X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

কিছু দেশ পুরো দুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করবে, সেই যুগ শেষ: চীন

আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, ২০:১১

কিছু দেশের একটি ‘ছোট’ গোষ্ঠী পুরো দুনিয়ার ভাগ্য নির্ধারণ করবে, সেই যুগ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ নেতাদের প্রতি এমন সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করেছে চীন।

যুক্তরাজ্যে চলমান শীর্ষ সম্মেলনে যখন জি-৭ গোষ্ঠীর নেতারা চীনকে মোকাবিলা করতে একটি অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, ঠিক সেই সময়ে এমন সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করলেন লন্ডনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র।

চীনের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রভাব মোকাবিলা করতে জি-৭ গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের এক পরিকল্পনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে চীনের পুনরুত্থান ঠেকাতে হলে পশ্চিমা শক্তিগুলোকে এখনই সক্রিয় হতে হবে।

রবিবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী ঘোষণা প্রকাশের কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও বেশি অর্থনৈতিক সহায়তা এবং উন্নয়নশীল বিশ্বে অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে আরও অর্থায়নের কথা থাকবে। একে বলা হচ্ছে চীনা কর্মসূচির বিকল্প।

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘বিল্ড ব্যাক বেটার ওয়ার্ল্ড’ নামে এমন এক পরিকল্পনার সূচনা করছে; যা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির চাইতে উচ্চতর মানের হবে।

দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বিনিয়োগ কর্মসূচিতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে চীন। এর আওতায় নানা রকম অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, চীনের এই কর্মসূচি দরিদ্রতর দেশগুলোর ওপর ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে, যা তারা শোধ করতে পারছে না। এখন ক্ষমতাধর পশ্চিমা দেশগুলোর জোট জি-৭ এরই পাল্টা এক কর্মসূচি হাজির করতে চাইছে।

লন্ডনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, একটা সময় ছিল যখন কয়েকটি দেশের ছোট্ট একটি গোষ্ঠী বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়ন্ত্রণ করতো, কিন্তু সেই যুগ শেষ হয়ে গেছে। আমরা সব সময়ই বিশ্বাস করি, ছোট বা বড়, শক্তিধর বা দুর্বল, ধনী বা দরিদ্র যাই হোক- সব দেশই সমান। আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো সব দেশের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমেই পরিচালিত হওয়া উচিত।

শনিবার এক বিবৃতিতে জি-সেভেন দেশগুলো বলেছে, তাদের অবকাঠামো পরিকল্পনা হবে ‘মূল্যবোধসম্পন্ন, উচ্চমানের ও স্বচ্ছ’ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে।

কীভাবে এর অর্থায়ন হবে তা এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে। বিবিসির রাজনৈতিক সংবাদদাতা রব ওয়াটসন জানান, প্রেসিডেন্ট বাইডেন করোনাভাইরাস মহামারি পরবর্তী বিশ্বকে গণতন্ত্র ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম হিসেবে চিত্রিত করতে চাইছেন। তবে চীনকে অংশীদার, প্রতিদ্বন্দ্বী নাকি একটি নিরাপত্তা হুমকি- ঠিক কীভাবে দেখা হবে, তা নিয়ে জি-৭ গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত কোনও ঐকমত্য নেই।

বিশ্বে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামো তৈরিতে ব্যাপক বিনিয়োগের যে কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলছেন; সে ব্যাপারে গতকালই জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেছেন, জি-৭ এই তহবিল ছাড় করার মতো অবস্থায় আসেনি।

কয়েক দিন আগে চীনকে মোকাবিলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ২৫ হাজার কোটি ডলার খরচ করবে; এমন এক পরিকল্পনার কথা জানার পর বেইজিং অভিযোগ করে যে ওয়াশিংটন সন্দেহবাতিকগ্রস্ত বিভ্রমে ভুগছে।

মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত এই বিলটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং সেমিকন্ডাকটরের মতো ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য অর্থসংস্থান করবে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বেইজিংকে একটি হুমকি হিসেবে দেখা বন্ধ করা।

চীন ইতোমধ্যে নিজস্ব এমন কিছু প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা তাদের মতে দেশটিকে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সুবিধা করে দেবে। সূত্র: বিবিসি।

/এমপি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

করোনা টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে গবেষণায় সুখবর

করোনা টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে গবেষণায় সুখবর

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৪:৪৫
image

করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগের কারণে এই মুহূর্তে বিদ্যমান কোনও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার হোয়াইট হাউজ এই খবর নিশ্চিত করেছে। গত শুক্রবার এই হোয়াইট হাউজে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো ২০২০ সালে বহাল করা নিষেধাজ্ঞা খুব স্বল্প মেয়াদে প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের সবচেয়ে দ্রুততম ও শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট হলো ডেল্টা। বিশ্ব মহামারি পরিস্থিতি উল্টে দিয়েছে এটি। এমন সময় ভ্যারিয়েন্টটি শক্তিশালী হচ্ছে যখন বিভিন্ন দেশে অর্থনীতি চালু করতে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষ দশ জন ভাইরোলজিস্ট ও এপিডেমিওলজিস্ট বলছেন, করোনার টিকা না নেওয়া মানুষেরাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো মানুষকে অসুস্থ করা নয়, বরং এটি সহজে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। এর ফলে টিকা না নেওয়া মানুষদের মধ্যে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।

সোমবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন পিসাকি বলেন, ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে আজ আমরা যেখানে আছি... আমরা বিদ্যমান ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখছি।’ তিনি বলেন, ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে আমাদের এখানে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, বিশেষ করে টিকা না নেওয়া মানুষেরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে আর আশঙ্কা করা হচ্ছে সামনের সপ্তাহগুলোতে আক্রান্ত হওয়া অব্যাহত থাকবে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

চলতি বছরে আফগানিস্তানে রেকর্ড সংখ্যক হতাহত: জাতিসংঘ

চলতি বছরে আফগানিস্তানে রেকর্ড সংখ্যক হতাহত: জাতিসংঘ

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:৪৭
image

অভিবাসীদের বহনকারী আরও একটি নৌকা লিবিয়া উপকূলে ডুবে গেছে। জাতিসংঘের এক অভিবাসন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় অন্তত ৫৭ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসেলি জানিয়েছেন, রবিবার উপকূলীয় খুমস শহর থেকে নৌকাটি রওনা দেয়। এতে অন্তত ৭৫ আরোহী ছিলেন। মাসেলি জানান, সোমবার ১৮ জনকে উদ্ধার করে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বেঁচে যাওয়া আরোহীরা নাইজেরিয়া, ঘানা এবং গাম্বিয়ার নাগরিক। তারা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নৌকাটি বন্ধ হয়ে যায়। আর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তখন ডুবে যায়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসেলি এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘জেলে এবং কোস্ট গার্ড সদস্যরা যাদের উপকূলে ফিরিয়ে এনেছেন তারা জানিয়েছেন, তলিয়ে যাওয়াদের মধ্যে অন্তত ২০ জন নারী এবং দুই শিশু রয়েছেন।’

ইউরোপে উন্নত জীবনের সন্ধানে যেতে চাওয়া অভিবাসী ও শরণার্থী বোঝাই নৌকা ডুবির সর্বশেষ ঘটনা এটি। গত সপ্তাহে লিবীয় উপকূলে ভূমধ্যসাগরে আরেকটি নৌকা ডুবিতে প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া পাঁচশ’ জনকে আটক করে লিবিয়ায় ফেরত নেওয়া হয়।

গত কয়েক মাসে লিবিয়া থেকে ইউরোপে পাড়ি জমানোর ঘটনা বেড়েছে। এই বছরের প্রথম অর্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থনে লিবিয়ার কোস্ট গার্ড প্রায় ১৫প হাজার শরণার্থী, আশ্রয় প্রার্থী এবং অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:০৬
image

এই বছরের শেষ নাগাদ যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যদিও এই সময়ের পর ইরাকের সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ এবং উপদেশ দেওয়া চালিয়ে যাবে মার্কিন সেনাবাহিনী। হোয়াইট হাউজে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-খাদিমির সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-এর অবশিষ্টাংশ মোকাবিলায় স্থানীয় বাহিনীকে সহায়তা দিতে বর্তমানে ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। যুদ্ধরত সেনা তুলে নেওয়া হলেও ইরাকে প্রায় একই সংখ্যক মার্কিন সেনাই থেকে যাবে। তবে যুদ্ধরত সেনা সরিয়ে নেওয়াকে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত বছর ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং    ইরান সমর্থিত একটি শিয়া গোষ্ঠীর নেতাকে হত্যার পর থেকে ইরাকে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানী বাগদাদে এক ড্রোন হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এই ঘটনার পর ইরান সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহারের দাবি তোলে।

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার মাধ্যমে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের শুরু করা আরেকটি যুদ্ধের অবসান ঘটালেন জো বাইডেন। এই বছর তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউজে আলোচনার সময় বাইডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘আমরা এই নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করলেও আমাদের সন্ত্রাস দমন সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’ জবাবে আল খাদিমি বলেন, ‘আজ আমাদের সম্পর্ক যেকোনও সময়ের চেয়ে জোরালো। আমাদের সহযোগিতা অর্থনীতি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং আরও বহু কিছুতে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরাকে কোনও যুদ্ধরত বিদেশি সেনার প্রয়োজন নেই।

২০০৩ সালে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেনকে উৎখাত এবং তার ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংসের অজুহাতে ইরাকে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি বাহিনী। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ‘স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরাকের’ প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশটি নিমজ্জিত হয় রক্তক্ষয়ী সাম্প্রদায়িক বিভাজনে।

২০১১ সালে যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে যায়। তবে ইরাক সরকারের অনুরোধে তিন বছর পরে আবারও দেশটিতে প্রবেশ করে তারা। ওই সময়ে দেশটির একটি বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ শুরু করে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট। ২০১৭ সালে আইএস-এর পতন ঘটলেও গোষ্ঠীটির অবশিষ্টাংশ নির্মূলে দেশটিতে থেকে যায় মার্কিন বাহিনী।

/জেজে/

সম্পর্কিত

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের নির্মিত ড্রোন দিয়ে জর্ডানে হামলা

ইরানের নির্মিত ড্রোন দিয়ে জর্ডানে হামলা

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০২:১৭
image

বিরোধী দলীয় নেতা আলেক্সাই নাভালনি এবং তার বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির মালিকানাধীন ওয়েবসাইট ব্লক করে দিয়েছে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ। সোমবার কারাবন্দী এই নেতার টিমের পক্ষ থেকে এই খবর জানানো হয়েছে।  পার্লামেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে দেশটিতে বিরোধী দলের সমর্থক, স্বাধীন সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে চাপ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচন। ২০২৪ সালে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এই পার্লামেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা সংহত করতে চান প্রেসিডেন্ট ভ্রাদিমির পুতিন। দুই দশকেরও বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা পুতিন গত বছর সংবিধান সংশোধন করে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সুযোগ তৈরি করেছেন।

সোমবার থেকে বিরোধী দলীয় নেতা নাভালনির ওয়েবসাইট এবং তার শীর্ষ কৌশলবিদ লিওনিদ ভলকভ এবং দীর্ঘদিনের মিত্র লিওবভ সোবোলের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। নাভালনির ফাউন্ডেশন ফর ফাইটিং করাপশন এবং ৪০টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। এছাড়া নাভালনিকে সমর্থনকারী চিকিৎসক জোটের সাইটেও প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, রাশিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়ের নির্দেশে এসব ওয়েবসাইট ব্লক করা হয়েছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

‘অপ্রতিরোধ্য হামলা’ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

‘অপ্রতিরোধ্য হামলা’ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

১ মাস ‘ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন’ থাকার পরীক্ষা চালালো রাশিয়া

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

ঘুষখোর পুলিশ কর্মকর্তার অট্টালিকায় সোনার টয়লেট

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০০:০৪

সীমান্ত বিরোধের জেরে ভারতের আসাম ও মিজোরামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ৬ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। ছয়জনই আসামের নিরাপত্তা সদস্য। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রের সহায়তা কামনা করেছেন তারা।

সোমবার আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, তার রাজ্যের ৬ পুলিশ সদস্য সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। ‘আসামের ৬ পুলিশ সদস্য মিজোরাম সীমান্তে নিহতে দুঃখ পেয়েছি। পুলিশ জওয়ানরা তাদের সাংবিধানিক সীমানা রক্ষার জন্য জীবন দিয়েছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি’।

অন্যদিকে এ ঘটনায় শোক ও নিন্দা জানিয়েছেন মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালচামলিয়ানা। পুরো ঘটনায় তিনি প্রতিবেশী রাজ্য সরকারকে দায়ী করে বলেন, আসাম সরকারের অযৌক্তিক আচরণের বিরুদ্ধে নিন্দা জানাচ্ছে তার রাজ্য সরকার। মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গাও সমালোচনা করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিভি জানিয়েছে, সম্প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক হয় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের। সেখানে নানা বিষয় নিয়ে অমতি শাহের সঙ্গে তাদের আলাপ হয়। এরপরই স্থানীয় সময় সোমবার মিজোরাম এবং আসামের সীমান্ত এলাকায় বিবাদে জড়ান দুই রাজ্যের মানুষ। আসামের চাচর জেলা ও মিজোরামের কোলাসিব জেলার স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বাড়তি নিরাপত্তা সদস্য। কিন্তু তাতেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সেখানে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৬ পুলিশ সদস্য প্রাণ হারান। তবে সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ নিয়ে দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। হতাহতের ঘটনায় একে অপরকে দায়ী করে অমিত শাহকে ট্যাগ করছেন তারা। এমনকি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান।

মিজোরামের আইজল, কোলাসিব ও মামিতে জেলার সঙ্গে আসামের চাচর, হাইলাকান্দি ও করিমগঞ্জ জেলার ১৬৪ কিলোমিটারের বেশি সীমান্ত রয়েছে। সীমান্ত এলাকা নিয়েই দুই রাজ্যের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে দীর্ঘদিনের।

/এলকে/

সম্পর্কিত

পাকিস্তান বর্ডার ক্রসিং নিয়ে তালেবান ও আফগান সরকারের পাল্টাপাল্টি দাবি

পাকিস্তান বর্ডার ক্রসিং নিয়ে তালেবান ও আফগান সরকারের পাল্টাপাল্টি দাবি

ভারত-চীনের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা নেই: জয়শঙ্কর

ভারত-চীনের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা নেই: জয়শঙ্কর

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সম্মত হয়েছে আদিবাসী মুসলিমরা: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সম্মত হয়েছে আদিবাসী মুসলিমরা: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

সর্বশেষ

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

বগুড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

বগুড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

মধ্যনগরকে উপজেলা ঘোষণা করায় মিষ্টি বিতরণ

মধ্যনগরকে উপজেলা ঘোষণা করায় মিষ্টি বিতরণ

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সিলিন্ডারের দাম নিয়ে বাগবিতণ্ডায় দোকানে আগুন, যুবকের মৃত্যু

সিলিন্ডারের দাম নিয়ে বাগবিতণ্ডায় দোকানে আগুন, যুবকের মৃত্যু

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

১৬০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে টিকটকার তরুণীর মৃত্যু

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

করোনা টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে গবেষণায় সুখবর

করোনা টিকার মিশ্র ডোজ নিয়ে গবেষণায় সুখবর

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে দুই রাজনৈতিক কর্মী নিহত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে দুই রাজনৈতিক কর্মী নিহত

বিমান হামলায় ২৬২ তালেবান যোদ্ধাকে হত্যার দাবি আফগানিস্তানের

বিমান হামলায় ২৬২ তালেবান যোদ্ধাকে হত্যার দাবি আফগানিস্তানের

ইরাকের মাটিতে মার্কিন সেনার প্রয়োজন নেই: প্রধানমন্ত্রী আল-খাদিমি

ইরাকের মাটিতে মার্কিন সেনার প্রয়োজন নেই: প্রধানমন্ত্রী আল-খাদিমি

চীনে আগুনে পুড়ে ১৪ জনের মৃত্যু

চীনে আগুনে পুড়ে ১৪ জনের মৃত্যু

১৫৫ কিলোমিটার বেগে চীনে আঘাত হানছে টাইফুন 'ইন-ফা'

১৫৫ কিলোমিটার বেগে চীনে আঘাত হানছে টাইফুন 'ইন-ফা'

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

© 2021 Bangla Tribune