X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ঈদের দিন বেড়াতে নিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণ, প্রেমিক গ্রেফতার

আপডেট : ১৭ মে ২০২১, ২০:৫১

শরীয়তপুর জাজিরায় বেড়াতে নিয়ে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কথিত প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রেমিকসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ মে) জেলার পৃথক স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের মজিদ ঢালীর কান্দি গ্রামের আযহার মোল্যার ছেলে সাইদুর রহমান মোল্যা (২৬) ও তার সহযোগী লতিফ ঢালীর ছেলে শরীফ ঢালী (২৭)। অপর আসামি শুকর মাদবরের ছেলে কাশেম মাদবরকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাইদুর রহমান মোল্যার সঙ্গে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত শুক্রবার (১৪ মে) ঈদের দিন বিকালে সাইদুর রহমান ও তার বন্ধু শরীফ ঢালী ওই ছাত্রীকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। বিকালে সাড়ে ৪টার দিকে কৌশলে স্থানীয় কাশেম মাদবরের বাড়িতে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন সাইদুর। পরে বাড়িতে গিয়ে ওই ছাত্রীর তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে। সোমবার (১৭ মে) সকালে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামী করে মামলা করেন। মামলায় সাইদুর রহমান ও তার বন্ধু শরীফ ঢালীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাজিরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, দুপুরে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ওই ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

/এমআর/

সম্পর্কিত

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুর, নিন্দার ঝড়

কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুর, নিন্দার ঝড়

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:০৪

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলায় দিন দিন করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। শনাক্তে রেকর্ড তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে শয্যা পাচ্ছে না রোগীরা। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে প্রয়োজনীয় ওষুধের চাহিদা। ওষুধ না পাওয়ায়ায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। 

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মানুষ অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত ওষুধ কেনায় বাজারে হঠাৎ সংকট দেখা দিয়েছে। প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদাও বেড়েছে। এসময় কোম্পানি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধের জোগান দিতে না পারায় সংকট তৈরি হচ্ছে।

কুমিল্লার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরে দেখা যায়, জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর পাশাপাশি সাধারণ রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড, এইচ প্লাস, নাপা সিরাপ ও জিংক টেবলেটসহ প্যারাসিটামল জাতীয় কয়েকটি ওষুধ কম পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদাপত্র নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরেও ওষুধ না পাচ্ছেন রোগী ও স্বজনরা। চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ না পেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। অপরদিকে, ওষুধের দোকানিরা তাকিয়ে রয়েছেন ওষুধ কোম্পানির এজেন্টদের দিকে।

সরেজমিন দেখা যায়, কিছু দোকানে ওষুধ পাওয়া গেলেও দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার অনেক দোকানি বেশি দামের আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

কুমিল্লার ঝাউতলা এলাকার বাসিন্দা আসমত উল্লাহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য অসুস্থ। তাদের জন্য নাপা এক্সট্রা কিনতে আসেন নগরীর কান্দিরপাড়ের এবি ফার্মেসিতে। কিন্তু এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ পাননি। 

আসমত উল্লাহ জানান, এর আগে তিনি ওষুধটির জন্য কুমিল্লার পুলিশ লাইন্স ও ঝাউতলা এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরেছেন। কিন্তু কোথাও নাপা এক্সট্রা পাননি।

নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মইনুল ইসলামের পাঁচ বছর বয়সী ছেলের জ্বর। এ জন্য ওষুধ নিতে বাজারে আসেন। কিন্তু কোনও ফার্মেসিতে ওষুধ না পেয়ে হতাশা হয়ে বাড়ি ফিরে যান। 

ওষুধ সংকটের বিষয়ে কুমিল্লা কান্দিরপাড়ের ড্রাগ হাউসের মালিক গণেশ দত্ত চৌধুরী জানান, চাহিদার তুলনায় কোম্পানিগুলো ওষুধ সরবরাহ করতে পারছে না। বিশেষ করে নাপা ট্যাবলেট, নাপা সিরাপ, এইচ ট্যাবলেট ও এইচ সিরাপসহ প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদা বেড়ে গেছে। গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ‘প্যারাসিটামল’ জাতীয় ওষুধ প্রথম সারির প্রায় সব কোম্পানি সরবরাহ করছে না। ফলে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ওষুধ সংকটের বিষয়ে জানা নেই। জেলা প্রশাসন থেকে এখনই খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে রোগী

হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে রোগী

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৩:৫৭

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জন প্রশাসনমন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে (৩০ জুলাই) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়। বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি (নম্বর-২৮, তারিখ ৩০/০৭/২১) দায়ের করেন।

এরআগে, রাতে শহরের আখড়া বাজার ব্রিজের পাশে নরসুন্দা নদী সংলগ্ন সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্ত্বরে ম্যুরালটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। 

  পৌরসভার অর্থায়নে স্থাপিত ম্যুরালটি গত বছরের ৩০ নভেম্বর মেয়র মো. পারভেজ মিয়া উদ্বোধন করেন। 

এদিকে ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। 

পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, ম্যুরালটি ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

/টিটি/

সম্পর্কিত

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৩:৪৮

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনায় মারা যাওয়া প্রতিটি লাশ বহনের জন্য হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদুল হককে ৩০০ টাকা করে দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে পরিচালক বরাবর একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন বেসরকারি লাশ বহনকারী সাত ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে হাসপাতালের অফিস সহকারীর কাছে লাশ বহনকারী জামাল, শামসু, মানিক, হিরা, কামাল, সোহেল, রাজীব, আলাল ও রুবেল মিয়া স্বাক্ষরিত আবেনপত্রটি জমা দেওয়া হয়। 

আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আবেদনকারীরা বিনা বেতনে হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে মারা যাওয়া রোগীদের লাশ বহন করে আসছেন। রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া সেলামি দিয়ে তাদের সংসার চলছিল। করোনাকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতি লাশ বহনের জন্য তাদেরকে এক হাজার করে টাকা দেওয়ার বিষয়টি নির্ধারণ করে দেন। এভাবেই লাশ বহন করে আসছিলেন তারা। 

তবে রোজার ঈদের আগে তারা লাশ বহনের ১০৩টি স্লিপ জমা দেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদুল হকের কাছে। কিন্তু তিনি প্রতি লাশের জন্য ৩০০ টাকা করে কেটে রেখে বাকি টাকা তাদের হাতে তুলে দেন। 

এ বিষয়ে লাশ বহনকারী জামাল বলেন, ফরিদ স্যার প্রতি লাশের জন্য ৩০০ টাকা রেখে দিয়ে আমাদেরকে ৭০০ টাকা করে বুঝিয়ে দেন। টাকা রেখে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন তাকে প্রতি লাশ বাবদ ৩০০ টাকা করে দিতে হবে, তা না হলে কাজ করতে পারবো না। 

ভুক্তভোগী কর্মীরা আবেদনে আরও বলা হয়, মাঝেমধ্যেই ফরিদুল হক হুমকি দিয়ে লাশ বহনকারীদের থেকে জরিমানার নামে এক থেকে তিন হাজার টাকা করে আদায় করেছেন। জুন মাসের শেষের দিকে প্রতি লাশের জন্য ৩০০ টাকা দিতে অপরাগতা জানানোর পর ১৪৮টি লাশ বহনের স্লিপ জমা দিতে গেলে তিনি ওই স্লিপ জমা নেননি এবং তাদেরকে তাড়িয়ে দেন। পরে জুলাই মাসের ১ তারিখ লাশ প্রতি এক হাজার টাকা আর দেওয়া হবে না, তাদেরকে মাসিক পাঁচ হাজার টাকার বেতনে লাশ বহনের কাজ করতে হবে বলে জানানো হয়। এই কথা শুনে কাজ করবেন না জানিয়ে লাশ ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেন আবেদনকারী সাত ব্যক্তি। এরপরে ওই সাত ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে জুলাই মাসের শুরুতেই ১০ হাজার টাকা বেতনে নতুন ছয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয় লাশ বহনের জন্য।

আবেদনকারীদের কাছে করোনায় মারা যাওয়া ১৪৮ জনের লাশ বহনের স্লিপ এখনও রয়ে গেছে। বর্তমানে বেকার হয়ে অর্থাভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা।

লাশবহনকারী শামসু (৭০) বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে হাসপাতালে লাশ বহন করে সংসার চলছে। এর আগে হাসপাতালের কোনও কর্মকর্তা লাশের জন্য টাকা নেননি। কিন্তু প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদ স্যার যোগদানের পর থেকেই তিনি নানা অনিয়ম করে আসছেন এবং আমাদের লাশ টানার প্রাপ্য টাকা থেকে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং এর প্রতিবাদ করায় আমাদেরকে বের করে দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দিয়েছেন। বৃদ্ধ বয়সে অন্য আর কী কাজ করে সংসার চলবে, এই নিয়ে রাতে ঘুম হয় না। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। 

লাশ বহনকারী মানিক বলেন, ৩০০ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাদের কাছে থাকা ১৪৮টি লাশ বহনের স্লিপ ফরিদ স্যার জমা নিচ্ছেন না। এই টাকাটা পেলে আমরা স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কয়েকটা দিন ডাল-ভাত খেয়ে কাটাতে পারতাম।

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিট তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদুল হক বলেন, করোনাকালে প্রতি লাশ বহনের জন্য এক হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। প্রতি লাশের জন্য ভ্যাট কেটে ৮০০ টাকা করে জুন পর্যন্ত লাশ বহনকারী ব্যক্তিদের পরিশোধ করা হয়েছে। এরপর আর কোনও স্লিপ তারা জমা দেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে মাসিক ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা বেতনে নিয়োগের কথা বললে লাশ বহনকারী ব্যক্তিরা রাজি হননি। পরে তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে ছয় জন ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. ওয়ায়েজউদ্দীন ফরাজী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, লাশ বহনকারীদের কাছ থেকে একটি আবেদন জমা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে করোনার প্রতি লাশের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার ৩০০ টাকা নেওয়ার তথ্য জানাজানি হলে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন তারা।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৩:১১

নিম্ন চাপের প্রভাবে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে রয়েছে উপকূলের বাসিন্দারা। রোপা আমনের বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে শতাধিক মাছের ঘের, পুকুর ও ঘরবাড়ি।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বিকাল থেকে বুধবার (২৮ জুলাই) পর্যন্ত ৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস। 

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরার সাত উপজেলার অধিকাংশ অঞ্চল পানিতে ডুবে গেছে। এর মধ্যে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপকূলীয় এলাকার বাঁধ ভাঙার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে আতংকে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। এছাড়া তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে ভাসছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার নিম্নাঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। ভেসে গেছে জমির ফসল, মাছের ঘের ও পুকুর।

বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে উপকূলের বাসিন্দারা

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর, ফিংড়ি, ব্রহ্মরাজপুর, লাবসা, বল্লী ও ঝাউডাঙা ইউনিয়নের বিলগুলোতে সদ্য রোপা আমন ও বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শতাধিক মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে গেছে। নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। 

সাতক্ষীরা পৌরসভা রাজার বাগান এলাকার আব্দুল জলিল বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে ধানের বীজতলা, পুকুর, খাল-বিল তলিয়ে গেছে। আমার বড় একটি আম গাছ উপড়ে পড়েছে।’

প্রতাপনগরের সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জীবনে শান্তি নেই। কয়দিন আগে ঘূর্ণিঝড়ের ইয়াসের পানি নেমে গেলো।  টানা বৃষ্টিতে পুরো এলাকা আবারও পানিতে একাকার হয়ে গেছে।’
 
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে পুরো ইউনিয়নের মানুষ আবারও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আম্পানের নয় মাস পানিবন্দি ছিল পুরো ইউনিয়নের মানুষ। ইয়াসের পর এখনও কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি। এই বৃষ্টিতে আবারও ক্ষতি হয়ে গেলো। এই এলাকায় মৎস্য ঘের পুকুর ঘর তলিয়ে সব একাকার হয়ে গেছে।’

গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বলেন, বর্ষার পানি পুরো এলাকায় থই থই করছে। মাছের ঘের, পুকুর সব একাকার হয়ে গেছে। আমার ইউনিয়নের চারদিকে নদীতে ভাঙন আতংকে আছি। তিন নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় বাঁধ ঝুকিপূর্ণ। যেকোনও সময় বাঁধ ভেঙে খোলপেটুয়া নদীর পানি প্রবেশ করতে পারে।’

তালা উপজেলার আব্দুল জব্বার বলেন, ‘কপোতাক্ষের বাঁধসহ বিভিন্ন গ্রাম ও বিল পানিতে ডুবে হয়েছে। কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। এসব এলাকার বিলগুলোতে সদ্য রোপা আপন ও বীজ তলার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পানের বরজেরও ক্ষতি হয়েছে।’

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলী নূর খান বাবুল বলেন, পৌরসভার পানি নিষ্কাশন সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতায় নাকাল হচ্ছে বছরের পর বছর। বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সাতক্ষীরা শহরের পৌরসভার রসুলপুর, মেহেদিবাগ, মধুমল্লারডাঙ্গী, বকচরা, সরদারপাড়া, পলাশপোল, কামাননগর, কামাননগর, পুরাতন রাজারবাগান, বদ্দিপাড়া কলোনি, ঘুড্ডির ডাঙি, পুরাতন সাতক্ষীরা, কাটিয়া মাঠপাড়া, মাছখোলা, ডায়েরবিল ও রথখোলাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। প্লাবিত এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, কাশিমাড়ি, বুড়িগোয়ালিনী, কৈখালি ও রমজান নগরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা, মথুরেশপুর ও ভাড়াশিমলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মাছের ঘের ও পুকুর পানিতে ডুবে গেছে।

ডুবে গেছে শতাধিক মাছের ঘের, পুকুর ও ঘরবাড়ি

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত মঙ্গলবার বিকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এভাবে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা আছে বলে জানান তিনি। 

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, ভারী বর্ষণে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে এক হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে আউশ বীজ তলার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির সদ্য রোপা আমন ও সাড়ে ৩০০ হেক্টর সবজি। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হোসেন খান বলেন, টানা বৃষ্টিতে আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর খাজরা ও আনুলিয়া বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার মাছের ঘের। এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনম আবু জর গিফারী বলেন, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে পড়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ২০ টন চাল দেওয়া হয়েছে। মৎস্য ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ সম্ভব হয়নি।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

১০ মিনিটে ২ ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে

১০ মিনিটে ২ ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে

শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা সভাপতি গ্রেফতার

শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা সভাপতি গ্রেফতার

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৩:০১

বগুড়ার শেরপুর থানার কনস্টেবল পারভেজ হোসেনের সঙ্গে এক গৃহবধূর অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২৮ জুলাই) রাতে স্থানীয়রা উপজেলার গোসাইপাড়ার একটি বাড়িতে তাকে অবরুদ্ধ করেন। পরে থানা থেকে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। 

পুলিশ লাইন্সের স্পেশাল আর্মড ফোর্স (এসএএফ) থেকে পারভেজ দু’মাসের জন্য থানায় এসেছিলেন। 

তবে শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলামের দাবি, অনৈতিক কোনও সম্পর্কের ঘটনা ঘটেনি। অভিযুক্ত কনস্টেবল এক এনজিও কর্মকর্তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলেন। স্থানীয়রা ভুল বুঝে বাড়ি ঘেরাও করেছিলেন। 

তবে বগুড়া পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ ইন্সপেক্টর (আরআই) আয়েন উদ্দিন জানান, তিনি অসুস্থ থাকায় এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।

স্থানীয়রা জানান, পুলিশ সদস্য পারভেজ রুটিন মাফিক দুই মাস আগে শেরপুর থানায় বদলি হয়ে আসেন। সম্প্রতি সেখানে বেসরকারি সংস্থার এক কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে পারভেজের সখ্যতা গড়ে উঠে। বুধবার রাত ৯টার দিকে তিনি ওই গৃহবধূর বাড়িতে যান। এসময় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তারা বাড়ি ঘেরাও করেন। পরে খবর পেয়ে শেরপুর থানার এসআই আনন্দ কুমার মোহন্ত ঘটনাস্থলে গিয়ে পারভেজকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। 

অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠায় রাতেই তাকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই এনজিও কর্মকর্তার বাড়িতে পারভেজ দাওয়াতে যান। তার সঙ্গে স্থানীয় এক লন্ড্রির মালিকও দাওয়াতে গিয়েছিল। তবে স্থানীয়রা ভুল বুঝে বাড়ি ঘেরাও করে। এরপরও অভিযোগ ওঠায় পারভেজকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এ বিষয় নিয়ে খবর প্রকাশ হলে কেউ কোনোদিন আর কারও বাড়িতে দাওয়াতে যাবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু 

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালকরোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা

দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুর, নিন্দার ঝড়

কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুর, নিন্দার ঝড়

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

বিয়ের চার দিনের মাথায় কিশোরীর ‘আত্মহত্যা’

বিয়ের চার দিনের মাথায় কিশোরীর ‘আত্মহত্যা’

৩ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরি চলাচল শুরু

৩ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরি চলাচল শুরু

রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামী-স্ত্রী

রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামী-স্ত্রী

টিকার নিবন্ধনে জনপ্রতি নেওয়া হয় দেড় হাজার টাকা!

টিকার নিবন্ধনে জনপ্রতি নেওয়া হয় দেড় হাজার টাকা!

কিশোরীকে বিভিন্নস্থানে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ 

কিশোরীকে বিভিন্নস্থানে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ 

© 2021 Bangla Tribune