X
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

আপডেট : ১৭ মে ২০২১, ১৭:৪৪

জার্মান ওয়াচের তথ্যমতে, জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম। বিপর্যয়ের যে ক’টি কারণ আছে তার মধ্যে লবণাক্ততা অন্যতম। ইতোমধ্যে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে এই সমস্যা।

জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম- সাতক্ষীরা, খুলনা, পটুয়াখালী ও বরগুনা। পুকুর, ডোবা-নালা, নদী ও খাল-বিলের পানিতে লবণাক্ততা রয়েছে বরিশালসহ আরও কয়েকটি জেলাতেও। লবণাক্ততা রোধে সরকারের শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-তে আছে বেশকিছু কর্মপরিকল্পনা। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশে এমন অনেক জেলা আছে যেখানকার নদী-খালে ছয়মাস পানি থাকে, বাকি ছয়মাস শুকনো মৌসুম। ওই সময় ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে থাকে। আবার সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪০টি উপজেলাজুড়ে আছে বিস্তৃত ভাটি অঞ্চল। একই দেশে এমন পার্থক্যের জন্য দায়ী করা হয় জলবায়ু বিপর্যয়কেই। এসব জেলা নিয়েও ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে ডেল্টা প্ল্যানে।

ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, উষ্ণায়ন ও পরিবেশ রক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান ও পদক্ষেপ বিশ্বসমাজে প্রশংসিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড’-এর বরাদ্দ আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও এ মহাপরিকল্পনায় স্থান পেয়েছে।

ব-দ্বীপ হিসেবে বাংলাদেশের সুবিধা

ডেল্টা প্ল্যানে বলা হয়েছে, এতোসব সমস্যার পাশাপাশি ব-দ্বীপ হিসেবে বাংলাদেশের কিছু সুবিধাও রয়েছে।

প্রথমেই আছে উর্বর জমি। এখানকার মোট ভূমির ৬৫ শতাংশই কৃষিজমি। ১৭ শতাংশ বনভূমি। ১০ শতাংশ জলাভূমি ও ৮ শতাংশ শহর এলাকা। নদ-নদী আছে সাত শ’রও বেশি। জলাভূমির মোট আয়তন ৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন হেক্টর।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সমুদ্রপথে উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে। অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের অপার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে এর কারণে। গতিশীল অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন ব্যবস্থাও রয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৬ হাজার কিলোমিটার।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন রয়েছে বাংলাদেশে। যার আয়তন প্রায় ৫ লাখ ৭৭ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে জলভাগ ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪০০ হেক্টর। সমৃদ্ধ প্রতিবেশও রয়েছে বাংলাদেশে। এর মধ্যে ২টি রামসার সাইট, ১৪টি ইসিএ (ইকলোজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া), ১৭টি জাতীয় উদ্যান, ২৮টি বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, ৮টি ইকোপার্ক এবং ২টি বোটানিক্যাল গার্ডেন।

৫টি গুরুত্বপূর্ণ ইসিএ হলো- হাকালুকি হাওর (১৮ হাজার ৮২ হেক্টর), টাংগুয়ার হাওর (৯ হাজার ৭২৭ হেক্টর), সোনাদিয়া দ্বীপ (৪ হাজার ৯১৬ হেক্টর), সেন্টমার্টিন দ্বীপ (৫৯ হেক্টর) এবং টেকনাফ উপদ্বীপ (১০ হাজার ৪৬৫ হেক্টর)।

সরকারের ডেল্টা পরিকল্পনায় ইসিএতে ৮০০-এর বেশি প্রজাতি চিহ্নিত করা গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

ব-দ্বীপ হিসেবে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

ব-দ্বীপ হিসেবে বাংলাদেশের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে-

১। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা: ২০৫০ সালের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা ১.৪ থেকে ১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

২। বৃষ্টিপাতের তারতম্য: ২০৩০ সালের মধ্যে বৃষ্টিপাত বাড়বে বাংলাদেশে। তবে দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমার আশঙ্কা রয়েছে।

৩। বন্যার আশঙ্কা: দেশের প্রায় ৭০ ভাগ অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত। এতে বন্যার আশঙ্কাও প্রবল।

৪। খরা মোকাবিলাও একটি চ্যালেঞ্জ- মূলত কৃষিজনিত খরা।

৫। নদী ভাঙন: প্রতিবছর নদীভাঙনে প্রায় ৫০ হাজার বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

৬। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ: ২০৫০ সালের দিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা শূন্য দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক শূন্য মিটার বাড়তে পারে। লবণাক্ততা ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ এলাকায় ১ পিপিটি এবং ২৪ শতাংশ এলাকায় ৫ পিপিটি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

৭। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা ও পরিমাণ বাড়তে পারে।

৮। জলাবদ্ধতা।

৯। পলি জমা।

১০। আন্তঃদেশীয় নদী ব্যবস্থাপনা।

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশল কাঠামো

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জগুলো মেকাবিলার কৌশল কাঠামো নির্দিষ্ট করা হয়েছে তিনটি।

প্রথমটি হচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের কৌশল। এর একটি হচ্ছে- বন্যার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আর অন্যটি স্বাদুপানির ব্যবস্থাপনা।

দ্বিতীয়ত- ৬টি হটস্পটের জন্য কৌশল কাঠামো। এগুলো হচ্ছে- প্রথম দফা ২০৩০ সাল, ২য় দফা ২০৪১ থেকে ২০৫০, ২০৬১ থেকে ২০৭১, ২০৮০, ২০৯১ এবং চূড়ান্ত ধাপটি হচ্ছে ২১০০ সাল।

সর্বশেষ তৃতীয়টি হচ্ছে- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বিষয় ব্যবস্থাপনা কৌশল। এর মধ্যে রয়েছে- টেকসই ভূমি ব্যবহার এবং স্থানিক পরিকল্পনা, কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, এবং জীবিকা, আন্তঃদেশীয় পানি ব্যবস্থাপনা, গতিশীল অভ্যন্তরীণ নৌ-ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্র অর্থনীতি ও নবায়নযোগ্য শক্তি।

পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার জাতীয় কৌশল

সরকারের এক শ’বছরের প্রণীত ডেল্টা প্ল্যানে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার জাতীয় কৌশলপত্রে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

এর জন্য যেসব কার্যক্রম নিতে হবে সেগুলো হচ্ছে-

ক) বেসিন ওয়াইড পদ্ধতি অনুসরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

খ) প্রধান নদীগুলোয় নতুন সেচ প্রকল্প গ্রহণ এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিদ্যমান জলাধার যেমন ডোবা, বাওর, পুকুর পুনঃখনন এবং সংরক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে পানি সংরক্ষণ এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ।

গ) সম্ভাব্যতা জরিপের মাধ্যমে রাবার বাঁধ নির্মাণের জন্য স্থান নির্বাচন। (বর্তমানে ৩৫০টি রাবার বাঁধ কার্যকর রয়েছে)।

ঘ) আঞ্চলিক নদনদীগুলোর প্রবাহ বাড়াতে পদক্ষেপ গ্রহণ। নদী ও জলাভূমি পুনরুদ্ধারে জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব প্রদান। ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ ও তা সংরক্ষণ।

ঙ) নগর এবং গ্রামীণ নদীতে স্বাদুপানির প্রবাহ বাড়ানো ও সার্বিকভাবে দূষণমুক্ত রাখা।

আন্তঃদেশীয় পানি ব্যবস্থাপনা

সরকারের ডেল্টা প্ল্যানে আন্তঃদেশীয় পানি ব্যবস্থাপনায় কয়েকটি কৌশলের কথা বলা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-

ক) উজানের নদীগুলো থেকে পানি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সে অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা।

খ) উজানের পানি প্রবাহের বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় রেখে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করে প্রয়োজনে দেশের অভ্যন্তরে সম্ভাব্য বাঁধ বা ব্যারেজ নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা।

গ) পানিসংক্রান্ত কূটনীতির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।

ঘ) তিস্তার পানিবণ্টন সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন তৎপরতা অব্যাহত রাখা।

ঙ) চাহিদাভিত্তিক যৌথ নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ।

চ) পানিসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষকে (বহুপক্ষীয় বা দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বা দেশ) সম্পৃক্তকরণ এবং অববাহিকাভিত্তিক বন্যার পূর্বাভাস পদ্ধতির উন্নয়ন।

//এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, এ সব সমস্যা নিরসনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল-ভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণের কথা বলা হয়েছে এই মহাপরিকল্পনায়। চ্যালেঞ্জগুলো মাথায় রেখে সেভাবেই ২০৩০ সাল নাগাদ প্রথম ধাপে ৮০টি প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্য দিয়েই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাদুপানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে। সমাধান হবে প্রকট খরা ও জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগও।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ অনুমোদন পায়। এর আগের ৪৭ বছরে দেশে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি উন্নয়নে বহু পরিকল্পনার পরও সরকার আগামী ১০০ বছরের জন্য ডেল্টা প্ল্যান গ্রহণ করে।

এ পরিকল্পনার আওতায় আছে সারা দেশ। দেশের নদ-নদী, জলাভূমি, মাটি, পাহাড়, সমতল, হাওরসহ যাবতীয় প্রাকৃতিক ঝুঁকি নিয়ে গবেষণা করে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত করার আগে জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ-প্রতিবেশ, বিনিয়োগ, অর্থায়ন ইত্যাদি বিষয়ে ২৬টি বেইজলাইন সমীক্ষাও করতে হয়েছে।

/এফএ/ইউআই/

সম্পর্কিত

নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা

নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৮

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতে ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে ফ্লাইট পুনরায় শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের সাইডলাইন ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে লোট নিউ ইয়র্ক প্যালেসে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
তিনি বলেন, ‘সুখবর হচ্ছে, তারা বিমানকে (রবিবার নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানের ফ্লাইট) অবতরণের অনুমতি দিয়েছে। সুতরাং আমি আশা করি বিমান ভবিষ্যতে ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে তার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেশন এভিয়েশন অথরিটির সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে বিমান চলাচল বেশ কয়েক বছর ধরে স্থগিত রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিমানের বহরে অনেকগুলো আধুনিক মডেলের উন্নত বিমান যুক্ত করা হয়েছে। 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানের এই রুট চালু হলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিরা খুব খুশি হবেন।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪৬

দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ দিয়েছে জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন)। খবর বাসসের।
স্থানীয় সময় সোমবার নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ পুরস্কার গ্রহণ করে বলেন, তিনি বাংলাদেশের জনগণকে এটি উৎসর্গ করছেন।’
মোমেন সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের পর টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) দ্রুত এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে এ পুরস্কার পাওয়াকে দেশের সফলতার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে অভিহিত করেন।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন কৌশলবিদ অধ্যাপক জেফ্রি ডি. সচ’র নেতৃত্বে জাতিসংঘ মহাসচিবের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১২ সালে এসডিএসএন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোই এ প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জেফ্রি সচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘জুয়েল ইন দি ক্রাউন অব দি ডে’ হিসেবে তুলে ধরেন এবং বিশ্বব্যাপী মহামারি চলাকালেও এসডিজি প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এ পুরস্কার হচ্ছে এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে জোরালো দায়িত্ব পালনের একটি প্রমাণপত্র।’
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে আজ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সরকার প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন।

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:১১

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এক-তৃতীয়াংশ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অবশ্য স্বতন্ত্র হলেও প্রার্থীদের বেশিরভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগ ঘরানার। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তারা।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার প্রথম দফার স্থগিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও একক প্রার্থী থাকায় এসব ইউপির ৪৩টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। এসব ইউপিতে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সোমবারের ভোটে চেয়ারম্যান পদে ১১৭টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১১৭টি ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা ৭৬টিতে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্ররা জয়ী হয়েছেন ৩৬টি ইউপিতে। এর বাইরে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী একটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তালা উপজেলার ঘষিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে ওয়ার্কার্স পার্টির মোল্লা সাবির হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। ইউপিতে তার নিকটবর্তী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মোজাফফর রহমান।

একটি করে কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকায় চারটি ইউপির ফলাফল স্থগিত রয়েছে। এরমধ্যে একটিতে আওয়ামী লীগ ও তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ৬টি ইউপির মধ্যে পাঁচটিতে ব্যালট এবং একটিতে ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যালটে অনুষ্ঠিত পাঁচটি ইউপির সবক’টিতেই স্বতন্ত্ররা জয়ী হয়েছেন। অপরদিকে ব্যালটে অনুষ্ঠিত বারাকপুর ইউপিতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

বাগেরহাট জেলার ২৭টি ইউপির মধ্যে ২৬টিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। এ জেলার কেবল মোরেলগঞ্জ উপজেলার দুটি ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। বাগেরহাট জেলার ৩৯টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে চেয়ারম্যান পদে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন পড়েনি।

পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা জেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তুলনামূলক বেশি বিজয়ী হয়েছে। এ জেলার মোট ২১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১১টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ৯টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে। এ জেলার একটি ইউপিতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী জিতেছেন।

ইভিএমে ভোটের হার বেশি

ইউপি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটের হার কাগজে ব্যালটের তুলনায় কিছুটা বেশি পড়েছে। সচরাচর নির্বাচনে কাগজের ব্যালটে ভোটের হার বেশি থাকলেও এবার কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

সোমবার ইউপি নির্বাচনে গড় ভোটের হার ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। মোট ২০ লাখ ৯৩ হাজার ১১৭টি ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৩০০টি।

নির্বাচনে ব্যালটে ভোটের হার ছিল ৬৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ১৯ লাখ ৩০ হাজার ১৩টি ভোটের মধ্যে পড়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৭৫টি।

আটটি ইউপিতে ইভিএমে ভোট হয়। ইভিএমে ভোট ছিল ৬৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৯টি ভোটের মধ্যে ইভিএমে পড়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫টি।

সর্বোচ্চ ৮৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভোট পড়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলার দাকোপ ইউনিয়ন পরিষদে। ইউপিতে মোট ৬ হাজার ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৫ হাজার ৩৫০টি। ইউপিতে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউপিতে। এখানে ভোট পড়েছে ৪৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এখানে ৩১ হাজার ৪০১টি ভোটের মধ্যে কাস্ট হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪০টি। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৬২

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোনও সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:২১

কোনও সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, ডিবিসি২৪ চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জরুল আহসান বুলবুল, সাবেক মহাসচিব আব্দুল জলিল ভূঁইয়া এবং ওমর ফারুক, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান বলেন, ‘সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের ব্যাংক হিসাব চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে, সেটি নিয়ে আলোচনা করতেই সাংবাদিক নেতারা এসেছিলেন। সরকার যে কারও হিসাব চাইতে পারে, কিন্তু কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো, এটিই তাদের উদ্বেগের কারণ। আমি তাদের বলেছি, অহেতুক যাতে কেউ হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়টি তথ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি দেখবো।’

কেউ যাতে সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের দূরত্ব সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানান মন্ত্রী।

/এমএস/

বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হবে পুঁজিবাজার: ভূমিমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩৬

পুঁজিবাজার শিগগিরই বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে আবির্ভূত হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জুরিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত ‘দ্য রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়ালস অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক রোডশো-তে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ওপর প্রথম বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা উপস্থাপনা এবং বাণিজ্যে বিনিয়োগের সুযোগ প্রদর্শনের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএসইসি। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআখ্ ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সামষ্টিক ও ব্যষ্টিক অর্থনীতির মাঝে চমৎকার ভারসাম্য বিরাজ করছে। এর অর্থ আমরা ঠিক পথেই এগোচ্ছি।’

সাইফুজ্জামান চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ইউরোপীয় বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে কাজ করলেই বোঝা যাবে যে, পরিবর্তনের নেতৃত্বে আছে আমাদের বেসরকারি খাত। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল বাংলাদেশ ঝুঁকিবিহীন বিনিয়োগের একটি নির্ভরযোগ্য নাম।’

সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিস্তৃত অর্থনীতি, ১৬.৮ কোটি মানুষ, বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী, প্রতিভাবান উদ্যোক্তাদের দিকে ভালো করে দেখুন। ভেবে দেখুন কীভাবে এই অসাধারণ সফলতার গল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হতে পারেন।’

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী বলেন, ‘আমাদের একটি প্রশিক্ষিত এবং শিক্ষিত শ্রমশক্তি আছে, সরকার খুবই ব্যবসাবান্ধব, অনুকূল পরিবেশ আছে। এ জন্য বাংলাদেশ সরকার আজ আপনাদের আমন্ত্রণ জানাতে এসেছে। আমরা আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমরা চাই, আপনারা প্রযুক্তিগত এবং উদ্ভাবনী সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশে আসুন। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করলে আমাদের উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

এ বছরের শুরুতে দুবাই এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪টি প্রধান শহরে সফলভাবে রোড-শো সমাপ্তির পর, বিএসইসি এখন সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এবং জেনেভায় রোড-শো পরিচালনা করছে।

অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য আলমগীর হোসেন রোডশো-তে অংশ নেন।

 

 

/এসআই/আইএ/

সম্পর্কিত

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা-নিউ ইয়র্ক রুটে আবার ফ্লাইট শুরু করবে বিমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

এক-তৃতীয়াংশ ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

কোনও সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী

কোনও সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা

নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

সর্বশেষ

‘দুই দশক তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই বৃথা যায়নি’

‘দুই দশক তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই বৃথা যায়নি’

৭১ লাখ ফাইজার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

৭১ লাখ ফাইজার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু, নেপথ্যে ‘নজরদারির অভাব’

গবেষণাপানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু, নেপথ্যে ‘নজরদারির অভাব’

মেসির জন্য আরও দুঃসংবাদ

মেসির জন্য আরও দুঃসংবাদ

ত্যাগীর ম্যাজিকে রাজস্থানের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

ত্যাগীর ম্যাজিকে রাজস্থানের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

© 2021 Bangla Tribune