X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

গ্রামীণফোনের ১৫৯ কর্মীকে ছাঁটাই

আপডেট : ২৩ জুন ২০২১, ১৮:০২

গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ রবিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় এক ই-মেইলের মাধ্যমে ১৫৯ জন কর্মীকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করেছে। তারা গ্রামীণফোনের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন। ছাঁটাই করা ১৫৯ জন কর্মীর মধ্যে গ্রামীণফোন সেন্টারের (কাস্টমার কেয়ার) ৩৯ জন এবং টেকনোলজি বিভাগের (রিজিওনাল অপারেশন) ১২০ জন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ বাংলা ট্রিবিউনকে একটি বিবৃতি পাঠিয়েছে। বিবৃতিতে অপারেটরটি বলেছে, ছাঁটাইকৃত কর্মীরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ছিলেন এবং গত ১৩ মাস ধরে তাদের কোনও দায়িত্ব ছিল না। নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোন দেশের আইন অনুযায়ী উক্ত কর্মীদের ছাঁটাই করেছে। গ্রামীণফোন তার কর্মীদের ব্যাপারে যত্নশীল, এমনকি যেসব কর্মী গ্রামীণফোনের বাইরে ক্যারিয়ার গড়তে চাইছেন তাদের ক্ষেত্রেও। বাইরে ক্যারিয়ার গড়তে চাওয়াদের সহায়তায় গ্রামীণফোন স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা স্কিমসহ আকর্ষণীয় স্বেচ্ছা অবসর স্কিম (ভিআরএস) দিয়ে থাকে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গ্রামীণফোন এসব কর্মীদের সহায়তার জন্য একটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছে। গ্রামীণফোন কঠোরভাবে কর্মসংস্থানের শর্তাদি ও দেশের আইন মেনে চলে।

/এইচএএইচ/আইএ/

সম্পর্কিত

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ১১:০৮

ঈদুল আজহার আগে ৯ দিন লকডাউন শিথিলের সংবাদে ‘হতভম্ব’ হয়েছিল কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটি। গভীর উদ্বেগ জানিয়ে কমিটি সেসময় কঠোর লকডাউন টানা আরও দুই সপ্তাহ রাখার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সরকার জাতীয় কমিটির গভীর উদ্বেগকে আমলে না নিয়ে গত ১৩ জুলাই এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। ঈদের পরে সংক্রমণ আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, এতে এবার ‘হতাশা’ প্রকাশ করেছেন কারিগরি কমিটির সদস্যরা।

বিধিনিষেধ শিথিল করার ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আগামী ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের আরোপিত সকল বিধিনিষেধ শিথিল করা হলো।

কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান সেসময় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ প্রজ্ঞাপনে আমরা বিস্মিত, হতভম্ভ। সব খুলে দেওয়া হলো ৯ দিনের জন্য। সরকার বলছে, শিথিল করা হলো। অথচ সব আগের অবস্থায় চলে যাবে।’

কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্যরা বলেন, বিধিনিষেধ শিথিলতার এ নির্দেশনায় তাদের ‘সায়’ ছিল না। তারা বলেন, সরকারের বিধিনিষেধ শিথিলের এ ঘোষণা তাদের পরামর্শের উল্টো। এ সময় এ ধরনের শিথিলতা বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ারই শামিল। এমনকি স্বাস্থ্য অধিদফতর যেখানে বারবার ভিড় এড়িয়ে চলার কথা বলছে, সেখানে সংক্রমণের ‘পিক টাইম’-এ এ ধরনের ঘোষণা আমাদের আরও খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

আর লকডাউন শিথিলের সুযোগ নিয়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামমুখী হয়েছেন মানুষ। বাস, লঞ্চ কিংবা ফেরিতে গাদাগাদি করে গ্রামে গিয়েছেন ঈদ করতে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক হিসাবে, ঈদের ছুটিতে ২২ জুলাই পর্যন্ত ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৬৮৩টি মোবাইল সিমের ব্যবহারকারী। এত মানুষের ফেরার জন্য সময় রাখা হয়েছিল একদিন। আর এতে ফেরার পথেও হয় নানান বিশৃঙ্খলা। এখনও বিধিনিষেধের মধ্যেই নানানভাবে ঢাকায় ঢুকছে মানুষ।

এর ফলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশংকাকে সত্যি প্রমাণ করে গত ২৪ ঘণ্টায় (২৬ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে গত মহামারিকালের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও রেকর্ড সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই দিনে দেশে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এই সময়ে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ২৪৭ জনের মৃত্যু ও এ যাবৎকালে একদিনের সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৫ হাজার ১৯২ জনের শনাক্ত হওয়ার খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এর প্রতিক্রিয়ায় কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরার্মশক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমি হতাশ, অবশ্যই হতাশ। খুবই দুঃখজনক হলো বিষয়টা।

সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতিকে ‘মাল্টি-ফেকটোরিয়াল’ বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ডেফিনিটলি শিথিলতা এখানে কাজ করেছে, সংক্রমণ বাড়তির দিকে।

‘সেই সঙ্গে শিথিলতার মাধ্যমে যখন মানুষ ঘরের বাইরে বেরিয়েছে, তাদের মধ্যে একটি ‘সিগনিফিকেন্ট নাম্বার’ কোনও রকম স্বাস্থ্যবিধি মানে নাই’, বলেন তিনি।

‘যদি এমন হতো, আমরা শিথিল করলাম, কিন্তু শতভাগ মানুষের মুখে মাস্ক পরছে, তাহলে কি আজ এরকম হতো?...হতো না। এটা একটা বিষয়, আর এর সঙ্গে রয়েছে মাঝে ভ্যাকসিন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া। মাত্র তিন থেকে চার শতাংশের বেশি আমরা এখনও যেতে পারিনি। এটিও একটা কারণ। 

সঙ্গে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণশীলতাকেও ঊর্ধ্বমুখিতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করে অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন, এখন যত সংক্রমণ হচ্ছে তার মধ্যে ৮০ শতাংশই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, এই ভ্যারিয়েন্ট আগের যে কোনও ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে প্রায় দেড়গুণের বেশি ছড়াচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সব মিলিয়েই এ অবস্থা।

তিনি বলেন, এত মৃত্যু, এত সংক্রমণ দেখে হতাশ লাগছে, কিন্তু হতাশ হলে হবে না। এর চেয়েও হতাশাজনক অবস্থা অন্যান্য দেশ দেখেছে। তাই এখন সঠিক কাজটি সবাই মিলে করা দরকার। তার মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে সবাইকে বাধ্য করা। দ্বিতীয়ত, যে লকডাউন চলছে, তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা এবং তৃতীয়ত, রোগী শনাক্ত করণ টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়ানো। পারলে প্রতিদিন লাখের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া।

শনাক্ত রোগীদের আইসোলেশনে নেওয়াটাও জরুরি উল্লেখ করে অধ্যাপক সহিদুল্লা বলেন, সেই সঙ্গে যারা আক্রান্তের সংর্স্পশে এসেছেন তাদেরও কোয়ারেন্টিন করা। আর ফাইনালি আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনতে হবে দ্রুত, বলেন তিনি।

কমিটির আরেক সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এত মৃত্যু দেখে আজ সত্যিই হতাশ লাগছে। তবে এত মৃত্যু হচ্ছে হাসপাতাল অব্যবস্থাপনা ঘাটতির জন্য। হাসপাতালে অক্সিজেন নাই, যার অক্সিজেন লাগবে তাকে সেটা দেওয়া যাচ্ছে না। যার আইসিইউ লাগবে, তাকে আইসিইউ দেওয়া যাচ্ছে না। মানুষ মারা যাচ্ছে। জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, অথচ এখনও পর্যন্ত সেটা কার্যকর হয়নি।

করোনার সংক্রমণ কি কেবল ঢাকাতেই প্রশ্ন করে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকাতেও সব ফুরিয়ে আসছে। আবার জেলার মানুষ ঢাকায় আসবে, কিন্তু কতজন আসতে পারছে, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে।

/জেএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ১১:০০

রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে  গত ২২ জুলাই মারা যান শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের নবম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. জারিন তাসনিম রিমি। ডা. জারিন তিন দিনের জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তারপর তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তিনি নয়মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রতিদিন প্রেগনেন্ট চিকিৎসক মায়ের মৃত্যুর খবর শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন। কয়েকদিন আগে ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজের ডা. হালিমা মারা গেলেন।

চার মাসের গর্ভবতী সাংবাদিক শেখ সীরাজুম মুনীরা নীরা কেন গর্ভবতী নারীদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হচ্ছে না, সে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, টিকা না দেওয়ার কারনে গর্ভবতী নারীদের মৃত্যুর হার বেশি বলেই দেখা যাচ্ছে। তারা এমনিতেই অনেক বেশি ভালনারেবল নানা কারনেই। টিকা নিলে শঙ্কাটা কম থাকে।

ইংল্যাণ্ড-আমেরিকাতে দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনেক দেশের জন্য আলাদা নির্দেশনা দিয়েছে, সেই টিকাগুলোতে আমাদের দেশেও এসেছে। তাহলে আমরা কেন পাব না, প্রশ্ন করেন তিনি।

পেশায় সাংবাদিক সীরাজুম মুনীরা বলেন, সাংবাদিকসহ অনেক পেশার গর্ভবতীদের কাজের জন্য বাড়ির বাইরে যেতে হয়। ফলে তাদের এক্সপোজার বেশি হয়। এজন্য টিকার সুরক্ষা প্রয়োজন, বেশি বলেন।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। তখন থেকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় বলে এসেছে, যারা টিকার আওতার বাইরে থাকবে তাদের মধ্যে গর্ভবতী নারী অন্যতম। কারন গর্ভবতী নারীদের নিয়ে বিশ্বে কোনও ট্রায়াল হয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তখন জানিয়েছিল বছরে ৩৫ লাখ নারী গর্ভধারণ করেন, তারা অবশ্যই করোনা টিকার বাইরে থাকবেন।

সরকার দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে। বাকি ২০ শতাংশকে হার্ড ইমিউনিটির (গণরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) কারণে টিকা দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে গর্ভবতী অনেক নারীর মৃত্যু হয়েছে-যা আশঙ্কাজনক।

সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলেছে, গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই টিকা নেওয়া উচিত। এতে করোনা ঝুঁকি কমবে। গর্ভাবস্থায় অন্য কোনও সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে টিকা নিতে পারে। এতে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে এবং মা ও শিশু নিরাপদ থাকবে। কিন্তু বাংলাদেশে গর্ভবতী নারীদের টিকা কর্মসূচির আওতার বাইরে রাখায় ঘটছে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর ঘটনা।

গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে অবসট্রাক্টিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)।

সারা দুনিয়াতেই এখন গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ওজিএসবির সাবেক সভাপতি ও মামস ইন্সটিটিউট অব ফিস্টুলা অ্যান্ড উইমেন্স হেলথ এর প্রধান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার বলেন, প্রথম তিন মাস বা ১২ সপ্তাহ আমরা নিষেধ করছি। কারণ, সে সময়ে বাচ্চার অর্গানগুলো ডেভেলপ করে, তাই এ সময়ে না দিয়ে ১২ সপ্তাহ পর থেকে গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়া উচিত এবং বাংলাদেশে যে গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে সে ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তন আনা উচিত।

অবসট্রাক্টিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি) এর সাবেক সভাপতি ও ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার লিমিটেড (আইসিআরসি)এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সামীনা চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই টিকার আওতায় আনা উচিত।

সারা দুনিয়ায় দেওয়া হচ্ছে, আমাদেরও বসে থাকলে হবে না। বিশ্বের অনেক দেশেই গর্ভকালীন সময়ে টিকা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশেও এটা দেওয়া উচিত।

অতি সম্প্রতি গর্ভবতী অনেক নারীর মৃত্যু হচ্ছে এবং পেটের শিশুও মারা যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মায়ের যদি অক্সিজেন ঘাটতি হয় তাহলে সন্তান পেটের ভেতরে মারা যায়।

রাজধানীর করোনা ডেডিকেটেড একটি হাসপাতালের কথা জানিয়ে ডা. সামীনা চৌধুরী বলেন, ‘সেখানকার চিকিৎসকরা বলছেন, ‘গর্ভবতী নারীদের বাঁচাতেই পারছি না’

একমাত্র টিকাই তাদেরকে বাঁচাতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আর কোনও পথ খোলা নেই আমাদের সামনে।

‘ এতে রিস্ক-বেনিফিট দুটোই রয়েছে, কিন্তু এখানে রিস্ক কম, বেনিফিটই বেশি’  জানিয়ে তিনি বলেন, অধ্যাপক সামীনা চৌধুরী বলেন, টিকা দিলে অ্যাবরশন হবে কিনা-সে নিয়ে একটা সংশয় রয়েছে। কিন্তু সাধারণ সময়ে যে অ্যাবরশন হয়। টিকা দিলেও সেই একই হবে। এটি একদম প্রমাণিত।

তিনি আরও বলেন, অনেক জায়গায় ট্রায়াল হয়েছে, টিকা দিলে মা এবং সন্তানের বেনিফিট হয়। মায়ের বুকের দুধ খাচ্ছে-এমন অবস্থায় টিকাতো আগে থেকেই দেওয়া হচ্ছে। আর বেনিফিট এজন্য যে, মায়ের শরীরে যে ইমিউনিটি তৈরি হয় সেটা বুকের দুধ খাওয়া সন্তানের শরীরে গেলে সন্তানের উপকার হয়। তার মধ্যে রেজিস্ট্যান্স গ্রো করে মন্তব্য করে অধ্যাপক সামীনা চৌধুরী বলেন, এখন আর অপেক্ষা করার কোনও মানেই হয় না। ইতোমধ্যেই ওজিএসবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গর্ভবতী নারী এবং বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন এমন মায়েদের টিকার আওতায় আনতে হবে।

গর্ভধারণের যে কোনও স্টেজে টিকা দেওয়া যাবে এবং দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার লিমিটেড (আইসিআরসি) র চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম।

বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, গর্ভবতী নারীদের মৃত্যুহার এবারে অনেক বেশি।

ওজিএসবির পক্ষ থেকে আমরা সুপারিশ করেছি গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে জানিয়ে তিনি বলেন,  ‘ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা-সিনোভ্যাক সব টিকাই নেওয়া যাবে, অ্যালাউড।

পৃথিবীর সব সংস্থা গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছে, তাহলে আমরা কেন দেব না- বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,  আমরা ২৫ জুলাই একটি প্রস্তাব দিয়েছি নাইট্যাগকে (ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি গ্রুপ)। তারা যদি অ্যাপ্রুভ করে তাহলে আমরা দেব।

তিনি আরও বলেন, গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে অনেক দেশ তাদের নিজেদের প্রটোকলে দিয়েছে। যে কোনও দেশে তাদের নিজের প্রয়োজনে এটা করতেই পারে।

ওজিএসবির প্রস্তাবনা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও জানান তিনি। কেউ যদি টিকা নিতে চায়, ন্যাশনাল কমিটি যদি আমাদের অ্যাপ্রুভ করে তাহলে আমরা দেব।

 

/জেএ/এফএএন/

সম্পর্কিত

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ১০:০০

গত মে ও জুনে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিন দেশব্যাপী কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়। ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য ১৪-২২ জুলাই লকডাউন শিথিল করা হয়। তবে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের দ্বিতীয় দফায় কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।

ঈদুল আজহার আগে ও পরের এই লকডাউনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গ্রেফতার, জরিমানা ও মামলার হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ঈদের আগেই বেশি কঠোর ছিল পুলিশ। ওই সময় প্রথম তিনদিনে রাজধানীতে গ্রেফতার ও জরিমানার পরিমাণ ছিল দ্বিতীয় দফার প্রথম তিনদিনের চেয়ে বেশি।

তবে ডিএমপি’র দাবি, ঈদের আগের লকডাউনে মানুষের বাড়ি যাওয়ার তাড়া ছিল। তারা বিধিনিষেধ ও আইন উপেক্ষা করে রাস্তায় বের হতেন। কিন্তু ঈদের পর মানুষের এই তাড়া নেই। অনেকে বাড়ি থেকে এখনও ঢাকায় ফেরেনি। তাই অহেতুক ঘোরাফেরাও কম।

ঈদের আগে-পরে
ঈদের আগের লকডাউনের প্রথম তিনদিনে (১-৩ জুলাই) রাজধানীতে গ্রেফতার হয় এক হাজার ৪৯১ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা করা হয় ৭৬৬ জনকে। একই দিনে ১ হাজার ৩৩টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। জরিমানা করে ২৯ লাখ ৩১ হাজার ৬০০ টাকা।

পক্ষান্তরে ঈদের পরের লকডাউনের প্রথম তিনদিনে মহানগরীতে এক হাজার ৩৭৩ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং মোবাইল কোর্টে জরিমানা করা হয় ৫৭৩ জনকে।

অর্থাৎ ঈদের পরের লকডাউনের চেয়ে আগের লকডাউনে ১১৮ জন বেশি গ্রেফতার হয়েছিল। দ্বিতীয়বারের লকডাউনে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ১ হাজার ৪০৩টি গাড়িকে ৩৪ লাখ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে। সেই হিসাবে অবশ্য দ্বিতীয় লকডাউনে গাড়ির জরিমানা ও মামলা বেড়েছে।

লকডাউনে ডিএমপির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদের আগের লকডাউনের প্রথম দিন (১ জুলাই) রাজধানীতে গ্রেফতার হয়েছিল ৫৫০ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা হয় ২১২ জনের। ‍মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয় ৩৯১ জনকে। অর্থাৎ প্রথমদিন  ১১৫৩ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় ডিএমপি, ক্রাইম বিভাগ ও মোবাইল কোর্ট। একই দিনে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২৭৪টি গাড়ির বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দেয় এবং ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা করে।

চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদ। ছবি: নাসিরুল ইসলাম

অপরদিকে, ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। লকডাউনের প্রথমদিন ২৩ জুলাই ৪০৩ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। মোবাইল কোর্টে ২০৩ জনকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়। একই দিন ট্রাফিক বিভাগ ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

ঈদের আগের লকডাউনের দ্বিতীয় দিন (২ জুলাই) রাজধানীতে গ্রেফতার হয়েছিল ৩২০ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা হয় ২০৮ জনের। একই দিন ট্রাফিক বিভাগ ২১৯টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করে ও জরিমানা আদায় করে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

ঈদের পরের লকডাউনের দ্বিতীয় দিন ২৪ জুলাই ৩৮৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। জরিমানা হয় ১৩৭ জনের। তাতে আদায় হয় ৯৫ হাজার ২৩০ টাকা। ট্রাফিক বিভাগ এদিন ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা করে।

ঈদের আগে প্রথম লকডাউনের তৃতীয় দিন (৩ জুলাই) ঢাকায় গ্রেফতার হয় ৬২১ জন। মোবাইল কোর্টে ৩৪৬ জনকে জরিমানা করা হয় এক লাখ ৬ হাজার ৪৫০ টাকা। ওইদিন ৫৪০টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করে সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী ১৯ লাখ ২২ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।

২৫ জুলাই রাজধানীতে গ্রেফতার হয় ৫৮৭ জন। ডিএমপি ও মোবাইল কোর্টে ২৩৩ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৯৫০ টাকা। অপরদিকে, এদিন ৫২১টি গাড়িকে ১২ লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়ন এবং বিধিনিষেধ মানাতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ঈদের আগেই বেশি কঠোর ছিল।

তবে ডিএমপির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আগে যে কয়টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হতো, এখনও সে কয়টি হচ্ছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট রয়েছে। ট্রাফিক বিভাগ কঠোর পরিশ্রম করছে। ঈদের আগে মানুষের বাড়ি যাবার চাপ ছিল। তাই সেই সময় গ্রেফতার-জরিমানা বেশি হয়েছে। এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। তাই গ্রেফতার-জরিমানা কম হচ্ছে।’

প্রথম লকডাউন ঘোষণার সময় ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম হুঁশিয়ারি করে বলেছিলেন, ‘নাগরিকদের অবশ্যই লকডাউন মেনে চলতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যিনিই বের হবেন, তাকেই গ্রেফতার করা হবে।’

কমিশনারের এই ঘোষণার পর প্রতিটি এলাকাতেই পুলিশকে কঠোর হতে দেখা গেছে।

গত ১ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই ১৩ দিনের লকডাউনে বিধিনিষেধ অমান্য করে ঘরের বাইরে বের হওয়ায় মোট ১১ হাজার ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার করে ডিএমপি। এরমধ্যে থানা-পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৮ হাজার ৫৪০ জনকে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে গ্রেফতারের পর সাজা দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৮৯৪ জনকে। এ সময় জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯০৫ টাকা, যা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৭

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী প্রভাবে চলমান কঠোর বিধিনিষেধে বিভিন্ন মামলায় আসামিদের জামিনের মেয়াদ ও আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের কার্যকারিতা আরও এক মাস বৃদ্ধি করেছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে সকল মামলায় আসামিকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জামিন প্রদান করা হয়েছে বা যে সকল মামলায় উচ্চ আদালত হতে অধস্তন আদালতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের শর্তে জামিন প্রদান করা হয়েছে বা যে সকল মামলায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করা হয়েছে- সে সকল মামলার জামিন এবং সকল প্রকার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসমূহের কার্যকারিতা আগামী এক মাস পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছর ৫ এপ্রিল, ১৮ এপ্রিল, ২ ও ২৭ মে এবং ২৭ জুন পাঁচ দফায় পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে সব আসামির জামিন যথাক্রমে ২, ৪, ১ ও ১ মাস করে বৃদ্ধি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে আদালতে বিচারপ্রার্থীদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বারবার বিভিন্ন মেয়াদে আসামিদের জামিন ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের মেয়াদ বৃদ্ধি করে আসছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২৩:২৪

করোনার টিকা দেওয়ার জন্য কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য চেয়েছে সরকার। সকল অধ্যক্ষকে আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নির্ধারিত ছকে তথ্য পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয় হয়েছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে।

আদেশে বলা হয়, ‘কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রাজস্ব খাতভুক্ত সকল শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে নির্ধারিত ছকে তথ্য পাঠাতে হাবে, আগামী ২৯ জুলাই বিকাল ৫টার মধ্যে। নির্ধারিত ছকে শিক্ষক-কর্মচারীর নাম, পদবী, জন্ম তারিখ ও বয়স, কোভিড-১৯ টিকা সংক্রান্ত ও টিকা গ্রহণের তারিখ, অন্যান্য অসুস্থতা, অন্তঃসত্ত্বা, দুগ্ধপোষ্য শিশু ইত্যাদি তথ্য পাঠাতে বলা হয়।

 

/এসএমএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

সর্বশেষ

ব্যবধান গড়ে দিলো অস্ট্রেলিয়ার বোলিং

ব্যবধান গড়ে দিলো অস্ট্রেলিয়ার বোলিং

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৬ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৬ মৃত্যু

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

অলিম্পিকে প্রথম রাউন্ডে রোমানের জয়

টোকিও অলিম্পিকঅলিম্পিকে প্রথম রাউন্ডে রোমানের জয়

খুলনার চার হাসপাতালে ১৩ মৃত্যু

খুলনার চার হাসপাতালে ১৩ মৃত্যু

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

রাজশাহী মেডিক্যালে ২৭ দিনে ৪৭৪ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে ২৭ দিনে ৪৭৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৯ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৯ মৃত্যু

ভালো নেই নেত্রকোনার মিলন বয়াতি

ভালো নেই নেত্রকোনার মিলন বয়াতি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

গর্ভবতী নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

৪ কেজি স্বর্ণসহ সৌদি আরবফেরত যাত্রী আটক

৪ কেজি স্বর্ণসহ সৌদি আরবফেরত যাত্রী আটক

স্ত্রী-মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা: মোহন্দ্র চন্দ্রের স্বীকারোক্তি

স্ত্রী-মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা: মোহন্দ্র চন্দ্রের স্বীকারোক্তি

প্রণোদনা পেতে শুরু করেছেন করোনা ইউনিটের নার্সরা

প্রণোদনা পেতে শুরু করেছেন করোনা ইউনিটের নার্সরা

জার্মান দূতাবাসকে ভিসা কার্যক্রম পরিচালনার দিকনির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান

জার্মান দূতাবাসকে ভিসা কার্যক্রম পরিচালনার দিকনির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান

অনলাইন শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে ইউজিসির আহ্বান

অনলাইন শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে ইউজিসির আহ্বান

আগস্টে আরেক ধাক্কা

আগস্টে আরেক ধাক্কা

© 2021 Bangla Tribune