X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ভারতে তুমুল জনপ্রিয় বাংলাদেশি পটাটা বিস্কুট

আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, ২০:২৫

বাংলাদেশের প্রাণ ফুড কোম্পানির একটি বিস্কুট ভারতে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্ট এক প্রতিবেদনে এই বিস্কুটটি কীভাবে জনপ্রিয় হলো তা তুলে ধরেছে। ভারত জয় করা প্রাণের এই বিস্কুটটির নাম 'প্রাণ পটাটা স্পাইসি ফ্লেভার্ড বিস্কুট'।

প্রতিবেদনটিতে লেখক উল্লেখ করেছেন, প্রথমে তিনি একটি টুইট দেখেন বিস্কুটটি সম্পর্কে। এতে বলা হয়েছে, ‘এই বিস্কুট সত্যিকার অর্থে নেশার মতো’। কিছু দিন পর টুইটারের টাইমলাইনে বিস্কুটটি প্যাকেট দেখতে শুরু করেন। লকডাউনের মধ্যে বিস্কুটটি কীভাবে পাওয়া যাবে মানুষ কথা বলছেন টুইটার, ইন্সটাগ্রাম পোস্ট ও স্টোরিতে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলোতে মেড- ইন-বাংলাদেশ বিস্কুটটি নিয়ে আলোচনা।

প্যাকেটজাত পণ্যের তুমুল জনপ্রিয় হওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু কিছু পণ্য হয়ত স্মৃতিকাতরতার সঙ্গে নতুনত্বের মধুরত স্থান জয় করে। ম্যাগি নুডলস, কোকা-কোলা, আমুল বাটার বা হলদিরামের আলু ভুজিয়া এই কাজ করতে পেরেছিল। বাংলাদেশের কোম্পানি প্রাণের এই বিস্কুটটিও হয়ত সেই জায়গা খুঁজে পেয়েছে।

বিস্কুটটি সম্পর্কে প্রতিবেদনে লেখক প্রথমবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, প্যাকেটের ভেতর চিকন সারিতে গোল ও সোনালি চাকতির মতো বিস্কুটগুলো সুন্দর করে রাখা। এতে প্রচুর পরিমাণে আলুকে বিস্কুটে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এগুলো ওয়েফারের মতো পাতলা, ছোট এবং মুচমুচে। স্বাদের মিশ্রণ, প্রয়োজনীয় মিষ্টি-লবণ-টক-মসলার সমন্বয় এটিকে উপমহাদেশীয় স্বাদের আধারে পরিণত করেছে।

বিস্কুটটির প্রশংসাকারীদের একজন মুম্বাইভিত্তিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাহুল যাদব। তার মাধ্যমে অনেকের কাছেই টুইটার প্রোফাইলে বিস্কুটটি হাজির হয়। তিনি এটি সম্পর্কে বলেছেন, ‘এটি একেবারেই বহুমুখী স্বাদের। চিজ এবং মসলাদার আলুর তরকারি হিসেবেও এটিকে পরখ করেছি। এটি স্বাদে অনন্য।’

রাহুল জানালেন, ২০১৯ সালে রকি সিং ও ময়ুর শর্মার খাবারের অনুষ্ঠান হাইওয়ে অন মাই প্লেট-এর যৌথ টুইটার হ্যান্ডেলের মাধ্যমে বিস্কুটটি সম্পর্কে জানতে পারেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দশক আগে মূলত ভারতের উত্তর-পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গে প্রাণের পণ্য জনপ্রিয় হতে শুরু করে। বিশেষ করে তাদের রাস্ক বিস্কুট, প্যাকেটজাত ঝাল মুড়ি, ইন্সট্যান্ট নুডলস ও প্যাকেটজাত জুস। পটাটাই হলো প্রাণের প্রথম পণ্য যারা পুরো ভারতজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিস্কুটটি পাওয়া যাচ্ছে পশ্চিমের জয়পুর থেকে দক্ষিণের মাঙ্গালুরুতে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী জানান, আমাদের জন্য ভারত একটি বিশাল বাজার। আমরা ভারতের ৭০০ তালুকে পৌঁছাতে চাই। অনুপ্রেরণার জন্য আমরা করপোরেট ভারতের দিকে তাকাই। আমাদের লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক কোম্পানিতে পরিণত হওয়া। সীমান্ত অর্থহীন।

২০১৫ সালে ত্রিপুরার আগরতলাতে কোম্পানিটি প্রথম কারখানা স্থাপন করেছে।

পটাটা বিস্কুট সম্পর্কে আহসান খান বলেন, চীন ভ্রমণের সময় তাদের আলুর ওয়েফারের মতো বিস্কুট দেখে এটি তৈরির উৎসাহ পান। বাংলাদেশে ফিরে তিনি খাদ্য বিজ্ঞানীদের আলুর প্লেক্স, পেস্ট ও স্টার্চের সঙ্গে ফ্লেভার মিশিয়ে এটিকে ওয়েফারের মতো পাতলা কিন্তু খেতে মচমচে হবে এমন বিস্কুট তৈরি করতে বলেছিলেন।

/এএ/

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৬:২২

কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকার সময় অনেক অভিভাবকই চটজলদি শিশুর হাতে ধরিয়ে দেন স্মার্টফোন। এভাবেই শিশুরা আসক্ত হয়ে পড়ে ঝলমলে পর্দার প্রতি। কিন্তু চাইলে মোবাইল ফোন ছাড়াও ব্যস্ত রাখা যায় শিশুকে।

 

বাইরে যাওয়া

যতটা সম্ভব খোলামেলা ও নিরিবিলি পরিবেশ পেলে শিশুকে নিয়ে একটু বাইরে বের হতেই পারেন। আপাতত যেতে পারেন ছাদে। সেখানে সাইকেল চালানো, বাগান করা, খড়ি দিয়ে ছবি আঁকা, ছবি তোলা এমন অনেক কাজেই তাকে ব্যস্ত থাকতে দিন।

 

ঘরের কাজ

বয়স অনুযায়ী শিশুদের কিছু ঘরের কাজ ভাগ করে দিন। বয়স খুব কম হলে তাকে ছোট ছোট কাজগুলো করতে বলুন। যারা একটু বড় হয়েছে তাদের মাঝারি মাপের কাজগুলো দিন। যেমন বিছানা গোছানো, খাওয়া শেষে নিজের প্লেট ধোয়া ইত্যাদি। এতে শিশু শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকবে। ডিজিটাল জগতে বুঁদ হয়েও থাকবে না।

 

ক্রাফটিং

পেইন্টিং, কাগজ কেটে বোর্ডে লাগানো, ছবি কোলাজ করা, নিজের বেডরুমের দেয়ালে কাগজ দিয়ে নকশা করা, গলার মালা, কানের দুল থেকে শুরু করে নিজের মতো করে খেলনা বানানো এসব কাজে শিশুদের উৎসাহিত করুন। তখন তারা আপনাকে ব্যস্ত দেখলে আর মোবাইলের জন্য বায়না ধরবে না। নিজে থেকেই এটা ওটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে সৃজনীশক্তিও। এক্ষেত্রে নানা জিনিসপত্র দিয়ে একটি ক্রাফটিং বাকশো বানিয়ে দিন শিশুকে।

 

নতুন কিছু লেখা ও পড়া

পাঠ্যবই নয়, সিলেবাসের বাইরের কোনও বই থেকেই পড়তে দিন। পাশাপাশি তাদের এটা ওটা নিয়ে লিখতে বলুন। হতে পারে সেটা একটা চিঠি কিংবা প্রিয় খেলনাগুলো সম্পর্কে তার ভাবনা। এতে শিশুর বিনোদন জগতে যোগ হবে নতুন মাত্রা। সেইসঙ্গে বাড়বে লেখালেখির দক্ষতাও।

 

ধাঁধা

যেকারও জন্যই ধাঁধা একটি মজার খেলা। বাগ, ফ্লাশলাইট, ডুডল  কোয়েস্ট, ফায়ারফ্লাইসের মতো বোর্ডগেমগুলো খেলা যায় তাদের সঙ্গে। একাধিক শিশু থাকলে তাদের বলুন, একজন আরেকজনকে প্রশ্ন করে বোকা বানাতে পারে কিনা।

 

ছবির অ্যালবাম

এখন ছবি বলতে সবাই ডিজিটাল ছবিই বোঝে। তবে কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রিন্ট করে শিশুকেই বলুন, সে যেন তার নিজের মতো করে অ্যালবাম সাজায়। নিশ্চিত থাকুন, মোবাইলে বসে ইউটিউব দেখা বা গেইমস খেলার চেয়ে এ কাজেই সে বেশি আনন্দ পাবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩:৪৩

আজকাল শহুরে জীবনে ফিট থাকাটা কষ্টের বৈকি। বিশেষ করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা বিশাল এক ঝক্কির কাজ। তারওপর এখন ঘরের বাইরে হাঁটতে যাওয়াও বারণ। শুয়ে-বসে কাটালে ওজন তো বাড়বেই। তো এখন কী করা যায়?

অনেকেই মনে করেন ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পছন্দের খাবারগুলোকে দূরে রাখতে হবে। এটা ঠিক নয়। ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে সেটা নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব।

 

কী কী কারণে ওজন বাড়ে?

সঠিক সময়ে না খেলে: লকডাউনে ঘরে থেকেই সব কাজ করতে হয় বলে রুটিনে পরিবর্তন আসবেই। এতে ঠিক সময়ে খাওয়া হয় না অনেকের। বিশেষ করে সব বেলার খাবার খাওয়া হয় দেরিতে। এতে শরীর তার গ্রহণ করা ক্যালরি খরচের সুযোগ কম পায়। তখনই বাড়ে ওজন।

 

সারভিং সাইজ তথা পরিমাণ ঠিক না থাকা: প্রত্যেকের শরীরের গঠন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করা মানেই শরীর সেটা জমিয়ে রাখবে ও ওজন বাড়াবে।

 

অস্বাস্থ্যকর খাবার: লকডাউনে অলস সময় কাটালে একটু পর পর এটা ওটা খেতে মন চাইতে পারে। এক্ষেত্রে মাথায় আসে মুখরোচক সব ফাস্টফুডের কথা। আর এসব জাংক ফুড যেমন স্বাস্থ্যকর নয়, তেমনি ক্যালরিও থাকে বেশি বেশি। এগুলো ওজন দ্রুত বাড়ায়।

 

শারীরিক পরিশ্রম না করা: লকডাউনের আগে জিমে যাওয়া হতো, কিংবা কাজ শেষে পার্কে জগিং করতেন। এখন সেটা সম্ভব হচ্ছে না বলে ফিজিকাল অ্যাকটিভিটিও হচ্ছে না বেশিরভাগ মানুষের। অনেকে অফিসও করছেন বাসায়। এতে ঘরের ভেতরও টুকটাক হাঁটাহাঁটি হচ্ছে না। এর ফলে ওজন তো বাড়বেই, ঝুঁকিতে পড়বে আপনার হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যও।

 

সমাধান

পরিমিত শর্করা: শর্করা খেতেই হবে। তবে অতিমাত্রায় নয়। আবার ওজন কমাতে গিয়ে শর্করা একেবারে বন্ধ করলেও শরীর ভেঙে পড়বে। এক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে জটিল শর্করা। জটিল শর্করার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পূর্ণশস্য সম্বলিত খাদ্য যেমন লাল বা বাদামী চালের ভাত, গমের রুটি বা লাল আটার রুটি, লাল চিড়া, বাদাম, বীজ জাতীয় খাবার ইত্যাদি।

 

স্বাস্থ্যকর প্রোটিন: ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন হিসেবে অবশ্যই প্রাণিজ প্রোটিন রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়। যেমন ডিম, মাছ, মুরগি, লো ফ্যাট মিল্ক। গরুর মাংসের ক্ষেত্রে চর্বিহীন মাংস নিতে হবে। কারণ ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে লিন মিট। এ ছাড়া উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন বিভিন্ন ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি এসবের পাশাপাশি নিয়মিত বীজ জাতীয় খাবার গ্রহণের অভ্যাস করুন-যেমন কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তিল, চিয়া সিড ইত্যাদি। এসবও প্রোটিনের ভালো উৎস।

 

পর্যাপ্ত পানি: বেশি পানি পান করলে শরীরের শ্বসন প্রক্রিয়া ঠিক থাকে ও এর গতি বাড়ে। আর উচ্চ মেটাবলিক রেট সম্পন্ন একজন মানুষের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে সহজে।

 

মৌসুমি ফল ও শাকসবজি: ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য একজন ব্যক্তির কম ক্যালরি সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শাকসবজি ও ফল বেশ সহায়ক। বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাক এবং রঙিন সবজি ফাইবার সমৃদ্ধ ও একইসঙ্গে অল্প ক্যালরিযুক্ত। ওজন কমাতে সহায়ক সবুজ শাকসবজির মাঝে অন্যতম হচ্ছে ব্রকোলি, ফুলকপি, বিভিন্ন  শাক, টমেটো, বাঁধাকপি, লেটুস ও শসা। আবার লাউ, পটল, ঝিঙা, কাঁচা পেঁপেও ওজন কমায়। ফলের মধ্যে উপকারী হচ্ছে সাইট্রাসজাতীয় ফল- কমলা, মালটা, আনারস, জাম্বুরা, আমড়া ইত্যাদি।

 

ব্যায়াম: শুধু খাবারে দিয়ে কাজ হবে না। শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতেই হবে। লকডাউনে জিমে যাবার সুযোগ না পেলে ঘরেই চেষ্টা করবেন। সকালে ২০ মিনিট ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন। এ ছাড়া রাতের খাবার শেষে ২০ মিনিট ঘরেই হাঁটুন। অর্থাৎ সবমিলিয়ে প্রতিদিন ৪০-৫০ মিনিট অ্যাকটিভ থাকুন।

/এফএ/

সম্পর্কিত

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩:৩৭

আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধু দিবস। আর এ উপলক্ষে রবিবার (১ আগস্ট) যাবতীয় অনলাইন অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি দিচ্ছে যথাশিল্প। তাই বন্ধু দিবসে বাড়তি খরচ ছাড়াই বন্ধুকে পাঠাতে পারেন যথাশিল্পের টিশার্ট, নোটবুক অথবা শাড়ি। আছে নানান ডিজাইনের নকশি নোটবুক ও গামছা শাড়িও।

গ্রামবাংলার দৃশ্য ও ঐতিহ্যবাহী নকশা মাথায় রেখেই তৈরি হয় যথাশিল্পের পণ্য। পাওয়া যাবে বিভিন্ন সাইজেও।

পরিস্থিতি সাপেক্ষে যখাশিল্পের পণ্য সরাসরি কেনা যাবে আদাবরে অবস্থিত যথাশিল্প সেন্টারে (বাসা ৭১৬, সড়ক ১০, বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি)। তবে ওয়েবসাইটফেসবুক পেইজে অর্ডার করা যাবে সবসময়ই।

/এফএ/

সম্পর্কিত

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩:৩২

আবহাওয়া যেমনই হোক, প্রাকৃতিক উপকরণে তৈরি স্বাস্থ্যকর এক গ্লাস শরবত আপনাকে এনে দিতে পারে এক রাজ্যের প্রশান্তি। এ জন্য ঝটপট টুকে নিতে পারেন পাঁচটি মন জুড়ানো শরবতের রেসিপি

 

তেঁতুলের শরবত

যা যা লাগবে: তেঁতুল, চিনি, ধনিয়া পাতা কুচি, শুকনা মরিচের গুঁড়া, বিট লবণ, কাঁচামরিচ কুচি, ও পানি (ঠান্ডা বা স্বাভাবিক)

 

যেভাবে বানাবেন

  • প্রথমে বিচি আলাদা করে তেঁতুলটা একটি পাত্রে সামান্য পানিতে গুলে নিন।
  • গোলানো তেঁতুলে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানি মেশান।
  • পরিমাণমতো চিনি, টেলে নেওয়া শুকনো মরিচের গুঁড়া, কাঁচামরিচ কুচি ও ধনিয়া পাতা দিন। স্বাদমতো বিট লবণ দিন।
  • ভালো করে মিশিয়ে ১০ মিনিট রাখুন। এবার মিশ্রণটি অন্য একটি বাটিতে ছেঁকে নিন। হয়ে গেলো টক-ঝাল তেঁতুলের শরবত। পরিবেশন করতে পারেন বরফকুচি দিয়ে।

 

দুধের শরবত

যা যা লাগবে: আগেই দুধ এক লিটার জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এরপর লাগবে আধা কাপ চিনি, ১৫-২০টি কাজু বাদাম বাটা, ১৫টি পেস্তা বাদাম বাটা, ১৫টি কাঠবাদাম বাটা, এক চিমটি জাফরান (দুই টেবিলচামচ গোলাপ জলে ভিজিয়ে রাখা) ও পরিমাণমতো বরফ (২ কাপ)। পরিবেশনের জন্য সামান্য পেস্তা কুচি।  

 

যেভাবে বানাবেন : ঠান্ডা দুধের সঙ্গে চিনি, বরফ, বাদাম বাটা ও জাফরান মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। পরিবেশনের আগে পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন।

 

লেবু-পুদিনা শরবত

লেবু পুদিনা শরবত রেসিপি

যা যা লাগবে: মাঝারি আকারের দুটি লেবু, এক মুঠো পুদিনাপাতা, বড় এক কাপ পানি, বরফ কুচি পরিমাণমতো ও স্বাদমতো চিনি।

 

যেভাবে বানাবেন

  • প্রথমে লেবুর খোসা ফেলে টুকরো করে নিন।
  • পুদিনাপাতা কুচি করে কাটুন।
  • ব্লেন্ডারে লেবু, পুদিনা, চিনি ও পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন।
  • ছেঁকে নিয়ে গ্লাসে ঢেলে তাতে বরফকুচি দিন।

 

ডায়েট শসা শরবত

যা যা লাগবে : ২টি মাঝারি শসা। ২৫০ এমএল পানি, পরিমাণমতো চিনি, আদা এক টেবিলচামচ, একটি লেবু।

 

যেভাবে বানাবেন

  • শসা ধুয়ে কেটে নিন।
  • লেবুও খোসা ফেলে কাটুন।
  • ব্লেন্ডারে শসা, লেবু, আদা ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করুন।
  • ছেঁকে ফ্রিজের নরমালে রেখে দিন।
  • পরে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
  •  

আদা-লেবুর শরবত

যা যা লাগবে: লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, আদার রস ১ চা চামচ, পানি ১ গ্লাস, চিনি ২ টেবিল চামচ।

 

যেভাবে বানাবেন : সব উপকরণ একসঙ্গে মেশালেই শরবত হবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

চুলের জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৯

চুলের রুক্ষ ভাব কাটাতে কত কী-ই না ব্যবহার করছে সবাই। এবার বাকিসব বাদ দিয়ে নজর দিন রান্নাঘরে। কারণ, সেখানেই পাওয়া যাবে অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের বোতলটা।

 

  • আপেল সিডার ভিনেগারে (এসিভি) রয়েছে প্রচুর অ্যাসেটিক এসিড। চুলের নিস্তেজ ভাব ও ভঙ্গুরতা দূর করে পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে এটি।
  • এতে থাকা আলফা-হাইড্রোক্সি অ্যাসিড মাথার ত্বকের কোষ ঝরা কমায়। এতে খুশকিও কমে।
  • বেশিরভাগ শ্যাম্পুরে চেয়ে এসিভি বেশি অ্যাসিডিক। যা মাথার ত্বকের মরা কোষ পরিষ্কার করতে পারে দ্রুত।
  • নানা ধরনের শ্যাম্পুর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দূর করে এসিভি।
  • চুল ঝকঝকে করতে এ ভিনেগারের জুড়ি নেই। কারণ এসিভি চুলের গোড়া থেকে ময়লা দূর করে ও চুলের তেলতেলে ভাব কমায়। পাশাপাশি স্কাল্পও পরিষ্কার রাখে এটি।
  • চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বাড়ায় অ্যাপেল সিডার ভিনেগার।
  • চুল পড়া রোধ করে ও চুল দ্রুত বড় করে।
  • এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহারই যথেষ্ট।

 

যেভাবে ব্যবহার করবেন

শ্যাম্পুর সঙ্গে দুই-তিন চা চামচ এসিভি মিশিয়ে আলতোভাবে মাথায় মেখে ধুয়ে ফেলুন। অথবা পানিতে কয়েক টেবিল চামচ ভিনেগার মেশান। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহারের পর চুলে সমানভাবে মিশ্রণটি মেখে নিন। স্কালপেও ঘষে নিন। কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

/এফএ/

সম্পর্কিত

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

মোবাইল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

বন্ধু দিবসে যথাশিল্পে ফ্রি ডেলিভারি

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

রেসিপি : প্রশান্তির পাঁচ শরবত

সর্বশেষ

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

রামেবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য মাসুম হাবিব আর নেই

রামেবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য মাসুম হাবিব আর নেই

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

অবিবাহিত বড় ভাই, আত্মহত্যা ছোট ভাইয়ের

অবিবাহিত বড় ভাই, আত্মহত্যা ছোট ভাইয়ের

ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজের বদলা নিলো শ্রীলঙ্কা

ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজের বদলা নিলো শ্রীলঙ্কা

লেনোভো বাজারে নিয়ে এলো দুটি নতুন ট্যাব

লেনোভো বাজারে নিয়ে এলো দুটি নতুন ট্যাব

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

© 2021 Bangla Tribune