X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

বিজেপি সাংসদদের রিপোর্ট কার্ডে ফেল দিলীপ, লকেট, কুনার

আপডেট : ১৬ জুন ২০২১, ১৭:৩৭
image

পশ্চিমবঙ্গের একুশের বিধানসভা ভোটে বিজেপি’র পরাজয়ের কারণ খুঁজতে গিয়ে এবার দেখা হচ্ছে দলটির ১৮ জন সাংসদের রির্পোট কার্ড। ২০২৪ এ ভারতের লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে গত নির্বাচনের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মোদি-শাহর টিম পুর্নগঠিত করতে মন্ত্রিসভার রদবদলে ঠাঁই দিতেও লোকসভায় সাংসদদের কাজের খতিয়ান মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিজেপি সাংসদের বিধানসভা ভিত্তিক জয়ের নিরিখে দেখা যাচ্ছে একদম ডাহা ফেলের তালিকায় রয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং কুনার হেবব্রম। ব্যর্থতার হিসাবে এগিয়ে আছেন খোদ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং দেবশ্রী চৌধুরী, সাংসদ অর্জুন সিং, এস এস আলুওয়ালিয়ারা। অপরদিকে রির্পোট কার্ডেও একদম প্রথম সারিতে রয়েছেন জন বারলা। তারপরেই জগন্নাথ সরকার, শান্তনু ঠাকুর ও নীশিথ প্রামানিক। এই বাইরে বাকি সাংসদরা রয়েছেন এভারেজের তালিকায়।

২০১৯ এর লোকসভা ভোটের নিরিখে বাংলায় ২৯২ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১২১টি আসনে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে ছিল বিজেপি। আর জয় পাওয়া ১৮ লোকসভার মধ্যে থাকা ১২৬টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৯৬টি গিয়েছিল বিজেপির পক্ষে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর দেখা যাচ্ছে এই এগিয়ে থাকা ৯৬ টির মধ্যে ৩৭ আসন হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। জয় এসেছে মাত্র ৬০টিতে। এর মধ্যে শীতলকুচি আসনটি ২০১৯ লোকসভায় পিছিয়ে থাকলেও এবার জয় এসেছে বিজেপির পক্ষে।

২০১৯ এর লোকসভার নিরিখে এবার সবচেয়ে খারাপ ফল হুগলি ও ঝাড়গ্রামে। হুগলিতে লোকসভায় ৭ টির মধ্যে ৫টিতে লকেট চট্টোপাধ্যায় এগিয়ে থাকলেও একুশের ভোটে সবকটিতে হার হয়েছে বিজেপির। একইভাবে ঝাড়গ্রামে লোকসভায় ৭ টির মধ্যে ৫ টিতে কুনার হেমব্রম এগিয়ে থাকলেও এবার সবকটিতে হেরেছে বিজেপি।

অপর দিকে, খারাপ ফলের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার মেদিনীপুর লোকসভায় ২০১৯ বিজেপির জয় এসেছিল ৫ বিধানসভায়। এবার কেবল খড়গপুর সদর বিধানসভা আসনে জয় পেয়ে মান রক্ষা করছে বিজেপি। একই দশা হয়েছে অর্জুন সিং এর ব্যারাকপুর লোকসভায়। এখানে ২০১৯ লোকসভায় ৫ টিতে এগিয়ে থাকলেও একুশে বিজেপি মাত্র ভাটপাড়ায় জয় পেয়েছে।

আবার এসএস আলুওয়ালিয়ার বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভায় একই ফল হয়েছে। এখানে ২০১৯ এ বিজেপি ৩টিতে এগিয়ে থাকলেও এবারও একুশে জুটেছে মাত্র দুর্গাপুর পশ্চিম আসনটি। এরপরেই রয়েছেন কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রী। আসানসোলে বাবুল সুপ্রিয় ২০১৯-এ এগিয়ে ছিলেন ৭ টি বিধানসভাতেই। এবার ৫ বিধানসভা আসন হেরে বিজেপির হয়ে জয় পেয়েছেন আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল এবং কুলটিতে অক্ষয়কুমার পোদ্দার। একইভাবে দেবশ্রী চৌধুরী রায়গঞ্জে লোকসভায় ৪টি বিধানসভায় এগিয়ে থেকে জয় পেলেও এবার বিজেপির ভাগ্যে জুটেছে মাত্র ২ আসন।

দক্ষিণবঙ্গে সবচেয়ে ভাল ফল করেছেন রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। উনিশের লোকসভার নিরিখে তিনি ৭টি বিধানসভার মধ্যে ৬ আসনই ধরে রাখতে পেরেছেন। শুধু তাই নয় নবদ্বীপে প্রার্থী হয়ে প্রায় ১৭ হাজার ভোটে জয় পেয়েছেন। একইভাবে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর মতুয়া ভোট ব্যাংক অটুট রেখে লোকসভা ভোটের ফলই ধরে রাখতে পেরেছেন। এখানেও বিজেপি ৭ এর মধ্যে ৬টি আসন পেয়েছে। বাঁকুড়ায় সুভাষ সরকার উনিশের লোকসভায় ৭ বিধানসভায় জয় পেলেও এবার বিজেপি এখানে ৩ আসন খুইয়ে ৪টি আসন পেয়েছে। পুরুলিয়ার জ্যোর্তিময় সিং মাহাত লোকসভায় ৭ আসনে জয় পেলেও একুশের বিধানসভায় বিজেপি এখানে ৫ বিধানসভায় জয় পেয়েছে। বিষ্ণুপুরে সৌমিত্র খাঁ উনিশে ৬ বিধানসভায় এগিয়ে থাকলেও এবার বড়জোড়া আসনটি হারিয়ে বিজেপি এখানে ৫ আসনে জয় পেয়েছে।

উনিশের লোকসভার মতোই একুশেও উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করেছে বিজেপি। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফল করেছেন সাংসদ জন বারলা। আলিপুরদুয়ারে এবার বিরোধীদের নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে লোকসভার মতোই একুশে ৭টি বিধানসভায় জয় পেয়েছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গে তুলনামূলক ভাবে ফল খারাপ সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায়ের জলপাইগুড়িতে। এখানে গত লোকসভায় এগিয়ে থাকা তিনটি বিধানসভা আসন হাতছাড়া হয়ে বিজেপির জয় এসেছে ৩টিতে। কোচবিহারে সাংসদ নিশিথ প্রামানিক এবার নিজে প্রার্থী ছিলেন দিনহাটায়। সামান্য ভোটের ব্যবধানে জিতলেও তাঁর লোকসভার ফলের থেকেও একটি আসন বাড়িয়ে নিয়ে বিজেপি ৬ বিধানসভা দখলে নিয়েছে। মালদা উত্তরে সাংসদ খগেন মুর্মুর এখানে উনিশের লোকসভা ফলই আবার হয়েছে। বিজেপি এখানে ৩ আসন ধরে রাখতে পেরেছে।

একইভাবে বালুরঘাটে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার তাঁর ফল ধরে রাখতে পেরেছেন। এখানে বিজেপির পক্ষে একুশে ৩টি বিধানসভা আসনই রয়ে গিয়েছে। অপরদিকে, দার্জিলিংয়ে রাজু বিস্তার এগিয়ে থাকা ৬টি আসনের মধ্যে একুশের বিধানসভায় ১টি হারিয়ে বিজেপি এখানে ৫টিতে জয় পেয়েছে। এই রির্পোট কার্ডের হিসাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার দাবিদার অবশ্যই জন বারলা, নিশিথ প্রামানিক, জগন্নাথ সরকার এবং শান্তনু ঠাকুর।

তবে এর মধ্যে যারা ইতোমধ্যে রাজ্যের দায়িত্বে আছেন আবার সাংসদ হয়ে ফেল করেছেন তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে মন্ত্রী করে রাজ্যের দায়িত্ব থেকে সরানোর কথাও ভাসছে বিজেপি অন্দরে। একুশে হারের ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে, এই ফেল করা সাংসদদের নিয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপি কী সিদ্ধান্ত নেবেন এখন তার দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিকমহল।

/জেজে/

সম্পর্কিত

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০৫:১০

দুনিয়াজুড়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোরে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৯টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ১১৫। এর মধ্যে ৪২ লাখ ১২ হাজার ৪০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৭ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার ৩৪৪ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। এক পর্যায়ে উৎপত্তিস্থল চীনে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশে এর প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। চীনের বাইরে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ দুনিয়াজুড়ে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে আশার কথা হচ্ছে, এখন আক্রান্তের পর সুস্থ হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে। এরইমধ্যে করোনার একাধিক টিকাও আবিষ্কৃত হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৬৫। মৃত্যু হয়েছে ছয় লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জনের।

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২৯৫। এর মধ্যে চার লাখ ২৩ হাজার ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা এক কোটি ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩৬৯। এর মধ্যে পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার ৪৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বাংলাদেশে শনাক্তের সংখ্যা ১২ লাখ ২৬ হাজার ২৫৩। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ৮১১। এর মধ্যে চার হাজার ৬৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও দেশটির বিরুদ্ধে প্রকৃত পরিস্থিতি গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। উহানের একজন স্বেচ্ছাসেবী বলেন, ‘বুদ্ধি-বিবেচনাসম্পন্ন যেকোনও মানুষ এই সংখ্যা (সরকারি পরিসংখ্যান) নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবেন।’

মহামারির শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছিল, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পেছনে চীনের ভূমিকা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সেই দাবিকে আরও জোরালো করে চীনের উহানের ল্যাবের এক ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ানের বক্তব্য। লি মেং ইয়ান বলেন, চীনের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে করোনাভাইরাস। এটি মানুষের তৈরি বলে তার কাছে শতভাগ প্রমাণ রয়েছে।

হংকংয়ে জন্ম নেওয়া ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তার দাবি, চীন হত্যা করতে চেয়েছিল বলে ভয়ে মার্কিন মুলুকে পালিয়ে যান তিনি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

বিমানবন্দরেই করোনার বিশাল হাসপাতাল

বিমানবন্দরেই করোনার বিশাল হাসপাতাল

করোনার আঁতুড়ঘর চীনেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ

করোনার আঁতুড়ঘর চীনেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪২ লাখ ছাড়িয়েছে

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০৩:০৪

কিউবায় সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে নির্বিচারে আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বন্দিদের ওপর কর্তৃপক্ষের দমনপীড়ন নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলোর এই জোট। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নিজেদের এমন দাবি ও উদ্বেগ তুলে ধরেছে ইইউ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক জোসেফ বোরেল বলেন, ‘কিউবা সরকারকে আমরা সার্বজনীন মানবাধিকার কনভেনশনে অন্তর্ভুক্ত মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানাই।’

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থতা এবং অর্থনৈতিক সংকট বেড়ে যাওয়ায় সরকারের প্রতি কিউবার জনগণের ক্ষোভ বাড়ছিল। এক পর্যায়ে জুলাইয়ের গোড়ার দিকে রাস্তায় নেমে আসে তারা। ১৯৯৪ সালের পর এবারই সবচেয়ে বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে পড়েছে কিউবা। শুধু রাজধানী হাভানা নয়, পুরো দেশজুড়ে রাজপথে নামে হাজার হাজার মানুষ। এসব বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় সরকারি বাহিনী।

বৃহস্পতিবার নির্বিচারে এই ধরপাকড়ের শিকার লোকজনের মুক্তি দাবি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যদিও এরইমধ্যে অনেকের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রায় ৭০০ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে কম বয়সীরাও রয়েছে। সরকারিভাবে আটক বা গ্রেফতারকৃতদের সুনির্দিষ্ট কোনও সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। তবে শুধু বিক্ষোভের কারণে কাউকে গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। সরকারের দাবি, বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্তদেরই কেবল আটক করা হয়েছে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

অ্যাসাঞ্জের নাগরিকত্ব বাতিল করলো ইকুয়েডর

অ্যাসাঞ্জের নাগরিকত্ব বাতিল করলো ইকুয়েডর

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০২:১৪

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এই আহ্বান জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

২০২১ সালের ২৫ জুলাই সেনা সমর্থন নিয়ে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসাচ মেচিচকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ। এক মাসের জন্য পার্লামেন্টও স্থগিতের ঘোষণা দেন তিনি। তার এমন পদক্ষেপকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ বিক্ষোভ বা সহিংসতার কথা চিন্তা করলে সশস্ত্র বাহিনী বুলেট দিয়ে তার জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন কায়েস সাঈদ। একইসঙ্গে এক মাসের জন্য কারফিউ ঘোষণা করেছেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রশাসনিক ক্ষমতা দখলের পর তিনি তাকে দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার আল জাজিরা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিউনিসিয়ায় সম্প্রতি দেশটির সংবিধান পরিপন্থী যেসব ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপারে তিনি উদ্বিগ্ন।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূমিকম্পের পর আলাস্কা-হাওয়াইতে সুনামির সতর্কতা

ভূমিকম্পের পর আলাস্কা-হাওয়াইতে সুনামির সতর্কতা

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০০:৪৭

পুলিৎজার পুরস্কার-বিজয়ী চিত্রসাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের ভারতে চিফ ফটোগ্রাফার দানিশ সিদ্দিকি আফগানিস্তানে নিহত হন গত ১৬ জুলাই। দেশি-বিদেশি সব সংবাদমাধ্যমেই তখন রিপোর্ট করা হয়েছিল, আফগান সেনাবাহিনী ও তালেবানের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গিয়েই দানিশ প্রাণ হারান।

কিন্তু এখন মার্কিন থিঙ্কট্যাঙ্ক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো, প্রাবন্ধিক ও নামী নিরাপত্তা গবেষক মাইকেল রুবিন জানাচ্ছেন, দানিশ সিদ্দিকি মোটেও সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নিহত হননি – বরং তালেবান যোদ্ধারা তাকে একটি মসজিদ থেকে টেনে বের করে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেছে।

বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মাইকেল রুবিন এই উপসংহারে পৌঁছেছেন। ২৯ জুলাই তিনি ওয়াশিংটন এক্সামিনার সাময়িকীতে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে একটি প্রতিবেদনও লিখেছেন। সেখানে তিনি পরিষ্কার লিখেছেন, ‘দানিশ সিদ্দিকি ক্রসফায়ারের মাঝে পড়ে মারা যাননি, তাকে কিছুতেই যুদ্ধের ‘কোল্যাটারাল ড্যামেজ’ও বলা যাবে না। বরং সত্যিটা হলো, তালেবান তাকে নৃশংসভাবে হত্য করেছে।’

এই নিবন্ধের জন্য মাইকেল রুবিন কাবুলে, আফগানিস্তানের প্রাদেশিক সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং দিল্লিতে দানিশ সিদ্দিকির কর্মস্থলে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। দানিশ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, দিল্লির সেই জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ক্যাম্পাসেই তাকে দাফন করার আগে যারা তার মরদেহ খুব কাছ থেকে দেখেছেন – তাদের কাছ থেকেও তথ্য নিয়েছেন।

দানিশ সিদ্দিকির মৃত্যুর যে ঘটনাক্রম তার গবেষণা থেকে উঠে এসেছে তা এমন:

১৬ জুলাই আফগান সেনার ‘সঙ্গী’ হয়ে দানিশ যাচ্ছিলেন স্পিন বোলডাক অঞ্চলের দিকে, যেখানে পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্ডারের একটি সীমান্ত পোস্ট দখলের জন্য তালেবানের সঙ্গে সেনার যুদ্ধ চলছিল। সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে এভাবে যে সাংবাদিকরা যান তাদের বলে ‘এমবেডেড’ জার্নালিস্ট, আর এই অভিযানে আফগান সেনা দানিশকে সঙ্গে নিয়েছিল কারণ তারা নিজেদের বিজয় নিয়ে নিশ্চিত ছিল। তারা ভেবেছিল, রয়টার্সে এই যুদ্ধজয়ের ছবি বিশ্বজুড়ে তাদের দারুণ বিজ্ঞাপন হবে।

স্পিন বোল্ডাকের কাস্টমস চৌকি থেকে দলটি যখন মাত্র কয়েকশো মিটার দূরে, তখন তালেবানের অতর্কিত হামলায় দলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। দলটির কমান্ডার কয়েকজন সেনাকে নিয়ে একদিকে ছিটকে যান, আর দানিশ ও তিনজন আফগান সেনা ছিটকে যান সম্পূর্ণ অন্যদিকে। দানিশের শরীরে একটি বোমার ‘শার্পনেল’ বিঁধেছিল – তাই তারা গিয়ে আশ্রয় নেন কাছের একটি মসজিদে, সেখানে তাকে ফার্স্ট এইড বা প্রাথমিক শুশ্রূষাও দেওয়া হয়।

ততক্ষণে আশেপাশে খবর রটে গেছে, মসজিদে একজন পশ্চিমী বার্তা সংস্থার সাংবাদিক লুকিয়ে আছেন। তালেবান সে খবর পেয়েই সেখানে হামলা চালায় এবং টেনে-হিঁচড়ে দানিশ ও তার সঙ্গীদের বের করে আনে। মাইকেল রুবিন নিশ্চিত, দানিশ সিদ্দিকি যখন তালেবানের হাতে ধরা পড়েন তখন তিনি জীবিত ছিলেন। এরপর তারা দানিশের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং তাকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়। দেহটিও ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় বুলেটে।

সেনাদলটির কমান্ডারও ততক্ষণে সদলবলে মসজিদের কাছে ফিরে এসে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন – কিন্তু তালেবানের হাতে তারাও নিহত হন। পরে যে ভারতীয় কর্মকর্তারা কাবুলে দানিশের দেহ গ্রহণ করেন, মাইকেল রুবিন তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছেন, আগে দানিশের মাথায় ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে মেরে তালেবান তাকে হত্যা করে – তারপর তার শরীরে বুলেটবৃষ্টি চালানো হয়।

মাইকেল রুবিনের ভাষায়, ‘তালেবানের নৃশংসতা সুবিদিত। কিন্তু সেই নৃশংসতাকেও যে দানিশের বেলায় তারা অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল তার একমাত্র কারণ সে ছিল ভারতীয়।’ এমনকি ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাসে দানিশ যে মুসলিম ছিলেন, তার জন্যও তাকে কোনও রেহাই দেয়নি ইসলামের ধ্বজাধারী বলে নিজেদের দাবি করা তালেবান যোদ্ধারা।

আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন বাঙালি কূটনীতিবিদ গৌতম মুখোপাধ্যায়। তিনি এদিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘সত্যি বলতে কী আমি এই খবরে বিন্দুমাত্র আশ্চর্য নই। তালেবানের ভারত-বিরোধিতা এতোটাই চরমে যে, তারা ভারতীয় মুসলিমদেরও ইসলামের সত্যিকারের প্রতিনিধি বলে মনে করে না। দানিশ সিদ্দিকির মতো একজন প্রতিভাবান আলোকচিত্রী তাদের সেই ভারত-বিদ্বেষের বলি হলেন এটাই চরম দুর্ভাগ্যের।’

/এমপি/

সম্পর্কিত

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

আজেরি সীমান্তে রুশ সেনা চায় আর্মেনিয়া

আজেরি সীমান্তে রুশ সেনা চায় আর্মেনিয়া

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছে ইসরায়েল

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:৩৩
image

দখলকৃত পশ্চিম তীরে নিহত এক ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজার সময় টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বুধবার মোহাম্মদ আল-আলামি নামের ১২ বছর বয়সী শিশুটি ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে নিহত হয়।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দখলকৃত পশ্চিম তীরের বেইত উমর শহরে বাবার সঙ্গে গাড়িতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন ১২ বছরের মোহাম্মদ আল-আলামি। বৃহস্পতিবার তার মরদেহ নিয়ে বেইত উমরে মিছিল করে ফিলিস্তিনিরা।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের দল ফাতাহ পার্টির পতাকায় মোড়ানো কফিন নিয়ে মিছিলের পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে। পাল্টা পদক্ষেপে ইসরায়েলি সেনারা টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে।

ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণে এক ফিলিস্তিনি তরুণ মারাত্মক আহত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষের পর বেইত উমর শহরের রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ ও পাথর পড়ে রয়েছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

প্রথমবারের মতো কাতারে অনুষ্ঠিত হবে আইনসভার নির্বাচন

প্রথমবারের মতো কাতারে অনুষ্ঠিত হবে আইনসভার নির্বাচন

চুরি হওয়া প্রত্ন নিদর্শন ইরাককে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চুরি হওয়া প্রত্ন নিদর্শন ইরাককে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সর্বশেষ

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

অগ্নিকাণ্ডের ১৫ দিনেও চালু হয়নি আইসিইউ

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

রামেবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য মাসুম হাবিব আর নেই

রামেবির প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য মাসুম হাবিব আর নেই

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০০ ঘরের বস্তিটি

অবিবাহিত বড় ভাই, আত্মহত্যা ছোট ভাইয়ের

অবিবাহিত বড় ভাই, আত্মহত্যা ছোট ভাইয়ের

ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজের বদলা নিলো শ্রীলঙ্কা

ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজের বদলা নিলো শ্রীলঙ্কা

লেনোভো বাজারে নিয়ে এলো দুটি নতুন ট্যাব

লেনোভো বাজারে নিয়ে এলো দুটি নতুন ট্যাব

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

শুধু শুধু বিরক্ত করায় যুবককে পিষে দিলো হাতি (ভিডিও)

আমি লিডার নই, ক্যাডার: দিল্লিতে মমতা

আমি লিডার নই, ক্যাডার: দিল্লিতে মমতা

মোদিকে হারাতে জোট গঠনের পথে মমতা-সোনিয়া

মোদিকে হারাতে জোট গঠনের পথে মমতা-সোনিয়া

আমি জ্যোতিষী নই: মমতা

আমি জ্যোতিষী নই: মমতা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

মোদির কাছে পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের কথা তুললেন মমতা

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

তিনবার করোনায় আক্রান্ত ভারতীয় চিকিৎসক, ২ বার টিকা নেওয়ার পর

© 2021 Bangla Tribune