X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

করোনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

আপডেট : ১৮ জুন ২০২১, ১৭:২৪

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে আরও এক পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। মারা যাওয়া কনস্টেবল রকিব উদ্দিন (৫৯) নওগাঁ জেলা সদর ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি বুধবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজশাহীর বেসরকারি সিডিএম হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান।

পুলিশ সদর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, করোনাকালে জনগণকে সুরক্ষা সেবা দিতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৯৫ জন পুলিশ সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

কনস্টেবল রকিব উদ্দিন মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্র ও দুই কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার গোমস্তাপুর (বাজারপাড়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

হাসপাতাল থেকে পুলিশের ব্যবস্থাপনায় রকিব উদ্দিনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে নঁওগা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

এদিকে কনস্টেবল রকিব উদ্দীনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। তিনি এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে উদ্ধার পেলো তরুণী

৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে উদ্ধার পেলো তরুণী

চাঁদা দাবি করে প্রতিবন্ধীর দোকান বন্ধের অভিযোগ, পুলিশের উদ্যোগে ফের চালু

চাঁদা দাবি করে প্রতিবন্ধীর দোকান বন্ধের অভিযোগ, পুলিশের উদ্যোগে ফের চালু

গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত অনলাইনে নব্য জেএমবির প্রচারণায় সক্রিয় ছিল ইমন: সিটিটিসি

গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত অনলাইনে নব্য জেএমবির প্রচারণায় সক্রিয় ছিল ইমন: সিটিটিসি

বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

অনুমোদন পেল বুয়েট উদ্ভাবিত অক্সিজেট

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৬:০৯

কোভিড রোগীদের অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তৈরি ‘অক্সিজেট’ নামের ডিভাইসটিকে প্রাথমিকভাবে ২০০ ইউনিট উৎপাদনের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মুখপাত্র মো. সালাউদ্দিন এবং ডিভাইসটির উদ্ভাবক বুয়েট শিক্ষক ড. তওফিক হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মো. সালাউদ্দিন বলেন, "ডিভাইসটিকে জরুরি অবস্থা বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে ২০০ ইউনিট উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো ব্যবহারের পর যন্ত্রটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা, কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা এবং ডিভাইসটি আরও উন্নত করা যায় কিনা- এ বিষয়গুলো দেখে পরে আরও বাড়ানো হবে।"

উদ্ভাবক তওফিক হাসান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ''ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর বুয়েটকে আপাতত ২০০ ইউনিট  "অক্সিজেট" সিপ্যাপ যন্ত্র তৈরি ও ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। করোনার এই পরিস্থিতিতে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরকে দ্রুততম সময়ে এই অনুমোদন দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।"

/এমএস/

সম্পর্কিত

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

ওমর ফারুকের ‘মানসিক সুস্থতা’ পরীক্ষা করবে বিএসএমএমইউ

ওমর ফারুকের ‘মানসিক সুস্থতা’ পরীক্ষা করবে বিএসএমএমইউ

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

ঢাকায় আরও ১৫০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

ঢাকায় আরও ১৫০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:৫৮

বৃষ্টি কার না পছন্দ? আর সেটা যদি ফাঁকা শহরে সেটাতো আরও রোমাঞ্চকর। হ্যাঁ, চলমান কঠোর বিধিনিষিধে এখন অনেকটাই ফাঁকা রাজধানী ঢাকা। বন্ধ রয়েছে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। আর এ সুযোগে বৃষ্টির আগমনে ভিজেছে রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি। আবার অনেকেই মুক্ত বিহঙ্গে ভিজেছেন বৃষ্টিতে। কেউবা ছাউনির নিচে বসে উপভোগ করেছেন বৃষ্টির ছোঁয়া। আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকেই আকাশে দেখা মেলেনি সূর্যের। লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বেড়েছে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা। এ বৃষ্টিপাত অপ্রত্যাশিত ছিল না। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী শনিবার (৩১ জুলাই) পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে।

ছবিতে দেখুন বিস্তারিত...

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

রাজধানীতে বৃষ্টি।

 

 

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:১২

সাভার থেকে অপহরণের চার দিন পর স্বপ্না নামে ১১ বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন র‌্যাব-৪। বুধবার (২৮ জুলাই) বিকালে সাভার এলাকা অপহরণের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এসময় অপহরণকারী মো. মোছাদ্দেক আলমকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে র‌্যাব-৪ এর সিইও এডিশনাল ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, গত ২৬ জুলাই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি, ২৪ জুলাই সাভার এলাকা থেকে ১১ বছরের শিশু স্বপ্নাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব। তারই ধারাবাহিকতায় ২৮ জুলাই দিনভর অভিযান পরিচালনা করে সাভার মডেল থানাধীন এলাকা থেকে অপহৃত ১১ বছরের শিশুর স্বপ্না খাতুনকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া অপহরণের সঙ্গে জড়িত মোসাদ্দেক আলমকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ২৪ জুলাই সাভার মডেল থানাধীন পলো মার্কেটের সামনে হতে অপহরণ করে। পরবর্তীতে সে ভুক্তভোগীকে ট্রাক করে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার ভিন্ন ভিন্ন স্থানে নিয়ে আটকে রাখে এবং ভিকটিমের পিতা-মাতার নিকট মুক্তিপণ দাবি করে। পরবর্তীতে সে পুনরায় ট্রাকযোগে সাভার এলাকায় চলে আসে এবং তখনই র‍্যাব-৪ কর্তৃক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করাসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয় জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

 

/আরটি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

চুক্তিতে কিলিং মিশনে কাজ করতো তারা

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

গার্মেন্টস কর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুজন গ্রেফতার

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:০৫

রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকার মুরাদপুরে এক গার্মেন্টস কর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে। মামলায় পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করলেও অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে। 

আটককৃত আসামিরা হলো মো. মেহেদী হাসান (১৯) ও মো. সোহাগ হোসেন (২০)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, উনিশ বছর বয়সী ওই গার্মেন্টস কর্মী যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকেন। এলাকারই একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন তিনি। গত মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় আকাশ (২০) নামে পূর্ব পরিচিত এক যুবক মোবাইল ফোনে তাকে ডেকে নেয়। এরপর সেখান থেকে মুরাদপুরের একটি বাড়ির ছাদে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। 

ঘটনার পরপরই ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে রাতেই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে ৬ জনের নামে একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। 

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাকি ৪ আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব দে বলেন, বুধবার (২৮ জুলাই) মধ্যরাতে ওই গার্মেন্টস কর্মীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। আটককৃত আসামিদেরকে কোর্টে চালান করা হয়েছে।

 

/এআইবি/আরটি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

মাদক ভয়ংকর-৪

কত প্রকার মাদক আছে দেশে?

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:০০

দেশে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ২৭ ধরনের মাদক। নিয়মিত সেবনের তালিকায় ১৮ ধরনের মাদকই বেশি। সবচেয়ে বেশি সেবন হচ্ছে ইয়াবা ও গাঁজা। নতুন আইন করেও কমানো যায়নি মাদকের ব্যাপকতা। অভিযান চালিয়ে সরবরাহ চ্যানেল কিছু সময়ের জন্য আটকানো গেলেও আসক্তরা মাদক পাচ্ছে নিয়মিতই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মাদকের প্রসার না কমলে বাংলাদেশেও এর ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে না। এ নিয়ে নীতিনির্ধারকদের একযোগে পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

২৭ রকম মাদক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গবেষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন চার ধরনের মাদকসহ বাংলাদেশে ২৭ ধরনের মাদক উদ্ধার হয়েছে। এগুলো হলো- ম্যাজিক মাশরুম, ডায়মিথাইলট্রিপ্টামাইন (ডিএমটি), লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড (এলএসডি), ক্রিস্টাল মেথ বা আইস বা মেথামফিটামিন, এস্কাফ সিরাপ, ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, প্যাথিডিন, চোলাই মদ, দেশি মদ, বিদেশি মদ, বিয়ার, রেক্টিফায়েড স্পিরিট, ডিনেচার্ড স্পিরিট, তাড়ি, বুপ্রেনরফিন (টি.ডি. জেসিক ইঞ্জেকশন), ভাং, কোডিন ট্যাবলেট, ফার্মেন্টেড ওয়াশ (জাওয়া), বুপ্রেনরফিন (বনোজেসিক ইনজেকশন), মরফিন, ভায়াগ্রা, সানাগ্রা, টলুইন, পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট ও মিথাইল-ইথাইল কিটোন।

এ ছাড়াও বিভিন্ন বৈধ ড্রাগ একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে মাদক। এসবও সেবন হচ্ছে দেদার।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (চট্টগ্রাম অঞ্চল) মজিবুর রহমান পাটোয়ারী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের দেশের মাদকসেবীদের একাধিক মাদক গ্রহণের ঝোঁক রয়েছে। যে মাদকটা সে নিয়মিত গ্রহণ করে, সেটি না পেলে হাতের কাছে যা পায় তা-ই নিয়ে নেয়। মাদকসেবীরা নিজেরাও বৈধ ড্রাগের অপব্যবহার করছে। আমারা দেখেছি দেশে ৮ থেকে ১০ ধরনের মাদক নেওয়ার প্রবণতা বেশি। বাকিগুলো খুব একটা দেখা যায় না।’

আন্তর্জাতিক চক্রের নজর কেন বাংলাদেশে?

মাদকাসক্তি বিষয়ক গবেষক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এমদাদুল হক বলেন, ‘ভৌগোলিকভাবেই বাংলাদেশ বিশ্বের তিনটি বৃহত্তম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চলের মাঝে পড়েছে। এটি একটি ‘স্যান্ডউইচ’ অবস্থা। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলে আছে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড, গোল্ডেন ওয়েজ অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় দেশ ভারত এবং গোল্ডেন ক্রিসেন্ট অঞ্চলে আছে পাকিস্তান, ইরান ও আফগানিস্তান।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানে তাই বাংলাদেশের ভূকৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এ চক্রের সঙ্গে বাংলাদেশের মাদক কারবারিদের যোগাযোগটাও এ কারণে শক্তিশালী। শ্রীলঙ্কায় এর আগে মাদক নিয়ে বাংলাদেশি নারী-পুরুষ গ্রেফতার হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও পাঠানোর চেষ্টা হয়েছে। বিমানবন্দরে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে ও হচ্ছে।’

অধ্যাপক এমদাদুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে এই অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলো নিয়েও কাজ করতে হবে। কারণ তাদের দেশে মাদকের ভয়াবহতা থাকলে প্রভাব বাংলাদেশে পড়বেই।’

 

/এফএ/আপ-এনএইচ/
টাইমলাইন: ভয়ংকর মাদক
২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:০০
কত প্রকার মাদক আছে দেশে?
২৮ জুলাই ২০২১, ১৩:০০
২৬ জুলাই ২০২১, ১৬:০৯

সম্পর্কিত

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে ‘ট্যাপ’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে ‘ট্যাপ’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রাথমিকের নির্দেশনা

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রাথমিকের নির্দেশনা

লকডাউনে ঢাকায় ফেরার গল্প (ভিডিও স্টোরি)

লকডাউনে ঢাকায় ফেরার গল্প (ভিডিও স্টোরি)

সর্বশেষ

চারমাস ধরে সুনসান সুন্দরবন, সংকটে ট্যুর কর্মীরা

চারমাস ধরে সুনসান সুন্দরবন, সংকটে ট্যুর কর্মীরা

লোকবল নিচ্ছে ডাচ বাংলা ব্যাংক

লোকবল নিচ্ছে ডাচ বাংলা ব্যাংক

অনুমোদন পেল বুয়েট উদ্ভাবিত অক্সিজেট

অনুমোদন পেল বুয়েট উদ্ভাবিত অক্সিজেট

টিকার নিবন্ধনে জনপ্রতি নেওয়া হয় দেড় হাজার টাকা!

টিকার নিবন্ধনে জনপ্রতি নেওয়া হয় দেড় হাজার টাকা!

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

ফাঁকা শহরে বৃষ্টির আগমন (ফটোস্টোরি)

আমিরাত থেকে আসা জাহাজের ৮ নাবিক করোনায় আক্রান্ত

আমিরাত থেকে আসা জাহাজের ৮ নাবিক করোনায় আক্রান্ত

সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গে ৫ নারীর মৃত্যু

সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গে ৫ নারীর মৃত্যু

গতবারের চেয়ে এবার কৃষিঋণ ২০০০ কোটি টাকা বেশি বিতরণ করতে চায় ব্যাংক

গতবারের চেয়ে এবার কৃষিঋণ ২০০০ কোটি টাকা বেশি বিতরণ করতে চায় ব্যাংক

‘দুই ম্যাচের একটি জিতিয়েছি, তবে আলোচনায় আসার মতো ইনিংস খেলিনি’

‘দুই ম্যাচের একটি জিতিয়েছি, তবে আলোচনায় আসার মতো ইনিংস খেলিনি’

আবারও শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি গার্মেন্টস মালিকদের

আবারও শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি গার্মেন্টস মালিকদের

লকডাউনেও এক চাঁদের গাড়িতে ৭০ যাত্রী! 

লকডাউনেও এক চাঁদের গাড়িতে ৭০ যাত্রী! 

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

চার দিন পর শিশুকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে উদ্ধার পেলো তরুণী

৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে উদ্ধার পেলো তরুণী

চাঁদা দাবি করে প্রতিবন্ধীর দোকান বন্ধের অভিযোগ, পুলিশের উদ্যোগে ফের চালু

চাঁদা দাবি করে প্রতিবন্ধীর দোকান বন্ধের অভিযোগ, পুলিশের উদ্যোগে ফের চালু

গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত অনলাইনে নব্য জেএমবির প্রচারণায় সক্রিয় ছিল ইমন: সিটিটিসি

গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত অনলাইনে নব্য জেএমবির প্রচারণায় সক্রিয় ছিল ইমন: সিটিটিসি

বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

স্লিপার সেলের মাধ্যমে চলছিলো জঙ্গি কার্যক্রম: সিটিটিসি

স্লিপার সেলের মাধ্যমে চলছিলো জঙ্গি কার্যক্রম: সিটিটিসি

ঈদে গণপরিবহন চালু রাখার পরামর্শ ব্যবসায়ী ও পুলিশের

ঈদে গণপরিবহন চালু রাখার পরামর্শ ব্যবসায়ী ও পুলিশের

করোনায় ১০০ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৩ হাজার

করোনায় ১০০ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৩ হাজার

কিশোরের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করলো পুলিশ

কিশোরের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করলো পুলিশ

তবুও সিআইডি প্রধানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

তবুও সিআইডি প্রধানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

বাইরের জুতা নিয়ে ভেতরে না ঢোকার প্রতিশ্রুতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের

বাইরের জুতা নিয়ে ভেতরে না ঢোকার প্রতিশ্রুতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের

© 2021 Bangla Tribune