X
মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ফ্লাইট চলাচল বন্ধ আরও ৭ দিন

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১৯:০৭

দেশে লকডাউনের সময় বাড়ায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচল আরও ১ সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে। ২১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ৭ দিন কোনও শিডিউল ফ্লাইট চলাচল করবে না। তবে প্রবাসী কর্মীদের কাজে ফেরাতে ১৭ এপ্রিল থেকে ৫ দেশে শুরু হওয়া বিশেষ ফ্লাইট চলবে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানান, আমরা ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে লকডাউনের এই সময়গুলোতে অনুমতি নিয়ে কার্গো বিমান, স্পেশাল/চার্টার্ড ফ্লাইট, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে পারবে। এছাড়াও প্রবাসীদের আনা-নেওয়ার জন্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাতার ও ওমানের বিশেষ ফ্লাইটগুলো আগের মতোই চলবে।

/সিএ/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

১১ মামলায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

১১ মামলায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

২৭ মামলায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা

২৭ মামলায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৪৫

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৪৫

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১১:০৫

লকডাউন শেষ হতে না হতেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাটে বেড়েছে মানুষের উপস্থিতি। দোকানপাট খুলছে। রাস্তায় বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। মোড়ে মোড়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। অনেকটা শিথিল হয়ে পড়েছে পুলিশের চেকপোস্টগুলো। তল্লাশি বা কাউকে বাসা থেকে বের হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে না। সাধারণ নাগরিকরা যেন লকডাউনের কথা বেমালুম ভুলেই গেছেন। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সকালে নগরীর খিলগাঁও এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে গণপরিবহন না পেয়ে তারা রিকশা-ভ্যানে চেপে, হেঁটে কিংবা অন্য উপায় অবলম্বন করে অফিসে যাচ্ছেন। পথে দু-চারটি চেকপোস্ট দেখা গেলেও তাতে কোনও পুলিশ দেখা যায়নি। তবে একটিতে পুলিশ দেখা গেলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন। এরমধ্য দিয়েই অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন অবাধে চলাচল করছে।

এদিকে বিধিনিষেধ নিয়ে বিরাজ করছে ভজঘট অবস্থা। দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব যখন থেকে শুরু হয় তখন থেকেই লকডাউন কিংবা বিধিনিষেধের শুরু। কিন্তু দীর্ঘ এ সময়ে দেশে একবারও লকডাউন কিংবা বিধিনিষেধ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবারই ব্যাপক ঢাকঢোল পিটিয়ে লকডাউন বা বিধিনিষেধের আদেশ জারি করা হলেও গোটা বিষয়টি শেষ হয় ঘরে ফেরার উৎসব অথবা দুর্ভোগের কারণ হয়ে। এ অবস্থায় আরেক দফা বিধিনিষেধ বাড়ানোর জন্য আজ (মঙ্গলবার) মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। তবে তা কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় দেখা দিয়েছে।

সকাল থেকে নগরীর খিলগাঁও, রাজারবাগ, ফকিরাপুল, আরামবাগ, বাসাবো, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, পল্টন, কাকরাইল, দৈনিক বাংলা মোড়, বাংলামোটর, মৎস্য ভবন, শাহবাগ, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ ও ধানমন্ডির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।

এসব এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় বের হয়েছেন। যানবাহনের মধ্যে রিকশা-ভ্যান ব্যক্তিগত গাড়ি বাধাহীনভাবে চলতে দেখা গেছে প্রচুর। পথে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও বাধা দেয়া হচ্ছে না। ফলে করোনা মহামারি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে সকাল থেকে নগরীর অলিগলিগুলো ঘুরে দেখা গেছে প্রায় প্রতিটি দোকানপাট খুলেছে। সাধারণ মানুষ কেনাকাটা করছেন। জরুরি সেবার আওতায় পড়ে না এমন বেশিরভাগ দোকানপাটই খোলা। কোথাও কোনও বিধিনিষেধ কেউ মানছেন না, স্বাস্থ্যবিধি মানারও তোয়াক্কা নেই। সাধারণ মাস্কও পারছেন না ঘর থেকে বের হওয়া নাগরিকরা।

খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা হাজী নাসির উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সব ধরনের দোকানপাট খোলা রয়েছে। মানুষের যে পরিমাণ উপস্থিতি বেড়েছে‑ বিধিনিষেধ আছে বলে মনেই হচ্ছে না। তাই আমরা বাসা থেকে বের হলাম। কেনাকাটা করলাম। একটু পর অফিসে যাবো।

এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ছোট বাসগুলো চলাচল করতে দেখা গেছে। এসব বাসে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিরপুরের বাসিন্দা রোমানা। তিনি বলেন, সকাল ৮টায় বাসা থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে করে মৌচাক এসেছি। তখন মিরপুর এলাকায় ছোট পরিবহনগুলো চলাচল করতে দেখা গেছে। অধিকাংশ বাসে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। তবে রাস্তায় পুলিশ থাকলেও তারা কোনও বাধা দেয়নি। সাধারণ যাত্রীরাও বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করছেন না।

বাসচালকরা বলছেন, দীর্ঘদিন বসে থাকার কারণে তাদের অবস্থা এখন একেবারেই খারাপ হয়ে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমেছেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, লকডাউনের মধ্যে গণপরিবহন রাস্তায় নামার কোন সুযোগ নেই। কেউ যদি আইন অমান্য করে তবে তার দায় তাকেই নিতে হবে। এরকম অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

/এমএস/

সম্পর্কিত

১১ মামলায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

১১ মামলায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

২৭ মামলায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা

২৭ মামলায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৪৫

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৪৫

উন্নত প্রযুক্তির নিরাপত্তা পণ্য ভালো শর্তে ক্রয়ে আগ্রহী বাংলাদেশ

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১০:২৬

অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে বাংলাদেশ। আগের স্বল্পমূল্যে নিরাপত্তা পণ্য ক্রয়ের নীতি থেকে বের হয়ে এখন ইউরোপ বা আমেরিকার দেশগুলি থেকে উন্নত প্রযুক্তির পণ্য ভালো শর্তে ক্রয়ে আগ্রহী বাংলাদেশ। এ ছাড়াও সরকার এখন জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি হস্তান্তরের উপর অর্থাৎ শুধু নিরাপত্তা পণ্য ক্রয় নয়, এরসঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং তা শর্তের মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমাদের একটি মৌলিক নীতি হচ্ছে সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা। সুতরাং যেখানে ভালো জিনিস সুলভ মূল্যে পাওয়া যাবে এবং ভালো শর্তে পাওয়া যাবে সেখানেই আমাদের আগ্রহ রয়েছে। সবার জন্য আমাদের দরজা খোলা আছে এবং যেখান থেকে ভালো শর্তে আমরা কিনতে পারব সেখান থেকেই আমরা কিনবো।

এক সময় প্রযুক্তিপণ্য শুধু চীন থেকে কেনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের সক্ষমতা রকম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন আমরা বিভিন্ন পণ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে কেনার ক্ষমতা রাখি, যেটি আগে আমাদের ছিল না। আমার জানামতে শুধুমাত্র দাম কম এ ধরনের পণ্য না খুঁজে টেকসই কিছু প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ রয়েছে এবং উচ্চ প্রযুক্তির পণ্যের প্রতিও আমাদের আগ্রহ বেড়ে গেছে।

প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য 
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, যদি প্রযুক্তিনির্ভর কোনও পণ্য হয়, যেমন ই-পাসপোর্ট জার্মানিরা করছে বা ঢাকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল এ যে সমস্ত প্রযুক্তি ব্যবহার হবে, সেগুলোর কিছু হয়তো জাপান দেবে এবং বাকিটা অন্যরা দেবে এবং এ বিষয়গুলি ঠিক আছে। কিন্তু শুধুমাত্র মিলিটারি হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রে আমাদের স্বার্থটা ভালো করে ভেবে দেখতে হবে। এখানে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয় যদি কোনও বিষয় থাকে অর্থাৎ পণ্যটি কেনার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর করা হতে তাহলে এটি সবার জন্যই লাভজনক হবে।

‘এক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যে পুরোটাই আমরা তাদের দিয়ে দিচ্ছি না এবং এর বিনিময়ে আমরা আরও কিছু পাচ্ছি’, যুক্ত করেন তিনি।

বিভিন্ন দেশের আগ্রহ
বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা পণ্য সহযোগিতার বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলো আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং এরসঙ্গে আমেরিকার আগ্রহ রয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন দেশ থেকে নিরাপত্তা পণ্য কিনছি, যেমন ন্যাটোর সদস্য তুরস্ক, যাদের পণ্যের মান ভালো এবং তাদের শর্তাবলি অনেক ভালো। সুতরাং তুরস্ককে একটি বিকল্প উৎস হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।’

রাশিয়ানরা অনেক উন্নত মানের পণ্য তৈরি করে থাকে এবং আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের তাদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে করে থাকে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, জাপানের অনেক উচ্চপ্রযুক্তির পণ্য রয়েছে। কিন্তু তাদের একটি সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা ছিল এ ধরনের পণ্য রফতানির উপর কিন্তু শিনজো আবে সরকারের সময় একটি তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে আমরা এখন সেখানেও দেখতে পারি, তবে সেখানে দাম অনেক বেশি। সুতরাং দামে পোষালে জাপানকেও একটি বিকল্প হিসেবে দেখা যায় বলে তিনি জানান। 

স্ট্র্যাটেজিক রিলেশন্স
নিরাপত্তা সহযোগিতা যদি বেশি হয় তবে সেটি স্ট্র্যাটেজিক সহযোগিতাকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমরা যদি স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগগুলো শুরু করতে পারি তবে ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গে আমাদের আদান-প্রদান আরও বৃদ্ধি পাবে।’

অনেক বিষয়ে তাদের উপরে আমরা নির্ভরশীল, কিন্তু আমাদের প্রতি যদি তাদের নির্ভরশীলতা বাড়াতে পারি এবং এখানে তাদের স্বার্থ তৈরি করতে পারি তাহলে আমাদের দর-কষাকষি  আরও সহজ হবে এবং এবং কাউন্টার লিভারেজিং এর একটি সুযোগ থাকবে বলে তিনি জানান।

/এসএসজেড/ইউএস/

সম্পর্কিত

সাড়ে ৪ হাজার টাকায় আধুনিক ফ্ল্যাটে থাকবেন বস্তিবাসীরা

সাড়ে ৪ হাজার টাকায় আধুনিক ফ্ল্যাটে থাকবেন বস্তিবাসীরা

পিটিআই সুপারিনটেনডেন্টের চলতি দায়িত্ব পেলেন ৮ জন

পিটিআই সুপারিনটেনডেন্টের চলতি দায়িত্ব পেলেন ৮ জন

করোনায় গণপরিবহন শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত: তাপস

করোনায় গণপরিবহন শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত: তাপস

জাতীয় শোক দিবসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ আইজিপির

জাতীয় শোক দিবসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ আইজিপির

নকল পুলিশের গাড়িতে আসল পুলিশের হানা 

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০২:০০

গাড়ির সামনের গ্লাসে লাগানো পুলিশের মনোগ্রামযুক্ত স্টিকার এবং পুলিশের গাড়ির মত সাইরেন। ঠিক পুলিশের গাড়ির সাজে একটি মাইক্রো বাস। আসলে সেটি পুলিশের না। মূলত ছিনতাই, অপহরণ ও মাদক পাচারের জন্য এই গাড়ি সাজানো হয়েছে। গাড়ির ভেতরে যারা তারাও আসল পুলিশ না।

এমনই একটি নকল পুলিশের গাড়ি ও দুজন ভুয়া পুলিশকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতারকৃতরা হলো মুর্তুজা আল নাছির ওরফে মাহি ও মো. জামাল হোসেন ওরফে জসিম।

সোমবার (২ আগস্ট) রাতে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ, গাড়ি চুরি প্রতিরোধ ও উদ্ধার টিমের সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান মুহাম্মদ মুহতারিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রবিবার (১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভুয়া পুলিশ মাহি ও জসিমকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের স্টিকার যুক্ত মনোগ্রাম ও পুলিশের গাড়িতে ব্যবহৃত সাইরেনের ন্যায় হুবহু সাইরেন সংযুক্ত মাইক্রো বাসে অবস্থান করছে। এসময় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পুলিশের ন্যায় ব্যবহৃত একটি ওয়াকিটকি, একটি সিগন্যাল লাইট, একটি ভিআইপি লাইট ও পুলিশের মনোগ্রাম সম্বলিত স্টিকার উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে তাদের ব্যবহৃত মাইক্রো বাসটি।

গ্রেফতারকৃতরা মূলত পুলিশ সেজে জনগণকে পথরোধ করে তাদের গাড়িতে উঠিয়ে নেয়। পরবর্তী সময়ে নির্জন স্থানে গিয়ে তাদের সর্বস্ব লুটে নিয়ে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। 

তাদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলায় করা হয়েছে বলে জানান গোয়েন্দা এই পুলিশ কর্মকর্তা।

 

/এআরআর/এনএইচ/

সম্পর্কিত

মডেলের বাড়িতে গোপন সিসিটিভি ক্যামেরা!

মডেলের বাড়িতে গোপন সিসিটিভি ক্যামেরা!

র‌্যাবের অভিযানে ৬৭ জনকে জরিমানা

র‌্যাবের অভিযানে ৬৭ জনকে জরিমানা

৩ দিনের রিমান্ডে মডেল পিয়াসা

৩ দিনের রিমান্ডে মডেল পিয়াসা

৩ দিনের রিমান্ডে মডেল মৌ

৩ দিনের রিমান্ডে মডেল মৌ

মডেলের বাড়িতে গোপন সিসিটিভি ক্যামেরা!

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ২৩:৩২

মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের টার্গেট ছিল ধনাঢ্য ব্যক্তিরা। বিভিন্ন পার্টিতে গিয়ে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করতেন তারা। তারপর পার্টির নামে নিজ বাসায় ডেকে আনতো তারা। পার্টি শেষে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি তুলে পরিবারের সদস্যদের কাছে বলে দেওয়ার নামে অর্থ আদায় করতো। মডেল পিয়াসার পুরো বাসায় গোপন সিসিটিভি ক্যামেরা পেয়েছে গোয়েন্দারা। এসব সিসিটিভির ফুটেজ জব্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (১ আগস্ট) বারিধারা ও মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের পৃথক দুটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, দেড় হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, সীসা খাওয়ার উপকরণ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে পিয়াসার নামে গুলশান থানায় ও মৌয়ের নামে মোহাম্মদপুর থানায় পৃথক দুটি মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সোমাবার তাদের আদালতে সোপর্দ করে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ন কমিশনার হারুণ অর রশিদ বলেন, ‘এরা সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের টার্গেট হলো কোটিপতি ব্যবসায়ী বা ব্যবসায়ীদের সন্তানেরা। বিভিন্ন ক্লাব বা বারে গিয়ে তাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে ব্ল্যাকমেইল করতো তারা। একই সঙ্গে তারা বাসায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের আসর বসাতো। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সহযোগীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পিয়াসা বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ৯ নম্বর সড়কের ৩ নম্বর বাসার যে ফ্ল্যাটে থাকেন, সেটির আয়তন চার হাজার বর্গফুট। এই ফ্ল্যাটের ভাড়া প্রায় আড়াই লাখ টাকা। তিনি আরএম গ্রুপে জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে নামকাওয়াস্তে একটি চাকরি করেন। ব্ল্যাকমেইলিং করে আয়কৃত অর্থ দিয়েই তিনি বিলাসবহুল জীবন-যাপন করতেন।

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, গত শনিবার রাতেও পিয়াসা তার বাসায় মদ-ইয়াবা সেবনের একটি পার্টির আয়োজন করেছিলেন। ওই পার্টিতে দেশের নামকরা একটি গ্রুপ অব কোম্পানিজের মালিকের ছেলে উপস্থিত ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াসা জানিয়েছে, তার বাসাতে মাঝে-মধ্যেই এ ধরণের আয়োজন হতো। এসব পার্টিতে উচ্চবিত্ত ও ধণাঢ্য ব্যক্তিরা নিয়মিত অংশ নিতেন। তারাই তাকে নিয়মিত অর্থ দিয়ে বিলাসবহুল জীবন-যাপন করতে সহায়তা করতো।

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারের পর পিয়াসা আরেকটি নামকরা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের রেফারেন্স দিয়ে বলেছিলেন, ‘.... ভাইয়া আমাকে যেকোনও মূল্যে ছাড়িয়ে নিবে।’ কিন্তু পিয়াসার জন্য কেউ তদবির করেনি জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, তার মোবাইলে গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার প্রায় সকল ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর সেভ করা রয়েছে। তাদের সঙ্গে পিয়াসা নিয়মিত বিভিন্ন পাটিতে অংশ নিত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার সেলিমের ছেলে সাফাতের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রথম আলোচনায় আসেন পিয়াসা। পিয়াসা সেসময় সাফাতের বিবাহিত স্ত্রী ছিলেন। দিলদার সেলিম সেসময় অভিযোগ করেছিলেন, তার পূত্রবধূ পিয়াসাই তার ছেলেকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। এরপর গত এপ্রিলে গুলশানের একটি বাসা থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামে এক কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার হলে আবারও আলোচনায় আসেন পিয়াসা।

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, পিয়াসার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ায়। তার বাবা মাহবুব আলম চট্টগ্রাম পোর্টে পরিদর্শক হিসেবে চাকরি করতেন। তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না। কিন্তু পিয়াসা ঢাকায় এসে মডেলিং করার নামে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন, যাদের কাজই হলো কোটিপতি ব্যক্তিদের টার্গেট করে তাদের ব্ল্যাকমেইল করা। পিয়াসার সিন্ডিকেটে কয়েক ডজন নারী রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে মৌয়ের বাবর রোডের বাসায় অভিযানের সময় তিনি ভাসাবির জামানের স্ত্রী তানজি ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসিয়েছে বলে দাবি করেন। মৌয়ের ভাষ্য, তানজির সঙ্গে মোকাম্মেল নামে কোনও এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে পিয়াসার সঙ্গে তার ঝামেলা হয়েছিল। সেই ঝামেলার বিষয় এবং তানজির প্রেমের বিষয়টি তিনি জানতেন। এজন্য তানজি তাকে বাসায় পুলিশ পাঠাবেন বলে হুমকিও দিয়েছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভাসাবির যে জামানের কথা মৌ বলেছিলেন, তিনি ভাসাবি ফ্যাশন হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল জামান মোল্লাহ। তিনি একজন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। মৌয়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার কোনও ভাষ্য পাওয়া যায়নি।

তবে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উচ্চবিত্ত ও কোটিপতি ব্যবসায়ীদের মধ্যে পার্টিতে যাতায়াত ও মেলামেশা নিয়ে একে অপরের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি এমন একটি ঘটনায় পিয়াসা ও মৌ ইন্ধন দিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পিয়াসা ও মৌ ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করেও নিজেরা আর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

 

/এফএএন/

সম্পর্কিত

নকল পুলিশের গাড়িতে আসল পুলিশের হানা 

নকল পুলিশের গাড়িতে আসল পুলিশের হানা 

র‌্যাবের অভিযানে ৬৭ জনকে জরিমানা

র‌্যাবের অভিযানে ৬৭ জনকে জরিমানা

করের আওতার বাইরে ৮০ হাজার কোম্পানি: টিআইবি

করের আওতার বাইরে ৮০ হাজার কোম্পানি: টিআইবি

৩ দিনের রিমান্ডে মডেল পিয়াসা

৩ দিনের রিমান্ডে মডেল পিয়াসা

ভর্তির অপেক্ষায় থাকা সিরাজ ব্যাপারী ঢলে পড়লেন মেঝেতে

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ২৩:০৬

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগ। ভর্তির অপেক্ষায় বসে আছেন সারি সারি রোগী। এখানেই বসে অপেক্ষা করছিলেন করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা সিরাজ ব্যাপারী (৬৫)। অপেক্ষা যেন শেষ হয় না। একসময় মেঝেতে ঢলে পড়েন তিনি।

রোগীর মেয়ে রোকেয়া বেগম বলেন, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ ফনি শেখ গ্রামের বাসিন্দা তার বাবা সিরাজ ব্যাপারী সাপ্তাহখানেক ধরে অসুস্থ। স্থানীয় চিকিৎসক দেখিয়ে বাসায় রেখে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে নিয়ে যান সদর হাসপাতালে। এরপর শুরু হয় তার শ্বাসকষ্ট। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেখান থেকে চিকিৎসকরা ঢামেক হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখানে এসে জানতে পারেন সিট ফাঁকা নেই। অপেক্ষা করতে থাকেন। এখানে আসা অন্য রোগীর স্বজনদের এদিক ওদিক ছুটাছুটির সময়ে একসময় দেখেন তার বাবা মেঝেতে পড়ে গেছেন। পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় সেখান থেকে তাকে উঠিয়ে দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্মরত ওয়ার্ড বয়রা পরীক্ষা করেন অক্সিজেন লেভেল ৮০।  দ্রুত তাকে অক্সিজেন লাগানো হয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, আরও অপেক্ষা করতে হবে। একটি সিট ফাঁকা হলেই তাকে ভর্তি দেওয়া হবে।

দীর্ঘ সময় অ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষার পর ভর্তির সুযোগ মিলছে

সিরাজ ব্যাপারী সেখানে পৌঁছানোর আগে থেকেই আরেক রোগী দীর্ঘ সময় অ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষায় ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার চান মিয়া'র স্ত্রী রোগী আছিয়া খাতুন (৬৫)। রোগীর জামাতা তারা মিয়া বলেন, তাদের রোগী ২/৩ দিন যাবত সেখানে সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তাররা রেফার্ড করে দিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঢাকায় পৌঁছেছেন বটে কিন্তু  ভর্তির জন্য শুরু হয় অপেক্ষার পালা। কখন একটি সিট খালি হবে।

একই সময়ে দেখা গেছে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী রোগীকে নিয়ে যাচ্ছেন তার স্বজনরা। রোগীটির নাম আরিফা (২০)। তাদের বাড়ি গাজীপুর বোর্ড বাজার এলাকায়। রোগীটির বড় ভাই সাজ্জাদ বলেন, আরিফার শ্বাসকষ্ট। সকাল থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরছেন। প্রথমে তাকে নিয়ে যান বাংলাদেশ মেডিক্যাল, সেখান থেকে ক্রিসেন্ট হাসপাতাল, সেখান থেকে ঢামেকে। কোথাও একটি সিট মেলেনি। অবশেষে তারা রওনা হন সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগে ভর্তির রেজিস্ট্রার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে ৩০ জন রোগী ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই সিটের অতিরিক্ত  রোগী ভর্তি নিচ্ছি। যে পরিমাণ রোগীর চাপ বাড়ছে। সামনে কী করবো বলতে পারছি না।

চার হাসপাতাল ঘুরেও মেলেনি একটি সিট

হঠাৎ করে এতো রোগী বাড়ার কারণ কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রথমত সচেতনতার অভাব। তেমন কেউ স্বাস্থ্য বিধি মানছে না। তাই রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এখন সকলেরই সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই রোগীর চাপ কমে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

আশরাফুল আলম বলেন, রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনরাও স্বাস্থ্যবিধি মানেন না।  এতে করে ওই স্বজনদেরও সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই সকলকে সচেতন হতে হবে।

/ইউআই/এমআর/

সম্পর্কিত

ডা. জাহাঙ্গীর অপচিকিৎসা করছেন: এফডিএসআর

ডা. জাহাঙ্গীর অপচিকিৎসা করছেন: এফডিএসআর

চার হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগী, ৭ হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই

চার হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগী, ৭ হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই

টিকা নেওয়া ৯৮ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি: বিএসএমএমইউ

টিকা নেওয়া ৯৮ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি: বিএসএমএমইউ

সর্বশেষ

লক্ষ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছেন দোকান মালিকরা!

লক্ষ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছেন দোকান মালিকরা!

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

রামেক হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৯ মৃত্যু

রামেক হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৯ মৃত্যু

ইউনেসকো'র বাংলাদেশ অফিসে চাকরি

ইউনেসকো'র বাংলাদেশ অফিসে চাকরি

উন্নত প্রযুক্তির নিরাপত্তা পণ্য ভালো শর্তে ক্রয়ে আগ্রহী বাংলাদেশ

উন্নত প্রযুক্তির নিরাপত্তা পণ্য ভালো শর্তে ক্রয়ে আগ্রহী বাংলাদেশ

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৪ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে একদিনে আরও ১৭ মৃত্যু

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর ছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭

বাংলাদেশের 'বিশ্বকাপ' শুরু তো আজ থেকেই!

বাংলাদেশের 'বিশ্বকাপ' শুরু তো আজ থেকেই!

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

ভালো মানের উপহারের ঘরে খুশি মুক্তাগাছার সুবিধাভোগীরা

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১০ মৃত্যু, বেড়েছে শনাক্ত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

শেষের আগেই 'শেষ' লকডাউন!

১১ মামলায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

১১ মামলায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

২৭ মামলায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা

২৭ মামলায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৪৫

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৪৫

মশক নিয়ন্ত্রণ কক্ষে হঠাৎ মেয়র তাপস, অভিযোগ পেলেই অভিযানের নির্দেশ

মশক নিয়ন্ত্রণ কক্ষে হঠাৎ মেয়র তাপস, অভিযোগ পেলেই অভিযানের নির্দেশ

পল্লবীতে নারী পোশাকশ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু

পল্লবীতে নারী পোশাকশ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু

রেস্তোরাঁ মালিকদের বাঁচানোর আহ্বান 

রেস্তোরাঁ মালিকদের বাঁচানোর আহ্বান 

রাজধানীর ৬৫% নির্মাণাধীন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়: মেয়র আতিক

রাজধানীর ৬৫% নির্মাণাধীন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়: মেয়র আতিক

রাজধানীর সড়কে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে

রাজধানীর সড়কে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে

১৪ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ তাজুল ইসলামের

১৪ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ তাজুল ইসলামের

© 2021 Bangla Tribune