X
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ৯ আষাঢ় ১৪২৮

সেকশনস

৩৫০ রুপির ওষুধে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসা!

আপডেট : ০৭ জুন ২০২১, ২২:০৯

করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ওষুধ খরচ ৩৫ হাজার থেকে মাত্র ৩৫০ রুপিতে নামিয়ে এনেছেন ভারতের এক নাক, কান ও গলার চিকিৎসক। মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রধান ওষুধ লিপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন ইনজেকশনের দাম অনেক বেশি হলেও একই ওষুধের প্রচলিত ধরন ব্যবহারে খরচ ১০০ গুণ কম। তবে এটি খুব সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। প্রতিদিন রক্তের একটি পরীক্ষা করে দেখতে হয় কিডনিতে ওষুধের কোনও বিষক্রিয়া তৈরি হচ্ছে কিনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এখবর জানিয়েছ।

চিকিৎসকরা বলছেন, উভয় ধরনের অ্যাম্ফোটেরিসিনের কার্যকারিতা সমান। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রচলিত ধরনের ওষুধটি উল্লেখযোগ্য কো-মরবিডিটিজ আছে এমন রোগীদের দেওয়া যাবে না। এসব দীর্ঘমেয়াদি রোগের মধ্যে রয়েছে রেনাল ফেইলার ও ডায়বেটিক কেটোসিডোসিস। বাকিদের ক্ষেত্রে প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন কার্যকরভাবে মিউকোরমাইকোসিসের বিস্তার ঠেকাতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসককে কঠোরভাবে রক্তের ক্রিয়েটাইনিনের মাত্রা পর্যালোচনা এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পরিষ্কার করতে হবে।

পুনের বিজে মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড সাসুন জেনারেল হসপিটালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান সামির জোশি বলেন, কোনও সন্দেহ নাই লিপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন প্রচলিত ওষুধের চেয়ে নিরাপদ। সবাই নিরাপদটাই চাইবেন। কিন্তু ওষুধটির দুটি ধরনের কার্যকারিতায় কোনও পার্থক্য নেই।

করোনার পর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়া ২০১ জনের চিকিৎসা করা জোশি বলেন, নজরদারির আওতায় প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন ওষুধ এবং সতর্কভাবে পরিকল্পিত ক্ষত পরিষ্কারের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এসব রোগীদের ৮৫ শতাংশের বেশি সুস্থ হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ফলোআপে এই সাফল্যের হার আরও বাড়বে।

তিনি জানান, করোনা মহামারির আগে প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন ব্যবহার করে ৬৫ জন রোগীর চিকিৎসা করেছেন। এদের মধ্যে ৬৩ জন সুস্থ হয়েছেন।

২১ দিনের কোর্সে যদি ক্রিয়েটাইনিনের মাত্রা যদি বেড়ে যায় তাহলে দুই থেকে তিনটি ছোট বিরতি নিয়ে এটি ব্যবহার করা যায়। এতে শরীর স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ পায়। ক্রিয়েটাইনিন দেহের একটি বর্জ্য যা কিডনি হয়ে বেরিয়ে আসে।

সামির জোশি বলেন, প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন ব্যবহারে কিডনির ক্ষতি হয় এমন অযৌক্তিক উদ্বেগের কারণে লিপোসোমাল ধরনের দাম আকাশ ছোঁয়া। আমাদের এই ভয় দূর করতে হবে।

আরেক নাক, কান ও গলার সার্জন সন্দিপ কর্মকার বলেন, আক্রান্ত টিস্যুর ক্ষত পরিষ্কার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব স্থান পরিষ্কার করার পরই কেবল ওষুধ কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

/এএ/

সম্পর্কিত

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯টি দেশে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯টি দেশে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট

উদ্বাস্তুদের জন্য ‘বঙ্গভূমি’ রাজ্যের দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক

উদ্বাস্তুদের জন্য ‘বঙ্গভূমি’ রাজ্যের দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

করোনা প্রতিরোধে ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকায় আশাবাদী ভারত

করোনা প্রতিরোধে ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকায় আশাবাদী ভারত

৭ দিন পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে পাথর এলো

৭ দিন পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে পাথর এলো

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

আফগানিস্তান থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার নিয়ে যা বললো পেন্টাগন

আফগানিস্তান থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার নিয়ে যা বললো পেন্টাগন

সর্বশেষ

এনআইডি সেবা চেয়ার-টেবিল নয় যে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম: সিইসি

এনআইডি সেবা চেয়ার-টেবিল নয় যে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম: সিইসি

অমিকে আরও দুই মামলায় গ্রেফতারের আবেদন মঞ্জুর

অমিকে আরও দুই মামলায় গ্রেফতারের আবেদন মঞ্জুর

এই দেশে সন্ত্রাসীদের কোনও স্থান নেই: নওফেল

এই দেশে সন্ত্রাসীদের কোনও স্থান নেই: নওফেল

সমালোচক হয়েও বোর্ডের দায়িত্বে ড্যারেন স্যামি!

সমালোচক হয়েও বোর্ডের দায়িত্বে ড্যারেন স্যামি!

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৯ জুন

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৯ জুন

ভ্যাকসিন কিনতে ৯৪ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

ভ্যাকসিন কিনতে ৯৪ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

সৃজিতের ছবিতে তাপসী পান্নু

সৃজিতের ছবিতে তাপসী পান্নু

হিলিতে ফের বাড়লো পেঁয়াজের দাম

হিলিতে ফের বাড়লো পেঁয়াজের দাম

কিশোরের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করলো পুলিশ

কিশোরের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করলো পুলিশ

ফেঁসে যাচ্ছেন পরীমণি?

ফেঁসে যাচ্ছেন পরীমণি?

শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে গেলো সাকিবের মোহামেডান

শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে গেলো সাকিবের মোহামেডান

যশোরে আরও ৮ মৃত্যু, বেড়েছে লকডাউনের মেয়াদ

যশোরে আরও ৮ মৃত্যু, বেড়েছে লকডাউনের মেয়াদ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯টি দেশে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯টি দেশে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট

উদ্বাস্তুদের জন্য ‘বঙ্গভূমি’ রাজ্যের দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক

উদ্বাস্তুদের জন্য ‘বঙ্গভূমি’ রাজ্যের দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

করোনা প্রতিরোধে ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকায় আশাবাদী ভারত

করোনা প্রতিরোধে ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকায় আশাবাদী ভারত

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

© 2021 Bangla Tribune