X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

বাংলাদেশের প্রতি এখন ভারতীয়দের অন্য নজর

আপডেট : ০৩ জুন ২০২১, ০০:০৮

অর্থনীতির সাফল্যে ভর করে বাংলাদেশ যেভাবে একের পর এক মাইলস্টোন অতিক্রম করছে, তা গড়পরতা ভারতীয়দের দৃষ্টিভঙ্গী ক্রমশ বদলে দিচ্ছে। এমন কী, এর প্রভাব পড়ছে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও। 

গত দু-চার মাসে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ভারতে বেশ সাড়া ফেলেছে। আগে বাংলাদেশের যেসব কৃতিত্ব ভারতের মিডিয়াতে ঠাঁই পেত না, এমন বেশ কিছু খবর নিয়ে ইদানীং রীতিমতো চর্চা হচ্ছে। আর সেগুলোই প্রতিবেশী দেশের একটা উজ্জ্বল ও ঝকঝকে ছবি তুলে ধরছে।

কয়েকটা উদাহরণ দিলেই বিষয়টা স্পষ্ট হবে।  

এক) চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে বাজেট পেশ করার ঠিক আগেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি খাতে কীভাবে রফতানি বাড়ানো যায়, সেটা বাংলাদেশের থেকে শেখার আছে। তার পেশ করা ইকোনমিক সার্ভেতে মন্তব্য করা হয়েছিল, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ রফতানিকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০১১-২০১৯ সালের মধ্যে সে দেশের রফতানির কম্পাউন্ড বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮.৬ শতাংশ হারে, যা ভারতের চেয়ে ০.৯% এবং গোটা দুনিয়ার চেয়ে ০.৪% বেশি।’

দুই) বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা, অধ্যাপক কৌশিক বসু গত ২২ মে সকালে একটি টুইট করেন। যাতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি খাতের তুলনামূলক পারফরম্যান্স তুলে ধরা হয়েছিল। নিমেষে ভাইরাল হওয়া পোস্টটিতে দেখানো হয়েছিল- চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অর্থনীতিকে টপকে বিগত অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩.৮ শতাংশ জিডিপি অর্জন করেছে। প্রতি দশ লক্ষ জনসংখ্যায় কোভিড মৃত্যুর সংখ্যাও সে দেশে মাত্র ৭৪। দুটো সারণীতেই ভারত ছিল সবচেয়ে নিচে। যেখানে জিডিপি নেগেটিভ আট শতাংশ। কোভিড মৃত্যুও বাংলাদেশের প্রায় তিনগুণ।

তিন) গত সপ্তাহে কলকাতার বর্তমান পত্রিকায় একটি বিশেষ নিবন্ধ লেখেন হিমাংশু সিংহ। যার শিরোনাম ছিল ‘আত্মনির্ভর ভারতকে পথ দেখাচ্ছে বাংলাদেশ’। ৬ মে যেভাবে বাংলাদেশ দশ হাজার ভায়াল জীবনদায়ী রেমডেসিভির ভায়াল ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে এবং তার আগে এক হাজার আধুনিক ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছে, সেটিকে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে বর্ণনা করেন তিনি। ভারতে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়েছে ওই নিবন্ধের লিংক।

চার) ভারতে তৈরি পোশাক বা গারমেন্ট শিল্পের অন্যতম প্রধান হাব দিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডা, যে শহরকে সরকার ‘সিটি অব অ্যাপারেল’ বলে পরিচয় দেয়। সেই নয়ডাতে অ্যাপারেল এক্সপোর্ট ক্লাস্টারের (এনএইসি) সভাপতি ললিত ঠুকরাল জানিয়েছেন, মহামারিতে তাদের আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ভারত থেকে মুখ ফিরিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছেন। বাংলাদেশের (ও কিছুটা শ্রীলঙ্কা ও ভিয়েতনামে) তারা ইতিমধ্যেই বিশ শতাংশের বেশি ব্যবসা হারিয়েছেন বলে ওই সংগঠনের দাবি।  

পাঁচ) বাংলাদেশের মুকুটে সবশেষ পালকটি এনে দিয়েছে পার ক্যাপিটা ইনকাম তথা মাথাপিছু আয়ে নাটকীয় বৃদ্ধি। গতবছরের শেষ দিকেই আইএমএফ  পূর্বাভাস করেছিল, মাথাপিছু আয়ে বাংলাদেশ ভারতকেও টপকে যেতে চলেছে। আর সেটা এর মধ্যে সত্যিও হয়েছে। গত ১ জুন ব্লুমবার্গ তাদের এই সংক্রান্ত খবরের শিরোনাম করেছে : ‘দক্ষিণ এশিয়ার এখন নজর দেওয়া দরকার এই অঞ্চলের উজ্জ্বল তারকার দিকে।’ এই তারকাটি, বলাই বাহুল্য, বাংলাদেশ!

ঠিক এক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের ফলাফলে আর একটি জিনিসও প্রমাণ হয়েছে- বাংলাদেশিদের কথিত অনুপ্রবেশ নিয়ে বিজেপির লাগাতার প্রচার এমন কী সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও তেমন আর সাড়া ফেলতে পারছে না।

ওই নির্বাচনের প্রচারে বিজেপি নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার বলেছিলেন, তারা ক্ষমতায় এলে কোনও বাংলাদেশি দূরে থাক, একটা পাখিও সীমান্ত টপকাতে পারবে না। বাংলাদেশের প্রান্তিক জেলাগুলোর মানুষ এখনও রুটি-রুজির সন্ধানে ভারতে এসেই চলেছেন এবং তাতে ভারতের সম্পদের ওপর চাপ পড়ছে, সাক্ষাৎকারে এমনও দাবি করেছিলেন তিনি।  


দিল্লিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষক কল্যাণ গোস্বামীর কথায়, “এদেশে (ভারতে) বাংলাদেশ সম্পর্কে যে ন্যারেটিভটা এতদিন চলে এসেছে, তাতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। আজকের বাংলাদেশ যে একটা অর্থনীতির ‘সাকসেস স্টোরি’, ভারতীয়রা ক্রমেই সেটা আরও বেশি করে অনুধাবন করছেন।”

বাংলাদেশে উপার্জন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ এখন অনেক বেশি। ফলে বাংলাদেশিদের অযথা ভারতে আসার কোনও কারণ নেই এটা ভারতীয়রা বুঝতে পারছেন বলেই বিজেপির অবৈধ অনুপ্রবেশের ত্ত্ত্ব সেভাবে আর সাড়া ফেলতে পারছে না বলেও ড. গোস্বামীর অভিমত। 

আরএসএসের ঘনিষ্ট গবেষক রাভি পোখার্না আবার কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেন। মুম্বাইতে আরএসএস প্রভাবিত এনজিও ‘রামভাউ মহালগি প্রবোধিনী’র সিইও তিনি। মুম্বাইতে কথিত ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশে’র প্রভাব নিয়ে গবেষণা করতে বছর দুয়েক আগে তাদের প্রতিষ্ঠান একটি ফেলোশিপও চালু করেছিল।

রাভি পোখার্না বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘বাংলাদেশে কিন্তু অর্থনীতির বিকাশ মোটেই সুষমভাবে হয়নি। একটা শ্রেণি ধনী থেকে আরও ধনী হচ্ছেন। জিডিপিতে তার ছাপ পড়ছে। কিন্তু আর একটা শ্রেণির কাছে সেই উন্নয়নের হাত পৌঁছায়নি। সেই গরিব মানুষগুলোর কাছে কিন্তু ভারতে আসার আকর্ষণ রয়েই গেছে বলে মনে করি।’

কলকাতার নামী অর্থনীতিবিদ সৈকত সিংহরায় পরিষ্কার বলছেন, ‘যাকে যার কৃতিত্ব দিতেই হবে– অ্যান্ড দিজ ইজ দ্য মোমেন্ট ফর বাংলাদেশ!’

তাঁর পরিষ্কার কথা, অর্থনীতি আর প্রবৃদ্ধিতে তুঙ্গস্পর্শী সাফল্যই বাংলাদেশকে ইদানীং অন্য নজরে দেখতে ভারতীয়দের বাধ্য করেছে এবং এই প্রবণতা এখন বেশ কিছুকাল অব্যাহত থাকবে বলেই অর্থনীতির সব সূচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।         

/এফএ/

সম্পর্কিত

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

ভারতীয় গণমাধ্যমে দিল্লিতে বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনের খবর

ভারতীয় গণমাধ্যমে দিল্লিতে বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনের খবর

ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে আগরতলায় আলোচনা সভা

শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে আগরতলায় আলোচনা সভা

বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৪

রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিতর্কিত বৈশ্বিক নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ। শুধু তাইনা ওই উদ্বাস্তু নীতি প্রণয়নে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা সরাসরি জড়িত বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।

আজ রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ডিক্যাব আয়োজিত ডিক্যাব টকে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ একই মনোভাব পোষণ করে।’

উল্লেখ্য, বিশ্ব ব্যাংকের রিফিউজি পলিসি রিভিউ ফ্রেমওয়ার্কের তিনটি উদ্দেশ্য হলো ‑ উদ্বাস্তু  ও হোস্ট কমিউনিটির জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করা, উদ্বাস্তুরা যেদেশে অবস্থান করছে সেই সমাজে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া অথবা তাদের ফেরত পাঠানো, এবং দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাতে করে নতুন উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হয়।

বিশ্ব ব্যাংকের নীতি বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করলেও জাতিসংঘ কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করে বলেন যে, ‘এই অর্থায়ন কক্সবাজারের রোহিঙ্গাদের জন্য অত্যন্ত দরকারি। বিশ্বব্যাংকের এই অর্থ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য দরকারি। আমরা আশা করি, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকার সংলাপ অব্যাহত রাখবে।’

তিনি জানান, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মানবিক সহায়তা বজায় রাখার জন্য অর্থায়ন সংগ্রহ করা।

তবে ‘বাংলাদেশ সরকার তাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে ব্যক্ত করেছে কিভাবে তারা রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলা করবে।’ বলেও জানান তিনি।

/এসএসজেড/এমএস/

সম্পর্কিত

অস্থিতিশীল আফগানিস্তান নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি: বাংলাদেশ

অস্থিতিশীল আফগানিস্তান নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি: বাংলাদেশ

প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বিশ্বব্যাংক: পররাষ্ট্র সচিব

প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বিশ্বব্যাংক: পররাষ্ট্র সচিব

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের

জাতিসংঘে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বাংলাদেশের রেজুলেশন গৃহীত

জাতিসংঘে দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বাংলাদেশের রেজুলেশন গৃহীত

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:২৯

স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে কিনা, শ্রেণি পাঠদান ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, তা যাচাইয়ে কাউকে না জানিয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

গত সাত দিনে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কত জানতে চাইলে  শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কত শতাংশ শিক্ষার্থী আসছে, আমরা তথ্য পাচ্ছি। আমরা শিগগিরই (দুই-একদিনের মধ্যে) সঠিত তথ্য তুলে ধরে ব্রিফ করবো। সেই সংখ্যার দিকে এখন আমি যাচ্ছি না।’

পরিদর্শন করা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মাস্ক পরেছে, তারা সবাই বলেছে— হাত সেনিটাইজড করেছে। পরিষ্কারের কাজ সব সময় চলতে থাকবে। এক দিনেই সবটা আশা করতে পারি, তা নয়। তবে সবার চেষ্টা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কেউ কেউ খুব ভালো করছেন। কেউ কেউ কোনোদিনই আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেননি, তারাও এখন পরিষ্কার-পচ্ছিন্ন করছেন। অনাভ্যাসের কারণে আমাদের প্রত্যাশার স্তরের হয়তো অনেকে পৌঁছাতে পারছেন না।  তবে এই অভ্যাসগুলো সমাজে বিস্তৃত করতে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে জানিয়ে এসেছি। অনেক জায়গায় না জানিয়ে চলে যাবো। গ্রামাঞ্চলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অনেক ভালো।’

/এসএমএ/এপিএইচ/  

সম্পর্কিত

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫২

হয়রানি-চাঁদাবজি, ট্রাকচালক লিটন হত্যার বিচার, ড্রাইভিং লাইসেন্সে জটিলতা, বর্ধিত আয়কর; নানা সমস্যার বেড়াজালে আটকে আছেন বাংলাদেশের ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লরি, প্রাইম মুভার মালিক ও শ্রমিকরা। দাবি আদায়ে ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছেন তারা। কর্মসূচি পালনে তাদের মধ্যে খানিকটা বিভাজন থাকলেও ধর্মঘটের কথা জানে না সরকার।

একেক সংগঠনের নামে ভিন্ন ভিন্ন জোট বেঁধে মালিক-শ্রমিকরা কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছেন। কেউ ৭২ ঘণ্টার, কেউ ডেকেছেন ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট। কর্মসূচি পালনে সবাই মাঠে নামলেও এক ছাদের তলায় নেই তারা। বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে এ তথ্য।

সূত্র জানিয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা থেকে ১০ দফা দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, ট্যাংকলরি, প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। আট বিভাগে মানববন্ধন কর্মসূচির পাশাপাশি ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করেছে তারা।

২৫ আগস্ট সংগঠনের আহবায়ক রুস্তম আলী খান, সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত ১০ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে জমা দিয়েছে।

অপরদিকে ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে সারাদেশে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে পোস্টার লিফলেট বিতরণ করছে তারা। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের কদমতলীর ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ওয়াজি উল্লাহ জানান, ‘১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে আমাদের ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হবে ২১ সেপ্টেম্বর। দেশের পণ্য পরিবহনের শতকরা ৮৫ ভাগ সড়কপথে হয়। করোনা মহামারিসহ যে কোনও দুর্যোগে আমরা সারাদেশে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক রাখি। কিন্তু আজ এই খাতের মালিক-শ্রমিকরা চরম অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।’

তিনি জানান, ‘ঘুষসহ সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া যত্রতত্র গাড়ির কাগজপত্র চেক করা যাবে না। এ ছাড়া যেসব চালক ভারী মোটরযান চালাচ্ছেন তাদেরকে সহজ শর্তে এবং সরকারি ফি-এর বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। মোটরযান মালিকদের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বাতিল করতে হবে। আদায় করা বর্ধিত করও ফেরত দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সড়ক-মহাসড়কে শ্রমিকদের বিশ্রামের জায়গা নেই। আমাদের আরেকটি দাবি হলো শ্রমিকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করা।’

বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরি, প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক রুস্তম আলী খান জানিয়েছেন, ‘গত আগস্টে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। সেই অনুযায়ী ৮টি বিভাগে ১০ দফা দাবির সমর্থনে কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির কর্মসূচি দেওয়া আছে। আরেকটি সংগঠন আগেই ৭২ ঘণ্টার কর্মবিরতির ঘোষণা করেছে। ওদের কর্মসূচির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।’

তিনি আরও জানান, ‘আমাদের সংগঠনের ১০ দফা দাবি সম্পর্কে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় অবগত। সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্র বা সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ডাকলে আমরা আলোচনায় বসবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে রুস্তম আলী জানান, ‘এখন পর্যন্ত সরকার থেকে আলোচনার প্রস্তাব আসেনি। তবে হাতে সময় আছে। আমরা অপেক্ষায় রয়েছি। ১০ দফা বাস্তবায়ন না হলে জেলার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দুজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে কোনও মন্ত্রণালয়ই অবগত নয়।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০০

জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডব্লিউটিও। ৬টি আঞ্চলিক সংগঠনের সমন্বয়ে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যার মধ্যে কমিশন ফর সাউথ এশিয়া (সিএসএ) অন্যতম। ১৪ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় (সিএসএ) ২০২১-২০২৩ মেয়াদে ভাইস চেয়ার নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। এতে পর্যটন খাতে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। পাশাপাশি দেশকে আরও বেশি করে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

এ অর্জনে কী কী সুফল আসবে জানতে চাইলে জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যটনে আমাদের নেতৃত্ব দেওয়া এবং ভূমিকা রাখার জায়গা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের পযর্টনকে আরও পরিচিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার জায়গায় বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে পারবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নেও ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় ভাইস চেয়ার হওয়ার ফলে আমরা এখন যে কোনও অনুষ্ঠান বাংলাদেশে করার প্রস্তাব করতে পারবো। এখন বিভিন্ন দেশের পর্যটনের শীর্ষ ব্যক্তিরা আসবেন এখানে। তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানবেন। এর সুফল আমরা পাবো।’

এর আগে ২০১৯-২০২১ মেয়াদে কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার ভাইস চেয়ার ছিল ভারত ও শ্রীলঙ্কা। তারাও এর সুফল পেয়েছে। তাই দেশের পর্যটন ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে কাজ করার কথা বললেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

তিনি বলেন, ইউএনডব্লিউটিও ছাড়াও প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনে (পাটা) বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। ইউনিসেফের ভ্যাকসিন কর্মসূচি কোভ্যাক্স-এ পাটার ভূমিকা আছে। পাটার সঙ্গে ইউনিসেফের সম্পৃক্ততা আছে। পাটার সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউনিসেফের সঙ্গে আমরা মিটিংও করেছি। তাদের অনুরোধ জানিয়েছিলাম, বিশেষ বিবেচনায় কোভ্যাক্সের আওতায় টিকা দেওয়ার জন্য। এর সুফল কিন্তু এখন আমরা পাচ্ছি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

প্রায় ৩০ মাস আটক থাকার পর ফিরে আসে ১৬৮ বাঙালির প্রথম দল। এইদিন পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বদেশের মাটিতে পৌঁছান তারা। সন্ধ্যায় তেজগাঁও বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষ তাদের প্রীতি ও ভালোবাসা ঢেলে মাতৃভূমিতে স্বাগত জানায়।

৬টা ৪০ মিনিটে বহু উৎকণ্ঠা ও প্রতীক্ষার পর আফগান এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ঢাকার মাটি স্পর্শ করে। সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টি হয় এক মর্মস্পর্শী দৃশ্যের। তেজগাঁও বিমানবন্দরে সমবেত জনতা মুহূর্তে চঞ্চল হয়ে ওঠে। কতজন আসতে পারলো, কেউ তখনও কিছু বলতে পারে না। সব নিয়মকানুন ভেঙে ছুটে যেতে চায় উড়োজাহাজের কাছে। টার্মিনাল ভবনে হাজারো জনতা খুঁজে বেড়ায় প্রিয়জনকে।

অবশেষে পরিবারগুলো নেমে আসতে থাকে উড়োজাহাজ থেকে। তাদের মাঝে একজন মেজর ও তিনজন ক্যাপ্টেনও ছিলেন। সবার চোখেমুখে আনন্দ বেদনার অনুভূতি।

সেবছর ২৮ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি সম্পাদনের পর তারাই প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ জাতিসংঘের ভাড়া করা উড়োজাহাজে পৌঁছাতে পারলেন। আবার একই উড়োজাহাজে এখান থেকে ১২৬ জন পাকিস্তানের নাগরিক তাদের দেশে ফিরে গেছে। চুক্তি পরবর্তীতে রেডক্রস আন্তর্জাতিক এ বিনিময় দায়িত্ব গ্রহণ করে।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

জরুরি অবস্থা বিল প্রত্যাহার চান অলি আহাদ

বাংলা জাতীয় লীগের সাধারণ সম্পাদক অলি আহাদ এইদিন এক বিবৃতিতে জাতীয় সংসদের সেসময়ের অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনীতে জরুরি ঘোষণা বৃদ্ধির সঙ্গে নিবর্তনমূলক আইন বিধি সংশোধন করা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই আইন প্রণয়ন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে ২৪ সেপ্টেম্বর বায়তুল মোকাররমে গণজমায়েত আহ্বানও করেন তিনি। এদিকে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক বিবৃতিতে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার জন্য রাষ্ট্রপতিকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে বিল পেশ করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

দ্য অবজারভার, ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চতুর্থ দিন

প্রিন্টিং প্রেস এন্ড পাবলিকেশন এন্ড রেজিস্ট্রেশন ১৯৭৩ সংশোধনসহ বেশ কয়েকটি বিল গৃহীত হয়। ১৯৭৩ সালের এদিন সন্ধ্যা সাতটায় সংসদ অধিবেশন শুরু হলে নৌপরিবহন ও বিমান চলাচল দফতরের মন্ত্রী জেনারেল এম এ জি ওসমানী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে বিল উত্থাপন করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মালেক উকিল এ সময় সংসদ কক্ষে ছিলেন না। আব্দুল সত্তার, মইনুদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ কামরুল ইসলাম উদ্দিন ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিষয়টি প্রচার করার আহ্বান জানান।

প্রেস এন্ড পাবলিকেশন বিল সম্পর্কে স্বতন্ত্র ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা বিলের উদ্দেশ্য নয়। তবে বন্ধুরাষ্ট্রের বিরোধিতাকারী এবং শালীনতা ও নৈতিকতা বর্জিত বিষয় ছাপার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেওয়া যায় না। এ প্রসঙ্গে তিনি সংবিধানের ৩৯ (২) ধারা উল্লেখ করে বলেন, এ ধারায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রশ্নে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, শৃঙ্খলা স্বাধীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংগঠনের প্রয়োজন সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষের কথাগুলো লেখা আছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

ভারতীয় গণমাধ্যমে দিল্লিতে বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনের খবর

ভারতীয় গণমাধ্যমে দিল্লিতে বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনের খবর

ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে আগরতলায় আলোচনা সভা

শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে আগরতলায় আলোচনা সভা

দিল্লি-কলম্বোতে শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালিত

দিল্লি-কলম্বোতে শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালিত

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত-চীন-রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোমেন

ভারত-চীন-রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোমেন

মুক্তিযুদ্ধের সব দলিল অবমুক্ত করবে ভারত

মুক্তিযুদ্ধের সব দলিল অবমুক্ত করবে ভারত

ভারত থেকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়লো, সঙ্গে আরও কড়াকড়ি

ভারত থেকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়লো, সঙ্গে আরও কড়াকড়ি

সর্বশেষ

বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ

বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক উদ্বাস্তু নীতি সমর্থন করে জাতিসংঘ

মোদিবিরোধী বিক্ষোভ : ছাত্র ও যুব অধিকারের ২০ নেতাকর্মীর জামিন

মোদিবিরোধী বিক্ষোভ : ছাত্র ও যুব অধিকারের ২০ নেতাকর্মীর জামিন

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ভারতফেরত বাংলাদেশির মৃত্যু

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ভারতফেরত বাংলাদেশির মৃত্যু

হিলির ২১ মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ

হিলির ২১ মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ

বাঁশপাতার ভেতরে ভেসে যাবার প্রাক্কালে

বাঁশপাতার ভেতরে ভেসে যাবার প্রাক্কালে

© 2021 Bangla Tribune