চীন ২০২১ সালের শেষে ৩০০ কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। শনিবার দেশটির ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।
চীনের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন প্রকল্পের সমন্বয় টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জেং জোওয়েই শনিবার বলেছেন, এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে চাহিদা মেটানোর সম্পূর্ণ সামর্থ্য আমাদের রয়েছে।
উৎপাদকরা নিজেদের সামর্থ্য দ্রুত বাড়ালেও ভ্যাকসিন উৎপাদন সেই মাত্রায় বেড়েছে কিনা তা নিশ্চিত না। চীনা সরকার সম্প্রতি জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০ লাখ ডোজ উৎপাদন হয়েছে।
দেশটির শীর্ষস্থানীয় ভ্যাকসিন উৎপাদক সিনোভ্যাক বায়োটেক এই মাসে জানায়, তৃতীয় কারখানা স্থাপনের পর তাদের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ২০০ কোটি ডোজে পৌঁছেছে।
চীনের জাতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপ সিনোফার্ম জানিয়েছে, দুটি ভ্যাকসিনে তাদের সমন্বিত বার্ষিক উৎপাদন ১১০ কোটি ডোজ। কোম্পানিটি জানায়, তারা বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ কোটি ডোজে উন্নীত করতে চায়। তবে কোনও সময়সীমার কথা জানায়নি।
সিনোফার্ম শুক্রবার জানিয়েছে, তারা এপ্রিল থেকে শুরু করে এক মাসে ১০ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে।

























