X
রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সারাদেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ মে ২০২১, ১৭:২২

মানুষের চলাচল সহজ করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘অল্প খরচে যোগাযোগ স্থাপন ও পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে রেল যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসছি।  দেশব্যাপী রেল যোগাযোগে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। যেসব এলাকায় রেললাইন নেই, সেসব এলাকায় রেল সংযোগ দিয়ে দিচ্ছি, যেন পণ্য পরিবহন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সমৃদ্ধ করা যায়।’

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুরে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে মধুখালী থেকে কামারখালী হয়ে মাগুরা পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ হতে ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২১ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দিকে তাকায়নি। অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতাকে তারা ভোগের বস্তুতে পরিণত করেছিল। নিজেদের আর্থিকভাবে সচ্ছল করতে দুর্নীতিটাকে তারা নীতি হিসেবে নিয়েছিল। আর বাংলাদেশের সব মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলতে চেয়েছিল। বিজয়ী জাতি হিসেবে আমাদের যে মর্যাদা সেই মর্যাদাটুকু ভূলুণ্ঠিত করেছিল; বরং পরাজিত শত্রুরই পদলেহন করতো তারা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তখন থেকেই আমরা প্রচেষ্টা চালাই জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার। সেদিকে লক্ষ রেখেই অন্য সব দিকের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ ব্যবস্থার কাজটা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিই। রেল, পরিবহন, নৌপথ, আকাশপথ সবগুলোকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিই। রেলওয়ের আলাদাভাবে একটা মন্ত্রণালয় করে দিই। যাতে করে আলাদা বাজেট থাকে এবং রেলের উন্নতি হয়। এর কারণ হচ্ছে বিএনপি সরকারের আমলে বিশেষ করে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শক্রমে রেলের সব যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে উদ্যোগ নেয়। যার জন্য অনেক রেলওয়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। অনেক লাইন, স্টেশন বন্ধ হয়ে যায়। গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে রেলের অনেক অভিজ্ঞ লোককে বিদায় করে দেয়। পুরো রেল যোগাযোগ প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিল তারা।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারে এসে বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেল সংযোগ করি। সেই সঙ্গে রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ হাতে নিই। জাতির পিতা যেভাবে সারাদেশে একটা যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চেয়েছেন; যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যোগাযোগ করতে পারে, অল্প খরচে চলাচল করতে পারে, পণ্য পরিবহন করতে পারেন। ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে রেলকে আমরা গুরুত্ব দিই। অন্যের পরামর্শ নিয়ে আমরা চলি না। দেশটা কীভাবে চলবে, দেশের মানুষের ভাগ্য কীভাবে পরিবর্তন হবে, কীভাবে উন্নত হবে; আমরা সেটাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর সেভাবে গুরুত্ব দিয়েই সমগ্র বাংলাদেশে রেল যোগাযোগে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এমনকি রিয়েল লাইফে সফল এলাকাতেও রেল সহযোগিতা দিয়ে দিচ্ছি, যেন পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা বাণিজ্য সমৃদ্ধ হয়। এর মাধ্যমে মানুষ যেন সহজে চলাচল করতে পারে।

নাম উল্লেখ না করে বিশ্বব্যাংককে উদ্দেশ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘যারা একসময় রেল যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল, তারাই আবার উদ্যোগ নিয়েছে সেখানে আরেকটা রেলসেতু করার জন্য। অর্থাৎ যমুনা নদীর ওপর আরেকটা ডেডিকেটেড রেলসেতু হবে। সেটারও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এর কাজ আমরা করে যাচ্ছি। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইস্পিড ট্রেন লাইন করার চিন্তাভাবনা আছে। তবে সেটা আমাদের দেশের মাটি কতটা স্পিড লোড নিতে পারবে তার ওপর নির্ভর করে স্টাডি করে করবো।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি, সেখানে আমরা রেললাইন করছি। পদ্মা সেতু পার হয়ে ভাঙ্গা, আবার ভাঙ্গা থেকে একদিকে যেমন যশোর হয়ে খুলনা পর্যন্ত যোগাযোগ করবো, অপরদিকে সোজা বরিশাল হয়ে একেবারে পায়রা নতুন নৌবন্দর পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। সেই পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।’

বরিশাল বিভাগে রেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বরিশাল বিভাগকে একসময় বলা হতো বাংলার ভেনিস। অসংখ্য নদী-নালা খাল-বিল, বিশাল বিশাল নদী, সেখানে রেললাইন করার চেষ্টা করেও ব্রিটিশরা পারেনি। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, স্টাডি চলছে। ব্রিটিশদের অনুরোধ করছি, তারা যেন রেলটা নির্মাণ করে দেয়। সেই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। সমগ্র বাংলাদেশটাকে রেলওয়ের আওতায় নিয়ে আসছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ থেকে ভারতের যেসব জায়গায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, আমরা সেগুলো পুনরায় স্থাপন করেছি, আস্তে আস্তে আমরা করে যাচ্ছি। যেমন বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দর্শনা-গেদে, বেনাপোল-পেট্রাপোল, রহনপুর-সিঙ্গাবাদ, বিরল-রাধিকাপুর এবং চিলহাটি-হলদিবাড়ি—এই রুটে রেল চালু করেছি আমরা। এখন শিলিগুড়ি পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

 

/এমএইচবি/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১ আগস্টের ঘটনা।)

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দিন অটোয়া পৌঁছান। ২ আগস্ট থেকে এই সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। সম্মেলনে ৩৯টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও অন্যান্য প্রতিনিধি যোগদান করেন। নেতৃবৃন্দ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং কমনওয়েলথ জাতিসমূহের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ সুপারিশ করবেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ সংবাদদাতার বরাত দিয়ে এ দিন সংবাদ প্রকাশ করা হয়। বলা হয়, ৯ দিনব্যাপী এ সম্মেলন চলবে। বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এতে অংশগ্রহণ করছে। সম্মেলনে মহাদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। কমনওয়েলথ দেশ যে কয়টি মহাদেশে অবস্থিত, সম্মেলনে তাদের বিশেষ করে বর্ণবিদ্বেষী এবং উন্নত-অনুন্নত দেশগুলোর মধ্যে অসম বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের দিকটি তুলে ধরা হবে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ফলে উপমহাদেশে উদ্ভূত সমস্যাবলী নিয়ে সম্মেলনে কথা হবে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপমহাদেশে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তাদের আগ্রহের কথা কমনওয়েলথ রাষ্ট্রগুলোকে অবহিত করবেন। একজন মুখপাত্র জানান, বঙ্গবন্ধু বিশ্বের সব সমস্যার একটি সমাধান খুঁজে বের করা বিশেষ করে উপমহাদেশের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে এক সংক্ষিপ্ত বিবরণ সম্মেলনে পেশ করবেন।

২ আগস্ট, ১৯৭৩ সালের পত্রিকার একাংশ বিশ্ব শান্তির একনিষ্ঠ সমর্থক বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ ও সমরসজ্জার বিরুদ্ধে বিশ্বকে রক্ষার জন্য মনোভাব পরিবর্তন করে ওতপ্রোতভাবে শান্তির কাজে আত্মনিয়োগ ও মানুষের বৃহত্তর স্বার্থে শান্তি নিরাপত্তা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সব রকম উত্তেজনা নিরসনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান জানাবেন। সম্মেলনের আলোচ্যসূচির বিষয় তখনও চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়নি; তবে অনুমান করা হচ্ছে, দুই বছর আগে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রধান প্রধান যেসব ঘটনা ঘটে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। মহাদেশের প্রধান ঘটনা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় আলোচনায় থাকবে; যার পরিণতিতে কমনওয়েলথ থেকে পাকিস্তানের সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেওয়া। পাকিস্তান এই ভেবে কমনওয়েলথ ছেড়ে গিয়েছিল যে, হয়তো দেশটি তার সিদ্ধান্তে দেশগুলোর সমর্থন পাবে, কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো উপমহাদেশে নতুন বাস্তবতাকে স্বীকার করে নিতে পাকিস্তানের ব্যর্থতায় কমনওয়েলথের অধিকাংশ দেশ পাকিস্তানের মনোভাবকে পছন্দ করলো না।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশ ও ভারত সম্মেলনে যোগদানকারী কমনওয়েলথ রাষ্ট্রপ্রধান ও অন্যান্য প্রতিনিধি দলের কাছে মানবিক সমস্যা সমাধানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগের বিষয়টি ব্যাখ্যা করবেন।

উল্লেখ্য, ভারত-বাংলাদেশ যুক্ত ঘোষণায় মানবিক সমস্যা সমাধানে ১৯৫ জন বাদে যুদ্ধাপরাধীরা দেশে ফিরে যাবে। পাকিস্তানে আটক বাঙালিরা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী পাকিস্তানিদের পাকিস্তানে ফেরার প্রস্তাব রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল পাকিস্তান কর্তৃক জোর করে আটকে রাখা নিরাপদ বাঙালিদের দুরবস্থা এবং পাকিস্তানের যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ করতে পাকিস্তান কর্তৃক নিরীহ বাঙালিদের বিচারের হুমকির ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিও সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।

২ আগস্ট, ১৯৭৩ সালের পত্রিকার একাংশ রাষ্ট্রপ্রধানরা যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের মধ্যে পরিবর্তিত সম্পর্ক গভীরভাবে বিবেচনা করে দেখবেন। তারা বিশ্বের গোলযোগপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতি আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বহুসংখ্যক প্রতিনিধিদল সম্মেলনে যোগদান করবেন। তাই বর্ণবৈষম্য প্রশ্ন এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের মুক্তিযুদ্ধও আলোচ্যসূচিতে স্থান পেতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। অপরদিকে, ব্রিটেন আর অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো উন্নত দেশগুলোর প্রধান কাজ হবে কমনওয়েলথ দেশগুলোর মধ্যে কার্যবিধি উন্নয়নের সুপারিশ।

যুব সম্মেলনের অঙ্গীকার

বার্লিনে চলতি দশম বিশ্ব যুব উৎসব অধিবেশনে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্তদের শপথ নেওয়া হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিদলে সব দেশের বিপ্লবীদের প্রতি তাদের সমর্থন জোরদার করার ওয়াদা গ্রহণ করেন। অধিবেশনে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সংহতি ব্যক্ত করা হয় এবং একটা প্রস্তাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়েকে স্বাগত জানানো হয়। প্রস্তাবে এশিয়ার দেশসমূহের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা সুসংহত করার ব্যাপারে বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপকে অভিনন্দন জানানো হয়। জতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির দাবির প্রতিও প্রস্তাবে সমর্থন জানানো হয়।

 

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৬:০০

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হওয়ার পেছনের শক্তি/পক্ষ খোঁজার জন্য উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের বিচার সুসম্পন্ন করতে আরও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িতরা কেবল দণ্ডের বা শাস্তির আওতায় এসেছে। কিন্তু অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। শোকের মাস আগস্টের প্রথম দিনে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কন্নোয়ন বিভাগের শিক্ষাবিদদের সঙ্গে। তারা বাংলা ট্রিবিউনকে এসব কথা বলেন। 

তারা বলেন, যে বিচার হয়েছে তাতে শুধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যারা জড়িত কেবল তারাই বিচার ও শাস্তির আওতায় এসেছে। অপরপক্ষগুলো বেঁচে গেছে বিচারের আওতা থেকে। তাই এই বিচারকে সুসম্পন্ন বিচার বলা যাবে না। গত বছর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, এ বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হলেও গত এক বছরে এখনও তদন্ত কমিশন গঠিত হয়নি।

বিচার সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হেসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। কারণ, ষড়যন্ত্রকারী দেশে ও বিদেশে যারা ছিল সে তথ্য আমরা জানি না। কিন্তু আমাদের অধিকার আছে জানার। আমি বহুদিন থেকে দুটো দাবি জানিয়ে আসছি, একটি হলো—পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। সেই তদন্ত কমিশন এখনও হয়নি। দ্বিতীয়টি হলো—শ্বেতপত্র প্রকাশ করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের আমাদের চিনিয়ে দেওয়ার দরকার। সেই কাজটিও আমাদের হয়নি। হয়নি বলেই ২১ আগস্ট হয়েছিল এবং শেখ হাসিনার ওপর প্রায় কুড়িবার আঘাত হানা হয়েছে। আমার শঙ্কা জাগে এসব তথ্য যদি আমাদের না জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকবে। সুযোগ পেলেই কাজ করবে তারা।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ড কেন ঘটেছিল, কীভাবে প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়, অন্তরালে আরও কারা জড়িত ছিল, তা খুঁজে বের করতে গবেষণা দরকার।’ তিনি বলেন, ‘কারণ, বিচারের ক্ষেত্রে আপাতত যেটা হয়েছে সেটা হলো সামরিক বাহিনীর যে কয়জন সদস্য সরাসরি জড়িত ছিল তারাই কেবল বিচারের আওতায় এসেছে, সাজা পেয়েছে। কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে এ ধরনের ঘটনা শুধু কয়েকজন সামরিক বাহিনীর সদস্য করেছে এটা বলা বা চিন্তা করাটা খুব ডিফিকাল্ট।’

আন্তর্জাতিক সম্পর্কন্নোয়ন বিভাগের এই শিক্ষক বলেন, ‘যে রাজনীতিবিদরা উৎসাহ দিয়েছে, এমনকি আমরা বিদেশি কথাবার্তা শুনি যে বেশ কতগুলো দেশ বা তাদের ব্যক্তিরা জড়িত ছিল। কিন্তু সেগুলো বড় আকারে এখনও পরিষ্কার হয়নি। তবে অন্য যারা জড়িত ভবিষ্যতে তাদের বিচার করা যাবে কিনা সেটা আমার জানা নেই। সেটা হয়তো অন্য বিষয়, কিন্তু এ ব্যাপারে আরও গবেষণা করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থকে শুরু করে আমেরিকা পর্যন্ত যারা বড় বড় দেশ ছিল তাদের ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টগুলো কী ধরনের ইন্ডিকেশন দিচ্ছিল এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবং কাদের নামগুলো আসছিল সেগুলো আসলে দেখা দরকার। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয় ইন্টেলিজেন্স ফেইলর হয়েছিল। এতে কোনও সন্দেহ নেই। সেই ইন্টেলিজেন্স ফেইলরটা কেন ‌হলো‌? এ ধরনের একটা ন্যাক্কারজনক তৎপরতা হতে যাচ্ছে, একটা ঘটনা ঘটছে, তা কেউ জানে না। বড় একটা রাজনৈতিক দলের একাধিক ব্যক্তি জানে না। আমরা পরে দেখলাম মোস্তাক নিজেই জড়িত। তাই এসব অনেক প্রশ্নের সমাধানে আমার মনে হয় আরও গবেষণা প্রয়োজন। দেখার দরকার যে আসলেই কোন গোষ্ঠী কোন ব্যক্তি কোন দেশ কীভাবে জড়িত ছিল। সেগুলো বের করলে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। হত্যাকারীদের কারো কারো শাস্তি হয়েছে। কেউ কেউ পালিয়ে আছে। এই যে একটা পরিস্থিতি এতে সন্তুষ্টির কিছু নেই। জাতি হিসেবে এটা হলো আমাদের দায়িত্ব পালন।’ তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু জাতির জনক। তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ড সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়। সপরিবারে একজন জাতির জনককে হত্যা করা হয়েছে। যিনি সেই সময় সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান। অতএব এখানে বিচার হওয়াটা, শাস্তি হওয়াটা সাংবিধানিক বিধান। এই দায়িত্ব আমরা বহুদিন পালন করতে পারিনি। সাংবিধানিক অর্ডিন্যান্স জারি করে কলঙ্কিত করা হয়েছিল। সেখান থেকে মুক্ত হয়ে একটা পরিস্থিতিতে আমরা এসেছি।’

আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, ‘সেইসঙ্গে আমি মনে করি, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের পুরো ষড়যন্ত্রটাকে উন্মোচন করা দরকার। সেই জায়গায় আমরা এখনও পিছিয়ে আছি। একজন রাষ্ট্রপ্রধান, একজন সরকারপ্রধানের সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র উন্মোচনের জন্য একটি কমিশন গঠন হওয়া দরকার। সেইটাও আমরা করতে পারিনি সময়মতো। এখন দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। ষড়যন্ত্রকারীদের অনেকেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে। এখন কমিশন অনেক কিছুই হয়তো পাবে না। তারপরও কমিশন গঠন করা দরকার।’ তিনি বলেন, ‘অনেকেই হয়তো পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে, কিন্তু তাদের ষড়যন্ত্রের জাল রয়ে গেছে, সেটা তো বের করা যাবে। ওই জায়গাগুলোতে আবার রি-ভিজিট করা দরকার।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই উপাচার্য বলেন, ‘জাতির কাছে উন্মুক্ত হওয়া দরকার যে তাদের জনপ্রিয় নেতা, যিনি এই দেশকে স্বাধীনতা দিয়েছেন, তার হত্যার পিছনে কে কীভাবে সহযোগিতা করেছে অথবা কে কী ভূমিকা পালন করেছে। যেমন: এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ডের পরে কমিশন হয়, সেই কমিশনের রিপোর্ট এখন সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত আছে। ঠিক একইভাবে আমাদের বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে পর পর্যন্ত এবং এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়ার সময় বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে কেউ কেউ-কোনও কোনও গণমাধ্যম। এই যে বিষয়গুলো এগুলো কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তাই একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করে সার্বিক বিষয়গুলোকে দেখা জরুরি। যারা বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের বিরুদ্ধে যে দণ্ড হয়েছে তা কার্যকর করা, এগুলো হচ্ছে জনগণের প্রত্যাশা। আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্বও বটে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শাতনু মজুমদার বলেন, ‘আমি মনে করি এ রকম একটি ঘৃণ্যতম অপরাধের বিচার অনন্তকাল চলার দরকার ছিল। এটার আসলে বিচার শেষ হয় না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা তো বিচারের কিছুই করতে পারিনি। এটার আসলে অবিরাম বিচার হওয়া উচিত।’

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

শোকাবহ আগস্ট

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০০:২১

করোনা মহামারির করাল গ্রাসে আমাদের যাবতীয় উদযাপন স্থবির হয়ে পড়েছে। একারণেই সীমিত আকারে বছর যাবত উদযাপিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু জন্ম শতবার্ষিকী। বেঁচে থাকলে এখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বয়স হতো একশ  এক বছর। অথচ এমনই এক আগস্ট মাসে বাঙালি জাতিকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে শাহাদাত বরণ করতে হয়েছে। এই মাসেই নারকীয় হামলা হয়েছে তারই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর। বাঙালি জাতির ইতিহাসের অধ্যায়ে আগস্ট শোকের চাদরে ঢাকা। বছর ঘুরে আবার আগস্ট কড়া নাড়ছে আমাদের দুয়ারে।

এ মাসের ১৫ তারিখে ঘাতকরা কেড়ে নিয়েছিল বঙ্গবন্ধু আর তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের প্রাণ। মাসজুড়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পালন করা হবে নানা কর্মসূচি।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়েছে, শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন কাল। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

পরবর্তীতে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল জাতির জনকের কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী, আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

আগস্টের কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন।

সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল জয়ী পশ্চিম জার্মানির নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যেকোনও জঘন্য কাজ করতে পারে।

ভারত বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও  বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ শ্রী চৌধুরী বাঙালিদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে।

‘দ্য টাইমস অব লন্ডন’ এর ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয় ‘সবকিছু সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সবসময় স্মরণ করা হবে। কারণ, তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই।

একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচারের রায় কার্যকর করে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। একইভাবে বাঙালির আত্মঘাতী চরিত্রের অপবাদেরও অবসান ঘটেছে।

টেলিগ্রাফ পত্রিকার মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পত্রিকাটি সেদিন সুদূরপ্রসারী মন্তব্য করেছিল। দেশের মানুষ এখন অনুধাবন করতে পারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করে দেশে পাকিস্তানি ভাবধারা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই স্বাধীনতার বিরোধীতাকারী এবং দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।

শোকাবহ আগস্টে সমগ্র জাতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক- রাজনৈতিক সংগঠনসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভাবগম্ভীর আর বেদনাবিধূর পরিবেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করবে।

তবে, এবার জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে  আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ওবায়দুল কাদের জানান, বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে শোকাবহ, মর্মান্তিক হত্যার স্মৃতিবিজড়িত আগস্ট মাস আমাদের দুয়ারে সমাগত। প্রতিবছর আগস্ট মাসে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে  ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয় কিন্তু এবারও করোনার ভয়াবহতায় লকডাউনের কারণে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে আগস্টের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শোকের মাসের প্রথম দিনে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের উদ্যোগে রক্ত ও প্লাজমা দান কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৫ আগস্ট শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল সাড়ে আটটায় আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৯ টায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল সোয়া ৯টায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ১১ টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলের শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়াও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে তিনটায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা।

১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা। ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে সকাল ৯ টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন। বিকেল সাড়ে তিনটায় ঘরোয়াভাবে আলোচনা সভা।

২৭ আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়াও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর উদ্যোগে পৃথক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

আগুন নিয়ে খেলবেন না: ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু

আগুন নিয়ে খেলবেন না: ভুট্টোকে বঙ্গবন্ধু

টিটোর সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা

টিটোর সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা

‘সংসদ সদস্য ও জনগণের জন্য পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা’

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ২৩:৪০

সংস্কার করা আধুনিক পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবের উদ্বোধন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সব সংসদ সদস্য ও নির্বাচনি এলাকার জনগণের জন্য পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বাংলাদেশের সব ক্লাবের চেয়ে পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাব সবদিক থেকে অনন্য। সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে এই ক্লাবটি প্রাণবন্ত থাকবে।’

শনিবার (৩১ জুলাই) সংস্কার করা আধুনিক পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া-মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ‘যথাযথ আধুনিকায়নের মাধ্যমে পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবকে তৈরি করা হয়েছে।’ এ সময় তিনি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ক্লাবটি ব্যবহারের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবের সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম এমপি, সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি,  নসরুল হামিদ বিপু এমপি, জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি, নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি, নাহিম রাজ্জাক এমপি, শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি, রাজী মোহাম্মদ ফখরুল এমপি, রুমানা আলী এমপিসহ প্রমুখ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

হুবার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

হুবার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

ভালো আছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত

ভালো আছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত

হুবার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ২২:৪৪

দুর্যোগকালীন দ্রুত যাতায়াতের জন্য চট্টগ্রাম, পায়রা ও মোংলা বন্দরের অর্থায়নে এক বা একাধিক ‘হুবার ক্র্যাফ্ট’ এবং হেলিকপ্টার কিনতে চায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। বিআইডব্লিউটিএ এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অধীন একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ফিজিক্যাল স্টাডিও করিয়েছে। সেই স্টাডি রিপোর্টও জমা হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে। রিপোর্টটি পর্যালোচনার পর ‘হুবার ক্রাফট’ ও ‘হেলিকপ্টার’ কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সেটা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নাকি সিভিল এভিয়েশন বাস্তবায়ন করবে সেই সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে পরে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত মার্চ (২০২১) মাসে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য দ্রুতগামী জল ও আকাশযান হুবার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়, দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত যাতায়াতের জন্য চট্টগ্রাম, পায়রা এবং মোংলা বন্দরের অর্থায়নে এক বা একাধিক যৌথ ‘হুবার ক্র্যাফ্ট' ফ্লিট-এর ব্যবস্থা এবং হেলিকাপ্টার ক্রয় করা যেতে পারে। একইসঙ্গে সকল বন্দরের মৌলিক কাঠামো একই ধরনের রেখে তিনটি সমুদ্র বন্দরকে সমানভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্যেও বলা হয়। এ প্রস্তাবকে সময়োপযোগী ও ভালো প্রস্তাব বলে মনে করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। কারণ, এতে দুর্যোগের সময়ে উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত যাতায়াত করাসহ অন্যান্য জরুরি চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজাহারুল হক প্রধান প্রস্তাব করেন নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে সাত থেকে আট মিটার ড্রাফ্‌টের জাহাজ বন্দরে আসতে পারলেও ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজের বন্দরে আসতে সমস্যা হচ্ছে। মোংলা এবং পায়রা বন্দরে যাতে নির্দিষ্ট ড্রাফটের জাহাজ সব সময় আসতে পারে সেজন্য উভয় বন্দরের জন্য ড্রেজার ক্রয় করতে হবে। তার এ প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন জাহাজ ক্রয়ের প্রস্তাব যুক্তিযুক্ত। তাছাড়া চট্টগ্রাম, মোংলা এবং পায়রা এই ৩টি বন্দরেরই ‘হুবার ক্র্যাফ্ট' সার্ভিস চালুর ব্যাপারে স্ট্যাডি করা হয়েছে। এটি সুবিধাজনক হবে। তবে এর দাম বেশি পড়বে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি থেকে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে ও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা পেয়েছি। আমাদের বন্দর কর্তৃপক্ষের যারা আছেন, তারা এগুলো বাস্তবায়নের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ‘হুবার ক্রাফট’ কেনার জন্য বিআইডব্লিউটিএ ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অধীন একটা প্রতিষ্ঠান দিয়ে ফিজিক্যাল স্টাডি শেষ করিয়েছে। তারা একটা রিপোর্টও মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এখন সেই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা হবে যে, এটা আমাদের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন করতে পারবে কিনা।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আলোচনায় আসছে ‘হুবার ক্রাফট আধুনিক যান। এটা পানির ওপর দিয়ে চলে। আবার আকাশেও উড়তে পারে। এটা আবার সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এটা তারাও করতে পারে আবার আমরাও করতে পারি। খুবই ভালো একটা প্রস্তাব পাওয়া গেছে সংসদীয় কমিটির কাছ থেকে। এখন এটা যাদের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত তাদেরই বাস্তবায়ন করা উচিত। যে স্টাডি রিপোর্টটা পাওয়া গেছে সেটার পর্যালোচনা শেষ হলে হয় আমরা বাস্তবায়ন করব। না হয় সিভিল এভিয়েশনকে অনুরোধ করব তারা যেন এটা বাস্তবায়ন করে। আসলেই এটা দরকার। কোস্টাল এরিয়ার জন্য খুব জরুরি। 

 

/জেইউ/এফএএন/

সম্পর্কিত

২৪ মে থেকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দাবি

২৪ মে থেকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দাবি

সর্বশেষ

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

আজ বন্ধু দিবসঘরে বসেই দেদার আড্ডা

কেন বারবার একই ভুল

কেন বারবার একই ভুল

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

জাপান থেকে এলো অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় চালান

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

এবার ভয়ংকর আগস্টের অপেক্ষা

সৌদি আরবের রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সৌদি আরবের রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

৫ আগস্টের আগে কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

৫ আগস্টের আগে কারখানায় যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ভিয়েনায় এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের সভাপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

ভিয়েনায় এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের সভাপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

মাল্টার জেলে বন্দি ১৬৫ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী আছে?

© 2021 Bangla Tribune