X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

র‌্যাবের দাবি

ওয়াজ মাহফিলের আড়ালে চলছিল গুনবীর জঙ্গি রিক্রুট

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২১, ১৯:২৩

বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে অংশ নিয়ে তার আড়ালে এবং বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে জঙ্গিবাদের প্রচারণা এবং জঙ্গিদের রিক্রুট করতো দাওয়াত-ই ইসলাম নামক ইসলামী সংগঠনের সভাপতি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের আধ্যাত্মিক নেতা মাহমুদ হাসান গুনবী ওরফে হাসান।  

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় এই সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। র‌্যাবের দাবি, গ্রেফতারকৃত মাহমুদ হাসান গুনবী ওরফে হাসান মানুষকে এতটাই মোটিভেট করতে পারত যে, যে কেউ তাদের মতাদর্শে জড়িয়ে পড়তে কোন পিছপা হতো না।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর কাওরান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, অনেককেই নিজের মোটিভেশনাল শক্তির মাধ্যমে অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতো সে। যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতো তাদের ভেতরে নানা ধরনের অনুশোচনাবোধ জাগিয়ে তুলতো এবং জঙ্গিবাদের বিভিন্ন মতাদর্শ তাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতো। উগ্রবাদী বক্তব্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দিতো গুনবী। বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলের অংশ নিয়ে তার মোটিভেশনাল পাওয়ারের মাধ্যমে জঙ্গিবাদ নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিদের মনস্তাত্ত্বিক বোধ জাগিয়ে তুলতো।

খন্দকার আল মঈন বলেন, সম্প্রতি আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য ওসামা এবং সাকিবকে গ্রেফতারের পর তার সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় র‌্যাব। তাদের গ্রেফতারের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জানতে পারে, সংসদ এলাকায় জড়ো হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার পরিকল্পনা ছিল তাদের। এ বিষয়ে গুনবীর সম্পৃক্ততা না পেলেও জঙ্গিবাদের উদ্বুদ্ধ করে জঙ্গি সংগঠনগুলোকে সদস্য বাড়াতে বিভিন্ন উগ্রবাদী মতবাদ প্রচারের বিষয়টি নিশ্চিত হয় র‌্যাব। ওসামা ও সাকিব গ্রেফতারের পর থেকে সে বিভিন্ন সময় খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজারসহ উত্তর বঙ্গ এবং রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় গ্রেফতার এড়াতে আশ্রয় নেয়। এ ছাড়া সম্প্রতি দেশত্যাগের পরিকল্পনা ছিল তার। কিন্তু তাদের চলমান অভিযানে গত বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী বিষয়ক বই এবং পুস্তিকা জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত গুনবীরের খাগড়াছড়িতে একটা মাদ্রাসা রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট একটি গ্রুপকে সে আলাদা করতো। যেখানে তার যাতায়াত ছিল। অনেককে সেখানে নিয়ে যেত। এ ছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদ্রাসাগুলোতে সে প্রচারণা এবং ওয়াজ মাহফিলে অংশ নিত। সেখানে বিভিন্ন ধরনের উগ্রবাদ বিষয়ক বক্তব্য দিয়েছিল গুনবী। এমনকি বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে উগ্রবাদ ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তার। এ ছাড়া জঙ্গিনেতা ওসামার প্রতিষ্ঠিত রাজবাড়ীতে একটি মাদ্রাসাতেও উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন গুনবীর। 

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সময়োচিত পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন অভিযানে জঙ্গি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠতে পারেনি। জঙ্গিবাদ আমরা নিয়ন্ত্রণে রেখেছি তবে এতে আমরা কোনও আত্মতুষ্টিতে ভুগছি না। যারা বিভিন্ন মাহফিলে অংশগ্রহণ বিষয়ক বক্তব্য রাখছেন তাদের বিষয়টি আমরা নজর রাখছি এবং আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আনসার আল ইসলাম মতাদর্শের সদস্যরা রাজধানীর মিরপুর এবং গাজীপুর এলাকায় তাদের অবস্থান কিছুটা বেশি রয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। গুনবীরের কাছে থেকে আমরা আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি। সে আনসার আল ইসলাম এবিটিএ পক্ষে অন্যতম একজন দর্শন পরিবর্তনকারী। গোপন আস্তানায় বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে প্রশিক্ষণার্থীরা আত্মীয়-স্বজন, পরিবার, বন্ধু-বান্ধব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। গ্রুপের প্রথমে হুজুরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে জসীমউদ্দিন রাহমানীর সঙ্গে তার পরিচয় ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ঘনিষ্ঠতা কারণে সে আনসার আল ইসলাম বাংলা টিমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। জসিম উদ্দিন রহমানি গ্রেফতারের পর সে পক্ষপাতিত্ব প্রচারক হিসেবে নিজেকে অধিষ্ঠিত করে।

এবছর এখন পর্যন্ত আনসার আল ইসলামের ৮৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে- এমন তথ্য জানিয়ে খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে আনসার আল ইসলামের সদস্যরাই বেশি ধরা পড়ছে, যারা উগ্রবাদী মতবাদের উসকে দিচ্ছে। গুনবী হেফাজতের কোনও কমিটিতে ছিল না এবং কোনও পদে ছিল না। তবে হেফাজতের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সে অংশ নিয়েছে। নিজেকে জাহির করতে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। সংগঠনের ভেতরে উগ্রবাদী মতাদর্শের প্রচারণায় সে ছায়া সংগঠন পরিচালনা করতো, যাদেরকে মানহাজি সদস্য বলা হয়। বাংলাদেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে আগ্রহ মতাদর্শ প্রচার পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার গোপন বৈঠক করেছে বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে গুনবীর। বিভিন্ন বিশ্বকে কেন্দ্র করে সুযোগসন্ধানীর অপপ্রয়াস চালায় সে।

গুনবী পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। ২০০৮ সালে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মোহাম্মদপুর থেকে তাইসির দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকাসহ কুমিল্লা-নোয়াখালী খাগড়াছড়ি বান্দরবান ও কক্সবাজারের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় মতাদর্শের বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত হন। ২০১৪ সাল থেকে ধর্মীয় বক্তব্য প্রচারে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন এবং সে ধর্মীয় বইয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন।

 

/আরটি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৫৬

স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হবেন। স্বপ্ন পূরণে করতে হবে আবেদন। আর প্রতিবার আবেদনে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা। আয় নেই, তাই বিক্রি শুরু করেন ধান। আর ধান বেচেই ১৯৮টি আবেদন করেন মনিরুল। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) তৃতীয় নিয়োগ চক্রে সুপারিশ মেলেনি তার।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সামিয়া ভরসীরও স্বপ্ন পূরণ হয়নি। অভাবের সংসারে টাকা খরচ করে ১৮বার আবেদন করেও সুপারিশ না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।

জয়পুরহাটের আজমান আদিল তাসহান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘গণিতে ৬৪ নম্বর নিয়ে নারী কোটায় ৪০টি আবেদন করেও সুপারিশ পাননি। বিধবা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক পদেও ৯০টি আবেদন করে সুপারিশ মেলেনি।’

পাবনার ঈশ্বরদীর মোছা. কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘ইহিতাসে ৫৭ নম্বর নিয়ে প্রভাষক পদে ১৩টি এবং সহকারী শিক্ষক পদে ২৭টি আবেদন করেছিলাম নারী কোটায়। কিন্তু সুপারিশ পাইনি।’

শিক্ষক নিয়োগ আবেদনের এমন ঘটনা শুধু এ কয়জনের নয়। শত শত প্রার্থী বাংলা ট্রিবিউনকে অভিযোগ করেন, ‘ডজনখানেক আবেদন করেও শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ পাননি তারা। অথচ তাদের চেয়েও কম নম্বর পাওয়া অনেকে সুপারিশ পেয়েছেন।’

এনটিআরসিএ বলছে, ‘নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ৬ হাজার ৭৭৭ জন এবং আবেদন না পাওয়ায় ৮ হাজার ৪৪৮ জনকে সুপারিশ করা হয়নি। পরে এসকল পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।’

সুপারিশ-বঞ্চিত মনিরুল ইসলাম জানান, ‘ঘরের সব ধান বিক্রি করে ১৯৮টি আবেদন করেছি। ঘরে আর ধান নেই। আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) দিনটা পার হয়েছে। কাল শনিবার (২৪ জুলাই) রান্না করার চাল নেই। চাল কেনার টাকাও নেই। ধানগুলো থাকলে সংসারটা চলতো। এখন কী করবো? চাকরি তো পেলাম না।’

মনিরুল জানান, সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৫২। অনেকে আরও কম নম্বরে চাকরি পেলেও তার সুযোগ হয়নি।

সামিয়া ভরসী দেশের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করেও নিয়োগের সুপারিশ পাননি সামিয়া ভরসী। কী কারণে পাননি তা বোধগম্য নয় বলে জানান তিনি।

পঞ্চম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সামিয়া উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০০৯ সালে। শিক্ষকতা করতে অপেক্ষা করেছেন ১২ বছর। আর অপেক্ষার ধৈর্য নেই তার।

সামিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রথম বুঝতে না পেরে শুধু একটি কলেজে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু ওই কলেজের বিপরীতে অনেক প্রার্থীর আবেদন থাকায় সুপারিশ পাইনি।’

কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যথাসময়ে নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি না করায় তার বয়স ৩৫ পেরিয়ে যায়। ফলে বিগত সময় আর নিয়োগের আবেদন করতে পারেননি।  প্রথম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীরা আদালতে মামলা করায় তৃতীয় নিয়োগ চক্রে আবেদনের সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু এবারও সুপারিশ পেলাম না।’

গণিতে ৬২ নম্বর পেয়ে ২২টি আবেদন করেও রংপুরের সোলাইমান আলী প্রভাষক পদে নিয়োগের সুপারিশ পাননি। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কমলেশ মণ্ডল সামাজিক বিজ্ঞানে ৭২ নম্বর নিয়ে ২০টি আবেদন করেছিলেন। তিনিও সুপারিশ পাননি বলে জানান। চট্টগ্রামের আলাউদ্দিন ফিন্যান্সে ৬০ নম্বর নিয়ে আবেদন করেছিলেন। মেধা তালিকায় তার সিরিয়াল ছিল ৮৯১। কিন্তু শিক্ষক হওয়া হলো না তারও।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার জয়নুল আবেদীন ব্যবস্থাপনায় ৬১ নম্বর নিয়ে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কোনও কলেজে তাকে সুপারিশ করা হয়নি।

সেলিনা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সামাজিক বিজ্ঞানে ৫২ নম্বর নিয়ে ৯৫টি আবেদন করেছিলাম। নারী কোটায় ৪৫টি আবেদন ছিল। কোনোটাতেই সুপারিশ মেলেনি।’

অনেকে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন শূন্য পদ নেই এমন প্রতিষ্ঠানে। ইশারত আলী ৬৮টি আবেদন করে পাবনার আটঘরি উপজেলার পারখিদিরপুর সেকেন্ডারি স্কুলে ভৌত বিজ্ঞানের নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন ঠিকই, তবে শূন্য পদ বিদ্যালয়টিতে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ জুলাই ৫১ হাজার ৭৬১ পদে নিয়োগের সুপারিশের জন্য তৃতীয় নিয়োগ চক্রের ফল প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। কিন্তু নিয়োগের সুপারিশ করেছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জনকে। ১৫ হাজার ৩২৫ জনকে সুপারিশ করতে পারেনি এনটিআরসিএ।  কারণ হিসেবে এনটিআরসিএ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানায়, নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ৬ হাজার ৭৭৭ জন এবং আবেদন না পাওয়ায় ৮ হাজার ৪৪৮ জনকে সুপারিশ করা হয়নি। পরে এসব পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সুপারিশ করা হবে।’

প্রায় সব আবেদনকারীদের বক্তব্য হলো, ‘প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে লাগে ১০০ টাকা। আবেদন করতে খরচ ৫০ টাকা। আবারও প্রত্যেক প্রার্থীকে কয়েক ডজন করে আবেদন করতে হবে? একটি পদের জন্য কেন এতবার আবেদন করতে হবে? এনটিআরসিএ কি আবেদনের অর্থ দিয়ে ব্যবসা করবে?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. এনামুল কাদের খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৪৫

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বেসরকারি উদ্যোগে ‘জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ চ্যালেঞ্জ ২০২১’। শিক্ষার্থীদের মাঝে জীবপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা ও জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করেছে জীবপ্রযুক্তিবিদদের সংগঠন গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশি বায়টেকনোলজিস্টস (জিএনওবিবি)।

রবিবার (২৫ জুলাই) সংগঠনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আয়োজকরা জানান, দেশের ৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭২টি দল অংশ নিচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়। প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্ব উদ্বোধন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও আইসিডিডিআর-বি’র বিজ্ঞানী ড. আসাদুল গনি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে জীবপ্রযুক্তি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তরুণদের জ্ঞান যাচাই ও বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন।’

এতে আরও বক্তব্য রাখেন— প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন— ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সাবরিনা মরিয়ম ইলিয়াস ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নূরনবী আজাদ জুয়েল। উদ্বোধনী পর্ব পরিচালনায় ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আদনান মান্নান।

প্রথম ধাপে ঢাকা মহানগর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও নোয়াখালী, রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গ— এই ছয়টি অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিযোগিতার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে নেটওয়ার্ক অব ইয়ং বায়টেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ও ২৭শে জুলাই এবং প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিটি পর্ব ফেসবুক লাইভে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশি বায়টেকনোলজিস্টস-এর ফেসবুক পেজ থেকে।

প্রতিযোগিতায় কমিউনিটি পার্টনার হিসেবে আছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি, চিটাগাং ইউনিভার্সিটি রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার স্টাডিস সোসাইটি, আইইউবি লাইফ সায়েন্স ক্লাব, খুলনা ইউনিভার্সিটি হেলিক্স, মাওলানা ভাসানি বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ক্লাব, ইউএসটিসি বিবিটেক সায়েন্স ক্লাব, নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাব, বমেশুপ্রবি সায়েন্স ক্লাব।

 

/এসও/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৩১

রাজধানীর বিভিন্ন বাসাবাড়িতে চুরির জন্য টার্গেট করে গৃহকর্মী সরবরাহ করে থাকে একটি চক্র। চক্রটির সরবরাহকৃত গৃহকর্মী নিয়োগের কয়েকদিনের মাথায় পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা ওইসব বাসায় চুরি করে এবং পালিয়ে যায়।

এমনই একটি  চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের পর রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মাহবুবুল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

গত শুক্রবার (২৩ জুলাই) রামপুরার হাইস্কুল গলির একটি বাসা থেকে সোনার চেইন, চুড়ি, আংটিসহ নগদ কিছু টাকা চুরি হয়। এই ঘটনার পরদিন গৃহকর্তা রামপুরা থানায় একটি মামলা করেন।মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা রমনা বিভাগ। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে ডিবি রমনা বিভাগের ‘অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিম’ কুমিল্লার লাকসাম থেকে গৃহকর্মী নুপুর আক্তারকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে  চুরি হওয়া ১টি সোনার চুড়ি, একটি সোনার আংটি ও নগদ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা টাকা ও স্বর্ণালংকার মাহবুবুল আলম বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে তাদের লোকদের নিয়োগ করে। পরে সুযোগ বুঝে তাদের পাঠানো গৃহকর্মী ওই বাসার স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। এ চক্রের অপর সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।’

যুগ্ম কমিশনার  মাহবুব আলম  আরও  বলেন, গৃহকর্মীদের কাজে নিয়োগের আগে তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ,বাড়ির ঠিকানা নিশ্চিত হতে হবে।’

প্রয়োজনে থানা পুলিশের সহায়তা নেওয়া এবং তার তথ্য পুলিশের সিআইএমএস-এ অন্তর্ভুক্তির জন্য সম্মানিত মহানগরবাসীকে অনুরোধ করেন গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা।

/এআরআর/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

সাগরে লঘুচাপ, কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির শঙ্কা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১২:৪২

মৌসুমি বায়ুর পাশাপাশি সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ থাকায় এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে দেশের  দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। এজন্য নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রবিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন,  সাগরে  থাকা সুস্পষ্ট লঘুচাপের  প্রভাবে দেশের অনেক এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। এজন্য নদীতে সতর্ক সংকেত রাখা হয়েছে। তবে লঘুচাপটি পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থান করায় আপাতত সমুদ্র বন্দরে দেওয়া সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উত্তর-পশ্চিম  বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঝাড়খণ্ড, উত্তর ছত্রিশগড় এবং উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থান করছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, হরিয়ানা,  উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় এবং অন্য এলাকার উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়,  ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে  ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই চট্টগ্রাম,  কক্সবাজার,  মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

এদিকে, নদী বন্দরগুলোর জন্য এক সতর্কবার্তায় বলা হয়,  ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর,  খুলনা,  বরিশাল, পটুয়াখালী,  নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ,  সিলেট  ও  কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর উপর দিকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য এসব এলাকার বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

/এসএনএস/এমএস/

সম্পর্কিত

সাগরে লঘুচাপ, ঢাকাসহ দক্ষিণে বৃষ্টি বাড়বে

সাগরে লঘুচাপ, ঢাকাসহ দক্ষিণে বৃষ্টি বাড়বে

ঢাকাসহ সারাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে

ঢাকাসহ সারাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে

বৃষ্টিপাত কমেছে, তবে নদী বন্দরে থাকছে ১ নম্বর সংকেত

বৃষ্টিপাত কমেছে, তবে নদী বন্দরে থাকছে ১ নম্বর সংকেত

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১২:২৬

রাজধানীর রামপুরার একটি বাসার দরজা ভেঙে আল মামুন (২৭) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি একটি কনসালটেন্টি ফার্মে চাকরি করতেন।

রবিবার (২৫ জুলাই) সকালে রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল হক জিহান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পূর্ব রামপুরার ২৬৯/১ নম্বর বাসা থেকে ওই যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।

শনিবার (২৪ জুলাই) রাতের কোনও একসময় তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। 

বাসার মালিকের বরাত দিয়ে এসআই কামরুল হক জিহান বলেন, মামুন তার কয়েকজন বন্ধুসহ ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। ঈদের ছুটিতে সবাই বাড়িতে চলে গেলে তিনি একাই বাসায় থেকে যান। রাতে একাধিকবার ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে আশপাশের লোকজন ডেকে পুলিশে খবর দেন বাড়ির মালিক। পরে পুলিশ গিয়ে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

পরে রাত পৌনে ১টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, নিহত মামুন সাতক্ষীরা কলারোয়া থানার গোয়ালপাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে।

/এআরআর/ ইউএস/

সম্পর্কিত

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

সর্বশেষ

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার: জিএম কাদের

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার: জিএম কাদের

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

মেয়েদের এক নম্বরের বিদায়

টোকিও অলিম্পিকমেয়েদের এক নম্বরের বিদায়

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

কিশোরীকে পতিতালয়ে বিক্রির হুমকি, আটক ১

লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

লকডাউনে অধস্তন আদালতের বিচার চলবে যেভাবে

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, আটক ১

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, আটক ১

‘নেইমারকে ব্যঙ্গ করতে’ কুকুর নির্যাতন, ৪ কিশোর আটক

‘নেইমারকে ব্যঙ্গ করতে’ কুকুর নির্যাতন, ৪ কিশোর আটক

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৪ কেজি তরল সোনা জব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৪ কেজি তরল সোনা জব্দ

© 2021 Bangla Tribune