X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

শিক্ষা অফিসে ঘুরতে হবে না প্রাথমিক শিক্ষকদের, ছুটিও অনলাইনে

আপডেট : ১৫ জুন ২০২১, ১৭:৩৯

ঢাকা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা দফতর ও প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল কার্যক্রম ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেবা সহজীকরণ ও স্বচ্ছতা আনতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভাগের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজস্ব আইডি খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘বিভাগীয় কার্যালয় ইতোমধ্যে ডিজিটাল করা হয়েছে। বিভাগের প্রতি জেলা ও উপজেলা সব অফিস ডিজিটাল করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব ইমেইল আইডি খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের সহজে ও তাৎক্ষণিক সেবা পৌঁছাতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসে ঘুরে যেনও শিক্ষকদের কোনও সেবা বা সরকারি আদেশ-নির্দেশনা নিতে না হয়, কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দফতরের সব কার্যক্রমে ই-নথি ব্যবস্থাপনা শুরু করা হয়েছে। যেসব ক্ষেত্রে হার্ড কপিতে স্বাক্ষর জরুরি সেসব ক্ষেত্র ছাড়া সব ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ই-নথি ব্যবস্থা চালু করা হবে।

ইতোমধ্যেই ঢাকা বিভাগের সকল বিদ্যালয়ের নিজস্ব ইমেইল খুলতে গত ২ জুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের ইমেইল খোলা ও সব তথ্য সংরক্ষণ করতে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে নির্ধারিত ছকে জেলার নাম, উপজেলার/থানার নাম, ক্লাস্টারের নাম, বিদ্যালয়ের নাম, প্রধান শিক্ষকের নাম ও মোবাইল নম্বর, বিদ্যালয়ের নামে ইমেইল আইডি সংরক্ষণ ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে জরুরিভিত্তিতে পাঠাতে বলা হয়েছে উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের। আর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের আগামী মঙ্গলবারের (১৫ জুন) জুনের মধ্যে এসব তথ্য ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপ-পরিচালক মো. ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষকদের ছুটির জন্য শিক্ষা অফিসারদের পেছনে ঘুরতে হবে না। অনলাইনে ছুটির ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি বিভিন্ন আদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে।’

জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা রিপোর্টস সেন্টারসহ বিভিন্ন দফতরে শিক্ষকদের ছোট কাজেও হয়রানির শিকার হতে হয়। অফিস আদেশসহ সরকারি চিঠি সংগ্রহ করতেও ধরনা দিতে হয় শিক্ষকদের। অন্যদিকে হার্ড কপির ফাইল আটকে থাকে বিভিন্ন অফিসে। এসব কারণে সব অফিস কার্যক্রম ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

/এমআর/

সম্পর্কিত

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

প্রযুক্তি সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান ইউজিসির

প্রযুক্তি সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান ইউজিসির

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:২৪

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম বলেছেন, মানবপাচার মামলার বিচার এতো কম হয়, নয় বছরের ৩৬টি মামলায় সাজা হয়েছে। আমি মনে করি এতে পাচারকারীরা কেন উৎসাহিত হবে না? তাহলে কিভাবে বন্ধ হবে। আবার সাজাও যেটা হয় সেটাও ভালো করে প্রচার হয় না। সাজাপ্রাপ্তদের বিষয়ে প্রচারণা দরকার।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক মানব পাচার বিরোধী দিবস উপলক্ষে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম আয়োজিত ‘মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসন: পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, চ্যালেঞ্জ ও ও করনীয় শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।’

নাছিমা বেগম বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলবো প্রসিকিউশনে বেশ কিছু ত্রুটি থাকে। আমরা যেন প্রসিকিউশনের ত্রুটিগুলোর দিকে খেয়াল রাখি। এখানে সিআইডি’র অনেক বড় একটা ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি। আবার অনেকেই মানবাপাচারের শিকার হয়ে ফেরত এসে বিচার চায় না। এ জায়গাগুলোতেও আমাদের কাজ করতে হবে, তাদেরকে মোটিভেশন করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, আইনের অনেক কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। অনেক ভালো আইন আছে আমাদের। কিন্তু প্রয়োগ হয় না। আগামী রবিবার – সোমবারের মধ্যে আমার এখান থেকে একটা চিঠি যাবে। চিঠিতে আমরা বলবো পুলশ প্রশিক্ষণ একাডেমিসহ সব বিভাগে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন এবং মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ভালো করে শেখানোর জন্য। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের সময় মানবাধিকারে যে মৌলিক বিষয়গুলো আছে, এগুলোকে মানবিক মূল্যবোধের দৃষ্টিকোণ থেকে মানবাধিকার নিয়ে যারা কাজ করে সবার ভেতরে একটা বোধ যেন গড়ে তোলা যায়। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও আইসিটি) জি এস এম জাফরুল্লাহ বলেন, যে কয়টি মামলা এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে এটি মোটেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক না। এই নিষ্পত্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে। এসব মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যেসব অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনসহ সবাইকে সেটা নিয়ে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। পাচার রোধে ইতোমধ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। ভারত থেকে একটি কমন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিউর (এসওপি) তৈরির কাজ চলছে। 

জনশক্তি , কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শহীদুল আলম, এনডিসি বলেন, যারা বিদেশে যাচ্ছে কাজের উদ্দেশ্যে তারা কোথায় যাচ্ছে,  কীভাবে যাচ্ছে, কত টাকা বেতনে যাচ্ছে এসব দেখার প্রয়োজনই মনে করে না। আমরা স্লোগান দিয়েছিলাম- ‘মুজিব বর্ষের আহ্বান, দক্ষ হয়ে বিদেশ যান’ সেটি কেউ কর্ণপাতই করছে না। আমাদের প্রবণতা এমন যে –এখনই বিদেশ পাঠাতে হবে। ২ লাখ টাকার বেশি কোন দেশে যেতে খরচ হওয়ার কথা না। কিন্তু বাস্তবতা একদমই ভিন্ন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মানবপাচার বিষয়ক সেলের বিশেষ পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান বলেন, পাচারের শিকার ব্যক্তির তথ্য না পাওয়া যাওয়ায় কিছু মামলার কার্যক্রম বিলম্ব হয়। সেই তথ্য না পেলে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। বিদেশে যারা নির্যাতিত হচ্ছে এবং হয়ে ফেরত আসছে সংশ্লিষ্ট দেশে আমাদের দূতাবাস কাজ করছে। নির্যাতন কিন্তু ওইদেশের আইনেও অপরাধ। ভিক্টিমদের সেখানে স্থানীয় যে আইনগত সহায়তা বিষয় আছে সেগুলো কিন্তু আমরা দেখছি। মাঝে মাঝে কিছু দেশ থেকে নারীকর্মীর অনেকেই শিশুসহ দেশে ফেরত আসেন, তিনি কীভাবে সেই শিশুটিকে নিয়ে ফেরত আসলো। তাদের তো সেখানে স্থানীয় একটা আইন আছে। সেই আইনে যদি বিচার হতো তাহলে কিন্তু এই ধরনের অপরাধগুলো কমে যেতো। আবার ফেরত আসার সময় সংশ্লিষ্ট দেশের পুলিশের পাছে লিখিত দিয়ে আসে যে তাকে কোনও প্রকার নির্যাতন করা হয়নি, সে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত যাচ্ছে। আমরা যখন দূতাবাসের কাছে চাই তখন সেদেশের সরকার এই ধরনের ফিডব্যাক দেয়। ফলে দেশে এসে করা এই মামলাগুলোর তদন্ত করতেও আমাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাছাড়া মামলার ক্ষেত্রে একটা বড় অংশ কিন্তু আপস করে ফেলে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের সিনিয়র পরিচালক এম মোর্শেদ। এছাড়া মানবপাচার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তুলে ধরেন ব্র্যাকের মাইগ্রেশন বিভাগের প্রধান শরিফুল হাসান।

 

/এসও/এফএএন/ 

সম্পর্কিত

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:১৪

সৌদি আরব হতে বাধ্যতামূলক ফেরত পাঠানো বিদেশি নাগরিকদের পুনরায় সে দেশে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা আছে দেশটির সরকারের। তারা পুনরায় আর সে দেশে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে তারা হজ কিংবা ওমরাহ করার উদ্দেশে যেতে পারবেন। বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম।

তিনি জানান, এটি সৌদি সরকারের পুরোনো সিদ্ধান্ত। তবে এটি অনেকেই জানেন না।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব হতে যে সব বিদেশি নিজ দেশে বাধ্যতামূলকভাবে ফেরত যাচ্ছে তারা হজ ও ওমরাহ ব্যতীত অন্য কোনোভাবে দেশটিতে পুনরায় প্রবেশ করতে পারবে না মর্মে সৌদি ইমিগ্রেশন অধিদফতর জানিয়েছে গত ১৮ জুলাই। দেশটির ডিপোর্টেশন নীতি নিয়ে নানারকম মতভেদ তৈরি হওয়ায় পাসোপোর্ট বিভাগ টুইট করে এ তথ্য জানায়। একজন টুইটার ব্যবহারকারীর টুইটের প্রেক্ষিতে পাসপোর্ট বিভাগ সৌদি সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে। সৌদি আরবে যেসব বিদেশি নাগরিক অপরাধমূলক কাজ কিংবা আবাসন নীতি ভঙ্গ করে তাদের ক্ষেত্রে ডিপোর্টেশন নীতি আরোপিত হয়। এছাড়া ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর সে দেশে অবস্থান করলে ৩০ হাজার রিয়েল জরিমানা দিতে হয় বলেও জানায় ইমিগ্রেশন বিভাগ।

 

/এসও/আইএ/

সম্পর্কিত

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:০৮

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের উপ-কমিটি থেকে অব্যাহতি পাওয়া মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাতে গুলশান ২ নাম্বারের ৩৭ নম্বর রোডস্থ হেলেনা জাহাঙ্গীরে বাসায় অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, অভিযান চলমান রয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

সম্প্রতি আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ নামে একটি সংগঠন খুলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হেলেনা জাহাঙ্গীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির নাম এখনও সেভাবে পরিচিত না হলেও ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ লাখ লাখ মানুষ এর সদস্য হয়েছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োগের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার পর রবিবার মেহের আফরোজ চুমকি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে গত মাসে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন উত্তর জেলা সভাপতি রুহুল আমিন।

/আরটি/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৮

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৮

ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুনে মৃত্যু: চার পরিবার পেলো ১ কোটি টাকা

ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুনে মৃত্যু: চার পরিবার পেলো ১ কোটি টাকা

ফেরি ‘শাহজালাল’ দুর্ঘটনার অনুসন্ধানে চার সদস্যের কমিটি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:২৭

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ‘ফেরি শাহজালাল’ দুর্ঘটনার বিষয়টি সরেজমিনে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২৭ জুলাই চার সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে নৌপরিবহন সচিবের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (উন্নয়ন) ড. রফিকুল ইসলাম খান কমিটির আহবায়ক। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মো. সিরাজুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিসি’র পরিচালক (অর্থ) শাহিনুর ভূইয়া এবং বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক (নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন) মো. শাহজাহান।
কমিটির কার্যপরিধি হলো- ফেরি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন সংক্রান্ত পর্যালোচনা; ফেরি নিরাপত্তা সংক্রান্ত পর্যালোচনা (ভেসেল ট্র্যাকিং সিস্টেম-ভিটিএস এবং রেডিও সিস্টেমের কার্যকারিতা পরীক্ষাসহ); ফেরি পরিচালনার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন; ফেরি মেরামত, ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ ও ব্যয়ের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা (অধিক পুরাতন/ব্যবহার অনুপযোগি ফেরিসমূহ স্ক্র্যাপ করা যায় কিনা সে বিষয়ে মতামত প্রদানসহ); ফেরির মাস্টার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারিদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া পরীক্ষা করা; নিরাপদ ফেরি পরিচালনার জন্য দিক নির্দেশনামূলক প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অন্যান্য।
কমিটি প্রয়োজনে এক বা একাধিক সদস্য যুক্ত করতে পারবে। কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে নৌপরিবহন সচিবের নিকট সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

 

/এসএস/এফএএন/

সম্পর্কিত

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:২৩

ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সারের মতো অসংক্রামক রোগগুলো প্রতিরোধে শরীরচর্চা, শারীরিক পরিশ্রম এবং তাজা-শাকসবজি গ্রহণ জরুরি। শরীরচর্চা পরিবেশ নিশ্চিত, তাজা-শাকসবজির ফলমূলের যোগান নিশ্চিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের বিদ্যমান আইনে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। এ অবস্থায় অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে একটি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি বলে মত দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য নীতি বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ) এবং আর্ক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে তারা এ কথা বলেন।

ওয়েবিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ও আর্ক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ড. রুমানা হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও অ্যালায়েন্স ফর হেলদি সিটি এর আহ্বায়ক গাজী কামরুল হুদা সেলিম। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক আইনজীবী সৈয়দ মাহবুবুল আলম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম হিল্লোলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাইকা এর এনসিডি বিষয়ক পরামর্শক ড. বরেন্দ্রনাথ মন্ডল, প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠনের হেলাল আহমেদ, সিয়াম এর নির্বাহী পরিচালক মাসুম বিল্লাহ, সুশাসন ফাউন্ডেশনের কনক মজিবুদৌল্লাহ ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

আইনজীবী সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেন, সিএলপিএ এবং আর্ক ফাউন্ডেশনে-র তাজা শাক-সবজি গ্রহণ সংক্রান্ত গবেষণায় দেখা গেছে ১১টি মন্ত্রণালয়ের ৩১টি আইনে ও নীতিমালায় তাজা-শাকসবজি যোগানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৮৯.৬ শতাংশ প্রতিদিন  প্রয়োজনীয় ৫ ধরনের ফল ও সবজি গ্রহণ করে না। অথচ প্রতিবছর পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি ও ফল গ্রহণ করানো সম্ভব হলে ২.৭ মিলিয়ন মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে।  কায়িক পরিশ্রমের সুবিধা সংক্রান্ত ২৫ টি জেলায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়, ১৭টি জেলায় কোন ব্যায়ামাগার বা জিমের ব্যবস্থা নেই। ২২টি জেলার মধ্যে মাত্র ২টি জেলার আওতাধীন সাঁতার কাটার জন্য পুলের ব্যবস্থা আছে। ৫০১টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সরকারি বিদ্যালয়ে কোনও নিজস্ব মাঠ নেই। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কায়িক পরিশ্রম বা শরীরচর্চার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নিরাপদ খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রমের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। যা নগর পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজেট বরাদ্দ এবং আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজী কামরুল হুদা সেলিম বলেন, এসডিজি-র লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের অসংক্রামক রোগজিনত মৃত্যু ৩০% কমিয়ে আনতে হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকারকে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

বক্তারা বলেন, প্রতিটি এলাকায় জনসংখ্যা এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে কায়িক পরিশ্রম ও শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় স্থান/পদ্ধতি নির্ধারণে গবেষণা পরিচালনা করে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কি না তা নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি বা অষ্টম শ্রেণিতে পাশের ক্ষেত্রে সাঁতার কাটা এবং সাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকা বাধ্যতামূলক করা। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের উপর অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর আরোপ এবং এ সকল করের অর্থে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন গঠন করা, যা অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে স্থায়িত্বশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করবে।

/এসএস/এমআর/

সম্পর্কিত

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

ফেরি ‘শাহজালাল’ দুর্ঘটনার অনুসন্ধানে চার সদস্যের কমিটি

ফেরি ‘শাহজালাল’ দুর্ঘটনার অনুসন্ধানে চার সদস্যের কমিটি

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সর্বশেষ

আইসিইউ খালি নেই রংপুর বিভাগের করোনা হাসপাতালে

আইসিইউ খালি নেই রংপুর বিভাগের করোনা হাসপাতালে

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

বিনা দোষে মিনুর কারাভোগ, কুলসুম ও তার সহযোগী রিমান্ডে 

বিনা দোষে মিনুর কারাভোগ, কুলসুম ও তার সহযোগী রিমান্ডে 

জেলের বড়শিতে বিশাল বোয়াল

জেলের বড়শিতে বিশাল বোয়াল

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিয়ের চার দিনের মাথায় কিশোরীর ‘আত্মহত্যা’

বিয়ের চার দিনের মাথায় কিশোরীর ‘আত্মহত্যা’

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

লকডাউনে মায়ের চেহলাম আয়োজন করায় ছেলেকে জরিমানা

লকডাউনে মায়ের চেহলাম আয়োজন করায় ছেলেকে জরিমানা

ফেরি ‘শাহজালাল’ দুর্ঘটনার অনুসন্ধানে চার সদস্যের কমিটি

ফেরি ‘শাহজালাল’ দুর্ঘটনার অনুসন্ধানে চার সদস্যের কমিটি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

প্রযুক্তি সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান ইউজিসির

প্রযুক্তি সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান ইউজিসির

শিক্ষাপ্রযুক্তির উন্নয়নে ১৩ লাখ মার্কিন ডলার পেলো ‘শিখো’ 

শিক্ষাপ্রযুক্তির উন্নয়নে ১৩ লাখ মার্কিন ডলার পেলো ‘শিখো’ 

প্রাথমিকের আউট সোর্সিং কর্মচারীদের টিকার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ

প্রাথমিকের আউট সোর্সিং কর্মচারীদের টিকার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের ১১ আগস্টের মধ্যে টিকা গ্রহণের নির্দেশ

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের ১১ আগস্টের মধ্যে টিকা গ্রহণের নির্দেশ

প্রাথমিকের ২০২২ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ের চাহিদা এন্ট্রির নির্দেশ

প্রাথমিকের ২০২২ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ের চাহিদা এন্ট্রির নির্দেশ

© 2021 Bangla Tribune