X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

নারায়ণগঞ্জে জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ড

নিহত শ্রমিকদের আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণের দাবি স্কপের

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ১৭:৪৮

নারায়ণগঞ্জে সজীব গ্রুপের সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ‘কাঠামোগত হত্যা’র শিকার ৫২ জন শ্রমিকসহ নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারপ্রতি আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ এবং হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়িদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

রবিবার (১৮ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংহতি সমাবেশে এই দাবি জানায় স্কপ নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সজীব গ্রুপের সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকান্ডে ৫২ জন শ্রমিকের কাঠামোগত হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ি কারখানা মালিক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন ঐক্যবদ্ধ।  সরকার গত ১৫ জুলাই কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে ২৪ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রধান হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একজন ব্যবসায়ী নেতাকে। কমিটিতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের রাখা হয়েছে যাদের অব্যবস্থাপনার কারণে কর্মক্ষেত্রে বলি হতে হয় শ্রমিকদের। অথচ কোন শ্রমিক প্রতিনিধিকে এই কমিটিতে রাখা হয়নি। এই কমিটি মালিক এবং স্বার্থান্বেষী সরকারি কর্মকর্তাদের স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে শ্রমিকদের জন্য কর্মপরিবেশ আদৌ কতটুকু নিরাপদ করতে পারবে তা নিয়ে আশংকা প্রকাশ করা যায়।

৫২ জন শ্রমিকের হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ি যে মালিক কর্তৃপক্ষ তাদের ২ জন ইতোমধ্যে জামিন পেল কিভাবে- সেই প্রশ্ন রেখে নেতৃবৃন্দ বলেন, দায়ি সরকারি কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে কোন নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠিত হয়নি। কিন্তু দায়ি ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য মালিককে উল্লেখযোগ্য ব্যয় বহন করতে হয়নি বলেই তাজরিন, রানা প্লাজার মতো ঘটনার পরও শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা যায়নি। নেতৃবৃন্দ তদন্তপূর্বক দায়িত্ব অবহেলার জন্য দায়ি কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা, নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারকে আই.এল.ও কনভেনশন ১২১ অনুসারে আজীবন আয়ের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহত শ্রমিকদের বিনামূল্যে চিকিৎসা-পুনর্বাসন-ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং শ্রম আইনের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত ধারাসমূহ সংশোধন করার দাবি জানান।

স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং আহসান হাবিব বুলবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে স্কপ নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুল আহসান, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাকীল আক্তার চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ রফিক, জাতীয় শ্রমিক লীগের ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ হোসেন প্রমুখ।

/এসও/এমএস/

সম্পর্কিত

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

সুসময়ের অপেক্ষায়... (ফটোস্টোরি)

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:৪৬

রাজধানীর সদরঘাট মানেই মানুষের কোলাহল আর সারি সারি লঞ্চ। সন্ধ্যা নামলেই সেই লঞ্চগুলোর ফাঁকে দেখা মেলে অদ্ভূত দৃশ্য। জোনাকি পোকার মতো কিছু আলো দুলছে। আসলে ঘাটের ওপারে যাওয়ার সবচেয়ে সহজ বাহন ছোট নৌকা। বুড়িগঙ্গার পানি ততটা উপভোগ্য না হলেও অনেকেই সেসব নৌকা ঘণ্টা হিসাবে ভাড়া করে কিছুটা সময়ও কাটিয়ে আসেন। তবে করোনা মহামারি অন্য অনেক কিছুর মতোই কেড়ে নিয়েছে সদরঘাটের চেনা রূপ। সেখানে এখন সেই কোলাহল নেই, লঞ্চের ভেঁপুর শব্দ নেই। সদা ব্যস্ত নৌকাগুলো অলস পড়ে আছে ঘাটে  বাঁধা। পদ্মের মতো সাজিয়ে রাখা হয়েছে নৌকাগুলো। অবশ্য এর মধ্যেও কেউ কেউ জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বেরোচ্ছেন, তাদের ঘাট পার করাতে আশপাশে অপেক্ষা করছেন মাঝিরা। তারা বলছেন, সুসময়ের অপেক্ষা করা ছাড়া এখন আর কিছু করার নেই।

/ইউআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই...’ (ফটোস্টোরি)

‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই...’ (ফটোস্টোরি)

হাসপাতালে স্বজনদের বেদনাতুর চোখ (ফটোস্টোরি)

হাসপাতালে স্বজনদের বেদনাতুর চোখ (ফটোস্টোরি)

মুষলধারে বৃষ্টি, তবুও বের হয়েছেন তারা (ফটোস্টোরি)

মুষলধারে বৃষ্টি, তবুও বের হয়েছেন তারা (ফটোস্টোরি)

কঠোর অবস্থানে সেনাবাহিনী-পুলিশ-বিজিবি (ফটোস্টোরি)

কঠোর অবস্থানে সেনাবাহিনী-পুলিশ-বিজিবি (ফটোস্টোরি)

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০০

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগ অংশ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিনের কিছু না কিছু সময় কাটান।  অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যবহারকারীরা সাধারণত এক থেকে দেড় ঘণ্টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যয় করেন।  তবে যারা আসক্ত তাদের ক্ষেত্রে সময়টা অনেক বেশি।

এখনকার দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পড়ে থাকাটাও খারাপ নয় যদি আপনি সেখান থেকে আয়ের রাস্তা খুঁজে বের করতে পারেন।  বর্তমানে প্রায় সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেই আয়ের সুযোগ আছে।  তবে সেজন্য আপনাকে হতে হবে পরিশ্রমী এবং উদ্ভাবনী মনের অধিকারী।

দিন দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে আয়ের ক্ষেত্র আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এইতো কয়েকদিন আগে নতুন একটি ওয়েবসাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক।  বুলেটিন নামের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লেখকরা ফ্রি এবং পেইড নিউজলেটার তৈরি ও শেয়ার করতে পারবেন।  অর্থাৎ, এই প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমেও আয় করা যাবে।

বুলেটিনের লেখকদের সাবস্ক্রিপশন থেকে যে আয় আসবে তার পুরোটাই রাখতে পারবেন।  নতুন এ ওয়েবসাইট সম্পর্কে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হলো সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষ যেন জীবিকা নির্বাহ করতে পারে সেই বিষয়টিতে সমর্থন দেওয়া।

এ তো গেল ফেসবুকের আলাদা একটি সাইটের কথা।  এই সাইটের পাশাপাশি সরাসরি ফেসবুক থেকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে।  এছাড়া অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন- স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, ক্লাবহাউস ইত্যাদি থেকেও আয় করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

স্ন্যাপচ্যাট

সম্প্রতি সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্ন্যাপচ্যাটে দৈনিক যেসব কনটেন্ট তৈরি হয় সেগুলোর বিপরীতে ১ মিলিয়ন ডলার প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটি।  কোনও ব্যবহারকারীর কনটেন্ট স্ন্যাপচ্যাটের শর্ত পূরণে সক্ষম হলে এটি শেয়ার করা হয়।

এর মানে হলো অন্য ব্যবহারকারীরা স্টোরি এবং সার্চ রেজাল্টস উভয় জায়গাতেই পাবে সেই স্ন্যাপ।  এভাবে কারও স্ন্যাপ ভাইরাল হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর কাছে একটি নোটিফিকেশন যাবে এরকম- ‘আপনি স্পটলাইট পেআউট’ গ্রহণের যোগ্য।  তখন তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাবেন।

টিকটক

টিকটকের ক্রিয়েটররা বিনোদন দেয়, উৎসাহ যোগায় এবং নিজেদের বিভিন্নভাবে তুলে ধরে। ক্রিয়েটরদের এমন কাজের জন্য তাদের সমর্থন ও পুরস্কার দেয় টিকটক কর্তৃপক্ষ।  টিকটকের দেওয়া পুরস্কার পেতে চাইলে নির্ধারিত কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

এসব শর্তের মধ্যে আছে- সর্বনিম্ন ১০ হাজার প্রকৃত অনুসারী থাকতে হবে। পাশাপাশি সর্বশেষ ৩০ দিনে থাকতে হবে এক লাখ প্রকৃত ভিডিও ভিউ।  শর্তগুলো পূরণ হলে নির্দিষ্ট কিছু দেশের টিকটক ব্যবহারকারীরা সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ইউটিউব

ইউটিউবের অফিসিয়াল ব্লগে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ইউটিউব শর্টস’র জন্য নির্ধারিত ফান্ডের আর্থিক মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলার।  এই অর্থ ২০২১ ও ২০২২ সালে বিতরণ করা হবে।  ইউনিক ইউটিউব শর্টস কনটেন্ট নির্মাতারা এখান থেকে অর্থ পেতে পারেন।

এছাড়া ইউটিউবে দীর্ঘ ভিডিও থেকেও আয় করতে পারবেন ক্রিয়েটররা।  এখান থেকে আপনি কী পরিমাণ আয় করবেন তা নির্ভর করবে আপনার সাবস্ক্রাইবার কেমন আছে এবং ভিডিওর কেমন ভিউ হচ্ছে তার ওপর।  ইউটিউবে সর্বশেষ ১২ মাসে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার এবং ৪ হাজার পাবলিক ওয়াচ আওয়ার সম্পন্ন হলে আপনি আয় শুরু করতে পারবেন।  ক্রিয়েটর অ্যাকাডেমি ওয়েবসাইট থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।  এছাড়া ইউটিউবে সুপার চ্যাটের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব।  কোনও ব্যক্তি বা তারকার ফ্যান, সাবক্রাইবার বেড়ে গেলে তিনি কখনও লাইভে এলে সেখানে প্রশ্নের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব।  ধরা যাক, কোনও তারকা লাইভে এলেন। তখন অনেকই তাকে প্রশ্ন করেন।  ওই তারকার পক্ষে সবার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।  তখন যিনি প্রশ্ন করতে চান তিনি নির্দিষ্ট অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন করতে পারবেন। এখান থেকে ওই তারকা বা বিখ্যাত ব্যক্তি আয় করতে পারবেন।

ইনস্টাগ্রাম

ইনস্টাগ্রামের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা আর্থিক সহায়তার অপশনটি দেখাতে চাইলে লাইভ ভিডিও চলাকালে ব্যাজ কিনতে পারবেন।  অনুসারীরা সেই লাইভে প্রবেশ করা মাত্র আর্থিক সহায়তার অপশনটি দেখতে পাবেন এবং চাইলে যেকোনও পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে পারবেন।

টুইটার

টুইটারের টিপ জারের সাহায্যে অর্থ প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।  অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন উভয় ব্যবহারকারীই টিপ পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারবেন।  বর্তমানে এই ফিচারটি অসংখ্য ব্যবহারকারীর জন্য চালু আছে।  বিশেষ করে ক্রিয়েটর, সাংবাদিক, বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও অলাভজনক সংস্থাগুলো এই ফিচার ব্যবহার করে অর্থ আয় করতে পারবে।

ক্লাবহাউস

‘ক্রিয়েটর ফার্স্ট’ প্রোগ্রামের সাহায্যে ব্যবহারকারীদের অর্থ আয়ের সুযোগ দেয় ক্লাবহাউস।  একজন ক্রিয়েটর ক্লাবহাউস থেকে যে অর্থ আয় করেন তার পুরোটাই তাকে দিয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ, ক্লাবহাউস কর্তৃপক্ষ এখান থেকে কোনও অংশ কেটে রাখে না।  ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি অর্থ আয়ের আরও উপায় চালু করবে।  এ সম্পর্কে জানতে ব্যবহারকারীদের নিয়মিত খোঁজ রাখতে পরামর্শ দিয়েছে ক্লাবহাউস। সূত্র: গেজেটস নাউ, মেক আস ইউজ, সিএনবিসি

 

/এমআর/

সম্পর্কিত

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৬

বাংলাদেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ও বাজার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এখন অন্যতম। প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে মাদক কারবারিরা। তবু থেমে নেই নিত্য নতুন মাদকের আমদানি। এ নিয়ে পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকলো প্রথম পর্ব।

চীন ও থাইল্যান্ডের কড়া অবস্থানের কারণে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা সরবরাহ বন্ধ হয়েছে দেশ দুটিতে। এরপর থেকেই মিয়ানমারের মাদক কারবারিদের বড় বাজার হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারও ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এতে টান পড়ে সরবরাহে। কিন্তু কিছুদিন পরেই বাজারে দেখা যাচ্ছে নতুন মাদকের দৌরাত্ম। মাদক কারবারিদের এসব চক্র এখন লেনদেনও করছে মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইনে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, কিছুই তাদের নজরদারির বাইরে নেই। যারা নতুন মাদক নিয়ে আসার চেষ্টা করেছে, তাদের অনেকেই ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নতুন চার মাদক
ইয়াবার বিরুদ্ধে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে দীর্ঘদিন হলো কারবারিরা সুবিধা করতে পারছিল না। এজন্য তারা চেষ্টায় ছিল নতুন মাদক বাজারে আনার।

এখন বলা যায় মাদকের ট্রানজিশন পিরিয়ডের প্রাথমিক পর্যায়ে আছে তারা। বিশ্বের আরও অনেক দেশেই এমনটা দেখা যায়। একটি মাদক এক বা দুই দশক চলে। এরপর কৌশলগত কারণেই নতুন কিছু নিয়ে আসে মাদকচক্র। এ তালিকায় সদ্য যোগ হয়েছে- ম্যাজিক মাশরুম, ডায়মিথাইলট্রিপ্টামাইন (ডিএমটি), লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড (এলএসডি), ক্রিস্টাল মেথ বা আইস বা মেথামফেটামিন ও এস্কাফ সিরাপ। এর প্রতিটিই বেশ ব্যয়বহুল। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যারা এসব মাদক নিয়ে গ্রেফতার হয়েছে, দেখা গেছে তারা সবাই সচ্ছল পরিবারের সন্তান। 

২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রথমে আইস পিলসহ এক মাদকব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদপুর ও ঝিগাতলায় অভিযান চালিয়ে আইস তৈরির ল্যাবেরও সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঝিগাতলার একটি বাসার বেজমেন্টে এই ল্যাব তৈরি করা হয়েছিল।

এলএসডিসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

এরপর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে এক নাইজেরিয়ান নাগরিককেও আইসসহ গ্রেফতার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। বিভিন্ন কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করা এই মাদক যথেষ্ট ব্যয়বহুল। সাধারণত ধনী রাষ্ট্রের মাদকসেবীরা এটি গ্রহণ করে। এক গ্রামের দাম ৭-১০ হাজার টাকা।

মেথামফেটামিনের সবচেয়ে বিশুদ্ধ অবস্থা আইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইয়াবা তৈরিতেও এর ব্যবহার আছে। ইয়াবা আসক্তদের শরীরে একসময় অনেকগুলো ইয়াবা সেবনের পরেও কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তখন তারা সরাসরি মেথামফেটামিন গ্রহণ করে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান পাটোয়ারী।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আইস উদ্ধার হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০১৯ সাল থেকেই দেশে এ মাদকের ব্যবহার বেড়েছে।

গত ৬ জুলাই রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে ‘ম্যাজিক মাশরুম’সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে ম্যাজিক মাশরুমের পাঁচটি বার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারে ২৪টি স্লাইস থাকে। গ্রেফতার দু’জন হলেন- নাগিব হাসান অর্নব (২৫) ও তাইফুর রশিদ জাহিদ (২৩)। দুজনে বাংলাদেশে এসএসসি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ালেখা করেছেন। অর্নব ২০১৪ সালে কানাডায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়া শেষে সেখানে কর্মরত আছেন। সে-ই কানাডা থেকে এই ম্যাজিক মাশরুম বাংলাদেশে নিয়ে আসে। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ড্রাগটি কেক ও চকলেট মিক্স অবস্থায় সেবন করা হয়। এ ছাড়া পাউডার ও ক্যাপসুল হিসেবেও পাওয়া যায়। এটি ব্যবহারে সেবনকারীর নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এমনকি কেউ কেউ ছাদ থেকে লাফ দেয়।

ভয়ংকর মাদক এলএসডি

গত ৩০ মে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ভয়ংকর মাদক এলএসডিসহ (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) চারজনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র হঠাৎ কেন ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে দা নিয়ে নিজের গলায় চালাল, সেটা তদন্ত করতে গিয়েই আমরা মাদকটির সন্ধান পাই।’ অত্যন্ত দামি এ মাদক ঢাকায় অনলাইনে বিক্রি করতো ১৫টি গ্রুপ। যারা সবাই উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান।

তবে এর আগে ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই মহাখালী থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এই মাদকের সন্ধান পায়। তারাও কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল।

গত জুনেই দেশে উদ্ধার হয় ডায়মিথাইলট্রিপ্টামাইন বা ডিএমটি। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার লাভ রোডে অভিযান চালিয়ে ডিএমটিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। তাদের কাছ থেকে ৬০০ মিলিগ্রাম ডিএমটি উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব দাবি করেছে, দেশে প্রথমবারের মতো ডিএমটি উদ্ধার হলো। এলএসডির চেয়ে ভয়ংকর এই মাদক। এটা সেবনে হ্যালুসিনেশন হয়। সেবনের ৩০-৪০ মিনিট গভীর হ্যালুসিনেশন হয়। এতে সেবনকারী দ্রুত কল্পনার জগতে চলে যায়। এতে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। সেবনকারী মারাও যেতে পারে।

র‌্যাব-২ এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, এলএসডির মতো ডিএমটিওসেবীরাও উচ্চবিত্ত। তারা নিজেরাই বিদেশ গিয়ে এটি নিয়ে আসে। কেউ পোস্টাল সার্ভিসের মাধ্যমেও নিয়ে আসে। মাদকটি দামী হওয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়ায়নি।

নতুন মাদকে আগ্রহ কেন?

দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক গ্রহণের ফলে আসক্তদের দেহে এসবের প্রতিক্রিয়া কমে আসে। তারা উদ্দীপনার জন্য নতুন কিছু খুঁজতে থাকে। ব্যক্তিজীবনে হতাশা ও ব্যর্থতা ঢাকতেও শক্তিশালী মাদক খোঁজে তারা। মাদককারবারিরা তখন চাহিদা বুঝে নতুন মাদক সরবরাহ করে।

২০১৮ সালের মে মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করে। ইয়াবার বিরুদ্ধে র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও আনসারসহ সকল বাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রায় দুই বছর টানা অভিযান চালায়।

জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশের মাদকসেবীরা একই সময় বিভিন্ন মাদক গ্রহণ করে। যে ইয়াবা খায়, সে গাঁজাও গ্রহণ করে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মাদকের বাজার বেশ বড়। এটা ধরে রাখতে একের পর এক কৌশল খাটাবেই কারবারিরা। ভৌগলিক কারণেও তাদের কাছে বাংলাদেশ প্রিয়। অভিযানের কারণে মাদক প্রবেশ হয়তো কমেছে, তাবে মাদককারবারিরা বসে নেই। তারা নতুন মাদক নিয়ে ভিন্ন উপায়ে চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছে।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ০০:২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে ২৫০টি পোর্টেবল ভেন্টিলেটর মেশিন উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী একদল চিকিৎসক। শনিবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সের একটি কার্গো ফ্লাইটে এসে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষে এই উপহার গ্রহণ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ডা. জিয়া আহমেদ সাজেদ, ডা. মাসুদুল হাসান, ডা. চৌধুরী হাফিজ হাসান, ডা. মাহমুদুল শামস বাপ্পি ও কানাডাপ্রবাসী ডা. আরিফুর রহমান মোবাইল ভেন্টিলেটরগুলো সংগ্রহ করে দেশের জন্য পাঠিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নতুন দিল্লি থেকে এই উপহারের মোবাইল ভেন্টিলেশন দেশে পাঠানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নতুন দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এই বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।

উপহার গ্রহণের পর ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, ভেন্টিলেটরগুলো আপাতত সিএমএসডিতে রেখে দেওয়া হচ্ছে। আমরা পরবর্তী সময়ে মিটিং করে ঠিক করবো কোথায় কোথায় এই ভেন্টিলেটরগুলো দেওয়া হবে। বিভিন্ন জেলা-উপজেলায়, যেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে করে এর সুবিধা পেতে পারে- সেজন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেবো। আমি মনে করি এটা আমাদের দেশের জন্য ভালো একটি উদ্যোগ।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধায়নে এসব হচ্ছে, তার নির্দেশনায় এগুলো আসছে। তিনি সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছেন।

ডা. আবদুল্লাহ বলেন, এগুলো ব্যবহার করা খুব সহজ। এক একটির দাম আমি যতদূর জানি ১৫-১৬ হাজার ডলার। আমরা আপাতত এই ২৫০টি ভেন্টিলেটর ব্যবহার করতে থাকি, আমাদের একটা অভিজ্ঞতা হোক। যদি ভালো হয় তাদের আমি আরও পাঠানোর অনুরোধ করবো। এগুলো তো আমাদের দেশের মানুষের জন্যই। এটি সহজেই বহনযোগ্য। জেলা উপজেলা পর্যায়ে সহজে নিয়ে যাওয়া যাবে। এখন এটা ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসেছে, ভবিষ্যতে সরকারিভাবে সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে।

এদিকে নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, কোভিড-১৯ আক্রান্তদের ব্যবহারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান হেলথকিউব নামে একটি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে কয়েকশ পোর্টেবল ভেন্টিলেটর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ২৫০টি ভেন্টিলেটর বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিকেল ৪টার দিকে ভেন্টিলেটরবাহী ফ্লাইটটি নয়াদিল্লি বিমানবন্দর থেকে রওনা করে রাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

/এসও/ইউএস/

সম্পর্কিত

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

দেশে নতুন মাদকের বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছেই

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে হিসাব খোলার নির্দেশ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২১:৪৩

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইংরেজি নামে (হুবহু) সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।  ব্যাংক হিসাব খুলে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্য দিতে বলা হয়েছে। গত ১৯ জুলাই সই করা নির্দেশনাটি শনিবার (২৪ জুলাই) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা বোর্ডের অফিস আদেশে জানানো হয়, বোর্ডের প্রায় সকল আর্থিক লেনদেন সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে করা হয়। বোর্ডের বিভিন্ন ধরনের ফি সংগ্রহ বা প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানকে কোনও অর্থ প্রদান বা যেকোনও ধরনের লেনদেন সহজে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকা একান্ত জরুরি। এক্ষেত্রে সেসব প্রতিষ্ঠানের আগেই হুবহু প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি নামে সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে সেসব প্রতিষ্ঠানের নতুন করে অ্যাকাউন্ট করার প্রয়োজন নেই। তবে অ্যাকাউন্টের নাম অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে। বোর্ডের ওয়েবসাইটে কলেজের নাম যেভাবে ইংরেজিতে আছে হুবহু সেভাবেই অ্যাকাউন্টের নাম নির্ধারণ করতে হবে অন্যথায় অ্যাকাউন্ট নম্বর গ্রহণযোগ্য হবে না।  তবে অ্যাকাউন্ট করা থাকলে হুবহু কলেজের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে সংশোধন করা যাবে।

এছাড়া বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে লেনদেন করার জন্য বোর্ড থেকে প্রদত্ত ইআইআইএন ভিত্তিক সিমে নগদ, বিকাশ, রকেট, ইউপে, শিওর ক্যাশ ইত্যাদি অপারেটরের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
 
যেসব প্রতিষ্ঠানের আগে থেকেই ইংরেজি নামে অ্যাকাউন্ট খোলা আছে সেসব প্রতিষ্ঠানসহ সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে বোর্ডের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য দিতে বলা হয় অফিস আদেশে।

/এসএমএ/এমআর/

সম্পর্কিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

ভিকারুননিসার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সরেজমিন তদন্তে ইইডি

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

প্রাথমিকে অনলাইন বদলি কবে?

অধ্যক্ষের চেয়ে বেশি বেতন পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

অধ্যক্ষের চেয়ে বেশি বেতন পান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী

সর্বশেষ

সুসময়ের অপেক্ষায়... (ফটোস্টোরি)

সুসময়ের অপেক্ষায়... (ফটোস্টোরি)

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমতা

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমতা

দুধ যেন উপচে না পড়ে

দুধ যেন উপচে না পড়ে

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

বিধিনিষেধ না মেনে যাত্রী পরিবহন, মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত

বিধিনিষেধ না মেনে যাত্রী পরিবহন, মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

বিচ্ছেদের পর যে কারণে আবারও ভাইরাল আমির-কিরণ

বিচ্ছেদের পর যে কারণে আবারও ভাইরাল আমির-কিরণ

বিমা অফিসও খোলা

বিমা অফিসও খোলা

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

সোশ্যাল মিডিয়া এখন আয়েরও মাধ্যম

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

‘এত বছর বয়সে এমন কষ্ট কখনো করিনি বাবা’ 

‘এত বছর বয়সে এমন কষ্ট কখনো করিনি বাবা’ 

অযৌক্তিক কারণে বের হলে করা হচ্ছে জরিমানা

অযৌক্তিক কারণে বের হলে করা হচ্ছে জরিমানা

মূল সড়ক ফাঁকা, পাড়া-মহল্লায় আড্ডা 

মূল সড়ক ফাঁকা, পাড়া-মহল্লায় আড্ডা 

ঈদ শেষে লকডাউন উপেক্ষা করে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

ঈদ শেষে লকডাউন উপেক্ষা করে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

© 2021 Bangla Tribune