X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

রাস্তায় নামছেন শ্রমিকরা, চালু হতে পারে গণপরিবহন

আপডেট : ০১ মে ২০২১, ১৪:০০

লকডাউনে গণপরিবহন চালুর দাবিতে কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা বলছেন, করোনা মহামারির মধ্যে চলমান লকডাউনে দেশে দোকানপাট, অফিস, কারখানাসহ সবই সচল। চলছে না শুধু গণপরিবহন।

তারা আরও বলেন, অন্যান্য খাতে প্রণোদনার ঘোষণা দেওয়া হলেও এ খাত উপেক্ষিত। এ পেশায় জড়িত ৫০ লাখ শ্রমিক এখন নিরুপায়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে হলেও গণপরিবহন চালুর দাবি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের। দাবি আদায়ে আগামী রবিবার সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে শ্রমিকরা। তাদের দাবির সমর্থনে ইতিবাচক ইঙ্গিতও দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

গণপরিবহন চালুসহ তিন দফা দাবিতে আগামী ২ মে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৪ মে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অনেকবার সেতুমন্ত্রীকে বলেছি। অনেক আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু কোনও বাস্তবায়ন দেখছি না।

এদিকে গত ২৪ এপ্রিল সড়ক জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময় সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‌‌‌‌‌জনস্বার্থ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে সরকার গণপরিবহন চালুর সক্রিয় চিন্তাভাবনা করছে।

মন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর এতোদিন চুপ ছিল পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। কিন্তু ২৮ এপ্রিল লকডাউনের মেয়াদ আবার বাড়িয়ে গণপরিবহনও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপরই পরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

দিনে দুই কোটি যাত্রী

জানতে চাইলে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ যাত্রী সড়কপথে যাতায়াত করেন। জাতীয় অর্থনীতি গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এ খাত।

প্রতিদিন কমপক্ষে দুই কোটি যাত্রী গণপরিবহনে যাতায়াত করেন। এ খাতে ৩০ লাখেরও বেশি শ্রমিক জড়িত। বছরে সরকার এ খাত থেকে হাজার কোটি টাকার রাজস্বও আদায় করে। চার লাখের মতো মোটর মেকানিক ও যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীও এ খাতে জড়িত।

রমেশ চন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চালুর দাবি জানাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস সরকার এটি বিবেচনা করবে।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গা ও মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চালুর দাবি করেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, লকডাউনে বাস ছাড়া সবই চলছে। বাস চালু না থাকায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিকল্পভাবে বিভিন্ন পরিবহনে গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এতে ঝুঁকি আরও বাড়ছে। লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসে দুই সিটে একজন যাত্রী নিয়ে বাস চালু থাকলে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থাকবে না।

বাস চালুর ব্যাপারে সারা দেশের পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে সাংঘাতিক ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও তিনি জানান।

জানতে চাইলে সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সেতুমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। সরকার যদি সিদ্ধান্ত দেয় তবে সব শর্ত মেনে যানবাহন চালু করবো।’

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রোধে গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে মেয়াদ বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক পরিবহন নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, সড়ক অবরোধ করে দোকান-মালিক সমিতিগুলোর বিক্ষোভের পর সরকার দোকানপাট খুলে দিয়েছে। কিন্তু পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা রাস্তায় নামেনি। যে কারণে সরকার পরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়নি। তারা বলেছেন দাবি জানালে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এ জন্য কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

গণপরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতিও। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন চালুর দাবি জানায়।

 

 

 
 
/এফএ/

সম্পর্কিত

উত্তরায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

উত্তরায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

ফুটপাত বাণিজ্য নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ, দিনে কত টাকা ওঠে?

ফুটপাত বাণিজ্য নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ, দিনে কত টাকা ওঠে?

ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে: মেয়র আতিক

ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে: মেয়র আতিক

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্য দরকার: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, আমরা জানি সাংবাদিকরা এখন কী বিপদের মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যখন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করেছে; মালিক হরণ করছে, আবার অন্যদিকে রাষ্ট্রও হরণ করছে। তখন সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্য দরকার। আমরা দেখছি শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে অপমানজনক তৎপরতা চলছে। তার বিরুদ্ধে আপনারা যে রকম ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন, আমরা মনে করি আপনাদের এই ঐক্য স্থায়ী হওয়া দরকার।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ’ আয়োজিত বরেণ্য সাংবাদিক, শিক্ষাগুরু আতাউস সামাদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি। স্মরণসভায় প্রথমবারের মতো চালু করা ‘আতাউস সামাদ স্মৃতি পুরস্কার-২০২১’ পান বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ফটোসাংবাদিক এবিএম রফিকুর রহমান।

বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের স্মৃতিচারণ করে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমাদের সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল। আমি তার বিবর্তনটা দেখেছি। তার সাংগঠনিক ক্ষমতার বিবর্তনটা দেখেছি। আমাদের সবার স্মরণ আছে, তিনি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় পাকিস্তান অবজারভারের সংবাদদাতা ছিলেন। কিন্তু তিনি আরেকটা বড় কাজ করেছিলেন; সেটা হচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমানের চিঠি মওলানা ভাসানীর কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। ‌এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ ছিল। এই যে কাজ, এটা তো অন্য কোনও সাংবাদিক করতে পারলেন না। দুজনের আস্থাভাজন ছিলেন এই তরুণ; এটা অসাধারণ ঘটনা। এরকম ঘটনা একজন সাংবাদিকের জীবনে সবসময় আসে না। আমরা তাকে দেখেছি ঊনসত্তরের অভ্যুত্থানের সময়, একাত্তরের যুদ্ধের সময় এবং এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি কারাভোগ করেছেন, এটিও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কেবল ঘটনার পিছুপিছু ঘুরবেন না। ঘটনার গভীরে যাবেন। কী ঘটতে যাচ্ছে সেটার আভাস দেবেন। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে ‘পুঁজিবাদী সংক্রমণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আজকে আফগানিস্তানের নেতৃত্বে আসছে তালেবান। তালেবানকে তো আমরা প্রতিষ্ঠান বলতে পারি না, এটা একটা রোগ এবং সেই রোগটা হচ্ছে ফ্যাসিবাদ। আজকের সারা পৃথিবীতে চরম আকারে ফ্যাসিবাদ বিরাজ করছে; এটা সবচাইতে মর্মান্তিক। 

সাংবাদিক আতাউস সামাদের কথা স্মরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক বলেন, আতাউস সামাদের মতো সাংবাদিকরা আমাদের দৃষ্টান্ত। আতাউস সামাদ যেভাবে ভেতরের খবর তুলে আনতেন, সেভাবে খবর তুলে আনা দরকার। তার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আমি অত্যন্ত গর্বিত যে আতাউস সামাদের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ছিল।

স্মরণসভায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আতাউস সামাদ যখন একটি রিপোর্ট কনসেপ্ট করতেন, সেটি ডেলিভারি হওয়া পর্যন্ত তিনি শান্তি পেতেন না, কিছুতেই শান্ত হতেন না। মাঝেমধ্যে ফোন করলে তিনি এক ঘণ্টার মতো কথা বলতেন, তার কারণ হচ্ছে তিনি সেখানে খবরটা বের করতে চান এবং বের করতেনও। 

অনুষ্ঠানে আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান বলেন, আতাউস সামাদ সত্যের উপর ভিত্তি করে সাংবাদিকতা করেছেন। তিনি সব দিক থেকে তথ্যকেই মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি যে সত্যান্বেষী; এটা তার সবচেয়ে বড় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তিনি যেকোনও সংবাদ কয়েকবার না পড়ে ছাড়তেন না। বিবিসি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যতটুকু ভূমিকা পালন করেছে, সেখানে আতাউস সামাদ একজন অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে সংবাদ পরিবেশন করেছেন।

স্মরণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কবি হেলাল হাফিজ, দি ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের যুগ্ম সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান, মুন্নী সাহা প্রমুখ।

/জেডএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

নভেম্বরে ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নভেম্বরে ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

চার লাখ শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

চার লাখ শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আরব আমিরাতের ফ্লাইট: অপেক্ষা আরও ৪৮ ঘণ্টা

আরব আমিরাতের ফ্লাইট: অপেক্ষা আরও ৪৮ ঘণ্টা

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

নভেম্বরে ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২২

২০১৯ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে কোভিড-১৯ বিবেচনায় আগামী নভেম্বর মাসে তাদের ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৯৩তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।

সভায় বিভিন্ন পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অনার্স ১ম বর্ষে দেশব্যাপী ভর্তি হওয়া ৪ লাখ নবীন শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অনার্স ১ম বর্ষে সদ্য ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়া, কোভিডকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয় দিকনির্দেশনা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত সময় স্ব স্ব কলেজে এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে।

অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া কোভিডের কারণে যেসব শিক্ষার্থীর মনোবল ভেঙে পড়েছে, তাদের মনোবল ধরে রেখে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৩ জনকে এমফিল এবং ২ জনকে পিএইচডি ডিগ্রি দিয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের অ্যাকাডেমিক কমিটিতে ২ জন অধ্যাপককে সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।  

/এসএমএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

চার লাখ শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

চার লাখ শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলির পাইলটিং শুরু আগামী মাসে

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলির পাইলটিং শুরু আগামী মাসে

বিডিএসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ‘অ-আদিবাসী’ শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবি

বিডিএসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ‘অ-আদিবাসী’ শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবি

ক্লাস আপাতত বাড়ছে না: মাউশি মহাপরিচালক

ক্লাস আপাতত বাড়ছে না: মাউশি মহাপরিচালক

চার লাখ শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:১৮

অনার্স ১ম বর্ষে দেশব্যাপী ভর্তি হওয়া ৪ লাখ নবীন শিক্ষার্থীকে ওরিয়েন্টেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৯৩তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অনার্স ১ম বর্ষে সদ্য ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়া, কোভিডকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয় দিকনির্দেশনা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত সময় স্ব স্ব কলেজে এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে।

অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া কোভিডের কারণে যেসব শিক্ষার্থীর মনোবল ভেঙে পড়েছে, তাদের মনোবল ধরে রেখে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

সভায় বিভিন্ন পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে কোভিড-১৯ বিবেচনায় আগামী নভেম্বর মাসে তাদের ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৩ জনকে এমফিল এবং ২ জনকে পিএইচডি ডিগ্রি দিয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের অ্যাকাডেমিক কমিটিতে ২ জন অধ্যাপককে সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।  

সভায় সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মো. হামিদুল হক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগে শিক্ষক অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসানউজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক  ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক প্রদীপ চক্রবর্তী, ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী হাসান কামাল, বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ, রাজশাহী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল খালেক, সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শাহজাহান আলী, লালমাটিয়া কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লা আইন কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুনজুর কাদের, বান্দরবন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ ৩৩ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। 

/এসএমএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

নভেম্বরে ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

নভেম্বরে ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলির পাইলটিং শুরু আগামী মাসে

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলির পাইলটিং শুরু আগামী মাসে

বিডিএসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ‘অ-আদিবাসী’ শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবি

বিডিএসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ‘অ-আদিবাসী’ শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবি

ক্লাস আপাতত বাড়ছে না: মাউশি মহাপরিচালক

ক্লাস আপাতত বাড়ছে না: মাউশি মহাপরিচালক

আরব আমিরাতের ফ্লাইট: অপেক্ষা আরও ৪৮ ঘণ্টা

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:১৭

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যাব স্থাপন সম্পন্ন হলেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যাত্রীদের যাত্রা শুরু করতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিমানবন্দরের করোনার পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেন, এখানে কোনও সমস্যা নেই। সব ধরনের সুযোগ–সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফ্লাইট পরিচালনার ব্যাপারে আর কোনও ধরনের বিধিনিষেধও নেই। তবে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। 

কেন আরও ৪৮ ঘণ্টা লাগবে- বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে যাত্রীদের পিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। এ ছাড়াও এয়ারলাইনসগুলোরও টিকিট বিক্রি করতে হবে। সবকিছু মিলিয়ে এই সময় লাগবে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে ল্যাব স্থাপন করা হয়ে গেছে। আজ বিমানবন্দরের ৯৬ কর্মকর্তার নমুনার টেস্ট রান চলছে। টেস্ট রান সাকসেসফুল হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে বেবিচককে জানিয়ে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বিকালে একটা সংখ্যা জানিয়ে দেবেন, কী পরিমাণে যাত্রী এখানে পরীক্ষা করা যাবে। সে অনুপাতেই এয়ারলাইনসগুলোকে অবহিত করা হবে টিকিট বিক্রি শুরু করার জন্য। এসব কিছুর জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতগামীদের দুটো পরীক্ষা করতে হয়। একটি ৪৮ ঘণ্টা আগে, আরেকটি যাত্রার ছয় ঘণ্টা আগে। যে ছয়টি প্রতিষ্ঠান বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার কাজ করছে, তাদের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) যাচাই করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সেটির সম্মতি এসে যেতে পারে। 

অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ চেষ্টা করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ও বেসামরিক বিমানমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট এই তিন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা বিমানবন্দরে এসেছেন। আমরা সংঘবদ্ধভাবে এখানে চেষ্টা করেছি পিসিআর ল্যাব চালু করার জন্য। কিন্তু, এটা আমাদের হাতের বাইরে ছিল। এসওপিগুলো অনুমোদন করার এখতিয়ার আমাদের নেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্মতি এখনও আসেনি। তারা দেখছে, এখানকার পরীক্ষার পদ্ধতির গ্রহণযোগ্যতা আছে কি না। সেটা (সম্মতি) আসার পর আমরা অনুমোদন দিতে পারবো।

/সিএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

পেস্ট সোনাসহ বিমানবন্দরে দুবাই ফেরত যাত্রী আটক

পেস্ট সোনাসহ বিমানবন্দরে দুবাই ফেরত যাত্রী আটক

কাজের উদ্দেশে ভিজিট ভিসায় দুবাই যেতে দেবে না ইমিগ্রেশন পুলিশ

কাজের উদ্দেশে ভিজিট ভিসায় দুবাই যেতে দেবে না ইমিগ্রেশন পুলিশ

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

ব্যাগে ইয়াবা ঢুকিয়ে দেন বিমানবন্দরের কর্মী, সৌদিতে জেলে প্রবাসী

ব্যাগে ইয়াবা ঢুকিয়ে দেন বিমানবন্দরের কর্মী, সৌদিতে জেলে প্রবাসী

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:১১

একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ২১ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ সাত জন আর নারী ১৪ জন। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৬০৫ জন আর নারী মারা গেলেন নয় হাজার ৮০৯ জন।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২৪ জন। তাদের মধ্যে ১৪ জনই ছিলেন নারী। তার আগের দিনও  ২২ সেপ্টেম্বর) পুরুষের তুলনায় নারীমৃত্যু বেশি ছিল। ২২ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া ৩৬ জনের মধ্যে নারী ছিলেন ১৯ জন আর পুরুষ ১৭ জন।

গত ১২ আগস্টে দেশে করোনা মহামারিকালে প্রথম পুরুষমৃত্যুকে ছাড়িয়ে যায় নারীমৃত্যু। সেদিনই প্রথম বারের মতো একদিনে মৃত্যুর তালিকাতে পুরুষের চেয়ে নারীমৃত্যু বেশি ছিল। সেদিন অধিদফতর জানায়, করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২১৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১০৭ জন আর নারী ১০৮ জন।

এরপর গত ২০ সেপ্টেম্বর করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২৬ জনের মধ্যে ১৫ জন ছিলেন নারী আর ১১ জন পুরুষ। তার আগের দিন (১৯ সেপ্টেম্বর) বাদ দিয়ে পরপর দুইদিন ১৮ ও ১৭ সেপ্টেম্বরেও নারীমৃত্যু বেশি ছিল। ১৮ সেপ্টেম্বরে মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ১৬ জন আর নারী ১৯ জন। তার আগের দিনে ১৭ সেপ্টেম্বরে মারা যাওয়া ৩৮ জনের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ১৩ জন আর নারী ২৫ জন।

করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে দেশে পুরুষের আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুহার বেশি ছিল। নারীর তুলনায় পুরুষ বাইরে যান বেশি, যার কারণে তারা আক্রান্ত হন বেশি। আর আক্রান্ত হলে মৃত্যুও বেশি হবে বলে জানিয়ে এসেছেন বিশেষজ্ঞরা। যার কারণে নারীদের আক্রান্ত এবং তাদের মৃত্যুহার কম ছিল। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিল থেকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে নারী মৃত্যু বেড়ে যায়।

নারী মৃত্যুর জন্য বিশেষজ্ঞরা ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের দাপটের কথা বলেছেন। সেইসঙ্গে টিকা গ্রহণে নারীর পিছিয়ে থাকাতেও কারণ হিসেবে বলছেন তারা। জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি নাইট্যাগ (ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ) ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ মনে করেন, টিকা গ্রহণে পিছিয়ে থাকার কারণে নারী মৃত্যু বাড়ছে। হরমোনাল কারণে নারীরা এতদিন সুরক্ষা পেলেও টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষের এগিয়ে থাকার কারণে নারী মৃত্যু বাড়ছে।

/জেএ/এনএইচ/ 

সম্পর্কিত

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

একদিনে ২২১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

একদিনে ২২১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

উত্তরায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

উত্তরায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

ফুটপাত বাণিজ্য নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ, দিনে কত টাকা ওঠে?

ফুটপাত বাণিজ্য নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ, দিনে কত টাকা ওঠে?

ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে: মেয়র আতিক

ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে: মেয়র আতিক

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

৮০ বছর বয়সেও বৃদ্ধ আমিনের জীবনচাকা রিকশার প্যাডেলে

৮০ বছর বয়সেও বৃদ্ধ আমিনের জীবনচাকা রিকশার প্যাডেলে

তিস্তাসহ সব নদীর ভাঙন রোধে ৬ দফা দাবি 

তিস্তাসহ সব নদীর ভাঙন রোধে ৬ দফা দাবি 

মাদকবিরোধী রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৯ জন

মাদকবিরোধী রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৯ জন

‘অভিজাত এলাকায় গাড়ি চললে দিতে হবে এক্সট্রা চার্জ’

‘অভিজাত এলাকায় গাড়ি চললে দিতে হবে এক্সট্রা চার্জ’

জমি পেলেই ডিএনসিসির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প শুরু

জমি পেলেই ডিএনসিসির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প শুরু

রাজধানীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

রাজধানীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

সর্বশেষ

সড়ক বিভাগে সাত হাজারের বেশি শূন্যপদ 

সড়ক বিভাগে সাত হাজারের বেশি শূন্যপদ 

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্য দরকার: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্য দরকার: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

তালেবান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করছে রাশিয়া

তালেবান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করছে রাশিয়া

পুলিশের পরিবর্তে নিজস্ব জনবলে সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা চায় সংসদীয় কমিটি

পুলিশের পরিবর্তে নিজস্ব জনবলে সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা চায় সংসদীয় কমিটি

এমসি কলেজ ছাত্রাবাস খুলছে ১ অক্টোবর

এমসি কলেজ ছাত্রাবাস খুলছে ১ অক্টোবর

© 2021 Bangla Tribune