X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ঢাকার জীবন কত কঠিন!

আপডেট : ১৬ জুন ২০২১, ১১:০০

বলা হতো ঢাকায় টাকা ওড়ে। ঢাকায় থাকলে বেড়ে যেতো স্ট্যাটাসও। সেই ঢাকা এখন বাস-অযোগ্য নগরীর তালিকায় প্রথম সারিতে। একে তো করোনায় খোড়া হয়েছে, তারওপর আছে দূষণের খড়গ। এর মাঝে দিনে দিনে মড়ার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো চেপে বসছে দ্রব্যমূল্য। যার কারণে কম আয়ের মানুষরা এখনও নীরবে ছাড়ছেন ঢাকা।

করোনার লকডাউন শুরুর পর থেকেই অনেকে লোটাকম্বল নিয়ে চুকিয়ে ফেলেন ঢাকার পাঠ। এর মধ্যে সম্প্রতি আবার যে গতিতে চাল, তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে চলেছে, তাতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা আর পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকার স্বপ্ন দেখছেন না। রোজার ঈদে পরিবার নিয়ে গ্রামে গেলেও দেখা গেছে শুধু চাকরি বা ব্যবসা যিনি করতেন, তিনিই ফিরে এসেছেন। বাকিরা থেকে গেছে গ্রামে। ফ্ল্যাট ছেড়ে অনেকে উঠেছেন মেসে। এমন একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এ তথ্য।

গত দুই বছর রাজধানী ছেড়ে কত লোক গ্রামে গেছে তা নিয়ে জরিপ হয়নি। তবে নিম্ন আয়ের লোকজন যে এলাকাগুলোতে থাকতেন- বিশেষ করে বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, মাদারটেক, শনিরআখড়া, কামরাঙ্গিরচর, রামপুরা, নন্দীপাড়া, মাতুয়াইল, ঘাটারচর- এসব এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনেক ভাড়াটিয়াই বাসা ছেড়ে গ্রামে চলে গেছেন। যারা আছেন তারা কয়েকজন মিলে মেস করে আছেন। অনেকে আছেন সাবলেটে। বেশিরভাগ বাড়িতেই দেখা গেছে ‘টু-লেট’। আর তাই এখন সাবলেট, মেস বা ব্যাচেলর নিয়েও ভাবছেন না বাড়িওয়ালারা।

ঢাকা খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাড়ি ভাড়া, যাতায়াত, স্কুলের বেতনসহ আনুষাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় মধ্যম আয়ের মানুষরা পরিবার নিয়ে রাজধানীতে থাকতে পারছেন না। আগে নিম্নবিত্তদের অঞ্চলগুলোয় টিনশেড বাড়ির এক রুম ভাড়া পাওয়া যেতো হাজার থেকে পনের শ’ টাকায়। সেই সব টিনশেড হয়ে গেছে বহুতল ভবন। বাড়িগুলো হয়ে গেছে অ্যাপার্টমেন্ট। ভাড়া বেড়েছে কয়েকগুণ। আলাদা এক রুম ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই। তাই বাধ্য হয়ে রাজধানী ছেড়েছে হাজারো নিম্নব্ত্তি পরিবার।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এক সময় যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তানের বাস ভাড়া ছিল ২ টাকা। সেটা হয়েছে ২০ টাকা। মিরপুর থেকে মতিঝিলের ভাড়া ছিল ৫ টাকা। এখন গুনতে হয় ৪০ টাকা। ৪০ টাকার রিকশাভাড়া হয়েছে ৮০ টাকা। যেনতেন স্কুলের বেতনও হাজার-দেড় হাজারের নিচে নয়। ৩০ টাকা কেজির চাল একলাফে ৬০ টাকা, ৮০ টাকার সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, ৭০ টাকা কেজি দরের পাঙ্গাস মাছ ২২০ টাকা, ২২ টাকা হালির ফার্মের মুরগির ডিম ৩৮ টাকা এবং ৩০ টাকার ময়লার বিল হয়েছে ১০০ টাকা (এলাকাভেদে আরও বেশি)। বাদ যায়নি সিটি করপোরেশন পরিচালিত পাবলিক টয়লেটের খরচও। ২ টাকা থেকে হয়েছে ৫ টাকা। জীবনযাত্রার ব্যয় যে হারে বেড়েছে, সেই হারে বাড়েনি আয়।

জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মুসলিম নগরের সবজি বিক্রেতা বরকত মিয়া জানান, ‘এক সময় এই এলাকায় দেড় হাজার টাকা ভাড়ায় টিনশেড বাড়িতে এক রুম ভাড়া পাওয়া যেত। এখন টিনশেডই নাই। ছোট একটা ফ্লাটের ভাড়া দশ হাজার টাকা। পরিবার নিয়ে এত টাকা দিয়ে থাকবো কোন দুঃখে! তাই পরিবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। নিজে মেসে থাকি। ৯ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্লাটে ৯ জন থাকি।’

নন্দীপাড়ার বাড়িওয়ালা নুরুল ইসলাম লিটন জানিয়েছেন, ‘পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া টিনশেড বাড়ির পাঁচ রুম ভাড়া দিয়ে পেতাম ১০ হাজার টাকা। এ থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল আমাকেই দিতে হতো। ভ্যানওয়ালা, রিকশায়ালা, অটোওয়ালারা পরিবার নিয়ে থাকতো। এখন তারা পরিবার বাড়িতে রেখে এসেছে। মেস করে থাকতে চায়। এখন পাঁচটা রুম ভেঙে কারখানা ভাড়া দিয়েছি। ভাড়া পাই ২০ হাজার টাকা।’

ঢাকা ছাড়ার হিড়িক বেসরকারি ব্যাংকের মাঝামাঝি পর্যায়ের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। বেতন পান ৪০ হাজার টাকা। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ৮ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে থাকতেন মাদারটেক এলাকায়। সেই ভাড়া এখন ১২ হাজার টাকা। দুই সন্তানের স্কুলের ফি ছিল ১২ শ’ টাকা। সেটা বেড়ে হয়েছে আড়াই হাজার টাকা। ঘরের কাজের জন্য একজন কর্মী ছিল। তার বেতন আট শ’ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে দেড় হাজার টাকা। আগে অফিসে আসতেন ৩০ টাকা রিকশাভাড়ায়। এখন সেটাও দেড় শ’ টাকা। এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে খরচ বাড়তে থাকায় তিনি পরিবারের বাকি সদস্যদের বাড়িতে রেখে নিজে একা থাকছেন ঢাকায়। ফ্ল্যাট ছেড়ে উঠেছেন মেসে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বেতন তো বাড়েনি। তাই সবাইকে রেখে এসেছি। এখন মাস শেষে বেতন পেয়ে ২০ হাজার টাকা পাঠাই। তা দিয়ে ভালোই চলছে। ঘরভাড়া, গৃহকর্মীর বেতন লাগছে না। গ্রামের স্কুলে বেতনও কম। বাকি টাকায় নিজে চলছি ও সঞ্চয় করছি।’

এদিকে বিভিন্ন কারণেই ঢাকা হারাচ্ছে বাসযোগ্যতা। কিছুদিন আগে বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের নতুন র‌্যাংক প্রকাশ করেছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। তাতে ১৪০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৩৭ নম্বরে।

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক তামজিদ নাহিদ জানিয়েছেন, ‘জীবনমান বজায় রেখে রাজধানীতে বাস করা কঠিন। আয়ের তুলনায় ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এতে আবার নতুন মাত্রা দিয়েছে করোনা। মহামারির কারণে বহু মানুষ কর্মহীন। পেশা ও স্থান বদলে বাধ্য হয়েছেন বিশাল এক শ্রেণি। বলা যায়, অনেকটা নীরবে একটা বড় মাইগ্রেশন হয়েছে।’

ঢাকায় বায়ুদূষণ এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ জানিয়েছেন, ‘সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় গ্রামে সুবিধাভোগী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। গ্রামের গরিবরা সেই অর্থে আর গরিব নেই। তারা শহরে আসতে চান না। নিজের বাড়িতে বসেই নগদ সহায়তা পাচ্ছেন। ঠিকানাবিহীন মানুষেরা পাচ্ছেন সেমিপাকা ঘর। এরপর্র কে আসবে ঢাকার বস্তিতে থাকতে? গ্রামের শিক্ষার্থীরাও এখন স্কুল থেকে শিক্ষা উপকরণসহ বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। পাচ্ছে এক বেলা খাবারও। এতো সুযোগ-সুবিধা রেখে নিম্নবিত্তরা রাজধানীতে থাকবে কেন?’

/এফএ/

সম্পর্কিত

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:২৩

ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সারের মতো অসংক্রামক রোগগুলো প্রতিরোধে শরীরচর্চা, শারীরিক পরিশ্রম এবং তাজা-শাকসবজি গ্রহণ জরুরি। শরীরচর্চা পরিবেশ নিশ্চিত, তাজা-শাকসবজির ফলমূলের যোগান নিশ্চিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের বিদ্যমান আইনে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। এ অবস্থায় অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে একটি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি বলে মত দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য নীতি বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ) এবং আর্ক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে তারা এ কথা বলেন।

ওয়েবিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ও আর্ক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ড. রুমানা হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও অ্যালায়েন্স ফর হেলদি সিটি এর আহ্বায়ক গাজী কামরুল হুদা সেলিম। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক আইনজীবী সৈয়দ মাহবুবুল আলম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম হিল্লোলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জাইকা এর এনসিডি বিষয়ক পরামর্শক ড. বরেন্দ্রনাথ মন্ডল, প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠনের হেলাল আহমেদ, সিয়াম এর নির্বাহী পরিচালক মাসুম বিল্লাহ, সুশাসন ফাউন্ডেশনের কনক মজিবুদৌল্লাহ ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

আইনজীবী সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেন, সিএলপিএ এবং আর্ক ফাউন্ডেশনে-র তাজা শাক-সবজি গ্রহণ সংক্রান্ত গবেষণায় দেখা গেছে ১১টি মন্ত্রণালয়ের ৩১টি আইনে ও নীতিমালায় তাজা-শাকসবজি যোগানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৮৯.৬ শতাংশ প্রতিদিন  প্রয়োজনীয় ৫ ধরনের ফল ও সবজি গ্রহণ করে না। অথচ প্রতিবছর পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি ও ফল গ্রহণ করানো সম্ভব হলে ২.৭ মিলিয়ন মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে।  কায়িক পরিশ্রমের সুবিধা সংক্রান্ত ২৫ টি জেলায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়, ১৭টি জেলায় কোন ব্যায়ামাগার বা জিমের ব্যবস্থা নেই। ২২টি জেলার মধ্যে মাত্র ২টি জেলার আওতাধীন সাঁতার কাটার জন্য পুলের ব্যবস্থা আছে। ৫০১টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সরকারি বিদ্যালয়ে কোনও নিজস্ব মাঠ নেই। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কায়িক পরিশ্রম বা শরীরচর্চার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নিরাপদ খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রমের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। যা নগর পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজেট বরাদ্দ এবং আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজী কামরুল হুদা সেলিম বলেন, এসডিজি-র লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের অসংক্রামক রোগজিনত মৃত্যু ৩০% কমিয়ে আনতে হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকারকে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

বক্তারা বলেন, প্রতিটি এলাকায় জনসংখ্যা এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে কায়িক পরিশ্রম ও শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় স্থান/পদ্ধতি নির্ধারণে গবেষণা পরিচালনা করে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কি না তা নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি বা অষ্টম শ্রেণিতে পাশের ক্ষেত্রে সাঁতার কাটা এবং সাইকেল চালানোর দক্ষতা থাকা বাধ্যতামূলক করা। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের উপর অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর আরোপ এবং এ সকল করের অর্থে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন গঠন করা, যা অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে স্থায়িত্বশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করবে।

/এসএস/এমআর/

সম্পর্কিত

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:১২

জাতীয় শোক দিবসে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে আগামী ১ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশের অধস্তন আদালত-ট্রাইব্যুনালসমূহের বিচারক ও সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয়ে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভির্যের সঙ্গে সারাদেশে পালিত হবে। উক্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশের অধস্তন আদালত-ট্রাইব্যুনালসমূহের বিচারকগণ ও সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ কালো ব্যাজ পরিধান করবেন।’

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

৯৯ জনকে জরিমানা র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২০:১৯

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। একইসঙ্গে আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার যাবতীয় তথ্য মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশান উইংয়ে নিশ্চিতভাবে পাঠাতে হবে।  বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এই এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে। আদেশে সব অঞ্চলের উপপরিচালকদের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

আদেশে জানানো হয়,  ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে প্রণয়ন করা অ্যাসাইনমেন্ট প্রথম ধাপে তিন সপ্তাহের জন্য গত ১৮ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমিক শাখা থেকে ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ওই নির্দেশনা পত্রের আলোকে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা সংযুক্ত ছক অনুযায়ী মনিটরিং কমিটি করা প্রয়োজন।

আদেশে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন সকল আঞ্চলিক উপপরিচালকরা (মাধ্যমিক) তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের সকল উপজেলা/থানা থেকে প্রথম তিন সপ্তাহের শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমাদানের মোট সংখ্যা উপজেলাভিত্তিক, জেলাভিত্তিক এবং পরিশেষে নিজ নিজ অঞ্চলের তথ্য সার-সংক্ষেপ আকারে সংযুক্ত ছক মোতাবেক প্রস্তুত করে আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশান উইংয়ের ই-মেইলে ([email protected]) পাঠানো নিশ্চিত করবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্বাস্থ্যবিধিকে কোনওক্রমেই উপেক্ষা করা যাবে না বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন সকল আঞ্চলিক উপ-পরিচালকদের (মাধ্যমিক) তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের সার-সংক্ষেপ করা তথ্য সংযুক্ত ছক অনুযায়ী ইমেইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা করা হয়।

সার-সংক্ষেপের ছক

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমাদান সংক্রান্ত তথ্য নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে। এতে অঞ্চলের নাম, ই-মেইল আইডি, মোবাইল ফোন নম্বর, মোট জেলার সংখ্যা, মোট উপজেলার সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে।

পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট গ্রিড অনুসারে নির্ধারিত ছকে তথ্য পাঠাতে হবে। এতে আওতাধীন সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা, ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে এমন মোট সংখ্যা, প্রথম তিন সপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা, প্রথম তিন সপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্ট জমাদানকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং প্রথম তিন সপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয়নি এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখ করে ছক তথ্য পাঠাতে হবে।

/এসএমএ/এমআর/

সম্পর্কিত

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

এসএসসি-এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে জরুরি নির্দেশ

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের আরেকটি ফোনালাপ ফাঁস

প্রযুক্তি সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান ইউজিসির

প্রযুক্তি সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান ইউজিসির

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২০:০৬

বাঘ রক্ষায় সরকারসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘কথা ছিল ১০ বছরে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করবো। তা হয়নি। নানা অজুহাত দেওয়া হয়েছে। শুভংকরের ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বরাবর অবহেলার শিকার হয়ে আসছে বাঘ। এ জন্য সাংস্কৃতিক, সামাজিক উন্নয়নের প্রয়োজন হয়।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র উদ্যোগে ‘বাঘ দিবসে বাঘের গল্প’ শীর্ষক এক বিশেষ ওয়েবিনারে সুলতানা কামাল এসব কথা বলেন।

সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আগে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আমাদের কথা শুনতো। এখন এসব সংস্থা আর আগের মতো নেই। সরকারের পক্ষে কথা বলতে থাকে। তবে এখন একটি প্রজন্ম সচেতন হয়েছে, সংবেদনশীল হয়েছে। এটাও একটি ভালো দিক।’

তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনকে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকতে দেন। বাংলাদেশের শুরুই হয়েছিল সম্পদ, সংস্কৃতি রক্ষার জন্য। এখনও সেই দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। বাঘ রক্ষায় শুধু সরকার নয়, আমাদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে।’

বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিলের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে অন্যদের মধ্যে বাপা’র বন, জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জ্বালানি বিষয়ক কমিটির সহ-আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল হাসান খান ও অধ্যাপক ড. এম এ আজিজ, মোংলার স্থানীয় বনজীবী বেলায়েত সরদার, মোংলার জয়মনির ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের নান্টু গাজী, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার নূর আলম শেখ উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েবিনারে সংযুক্ত অন্য আলোচকরা পশুর রিভার ওয়াটারকিপার নূর আলম শেখ স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘২০১০ সালে রাশিয়ার বাঘ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এই দিবসটির সূচনা হয়। সেই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ছিলেন। সে সম্মেলনে ২০২২ সালের মধ্যে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার অঙ্গীকার করা হয়। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। ২০০৪ সালে বাঘ ছিল ৪৪০টি। এখন ২০১৫ সালে এসে ১০৬টি, ২০১৮ সালে বলা হলো ১১৪টি। এতে দেখা যায়, মাত্র ৮টি বাঘ বেড়েছে। এর মধ্যে আবার ৩টি বাঘ মারাও গিয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে একটি বাঘ এসেছে বলে জানা যায়।’ তিনি বলেন, ‘বাঘের যে খাদ্য তা এখন সংকটে সুন্দরবনে। সুন্দরবনে এখন অনুকূল পরিবেশ নেই বাঘের জন্য। নানা কারণে আজ সুন্দরবন বিপদে আছে। এখন বলা হচ্ছে সুন্দরবন বাঁচলে বাঘ বাঁচবে। তাই বাঘ বাঁচাতে হলে সুন্দরবনকে বাঁচাতেই হবে।’

ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘তাদের আবসস্থল রক্ষা করতে হবে। হরিণ মেরে ফেললে ওরা কী খাবে। সুন্দরবনকে সুন্দরবনের মতো রাখতেই দিন। বরং যারা এই বনের ওপর জীবীকা নির্বাহ করেন, তাদের অন্য উপায়ে জীবীকার ব্যবস্থা করতে হবে। অত্যাচারটা না করি।’

 

/এসএনএস/আইএ/

সম্পর্কিত

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২০:০৩

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে। একই সঙ্গে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি পালনে সতর্ক হতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকালে অনলাইনে এক আলোচনা সভায় মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক এসব কথা বলেন।

মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেন, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলছে। দিনের পর দিন লকডাউন দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। এরমধ্যে যুক্ত হয়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ সংকট, অক্সিজেন সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাব ও অব্যবস্থাপনার কারণে মানুষ যথাযথ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

মোহাম্মদ ইসহাক বলেন, লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত সীমিত আয়ের মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করতে হবে। সমাজের সামর্থ্যবানদেরও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ভার্চুয়াল বৈঠকে দলের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরসহ গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি জানানো হয়। বৈঠকে ক্রমবর্ধমান করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তির জন্য ও করোনায় মৃত্যুবরণকারীদের মাগফিরাত কামনা করে আক্রান্তদের আশু আরোগ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

 

/সিএ/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

সর্বশেষ

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান

অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে: খাদ্যমন্ত্রী

অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে: খাদ্যমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মৃত্যু ৭৬, শনাক্ত ৬৯৯৬

শ্রমিক ছাঁটাই এবং কারখানা লে-অফ ঘোষণা না করার অনুরোধ

শ্রমিক ছাঁটাই এবং কারখানা লে-অফ ঘোষণা না করার অনুরোধ

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসছে রাতে

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

পিপিপি কনসেপ্ট আমরা এখনও ভালোভাবে নিতে পারিনি: অর্থমন্ত্রী

এবার অভিযুক্ত নির্মাতা বান্নাহ, চাইলেন ক্ষমা

এবার অভিযুক্ত নির্মাতা বান্নাহ, চাইলেন ক্ষমা

জনদুর্ভোগ কমাতে এসিল্যান্ডদের নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি

জনদুর্ভোগ কমাতে এসিল্যান্ডদের নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

১৯ আগস্টের মধ্যে এসএসসির অ্যাসাইনমেন্টের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

সরকারি ৮ হাসপাতালের আইসিইউতে বেড ফাঁকা নেই

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে: খেলাফত মজলিস

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে দেড় হাজার কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডিএনসিসিতে ৩৬ মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

মশা নিধনে অভিযানডিএনসিসিতে ৩৬ মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

মাদক ভয়ংকর-৪কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

© 2021 Bangla Tribune