X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সকাল থেকেই ঘাটে বাড়িফেরা মানুষের চাপ

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ১১:৩৫

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ঈদ উপলক্ষে বাড়িফেরা মানুষের চাপ থাকলেও মানিগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় এ চাপ কম দেখা গেছে। রবিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠে শিমুলিয়া ঘাট। অন্যদিকে পাটুরিয়া ঘাটে চাপ ছিল না দূরপাল্লার বাসের, পার হয়েছে পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোটগাড়ি। ফেরি বহরের ১৬টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করছে কর্তৃপক্ষ।

সকাল থেকে ফেরি পারাপারে ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ ছিল বেশি মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সকাল থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে চড়ে যাত্রীরা ঘাটে উপস্থিত হয়ে ফেরি ও লঞ্চে পদ্মা পার হচ্ছেন। তবে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ আছে।

ফেরিঘাটে যানবাহন আর লঞ্চঘাটে যাত্রীদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। তবে, ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই যাত্রীদের পদ্মা নদী পার করা হচ্ছে। যদিও বাস্তবে তা দেখা যায়নি। ঘাটে গাড়ি প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। ফেরিতে কিছু গাড়ি ঘাট ছেড়ে যাওয়ার পর সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহন ফেরিঘাটে প্রবেশ করানো হচ্ছে।

বিআইডাব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, নৌরুটে বর্তমানে ১৩টি ফেরি সচল রয়েছে। ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য যাত্রী ও পণ্যবাহী মিলিয়ে তিন শতাধিক যানবাহন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব যানবাহন পারাপার করা হবে। তবে, জুন মাসের পর থেকে পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগছে বলে জানান তিনি।

শিমুলিয়ায় লঞ্চঘাটে সকাল থেকে যাত্রীর ভিড় দেখা গেছে মুন্সীগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রাসেল মনির জানান, ঘাটে অপেক্ষমাণ সব যান সিরিয়াল মেনে পার করা হচ্ছে। কোনও যানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে না।

এদিকে সকাল থেকেই পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় দূরপাল্লার বাসের চাপ না থাকায় শুধু পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোটগাড়ির পাশাপাশি মানুষ পার করছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

পাটুরিয়া ঘাটে গণপিরবহন ও যাত্রীর চাপ কম দেখা গেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপ মহা-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জিল্লুর রহমান জানান, সকাল থেকেই ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। সবগুলো ঘাট দিয়েই পারাপার চলছে। পারাপারের অপেক্ষায় দূরপাল্লার বাসের চাপ নেই। বর্তমানে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি।

তিনি আরও জানান, পাটুরিয়ায় সাড়ে তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক, অর্ধশতাধিক ছোটগাড়ি নৌ পথ পারের অপেক্ষায় আছে। বাসের চাপ না থাকায় সিরিয়াল অনুযায়ী ছোট গাড়ি ও সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে পার করা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭


খুলনা বিভাগে দুই দিনের মাথায় করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৪৫ জন মারা গেছেন। একই সময় শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২৭৮ জন। এর আগে ২৪ জুলাই বিভাগে ৩৩ জন মারা গেছেন। 
 
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. ফেরদৌসী আক্তার। এ নিয়ে করোনায় খুলনা বিভাগে মৃত্যুের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুই হাজার ১৭১ জন। আর শনাক্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৬২ জন।
 
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে খুলনা জেলায় ১১ জন ও শনাক্ত ১৯৭ জন, বাগেরহাটে মারা গেছেন দুই জন ও শনাক্ত ১১৫, সাতক্ষীরায় মারা গেছেন একজন ও শনাক্ত ৬১ জন, যশোরে মৃত্যু ছয় ও শনাক্ত ১৩৬ জন, নড়াইলে মৃত্যু একজন মারা গেছেন ও শনাক্ত ৩৪ জন, মাগুরায় মৃত্যু তিন জন ও শনাক্ত ৭৪ জন, ঝিনাইদহে মৃত্যু দুই জন ও শনাক্ত ২৭৯ জন, কুষ্টিয়ায় মারা গেছেন ১৫ জন ও শনাক্ত ২৬০ জন, চুয়াডাঙ্গায় একজন মারা গেছেন ও শনাক্ত হয়েছেন ৬৯ জন এবং ‍মেহেরপুরে মৃত্যু তিন জনের ও শনাক্ত ৫৩ জন।



/টিটি/

সম্পর্কিত

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭

সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছেছে ভারত থেকে আসা ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন (এলএমও) বহনকারী ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’। ভারতীয় ট্রেনটির ১০টি কনটেইনারে আসা অক্সিজেন খালাসের পর এই স্টেশন থেকে সড়কপথে ঢাকায় নেওয়া হবে।

রবিবার (২৫ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায় ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’। ইতোমধ্যে ঢাকাসহ বেশকিছু স্থান থেকে অক্সিজেনবাহী লরি এসেছে। এগুলোতে খালাস করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে রেল ও স্বাস্থ্য অধিদফতর।  

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন বুঝে নেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া বেগম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সেলস) নুর উর রহমান প্রমুখ।

অক্সিজেন বুঝে নেয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ

লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া খাতুন জানান, করোনা মোকাবিলায় আমদানিকৃত তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন সড়কপথে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকায় নেওয়া হবে। সেখান থেকে করোনা মোকাবিলায় দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে। এর আগে টাটা দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের অধীনে চক্রধরপুর বিভাগের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন পরিবহনের চাহিদা জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ জানান, করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের সেবার জন্য জরুরিভাবে এ অক্সিজেন লিনডে বাংলাদেশ ভারত থেকে সরকারি সহযোগিতায় আমদানি করা হয়েছে, যা এখান থেকে খালাসের পর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে।

অক্সিজেন নিয়ে এসেছে ভারতীয় ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন জানান, ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন শনিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরে আমদানি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ১০টি কনটেইনারবাহী অক্সিজেন এক্সপ্রেস রওনা দেয়। আজ সকাল ৭টায় ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

যশোর জেনারেল হাসপাতালে আরও ৭ মৃত্যু

যশোর জেনারেল হাসপাতালে আরও ৭ মৃত্যু

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৩:৫৮

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে তাকেই বিয়ে করেছেন এক সহকারী শিক্ষিকা। শনিবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে ওই শিক্ষিকার বাড়িতে বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলাম সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নের মাগন ব্যাপারীর কান্দি গ্রামের আব্দুর রব ব্যাপারীর ছেলে। তিনি তারাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিয়ের বিষয়টি ওই শিক্ষিকা মোবাইলফোনে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা বিয়ে করেছি। বিয়েতে ছয় লাখ টাকা দেনমোহর ধরা হয়েছে। আর উশুল ধরা হয়েছে এক লাখ টাকা। আমি প্রধান শিক্ষককে বিয়ে করে খুশি হয়েছি।  

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির, স্থানীয় আজহারুল গাজী, ইউসুফ মোল্লা, নাজমুল বালা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক আযহারুলের প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে উকিল বাবা হন স্থানীয় আজাহার গাজী।

এরআগে বিকালে প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই সহকারী শিক্ষিকা। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সাল থেকে ওই সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলামের সম্পর্ক চলে আসছে। গত ২২ জুলাই বাড়ি ফাঁকা থাকায় প্রধান শিক্ষক আযহারুল ওই শিক্ষিকাকে মোবাইলফোনে তার বাড়িতে যেতে বলেন। আযহারুলের কথামতো রাত ১০টার দিকে ওই শিক্ষিকা সেখানে যান। তখন বিয়ের কথা বলে ওই শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেন আযহারুল। তবে ওই শিক্ষিকা বিয়ে না করা পর্যন্ত বাড়ি থেকে যেতে অস্বীকৃতি জানালে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শিক্ষিকাকে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে শিক্ষিকাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ওই প্রধান শিক্ষক ও তার আত্মীয়রা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ওই ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হবে।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, শনিবার বিকালে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছেন এক সহকারী শিক্ষিকা। পরে শিক্ষিকাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখন শুনলাম তারা নাকি বিয়ে করে ফেলেছেন।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৩:১৯

দিনাজপুরের হিলিতে লকডাউনের কারণে পাইকার না আসায় এবং মোকামগুলোতে চামড়ার হাট ঠিকমতো না বসায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। হাজার হাজার চামড়া কিনে তারা বাইরে লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে রেখেছেন। কিন্তু এগুলো সময়মতো বিক্রি করা নিয়ে শঙ্কায় তারা।

হিলির মুন্সিপট্টির চামড়া ব্যবসায়ী আমজাদ মুন্সি ও রকি মুন্সি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা প্রায় সাত হাজার গরুর চামড়া কিনে প্রক্রিয়াজাত করে মজুত করে রেখেছি। গত বছরের চেয়ে লবণের দাম বেশি। এছাড়া শ্রমিকের মজুরিও বেশি হওয়ায় এবার বাড়তি দামে চামড়া কিনে তা সংরক্ষণ করতে বেশি খরচ পড়েছে। সাত হাজার চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতেই আমাদের দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে। কিন্তু ১৪ দিনের লকডাউনের কারণে এখন পর্যন্ত কোনও পাইকার না আসায় চামড়াগুলো বিক্রি করতে পারছি না।’

চামড়ার হাট ঠিকমতো না বসায়  বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা

তারা আরও বলেন, ‘সবাই বলছে, লকডাউন যাক তারপর চামড়া কিনবো। এতে আমরা চামড়া বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে গেছি। আর ট্যানারি মালিক যারা রয়েছেন, তারা এখন পর্যন্ত চামড়া কিনতে বের হননি। আমাদের এই অঞ্চলে পলাশবাড়ি ও নাটোরে দুটি চামড়ার হাট হয়। কিন্তু এখনও হাটের অবস্থা খুব ভালো না। কোনও খরিদদার হাটে আসেনি। চামড়াগুলো বিক্রি করতে দেরি হলে সব নষ্ট হয়ে যাবে।’

এই ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘জায়গা না থাকায় আমাদের চামড়াগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে। একে তো বৈরি আবহাওয়া, তার ওপর যদি বৃষ্টিপাত হলে চামড়া নষ্ট হয়ে আমাদের অনেক লোকসান গুনতে হবে।’

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

‘রোহিঙ্গা’ বলায় মাইক্রোচালককে পিটিয়ে হত্যা!

‘রোহিঙ্গা’ বলায় মাইক্রোচালককে পিটিয়ে হত্যা!

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৩:০৬

মরু অঞ্চলের জনপ্রিয় ফল ত্বীন চাষে রংপুরের তরুণ উদ্যোক্তা দুই সহোদর সাফল্য পেয়েছেন। করোনা পরিস্থিতিতে স্বল্প সময়ে পুষ্টি ও ওষুধিগুণ সম্পন্ন এ ফলের চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তারা। ফল ও চারা বিক্রি করে তারা সাত মাসে লাখ টাকার ওপরে আয় করেছেন। তবে দেশে অপ্রচলিত এ ফলের সঠিক দাম পেতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি করেছেন ত্বীন ফল চাষি দুই ভাই।

জানা যায়, রংপুরে প্রথমবারের মতো ডুমুর সদৃশ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এ ফলের চাষ হয়েছে মিঠাপুকুর উপজেলার শাল্টিগোপালপুরে। তরুণ উদ্যোক্তা ইনাম হাসান রাহাত ও তার বড় ভাই আসিফ হাসান রাতুল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তিনশ’ চারা দিয়ে ৩৩ শতাংশ জমিতে ত্বীনের আবাদ শুরু করেন। রোপণের তিন মাসের মাথায় শুরু হয় ফল সংগ্রহ। এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার টাকা ব্যয় করে সাত মাসের মধ্যে লাভের মুখ দেখেছেন তারা। বিষমুক্ত উপায়ে ত্বীন উৎপাদনে বাগানে ব্যবহার করা হচ্ছে জৈব বালাইনাশক। করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার কর্মহীন হয়ে যাওয়া ছয় জন শ্রমিকও এ বাগানে নিয়মিত কাজ করছেন।

তরুণ উদ্যোক্তা ইনাম হাসান রাহাত জানান, সৌদি আরবসহ মরু অঞ্চলে পবিত্র ফল হিসেবে ত্বীনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ডুমুর সদৃশ এই ত্বীন ফল যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টি সমৃদ্ধ। মুসলিম অধ্যুষিত মরু অঞ্চলে এই ফল পবিত্র হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। এ ফল ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করেন মরু অঞ্চলের মানুষ। 

রাহাত বলেন, মরু অঞ্চলের এই পবিত্র ফলের অনেক গল্প শুনেছি। এরপর সৌদি আরব থেকে এক ব্যক্তির মাধ্যমে বীজ সংগ্রহ করি। দুই ভাই মিলে নিজেদের ৩৩ শতক জমিতে শুরু করি ত্বীন চাষ। আমাদের এলাকা বালুময় না হলেও লালমাটি সমৃদ্ধ এলাকা। প্রথমদিকে ভেবেছিলাম হয়তো এখানে এই ফলের চাষ ভালো হবে না। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই ত্বীন ফলের গাছ পুষ্ট হয়ে বড় হতে থাকে। ছয় মাসের মধ্যে সেই গাছে ত্বীন ফল আসে। দেখতে অনেকটা আমাদের দেশের ডুমুর ফল মনে হলেও গোলাপী রঙ ধারণ করা এক একটি ত্বীন ফল খেতে বেশ সুস্বাদু।

ত্বীন ফলের চাষের কথা জানাজানি হওয়ায় দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন ফলের গাছ দেখতে। অনেকেই ত্বীন চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি।

রাহাতের বড় ভাই রাতুল বলেন, আমরা ফল বিক্রির পাশাপাশি বাগান থেকে উচ্চমূল্যে চারা বিক্রি শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ফল ও চারা বিক্রি করে লাখ টাকারও বেশি আয় হয়েছে বলে জানান তারা। 

রাতুল বলেন, এখন পর্যন্ত বাগান তৈরি ও ফল উৎপাদনে আসতে ৭০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। প্রতিকেজি ফল ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চারা বিক্রি করে ৭০ হাজার টাকার বেশি আয় করেছি। তিন মাস পর পর ফল আসে। এছাড়া চারা বিক্রি করেও ভালো লাভ হচ্ছে। তবে অপ্রচলিত এ ফলের দেশীয় চাহিদা সৃষ্টি হলে আরও ভালো দাম পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। এ জন্য তিনি সরকারি সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতার কথা বলেন।  

তিনি আরও জানান, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ত্বীন ফলের চাষ করা হলে লাভবান হওয়া যাবে। তারা দুই ভাই আরও জমিতে ত্বীন চাষ করে স্বাবলম্বী হতে চান। ফল বিক্রির পাশাপাশি চারা বিক্রি করে রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ত্বীন ফলের চাষ ছড়িয়ে দিতে চান।  

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফজালুল হক জানান ত্বীন ফল মরু অঞ্চলে ব্যাপক জনপ্রিয় ও পবিত্র ফল হিসেবে পরিচিত। এর ওষুধিগুণও অনেক। এ ফলের বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ করলে অনেক অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। একইসঙ্গে যেহেতু এ ফলের বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাহিদা রয়েছে সে কারণে ত্বীন ফল চাষ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। 

/টিটি/

সম্পর্কিত

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

সর্বশেষ

‘বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী সরবরাহ’

‘বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী সরবরাহ’

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

লীগ শব্দ জুড়ে দিয়েই আ.লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্তের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

লীগ শব্দ জুড়ে দিয়েই আ.লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্তের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

পর্নো ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলেন এই তারকারাও!

পর্নো ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলেন এই তারকারাও!

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ‘ফাইনাল’

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ‘ফাইনাল’

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

টোকিও অলিম্পিকে আরও খারাপ করলেন বাকী

টোকিও অলিম্পিকে আরও খারাপ করলেন বাকী

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

© 2021 Bangla Tribune