X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সমঝোতা নয় হেফাজতকে শক্তভাবে দমনের দাবি

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২১, ২০:৫০

সমঝোতার কৌশল পরিহার করে হেফাজতে ইসলামকে শক্তভাবে দমনের দাবি উঠেছে ১৪ দলের আলোচনা সভায়। একইসঙ্গে বিএনপি-জামায়াতকে দমনের দাবিও তোলা হয়। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় ১৪ দলের নেতারা এ দাবি তোলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, হেফাজত ইস্যুতে সরকার সঠিক পথে সঠিকভাবেই এগোচ্ছে। এ বিষয়টি তিনি ১৪ দলের সকলকে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, নীতির প্রশ্নে শক্তভাবে দাঁড়ালে ২০১৩ সালের ৫ মে তাণ্ডবের পরই হেফাজত প্রশ্নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা যদি নীতির প্রশ্নে শক্তভাবে দাঁড়াই, যদি আমরা শক্ত থাকি তাহলে কোনও অশুভ শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের যে নারকীয় ঘটনা ঘটিয়েছিল, তখন থেকেই আমাদের এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারীর তাণ্ডবের ঘটনায় আমির আমির বাবুনগরী দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে তোফায়েল আহমেদ উল্লেখ করেন।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, রাষ্ট্র এবং সংবিধানের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধ ঘোষণা করেছে তারা অদৃশ্য কোনও শত্রু নয়। তারা দৃশ্যমান সংগঠন হেফাজতে ইসলাম, জামায়াত ইসলাম এবং বিএনপি।

বিএনপি-জামাত-হেফাজত একই সূত্রে গাঁথা উল্লেখ করে ইনু বলেন, জঙ্গি, হেফাজত, জামাত-বিএনপিকে পক্ষে রাখার কৌশলটা ভ্রান্ত কৌশল। এই কৌশল পরিত্যাগ করতে হবে। বিএনপির সঙ্গে হেফাজত-জামায়াত, জঙ্গিদের আলাদা করার কৌশল আমাদের পরিহার করতে হবে। বিএনপিকে জামায়াত এবং হেফাজতের থেকে আলাদা করার প্রয়োজন মনে করি না। দুধ কলা দিয়ে সাপ পুষে লাভ নেই। সাপ ছোবল মারবেই। বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা এবং মুজিবনগর সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে চার মুল নীতির ওপরে শক্ত ভাবে দাঁড়াতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

একটু সাম্প্রদায়িকতা, একটু ধর্ম, একটু খাতির করা এরকম নীতির দিকে যাওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে ইনু বলেন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ বাংলাদেশের কোনও মসজিদ রাজনৈতিক মিটিং মিছিলের কেন্দ্রস্থল হবে না। সরকারকে বলবো এ ব্যাপারে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিবেন। সকল মাদ্রাসাকে নজরদারিতে আনতে হবে। পাঠ্যপুস্তক রিভিউ করে সাম্প্রদায়িকতার যত ছাপ রয়েছে তা দূর করতে হবে। এই ধাক্কাতে ওদের দমন করতে হবে। ধ্বংস করতে হবে।

তিনি বলেন, হেফাজত বিএনপি জামাতের সঙ্গে সমঝোতার কোনও সুযোগ নেই। সমঝোতার কৌশল পরিহার করে তাদের ধ্বংস এবং দমন করার নীতি অবলম্বন করতে হবে।

তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, হেফাজতের ওপর ভর করে বিএনপির ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার যদি মনে করে হেফাজতের এক পক্ষ সরকারের পক্ষে আরেক পক্ষ বিপক্ষে তাহলে তা সরকারের জন্য মারাত্মক ভুল হবে। এক পক্ষকে বাদ দিয়ে অন্য পক্ষের সাথে আপোষ করলে তারা কি সরকারের পক্ষে থাকবে সেই গ্যারান্টি দিতে পারবেন?

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, মৌলবাদী চেতনায় বিশ্বাসী হেফাজতে ইসলাম এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কখনও গ্রহণ করেনি। তারা জাতির পিতাকে স্বীকার করেনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একটি যুদ্ধের মধ্যে রয়েছেন। এ যুদ্ধ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক মৌলবাদের বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার যুদ্ধ। যুদ্ধে আমাদের জয়লাভ করতে হবে।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, ধর্মের নামে ১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, গণহত্যা করেছিল, সেই শক্তি আজকেও বিভিন্ন নতুন নামে মাথাচাড়া দিয়ে উঠার পাঁয়তারা করছে। অবশ্য সরকার এটা কঠিনভাবে হস্তক্ষেপ করছে। এজন্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

হেফাজতকে দমনে ১৪ দলের নেতাদের দাবি প্রসঙ্গে জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, আমাদের ১৪ দলের নেতারা অনেক কথা বলেছেন। আমাদের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত সহজ কিন্তু সরকার কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে তা সরকারের ব্যাপার। আমি মনে করি সরকার সঠিক প্রক্রিয়ায় এগুচ্ছে।

মুজিবনগর সরকার প্রসঙ্গে আমির হোসেন আমু বলেন, অনেকেই বলেছেন মুক্তিযুদ্ধে অনেকের অবদান ছিল, সহযোগিতা ছিল, এদেশের সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল, তাদের বক্তব্য সব ঠিক কিন্তু এই অবদান, সহযোগিতা কার নেতৃত্বে, কার আহবানে হয়েছিল তারা সেই সত্যকে গোপন করতে চায়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার এই অপপ্রয়াস কখনও সফল হবে না।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

জামায়াত-হেফাজতের তেঁতুল হুজুররা আলেম নয়: ইনু

জামায়াত-হেফাজতের তেঁতুল হুজুররা আলেম নয়: ইনু

কথা রাখেনি হেফাজত, রাজনীতিকরাই নেতৃত্বে

কথা রাখেনি হেফাজত, রাজনীতিকরাই নেতৃত্বে

আটক নেতাদের বাদ দিয়ে হেফাজতের কমিটি, ঘোষণা সোমবার

আটক নেতাদের বাদ দিয়ে হেফাজতের কমিটি, ঘোষণা সোমবার

হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটি অবৈধ: মধুপুরের পীর

হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটি অবৈধ: মধুপুরের পীর

‘লীগ’ যুক্ত সংগঠন আছে তিন শতাধিক

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫

আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রায় এক যুগ হতে চললো। বড় একটি দলের কিছু শাখা-উপশাখা থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ দীর্ঘ সময়ে কোনোমতে একটি সংগঠন বানিয়ে নামের শেষে ‘লীগ’ জুড়ে নিজেদের মূল দলের শরিক ভাবতে শুরু করেছে ভুঁইফোড় অনেক গোষ্ঠী। দিনকে দিন সংখ্যাটা বেড়েই চলেছে। পাড়া-মহল্লা, গ্রামে তো আছেই, শুধু রাজধানীতেই ‘লীগ’ জুড়ে দেওয়া সংগঠন পাওয়া যাবে কমপক্ষে তিন শ’।

অনুসন্ধানে কোনও ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি এসব সংগঠনের। শুধু ফেসবুকে একটি পেইজ কিংবা দিবসভিত্তিক কিছু ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায়। আওয়ামী লীগ থেকেও এদের লাগাম টেনে ধরার পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। অথচ এদের কর্মকাণ্ডে সমালোচনার ভাগিদার হতে হচ্ছে মূল দলকেই।  

এসব ‘লীগ’ নামধারী সংগঠনের হর্তাকর্তারা বলছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনাতেই তাদের সংগঠন চলছে। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নামসর্বস্ব এসব ‘লীগ দোকানদাররা’ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কিছু নেতার আশপাশে ঘোরাঘুরি করেন কিছুদিন। এরপর তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন। ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ের বাইরে ঘোরাঘুরিও করেন নিয়মিত। শীর্ষপর্যায়ের কোনও নেতার কাছে মুখটা পরিচিত হলেই লীগ শব্দ জুড়ে খুলে বসেন রাজনীতির ‘দোকান’।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় লীগ নামের এসব ‘দোকান’ বেড়েই চলছে।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সহযোগী সংগঠনগুলো হচ্ছে যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, যুব মহিলা লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মৎস্যজীবী লীগ ও তাঁতী লীগ। ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন রয়েছে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ। এ ছাড়া অঙ্গ সংগঠন হিসেবে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব), মহিলা শ্রমিক লীগসহ কয়েকটি সংগঠন আছে আওয়ামী লীগের। দলের গঠনতন্ত্রে লীগ নামে আর কোনও সংগঠনের ভিত্তি নেই।

গত দুই দিন ধরে ‘লীগ’ নামে নতুন আরও দুটি ‘সংগঠন’ দেখা গেলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এগুলো হলো ‘আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ ও ‘জনসেবা লীগ’।

চাকারিজীবী লীগের পোস্টারে সংগঠনটির জেলা, উপজেলা ও বিদেশি শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, গত দু’-তিন বছর ধরেই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে তারা।

নামসর্বস্ব এ সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হেলেনা জাহাঙ্গীর আর সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মনির। পোস্টারে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে সাইফুল ইসলাম ইমনের ফোন নম্বর দিয়ে তাতে পদ প্রত্যাশীদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম ইমন বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ এখনও (আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে) অনুমোদন পায়নি। দুই থেকে তিন বছর ধরে ফেসবুকে আমাদের প্রচার-প্রচারণা চলছে। অনুমোদনের চেষ্টা চালাচ্ছি।’

সংগঠনের উদ্দেশ্য কী, জানতে চাইলে ইমন জানান, ‘আওয়ামী লীগের অন্য সহযোগী সংগঠনগুলোর মতোই কাজ করতে চান তারা।

বাংলাদেশ জনসেবা লীগের চেয়ারম্যান ডা. ইয়াছিন হাওলাদার মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন। গত ৫ জুলাই জামালপুরে ১৫ সদস্যের একটি কমিটিও অনুমোদন দিয়েছে সংগঠনটি। সারাদেশে কার্যক্রম চলছে জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে আমাদের সংগঠন কাজ করছে। আমাদের কাজ জনসেবামূলক।’

চেয়ারম্যান ইয়াছিন হাওলাদার মঞ্জু বলেন, তাদের সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২০ সালে। সারাদেশে ৩০টি জেলা-কমিটি রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের দিক-নির্দেশনায় জনসেবা লীগ পরিচালিত হয় বলে জানান তিনি।

চাকরীজীবী লীগের নেতা হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক আমার উপদেষ্টা, আমার ভাইয়া। ভাইয়াকে বললাম। তিনি আমাকে বললেন, আপনি না থাকলেতো কেউ না কেউ থাকবে। চুমকি আপা, কাদের ভাই, গোলাপ ভাই, বিপ্লব বড়ুয়া ভাইদের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু করোনার কারণে পারিনি।’

নামসর্বস্ব যত ‘লীগ’

১. জননেত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় লীগ ২. জননেত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় সংসদ ৩. আওয়ামী প্রচার লীগ ৪. আওয়ামী সমবায় লীগ ৫. আওয়ামী তৃণমূল লীগ ৬. আওয়ামী ছিন্নমূল হকার্স লীগ ৭. আওয়ামী মোটরচালক লীগ ৮. আওয়ামী তরুণ লীগ ৯. আওয়ামী রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগ ১০. আওয়ামী যুব হকার্স লীগ ১১. আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ ১২. আওয়ামী পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ ১৩. আওয়ামী পরিবহন শ্রমিক লীগ ১৪. আওয়ামী নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ ১৫. আওয়ামী ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ ১৬. আওয়ামী যুব সাংস্কৃতিক জোট ১৭. বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা গবেষণা পরিষদ ১৮. বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ১৯. বঙ্গবন্ধু একাডেমি ২০. বঙ্গবন্ধু নাগরিক সংহতি পরিষদ ২১. বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ২২. বঙ্গবন্ধু লেখক লীগ ২৩. বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ ২৪. বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ, ২৫. বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ ২৬. বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ ২৭. বঙ্গবন্ধু বাস্তুহারা লীগ ২৮. বঙ্গবন্ধু আওয়ামী হকার্স ফেডারেশন ২৯. বঙ্গবন্ধুর চিন্তাধারা বাস্তবায়ন পরিষদ ৩০. বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ ৩১. বঙ্গবন্ধু গ্রাম ডাক্তার পরিষদ ৩২. বঙ্গবন্ধু নাগরিক সংহতি পরিষদ ৩৩. বঙ্গবন্ধু লেখক লীগ ৩৪. বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ ৩৫. বঙ্গবন্ধু আদর্শ পরিষদ ৩৬. আমরা মুজিব সেনা ৩৭. আমরা মুজিব হবো ৩৮. চেতনায় মুজিব ৩৯. বঙ্গবন্ধুর সৈনিক লীগ ৪০. মুক্তিযোদ্ধা তরুণ লীগ ৪১. নৌকার সমর্থক গোষ্ঠী ৪২. দেশীয় চিকিৎসক লীগ ৪৩. ছিন্নমূল মৎস্যজীবী লীগ ৪৪. ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লীগ ৪৫. নৌকার নতুন প্রজন্ম ৪৬. ডিজিটাল ছাত্রলীগ ৪৭. ডিজিটাল আওয়ামী প্রজন্ম লীগ ৪৮. ডিজিটাল আওয়ামী ওলামা লীগ ৪৯. বাংলাদেশ আওয়ামী পর্যটন লীগ ৫০. ঠিকানা বাংলাদেশ ৫১. জনতার প্রত্যাশা ৫২. রাসেল মেমোরিয়াল একাডেমি ৫৩. জননেত্রী পরিষদ ৫৪. দেশরত্ন পরিষদ ৫৫. বঙ্গমাতা পরিষদ ৫৬. বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব পরিষদ ৫৭. আমরা নৌকার প্রজন্ম ৫৮. আওয়ামী শিশু যুবক সাংস্কৃতিক জোট ৫৯. তৃণমূল লীগ ৬০. একুশে আগস্ট ঘাতক নির্মূল কমিটি ৬১. আওয়ামী প্রচার লীগ ৬২. সজীব ওয়াজেদ জয় লীগ ৬৩. বাংলাদেশ তথ্য-প্রযুক্তি লীগ ৬৪. আওয়ামী শিশু লীগ ৬৫. আওয়ামী তৃণমূল লীগ, ৬৬. আওয়ামী তরুণ প্রজন্ম লীগ, ৬৭. আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ, ৬৮. বাংলাদেশ জনসেবা লীগ।

বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নামেই রয়েছে চারটি সংগঠন।

নিয়ম হলো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে কোনও সংগঠন করতে হলে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ এর অনুমোদন নিতে হয়। তথাপি অনুমোদন ছাড়াই নামসর্বস্ব সংগঠন নামের মধ্যে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ রাসেল ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এসব নামসর্বস্ব সংগঠন গড়ে তোলার সাহস পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘লীগ নাম ব্যবহার করে যারা এসব করে বেড়াচ্ছে তারা প্রতারক। এদের বিরুদ্ধে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ হানিফ বলেন, ‘এর আগে সারাদেশে আমরা আড়াই শ’ প্রতারক সংগঠনের তালিকা করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। কিছুদিন এদের তৎপরতা বন্ধ ছিল। এখন আবার শুরু হয়েছে। এদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এগুলো আওয়ামী লীগের অনুমোদিত বা সমর্থিত সংগঠন নয়। কিছু সুযোগসন্ধানী চক্র এসব করছে। আমাদের কিছু নেতা সরল বিশ্বাসে এসব চতুর ব্যক্তিকে ছবি তুলতে, সেলফি তুলতে অনুমতি দেন। এসব ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা অব্যাহত রেখেছেন তারা। যেকোনও নামে যেকোনও নাগরিকের সংগঠন করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এরা তো আওয়ামী লীগের নামের সঙ্গে নাম মিলিয়ে প্যাড-সর্বস্ব সংগঠন করে দলের অর্জন ম্লান করছে। এই অপতৎপরতা বন্ধে আওয়ামী লীগ কাজ শুরু করেছে।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৩:৪৬

আগামী ৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার (২৪ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।‌

ওবায়দুল কাদের বলেন, শোকাবহ আগস্ট মাস আসন্ন। বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে শোকাবহ, মর্মান্তিক হত্যার স্মৃতিবিজড়িত আগস্ট মাস আমাদের দুয়ারে সমাগত।

তিনি বলেন, প্রতি বছর আগস্টে মাসে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়। কিন্তু এবার করোনার ভয়াবহতায় লকডাউনের কারণে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে আগস্টের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে এবং কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষিত কর্মসূচি:- 

* ৫ আগস্ট শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। 

* সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* সকাল ১১টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলের শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* এ ছাড়াও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। 

* ১৬ আগস্ট বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা।

* ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা। 

* ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে সকাল ৯টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

* বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে ঘরোয়াভাবে আলোচনা সভা।

* ২৭ আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। 

স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরিধান করে সীমিত পরিসরে এসকল কর্মসূচি পালনে কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক ইউনিটসমূহকে দলের সভাপতির পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। 

সংক্রমণের উচ্চমাত্রার বিষয়টি মাথায় রেখে এবং কর্মসূচির ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে ঘোষিত কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।  

পাশাপাশি সকল সহযোগী সংগঠনসমূহকে সমন্বয় করে নিজস্ব কর্মসূচি পালনের উদাত্ত আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউনে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বেড়ে যায়। তবুও জীবনের সুরক্ষার প্রয়োজনে জনস্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

করোনার সংক্রমণ রোধে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করার পাশাপাশি পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে চলমান বিধিনিষেধ প্রতিপালন করে সংক্রমণের উচ্চমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

তিনি বলেন, আমাদের উদাসীনতায় লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ভয়ানক অবস্থা তৈরি হতে পারে। তাই জনস্বার্থে এবং জনজীবনের সুরক্ষায় শেখ হাসিনা সরকার এই কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জীবনের প্রয়োজনে বা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করার অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, অহেতুক কেউ বাইরে বের হবেন না। শতভাগ মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে বিধিনিষেধের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু কারো কারো উদাসীনতা এবং ঝুঁকি তোয়াক্কা না করে চলাফেরার কারণে সংক্রমণ পেয়েছে ঊর্ধ্বগতি। 

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি চলমান লকডাউন কর্মহীন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

 

 

/পিএইচসি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০১:০০

২০০৪ সালের শেষদিকে ১৪ দলীয় জোট গঠন করা হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিরুদ্ধে ২৩ দফার ভিত্তিতে গঠিত জোটের নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। আদর্শিক এই জোট ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনটি সাধারণ নির্বাচনে একসঙ্গে অংশ নেয়। দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভায়ও রাখা হয় জোট নেতাদের। সর্বশেষ জোট নেতাদের বাইরে রেখে সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ, জাসদ-ইনু, ন্যাপ (মোজাফফর) এবং বাম জোট ১১ দল মিলে এ জোট গঠন হয়। ১১ দলে আছে- সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, সাম্যবাদী দল, বাসদ (খালেকুজ্জামান), বাসদ (মাহবুব), গণতন্ত্রী পার্টি, গণআজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ও শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল।

এদের মধ্যে সিপিবি, বাসদ, (খালেকুজ্জামান) ও নির্মল সেনের শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল শুরু থেকে ১১ দলের সঙ্গে থাকলেও ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়নি। গণফোরামও জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় তারা।

এদিকে বাসদ (মাহবুব) জোটের শুরু থেকেই নিষ্ক্রিয় ছিল। দলটির প্রধান নেতা আ ফ ম মাহবুবুল হক ২০০৪ সাল থেকে কানাডায় চলে গেলে দলের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়ে। ২০১৭ সালে কানাডায় মারা যান মাহাবুবুল হক। এ সময়ে একাধিক খণ্ডে ভাগ হয় দলটি। বর্তমানে রেজাউর রশীদের নেতৃত্বে বাসদের একটি অংশ ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তরিকত ফেডারেশন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৪ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়। অপরদিকে জাসদ ইনু ভেঙে বাংলাদেশ জাসদ (আম্বিয়া) গঠন হয়। বর্তমানে জাসদের দুই অংশই ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে একসঙ্গে ভোট করলেও ক্ষমতার অংশীদার করা হয়নি। এরপর ১৪ দলের শরিক দলগুলোর ভেতর দূরত্ব বেড়ে যায়।

আওয়ামী লীগ নেতারা এই দূরত্বকে ক্ষমতার অংশীদার থাকা না থাকার দূরত্ব বলে মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজি জাফরউল্যাহ বলেন, এই দূরত্ব মূলত ক্ষমতাকেন্দ্রীক।

জোটের শরিক নেতাদের অভিযোগ, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ নেই বললেই চলে। করোনা মহামারি মোকাবেলায়ও জোটগত কোনও কর্মকাণ্ড নেই। মোটকথা ভালোমন্দ কিছুতেই যোগাযোগ হয় না। অথচ আগে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

শরিক নেতারা বলেন, দূরত্ব এমন পর্যায়ে গেছে যে, ঈদ, পূজা-পার্বণে সামান্য শুভেচ্ছা বিনিময়ও হয় না।

তাদের দাবি, ১৪ দল এখন অতীত। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটা অকার্যকর।

তবে আওয়ামী লীগ বলছে জোটে দূরত্ব নেই। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই বলেই মনে হচ্ছে দূরত্ব আছে। জোটের সমন্বয়ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জোট অটুট আছে।

জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে ১৪ দলীয় জোট হয়েছে, সেসব পূরণে আরও সময় দরকার। তাই জোট সক্রিয় রাখাই বাঞ্ছনীয়। এ জন্য আওয়ামী লীগকে আরও সক্রিয় হওয়া উচিত। জোট নেতাদের ভেতর মনোমালিন্য রয়েছে। আলোচনা করে এর সমাধান করা উচিত।’

ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন আমরা কি আর অ্যাকটিভ হবো না? জবাবে আমি বলেছিলাম আমরা অ্যাকটিভই আছি। যাদের হওয়ার কথা তারা নেই।’

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, ‘আন্দোলনের সময় জোটের দরকার হয় বেশি। তখন ছোট-বড় দলের প্রশ্ন আসে না। জোটের ভবিষ্যৎ কী হবে সেটা সময়ই বলে দেবে।’

গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জোটের কর্মকাণ্ড এখন ইস্যুভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনায় সীমাবদ্ধ। ২৩ দফার বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোনও নজর নেই। এখন হয়তো আওয়ামী লীগ ভাবছে বাকিটা পথ তারা একাই এগোবে।’

কমিউনিস্ট কেন্দ্রের যুগ্ম আহবায়ক অসীত বরণ রায় বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লড়াই শেষ হয়ে যায়নি। তাই ১৪ দলের প্রয়োজনীয়তাও শেষ হয়নি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১৩:০৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার প্রতি অধিকতর মানবিক আচরণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার মামলা ও চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতারা এক ধরনের রহস্যময় আচরণ করছেন। তার মুক্তি ও চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতি করতেই তারা বেশি আগ্রহী।’ বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা নিজ নিজ পদ রক্ষার জন্য দাবার গুটি বানাবেন আর দায় চাপাবেন সরকারের ওপর, তা হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বয়সের কথা বিবেচনায় ঘরে চিকিৎসার সুযোগ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। বিএনপি নেতাদের শেখ হাসিনার মহানুভবতার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সৌজন্যতা নেই বলেই পবিত্র ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে বিএনপি।’ সরকারের উদাসীনতা ও অযোগ্যতায় দেশের মানুষ নাকি কষ্টে আছে—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আসলে দেশের জনগণ নয়, বিএনপিই তাদের ব্যর্থ রাজনীতি ঢাকতে জনগণের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের পরীক্ষিত নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসীম সাহসী নেতৃত্বে দেশের জনগণ ভালো আছে। দেশের মানুষ ভালো আছে বলেই বিএনপির গায়ে জ্বালা বাড়ে।’ ’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন ও আন্দোলনে বারবার পরাজিত বিএনপি নেতারা এখন মিডিয়ায় বক্তব্য বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা নেই বলেই এখন তারা এটা সেটা বলে মাঠ গরম করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে, কর্মীদের চাঙা রাখার জন্য।’ দেশে গণতন্ত্র নেই—মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন, পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গণতন্ত্র একটি বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়া। রাতারাতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না; বরং বিএনপিই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পদে পদে বাধা দিচ্ছে। তারপরও চড়াই উতরাই অতিক্রম করে গণতন্ত্র এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিমি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এ দেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়। দেশ স্বাধীন হয়। এ দেশের সব অর্জন এবং মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে রয়েছে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা।’

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয়; বরং বিএনপিই এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ প্রদর্শক বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদের দিনেও বিএনপি নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে গিয়ে মিথ্যাচার করছেন। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাকি নির্বাসনে!’ 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, তারেক রহমান একজন দণ্ডিত আসামি। যদি নির্বাসনে মনে করেন তাহলে তিনি দেশে কেন ফিরে আসছেন না? তারেক রহমান নির্বাসনে নাকি মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করেছেন, তা কি বিএনপি নেতারা ভুলে গেছেন?’

দেশে জেল জুলুমের ভয় করলে রাজনীতি করছেন কেন? কেন তারেক রহমান নির্বাসনে গেলেন মুচলেকা দিয়ে, এসব প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘জনগণকে বোকা বানানোর দিন এখন আর নেই।’

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২৩:০৯

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের রাতে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এ কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে বুধবার রাত আটটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় যান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য।

বৈঠকশেষে বেরিয়ে আসছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। ছবি: চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং

এদিন রাত পৌনে দশটার দিকে বেরিয়ে আসেন বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতারা। এরপর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে যেন সকলেই স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক চলেন এই আহবান জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কেমন?

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ পরবর্তী গত ১৯ জুলাই টিকা নেওয়ার পর একটু জ্বর এসেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।’

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিএনপিপ্রধানের সঙ্গে ঈদশুভেচ্ছা বিনিময়ে বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান ও ম্যাডামের চিকিৎসক ও ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল

/এসটিএস/এমএস/

সম্পর্কিত

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

৫ আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

সর্বশেষ

শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত

শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

বাংলাদেশ সফর থেকে ছিটকে গেলেন ফিঞ্চ

বাংলাদেশ সফর থেকে ছিটকে গেলেন ফিঞ্চ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু ২৮ জুলাই

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু ২৮ জুলাই

সুসময়ের অপেক্ষায়... (ফটোস্টোরি)

সুসময়ের অপেক্ষায়... (ফটোস্টোরি)

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমতা

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমতা

দুধ যেন উপচে না পড়ে

দুধ যেন উপচে না পড়ে

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

বিধিনিষেধ না মেনে যাত্রী পরিবহন, মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত

বিধিনিষেধ না মেনে যাত্রী পরিবহন, মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

বিচ্ছেদের পর যে কারণে আবারও ভাইরাল আমির-কিরণ

বিচ্ছেদের পর যে কারণে আবারও ভাইরাল আমির-কিরণ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

জামায়াত-হেফাজতের তেঁতুল হুজুররা আলেম নয়: ইনু

জামায়াত-হেফাজতের তেঁতুল হুজুররা আলেম নয়: ইনু

কথা রাখেনি হেফাজত, রাজনীতিকরাই নেতৃত্বে

কথা রাখেনি হেফাজত, রাজনীতিকরাই নেতৃত্বে

আটক নেতাদের বাদ দিয়ে হেফাজতের কমিটি, ঘোষণা সোমবার

আটক নেতাদের বাদ দিয়ে হেফাজতের কমিটি, ঘোষণা সোমবার

হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটি অবৈধ: মধুপুরের পীর

হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটি অবৈধ: মধুপুরের পীর

নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি বাবুনগরীর

নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি বাবুনগরীর

নিজেদের হেফাজতেই ব্যস্ত হেফাজতে ইসলাম

নিজেদের হেফাজতেই ব্যস্ত হেফাজতে ইসলাম

নতুন হেফাজত মিলেমিশে, নেতৃত্ব থেকে বাদ পড়ছেন রাজনীতিকরা

নতুন হেফাজত মিলেমিশে, নেতৃত্ব থেকে বাদ পড়ছেন রাজনীতিকরা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে হেফাজত নেতারা বললেন ‘কিছু বলার নাই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে হেফাজত নেতারা বললেন ‘কিছু বলার নাই’

ধর্মীয় নেতাদের মুক্তি দিন: মির্জা ফখরুল

ধর্মীয় নেতাদের মুক্তি দিন: মির্জা ফখরুল

‘মির্জা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার’

‘মির্জা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার’

© 2021 Bangla Tribune