X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সৌদিগামী বিমান যাত্রীদের ৭২ ঘন্টা আগে হোটেল বুক করতে হবে

আপডেট : ২৬ মে ২০২১, ০২:৫৬

সৌদি আরবগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ৭২ ঘন্টা পূর্বে কোয়ারেন্টাইন হোটেলসহ প্যাকেজ নিশ্চিত করতে হবে। সৌদি আরবগামী যাত্রীদের জন্য নির্দেশনায় এ তথ্য জানিয়েছে বিমান। মঙ্গলবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিমান।

বিমান জানিয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামগামী যাত্রীদের যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ৭২ ঘন্টা পূর্বে কোয়ারেন্টাইন হোটেলসহ প্যাকেজ নিশ্চিত করতে হবে। প্যাকেজটি নিশ্চিত করার জন্য নিকটস্থ বিমান অফিসে যেতে হবে। অথবা ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে বিমান হলিডেজের ওয়েব সাইট থেকে হোটেল বুক করা যাবে। বিমান হলিডে ব্যতীত অন্য কোনও মাধ্যমে হোটেল বুকিং গ্রহণযোগ্য হবে না।

টিকিট ও কোয়ারেন্টিন প্যাকেজ নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীদের ফ্লাইট সৌদি আরবে অবতরণ করা পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষার নমুনা প্রদান ও রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

যাদের কোয়ারেন্টিন হোটেল প্রয়োজন নেই:

অনাবাসিক (নন রেসিডেন্ট) এবং প্রথমবারের জন্য দর্শনার্থীরা যারা কোভিড-১৯ এর টিকার উভয় ডোজ গ্রহণ করেছেন এবং দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়ার ১৪ দিন শেষ  করেছেন। তাদের অবশ্যই স্বাস্থ্য  মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে টিকা গ্রহণের প্রমাণপত্র, সার্টিফিকেট সাথে রাখতে হবে। আবাসিক ইকামার ধারক যারা সৌদি আরব থেকে তাওয়াকলনা এ্যাপ-এর মাধ্যমে আবেদন করে কোভিড-১৯ এর প্রথম/দ্বিতীয় (উভয় বা যেকোনো একটি) টিকা গ্রহণ করেছেন এবং যাদের অবস্থান এ্যাপ এ ইমিউন (ইমিউন) অবস্থায় আছে।

 

/সিএ/এফএএন/

সম্পর্কিত

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

করোনা কোথায়? (ফটোস্টোরি)

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৬:৫৬

করোনা মহামারিকালে সবচেয়ে ভয়াবহ সময় পার করছে দেশ। এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। সড়কে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী। অথচ যাত্রাবাড়ীর মাছের আড়ত দেখে বোঝার উপায় নেই দেশে করোনার ভয়াবহতা চলছে! শুক্রবার (৩০ জুলাই) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেখা গেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বেচাকেনায় সরকারের নির্দিষ্ট আইন থাকলেও সেটা মানছেন না সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিক্রেতারা। যে যার মত চলাফেরা করছেন। স্বাস্থ্যবিধি মানা তো দূরের কথা বেশিরভাগের মুখেই নেই মাস্ক। গাদাগাদি করেই চলছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাছ দরদাম।

ছবিতে দেখুন বিস্তারিত...

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তে মাছ বেচে ফিরছেন বিক্রেতারা।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তে যাচ্ছেন ক্রেতারা।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

যাত্রাবাড়ী মাছের আড়ত।

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে ৩৬ মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসিতে ৩৬ মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার আলী আশরাফ মারা গেছেন

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৭:০৫

কুমিল্লা-৭ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক আলী আশরাফ মারা গেছেন। শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলী আশরাফের একান্ত সচিব আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ বিকাল চারটার দিকে স্যারকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

আলী আশরাফ বার্ধক্যজনিত কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। ডায়াবেটিসেও ভুগছিলেন তিনি।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার আলী আশরাফকে গত ১০ জুলাই স্কয়ার হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৩ জুলাই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ২১ জুলাই তাকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ নেওয়া হয়।

৭৩ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্য বর্তমানে পঞ্চমবারের মত জাতীয় সংসদে কুমিল্লার ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করছেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ২০০১ সালে স্পিকারের দায়িত্বে পেলে ওই সময় ডেপুটি স্পিকার হন আলী আশরাফ।

আলী আশরাফ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক। এ ছাড়া কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

/ইএইচএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

চাঁদা দাবি করে প্রতিবন্ধীর দোকান বন্ধের অভিযোগ, পুলিশের উদ্যোগে ফের চালু

চাঁদা দাবি করে প্রতিবন্ধীর দোকান বন্ধের অভিযোগ, পুলিশের উদ্যোগে ফের চালু

চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকার বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে আইনি নোটিশ

চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকার বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে আইনি নোটিশ

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ

টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৬:২২

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে সালেহ আহমেদ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টায় কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের আখড়া বাজার ব্রিজ সংলগ্ন সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে অবস্থিত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরালটি দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে কিশোরগঞ্জ সদর থানায় মামলা করলে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘একটি সভ্য সমাজে এভাবে ম্যুরাল ভাঙচুর অকল্পনীয়। স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি কেউই এই ঘটনার দায় এড়াতে পারে না। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি, একইসাথে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।’

/এসটিএস/এমএস/

সম্পর্কিত

করোনা কোথায়? (ফটোস্টোরি)

করোনা কোথায়? (ফটোস্টোরি)

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে ৩৬ মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসিতে ৩৬ মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

‘গেলো ৫ বছরের তুলনায় সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৬:৩৭

বিগত ৫ বছরের তুলনায় এবছর ঈদুল আজহায় সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি দুটোই বেড়েছে। ঈদযাত্রায় দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৪০টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর এসব দুর্ঘটনায় ২৭৩ জন নিহত এবং ৪৪৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সমিতি। সংস্থাটির হিসাবে, সড়ক, রেলপথ ও নৌপথ মিলে মোট দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৬২টি। এতে নিহত ২৯৫ জন ও আহত হয়েছেন ৪৮৮ জন। 

আজ শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০২১ প্রকাশকালে এ তথ্য তুলে ধরেন। সংগঠনটির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন দৈনিক-এ প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করে।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার কারণ ও দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু সুপারিশও করা হয়েছে। এতে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনের কারণে ঈদের সময় মাত্র আট দিন গণপরিবহন চলাচল করে। এর আগে-পরে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে সব মোটরযান বন্ধ ছিল। তবে জরুরি প্রয়োজনে এ সময়ও অনেকেই ব্যক্তিগত গাড়িতে ঢাকায় ফিরেছেন। ঈদযাত্রা শুরুর দিন গত ১৪ জুলাই থেকে ঈদের পর ২৮ জুলাই পর্যন্ত তথ্য হিসাব করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, লকডাউনের কারণে মানুষের যাতায়াত সীমিত ছিল। তবে স্বল্প সময়ের জন্য গণপরিবহন চালু করায় সড়কে গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত যান, বিশেষ করে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা-ব্যাটারিচালিত রিকশা, ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ডভ্যানে একসঙ্গে গাদাগাদি করে যাতায়াত করেছে। 

উল্লেখিত সময়ে রেলপথে ৯টি ঘটনায় ১১ জন নিহত ও পাঁচ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ১৩টি দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত এবং ২১ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা মিলেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে যৌথভাবে ২৬২টি দুর্ঘটনায় ২৯৫ জন নিহত ও ৪৮৮ জন আহত হয়েছে। তবে ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হওয়ার পর ২৫ জুলাই থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমতে থাকে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৯৩ জন নিহত, ৫৯ জন আহত হয়েছে, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং আহতের ১৩ দশমিক ১৯ শতাংশ প্রায়।

এ সময় সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ৩১টি শিশু ও ৩৮ জন নারীও নিহত হয়েছেন। পেশাভিত্তিক হিসাবে ১০৬ জন চালক, ১৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৪ জন পথচারী, ১২ জন শিক্ষার্থী, তিন জন সাংবাদিক, পাঁচজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১২ জন শিক্ষক, ছয় জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং একজন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে।

এরমধ্যে নিহত হয়েছে দুজন পুলিশ সদস্য, একজন সেনাবাহিনীর সদস্য, একজন বিজিবি সদস্য, ২৭ জন নারী, ১৭টি শিশু, নয় জন শিক্ষার্থী, নয় জন শিক্ষক, ৮৭ জন চালক, ১৬ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৩ জন পথচারী ও তিন জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-লরি, ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ কার-মাইক্রো-জিপ, ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ নছিমন- করিমন- ট্রাক্টর- লেগুনা- মাহিন্দ্রা, ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ অটোরিকশা, ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা-ইজিবাইক-ভ্যান-সাইকেল ও ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বাস এসব দুর্ঘটনা কবলিত হয়েছে।
 
সংঘটিত দুর্ঘটনার ২৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৪৪ দশমিক ২৫ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে ও ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁছিয়ে এবং ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ ফিডার রোডে এবং ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ রেল ক্রসিংয়ে হয়েছে। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে সংঘটিত হয়।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বিগত ঈদগুলোতে সরকারের নানা মহলের তৎপরতা থাকায় দুর্ঘটনার লাগাম কিছুটা টেনে ধরা সক্ষম হয়েছে। এ বছর কঠোর লকডাউন পরে শিথিল করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি তুলনামূলক বেড়েছে।

‘সরকার সড়কের অবকাঠামোর উন্নয়নে যতটা মনোযোগী, সড়ক নিরাপত্তায় ততটা উদাসীন’- এমন অভিযোগ করে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বিগত একযুগে ধারাবাহিকভাবে সড়ক নিরাপত্তায় নানা প্রতিশ্রুতি, নানা চমকপ্রদ বক্তব্য, নানা আশ্বাস, নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনও কিছুই যেন বাস্তবায়নে আলোর মুখ দেখে না। এরইমধ্যে বাস্তবায়নের আগেই সড়ক আইন আরও দুর্বল করার ষড়যন্ত্র চলছে। ফলে সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক লিটন, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।  

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার যেসব কারণ তুলে ধরা হয়েছে-
১. লকডাউনের কারণে এবং স্বল্প সময়ের জন্য গণপরিবহন চালু করার ফলে মহাসড়কে ব্যক্তিগত যানবাহন, যেমন- প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা-ব্যাটারিচালিত রিকশা, ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ডভ্যানের বেপরোয়া গতিতে যাতায়াত।
২. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ঈদে যাতায়াতকারী ব্যক্তিগত যানের চালকদের রাতে এসব জাতীয় সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালানো।
৩. জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টার্নিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকদের এসব সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হতে হয়েছে।
৪. মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৫. উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাঁদাবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে যাত্রীকল্যাণ সমিতির সুপারিশ-
১. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ত্রুটি সারানোর উদ্যোগ গ্রহণ।
৩. ধীরগতির যান ও দ্রুতগতির যানের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা।
৪. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা।
৫. সড়কে রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৬. সড়ক পরিবহন আইন যথাযতভাবে বাস্তবায়ন করা। ট্রাফিক আইনের অপপ্রয়োগ রোধ করা।
৭. গণপরিবহন বিকশিত করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ’র অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৮. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।

/এসএস/ইউএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:৪৪

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সকল ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়।  

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছুটি চলাকালে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সময়ে সময়ে জারি করা নির্দেশনা ও অনুশাসন শিক্ষার্থীদের মেনে চলতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন।

শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থান করে পাঠ্যবই অধ্যয়ন করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা নিশ্চিত করবেন।

উল্লেখ্য, দেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর গত বছর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করে সরকার। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ছুটি বড়িয়ে ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আবারও ছুটি বাড়ানো হলো ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

/এসএমএ/এমএস/

সম্পর্কিত

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৮

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৮

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

সর্বশেষ

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

জোকোভিচের সোনার স্বপ্ন শেষ

অলিম্পিক টেনিসজোকোভিচের সোনার স্বপ্ন শেষ

ক্যান্সারে আক্রান্ত হাবিপ্রবি শিক্ষার্থী ফিরোজ বাঁচতে চায় 

ক্যান্সারে আক্রান্ত হাবিপ্রবি শিক্ষার্থী ফিরোজ বাঁচতে চায় 

লক্ষ্মীপুরে একদিনে রেকর্ড শনাক্ত

লক্ষ্মীপুরে একদিনে রেকর্ড শনাক্ত

জমির ভাগ নিয়ে ছেলেদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় বাবার মৃত্যু

জমির ভাগ নিয়ে ছেলেদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় বাবার মৃত্যু

করোনা কোথায়? (ফটোস্টোরি)

করোনা কোথায়? (ফটোস্টোরি)

অলিম্পিকে সেরা টাইমিং পেলেন বাংলাদেশের আরিফুল

অলিম্পিকে সেরা টাইমিং পেলেন বাংলাদেশের আরিফুল

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার আলী আশরাফ মারা গেছেন

সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার আলী আশরাফ মারা গেছেন

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে স্পাইস টিভি

পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে স্পাইস টিভি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

মাদক ভয়ংকর-৪কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে ‘ট্যাপ’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে ‘ট্যাপ’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

© 2021 Bangla Tribune