X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর উত্তরাধিকারে বৈষম্য দূর করার দাবি

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, ২১:০৬

স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারের বিষয়টি বিদ্যমান আইন ও বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় উপেক্ষিত রয়ে গেছে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) আইনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ল এন্ড ডেভেলপমেন্ট (এফএলএডি)।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রানা দাশ গুপ্ত বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। আমরা এমন বাংলাদেশ চেয়েছিলাম যে বাংলাদেশ হবে সাম্য ও সমতার। একাত্তরে সবাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আক্রান্ত হয়েছিলো। ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে বা অন্য সকল ক্ষেত্রেই আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা দেখেছি। আমাদের (হিন্দু) নারীরা সবচেয়ে বেশি ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন। অথচ সবার কষ্টের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হলেও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও হিন্দুদের সম্পত্তি প্রত্যর্পনের ক্ষেত্রে আইনের পূর্ন ব্যবহার হলো না। বারবারই আমরা ভূমি বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। এখনও আমরা হামলা থেকে নিষ্কৃতি পাইনি। নির্যাতনের শিকার হয়ে পুরুষরা পালিয়ে যান, নারীরাও নির্যাতনের শিকার হন কিন্তু কিছু বলতে পারেন না।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশের মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসা উচিৎ ছিলো। কিন্তু তারা হিন্দু নারীদের অধিকার আদায়ের বিষয়ে চুপ থাকে। মনে রাখতে হবে, চোখ বন্ধ রাখলেই প্রলয় বন্ধ হবে না। আমরা হিন্দুরা নারীদের দেবতার আসনে মান্য করি। কিন্তু যখন সম্পত্তি ভাগের কথা আসে তখন আমরা কার্পন্যতা দেখাই।

রানা দাশ গুপ্ত বলেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইনের বিষয়ে আমাদের ভাবার সময় এসেছে। নিবন্ধন সুবিধা না থাকায় অনেকেই বিদেশ যাওয়াসহ বিভিন্ন কাজে বাধাপ্রাপ্ত হন। তাই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে এ বিষয়ে কাজ করা জরুরি। কেননা আমাদের যেতে হবে বহুদূর, কিন্তু একসঙ্গে সব জায়গায় হাঁটলে চলবে না।

এসময় তিনি হিন্দু কন্যাদের উত্তরাধিকারত্ত্ব ও নারীদের সমতা আনয়নের সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে এবং বৈষম্য ও অসমতা দূর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান।

এফএলডি’র সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে। আমাদের দেশীয় আইন ও সংবিধানেও ধর্ম নিরপেক্ষতা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হিসাবে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারের বিষয়টি বিদ্যমান আইন ও বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় সর্বদাই উপক্ষিত থেকে গেছে। তাই আমাদের এর পেছনের কারণগুলো নিয়ে ভাবতে হবে।

এফএলএডি’র আইন ও গবেষণা বিভাগের পরিচালক ব্যারিস্টার কাজী মারুফুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন‑ অ্যাডভোকেট মলয় সাহা, অ্যাডভোকেট তাপস পল, প্রসিকিউটর তাপস কান্তি বল, কমল দেবনাথ, মিলন দত্ত, মঞ্জু দে প্রমুখ।

/বিআই/এমএস/

সম্পর্কিত

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৬:১৩

দেশে প্রতি মাসে ১ কোটি লোককে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আমাদের ৮ কোটি ভ্যাকসিন রাখার সক্ষমতা আছে। আগামী দিনে প্রতিমাসে ১ কোটি লোককে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনায় কাজ করছি।

রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কনভেনশন সেন্টারে নির্মাণাধীন ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, যেভাবে রোগী বাড়ছে হাসপাতালের বেড সংকট দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ বেড রোগীতে ভর্তি হয়ে গেছে। এই ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম আগামী সাতদিনের মধ্যে চালু করতে পারবে। ভিসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলেছি, আশা করছি আগামী শনিবার থেকে আমরা রোগী ভর্তি করতে পারবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরে মিটিং করেছি ভ্যাকসিন নিয়ে। আমরা যাচাই করেছি আগামী দিনগুলোতে কোন দেশ থেকে কতো ভ্যাকসিন পাবো। সবমিলিয়ে আমাদের হিসাবে ২১ কোটির মতো ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা আছে। এই ২১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা, রাখার ব্যবস্থা এবং জনবলের যে ব্যবস্থা সেই পরিকল্পনা আমরা করেছি। আমাদের সক্ষমতা ৮ কোটি ভ্যাকসিন সংরক্ষণের। তাপমাত্রা সেনসিটিভ ভ্যাকসিনও প্রায় ৩০ লাখ সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে। আরও কিছু ফ্রিজের অর্ডার করা হয়েছে। সেগুলো আসলে সব মিলিয়ে কোটির কাছে চলে যাবে এই তাপমাত্রা সেনসেটিভ ভ্যাকসিন সংরক্ষণের ব্যবস্থা। আমাদের প্ল্যান হচ্ছে প্রত্যেক মাসে এক কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া।

এসময় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এ বি এম খুরশিদ আলম, বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শরফুদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

/এসও/ইউএস/

সম্পর্কিত

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত চেয়ে সিইসিকে আইনি নোটিশ

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৬:০২

করোনার উর্ধ্বমুখী সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিতের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (২৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ প্রেরণ করেন। পাঁচ আইনজীবী হলেন- মো. মুজাহিদুল ইসলাম, আল রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম এবং মুস্তাফিজুর রহমান।

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে চলমান লকডাউনেও নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব নয়। কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৩ এর দফা ৪ শর্তানুসারে সিলেট উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত। তাই 'আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না' এই বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উচিত চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে লকডাউনের সময়ে নির্বাচন না করা এবং আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যেকোনও দিন ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। ৩ লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতিরও বিরোধী।

তাই নোটিশে আগামী ২৮ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা না থাকায় ভোটগ্রহণ স্থগিতের অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হতে হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

/বিআই/এমএস/

সম্পর্কিত

নিঃস্ব মালয়েশিয়াপ্রবাসীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে না নিতে আইনি নোটিশ

নিঃস্ব মালয়েশিয়াপ্রবাসীদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে না নিতে আইনি নোটিশ

৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে ফুডপান্ডাকে আইনি নোটিশ

৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে ফুডপান্ডাকে আইনি নোটিশ

ডেলিভারি কোম্পানি রেডক্সকে আইনি নোটিশ

ডেলিভারি কোম্পানি রেডক্সকে আইনি নোটিশ

এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়ার প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইসি

এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়ার প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইসি

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৫:৪৮

বেসরকারি একটি সিকিউরিটি কোম্পানির গাড়িচালক মিজানুর রহমান আসছিলেন ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়ক দিয়ে। গাড়ি চালানো অবস্থায় খাচ্ছিলেন সিগারেট, আর  থুতনিতে ঝুলছিল মাস্ক। তার সঙ্গে পাশে বসা সিকিউরিটি কোম্পানির গানম্যানের মাস্কও ছিল নাকের নিচে। চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যরা গাড়িটি থামান। এ সময় জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট মিজানকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেন এবং অনাদায়ে সাত দিনের কারাবাসের শাস্তি দেন। পরে তিনি ৫০০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান। রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে  এমন ঘটনা দেখা যায়।

এ দিন দুপুরে ধানমন্ডি ২ নম্বর রোড দিয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করার সময় সিটি কলেজের সামনে চেকপোস্টে আটকানো হয় সেই মাইক্রোবাসটি। পুলিশ দেখে সিগারেট ফেলে দেন গাড়িচালক মিজানুর রহমান। এসময় পুলিশ সদস্যরা জানতে চান, ‘থুতনিতে মাস্ক কেন?’ উত্তরে তিনি গাড়ি থেকে নেমে বলতে থাকেন, ‘স্যরি স্যার’। তার সঙ্গে থাকা সিকিউরিটি কোম্পানির গানম্যানকে প্রশ্ন করলে তিনিও কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। পুলিশ সদস্যরা তখন তাকে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা রহমানের সামনে নিয়ে যান। 

লকডাউন চলাকালে ধানমন্ডিতে ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত মিজানুর রহমানকে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আপনি একে তো মাস্ক না পড়ে থুতনিতে রেখেছেন, তার ওপর আবার সিগারেট খাচ্ছেন। আপনাকে তো দ্বিগুণ জরিমানা করা দরকার।’   এরপর ফারজানা রহমান ম্যাজিস্ট্রেট ওই গাড়িচালককে ৫০০ টাকা জরিমানা আরোপ করেন এবং অনাদায়ে সাত দিনের জেল দেন। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট গানম্যানকে জেরা করলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন মিজানুরকে চেনেন না। 

পুলিশ সদস্যরা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করার জন্য বললে মিজানুর জানান, তার কাছে টাকা নেই। এই ফাঁকে সেই গানম্যান উল্টোদিকে হেঁটে চলে যান। মিজানুর বলতে থাকেন, ‘১২ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করে ৫০০ টাকা ক্যামনে দেবো।’ পুলিশ সদস্যরা তাকে বলেন, জরিমানা না দিলে হাজতে পাঠাতে হবে।  কিছু করার নাই ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ। তখন তিনি একজনকে ফোন দিয়ে বিস্তারিত ঘটনা বলেন। কিছুক্ষণ পর তার কোম্পানির একজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেন। পুরো ঘটনা শুনে এবং গানম্যানের আচরণের কথা শুনে নিজের পকেট থেকে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিধিনিষেধ অমান্য করে যারা বের হচ্ছেন, অধিকাংশই অযৌক্তিক কারণে বের হচ্ছেন। তাদেরকে আমরা জরিমানা কিংবা শাস্তির আওতায় আনছি।’

 

/এসও/এপিএইচ/  

সম্পর্কিত

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৫৬

স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হবেন। স্বপ্ন পূরণে করতে হবে আবেদন। আর প্রতিবার আবেদনে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা। আয় নেই, তাই বিক্রি শুরু করেন ধান। আর ধান বেচেই ১৯৮টি আবেদন করেন মনিরুল। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) তৃতীয় নিয়োগ চক্রে সুপারিশ মেলেনি তার।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সামিয়া ভরসীরও স্বপ্ন পূরণ হয়নি। অভাবের সংসারে টাকা খরচ করে ১৮বার আবেদন করেও সুপারিশ না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।

জয়পুরহাটের আজমান আদিল তাসহান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘গণিতে ৬৪ নম্বর নিয়ে নারী কোটায় ৪০টি আবেদন করেও সুপারিশ পাননি। বিধবা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক পদেও ৯০টি আবেদন করে সুপারিশ মেলেনি।’

পাবনার ঈশ্বরদীর মোছা. কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘ইহিতাসে ৫৭ নম্বর নিয়ে প্রভাষক পদে ১৩টি এবং সহকারী শিক্ষক পদে ২৭টি আবেদন করেছিলাম নারী কোটায়। কিন্তু সুপারিশ পাইনি।’

শিক্ষক নিয়োগ আবেদনের এমন ঘটনা শুধু এ কয়জনের নয়। শত শত প্রার্থী বাংলা ট্রিবিউনকে অভিযোগ করেন, ‘ডজনখানেক আবেদন করেও শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ পাননি তারা। অথচ তাদের চেয়েও কম নম্বর পাওয়া অনেকে সুপারিশ পেয়েছেন।’

এনটিআরসিএ বলছে, ‘নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ৬ হাজার ৭৭৭ জন এবং আবেদন না পাওয়ায় ৮ হাজার ৪৪৮ জনকে সুপারিশ করা হয়নি। পরে এসকল পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।’

সুপারিশ-বঞ্চিত মনিরুল ইসলাম জানান, ‘ঘরের সব ধান বিক্রি করে ১৯৮টি আবেদন করেছি। ঘরে আর ধান নেই। আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) দিনটা পার হয়েছে। কাল শনিবার (২৪ জুলাই) রান্না করার চাল নেই। চাল কেনার টাকাও নেই। ধানগুলো থাকলে সংসারটা চলতো। এখন কী করবো? চাকরি তো পেলাম না।’

মনিরুল জানান, সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৫২। অনেকে আরও কম নম্বরে চাকরি পেলেও তার সুযোগ হয়নি।

সামিয়া ভরসী দেশের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করেও নিয়োগের সুপারিশ পাননি সামিয়া ভরসী। কী কারণে পাননি তা বোধগম্য নয় বলে জানান তিনি।

পঞ্চম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সামিয়া উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০০৯ সালে। শিক্ষকতা করতে অপেক্ষা করেছেন ১২ বছর। আর অপেক্ষার ধৈর্য নেই তার।

সামিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রথম বুঝতে না পেরে শুধু একটি কলেজে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু ওই কলেজের বিপরীতে অনেক প্রার্থীর আবেদন থাকায় সুপারিশ পাইনি।’

কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) যথাসময়ে নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি না করায় তার বয়স ৩৫ পেরিয়ে যায়। ফলে বিগত সময় আর নিয়োগের আবেদন করতে পারেননি।  প্রথম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীরা আদালতে মামলা করায় তৃতীয় নিয়োগ চক্রে আবেদনের সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু এবারও সুপারিশ পেলাম না।’

গণিতে ৬২ নম্বর পেয়ে ২২টি আবেদন করেও রংপুরের সোলাইমান আলী প্রভাষক পদে নিয়োগের সুপারিশ পাননি। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কমলেশ মণ্ডল সামাজিক বিজ্ঞানে ৭২ নম্বর নিয়ে ২০টি আবেদন করেছিলেন। তিনিও সুপারিশ পাননি বলে জানান। চট্টগ্রামের আলাউদ্দিন ফিন্যান্সে ৬০ নম্বর নিয়ে আবেদন করেছিলেন। মেধা তালিকায় তার সিরিয়াল ছিল ৮৯১। কিন্তু শিক্ষক হওয়া হলো না তারও।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার জয়নুল আবেদীন ব্যবস্থাপনায় ৬১ নম্বর নিয়ে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কোনও কলেজে তাকে সুপারিশ করা হয়নি।

সেলিনা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সামাজিক বিজ্ঞানে ৫২ নম্বর নিয়ে ৯৫টি আবেদন করেছিলাম। নারী কোটায় ৪৫টি আবেদন ছিল। কোনোটাতেই সুপারিশ মেলেনি।’

অনেকে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন শূন্য পদ নেই এমন প্রতিষ্ঠানে। ইশারত আলী ৬৮টি আবেদন করে পাবনার আটঘরি উপজেলার পারখিদিরপুর সেকেন্ডারি স্কুলে ভৌত বিজ্ঞানের নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন ঠিকই, তবে শূন্য পদ বিদ্যালয়টিতে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ জুলাই ৫১ হাজার ৭৬১ পদে নিয়োগের সুপারিশের জন্য তৃতীয় নিয়োগ চক্রের ফল প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। কিন্তু নিয়োগের সুপারিশ করেছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জনকে। ১৫ হাজার ৩২৫ জনকে সুপারিশ করতে পারেনি এনটিআরসিএ।  কারণ হিসেবে এনটিআরসিএ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানায়, নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ৬ হাজার ৭৭৭ জন এবং আবেদন না পাওয়ায় ৮ হাজার ৪৪৮ জনকে সুপারিশ করা হয়নি। পরে এসব পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সুপারিশ করা হবে।’

প্রায় সব আবেদনকারীদের বক্তব্য হলো, ‘প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে লাগে ১০০ টাকা। আবেদন করতে খরচ ৫০ টাকা। আবারও প্রত্যেক প্রার্থীকে কয়েক ডজন করে আবেদন করতে হবে? একটি পদের জন্য কেন এতবার আবেদন করতে হবে? এনটিআরসিএ কি আবেদনের অর্থ দিয়ে ব্যবসা করবে?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. এনামুল কাদের খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৪৫

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বেসরকারি উদ্যোগে ‘জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ চ্যালেঞ্জ ২০২১’। শিক্ষার্থীদের মাঝে জীবপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা ও জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করেছে জীবপ্রযুক্তিবিদদের সংগঠন গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশি বায়টেকনোলজিস্টস (জিএনওবিবি)।

রবিবার (২৫ জুলাই) সংগঠনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আয়োজকরা জানান, দেশের ৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭২টি দল অংশ নিচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়। প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্ব উদ্বোধন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও আইসিডিডিআর-বি’র বিজ্ঞানী ড. আসাদুল গনি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে জীবপ্রযুক্তি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তরুণদের জ্ঞান যাচাই ও বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন।’

এতে আরও বক্তব্য রাখেন— প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন— ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সাবরিনা মরিয়ম ইলিয়াস ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নূরনবী আজাদ জুয়েল। উদ্বোধনী পর্ব পরিচালনায় ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আদনান মান্নান।

প্রথম ধাপে ঢাকা মহানগর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও নোয়াখালী, রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গ— এই ছয়টি অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিযোগিতার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে নেটওয়ার্ক অব ইয়ং বায়টেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৬ ও ২৭শে জুলাই এবং প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিটি পর্ব ফেসবুক লাইভে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশি বায়টেকনোলজিস্টস-এর ফেসবুক পেজ থেকে।

প্রতিযোগিতায় কমিউনিটি পার্টনার হিসেবে আছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি, চিটাগাং ইউনিভার্সিটি রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার স্টাডিস সোসাইটি, আইইউবি লাইফ সায়েন্স ক্লাব, খুলনা ইউনিভার্সিটি হেলিক্স, মাওলানা ভাসানি বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ক্লাব, ইউএসটিসি বিবিটেক সায়েন্স ক্লাব, নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাব, বমেশুপ্রবি সায়েন্স ক্লাব।

 

/এসও/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

সর্বশেষ

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত চেয়ে সিইসিকে আইনি নোটিশ

সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত চেয়ে সিইসিকে আইনি নোটিশ

নতুন প্রেমিকের সঙ্গেও সম্পর্কে ফাটল? 

নতুন প্রেমিকের সঙ্গেও সম্পর্কে ফাটল? 

উজিরপুরে ভুল চিকিৎসায় কাঠমিস্ত্রির মৃত্যুর অভিযোগ

উজিরপুরে ভুল চিকিৎসায় কাঠমিস্ত্রির মৃত্যুর অভিযোগ

দল ঢেলে সাজাচ্ছেন অলি আহমদ

দল ঢেলে সাজাচ্ছেন অলি আহমদ

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

থুতনিতে মাস্ক রেখে সিগারেট খাওয়ায় ৫০০ টাকা জরিমানা

মিসরকে হারিয়ে টিকে থাকলো আর্জেন্টিনা

অলিম্পিক ফুটবলমিসরকে হারিয়ে টিকে থাকলো আর্জেন্টিনা

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ফাঁকা

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ফাঁকা

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার: জিএম কাদের

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার: জিএম কাদের

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রামপুরায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

‘এত বছর বয়সে এমন কষ্ট কখনো করিনি বাবা’ 

‘এত বছর বয়সে এমন কষ্ট কখনো করিনি বাবা’ 

অযৌক্তিক কারণে বের হলে করা হচ্ছে জরিমানা

অযৌক্তিক কারণে বের হলে করা হচ্ছে জরিমানা

মূল সড়ক ফাঁকা, পাড়া-মহল্লায় আড্ডা 

মূল সড়ক ফাঁকা, পাড়া-মহল্লায় আড্ডা 

© 2021 Bangla Tribune