X
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ৫ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

নেই পরিবহনের ব্যবস্থা, অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই অফিস যাচ্ছেন তারা 

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৯

নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা না রেখে শিল্প কারখানাসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রাখায় বিপাকে পড়েছেন অফিসগামী লোকজন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিকল্প উপায়ে অফিসে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। এ সুযোগে রিকশা ও সিএনজিগুলো তাদের থেকে নিচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।ফলে কেউ কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ ভ্যানে করে অফিসে যাতায়াত করছেন।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় অনেককেই রিকশা না পেয়ে অনেকেই ভ্যানে করে অফিসে যেতে দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, গণপরিবহন না থাকায় সকাল বেলায় রিকশা ও সিএনজিগুলো অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে। ৫০ টাকা ভাড়া চায় ৮০-১০০ টাকা। তাও যাত্রীদের চাপে রিকশা পাওয়া যায় না। একারণেই হেঁটে বা ভ্যানে করে অফিসে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

ভ্যানে করে অফিস যাচ্ছেন লোকজন

বাসাবো বৌদ্ধমন্দির এলাকায়ও একই অবস্থা দেখা গেছে। সেখান থেকেও মতিঝিলের বিভিন্ন ব্যাংক ও অফিসগামী মানুষকে ভ্যান যোগে অফিসে যেতে দেখা গেছে। অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ায় কেউ কেউ হেঁটেই গন্তব্যে যাচ্ছেন। অফিসগামীদের অভিযোগ, অফিসগুলো নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করেনি। এ নিয়ে সরকারেরও কোনও তদারকি নেই। ফলে সাধারণ কর্মজীবী মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
একই অবস্থা দেখা গেছে, নগরীর মাদারটেক, মালিকবাগ, মৌচাক, রামপুরা, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায়।

হেঁটেই অফিস যাচ্ছেন লোকজন

সকাল ৯টায় মতিঝিলে কর্মস্থলে যেতে রিকশার জন্য খিলগাঁও রেলগেট অপেক্ষা করছিলেন ইদ্রিস আলী। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অফিস থেকে কোনও পরিবহন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। আগে ৬০-৭০ টাকা রিকশা ভাড়া দিয়েই অফিসে যেতাম। কিন্তু এখন সেই ভাড়া চাওয়া হচ্ছে ১২০ টাকা। বাধ্য হয়েই হেঁটে অফিসে যাচ্ছি।’

হেঁটেই অফিস যাচ্ছেন লোকজন

বাসাবো থেকে গুলিস্তানে যাওয়ার জন্য ভ্যানে উঠেছেন ৮-১০ জন কর্মজীবী মানুষ। তাদের একজন জমির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘রিকশা ভাড়া চাচ্ছে ১২০ টাকা। এখন জনপ্রতি ৪০ টাকা করে গুলিস্তানে যাচ্ছি।’ 


/এসএস/এসটি/

সম্পর্কিত

এক বছরেই বদলে যাবে ঢাকা, কমবে যানজট

এক বছরেই বদলে যাবে ঢাকা, কমবে যানজট

ঢাকা দক্ষিণের অবকাঠামোয় সহযোগিতা করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা দক্ষিণের অবকাঠামোয় সহযোগিতা করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

লাখো মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে চলছে ‘জরুরি খোঁড়াখুঁড়ি’

লাখো মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে চলছে ‘জরুরি খোঁড়াখুঁড়ি’

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৩:১৫

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ সম্মানের সঙ্গে যুগের পর যুগ বসবাস করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের মানুষ রক্ত দিয়েছে। পবিত্র কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনায় অপরাধী যে-ই হোক না কেন তার বিচার করা হবে।’

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) কুমিল্লা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৩

আজ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এর উদ্বোধন করেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাসহ বিভিন্ন পণ্য-ভিত্তিক মেলার স্থায়ী ভেন্যু হিসেবে বছরব্যাপী ব্যবহার হবে এই কেন্দ্র। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মোট ছয়টি উদ্দেশ্যে সরকার এই প্রদর্শনী কেন্দ্রের নির্মাণ করেছে—

১। বাংলাদেশের বাণিজ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দেশি-বিদেশি পণ্য উৎপাদনকারী ও ক্রেতাদের আন্তর্জাতিক মানের একটি কমন প্লাটফর্মে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়া।

২। প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করে পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি ও বৈচিত্র্য আনতে সহায়তা করা।

৩। দেশি-বিদেশি প্রতিযোগী উৎপাদকের পণ্যের মান ও মূল্য সম্পর্কে সরাসরি তুলনার সুযোগ করে দেওয়া।

৪। একই প্লাটফর্মে সারাবছর পণ্যভিত্তিক মেলা ও সাধারণ বাণিজ্য মেলাসহ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক বিভিন্ন প্রকার আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি করা।

৫। স্থানীয় পণ্যের গুণগত মান ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা।

৬। আধুনিক কারিগরি সুযোগ বিশিষ্ট স্বয়ংসম্পূর্ণ সেন্টার তৈরি করে বাংলাদেশে একটি আন্তর্জাতিক বিজনেস হাব প্রতিষ্ঠা করা।

সূত্র জানায়, ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণ করেছে চীনের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চাইনিজ স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সেন্টারটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকারের অনুদান ছিল ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে ২৩১ কোটি এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি অর্থায়ন করেছে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। প্রতিবছর এখানেই অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, চীন বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়িক অংশীদার। এই সেন্টারের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে। রফতানিও বাড়াবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, পূর্বাচল নতুন শহরে ২০ একর জমির ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার জায়গায়। এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। স্টল আছে ৮০০টি। দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ে পার্কিং স্পেস ৭ হাজার ৯১২ বর্গমিটার। ৫০০টি গাড়ি পার্কিং করা যাবে। এ ছাড়া এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনে খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে।

প্রদর্শনী কেন্দ্রে ৪৭৩ আসন বিশিষ্ট একটি মাল্টি ফাংশনাল হল, ৫০ আসনের কনফারেন্স কক্ষ, ৬টি নেগোসিয়েশন মিটিং রুম, ৫০০ আসনের রেস্তোরাঁ, শিশুদের খেলার জায়গা, নামাজের রুম, ২টি অফিস, মেডিক্যাল বুথ, গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট-ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেট, ওয়াইফাই, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ইন-বিল্ট পতাকা স্ট্যান্ড এবং ইলেকট্রনিক প্রবেশপথ রয়েছে।

সেন্টারটির নির্মাণকাজ শুরু ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর। কাজ শেষ হয় ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর।

ঢাকার শেরেবাংলা নগরের অস্থায়ী মাঠ থেকে পূর্বাচলে নির্মিত সেন্টারটির দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। প্রদর্শনী কেন্দ্রে দৃষ্টিনন্দন ঢেউ খেলানো ছাদের নিচে দুই লাখ ৬৯ হাজার বর্গফুটের দুটি পৃথক প্রদর্শনী হল রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে বছরে একবার মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার বাইরেও সারা বছর সোর্সিং ও পণ্য প্রদর্শনী হবে। সে জন্য পাঁচ তারকা হোটেল, নতুন প্রদর্শনী কেন্দ্র, ভূগর্ভস্থ পার্কিং ইত্যাদিও করা হবে। এসব স্থাপনার জন্য ইতোমধ্যে বাড়তি ১৭ একর জমি পাওয়া গেছে।

প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম জানিয়েছেন, সেন্টারটির আরও কিছু কাজ বাকি। দ্রুত তা শেষ করা হবে। 

/এফএ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩১

রাজধানীর পূর্বাচলে নবনির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাসহ বিভিন্ন পণ্য-ভিত্তিক মেলার স্থায়ী ভেন্যু হিসেবে বছরব্যাপী ব্যবহার হবে এই কেন্দ্র। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। তার আশা, এটি দেশের অর্থনীতিতে নতুনমাত্রা যোগ করবে। একইসঙ্গে রফতানিও বাড়বে। তার পাশাপাশি বক্তৃতা দিয়েছেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জি মিন। 

জানা যায়, ২০ একর জমির ওপর ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র। ৭৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করেছে চীনের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চাইনিজ স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। এর মধ্যে চীন সরকারের অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে ২৩১ কোটি টাকা এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) অর্থায়ন করেছে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। 

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

আধুনিক প্রদর্শনী কেন্দ্রটির মিলনায়তনের দৈর্ঘ্য ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। এতে স্টল আছে ৮০০টি। দোতলা পার্কিং ভবনের জায়গা ৭ হাজার ৯১২ বর্গমিটার। ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে এখানে। এছাড়া মূল ভবনের সামনে খোলা জায়গায় আরও একহাজার গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে।

প্রদর্শনী কেন্দ্রের দৃষ্টিনন্দন ঢেউ খেলানো ছাদের নিচে রয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার বর্গফুটের দুটি পৃথক প্রদর্শনী হল। এছাড়া আছে ৪৭৩ আসন বিশিষ্ট একটি মাল্টি ফাংশনাল মিলনায়তন, ৫০ আসনের কনফারেন্স কক্ষ, ৬টি নেগোসিয়েশন মিটিং রুম, ৫০০ আসনের রেস্তোরাঁ, শিশুদের খেলার জায়গা, নামাজের রুম, ২টি অফিস, মেডিক্যাল বুথ, গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট-ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব পানি শোধনাগার, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেট, ওয়াইফাই, ঝরনা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ইন-বিল্ট পতাকা স্ট্যান্ড এবং রিমোট-কন্ট্রোলড প্রবেশপথ।

ঢাকার শেরেবাংলা নগরের অস্থায়ী মাঠে প্রতিবছর বাণিজ্য মেলা হতো। সেখান থেকে পূর্বাচলে নির্মিত নতুন সেন্টারের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে এটি ১৫ কিলোমিটার দূরে। ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর শুরু করে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর। 

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বছরে মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার বাইরে সারাবছর সোর্সিং ও পণ্য প্রদর্শনী হবে। সেজন্য পাঁচতারকা হোটেল, নতুন প্রদর্শনী কেন্দ্র, ভূগর্ভস্থ পার্কিং ইত্যাদি তৈরি হবে। এসব স্থাপনার জন্য ইতোমধ্যে বাড়তি ১৭ একর জমি পাওয়া গেছে।

/এসআই/জেএইচ/

সম্পর্কিত

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২১ অক্টোবরের ঘটনা।)

 

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের এইদিন ঘোষণা করেন. জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে। বঙ্গবন্ধু বলেন, জাপানের জনগণের জন্য বাংলাদেশের মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা রয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন, জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী ও ভাতৃত্বের বন্ধন উত্তরোত্তর শক্তিশালী হবে। এই দুই দেশের বন্ধুত্ব সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষের প্রতি জাপানের সমর্থন ও সাহায্যের কথা তিনি কৃতজ্ঞতাভরে স্বীকার করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত বন্ধুত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হতে বাধ্য।

এর আগে ওয়াসাকার পথে সজ্জিত নৌকাযোগে বঙ্গবন্ধু সেখানে পৌঁছালে হাজার হাজার নারী-পুরুষ, শিশু ও যুব মিলে বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা স্বাগত জানাতে বন্দরে ভিড় জমান। জনতা সেখানে ‘জয় বাংলা’, জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক ধ্বনিতে বন্দরনগরী মুখর করে তোলে।

দৈনিক বাংলা, ২২ অক্টোবর ১৯৭৩

অবাঙালিদের ছাড়পত্র দিচ্ছে না পাকিস্তান

প্রায় তিন হাজার পাকিস্তানি চার দিন ধরে ক্যাম্পে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ব্যর্থ দিন গুনছিলেন। পাকিস্তান সরকারের ছাড়পত্রের অভাবে তারা দেশে যেতে পারছেন না। এদিন বাংলাদেশ সমিতি পরিচালিত এখানে অবস্থানরত পাকিস্তানিরা একথা জানায়। তারা প্রশ্ন করেন, ‘পাকিস্তান কি আমাদের ফেরত নেবে না?’

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের টালবাহানায় পাকিস্তানিদের মধ্যেই ব্যাপক নৈরাশ্য দেখা দিয়েছে। এই রিপোর্ট লেখার আগের দিন পর্যন্ত ১৭ হাজার বাঙালি স্বদেশে ফিরেছেন। অথচ পাকিস্তান গেছেন মাত্র ৬ হাজার ৭১০ জন। কম সংখ্যক পাকিস্তানি দেশে ফিরতে পারার কারণ হচ্ছে পাকিস্তান সরকারের ছাড়পত্র প্রদানে গড়িমসি। পাকিস্তানের বিমাতাসুলভ মনোভাব দেখে অনেকে অপমানিতও বোধ করছেন এবং এখন বাংলাদেশে থেকে যাওয়ার কথাও ভাবছেন।

ক্যাম্পের একজন সাংবাদিকদের বলেন, আগে এমন হবে জানলে ফিরে যাওয়ার অপশন নিতেন না। বাংলাদেশে তিনি চাকরি পেয়েছিলেন।

আরেক অবাঙালি বলেছেন, ‘আমরা বাঙালিদের ওপর অত্যাচার করেছি। আল্লাহ তার সাজা দিচ্ছে। এখন দেখছি পাকিস্তানিরা আমাদেরকে দেখতে পারে না। সেখানে গিয়ে কী হবে কে জানে।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আরবদের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতি তার দেশের সমর্থনের কথা আবার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আমরা চাই ১৯৬৭ সালের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা হোক এবং অধিকৃত আরব এলাকাসমূহ যেন ইসরায়েল ছেড়ে যায়।

জাপানের বহুল প্রচারিত একাধিক দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধু বলেন, আরবরা তাদের এলাকা থেকে ইসরায়েলিদের সরিয়ে দিতে লড়াই করে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মানুষ যতটুকু সম্ভব আরব ভাইদের সাহায্য করার চেষ্টা করছে।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরব দেশগুলোতে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক দল ও এক লাখ পাউন্ড প্রদানে চাপ প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন।

ডেইলি অবজারভার, ২২ অক্টোবর ১৯৭৩

বঙ্গবন্ধু আরও কয়েকটি গণমাধ্যমে কথা বলেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আরও তিনটি বিশিষ্ট সংবাদপত্রের সঙ্গে অনুরূপ সাক্ষাৎকার দেন সেদিন। এ ছাড়া বহুসংখ্যক সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার চেয়ে অপেক্ষায় ছিলেন। বঙ্গবন্ধু একজন প্রশ্নকারীকে জানান, বাংলাদেশ অক্ষরে অক্ষরে দিল্লিচুক্তি বাস্তবায়ন করছে এবং পাকিস্তান থেকে সকল বাঙালিকে ফিরিয়ে আনছে। পাকিস্তানে ফিরে যেতে ইচ্ছুক পাকিস্তানিদের দ্রুত প্রত্যাবর্তনে পাকিস্তান কর্তৃক সৃষ্ট বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে তার দেশের বন্ধুত্বের কথা ঘোষণা করে বলেন, সকল দেশ—বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উন্নয়নে তিনি আগ্রহী। বাংলাদেশের অবস্থা সম্পর্কে এক প্রশ্নকারীর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৬ সালের জাপানি দিকে ফিরে তাকালে বাংলাদেশের অবস্থা যথাযথভাবে বুঝতে পারবেন। তিনি বলেন হানাদার বাহিনী সবকিছু ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বাঙালিরা দেশ পুনর্গঠনের কাজে ব্রতী হয়েছে। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি বিষয়ে চীনের অস্বীকৃতিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে অভিহীত করেন তিনি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১৭

সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে  বুধবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

 ‘সামাজিক সম্প্রীতি সুরক্ষায় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ সভায়  স্বাশিপ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজুর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর আবদুল মান্নান চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন,‘সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ যখন একটি মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, তখন একাত্তরের পরাজিত শক্তি  ও জনগণের প্রত্যাখ্যাত  একটি মহল বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।’

শিক্ষকদের প্রতি এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে  তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা এখনও সমাজে সবচেয়ে সম্মানী ব্যক্তিত্ব। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে পারেন শিক্ষকমণ্ডলী।

শিক্ষামন্ত্রী এ ব্যাপারে সর্বস্তরের শিক্ষকদের যার যার অবস্থান থেকে ছাত্র, অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল  একটি অসম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও বৈষাম্যহীন  বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সমান অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে  এদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ঘটে। এ সময় স্বাধীনতাবিরোধীরা সমাজ ও রাষ্ট্রে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।  সেই অপশাক্তি আজও অত্যন্ত সক্রিয়। এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন— প্রফেসর সাজিদুল ইসলাম,অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান পান্না, মেহেরুন্নেছা, সামসুল হুদা, নজরুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদ,  শরীফুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন মুকুল,গোলাম মোস্তফা খোশনবিশ,রেজাউল করিম সিদ্দিকী এবং আলী আশরাফ শামীম। খবর: বাসস

 

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে জয়বাংলা ধ্বনিতে মুখর জাপান

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এক বছরেই বদলে যাবে ঢাকা, কমবে যানজট

এক বছরেই বদলে যাবে ঢাকা, কমবে যানজট

ঢাকা দক্ষিণের অবকাঠামোয় সহযোগিতা করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা দক্ষিণের অবকাঠামোয় সহযোগিতা করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

লাখো মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে চলছে ‘জরুরি খোঁড়াখুঁড়ি’

লাখো মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে চলছে ‘জরুরি খোঁড়াখুঁড়ি’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আ.লীগের সভাপতির স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আ.লীগের সভাপতির স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

কোনও আইনেরই যেন অপপ্রয়োগ না হয়: তথ্যমন্ত্রী

কোনও আইনেরই যেন অপপ্রয়োগ না হয়: তথ্যমন্ত্রী

সংসদ এলাকার নকশাবহির্ভূত সবকিছু অপসারণ করতে হবে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

সংসদ এলাকার নকশাবহির্ভূত সবকিছু অপসারণ করতে হবে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

একদিনে ঢাকায় মৃত্যু ৭২, শনাক্ত ৪৩৩৫

একদিনে ঢাকায় মৃত্যু ৭২, শনাক্ত ৪৩৩৫

চলছে সবকিছু, সচেতনতাই ভরসা

চলছে সবকিছু, সচেতনতাই ভরসা

আবারও লকডাউন দেওয়া হতে পারে: ওবায়দুল কাদের

আবারও লকডাউন দেওয়া হতে পারে: ওবায়দুল কাদের

সর্বশেষ

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

ব্যর্থতা ঢাকতেই সাম্প্রদায়িকতাকে আনা হয়েছে: রিজভী

ব্যর্থতা ঢাকতেই সাম্প্রদায়িকতাকে আনা হয়েছে: রিজভী

ই-জুডিশিয়ারি ও ই-কোর্ট রুম স্থাপনের অগ্রগতি ফের জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

ই-জুডিশিয়ারি ও ই-কোর্ট রুম স্থাপনের অগ্রগতি ফের জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

নোয়াখালীতে বিশৃঙ্খলায় গ্রেফতার ১৩০ 

নোয়াখালীতে বিশৃঙ্খলায় গ্রেফতার ১৩০ 

নতুন সোশ্যাল মিডিয়া চালু করছেন ট্রাম্প

নতুন সোশ্যাল মিডিয়া চালু করছেন ট্রাম্প

© 2021 Bangla Tribune