X
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ৮ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ৫ জন আদালতে

আপডেট : ১৫ জুন ২০২১, ১৫:২০

অভিনেত্রী পরীমণিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ পাঁচ জনকে বিমানবন্দর থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালতে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুন) বেলা ৩টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয় তাদের। পরে তাদের আদালতের হাজত খানায় রাখা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসির আদালতে তার রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

অপর আসামিরা হলো তুহিন সিদ্দিকী অমি, লিপি আক্তার (১৮), সুমি আক্তার (১৯) ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধা (২৪)।

এর আগে সোমবার (১৪ জুন) নাসির উদ্দিন আহমেদ ও অমিসহ পাঁচ জনকে উত্তরা থেকে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এর আগে সাভার থানায় নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ অজ্ঞাত চার জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নায়িকা পরীমণি। সোমবার দুপুরে পরীমণি নিজে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে পরীমণি বলেন, গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দুটি গাড়িযোগে উত্তরার উদ্দেশে রওনা হই। পথে অমি বেড়িবাঁধস্থ ঢাকা বোট ক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে বলে জানায়। অমির কথামতো সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করাই। কিন্তু বোট ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনও এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলে। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। পরে আমার ছোট বোন বনি প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করি। টয়লেট হতে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন এবং কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন। আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন। আমি মদপান করতে না চাইলে এক নম্বর আসামি জোর করে আমার মুখে মদের বোতল প্রবেশ করিয়ে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করে। এতে আমার সামনের দাঁতে ও ঠোঁটে আঘাত পাই।

এজাহারে তিনি আরও বলেন, এক নম্বর আসামি (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে এবং আমাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সে উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা গ্লাস ও মদের বোতল ভাঙচুর করে আমার গায়ে ছুড়ে মারে। তখন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি নাসির মাহমুদকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে নীলাফোলা জখম করে।

পরীমণি বলেন, আমি প্রথমে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন দিতে গেলে আমার ফোনটি টান মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় দুই নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা চার জন এক নম্বর আসামিকে ঘটনা ঘটাতে সহযোগিতা করে। আমি অজ্ঞাতনামা আসামিদের দেখলে শনাক্ত করতে পারবো।

এজাহারে তিনি আরও বলেন, দুই নম্বর আসামি অমি পরিকল্পিতভাবে আমাকে বর্তমান বাসা থেকে ঢাকা বোট ক্লাবে নিয়ে যায়। সে, অজ্ঞাতনামা চার জন আসামি ও নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে এবং জোরপূর্বক আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি আমার সঙ্গীদের সহায়তায় ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পাই। রাত আনুমানিক তিনটার সময় আমি আমার গাড়িযোগে প্রায় অচেতন অবস্থায় অপর সঙ্গীদের সহায়তায় বাসায় ফিরে আসি।

এর আগে, রবিবার (১৩ জুন) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচারের দাবি জানান পরীমণি। অভিযোগ করেন, তাকে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করেছিল চারদিন আগে, ঢাকা বোট ক্লাবে। এমন বিস্ফোরক অভিযোগের ঠিক দুই ঘণ্টার মাথায় নিজ বাসায় বসে সাংবাদিকদের কাছে সেই অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেন পরী।

আরও পড়ুন...

নাসির উদ্দিন মাহমুদ গ্রেফতার

মামলার এজাহারে যা বললেন পরীমণি

পরীমণি জানালেন ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্তর নাম

আমি যদি মরে যাই সেটা হত্যা হবে, আত্মহত্যা নয়: পরীমণি

যে কারণে সেদিন পরীমণির অভিযোগ নেয়নি পুলিশ

 

/এমএইচজে/আইএ/

সম্পর্কিত

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২০:৪৬

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করেন তিনি। নন-এমপিও হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত তৃতীয় শ্রেণির এই কর্মচারী অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রশাসনিক কাজকর্মও করেন। সাকুল্যে বেতন পান তিনি ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া অতিরিক্ত কাজের জন্য আরও কিছু ভাতা পান তিনি। কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে একশ’ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন। তাও একটি-দুটি নয়, ৯৭টি ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে তার। ঢাকায় একাধিক বাড়ি-ফ্ল্যাটের মালিক তিনি, ব্যবহার করেন দামি গাড়িও। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আতিকুর রহমান খান। স্কুলের ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থা ও নিজস্ব অনুসন্ধানে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বিপুল এই সম্পদের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে আতিকুর রহমান খান প্রথমে কোনও মন্তব্য করতেই রাজি হননি। পরে নিজেই ফোন করে এই প্রতিবেদককে বলেন, আইডিয়াল স্কুলের চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই তিনি ব্যবসা করেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক থেকে তিনি প্রায় ১০ কোটি টাকার মতো ঋণও নিয়েছেন। ব্যবসা করেই তিনি সম্পদ গড়েছেন।

আতিকুর রহমান খান ২০০৪ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগদান করেন। ২০১৫ সাল থেকে তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ আছে, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি ‘সোনার হরিণ’ হাতে পেয়েছেন। প্রতিবছর স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণিতে অবৈধভাবে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করানোর নামে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। এসব অর্থ দিয়েই গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাজীপুরের কালিগঞ্জের বাসিন্দা আতিকুর রহমানের বাবা একজন কৃষক। আইডিয়াল স্কুলে যোগ দেওয়ার আগে তিনি কনকর্ড নামে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। আইডিয়াল স্কুলে ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আয়কৃত অর্থ দিয়ে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। রামপুরার বনশ্রী মসজিদ মার্কেটে বিশ্বাস লাইব্রেরি রয়েছে, আফতাবনগরে বি ব্লকে বিশ্বাস বাজার নামে একটি প্রতিষ্ঠান, রামপুরা বনশ্রী এলাকার ৫ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর প্লটে ভিশন-৭১ নামে একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, আফতাবনগরে চারটি বাড়ি এবং বনশ্রীতে আরেকটি বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়া বনশ্রী এলাকায় খান ফিলিং অ্যান্ড এলপিজি, আফতাবনগরে ন্যাশনাল ফ্রায়েড কিচেন নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

দেশের ১৫টি ব্যাংকে আতিকুর রহমান খানের ৯৭টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলো হলো, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড। এসব ব্যাংকে ২০০৭ সাল থেকে চলতি বছরের ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১১০ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৯২ টাকা লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে আতিকুর রহমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, স্ত্রী নাহিদা আক্তার নীপা, বড় ভাই আব্দুস সালাম খান, ফজলুর রহমান খান ও শ্বশুর নুরুল ইসলামের নামেও লেনদেনও রয়েছে। আতিকুরের বড় ভাই আব্দুস সালাম মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের বাংলা মাধ্যম দিবা শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আতিকুর রহমান খানের মালিকানাধীন ন্যাশনাল ফ্রায়েড চিকেনের নামে সাউথইস্ট ব্যাংকে ২০১৫ সালে একটি হিসাব খোলা হয়। ওই হিসাবে প্রায় সোয়া ২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। কিন্তু সরেজমিন আফতাবনগরে সেই প্রতিষ্ঠানের কোনও হদিস পাওয়া যায়নি। এছাড়া আতিকুর রহমান খানের মালিকানাধীন এইচ কে খান এন্টারপ্রাইজের নামে প্রাইম ব্যাংকের একটি হিসাবে ৮ কোটি টাকার লেনদেন পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় বনশ্রীর মসজিদ মার্কেটের বিশ্বাস লাইব্রেরি দেখা গেছে।

ভর্তি বাণিজ্য করেই বিপুল সম্পদ
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ভর্তি বাণিজ্য করেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন আতিকুর রহমান খান। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শাখা ছাড়াও মুগদা ও রামপুরায় পৃথক দুটি শাখা রয়েছে। এই স্কুলে বাংলা মাধ্যমে প্রভাতী ও দিবা এবং ইংলিশ ভার্সনে প্রভাতী ও দিবা শাখায় প্রতি বছর অন্তত ৩ থেকে ৪ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে। প্রতিবছরই অর্থের বিনিময়ে এখানে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়ে থাকে। অবৈধভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য হলেন এই আতিকুর রহমান খান।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শাখায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। এরমধ্যে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী অর্থের বিনিময়ে ভর্তি করানো হয়েছে। প্রতি শিক্ষার্থীকে ভর্তির বিনিময়ে আতিকুল ইসলাম খান ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নিতেন। এই প্রতিবেদকের কাছে তিন জন অভিভাবক অর্থের মাধ্যমে ভর্তি করানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এছাড়া একজন দালালের সঙ্গে ভর্তির বিষয়ে আতিকুর রহমান খানের কথোপকথনের কয়েকটি রেকর্ড রয়েছে এই প্রতিবেদকের কাছে।

অর্থের বিনিময়ে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি অস্বীকার করে আতিকুর রহমান খান বলেন, ‘তিনি অবৈধ এই ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত নন।’

তবে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি। আতিকুর রহমানের ভাষ্য, ‘অবৈধভাবে যাদের ভর্তি করা হয়েছে তাদের লিস্ট এবং রেজুলেশন স্কুলে আছে। তারা কার সুপারিশে ভর্তি হয়েছে তা খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই।’

/ইউএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:০৬

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন রাজধানীতে ৪০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, লকডাউন অমান্য করে করে অহেতুক ঘোরাফেরা করায় ৪০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০৩ জনকে এক লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে।

প্রসঙ্গত, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

 

/এআরআর/আইএ/

সম্পর্কিত

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:০২

রাজধানীর দারুসসালাম এলাকা থেকে ১৭৮ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আসামিরা হলেন- মোছা. মিতু আক্তার (২৩) ও মোছা. রিতু আক্তার (২১)।

আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দারুসসালাম থানায় দায়ের হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এ দিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে মহানগরীর দারুসসালাম থানার মাজার রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৭৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব।

উত্তরের জেলা জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল বহন করে নিয়ে ঢাকায় আসা ওই দুই নারী সম্পর্কে বোন উল্লেখ করে র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস জানান, র‌্যাব-৩ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক চক্রের কয়েকজন সদস্য আহাদ পরিবহনের একটি বাসে যাত্রী বেশে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিলের চালান জয়পুরহাট থেকে ঢাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায়।

তাদের কাছ থেকে ১৭৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে উল্লেখ করে বীণা রানী দাস আরও জানান, তারা দুজনে বোরকা পরে ব্যাগ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফেনসিডিলগুলো লুকিয়ে নিয়ে এসেছিল। দুবোনের মধ্যে রিতু বিবাহিত। তার স্বামীর নাম মহিনুল ইসলাম। এরা মূলত বাহক হিসেবে মাদক বহন করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্বচ্ছল পরিবারের দুই তরুণী নিয়মিত এমন মাদক বহনের কথা স্বীকার করে বলেছেন, সাংসারিক টানাপোড়েনে কিছু টাকার আশাতেই ঝুঁকি নিয়ে জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে ঢাকায় এসেছেন তারা।

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, আটক ১

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, আটক ১

‘নেইমারকে ব্যঙ্গ করতে’ কুকুর নির্যাতন, ৪ কিশোর আটক

‘নেইমারকে ব্যঙ্গ করতে’ কুকুর নির্যাতন, ৪ কিশোর আটক

ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৯

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের সবাই ঢাকার বাসিন্দা। এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল। 

শুক্রবার (২৩ জুলাই)  স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা যায়।

এ বছরের জুলাই মাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুধু জুলাইয়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এদের ৯৯ শতাংশই ঢাকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ৩৯০ জন রোগী ভর্তি আছে । এর মধ্যে ঢাকাতেই আছে  ৩৮৭ জন, আর বাকি ৩ জন ঢাকার বাইরে অন্য বিভাগে। এই বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৪৭০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ছাড়া পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পর্যালোচনার জন্য রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

/এসও/এমএস/

সম্পর্কিত

সরকারি সাত হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই

সরকারি সাত হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই

করোনার টিকা নেওয়ার বয়সসীমা ১৮ করার ঘোষণা শিগগিরই

করোনার টিকা নেওয়ার বয়সসীমা ১৮ করার ঘোষণা শিগগিরই

জুলাইয়ের ২২ দিনেই হাজারের বেশি ডেঙ্গু রোগী

জুলাইয়ের ২২ দিনেই হাজারের বেশি ডেঙ্গু রোগী

জুলাইয়ে ৯৮৮ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত, ৯৯ ভাগই ঢাকার

জুলাইয়ে ৯৮৮ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত, ৯৯ ভাগই ঢাকার

তবুও বাইরে মানুষ

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৪

সরকার ঘোষিত ‘কঠোরতম লকডাউনের’ প্রথমদিনে একদিকে যেমন ঢাকায় প্রবেশের জন্য মানুষের ঢল, আবার অন্যদিকে ঢাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাও আছে। দুই কাজেই মানুষ বাইরে বের হচ্ছে। তার ওপর আবার মানুষের মাঝে ঈদের আমেজ। তাই নিজ নিজ এলাকায় চলছে ঈদের শুভেচ্ছা, আড্ডা ও কুশল বিনিময়। আবার কেউ কেউ জরুরি প্রয়োজনেও যাচ্ছেন বাজারে কিংবা পরিচিত কাউকে হাসপাতালে দেখতে। সব মিলিয়ে বাইরে মানুষ আছেই। অথচ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘরে থাকার নির্দেশনা ছিল। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন সব চিত্র দেখা যায়।সদরঘাট হয়ে ঢাকায় ফেরা মানুষ

রাজধানীর মেরাদিয়া, বনশ্রী, রামপুরা, খিলগাঁও, মালিবাগ, মগবাজার, বাংলা মোটর, কাঁঠালবাগান, পান্থপথ, মিরপুর রোড ঘুরে দেখা যায়, রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। তবে পায়ে হাঁটা মানুষের সংখ্যা বেশি। এদের অনেকেই ঢাকার বাইরে থেকে এসেছেন। পরিবহন না থাকায় পায়ে হেঁটেই বাসায় ফিরছেন ঈদ পালন করে। আবার ঈদের আমেজও দেখা গেছে অনেক এলাকায়। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় এবং কুশল বিনিময় করতেও রাস্তায় দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে।

সদরঘাট হয়ে ঢাকায় ফেরা মানুষ বনশ্রী এলাকায় দেখা যায়, বাসার নিচেই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত ছিলেন কিছু তরুণ। তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, লকডাউনের কারণে এলাকার বাইরে যেতে পারছি না। তাই বাসার নিচেই একটু আড্ডা দিচ্ছি।

বাসার নিচে আড্ডা দেওয়ার প্রবণতা প্রায় প্রত্যেক এলাকায় আছে। রাজধানীর গ্রিন রোড এলাকায় দেখা গেছে, তরুণ বয়সের ছেলেরা পথের মোড়ে মোড়ে আড্ডা দিচ্ছেন বন্ধুদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বাভাবিক পরিস্থিতে ঈদের সময় বন্ধুবান্ধব মিলে তারা ঘুরতে যেতেন। লকডাউনের কারণে কোথাও যেতে পারছেন না। তাই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছেন।

সদরঘাট হয়ে ঢাকায় ফেরা মানুষ আড্ডা দেওয়া ছাড়াও অন্যান্য নানা ধরনের অজুহাতে মানুষ বাসা থেকে বের হন। মিরপুর রোডে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে দোকানে যাচ্ছিলেন মনসুর আলী। তার এলাকায় দোকান সব বন্ধ। তাই তিনি কোক খুঁজতে বের হয়েছেন। শুধু কোক কিনতে বেরিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি মাথা নেড়ে সায় দেন। এছাড়া পান, সিগারেট, বাচ্চার জন্য চকোলেট, এমনকি চা খাওয়ার অজুহাতেও বের হচ্ছে মানুষ।

কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে যারা রাস্তায় বের হয়েছেন, যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারলে তাদের করা হচ্ছে জরিমানা। রাস্তায় প্রতিটি সড়কে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি। চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে। এছাড়া অভিযান পরিচালনা করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও।

সদরঘাট হয়ে ঢাকায় ফেরা মানুষ চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মানুষ অদ্ভুত অদ্ভুত বাহানায় বাসা থেকে বের হয়। চেকপোস্টে জানতে চাইলে তারা বলছেন—আত্মীয়র বাসায় যাচ্ছি। এ রকম পরিস্থিতির মধ্যে কেন যাচ্ছেন জানতে চাইলে বলছেন—সেখানে কারো করোনা নেই। এছাড়া মাছ, মুরগি, ডিম কিনতে এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় যাওয়ার বাহানাও পাওয়া যায় চেকপোস্টে।

জানতে চাইলে সায়েন্সল্যাব এলাকায় চেকপোস্টে দায়িত্বরত একজন পুলিশ সদস্য বলেন, মানুষের বাহানার শেষ নেই। যৌক্তিক কারণ যেমন আছে, অযৌক্তিক কারণও আছে। অযৌক্তিক কারণে বের হয়েছেন যারা তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

 

/এসও/আইএ/

সম্পর্কিত

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

সম্পর্কিত

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

খাগড়াছড়িতে বিচারক আক্রান্ত, প্রাণ গেছে আইনজীবীর

খাগড়াছড়িতে বিচারক আক্রান্ত, প্রাণ গেছে আইনজীবীর

দাম নেই, বগুড়ায় চামড়া গেছে ভাগাড়ে

দাম নেই, বগুড়ায় চামড়া গেছে ভাগাড়ে

রংপুরে আরও ১৫ মৃত্যু, খালি নেই আইসিইউ বেড

রংপুরে আরও ১৫ মৃত্যু, খালি নেই আইসিইউ বেড

খুলনার পাঁচ হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

খুলনার পাঁচ হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

বড় রাস্তায় কঠোর অবস্থা, গলিতে যেমন-তেমন 

বড় রাস্তায় কঠোর অবস্থা, গলিতে যেমন-তেমন 

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৫ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৫ মৃত্যু

ভারতের পর্যাপ্ত টিকা থাকার পর বাংলাদেশকে দেওয়া হবে: ভারতীয় হাই কমিশনার

ভারতের পর্যাপ্ত টিকা থাকার পর বাংলাদেশকে দেওয়া হবে: ভারতীয় হাই কমিশনার

সর্বশেষ

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

মদপানে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫

মদপানে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫

ক্লাউড উইন্ডোজ আনলো মাইক্রোসফট

ক্লাউড উইন্ডোজ আনলো মাইক্রোসফট

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো জিম্বাবুয়ে

বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ফিরলো জিম্বাবুয়ে

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বিয়ের রাত কাটলো লঞ্চের ডেকে

বিয়ের রাত কাটলো লঞ্চের ডেকে

কোলের সন্তানকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন মা

কোলের সন্তানকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন মা

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

শেয়ারবাজারে নতুন আশার সঞ্চার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কঠিন সময় অপেক্ষা করছে

২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কঠিন সময় অপেক্ষা করছে

বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আবেদন ফরম পরিবর্তন 

বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আবেদন ফরম পরিবর্তন 

পাঁচ লাখের গরু দুই লাখ, বিক্রেতারা এখনও হাটে

পাঁচ লাখের গরু দুই লাখ, বিক্রেতারা এখনও হাটে

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

লাইভে এসে করজোড়ে মিনতি এক চিকিৎসকের

লাইভে এসে করজোড়ে মিনতি এক চিকিৎসকের

© 2021 Bangla Tribune