X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

নবনিযুক্ত উপাচার্যের কাছে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২১, ১২:৫৩

১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় উত্তরবঙ্গের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে পড়াশোনা করছেন প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠার ২১ বছরে হাবিপ্রবি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হলেও শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রত্যাশাও রয়েছে অনেক।

গত মাসে (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সপ্তম উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম কামরুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অভিভাবক উপাচার্যের কাছে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন হাবিপ্রবির ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির। 

শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য চাই

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইরফান ফরিদ পলক বলেন, একজন আদর্শ উপাচার্য সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে ভাবেন। এখানে একটি প্রশ্ন আসে ‘বিশ্ববিদ্যালয় কার?’। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষার্থীর আর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি মানেই হলো শিক্ষার্থীদের উন্নতি। অবকাঠামোগত উন্নয়ন কখনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন করতে পারে না। বরং শিক্ষার্থীদের অর্জিত শিক্ষার মান এবং তার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি উপাদানের উন্নয়নই হচ্ছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের মৌলিক এবং মুখ্য বিষয়। আমরা একজন শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য চাই যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানকে প্রাধান্য দিয়ে বর্তমান সমস্যাগুলোকে সমাধানের চেষ্টা করবেন।

সেশনজট এবং শিক্ষক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ চাই

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম ব্যাচের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী রাগীব হাসান সিফাত বলেন, আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক উপাচার্য স্যারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অন্তহীন। বর্তমান মহামারি পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থা অনেক করুন। চলমান সেশনজট ক্রমশ পরিস্থিতি প্রতিকূল পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। যদি সেশনজট কমিয়ে নিয়ে আসার জন্য প্রতি সেমিস্টার চার মাসে সম্পন্ন করা হয় তাহলে সেটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে বলে আমরা সবাই আশা রাখি। তবে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনলাইনে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত কিংবা লকডাউনে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দেওয়া আমাদের প্রত্যাশার পালে কিছুটা হওয়া জুগিয়েছে।

পাশাপাশি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগেই শিক্ষার্থী অনুপাতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। মাননীয় উপাচার্যের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে তিনি যেন সেশনজট নিরসনে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং ও সিএসই অনুষদের দিকে বিশেষ গুরুত্ব চাই

১৮তম ব্যাচের ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী উষ্ণ দাশ বলেন, আমি মনে করি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সিএসই এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের অধিকতর উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিৎ। পাশাপাশি এ দুটি অনুষদের সমন্বয়ে যদি কিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কনফারেন্সের আয়োজন করা যায় তাহলে অবশ্যই সেটি একটি ভালো পদক্ষেপ হবে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে একটি বা দুটি কনফারেন্সের আয়োজন করা গেলে শিক্ষার্থীদের মাঝে গবেষণার প্রতি যেমন আগ্রহ সৃষ্টি হবে তেমনি গবেষণার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও তারা দ্রুত শিখতে পারবে বলে আমি মনে করি। এক্ষেত্রে নবনিযুক্ত উপাচার্য অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

একাডেমিক ক্যালেন্ডার এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার চাই

১৭তম ব্যাচের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী সানজিদা সুলতানা সোমা বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে মাঝে মধ্যেই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও ক্যাম্পাসে ছিনতাই-হয়রানি রুখতে এবং আমরা যারা মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছি তাদের ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের আশপাশে নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে উপাচার্য স্যারের কার্যকর ভূমিকা দেখতে চাই।

এ ছাড়াও স্যারের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ থাকবে আমাদের যেন প্রতি সেমিস্টারের শুরুতেই একাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় এবং সেশনজট নিরসনে সেই একাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়নের জোর দাবিও জানাই। এ ছাড়াও প্রাকটিক্যাল নোট বুক লেখার পরিবর্তে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন’র ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ফিল্ডসহ অন্যান্য সুবিধার জন্য ক্যাম্পাস সম্প্রসারণেরও দাবি জানাই।

আবাসন এবং পরিবহন সেবার অগ্রগতি চাই 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান মিতুল জানান, শিক্ষার্থী হিসেবে এমন ক্যাম্পাস চাই যেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ও গবেষণার জন্য যথাযথ পরিবেশ থাকবে। এ ছাড়াও চাইবো গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, গবেষণার জন্য সবার সহাবস্থান নিশ্চিতের পাশাপাশি আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থা সমৃদ্ধ হোক। বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সংকট রয়েছে চরমে। যার দরুন শিক্ষার্থীদেরকে ক্যাম্পাসের আশেপাশে এবং শহরের মেসগুলোতে থাকতে হচ্ছে। ফলে আমাদের ভাড়াও গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের ৫টি, মেয়েদের ৩টি হল থাকলেও প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য হলের সিট সংখ্যা যথেষ্ট নয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের কাছে আমার আবেদন থাকবে তিনি যেন দ্রুত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত হল নির্মাণের মাধ্যমে আবাসন সংকট দূরীকরণ এবং প্রত্যেকটা হল অনলাইনের আওতায় এনে হলে সিট প্রাপ্তির আবেদনসহ অন্যান্য সকল কার্যক্রম শুরু করেন। পাশাপাশি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সেবার পরিসর বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। এ ছাড়াও ক্যাম্পাস থেকে সৈয়দপুর হয়ে রংপুর পর্যন্ত সপ্তাহে প্রতিদিন সকাল-বিকেল বাস চলাচলের আবেদন জানাচ্ছি। সেক্ষেত্রে সৈয়দপুর, রংপুর এবং আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরা চাইলে বাসা থেকেই যদি ক্লাস করতে পারে, তাহলে আবাসন সংকট কিছুটা হলেও কমবে বলে আমি মনে করি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন ও পরিবহন সংকটসহ সকল সংকট দূর করে শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলবেন এই আশাই ব্যক্ত করছি উপাচার্য মহোদয়ের কাছে।

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন চাই

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম ব্যাচের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মদিনা আক্তার মিম বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাণবন্ত করে তুলতে যে যে উপাদানগুলো প্রয়োজন আমি চাইবো নতুন উপাচার্য স্যার সেগুলোই বাস্তবায়ন করুন। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনগুলোকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানাই। এ ছাড়াও আমাদের প্রাণের দাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে উপাচার্য স্যারের জোর পদক্ষেপ চাই।

 

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

উপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

উপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২১:৫৩

করোনা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ত্যাগের মহিমায় ভিন্নরকম ঈদ উযযাপন করলো বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা। তবে নিজ পরিবার এবং মাতৃভূমি থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশে পড়তে এসে কিছুটা ভিন্নরকম এক ঈদ উযযাপন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) বিদেশি শিক্ষার্থীরা। বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো খুলে দেওয়া হবে এই আশায় এবং ঝামেলা এড়াতে নিজ দেশে ফেরেননি হাজী দানেশের এসব শিক্ষার্থী। তাই পরিবার, আত্নীয়-স্বজন ছাড়াই ক্যাম্পাসের বাঙালি বন্ধুদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন তারা।

ভারত, ভুটান, নেপাল, সোমালিয়া, নাইজেরিয়াসহ ছয়টি দেশ থেকে আসা এসব বিদেশি শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন তাদের ঈদ অনুভূতি। বাংলাদেশে ঈদ কেমন উদযাপন হলো জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ তম ব্যাচের কৃষি অনুষদের সোমালিয়ার শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ্ আলী ইব্রাহিম বলেন, মহামারির সময়ে পরিবার থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে ঈদ উদযাপন করাটা কিছুটা কঠিন ছিল। তবে এই অপূর্ণতা বুঝতে দেয়নি এখানকার বন্ধুরা। আমরা অনেক মজা করার চেষ্টা করেছি এবং মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের পর এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করেছি। প্রচুর ছবিও তুলেছি। এর ফাঁকে পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলেও আনন্দ ভাগাভাগি করেছি।

এই জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বাঙালি বন্ধু তাদের বাসায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। একটু ভিন্নভাবে ঈদ উদযাপন করার সুযোগ করে দেওয়ায় মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড  ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) অনুষদের নেপালি শিক্ষার্থী দিপক শাহ বলেন, প্রথমত আমি অনেক আনন্দিত যে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম এক সংস্কৃতিতে এবারের ঈদ উদযাপন করা দেখলাম। এখানকার বাংলাদেশি বন্ধুরা অনেক বেশি আন্তরিক। আমার রংপুরের বন্ধু আবির রহমান ঈদে তার বাসায় নিমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সেখানে গিয়ে আমি তাদের সঙ্গে ঈদ উযযাপন করেছি। তার পরিবার ঈদে আমাকে উপহার হিসেবে নতুন পোশাক এবং নগদ টাকা দিয়েছে।

ঈদের দিন নতুন টাকা পেয়ে কিছুটা বিস্মিত এই শিক্ষার্থী বললেন, নতুন টাকা হাতে পেয়ে কিছুটা বিস্ময় লাগছিল। পরে বন্ধু জানালো ঈদের দিনে এমন রীতি আছে, ঈদ সেলামি হিসেবে এই টাকা দেওয়া হয়। তা ছাড়াও তার পরিবারের সবাই আমার অনেক যত্ন-আত্তি করেছে। বন্ধু আবির রহমান ও তার পরিবারের জন্য অনেক ভালোবাসা রইলো।

কথা হয় নাইজেরিয়ার শিক্ষার্থী আবু বকর সাঈদু-র সঙ্গে। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার জন্যই হাজার-হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এখানে এসেছি। এখন পরিবারের বাইরেও আরেকটি পরিবার হয়ে উঠেছে, যার নাম হাবিপ্রবি পরিবার। বাঙালিসহ সকল বিদেশি বন্ধুরা একসাথে ঘোরাঘুরি ও আনন্দ করেছি। আমার ডায়েরির অনেকগুলো পাতায় লিখে নিয়েছি এই ঈদের অভিজ্ঞতা। এই ঈদ আমার জীবনের স্মরণীয় একটি ঘটনা হয়ে থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম ব্যাচের কৃষি অনুষদের ভারতীয় শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সফিউল্লাহ জানান, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য প্রায় দেড় বছর ধরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো খুলে দিবে এই আশায় থেকে আর দেশে ফেরা হয়নি। এজন্য আগের মতো ঈদের আনন্দ তেমনভাবে উপভোগ করতে পারিনি। আসলে বন্ধু-পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারাটা অনেক মজার। যাইহোক, ঈদে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজ পড়ে বাংলাদেশি বন্ধুরাসহ অন্যান্য দেশের বন্ধুদের সাথে বেশ মজা করেছি এবং প্রচুর ছবি তুলেছি। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার মাঝেই ঈদের আনন্দকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেছি। 

কৃষি অনুষদের সোমালিয়ার শিক্ষার্থী লিবান আলী মাহমুদ ঈদের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, 'আসলে করোনা পরিস্থিতির জন্য এবছর সোমালিয়ায় গিয়ে ঈদ উযযাপন করতে পারিনি। এজন্য কিছুটা খারাপ লাগছে যদিও। তবে এখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিকতায় এই খারাপ লাগা কিছুটা হলেও কমে গিয়েছে। এছাড়াও ঈদে অন্যান্য বাংলাদেশি এবং বিদেশি বন্ধুদের সাথে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছি'।

বিদেশি এসব শিক্ষার্থীকে ঈদে ঘুরে নিয়ে বেড়িয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। তাদের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঈদে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সাথে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছি। নানা কারণে ঈদে এবার আমারও বাড়ি ফেরা হয়নি। এজন্য বিদেশি এসব বন্ধুদের সাথেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছি, অনেক আড্ডা দিয়েছি। আড্ডায় তাদের ছোটোবেলার ঈদ স্মৃতিচারণ শুনে বেশ ভালো লেগেছে। বিভিন্ন দেশের বন্ধুরা একসাথে নিজেদের রীতি-রেওয়াজ সম্পর্কে  শুনে অনেক কিছু জেনেছি, শিখেছি। এবারের ঈদে আমার বিদেশি বন্ধুদের একাকিত্ব অনুভব করার সুযোগ দেইনি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভারত, ভুটান, নেপাল, সোমালিয়া, নাইজেরিয়াসহ ছয়টি দেশের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নের দিক থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে হাজী দানেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

/ইউএস/

সম্পর্কিত

প্রথম দিনেই সেশনজট নিরসনে জোর দিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য

প্রথম দিনেই সেশনজট নিরসনে জোর দিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য

হাজী দানেশে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের আহ্বান

হাজী দানেশে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের আহ্বান

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২১, ১৭:১২

করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় আগামী আগস্টে অনুষ্ঠেয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২০-২১ সেশনের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঈদের পর পরিস্থিতি বুঝে পরীক্ষার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। মঙ্গলবার (২০ জুলাই) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম। 

তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হচ্ছে। রাবিতেও আগামী আগস্টে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মঙ্গলবার এক নির্বাহী আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের পর বিশ্ববিদ্যালয় খুললে আমরা পরিস্থিতি বুঝে নতুন করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবো।’

প্রসঙ্গত, আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

/এএম/ 

সম্পর্কিত

রাবি শিক্ষার্থীদের বাসে পাথর ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা

রাবি শিক্ষার্থীদের বাসে পাথর ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা

লকডাউনে আটকেপড়া শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেবে রাবি

লকডাউনে আটকেপড়া শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেবে রাবি

ভিসিশূন্য রাবি গুজব উৎপাদনের কারখানা?

ভিসিশূন্য রাবি গুজব উৎপাদনের কারখানা?

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২১, ১৯:১৮

দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় এবং গত ২১ জুন দিনাজপুর সদর উপজেলা লকডাউন ঘোষিত হবার পর সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) কর্তৃপক্ষ। এরপর ১২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হাবিপ্রবি প্রশাসন। 

অনলাইনে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে পরীক্ষা নেওয়া হবে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা সোমবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সূত্র নিশ্চিত করেছে, বিভিন্ন অনুষদদের ডিনসহ ১৩ সদস্য বিশিষ্ট অনলাইন পরীক্ষা সংক্রান্ত উপকমিটির দেওয়া এই নির্দেশিকা অনুযায়ীই হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অনলাইন পরীক্ষা সংক্রান্ত ঐ নীতিমালায় বলা হয়েছে:


পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী অনুষদ অথবা বিভাগ কর্তৃক পরীক্ষা রুটিন সমূহ প্রকাশিত হবে যা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ শাখা কর্তৃক নোটিশ বোর্ডে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।


পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ও সময় নির্ধারণ সংক্রান্ত নিয়মাবলী

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতির কুইজ ও মিড টার্মের জন্য নির্ধারিত মোট নম্বরের যথাক্রমে ১০% ও ২০% নম্বরের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কোর্স শিক্ষক অনলাইনে এম. সি. কিউ/সৃজনশীল/অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে/টার্ম পেপার/মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে অথবা অন্য যে কোন সুবিধাজনক পদ্ধতিতে গ্রহণ করা যাবে।

আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার জন্য বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী A ও B সেকশন করে লাগাতার ক্রমিক নম্বর দিয়ে প্রশ্ন প্রণয়ন করা হবে। এক্ষেত্রে ক্রেডিট অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের মোট নম্বর বণ্টন বিদ্যমান পদ্ধতি অনুযায়ীই হবে। কিন্তু অনলাইন পরীক্ষার সময়কাল ক্রেডিট আওয়ার অনুযায়ী পূর্বের পরীক্ষার সময়কালের অর্ধেক সময় হবে। যেমন, ৩ ক্রেডিট কোর্সের জন্য ১.৫ ঘণ্টা ও ২ ক্রেডিট কোর্সের জন্য ১ ঘণ্টা হবে। এক ক্রেডিট কোর্সের সময়ও পূর্বের পরীক্ষার সময়কালের অর্ধেক হবে সময় হবে। প্রশ্নকর্তা প্রশ্ন প্রণয়নকালে পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ সময়কে বিবেচনায় নিয়ে সংক্ষিপ্ত উত্তর হয় এমন প্রশ্নমালার সন্নিবেশ করবেন। 


পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুতকরণ

প্রতিটি পরীক্ষার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত চীফ সুপারভাইজার কমপক্ষে ২ দিন পূর্বে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জুম লিংক তৈরি করবে এবং পরীক্ষার্থীদের ইমেইল, গ্রুপ অথবা গুগল ক্লাসরুমে প্রেরণ হবে। অনলাইনে ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার জন্য গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করতে হবে। প্রতি সেমিস্টার/বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ক্লাসরুম খোলা হবে। পরীক্ষার্থীদের এবং সংশ্লিষ্ট ইনভিজিলেটরগণকে গুগল ক্লাসরুমে অথবা ইমেইলে একাউন্ট খুলতে হবে। পরীক্ষা শেষ হবার ২০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ পরীক্ষার খাতা গুগল ক্লাসরুম অথবা ইমেইলে কম্বাইন্ড পিডিএফ ফাইল করে প্রেরণ করবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র আপলোড ও প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে সুপারভাইজারগণ পরীক্ষা বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

জুমে যুক্ত হবার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষার রোল নম্বর এবং নামের ব্যবহার করতে হবে। (যেমন, Student ID_Student  Name)। কোনও পরীক্ষার্থী অনুরূপভাবে যুক্ত না হলে কর্তব্যরত ইনভিজিলেটর অথবা পর্যবেক্ষকদের একজন তাকে রিনেইম করে দেবে।

শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ১৫ মিনিট পূর্বে জুমে যুক্ত হতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষার অন্তত এক ঘণ্টা আগে পরীক্ষা কমিটি গুগল ক্লাসরুমের স্ট্রিমে জুমের আইডি-পাসওয়ার্ড এবং জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কমিটির কমপক্ষে দুজনের মোবাইল নম্বর পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে শেয়ার করবে।


পরীক্ষা দেওয়ার সময় ভিডিও অন রাখতে হবে

পরীক্ষাদের অবশ্যই ভিডিও সচল রেখে দৃশ্যমান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা অন্য কোনও কারণে কোন পরীক্ষার্থী জুম প্ল্যাটফর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে অনধিক ১০ মিনিটের মধ্যে কর্তব্যরত সুপারভাইজারগণের যে কোন একজনকে মোবাইল করে জানাবে। অন্যথায় ভিডিও সচল না থাকলে তা পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করা হয়েছে মর্মে বিবেচিত হবে এবং তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার শামিল হবে।


উত্তরপত্র সংগ্রহ ও বিতরণ বিষয়ক কার্যাবলী

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার পূর্বেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া উত্তরপত্রের নির্ধারিত ফরমেট অনুযায়ী A4 সাইজ কাগজে কভার পেইজ নিজ হাতে লিখে প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রতিটি কোর্সের পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ দশ (১০) টি শিট নিজ দায়িত্বে পরীক্ষার পূর্বে প্রস্তুত রেখে পরীক্ষায় বসবে। উত্তর পত্রের প্রতি পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠা নম্বর এবং পরীক্ষার রোল নম্বর লিখতে হবে।


এরপর পরীক্ষা শেষ হবার সর্বোচ্চ ২০ মিনিটের মধ্যে উত্তরপত্র কম্বাইন্ড পিডিএফ ফাইল করে গুগল ক্লাসরুম অথবা ইমেইলে প্রেরণ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র আপলোড ও প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে তাকে যৌক্তিক কারণ উল্লেখপূর্বক অনতিবিলম্বে কর্তব্যরত চীফ সুপারভাইজার ও সুপারভাইজারগণকে অবহিত করতে হবে। সুপারভাইজারগণ তার কারণ বিশ্লেষণ পূর্বক তাকে পরবর্তীতে উত্তরপত্র আপলোড ও প্রেরণের অনুমতি প্রদান করতে পারেন অথবা তার পরীক্ষা বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।


ব্যবহারিক পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা


তত্ত্বীয় পরীক্ষাসমূহ অনলাইনে সম্পন্ন হবার পর যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা হাতে কলমে কাজ না করে করা সম্ভব তা বিভাগীয় পরীক্ষা কমিটির মতামতের ভিত্তিতে অনলাইনে নেওয়া হবে। তবে শুধুমাত্র যেসকল ব্যবহারিক কোর্স হাতে-কলমের কাজ করা ব্যতীত সম্ভব নয় তা অবশ্যই সুবিধাজনক সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইন-পার্সন ক্লাস করে সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে কোর্স শিক্ষক ও বিভাগীয় পরীক্ষা কমিটি সম্মিলিতভাবে প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, রাজমিস্ত্রীর কাজে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, রাজমিস্ত্রীর কাজে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী

নাম সর্বস্ব ঢাবি প্রকাশনা সংস্থা! 

নাম সর্বস্ব ঢাবি প্রকাশনা সংস্থা! 

পরীক্ষার ঘোষণায় ক্যাম্পাসে এসে ভোগান্তিতে হাজী দানেশের শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষার ঘোষণায় ক্যাম্পাসে এসে ভোগান্তিতে হাজী দানেশের শিক্ষার্থীরা

ঢাবিতে ৮৩১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেট পাস

ঢাবিতে ৮৩১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেট পাস

ঢাবির শতবর্ষপূর্তি

উপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২১, ১৫:৪২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে উপাচার্য ভবন চত্বরে ভেষজ গুণসম্পন্ন একটি দুষ্প্রাপ্য ‘রুদ্রাক্ষ গাছে'র চারা রোপণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ জুলাই) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান চারাটি রোপণ করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাবি আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা এবং উপাচার্যের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রুদ্রাক্ষ এক প্রকার বৃহৎ চিরহরিৎ বৃক্ষ। এটি এখন একটি দুষ্প্রাপ্য গাছ। এই গাছ Elaeocarpaceae পরিবারভুক্ত Elaeocarpus উদ্ভিদ। এর অনেক প্রজাতি রয়েছে যার মধ্যে এ প্রজাতিটি অন্যতম। রুদ্রাক্ষ গাছ দেখতে অনেকটা বকুল গাছের মতো। গাছের ফল দেখতে গাঢ় নীল রঙের। এই ফলের বহিরাবরণ সরিয়ে নিলে রুদ্রাক্ষ বেরিয়ে পড়ে। এই ফল মৃগীরোগীদের জন্য উৎকৃষ্ট।

/এসএমএ/এমএস/

শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে জবি প্রশাসন 

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ০০:০০

লকডাউনে ঢাকায় আটকে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঈদুল আজহা উপলক্ষে পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ উৎযাপন করতে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ( জবি )। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহণ ও বিআরটিসির ভাড়া বাসসহ মোট ২৮টি গাড়িতে শনিবার ( ১৭ই জুলাই ) সকালে প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট বিভাগের মোট ১৫০৭ জন শিক্ষার্থী বাড়ি যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাস দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। রবিবার (১৮ জুলাই) দ্বিতীয় ধাপে বরিশাল, খুলনা বিভাগ এবং ১৯ জুলাই তৃতীয় ধাপে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের শিক্ষার্থীদের জেলা ও বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে জীবনের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরতে পেরে উচ্ছ্বাসিত শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস করে এমন ভাবে কখনো বাড়ি ফেরা হয়নি। মনে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সবাই মিলে কোথাও পিকনিক করে যাচ্ছি। আমরা কালের স্বাক্ষী হয়ে রইলাম।  আমার ক্যাম্পাসের বাস আমার জেলায় যাচ্ছে এই সত্যি যেমন আনন্দের তেমনি গর্বের বিষয়ও। পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ করব, বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দদায়ক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এরকম একটা উদ্যোগের জন্যে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর পরিবহন প্রশাসক আবদুলাহ আল মাসুদ বলেন, ‘সকাল ৮টার পরে প্রথম দিনে তিনটি বিভাগের বিভিন্ন রুটে গাড়ি যাচ্ছে। একতলা ৬টি বাসে করে সিলেট বিভাগে ২৯৩ শিক্ষার্থী, ১২টি বাসে করে রাজশাহী বিভাগে ৫০২ শিক্ষার্থী, রংপুর ৭১২ জন শিক্ষার্থী যাচ্ছেন। আজকে মোট ১৫০৭ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে মোট ২৮ টি বাস যাচ্ছে তিনটি বিভাগে। এর মধ্যে ৬ টি বাস বিআরটিসির, বাকীগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস।’ আগামীকাল ১৮ই জুলাই বরিশাল ও খুলনা বিভাগের শিক্ষার্থী ও ১৯ ই জুলাই চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ জেলার শিক্ষার্থীদের জেলা ও বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রত্যাশা করছি সবাই যেন নিরাপদে বাড়ি যেতে পারেন।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

উপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

উপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

সর্বশেষ

‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

শেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

স্মরণে ফকির আলমগীরশেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় মুখ্য হিট অফিসার নিয়োগ

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় মুখ্য হিট অফিসার নিয়োগ

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা

তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

রাবির ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

যেভাবে হবে হাবিপ্রবির অনলাইন পরীক্ষা 

উপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

ঢাবির শতবর্ষপূর্তিউপাচার্য ভবন চত্বরে রুদ্রাক্ষের চারা রোপণ

শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে জবি প্রশাসন 

শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে জবি প্রশাসন 

করোনার টিকা পাচ্ছেন হাজী দানেশের শিক্ষার্থীরা

করোনার টিকা পাচ্ছেন হাজী দানেশের শিক্ষার্থীরা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় হাবিপ্রবিতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় হাবিপ্রবিতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আবদুল মতীনের মৃত্যু

ঢাবির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আবদুল মতীনের মৃত্যু

১২ দিনের ছুটিতে ডিআইইউ

১২ দিনের ছুটিতে ডিআইইউ

রাবি শিক্ষার্থীদের বাসে পাথর ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা

রাবি শিক্ষার্থীদের বাসে পাথর ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা

© 2021 Bangla Tribune