X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

করোনায় হারাতে হয়েছে যে চিকিৎসকদের

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ০০:১৮

গতবছরের ২৩ মার্চ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দিন আহমদ ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘সবাই যার যার অংশ পালন করুন। আমরা হাসপাতালে কাজ করছি। আপনি ঘরে থাকুন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’ স্ট্যাটাস দেওয়ার এক মাসের মাথায় ওই বছরের ১৫ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান ডা. মঈন। দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া প্রথম চিকিৎসক তিনি।

গত দেড় বছরে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৬৯ জন চিকিৎসক মারা গেছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)।

বিএমএ জানিয়েছেতাদের মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্মরত ছিলেন ২৩ জনঅবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ৭৫ জনস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাতজনআর্মি মেডিক্যালে কোরে ছিলেন একজন এবং জেনারেল প্র্যাকটিশনার ৬৩ জন।

গত ১৯ জুলাই পর্যন্ত আট হাজার ৬১৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসক তিন হাজার ২৪ জননার্স দুই হাজার ১৪২ জন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন তিন হাজার ৪৫২ জন।

ওরা ১৬৯ জন

গতবছরের এপ্রিলে একজন চিকিৎসকের মৃত্যু হলেও এরপর দিনে দিনে সংখ্যাটা বেড়েছে। বিএমএর হিসাব অনুযায়ীগতবছরের জুনেই মারা গেছেন ৪৫ জন ডাক্তার।

গত ৩ মে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজিস্ট অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. মো. মনিরুজ্জামান১১ মে ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আনিসুর রহমান১২ মে ইবনে সিনা হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মেজর (অব.) আবুল মোকারিম মো. মহসিন উদ্দিনসিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মীর মাহবুব১৮ মে ডা. আজিজুর রহমান রাজু ও ডা. সারোয়ার ইবনে আজিজ২২ মে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী দিলরুবা খানম ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. এম এ মতিন২৫ মে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডা. সৈয়দ জাফর হোসাইন মারা যান।

২৬ মে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. আমিনা খান ও রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রহমান২৭ মে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোশাররফ হোসেন২৮ মে ক্যাপ্টেন (অব.) ডা. মো. এ. এফ. এম সাইদুল ইসলাম মারা যান।

চিকিৎসকরা যখন একের পর এক মারা যাচ্ছিলেন তখন ডা. তানজিনা হোসেন ফেসবুকে লেখেন, ‘বাংলাদেশে কতজন বিশেষজ্ঞ আছেন এ বিষয়ে কেউ জানেনকজন শিশুরোগ অধ্যাপককজন গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্টমির্জা নাজিমুদ্দিন বা গোলাম কিবরিয়া স্যারের মতো মেন্টরলাখে কেনদশ-বিশ পঞ্চাশ লাখেও একজন নেই। আগামী বছরগুলোতে এই ভয়াবহ লস টের পাওয়া যাবে।

মারা যাওয়া চিকিৎসক নুরুল হক, ডা. শাহ আবদুল আহাদ ও ডা. মো. আশরাফুজ্জামান ১ জুন কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা যান জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. ওয়াহিদুজ্জামান আকন্দ বাবলু। ২ জুন ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মনজুর রশিদ চৌধুরী৩ জুন চট্টগ্রামের মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (মেডিসিন) ডা. এহসানুল করিমইব্রাহিম মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন ও ডিজি হেলথের অবসরপ্রাপ্ত ইভালুয়াটার অফিসার ডা. এ কে এম ওয়াহিদুল হক।

৪ জুন মারা যান ফরেনসিক মেডিসিনের কিংবদন্তি চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমানচট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডা. মুহিদুল হাসান ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এন আই খান। ৫ জুন মারা যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এস এ এম গোলাম কিবরিয়া ও বেসরকারি পোশাক কারখানায় কর্মরত ডা. ইহসানুল কবির চৌধুরী।

৬ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান সাভার ইপিজেডের সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার (অব.) ডা. আবুল কাসেম খান। ৭ জুন মারা যান বেসরকারি স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ও পরিচালক (মেডিক্যাল সার্ভিসেস) অধ্যাপক ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন। ৮ জুন ডা. রাজিয়াল্যাবএইড হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. সাখাওয়াত হোসেন ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আবু বকর সিদ্দিক। ৯ জুন বরিশালের ডা. আনোয়ার হোসেন ও ইমপালস হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. জলিলুর রহমান খান।

১০ জুন মারা যান মেরি স্টোপস ক্লিনিকের সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার ডা. তানজিলা রহমান। ১২ জুন মারা যান চার জন চিকিৎসক। তাদের মধ্যে রয়েছেনবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক বিভাগের অধ্যাপক ডা. গাজী জহিরুল হাসানজাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ মানোয়ারযিনি কোভিড প্রাদুর্ভাবের পর ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘একজনের মৃত্যু একটি ট্রাজেডি। যখন মৃত্যু লাখ ছাড়ায়তখন তা শুধুই পরিসংখ্যান। চিকিৎসকেরা এই পরিসংখ্যানের অংশ হওয়ার চেষ্টা করো না। নিরাপদে থাকার চেষ্টা করো।

সেদিনই মারা যান জেড এইচ শিকদার মহিলা মেডিক্যাল কলেজের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল হক ও চট্টগ্রামে বেসরকারিভাবে কর্মরত ডা. আরিফ হাসান। ১৩ জুন বেসরকারি বিআরবি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. মোহাম্মাদ সাজ্জাদ হোসাইন। পরদিন ১৪ জুন চট্টগ্রামের ডা. সাদেকুর রহমান ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ডা. নজরুল ইসলাম। ১৫ জুন বিসিআইসির সাবেক অতিরিক্ত প্রধান মেডিক্যাল অফিস ডা. তৌফিকুন্নেছা ও কক্সবাজার জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. আনম আব্দুল হাই এবং ১৬ জুন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম মুজিবুর রহমান।

১৭ জুন একইদিনে মারা যান চার চিকিৎসক। তারা হলেনচট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সিনিয়র আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. নুরুল হকঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আশরাফুজ্জামানদিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদ ও এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রফিকুল হায়দার লিটন।

১৮ জুন চট্টগ্রামের ডা. জান্নাতুন নাঈম জিনিয়া ও ১৯ জুন মারা যান বরিশাল সদর হাসপাতালের ডার্মাটোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. এমদাদুল্লাহ খান। ২০ জুন মারা যান তিন চিকিৎসক-বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত অধ্যাপক ডা. শফিক আহমেদকুমিল্লার সেন্ট্রাল মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান রিপন ও ইমপালস হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বজলুর রহমান।

২১ জুন চট্টগ্রামের নাক-কান গলা বিশেষজ্ঞ ডা. ললিত কুমার দত্ত ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুনীল কুমার সরকার ও ডা. সৈয়দ শাহনেওয়াজ এবং ২৩ জুন মারা যান নারায়ণগঞ্জের ডা. মো. আলী আসগর ও ডা. উপেন্দ্র নাথ পাল।

২৪ জুন মারা যান তিনজন চিকিৎসক-সিরাজগঞ্জের ডা. মো. ইউনুস আলী খানডা. মো. সমিরুল ইসলাম বাবু ও ডা. এস এম সাইফুল ইসলাম। ২৫ জুন ডা. ফিরোজা বানু মিনু২৬ জুন ডা. মোহাম্মদ হোসেন২৭ জুন জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. আসাদুজ্জামান ও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. গোপাল শংকর দে এবং ২৯ জুন মারা যান ডা. সৈয়দ তমিজুল আহসান রতন।

মারা যাওয়া চিকিৎসক গাজী জহির হাসান ও ডা. মাহমুদ মনোয়ার ১ জুলাই মারা যান গাজীপুরের ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রাধন অধ্যাপক ডা. গোলাম সারওয়ারবিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন ও হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এ ওয়াহাব।

৪ জুলাই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফিজিওলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও বিএমএ-র আজীবন সদস্য অধ্যাপক ডা. কে এম মুনতাকিম চৌধুরী৫ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম নুরুল আনোয়ার৭ জুলাই ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেন১৪ জুলাই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. সুলতানা লতিফা জামান আইরিন১৭ জুলাই কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এস এম নুর উদ্দিন আবু আল বাকী রুমিবাংলাদেশ ডাক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার ডা. আবদুল হামিদঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. কোহেল করিম১৮ জুলাই জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবল হোসাইন খান চৌধুরী২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সাবেক পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. মো. শহীদুল্লাহ২৬ জুলাই অর্থোপেডিক সার্জন ডা. বদিউজ্জামান হীরা২৮ জুলাই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও সোসাইটি অব সার্জনস অব বাংলাদেশ-এর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. টি আই এম আব্দুল্লাহ আল ফারুক২৯ জুলাই মারা যান ডা. নারগিম মুর্শিদা বানু।

৩ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী৬ আগস্ট স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক ডা. এফ বি এম আব্দুল লতিফ৮ আগস্ট ডা. মো. গোলাম মোস্তফা৯ আগস্ট সিরাজগঞ্জের শহীদ মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজের অর্থোসাজারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেজোয়ানুল বারী শামীম১০ আগস্ট রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাক হোসেন আনসারী১১ আগস্ট স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের নাক-কান-গলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল হক খান এবং ১৬ আগস্ট মারা যান ডা. আফতাব উদ্দিন আহমেদ ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ডা. মো. আব্দুর রহমান।

২০ আগস্ট মারা যান পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের সাবেক উপ-পরিচালক ডা. সৈয়দ আখতার হোসেন ও জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক সহ-পরিচালক ডা. এ বি এম সিদ্দিকুল ইসলাম। ২৮ আগস্ট বিএমএর আজীবন সদস্য ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও কুমিল্লা জেলার সাবেক সিভিল সার্জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো আব্দুল মতিন পাটোয়ারী মারা যান।

২ সেপ্টেম্বর ডা. বি এম ফারুক৩ সেপ্টেম্বর মারা যান ইব্রাহীম মেডিক্যাল কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামসুন নাহার বেলা৭ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ডা. এ এফ এম সিদ্দিকুর রহমান ও অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবীর। ৮ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ডা. সুরাইয়া রওশন আর বেগম ও জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ডা. নির্মলেন্দু চৌধুরী। ১৭ সেপ্টেম্বর ডা. মো ওবায়দুর রহমান এবং ২৮ সেপ্টেম্বর মারা যান ডা. হেদায়েতুল ইসলাম।

মারা যাওয়া চিকিৎসক রফিকুল হায়দার ১ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ হোসেন১১ অক্টোবর অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম১৩ অক্টোবর ডা. কাউসার আহমদ মজুমদার১৪ অক্টোবর ডা. রমেশ চন্দ্র নাথ ও ডা. মো. খলিল উদ্দিন২৫ অক্টোবর অধ্যাপক ডা. এ কে এম মাসুদুর রহমান ও ২৯ অক্টোবর মারা যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সেলিম আহমেদ।

৩০ অক্টোবর মারা যান ময়মনসিং মেডিক্যাল কলেজের বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় অধ্যাপক ডা. এম এ জলিল।

১ নভেম্বর যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যাস্ট ( রেডিওলজি ও ইমেজিং) ডা. সৈয়দ সাজ্জাদ কামাল হিরু৩ নভেম্বর মানিকগঞ্জের মুন্নু মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ৮ নভেম্বর ঢাকার শাহাবুদ্দিন মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের প্রাক্তন প্রধান অধ্যাপক ডা. এ বি এম আলী আকবর বিশ্বাস১৪ নভেম্বর ডা. এ বি এম মাকসুদুস সালেহীন১৫ নভেম্বর ডা. মো. রেজাউর রহমান প্রধান১৮ নভেম্বর ডা. নুরুল ইসলাম১৯ নভেম্বর ডা. আ জ ম শফিউল আলম শাহ২৯ নভেম্বর ডা. বুশরা সারওয়ার ও ডা. মজিবর রহমান খান হীরা মারা যান।

গত ৩ ডিসেম্বর ঢাকার ইমপালস হাসপাতলের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এ কে এম শামসুল হক৬ ডিসেম্বর ডা. আইরিন পারভীন৯ ডিসেম্বর ডা. সাইদুল ইসরাম১৩ ডিসেম্বর ডা. রাশেদ সারওয়ার আলম রনি ও অধ্যাপক ডা. মো আব্দুল কাদির খান১৯ ডিসেম্বর ডা. গাজী শফিকুল আলম চৌধুরী২০ ডিসেম্বর অধ্যাপক ডা. আব্দুল মুকিত সরকার২১ ডিসেম্বর ডা. মোহাম্মদ হাসান মুরাদ ও ডা. মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া২৫ ডিসেম্বর ডা. মো. আনোয়ারুল করিম বাবুল২৮ ডিসেম্বর ডা. শেখ  সায়েম ও জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম শামসুল হক৩০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. লুটফর কাদের লেনিন মারা যান।

এ বছরের ৫ জানুয়ারি মারা যান কর্নেল ( অব.) ডা. আবুল কাশে৬ জানুয়ারি ডা. জীবেশ কুমার প্রামাণিক৭ জানুয়ারি ডা. মো. আব্দুর রশীদ ও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন কনসালট্যাস্ট ডা. মো. আনোয়ার হোসেন২৬ জানুয়ারি মারা যান স্কয়ার হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. কাজী মো. নাসের আহমেদ।

১২ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান খন্দকার৯ মার্চ অধ্যাপক ডা. নাজমুল হক১৫ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এম সুলতান উল আলম২৭ মার্চ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল হান্নান মারা যান।

২ এপ্রিলে অধ্যাপক ডা. নূর-ই-আলম পাটোয়ারী৫ এপ্রিলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের নিউরোলজি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ডা. বদরুল হক টিটু৬ এপ্রিল ডা. নুরুল হাসান শোয়েব৮ এপ্রিলে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ৯ এপ্রিলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল লতিফ ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন উপ-পরিচালক ডা. গাজী সাইফুল আলম চৌধুরী স্বপন১০ এপ্রিল ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্ম মোজাদ্দেদ মেহেদী১১ এপ্রিল ডা. শরীফুল আহসান১৩ এপ্রিল ডা. উপেন্দ্র নাথ শীল১৬ এপ্রিলে ডা. রেজাউল করিম বাদলডা. মমিনুল আলম ও ডা. মোহাম্মদ মুজাহিদ হোসেন রতন১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ডা. আবু আহমেদ আশরাফ আলী২০ এপ্রিল অধ্যাপক ডা. আব্দুল মজিদ২২ এপ্রিল অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক২৪ এপ্রিল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান তুষার২৫ এপ্রিলে অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবির মুকুল ও ডা. আশিষ কুমার বণিক২৬ এপ্রিল অধ্যাপক ডা. এ বি এম শামসুল হুদা ও ডা. মো. মাহবুবুল ইসলাম২৭ এপ্রিল ডা. ফরিদুল আলম রেজা শোকরানা ও ডা. মো আব্দুল ওহাব তরফদার মারা যান।

৭ মে-তে ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নিলু২৯ মে ডা. এ এ গোলাম মর্তুজা হারুন২১ জুন অধ্যাপক ডা. কে এম সাইফুল ইসলাম ডেভিড২৫ জুন ডা. দিনার জেবিন ও ৩০ জুন ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মারা যান। ৫ জুলাই ডা. আলী আশরাফ৮ জুলাই ডা. আ ন ম আব্দুর রাজ্জাক৯ জুলাই মারা যান ডা. জেসমিন সুলতানা শান্তাডা. মাজেদ আলী ও ডা. মুহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন।

১১ জুলাই মারা যান অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং ১৩ জুলাই মারা যান ডা. মো. শহীদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. মোস্তফা কামাল।

কার ভুলে এত মৃত্যু?

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ তালিকায় যেমন দেশবরণ্যে বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র চিকিৎসক রয়েছেনতেমনি মাত্র কাজ শুরু করেছেন এমন ডাক্তারও আছেন।

করোনার শুরুর দিকে চিকিৎসকদের মৃত্যু বেশি হওয়ার কিছু কারণও ছিল মন্তব্য করে ইহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সঠিক পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুয়েপমেন্টে (পিপিই) নিয়ে সংকট ছিল। দ্বিতীয়ত চিকিৎসকদের রোগী দেখার প্রসিডিউরেও ভুল ছিল। অনেক ভুল আমরা করেছি। প্রথম দিকে করোনা চিকিৎসার প্রটোকল আমাদের জানা ছিল না। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব বিষয়ে পরিবর্তন এসেছে। সঙ্গে রয়েছে টিকাদান। সরকার সব ফ্রন্টলাইনারদের টিকার ব্যবস্থা করেছেন। যার ফলে এখন আমাদের আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম। তবে যারা জটিল ও কঠিন অন্যান্য রোগে আক্রান্ত তাদের মৃত্যু বেশি হচ্ছে।

 

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৩:০০

গতবছরের ২৫ অক্টোবর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পান জুনায়েদ হোসেন। একমাস পর আসে নেগেটিভ রিপোর্ট। এ সময় তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি। বাসায় থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধসহ খাওয়াদাওয়া ও ব্যায়াম করে সুস্থ হয়েছেন।

করোনামুক্ত হওয়ার প্রায় আট মাস পরও ধকলমুক্ত হতে পারেননি জুনায়েদ। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আগে উচ্চরক্তচাপ ছিল না, এখন সেটাও ধরা পড়েছে। টানা দু’মাস ওষুধ খেতে হয়েছে। তবু মাঝে মাঝে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। সঙ্গে যোগ হয়েছে ভুলে যাওয়ার সমস্যা। করোনা কেটে যাওয়ার প্রথম দুমাস এ সমস্যা ছিল। মাঝে ছিল না। সাত-আট মাস পর এখন আবার প্রকট হয়েছে।

জুনায়েদ বলেন, ‘কাউকে হয়তো কল করার জন্য ফোন হাতে নিয়েছি, কিন্তু ভুলে গেলাম কেন ফোন হাতে নিয়েছি।’ এ সময়ে তার ওজনও কমেছে প্রায় পাঁচ কেজি। ক্ষুধাও চলে গেছে। এ কারণে খাওয়া হয় না সময়মতো।

‘তবে বড় সমস্যা হচ্ছে প্যানিক অ্যাটাক। এটা এক দুর্বিসহ যন্ত্রণা।’ বললেন জুনায়েদ।

আরও জানালেন, ‘কেমন একটা মৃত্যুভয় সবসময় তাড়িয়ে বেড়ায়। তখন ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।’

৩০ বছরের রুবেল করোনায় আক্রান্ত হন জুনের প্রথম সপ্তাহে। দুবলর্তা, ক্ষুধা না লাগা, ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন এখনও।

বেসরকারি চাকরিজীবী ফাহমিদা আক্তার গত ডিসেম্বরে করোনায় আক্রান্ত হন বাড়ির পাঁচ সদস্যসহ। ফাহমিদা বলেন, তারা করোনা থেকে সেরে উঠেছেন, কিন্তু প্রভাবমুক্ত হতে পারেননি।

আগে সমস্যা না থাকলেও ফাহমিদার এখন মাঝে মাঝে শ্বাসকষ্ট হয়। ওষুধ খেতে হয় প্রতিদিন চারটা করে। রাতে ওষুধ খেতে ভুলে গেলেই ভোররাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ‘এ কষ্ট কত তীব্র, বোঝানো যাবে না’, বলেন ফাহমিদা।

করোনা সারলেও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন জটিলতা থেকেই যায়। একে লং কোভিড বলে আসছেন চিকিৎসকরা।

তারা বলছেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন, তাদের মধ্যে শর্ট ও লং টার্ম জটিলতা রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় লং কোভিড বা লং হলার্স। এর মধ্যে আছে সিভিয়ার মেন্টাল হেলথ সমস্যা, অনিদ্রা, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া, ক্রনিক ফ্যাটিগ বা ভীষণ অবসাদগ্রস্ত, দুর্বলতা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, ক্রনিক হাইপোক্সিয়া (অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম), মাংসপেশীতে ব্যথা, চুল পড়ে যাওয়ার মতো ইত্যাদি।

বিদেশের মেডিক্যাল জার্নালসহ আমাদের চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনায় যখন কেউ আক্রান্ত হন তখন শরীরের কিছু কিছু অঙ্গ যেমন হৃৎপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক, লিভার, ফুসফুসে ড্যামেজ হচ্ছে। কিন্তু করোনা সেরে গেলেও ওই অঙ্গগুলো সেরে উঠছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্বাসতন্ত্র বিষয়ক চিকিৎসক ডা. ডিয়াজ বলেন, ‘লং কোভিডে কতজন আক্রান্ত হয়েছেন, কী কারণে এমন হচ্ছে তা নিয়ে আরও গবেষণা লাগবে।গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০ জনে ১ জন আক্রান্তের মধ্যে এক মাস পরও দীর্ঘমেয়াদী উপসর্গ থাকে। তবে কতদিন সেটা স্থায়ী হবে তা জানা যায়নি। বিশেষ করে বয়স্ক ও আগে থেকে জটিলতায় ভোগা মানুষরা এতে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি।

তবে আক্রান্তদের সবার পরিস্থিতিই যে একইরকম হয় না, তা জানিয়ে ডিয়াজ বললেন, রোগের তীব্রতার মাত্রা একেক জনের একেক রকম। শিশুদেরও এটা হতে পারে।

তিনি জানান, কোভিড-পরবর্তী জটিলতার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অবসাদ। এ ছাড়া রয়েছে, উত্তেজিত হওয়ার জটিলতা, মনযোগ না থাকা, স্মৃতিশক্তি কমা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা ও স্নায়বিক সমস্যা। এমনটা কি ভাইরাসের কারণে নাকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ভিন্নতার কারণে হচ্ছে, তা জানতে আরও গবেষণা দরকার।

বাংলাদেশে লং কোভিড নিয়ে পরিপূর্ণ তথ্য নেই, কিন্তু অনেকেই চিকিৎসকদের কাছে যাচ্ছেন এই সমস্যা নিয়ে। কারও দীর্ঘসময় জ্বর এবং কারও ফ্যাটিগ (ক্লান্তি বা অবসাদ বোধ করা) থেকে যাচ্ছে। বাংলা ট্রিবিউনকে এমনটা বললেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

তিনি বলেন, অনেকে করোনা থেকে সেরে ওঠার ১২ সপ্তাহ পরও ফুসফুস ও হার্টের সমস্যায় ভুগছেন।

‘করোনামুক্ত হওয়ার পর হার্টের সমস্যা নিয়ে এসেছেন এমন কয়েকজন রোগীকে আমি নিজেই চিকিৎসা করছি’ জানিয়ে রোবেদ আমিন বলেন, ‘যারা কোভিড থেকে সেরে উঠছেন তাদের প্রথম ফলোআপটা যেন দুসপ্তাহের ভেতরেই হয়। তাদের অন্তত দুই থেকে আড়াই বছর ফলোআপে রাখতেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা থেকে একবার সেরে উঠলেই যে সম্পূর্ণ প্রটেকশন পেয়ে গেছেন এটা ভাবারও সুযোগ নেই। সেরে উঠলেও সব স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। কারন এখন অনেক ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে।’

 

 

/জেএ/এফএ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ০৮:০০

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাঁচ দিনব্যাপী যুগোস্লাভিয়া সফরের উদ্দেশ্যে ২৬ জুলাই সকালে বাংলাদেশ বিমানবন্দরে একটি বিশেষ বিমানে রওনা হবেন। এই বেলগ্রেড যাত্রার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে শান্তির সন্ধানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর নতুন অভিযাত্রা। বঙ্গবন্ধু শান্তির সন্ধানে তার এই নতুন অভিযাত্রায় বিশ্ববাসীর জন্য শান্তির বাণী নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানাতে যাচ্ছেন, বাংলাদেশে শান্তি চায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায়।

বাসসের খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুগস্লাভ প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো এবং প্রধানমন্ত্রী জামাল বিয়েদিসের আমন্ত্রণে পাঁচ দিনব্যাপী এক সরকারি সফরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

যুগস্লাভ সফর শেষে বঙ্গবন্ধু ৩১ জুলাই থেকে কানাডার রাজধানী অটোয়ায় রওনা হবেন কমনওয়েলথ রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে। যুগোস্লাভিয়া সফরকালে মার্শাল টিটো ও বিয়েদিসের কার্যালয়ে তাদের সঙ্গে মিলিত হবেন বঙ্গবন্ধু। আশা করা যাচ্ছে যে, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সঙ্গে বাংলাদেশ-যুগোস্লাভিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং উপমহাদেশের পরিস্থিতি ও আলজিয়ার্সে আসন্ন জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

এই সফরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি কমিশনার নুরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদসহ আরও অনেকে।

২৬ জুলাই, ১৯৭৩ সালের পত্রিকার একাংশ স্বীকৃতি প্রশ্নে প্রেসিডেন্ট ভুট্টো

লন্ডনে এইদিন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ভুট্টো আবারও বলেন, বাংলাদেশে পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নীতি পরিহার করলে তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানে ইচ্ছুক রয়েছেন। লোক বিনিময় সম্পর্কে তিনি বলেন, পাকিস্তান পাঁচ লক্ষ বাঙালিকে বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দানে প্রস্তুত আছে। তবে বিহারিদের পাকিস্তানে ফেরত নেওয়ার প্রস্তাব তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে আবারও প্রত্যাখ্যান করেন। প্রেসিডেন্ট দুই দিনব্যাপী তার সফর সম্পূর্ণ সফল হয়েছে বলে দাবি করেন। জানা গেছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট উপমহাদেশের ঘটনাপ্রবাহ, আফগানিস্তানের অভ্যুত্থান, পারস্য উপসাগরীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন। প্রেসিডেন্ট লন্ডন থেকে ফ্রান্সে যান। সেখানে তার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধবন্দিসহ উপমহাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করার কথা আছে।

পিন্ডির আলোচনা অব্যাহত থাকবে

ভারত-পাকিস্তান পর্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। ২৭ জুলাই ভুট্টো পাকিস্তানে প্রত্যাবর্তন করবেন। দুদিন আগে উভয়দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। এদিন বিকালে আলোচনা অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু উভয়পক্ষই বিকালের আলোচনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

২৬ জুলাই, ১৯৭৩ সালের পত্রিকার একাংশ একদিন পরে পূর্ণাঙ্গ বৈঠক শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র বলেন, আলোচনার সময়সীমা বলে কিছু নির্দিষ্ট নেই এবং ভারতীয় প্রতিনিধিদল আলোচনায় যোগ দিতে প্রয়োজনে আরও বেশি সময় অবস্থান করতে প্রস্তুত আছে।

আবারও বন্যার কবলে দেশ

পাঁচদিনের প্রবল বর্ষণে আসাম থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় এদেশে প্রধান নদীসমূহ দ্রুতগতিতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর আগে জুনে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছিল দেশ। সেই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ বিভাগ থেকে জানানো তথ্য বলছে, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে দুই-তিন দিনের মধ্যে আবার বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে।

তিনদিনের হিসাবে ঢাকায় ১৭ ইঞ্চি এবং চট্টগ্রামে ১৬ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। চট্টগ্রামের মৌসুমের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয় বলে জানানো হয়। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ছয় ইঞ্চি।

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

অনলাইনে ভিসা সেবা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২৩:৪৭

করোনা পরিস্থিতি শুরুর পর থেকেই ভিসা ও পাসপোর্ট সেবা দিতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। কিন্তু সবক্ষেত্রে অনলাইন সেবা না চালু না থাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীসহ সেবা গ্রহণকারীরা নানামুখী জটিলতায় পড়ছিলেন। অবশেষে এসব ভিসা জটিলতা নিরসনে অনলাইন সেবা চালু করার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সুরক্ষা সেবা বিভাগ। এ জন্য এ বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়ে আগামী ২২ আগস্টের মধ্যে এ সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র অনলাইনে দেওয়া শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দ্বৈত নাগরিকত্ব, অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদান, বিদেশে পাসপোর্ট পাঠানো, ভারতে চিকিৎসার জন্য যাওয়াসহ কোন কোন বিষয়ের আবেদন অনলাইনে নেওয়া সম্ভব সেটা যাচাই করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. যাহিদ হোসেন, উপ-সচিব মুহাম্মদ আবদুল হাই মিলটন, উপ-সচিব তরফদার মাহমুদুর রহমান এবং আইসিটি সেলের প্রোগ্রামার আইয়ুব হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী ২২ আগস্টের মধ্যে এ অনলাইন সেবা চালু করার উদ্যোগ নিতে তাদের বলা হয়েছে।

অন অ্যারাইভাল ভিসা জটিলতা নিয়ে গত ৮ জুলাই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। চিঠিতে করোনা পরিস্থিতির কারণে সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে গত ১৬ জুন এক চিঠিতে শুধুমাত্র বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী ছাড়া সকল দেশের নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশে আগমনী (অন-অ্যারাইভাল) ভিসা প্রদান স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাই, আগমনী ভিসা প্রদান স্থগিত রাখার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও এয়ারলাইন্সকে জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়।

অন্যদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে নৌ বন্দরগুলো থেকে বাংলাদেশের এন্ট্রি ভিসা নিতে সমুদ্রগামী জাহাজের বিদেশি ক্যাপ্টেন, নাবিক ও ক্রুদের বেশ কিছু নির্দেশনা মেনে চলতে হয়। এ বিষয়েও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকদের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, সমুদ্রগামী জাহাজের পাইলট ও নাবিক ও ক্রুরা 'নেক্সট এভেইলেবল ফ্লাইট' না পাওয়া পর্যন্ত জাহাজ থেকে সাইন অফ করে এন্ট্রি ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবেন। ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের নিয়ম অনুযায়ী ক্রুরা কোনও দেশে বিশেষ কারণে আটকা পড়লে তাদের হোটেল অথবা অন্য কোনও স্বাস্থ্যসম্মত জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করা সেই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগ) আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আজ হোক আর কাল হোক, সব সেবাই অনলাইনে চালু করতে হবে। সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এরইমধ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যে নিরাপত্তা ছাড়পত্র দিতে হয় সেটা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। এই কার্যক্রম পুরোপুরিই অনলাইনে চলছে। আর অন্যগুলোর সেবা অনলাইনে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে কবে নাগাদ এ কার্যক্রম শেষ করা যাবে সেটা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

/এমআর/

সম্পর্কিত

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১০:০৩

কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় বাংলাদেশকে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা পাঠানোর জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতিগি তোশিমিতসুর কাছে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে আজ বিকালে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ ডোজ টিকা নিয়ে ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো এই টিকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের কাছে হস্তান্তর করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিঠিতে মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার জন্য দুদেশই কাজ করে যাচ্ছে। দুদেশের কমপ্রিহেনসিভ রিলেশনসকে উন্নততর স্ট্র্যাটেজিক স্তরে নেওয়ার জন্য কাজ চলছে।

চিঠিতে জাপানকে ‘প্রকৃত বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে আব্দুল মোমেন আশা করেন, কোভিড সহযোগিতা দুদেশের সম্পর্ককে আরো মজবুত ও গভীর করবে। তিনি টেকিওতে চলমান অলিম্পিক আসরের সর্বতো সাফল্য কামনাও করেন।

আরও পড়ুন:

দেশে পৌঁছালো জাপানের দেওয়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা 

/এসএসজেড/ইউএস/

সম্পর্কিত

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:০১

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এক কোটি ১ লাখ ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৭৬৮ ডোজ। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন। শনিবার (২৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এদিন মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৯ ডোজ।

এখন পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন এসেছে। সেই অনুযায়ী এখন মাত্র কোভিশিল্ডের ৮১ হাজার ৮৮১ ডোজ ভ্যাকসিন অবশিষ্ট আছে। শনিবার কাউকেই কোভিশিল্ড দেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এখন পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো তথ্য থেকে আরও জানা যায়, প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছ সংকট। এদের সবাইকেই অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। তবে দেশে আজ আড়াই লাখ ডোজ অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা জাপান সরকার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাঠিয়েছে।    

পাশাপাশি আজ ফাইজারের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১১৩ জনকে আর এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ২১৭ জনকে।

এছাড়া ১১ লাখ ৭৭ হাজার ১৭১ ডোজ সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। এর মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১১ লাখ ৭২ হাজার ৬২৪ জনকে আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৫৪৭ জনকে।  

মডার্নার টিকা এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৬ হাজার ১২৩ ডোজ, আর আজকে দেওয়া হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৮৬ ডোজ।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

সর্বশেষ

মেয়েদের এক নম্বরের বিদায়

টোকিও অলিম্পিকমেয়েদের এক নম্বরের বিদায়

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

করোনামুক্ত হয়েও ধকল বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

© 2021 Bangla Tribune