োজনের সময় জ্বলে উঠলো এই উইকেটকিপারের ব্যাট। যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ আলো ছড়িয়েছিলেন, সেই প্রতিপক্ষের সামনেই ফিরলেন চেনা রূপে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে খারাপ সময় কাটালেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ছন্দে ফিরেছেন লিটন। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় এলোমেলো ব্যাটিং লাইনআপে স্বস্তি ফিরিয়েছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে সেঞ্চুরির পথে হাঁটছেন তিনি। ৮৬ বলে ফিফটির দেখা পান লিটন।
এই উইকেটকিপারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রান বাড়িয়ে নিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। ১৬ মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরেই দায়িত্বশীল ব্যাটিং তার। সাকিব-মুশফিকরা যখন খেই হারিয়ে দলকে বিপদে ছেড়ে গেছেন, তখন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ একটু একটু করে গড়েছেন তার ইনিংস। ইতিমধ্যে লিটনের সঙ্গে সপ্তম উইকেটে গড়েছেন ১০০ ছাড়ানো জুটি।
তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের স্কোর ৬৮ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪৫ রান।
কেমন গেলো দ্বিতীয় সেশন?
প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনেও বাংলাদেশ হারিয়েছে ৩ উইকেট। অর্থাৎ, হারারে টেস্টের প্রথম দিনের চা বিরতির আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে ৬ উইকেট। সে পর্যন্ত সফরকারীদের স্কোর ছিল ৪৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৭ রান।
লাঞ্চের আগে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় সেশনে মুমিনুল হকের ব্যাটে ভালো কিছুর ইঙ্গিত ছিল। সঙ্গে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে মুশফিকের বিদায়ের পর মুমিনুল তার চমৎকার ইনিংসটি বাজে শটে ইতি টেনে দিলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এই দুজনের মাঝে সাকিব আল হাসান আরেকবার ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলে দ্বিতীয় সেশনটাও হয়েছে জিম্বাবুয়ের।
দিনের শেষ সেশন শুরু করবেন অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান লিটন দাস (২৬*) ও মাহমুদউল্লাহ (১৪*)।
মুমিনুলের দারুণ ইনিংস বাজে শটে সমাপ্তি
ব্যর্থতার ভিড়ে উজ্জ্বল আলোয় ভরিয়ে দিচ্ছিলেন মুমিনুল হক। সম্ভাবনাময় ইনিংসে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন দলকে। ঠিক সত্যিকার অধিনায়কের মতো। এত চমৎকার এক ইনিংস কিনা বাজে এক শটে ইতি টেনে দিলেন!
হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে দলের বিপদে হাল ধরেছিলেন মুমিনুল হক। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে সেঞ্চুরির পথেও হাঁটছিলেন তিনি। কিন্তু ভিক্তর নিয়াউচির বলে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সেই ধারাতে নিয়াউচির বাইরের বল কাট করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাটে ঠিকঠাক হয়নি, ফলে সরাসরি বল জমা পড়ে পয়েন্টে থাকা ডিয়োন মায়ার্সের হাতে।
ফেরার আগে মুমিনুল খেলেছেন ৭০ রানের ঝলমলে ইনিংস। ৯২ বলের ইনিংসটি বাংলাদেশ অধিনায়ক সাজান ১৩ বাউন্ডারিতে।
তার বিদায়ে সফরকারীরা হারায় ষষ্ঠ উইকেট। স্কোর ৩৭ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রান।
সেই ব্যর্থ সাকিবই তো দেখা দিলেন!
জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করে আইসিসি থেকে পাওয়া নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর থেকে তিনি অচেনা। বোলিংয়ে তবু কিছুটা হলেও পাওয়া গেছে, কিন্তু ব্যাটিংয়ে? একেবারে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স সাকিব আল হাসানের। সেই তিনি যখন জিম্বাবুয়েতে প্রস্তুতি ম্যাচে রান পেলেন, তখন মনে হলো এই বুঝি ফিরলেন সাকিব। কিন্তু না, মূল লড়াই টেস্টে এসে সেই ব্যর্থ সাকিবকেই পাওয়া গেলো!
আবারও হতাশ করলেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কা সিরিজ, ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেয়েছেন এমনকি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটেও। সাকিব যেন ব্যাট করতেই ভুলে গেছেন! জিম্বাবুয়ে সফরে আশা আলো দেখালেও হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ। দলের প্রয়োজনের সময় মাত্র ৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
আগের ওভারে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম আউট হয়েছেন, সেই মুহূর্তে সাকিবের কাছ থেকে দায়িত্বশীল ইনিংসের ছিল প্রত্যাশা। কিন্তু ভিক্তর নিয়াউচির বলে উইকেটকিপার রেগিস চাকাভার গ্লাবসবন্দি হয়ে ফিরেছেন দ্রুত। খেলেছেন মোটে ৫ বল।
সাকিবের বিদায়ে বাংলাদেশ হারায় পঞ্চম উইকেট। স্কোর ৩২ ওভারে ৫ উইকেটে ১২১ রান।
পারলেন না মুশফিক
পারফরম্যান্সের বিচারে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্রিকেটে তার সৌরভ যেন আরও বেশি ছড়ায়। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের আগে যখন চোট শঙ্কায় তার খেলা নিয়ে সংশয় জন্মেছিল, তখন দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছিল অনেক ক্রিকেটক্তরই। যদিও শঙ্কা কাটিয়ে ঠিকই মাঠে নেমেছেন এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ করতে পারলেন না।
হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে বেশিদূর যেতে পারেননি মুশফিক। মুমিনুল হকের সঙ্গে বড় জুটি গড়ায় ইঙ্গিত দিয়েও পারলেন না তিনি। ব্লেসিং মুজারাবানির তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরার আগে ৩০ বলে করেছেন ১১ রান।
তার বিদায়ে বাংলাদেশ হারায় চতুর্থ উইকেট। স্কোর ২৮.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৬ রান।
শান্তিতে লাঞ্চ করতে পারছেন না মুমিনুলরা
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল হক জোর গলায় বলে গিয়েছিলেন, টেস্টের প্রস্তুতিতে কোনও ঘাটতি নেই। দেশে কুড়ি ওভারের টুর্নামেন্ট খেলে গিয়ে জিম্বাবুয়ের আলাদা কন্ডিশনে টেস্টে নামার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ককে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ। কিন্তু মূল লড়াইয়ে দেখা মিললো অন্য দৃশ্যের। শুরুতে দুজনের বিদায়ের পর প্রথম সেশন শেষে সংখ্যাটা ৩ উইকেট। এই অবস্থায় কীভাবে শান্তিতে লাঞ্চ করতে পারবেন মুমিনুলরা?
হারারে টেস্টের প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতির আগে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭০ রান। অপরাজিত থেকে প্রথম সেশন শেষ করেছেন অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান মুমিনুল (৩২*) ও মুশফিকুর রহিম (১*)। তাদের জুটিতে বড় আশা দেখছে বাংলাদেশ।
কিন্তু তার আগে সুবিধা করতে পারেননি টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান- সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাদমান ইসলাম। শেষেরজন তবু প্রতিরোধ গড়েছিলেন, বাকি দুজন তো শুরুতেই ইতি টেনে এনেছেন ইনিংসের।
ভাঙলো সাদমানের প্রতিরোধ
প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট হাসেনি সাদমান ইসলামের। তবে মূল ম্যাচ, মানে একমাত্র টেস্টে চাপের মধ্যে আলোর ঝিলিক দেখা যাচ্ছিল তার ব্যাটে। দ্রুত ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে টেনে তোলার কাজ করে যাচ্ছিলেন তিনি মুমিনুল হকের সঙ্গে। যদিও সেই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠ ছেড়েছেন এই ওপেনার।
আউট হয়ে গেছেন সাদমান। রিচার্ড এনগারাভার প্রথম শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন ২৩ রান করে। জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি পেসারের ভেতরে ঢোকা বল তার ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়ে প্রথম স্লিপে থাকা ব্রেন্ডন টেলরের হাতে। সাদমান তার ৬৪ বলের ইনিংসটি সাজান ৪ বাউন্ডারিতে।
তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের স্কোর ২২ ওভারে ৩ উইকেটে ৭০ রান। ব্যাট করছিলেন মুমিনুল হক (৩২*) ও মুশফিকুর রহিম (১*)।
ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মুমিনুলরা
শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক মুমিনুল হক হাল ধরেছেন দলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাদের দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের রান ৫০ ছাড়িয়েছে।
দ্রুত ২ উইকেট হারালেও জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলছেন মুমিনুল। সাদমান খেলছেন ঠাণ্ডা মাথায়। বাংলাদেশ অধিনায়কের দাপুটে ব্যাটিং ধীরে ধীরে চাপ কাটিয়ে শক্ত ভিতের ইঙ্গিত মিলছে।
মুমিনুল-সাদমান জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর ১৫ ওভারে ২ উইকেট ৫৫ রান।
শুরুতেই এলোমেলো বাংলাদেশ
বাই থেকে এলো ৪ রান। দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে তখনও কোনও রান আসেনি। চলছিল প্রথম ওভারের খেলা। টেস্ট ম্যাচে এমন শুরুরই প্রত্যাশা। কিন্তু না, ইনিংসের পঞ্চম বলেই দৃশ্যপট এলোমেলো। সাইফ হাসানের বিদায়ে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট। ওই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই আবার ফিরে গেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত!
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়েকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি। এই পেসারের বলে রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড হয়ে গেছেন সাইফ। তামিম ইকবালবিহীন ওপেনিংয়ে হতাশায় শুরু বাংলাদেশের।
সাইফের বিদায়ের পর ওয়ান ডাউনে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে দলকে লাইনে ফেরাবেন কী, উল্টো নিজেই উইকেট বিলিয়ে দিলেন। ওই মুজারাবানির বলেই মাত্র ২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন শান্ত। স্বাগতিক পেসারের ডেলিভারি শান্তর ব্যাটের কানায় লেগে গেলে তৃতীয় স্লিপে তালুবন্দি করেন ডিয়োন মায়ার্স।
অর্থাৎ, শুরুতেই এলোমেলো বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে হারানোর পর সিরিজের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের স্কোর ৬ ওভারে ২ উইকেটে ৯ রান।

টাইব্রেকারে তেকাঠির নিচে দাঁড়িয়ে তিনটি শট রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। এমন পারফরম্যান্সের পর চারদিক থেকে বাহবা পাচ্ছেন অ্যাস্টন ভিলার এই গোলকিপার। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রশংসার বৃষ্টিতেও ভিজছেন এমিলিয়ানো।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চিলির বিপক্ষে অভিষেক এই আর্জেন্টাইন গোলকিপারের। নিজের সপ্তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমে নায়ক বনে গেলেন ২৮ বছর বয়সী এমিলিয়ানো। কলম্বিয়ার বিপক্ষে কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জিতে ফাইনালে উঠেছে। যার পুরো কৃতিত্বটাই এমিলিয়ানোর।
দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এই গোলকিপার দলের প্রাণভোমরা মেসির প্রশংসাও পেয়েছেন। সেমিফাইনাল জয়ের পর মেসি বলেছেন, ‘আমাদের একজন এমি (এমিলিয়ানো মার্তিনেস) আছে। সে একজন ফেনোমেনন।’
গোলবারের নিচে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন এমিলিয়ানো। সেটি প্রকাশ পায় মেসির পরের কথায়, ‘আমরা তার প্রতি আস্থা রেখেছিলাম। বিশ্বাস ছিল। আমরা লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রতিযোগিতায় সব ম্যাচ খেলার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এখন আমরা ফাইনালে।’
মেসির পাশাপাশি কোচ লিওনেল স্কালোনিও এমিলিয়ানোর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, ‘আমরা অনেক খুশি এমিলিয়ানোর পারফরম্যান্স দেখে। শুধু পেনাল্টির জন্য নয়, যেভাবে সে খেলেছে তা প্রশংসনীয়।’

প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনেও বাংলাদেশ হারিয়েছে ৩ উইকেট। অর্থাৎ, হারারে টেস্টের প্রথম দিনের চা বিরতির আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে ৬ উইকেট। সে পর্যন্ত সফরকারীদের স্কোর ছিল ৪৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৭ রান।
লাঞ্চের আগে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় সেশনে মুমিনুল হকের ব্যাটে ভালো কিছুর ইঙ্গিত ছিল। সঙ্গে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে মুশফিকের বিদায়ের পর মুমিনুল তার চমৎকার ইনিংসটি বাজে শটে ইতি টেনে দিলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এই দুজনের মাঝে সাকিব আল হাসান আরেকবার ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলে দ্বিতীয় সেশনটাও হয়েছে জিম্বাবুয়ের।
দিনের শেষ সেশন শুরু করবেন অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান লিটন দাস (২৬*) ও মাহমুদউল্লাহ (১৪*)।
মুমিনুলের দারুণ ইনিংস বাজে শটে সমাপ্তি
ব্যর্থতার ভিড়ে উজ্জ্বল আলোয় ভরিয়ে দিচ্ছিলেন মুমিনুল হক। সম্ভাবনাময় ইনিংসে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন দলকে। ঠিক সত্যিকার অধিনায়কের মতো। এত চমৎকার এক ইনিংস কিনা বাজে এক শটে ইতি টেনে দিলেন!
হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে দলের বিপদে হাল ধরেছিলেন মুমিনুল হক। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে সেঞ্চুরির পথেও হাঁটছিলেন তিনি। কিন্তু ভিক্তর নিয়াউচির বলে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সেই ধারাতে নিয়াউচির বাইরের বল কাট করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাটে ঠিকঠাক হয়নি, ফলে সরাসরি বল জমা পড়ে পয়েন্টে থাকা ডিয়োন মায়ার্সের হাতে।
ফেরার আগে মুমিনুল খেলেছেন ৭০ রানের ঝলমলে ইনিংস। ৯২ বলের ইনিংসটি বাংলাদেশ অধিনায়ক সাজান ১৩ বাউন্ডারিতে।
তার বিদায়ে সফরকারীরা হারায় ষষ্ঠ উইকেট। স্কোর ৩৭ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রান।
সেই ব্যর্থ সাকিবই তো দেখা দিলেন!
জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করে আইসিসি থেকে পাওয়া নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর থেকে তিনি অচেনা। বোলিংয়ে তবু কিছুটা হলেও পাওয়া গেছে, কিন্তু ব্যাটিংয়ে? একেবারে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স সাকিব আল হাসানের। সেই তিনি যখন জিম্বাবুয়েতে প্রস্তুতি ম্যাচে রান পেলেন, তখন মনে হলো এই বুঝি ফিরলেন সাকিব। কিন্তু না, মূল লড়াই টেস্টে এসে সেই ব্যর্থ সাকিবকেই পাওয়া গেলো!
আবারও হতাশ করলেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কা সিরিজ, ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেয়েছেন এমনকি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটেও। সাকিব যেন ব্যাট করতেই ভুলে গেছেন! জিম্বাবুয়ে সফরে আশা আলো দেখালেও হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ। দলের প্রয়োজনের সময় মাত্র ৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
আগের ওভারে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম আউট হয়েছেন, সেই মুহূর্তে সাকিবের কাছ থেকে দায়িত্বশীল ইনিংসের ছিল প্রত্যাশা। কিন্তু ভিক্তর নিয়াউচির বলে উইকেটকিপার রেগিস চাকাভার গ্লাবসবন্দি হয়ে ফিরেছেন দ্রুত। খেলেছেন মোটে ৫ বল।
সাকিবের বিদায়ে বাংলাদেশ হারায় পঞ্চম উইকেট। স্কোর ৩২ ওভারে ৫ উইকেটে ১২১ রান।
পারলেন না মুশফিক
পারফরম্যান্সের বিচারে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্রিকেটে তার সৌরভ যেন আরও বেশি ছড়ায়। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের আগে যখন চোট শঙ্কায় তার খেলা নিয়ে সংশয় জন্মেছিল, তখন দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছিল অনেক ক্রিকেটক্তরই। যদিও শঙ্কা কাটিয়ে ঠিকই মাঠে নেমেছেন এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ করতে পারলেন না।
হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে বেশিদূর যেতে পারেননি মুশফিক। মুমিনুল হকের সঙ্গে বড় জুটি গড়ায় ইঙ্গিত দিয়েও পারলেন না তিনি। ব্লেসিং মুজারাবানির তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরার আগে ৩০ বলে করেছেন ১১ রান।
তার বিদায়ে বাংলাদেশ হারায় চতুর্থ উইকেট। স্কোর ২৮.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৬ রান।
শান্তিতে লাঞ্চ করতে পারছেন না মুমিনুলরা
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল হক জোর গলায় বলে গিয়েছিলেন, টেস্টের প্রস্তুতিতে কোনও ঘাটতি নেই। দেশে কুড়ি ওভারের টুর্নামেন্ট খেলে গিয়ে জিম্বাবুয়ের আলাদা কন্ডিশনে টেস্টে নামার আগে বাংলাদেশ অধিনায়ককে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ। কিন্তু মূল লড়াইয়ে দেখা মিললো অন্য দৃশ্যের। শুরুতে দুজনের বিদায়ের পর প্রথম সেশন শেষে সংখ্যাটা ৩ উইকেট। এই অবস্থায় কীভাবে শান্তিতে লাঞ্চ করতে পারবেন মুমিনুলরা?
হারারে টেস্টের প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতির আগে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭০ রান। অপরাজিত থেকে প্রথম সেশন শেষ করেছেন অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান মুমিনুল (৩২*) ও মুশফিকুর রহিম (১*)। তাদের জুটিতে বড় আশা দেখছে বাংলাদেশ।
কিন্তু তার আগে সুবিধা করতে পারেননি টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান- সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাদমান ইসলাম। শেষেরজন তবু প্রতিরোধ গড়েছিলেন, বাকি দুজন তো শুরুতেই ইতি টেনে এনেছেন ইনিংসের।
ভাঙলো সাদমানের প্রতিরোধ
প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট হাসেনি সাদমান ইসলামের। তবে মূল ম্যাচ, মানে একমাত্র টেস্টে চাপের মধ্যে আলোর ঝিলিক দেখা যাচ্ছিল তার ব্যাটে। দ্রুত ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে টেনে তোলার কাজ করে যাচ্ছিলেন তিনি মুমিনুল হকের সঙ্গে। যদিও সেই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠ ছেড়েছেন এই ওপেনার।
আউট হয়ে গেছেন সাদমান। রিচার্ড এনগারাভার প্রথম শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন ২৩ রান করে। জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি পেসারের ভেতরে ঢোকা বল তার ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়ে প্রথম স্লিপে থাকা ব্রেন্ডন টেলরের হাতে। সাদমান তার ৬৪ বলের ইনিংসটি সাজান ৪ বাউন্ডারিতে।
তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের স্কোর ২২ ওভারে ৩ উইকেটে ৭০ রান। ব্যাট করছিলেন মুমিনুল হক (৩২*) ও মুশফিকুর রহিম (১*)।
ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মুমিনুলরা
শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক মুমিনুল হক হাল ধরেছেন দলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাদের দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের রান ৫০ ছাড়িয়েছে।
দ্রুত ২ উইকেট হারালেও জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলছেন মুমিনুল। সাদমান খেলছেন ঠাণ্ডা মাথায়। বাংলাদেশ অধিনায়কের দাপুটে ব্যাটিং ধীরে ধীরে চাপ কাটিয়ে শক্ত ভিতের ইঙ্গিত মিলছে।
মুমিনুল-সাদমান জুটিতে বাংলাদেশের স্কোর ১৫ ওভারে ২ উইকেট ৫৫ রান।
শুরুতেই এলোমেলো বাংলাদেশ
বাই থেকে এলো ৪ রান। দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে তখনও কোনও রান আসেনি। চলছিল প্রথম ওভারের খেলা। টেস্ট ম্যাচে এমন শুরুরই প্রত্যাশা। কিন্তু না, ইনিংসের পঞ্চম বলেই দৃশ্যপট এলোমেলো। সাইফ হাসানের বিদায়ে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট। ওই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই আবার ফিরে গেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত!
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়েকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি। এই পেসারের বলে রানের খাতা খোলার আগেই বোল্ড হয়ে গেছেন সাইফ। তামিম ইকবালবিহীন ওপেনিংয়ে হতাশায় শুরু বাংলাদেশের।
সাইফের বিদায়ের পর ওয়ান ডাউনে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে দলকে লাইনে ফেরাবেন কী, উল্টো নিজেই উইকেট বিলিয়ে দিলেন। ওই মুজারাবানির বলেই মাত্র ২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন শান্ত। স্বাগতিক পেসারের ডেলিভারি শান্তর ব্যাটের কানায় লেগে গেলে তৃতীয় স্লিপে তালুবন্দি করেন ডিয়োন মায়ার্স।
অর্থাৎ, শুরুতেই এলোমেলো বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানকে হারানোর পর সিরিজের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের স্কোর ৬ ওভারে ২ উইকেটে ৯ রান।

বলতে গেলে দুই দলের দুই তারকা দলকে নিয়ে এসেছেন ফাইনালে। ব্রাজিলের ফাইনালে পথে নায়ক নেইমার, আর আর্জেন্টিনায় লিওনেল মেসি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াইয়ের সঙ্গে এই দুই তারকার দ্বৈরথে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ধুন্ধুমার এক ম্যাচের অপেক্ষা।
মেসিরা যেমন খুব করে চাইছেন একটি ট্রফি জিততে। তেমনি নিজেদের মাঠে নেইমারদের লক্ষ্য ট্রফি রেখে দেওয়ার। কলম্বিয়া ম্যাচের পরই তাই ফাইনাল নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। দলের প্রাণভোমরা মেসি এখনই সতীর্থদের সতর্ক করে দিয়েছেন নেইমারকে নিয়ে।
আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে মেসির অবদান অনেক। ৪ গোলের পাশাপাশি আছে ৪ এসিস্ট। অন্যদিকে নেইমারের ২ গোল ছাড়াও আছে এসিস্ট। দুই দলের দুই বড় তারকা দুজন। নেইমারের পায়ের কাজ নিয়ে সবাই অবহিত। সুযোগ পেলে গোলের পাশাপাশি গোল বানিয়ে দেওয়ার সমান ক্ষমতা প্যারিস সেন্ত জার্মেই তারকার।
তাই সতীর্থদের এখনই সতর্ক করে দিয়েছেন মেসি, ‘নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিল দলটি বেশ কঠিন। আমরা জানি সে (নেইমার) কেমন ফুটবলার। এটাও জানি ব্যক্তিগতভাবে সে কী করতে পারে।’
নেইমার আগে থেকে বলে আসছেন ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে চান। তার চাওয়া পূরণ হয়েছে। এখন ট্রফি জেতার মিশনে নেইমার নাকি মেসি সফল হবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে রবিবারে ফাইনাল পর্যন্ত।