X
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ৮ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ইসরায়েলে নেতানিয়াহু যুগের অবসান হচ্ছে?

আপডেট : ৩০ মে ২০২১, ১৮:১৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিরোধীদের সরকার পরিবর্তনের উদ্যোগ ঠেকাতে রবিবার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছেন। দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যদি বিরোধীরা সরকার গঠনের সমঝোতায় পৌঁছে যায়, তাহলে ইসরায়েলে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তে হবে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরকার গঠনে বিরোধী দলের প্রধান ইয়ার লাপিডকে বেঁধে দেওয়া সময় বুধবার শেষ হবে। লাপিড দেশটির ডানপন্থী, মধ্যপন্থী ও বামপন্থীদের সঙ্গে জোট গঠনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। গত দুই বছরে চারটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ইসরায়েলে। এবার লাপিড ব্যর্থ হলে আবারও নির্বাচনে যেতে হবে দেশটিকে।

লাপিডের সরকার গঠনের বিষয়টি প্রধানত নির্ভর করছে চরম ডানপন্থী রাজনীতিক নাফতালি বেনেটের ওপর। কিংমেকার বলে পরিচিত এই নেতার দল ইয়ামিনা পার্টির পার্লামেন্টে ছয়টি আসন রয়েছে।

বেনেট রবিবার তার সিদ্ধান্তের কথা জানানোর কথা। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, লাপিডের মধ্যপন্থী ইয়েশ আতিদ পার্টির সঙ্গে বেনেটের জোট গঠনে রাজি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু বেনেটকে আগে নিজ দলের নেতাদের রাজি করাতে হবে।

২৩ মার্চের নির্বাচনে কোনও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় বেনেটের দলটিতে ঐক্য ভঙ্গুর হতে পারে। বিশেষ করে জোট গঠনে লাপিড পার্লামেন্টের আরব সদস্যদের জোটে নিতে চাচ্ছেন, যাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বেনেটের দলের বিপরীত।

গত কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে কথা বলেননি বেনেট। কিন্তু ইসরায়েলের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লাপিড জোট গড়ে সরকার গঠনের পথেই হাঁটবেন। সম্ভাব্য সমঝোতার আশঙ্কায় নেতানিয়াহু রবিবার শেষ চেষ্টায় নেমেছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, টানা ১২ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার পর তার কিছু দিন বিরতি নেওয়া প্রয়োজন।

তার নেতৃত্বাধীন জোটের নেতাদের সঙ্গে একটি প্রস্তাবে তিনি পালাক্রমে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দিয়েছেন। নেতানিয়াহুর প্রস্তাব অনুসারে, ডানপন্থী নিউ হরাইজন পার্টির প্রধান গিডিও সার ১৫ মাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী হবেন। এরপর দুই বছরের জন্য নেতানিয়াহু এবং পরে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বেনেট হবেন প্রধানমন্ত্রী।

লিকুড পার্টির সাবেক মন্ত্রী সার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। টুইটারে তিনি লিখেছেন, নেতানিয়াহুর শাসন অবসানে আমাদের অবস্থান ও প্রতিশ্রুতি বদলায়নি।

এ বিষয়ে বেনেটের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সাবেক এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর আগেও নেতানিয়াহুকে উৎখাতের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন।

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২১:২৪

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় বৃহত্তম শহর হেরাতে তালেবানের উত্থানে অর্থনৈতিক দুর্ভোগ দেখা দিচ্ছে এবং মানুষ বাধ্য হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছে।

ঈদুল আজহার আগে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দেশটির জনগণকে আশ্বস্ত করতে অনেক সময় ব্যয় করেছেন। দেশজুড়ে বিভিন্ন জেলায় তালেবানের দখল ঠেকাতে সরকারিবাহিনী যখন লড়াই করছে তখন তিনি এমন উদ্যোগ নিলেন।

সোমবার পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরের সড়কের হাঁটতে দেখা গেছে। তিনি পথচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, শিশুদের কোলে তুলে নেন। এমনকি স্থানীয় একটি মিষ্টির দোকানকে অবাক করে দেন। তার এই সংক্ষিপ্ত সফর হেরাতের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হলো।

এই মাসের শুরুতে তালেবানরা প্রাদেশিক রাজধানী হেরাত থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে জিন্দা জান নামের একটি শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর পরে তারা ইরানের সঙ্গে সীমান্ত ক্রসিং ইসলাম কালা দখল করে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যেসব সীমান্ত ক্রসিং তালেবান দখল করেছে এটি সেগুলোর একটি। এই দুটি দখলের খবর ৪ লাখ বাসিন্দার প্রাচীন শহরটিকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

স্থানীয় আশঙ্কা করেন, পরের দিন সূর্যোদয়ের পর তালেবানরা হেরাতের দিকে এগিয়ে আসা শুরু করবে। এই আতঙ্ক এমন পর্যায়ে ছিল যে, অনেকেই ঈদুল আজহার ছুটির দিনে মার্কেট ও বাজারে যাওয়া বন্ধ করে দেন।

ঘানির এই সফরের পর ঈদের দিন ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীও শহরটি সফর করেন। এতে হেরাতের বাসিন্দাদের একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে: সহযোগিতা আসছে।

যদিও হেরাতের অনেক বাসিন্দার জন্য এই আতঙ্ক এখনও একেবারে বাস্তব।

১২টির বেশি জেলায় তালেবানের বড় ধরনের উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান হেরাতের স্থানীয়রা

কাবুল ও হেরাতে বসবাস করা ফরোগ মোহাম্মদি তালেবানের জিন্দা জান শহরের দখল নেওয়ার স্মৃতিচারণ করেন। ৮ জুলাইয়ের সন্ধ্যাটি তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক বলে উল্লেখ করেন। ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি সিদ্ধান্ত নেন তালেবানের উত্থান ঠেকাতে যে বিদ্রোহী আন্দোলন শুরু হয়েছে তাতে যোগ দেবেন। আফগানিস্তানজুড়ে কয়েক হাজার মানুষ এই সশস্ত্র আন্দোলনে শামিল হচ্ছেন।  

পরের দিন সকালে একটি অফিসে ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা ফরোগ কাঁধে একে-৪৭ নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। শহর ঘিরে রাখা বিভিন্ন জেলায় তালেবানের এগিয়ে আসা ঠেকানোর লড়াইয়ে যোগ দেওয়া লক্ষ্য তার।

তিনি বলেন, আপনি ওই রাতে সেখানে থাকতেন তাহলে বুজতে পারতেন যে তালেবানের প্রতিটি লক্ষ্যই হলো বড় শহর দখল করা।

বেশ কয়েকজন স্থানীয় জানিয়েছেন, হেরাতের এক ডজনের বেশি জেলায় তালেবানের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। শহরটিকে তুলে ধরতে তারা অবরুদ্ধে ও ফাঁদে আটকা শব্দ ব্যবহার করছেন। তাদের আশঙ্কা, এখনও সশস্ত্র গোষ্ঠটি শহরের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।

হেরাতের এক বাসিন্দা নিজের পরিবারকে নিয়ে কাবুল পালিয়েছেন। তালেবানের কাছে থেকে হুমকি পাওয়ার পর তিনি শহরটি ছেড়ে যান। তার কথা, শহরের বিমানবন্দর যাওয়ার রাস্তা ও এক বা দুটি শহর কেবল নিরাপদ।

স্থানীয়রা বলছেন, তালেবানকে হেরাত শহরের দখল নিতে তারা দেবেন না

গত মাসে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও প্রখ্যাত নারীরা তালেবানের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছেন। অনেকেই দেশটি ছাড়ার সুযোগ না পেলেও অন্তত শহরটি ছাড়তে চাইছেন।

ফরোগ মোহাম্মদি জানান, তালেবানের এই অবস্থান বড় অংকের অর্থ সংগ্রহ করা। আর সম্ভব হলে শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। তার কথা, শহরের সব জায়গায় অর্থ ছড়িয়ে রয়েছে। তারা যদি শহরটির দখল নিতে পারে তাহলে তা অর্থের খনিতে পরিণত হতে পারে।

মেহরাবুদ্দিন নামের ব্যক্তি কাঁধে রকেট লঞ্চার নিয়ে ইনজিল জেলার কাছে রাস্তায় অবস্থান করছেন। তিনি জানান, সম্প্রতি তালেবান শহরটির ১০ কিলোমিটার কাছাকাছি চলে আসে। এরপর থেকে বেশ কয়েকবার তাকে রকেট ছুড়তে হয়েছে।

হেরাতের বিভিন্ন জেলার পাহাড়ি এলাকায় তালেবান অবস্থান নেয়। সেখান থেকে তারা জাতীয় নিারপত্তা ও বিদ্রোহী বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

রকেট লঞ্চার সঙ্গে রাখার বিষয়ে মেহরাবুদ্দিন জানান, দিনের বেলা এলাকাটি শান্ত থাকে। কিন্তু রাতে লড়াই শুরু হয়। তিনি বলেন, তালেবান যোদ্ধাদের বাড়ি এই এলাকায়। আমি বাজি ধরে বলতে পারি তাদের বাড়িগুলো ভর্তি। হয়ত এই মুহূর্তে বাড়ি থেকে নজর রাখছে।

বিদ্রোহী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, তারা তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় পাকিস্তানি ও ইরানি যোদ্ধাদের মোকাবিলা করেছেন। তবে বাস্তবতা হলো স্থানীয় তালেবান সদস্যদের বিরুদ্ধেই মূলত তাদের লড়াই করতে হচ্ছে। এর ফলে লড়াইটি হয়ে দাঁড়িয়েছে আফগানের বিরুদ্ধে আফগান।

এরপরও হেরাতের মানুষেরা বলছেন, তালেবানরা শহরের দখল নিতে চাইলে তারা তা হতে দিবেন না।

১৯৮০-এর দশকে সাবেক কমান্ডার ইসমাইল খান সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তিনি জানান, এই মাসের শুরুতে প্রদেশের ১৫টির মধ্যে ৮টি জেলার দখল নিয়েছে তালেবানরা। এরপর তিনি হেরাতে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।  

ইসমাইল খান জানান, তালেবানের কাছ থেকে শহর রক্ষায় আফগানবাহিনীর পাশে দাঁড়াবে হেরাতের জনগণ। যদিও সব আফগান শান্তি চায়। কিন্তু দোহায় চলমান শান্তি আলোচনা সময়ের অপচয় কারণ তালেবানরা নিজেদের সামরিক লক্ষ্য অর্জন করছে।   

গত মাসে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও প্রখ্যাত নারীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে তালেবানের পক্ষ থেকে

সাবেক এই কমান্ডার নিজের দেশ রক্ষায় জনগণকে রুখে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনি এই প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু করেন। তালেবানের লড়াই করার জন্য তিনি কয়েকশ’ পুরুষ, তরুণ ও বয়স্কদের আহ্বান জানিয়েছেন। হেরাতে তার বাড়িতে কয়েক ডজন মানুষ বাগানে অপেক্ষা করছেন, তাদের হাতে বন্দুক এবং লড়াইয়ে যোগ দিতে চান।

মোহাম্মদ ইয়াসিনি একজন প্রবীন ব্যবসায়ী। ১২ বছর বয়সে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ওই সময় কয়েক হাজার আফগানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন তিনি। তখন তার সঙ্গে ছিলেন ২৭ বছরের ইসমাইল খান।

এখন ৬০ বছরের ইয়াসিনি আবারও খানের বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। তার মতে, এতে হেরাতের বীরত্বের কথা তালেবানকে মনে করিয়ে দেবে।

ইয়াসিনি বলেন, ‘তারা কখনও হেরাত দখল করতে পারবে না। কারণ এটি মুজাহিদিনের শহর’। সূত্র: আল জাজিরা

/এএ/

সম্পর্কিত

বরকে নিয়ে বিয়ের ঘোড়ার চম্পট (ভিডিও)

বরকে নিয়ে বিয়ের ঘোড়ার চম্পট (ভিডিও)

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ নিয়ে যা বললো তালেবান

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ নিয়ে যা বললো তালেবান

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

দ্বিতীয় ঢেউয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো অব্যাহত: এডিবি

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২১:২০

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারিতেও থেমে নেই বাংলাদেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির চাকা। কোভিড-১৯-এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেও দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হচ্ছে, এমন আশা-জাগানিয়া খবর দিলো এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক- এডিবি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রফতানি ও রেমিট্যান্সের উপর ভর করে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত বাংলাদেশে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জুলাই) ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলা থেকে প্রকাশিত এশিয়ান ডেভলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) সাপ্লিমেন্ট প্রতিবেদনে এশিয়ার অর্থনীতির ২০২১-২০২২ সালের পূর্বাভাস রয়েছে। গত এপ্রিলেও এডিও প্রকাশ করে এডিবি। তবে জুলাইতে এর সম্পুরক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি, রেমিট্যান্স এবং রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান উল্লেখ করেছে তারা।

জুলাইয়ের আউটলুকে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরের ২০২১ সালের জুনে শেষ হয়েছে। প্রথম ১১ মাসে বাংলাদেশের রফতানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশে। প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার আয়ে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নতি হয়েছে। ২০২১ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশের রাজস্ব আদায় বেড়েছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। আর এভাবেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত রয়েছে।

তবে বাংলাদেশ, ভারতসহ কয়েকটি দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এডিবি ২০২১ সালে এশিয়ার অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের চেয়ে কিছুটা কমিয়েছে। এপ্রিলে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল, যা এখন ৭ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। 

যদিও ২০২২ সালের জন্য আগের পূর্বাভাস ৫ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ ধরা হয়েছে। ২০২১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৯ দশমিক ৫ থেকে ৮ দশমিক ৯ শতাংশে নামিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ব্লুমবার্গ-এ বাংলাদেশের প্রশংসায় ভারতীয় অর্থনীতিবিদ

ব্লুমবার্গ-এ বাংলাদেশের প্রশংসায় ভারতীয় অর্থনীতিবিদ

কোলের সন্তানকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন মা

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:৫৯

সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের নজির বারবার সামনে এসেছে। চীনের হেনান প্রদেশে ভয়াবহ বন্যার কবল থেকে সন্তানকে বাঁচাতে পারলেও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি মা। এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে সবর্ত্র।

গত কয়েদিন ধরে চীনের বেশ কয়েকটি অঞ্চল বন্যার পানিতে ভাসছে। প্রবল বর্ষণে হেনান প্রদেশেরও একই অবস্থা। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে বহু ঘর-বাড়ি। আশ্রয়হীন বহু বাসিন্দা।

গত বুধবার হেনানের ওয়াংজংডিয়ান গ্রামে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ির ভেতর থেকে এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপ আর কাঁদামাটির নিচে আটকা থেকেও অলৌকিকভাবে উদ্ধার হয় তিন থেকে চার মাস বয়সী শিশুটিকে। আর বৃহস্পতিবার মৃত অবস্থায় তার মাকে খুঁজে পাওয়া যায়।

খবরে বলা হয়েছে, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে শিশু সন্তানসহ মা। কিন্তু সন্তানকে সুক্ষিত জায়গায় রেখে দেন তিনি। আর মায়ের দুই হাত উঁচু করা ছিল, ঠিক যেদিকে তার সন্তান সুরক্ষিত অবস্থায় বেঁচে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ঝৌহু স্থানীয় এক সংবদামাধ্যমকে বলেন, আমি শিশুটির কান্নার আওয়াজ শুনি। পরে উদ্ধারকর্মীরা ওই বাড়িতে এসে পৌঁছায় এবং শিশুটিকে বাঁচাতে সক্ষম হয়। তার মা তাকে সুরক্ষিত জায়গায় রেখে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আর বেঁচে নেই। শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চীনে বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক লাখ বাসিন্দাকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি সামনে আরও অবনিত আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

/এলকে/

সম্পর্কিত

অতি বর্ষণে ভূমিধস, মহারাষ্ট্রে ৩৬ জনের মৃত্যু

অতি বর্ষণে ভূমিধস, মহারাষ্ট্রে ৩৬ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

ভূমধ্যসাগরে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

ভূমধ্যসাগরে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

বরকে নিয়ে বিয়ের ঘোড়ার চম্পট (ভিডিও)

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:০২
video

উত্তর ভারতে বরযাত্রায় নাচ ও আতশবাজি ছাড়া বিয়ে অপূর্ণ থেকে যায়। তবে সম্প্রতি রাজস্তানে এমন একটি উদযাপনের আনন্দ মাঠে মারা গেছে যখন আতশবাজির শব্দে চমকে যাওয়া বিয়ের ঘোড়া বরকে দৌড় দেয়। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওটি আজমির জেলার নাসিরাবাদ শহরে রামপুরা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। বরযাত্রীরা যাত্রা শুরুর প্রস্তুতি নিতে রীতি হিসেবে ঘোড়াকে খাওয়াচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি ঘোড়ার খুব কাছে একটি আতশবাজি ফোটান। এতে ওই প্রাণীটি ভয় পেয়ে যায়।

অকস্মাৎ ঘোড়াটি দৌড় দেয়। তখন পিঠে সওয়ার ছিলেন বর।

ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘোড়ার মালিক পিছনে ছুটছেন লাগাম ধরতে। তবে প্রাণীটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হন তিনি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ঘোড়াটি বরকে নিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার দৌড়ানোর পর অবশেষে বরের পরিবার এটিকে ধরতে সক্ষম হন। তখন বরকে ঘোড়া থেকে নামানো হয়।

ভাগ্যবশত বর ও ঘোড়ার কোনও ক্ষতি হয়নি। কিছু সময় পর জয়পুরের উদ্দেশে ঘোড়ায় চড়েই বরযাত্রা শুরু করেন বর। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

/এএ/

সম্পর্কিত

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ নিয়ে যা বললো তালেবান

আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ নিয়ে যা বললো তালেবান

অতি বর্ষণে ভূমিধস, মহারাষ্ট্রে ৩৬ জনের মৃত্যু

অতি বর্ষণে ভূমিধস, মহারাষ্ট্রে ৩৬ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

পাকিস্তানে একে-৪৭ কাঁধে নিয়ে কাজ করছে চীনারা!

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানযাত্রীর লাগেজে ১৫টি দৈত্যকার শামুক

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৮:৫১

পশ্চিম আফ্রিকার নিষিদ্ধ ১৫টি দৈত্যকার জীবন্ত শামুক, পাতা এবং গরুর মাংস পাওয়া গেছে একটি লাগেজের ভেতর। অবৈধভাবে বহন করায় যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিমানবন্দর থেকে এসব উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এসব শামুক যুক্তরাষ্ট্রে আসায় চিন্তা পড়েছে প্রশাসন।

নাইজেরিয়া থেকে ফেরা যাত্রীর লাগেজের ভেতরে মাংস থাকার কথা উল্লেখ করলেও জীবন্ত শামুক পাওয়া যায়। পুলিশ শামুকগুলো উদ্ধার করে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)-এর কাছে হস্তান্তর করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এগুলো অনুমতি ছাড়াই বহন করেছিল। এসব থেকে মানবদেহে মেনিনজাইটিস হতে পারে।

বিশ্বের সবেচেয় ক্ষতিকারক শামুকের তালিকায় রয়েছে। এগুলো পশ্চিম আফ্রিকায় পাওয়া যায়। সেখানকার লোকেরা এসব ক্ষতিকারক বড় শামুক তাদের খাদ্য তালিকায় রেখেছেন। এসব মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)-এর তথ্য অনুসারে, এই রোগে বিশ্বের ৩০টি দেশের প্রায় ৩ হাজার মানুষ আক্রান্ত। এই শামুক পরিবেশে গুরুতর ক্ষতির করার সক্ষমতা রয়েছে। ভবনেরও ক্ষতি করে থাকে। এটি পাঁচশ প্রকারের উদ্ভিদ খেতে পছন্দ করে, কিন্তু সবজি এবং ফল সহজে পাওয়া না গেলে গাছের ছাল এবং ভবনের রঙ নষ্ট করে থাকে।

ফ্লোরিডার দক্ষিণাঞ্চলে ১৯৬০ সালে এই আফ্রিকার শামুকের অস্তত্বি পাওয়া যায়। নির্মূল করতে ১০ বছর সময় লেগে যায়। ২০১১ সালে এই নিষিদ্ধ শামুক আবারও ফ্লোরিডায় ধরা পরে। এই শামুক বছরে ১২শ’ ডিম উৎপাদন করতে পারে। এখন নতুন করে অপসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

/এলকে/

সম্পর্কিত

বিরল রোগে আক্রান্ত সিআইএ-এর শতাধিক কর্মকর্তা!

বিরল রোগে আক্রান্ত সিআইএ-এর শতাধিক কর্মকর্তা!

তালেবানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক বিমান হামলা

তালেবানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক বিমান হামলা

উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী!

উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী!

'মানকি পক্স': যুক্তরাষ্ট্রে আতঙ্ক

'মানকি পক্স': যুক্তরাষ্ট্রে আতঙ্ক

সম্পর্কিত

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

তেল উৎপাদন নিয়ে সৌদি-আমিরাত বিরোধের অবসান

তেল উৎপাদন নিয়ে সৌদি-আমিরাত বিরোধের অবসান

ইসরায়েলি বাহিনীতে বাড়ছে মুসলিম সেনাদের সংখ্যা

ইসরায়েলি বাহিনীতে বাড়ছে মুসলিম সেনাদের সংখ্যা

সীমিত পরিসরে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

সীমিত পরিসরে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

আবুধাবিতে সোমবার মধ্যরাতে ৫ ঘণ্টার লকডাউন

আবুধাবিতে সোমবার মধ্যরাতে ৫ ঘণ্টার লকডাউন

হজের আগে সৌদি আরবে করোনার ভুয়া পরীক্ষা ও টিকা চক্র গ্রেফতার

হজের আগে সৌদি আরবে করোনার ভুয়া পরীক্ষা ও টিকা চক্র গ্রেফতার

সর্বশেষ

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

হেরাতে তালেবান ঠেকানোর লড়াইয়ের নেতৃত্বে সাবেক মুজাহিদিন কমান্ডার

করোনার মাঝেও অলিম্পিকের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

করোনার মাঝেও অলিম্পিকের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

দ্বিতীয় ঢেউয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো অব্যাহত: এডিবি

দ্বিতীয় ঢেউয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো অব্যাহত: এডিবি

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

মদপানে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫

মদপানে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫

ক্লাউড উইন্ডোজ আনলো মাইক্রোসফট

ক্লাউড উইন্ডোজ আনলো মাইক্রোসফট

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো জিম্বাবুয়ে

বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো জিম্বাবুয়ে

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

প্রথমবারের মতো হজের নিরাপত্তায় নারীরা

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে দুবাই

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

বাগদাদে ব্যস্ত মার্কেটে বোমা হামলায় নিহত ২৫

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

স্পাইওয়্যার রফতানি শুধু বৈধ ব্যবহারের জন্য: ইসরায়েল

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

তালেবানের উচিত আফগানিস্তানে দখলদারিত্ব বন্ধ করা: এরদোয়ান

তেল উৎপাদন নিয়ে সৌদি-আমিরাত বিরোধের অবসান

তেল উৎপাদন নিয়ে সৌদি-আমিরাত বিরোধের অবসান

ইসরায়েলি বাহিনীতে বাড়ছে মুসলিম সেনাদের সংখ্যা

ইসরায়েলি বাহিনীতে বাড়ছে মুসলিম সেনাদের সংখ্যা

সীমিত পরিসরে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

সীমিত পরিসরে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

© 2021 Bangla Tribune