X
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

প্রাথমিকের ১৯, মাধ্যমিকের ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী লেখাপড়ার বাইরে

আপডেট : ১০ মে ২০২১, ২৩:২৩

অনলাইন মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দূরশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলেও প্রাথমিকের ১৯ শতাংশ, মাধ্যমিকের ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনার বাইরে রয়েছে।

সোমবার (১০ মে) পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)-এর যৌথ গবেষণা জরিপে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

অনলাইনে জরিপ প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন। গত বছর এপ্রিল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত গত এক বছরের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে এক বছরের বেশি সময় ধরে সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে শিক্ষার্থীরা। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রাখতে অনলাইন, টেলিভিশন, রেডিওসহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে লেখাপড়া চালিয়ে নিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সর্বশেষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতিও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, সারাদেশে ৫১ শতাংশ প্রাইমারি শিক্ষার্থী প্রাইভেট কোচিংয়ে যাচ্ছে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাইভেট কোচিংয়ে যাচ্ছে। এতে অভিভাবকদের খরচের বোঝা কমেনি বরং বেড়েছে। গ্রাম পর্যায়ে খরচ বেড়েছে ১১ শতাংশ, শহর পর্যায়ে বেড়েছে ১৩ শতাংশ।

/এসএমএ/এমআর/

সম্পর্কিত

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

প্রশ্নফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

মাদক হিসেবে দেশে ইয়াবার পরেই চাহিদা ফেনসিডিলের। তথ্য বলছে, এই চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। আর এই ‘সুযোগ’কে কাজে লাগিয়ে ভারতের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ‍উঠেছে অবৈধ ল্যাব ও কারখানা। আর নাম পাল্টিয়ে অন্য পরিচয়ে দেশে ঢুকছে মাদকটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অন্তত পাঁচটি নতুন নামে ফেনসিডিল (কোডিন) প্রবেশে করছে। ফেনসিডিল নামটি বেশি পরিচিত হওয়ায় মাদক চোরকারবারিরা বিভিন্ন নামে সিরাপ তৈরি করে সেগুলো বাংলাদেশে পাচার করছে। এ বিষয়ে দ্রুত ভারতকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর মহাপরিচালক পর্যায়ে সপ্তম দ্বিপাক্ষিক সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারতকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণসহ এবারের সম্মেলনে মাদকের অনেক বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি, ভারত থেকে প্রতিনিয়ত ফেনসিডিল আসছে। কোরেক্স, এস্কাফ, এমকে ডিল (কোডিন ফসফেট) এবং কোডোকফ নামে ফেনসিডিল জাতীয় এই মাদক আসছে। প্লাস্টিক ও কাচের বোতলে এসব মাদক পাচার করা হয়।’

বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর দিকের সীমান্ত এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল চোরকারবারিরা পাচার করে। বোতল ছাড়াও পলিথিন, ড্রামে করেও কোডিন দেশে আনা হয়। চোরাচালানের মাধ্যমে আনা এই মাদক দেশে এনে বোতলজাত করেও একটি চক্র মাদকসেবীদের হাতে তুলে দেয়।

ভারতের সীমান্ত এলাকায় এ রকম কিছু কারখানা আছে, যেখানে ফেনসিডিল উৎপাদনের প্রধান উপাদান কোডিন মজুত ও ফেনসিডিল জাতীয় মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করা হয়। এসব অবৈধ কারখানা ধ্বংস করার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বাড়ছে হেরোইন পাচার

ভারতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতি ভারত--বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে হেরোইন পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।  উদ্ধার হওয়া হেরোইন চালন তাই নির্দেশ করে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও ভারত থেকে বিভিন্ন ইনজেকশন প্রবেশ করছে। জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এসব ইনজেকশন পাচার করা হয়।

নতুন রুটে গাঁজা পাচার

গাঁজা পাচারের জন্য চোরাকারবারিরা নতুন নতুন রুট সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে গাঁজা পাচার করা হচ্ছে।

ইয়াবা পাচারে ভারতের রুটও ব্যবহার করা হয়

ভারতে যেসব ইয়াবা মাঝেমাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরে, তা মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিম বাংলার রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসব ইয়াবা প্রবেশের চেষ্টা করে মাদক কারবারিরা। ভারতকে এ বিষয়ে আরও তৎপর হয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

মাদকের কেনাবেচা ভার্চুয়াল মুদ্রায়

বর্তমানে মাদক চোরাকরবারিরা মাদক পাচার ও কেনাবেচায় তাদের ধরণ পরিবর্তন করেছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দাবি করেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভুয়া ব্যক্তির ঠিকানায় মাদক পাচার হচ্ছে। এসব মাদক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার করছে চোরকারবারিরা। যা দুই দেশেই অবৈধ মুদ্রা। এতে অর্থপাচার হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এছাড়াও হুন্ডির মাধ্যমেও তারা মাদকের টাকা পাচার করে।

মাদক প্রতিরোধে ত্রিপক্ষীয় সভা চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কোন মাদকের উৎপাদন করে না, তারপরও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ভুক্তোভোগী। মিয়ানমার থেকে যেমন ইয়াবা ও আইস আসে, তেমনি ভারত থেকে আসে ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন মাদক। তাই এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ত্রিপক্ষীয় সভার প্রয়োজনের কথা বাংলাদেশ ভারতকে বলেছে। বাংলাদেশে পক্ষ থেকে ভারতেকে বলা হয়েছে, ‘সুশাসন ও নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীক সভা করলে অনেক কিছুরই সমাধান হবে।’

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ‘আমরা ষষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভায় ভারতকে কিছু বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলাম, কিছু ফেনসিডিল উৎপাদনকারীর নাম ঠিকানা দিয়েছিলাম, সেগুলো ভারত ধ্বংস করেছে। আমরা আবারও কিছু বিষয়ে তাদের জানিয়েছি, দুই দেশই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য তথ্য আদান-প্রদান, অভিজ্ঞতা শেয়ার, নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় একমত হয়েছি।’

 

/ইউএস/আইএ/

সম্পর্কিত

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ শতভাগ কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিধিমালা কার্যকরে কঠোর হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো বিধিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।  

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রতি পাঁচবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানছেন না অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ বিষয়ে সরকারের তদারকি না থাকাকেই দায়ী করছেন অনেকে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব নিতে চলতি বছরের ২৪ জুন সব মন্ত্রণালয় এবং বিভাগগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে দেওয়া চিঠিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দিতে বলেছে।

জানা গেছে, চিঠিতে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলেও আশাব্যাঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, নৌপরিবহন, ভূমি মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব চেয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর ভূমি মন্ত্রণালয় ২৫ আগস্ট, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ২০ সেপ্টেম্বর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২৮ জুলাই, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ আগস্ট, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১১ জুলাই, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১৪ জুলাই নিজ দফতর ও সংস্থাগুলোকে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে না নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলা হলেও সেটা কী হতে পারে তা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জনপ্রশাসন সচিব কে এম আলী আজম।

তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের একটা হিসাব দেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর আবার হিসাব জমা দেবেন তারা। সেটাকে ভিত্তি ধরে যাচাই-বাছাই করা হবে। এবার যারা হিসাব দেবেন তাদের তালিকা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে হিসাবের আওতায় আনা হবে।’

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এর বিধি-২ (সংজ্ঞা) অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীর সংজ্ঞায় ওই কর্মচারীর পরিবারের সদস্য বলতে ‘সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে বসবাস করেন অথবা করেন না, তার স্ত্রী/স্বামী, সন্তান বা সৎ সন্তানরা এবং তার সঙ্গে বসবাসরত এবং তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল তার নিজের অথবা স্ত্রীর/স্বামীর অন্যান্য আত্মীয়স্বজনকেও বোঝাবে। ফলে শুধু চাকরিজীবীর সম্পদের হিসাব দিলেই হবে না। দিতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সম্পদের হিসাবও।

হিসাব দেওয়া নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেকটাই চাপে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ প্রসঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।

এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে আমরা যারা আছি তারাও নিজ নিজ সম্পদের হিসাব দেবো।

/এফএ/

সম্পর্কিত

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

কার্বন নিঃসরণ কমাতে চায় বাংলাদেশও

কার্বন নিঃসরণ কমাতে চায় বাংলাদেশও

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৬

সংবিধানে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে শব্দ এবং এ বিষয়ক ঘটনা সংযুক্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) আবুল বাশারসহ ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী আবেদা গুলরুখ ও নাসরিন আক্তার এ রিট দায়ের করেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করবেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংবিধানে কোনও কিছু সংযোজন করা হয়নি। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে এই রিট আবেদন করেছি। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধা এই দুটি শব্দ সংবিধানের কোথাও নেই। এই শব্দ দুটি সুবিধাজনক ও সঙ্গতিপূর্ণ স্থানে স্থাপনের জন্যে রিটে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’

রিটে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শব্দ ও প্রসঙ্গ সংবিধানে যুক্ত করার জন্যে নির্দেশনা চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

 

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রেজা কিবরিয়া-নুরের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলার আবেদন

রেজা কিবরিয়া-নুরের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলার আবেদন

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৫

মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার উত্তরপত্র একই কলেজ না দেখে এবং রেজাল্ট শিট না করে ভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে সেই খাতা মূল্যায়ন ও রেজাল্ট শিট করানো উচিত বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিএমডিসি বনাম শাহ এমডি আরমান অ্যান্ড আদার্স নামক একটি মামলার শুনানিকালে বিএমডিসি’র আইনজীবীকে উদ্দেশ করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আদালতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) এর পক্ষের শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম।

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪১

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কর্ণফুলী আবাসিক হোটেল থেকে আদনান সাকিব (২৫) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুদ হাওলাদার এ তথ্য জানান।

ওসি বলেন, ‘বুধবার রাতে মরদেহ উদ্ধারের পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতল  মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে সন্ধ্যায় তার স্ত্রী শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

মওদুদ হাওলাদার বলেন, ‘সন্ধ্যায় স্ত্রী জিডি করার পর তার মোবাইল ফোন নম্বর ট্র্যাক করে তার লোকেশন বের করা হয়। তারপর কর্ণফুলী হোটেল আমাদের জানায়, আদনান নামে একজন সেখানে সিট ভাড়া নিয়ে আছেন। কিন্তু তার রুমের দরজা ধাক্কাধাক্কি করলেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। এরপর শাহবাগ থানা পুলিশ গিয়ে রুম থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হোটেলের রেজিস্ট্রেশনে দেখা গেছে, গত পরশু সন্ধ্যায় তিনি ওই হোটেলের ১০৭ নম্বর রুম ভাড়া নেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি ভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হোটেলে উঠেছেন বলে জানিয়েছিলেন। তার রুম থেকে পুলিশ একটি সুইসাইডাল নোট উদ্ধার করেছে। সেখানে আদনান তার মৃত্যুর জন্য কারও দোষ দেননি। প্রাথমিকভাবে এটা আত্মহত্যা মনে হলেও বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

আদনান সাকিবের সহপাঠীদের বরাত দিয়ে ওসি আরও বলেন, ‘আদনান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি থাকতেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে। আদানন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সবকিছুই ভুলে যেতেন তিনি। এসব কারণে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। গত পরশু সন্ধ্যার পর থেকে পরিবার তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। ফোনে কল দেওয়া হলেও রিসিভ করছিলেন না তিনি। এ জন্য বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে থানায় জিডি করেন তারা।’

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

প্রশ্নফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান ইউজিসি’র

বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান ইউজিসি’র

এসএসসি পরীক্ষা দেবে ২২ লাখ ২৭ হাজার

এসএসসি পরীক্ষা দেবে ২২ লাখ ২৭ হাজার

৮ থেকে ২৫ নভেম্বর কোচিং সেন্টার বন্ধ

৮ থেকে ২৫ নভেম্বর কোচিং সেন্টার বন্ধ

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

শিক্ষাকে জীবন ও সংস্কৃতিমুখী করা হচ্ছে: ডা. দীপু মনি

শিক্ষাকে জীবন ও সংস্কৃতিমুখী করা হচ্ছে: ডা. দীপু মনি

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালনে মাঠ পর্যায়ের কর্মসূচি স্থগিত

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালনে মাঠ পর্যায়ের কর্মসূচি স্থগিত

সর্বশেষ

বনাঞ্চলকেই কার্বন নিঃসরণকারী বানিয়ে ফেলেছে মানুষ: জরিপ

বনাঞ্চলকেই কার্বন নিঃসরণকারী বানিয়ে ফেলেছে মানুষ: জরিপ

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

অপশক্তি যে দলেরই হোক প্রতিহত করা হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

অপশক্তি যে দলেরই হোক প্রতিহত করা হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে যুবদলের ১৭৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

সিরাজগঞ্জে যুবদলের ১৭৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

© 2021 Bangla Tribune