X
শুক্রবার, ০৬ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

কাঁচা চামড়ায় মন্দা কাটবে এবার?

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ১৮:৪৮

গত তিন বছর কোরবানির ঈদে চামড়া কিনে বেশ লোকসান গুনেছিলেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। ২০১৮ সালে হুট করে দাম পড়ে যায়। ২০১৯ সালে হয় ভয়াবহ দরপতন। ২০২০ সালে করোনা এসে অব্যাহত রাখে সেই ধারা। ব্যবসা না থাকায় ট্যানারি মালিকরাও চামড়া নিতে আগ্রহ দেখাননি। লাখ লাখ টাকার চামড়া রাস্তায় ফেলে দিতে বাধ্য হন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে যে কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ১৭০০ টাকা, ২০১৮ সালে‌ তা হয় ১২০০ টাকা এবং ২০১৯ সালে বিক্রি হয় ৪০০ টাকায়। ২০২০ সালে একই মাপের চামড়ার দাম ঠেকে ২০০-৩০০ টাকায়।

গতবছর মৌসুমি কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা আড়তে নিয়ে গরুর চামড়া গড়ে ১০০ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১০ টাকায়ও বিক্রি করেছেন। অনেকে দাম শুনে রাগ করে সড়কের ওপরই চামড়া ফেলে গিয়েছিলেন। পরে সরকার কাঁচা চামড়া রফতানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ট্যানারি মালিকরা বলছেন, এবার সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া কিনলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিতে পড়বেন না। অবশ্য আগের তিন বছর দাম পড়ে যাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারকেই দায়ী করেন তারা।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ২০১৭ সাল থেকেই চামড়ার দাম কমছে। তবে এবার যাতে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেজন্য মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া দামেই তাদের চামড়া কেনার পরামর্শ দেন তিনি।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘মৌসুমি ব্যবসায়ীরা যেন সরকারের বেঁধে দেওয়া দামেই কেনেন এবং রাত ১১টার আগেই চামড়া বিক্রি করে দেন।’

এদিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, গতবছরগুলোর অভিজ্ঞতা এবার তারা কাজে লাগাবেন। পাড়া-মহল্লা থেকে ‘অল্প’ দামেই চামড়া সংগ্রহ করবেন তারা।

এ প্রসঙ্গে রাজধানীর মানিকনগর এলাকার শহিদুল ইসলাম লিটন বলেন, ‘মহল্লার চামড়া বেশি দামে কিনে তিন বছর লস করেছি। এবার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবো।’ তিনি জানান, গতবছর সবচেয়ে ভালো ও বড় মাপের চামড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় কিনেছিলেন। মাঝারি সাইজেরটা ছিল ২০০-২৫০ টাকা। ছোট গরুর চামড়া কিনেছিলেন ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।

সংগ্রহ করা চামড়া আড়তে নিয়ে আসছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। ফাইল ছবি

এবার লবণজাত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় ৪০-৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৩-৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। গতবছর যা ৩৫-৪০ টাকা এবং ২৮-৩২ টাকা ছিল।

গত ১৫ জুলাই বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেন। এদিন প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়া সারাদেশে ১৫-১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২-১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

আগের বছর লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়া ১৩-১৫ টাকা এবং বকরির চামড়া ১০-১২ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এবারের ঈদে নির্ধারিত দামে চামড়া কেনার আহ্বান জানিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা প্রমাণ করে দেন বাজারের চাহিদা ও জোগানে দামও বাড়তে পারে। একবার অন্তত দেখান, বেঁধে দেওয়া দামের চেয়েও পশুর চামড়া বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।’

চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, গতবারের চেয়ে চামড়ার দাম না বাড়লেও, এবার অন্তত কমবে না। কারণ, করোনার টিকা আসার পর চামড়া রফতানির বাজারও বাড়তে শুরু করেছে।

ইপিবি'র তথ্য অনুযায়ী চামড়াজাত পণ্য রফতানিও বেড়েছে। অর্থাৎ এবার কাঁচা চামড়ার দাম ‍তুলনামূলক বেড়ে যাওয়ারই কথা।

প্রসঙ্গত, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সারাদেশে কয়েক লাখ মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া কেনার সঙ্গে জড়িত। তারা অল্প কিছু লাভ রেখে আড়তদারের কাছে বিক্রি করে। ট্যানারিতে যাওয়ার আগপর্যন্ত চামড়া আড়তদারের কাছেই সংরক্ষিত থাকে। আড়তদার কিছু লাভ রেখে সেটা ট্যানারিতে পৌঁছে দেন। ট্যানারির মালিকরা সেটা প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন পণ্য বানান। যা পরে রফতানিও করা হয়।

/এফএ/

সম্পর্কিত

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

এবারও কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

এবারও কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

সায়েন্সল্যাবে বসেছে কাঁচা চামড়ার হাট, শুরু হয়েছে বেচাকেনা

সায়েন্সল্যাবে বসেছে কাঁচা চামড়ার হাট, শুরু হয়েছে বেচাকেনা

কাঁচা চামড়া কিনতে এবার কত টাকা দিচ্ছে ব্যাংক?

কাঁচা চামড়া কিনতে এবার কত টাকা দিচ্ছে ব্যাংক?

আগের অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিলো ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২১, ০৩:৫৪

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। বাস্তবে ওই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিবিএসের তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরের  প্রাথমিক হিসাবে এই প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ বলা হলেও বৃহস্পতিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত হিসাব দেখা গেছে, ওই অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি অর্জন ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান- বিআইডিএসের গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, ওই অর্থবছরে শিল্প ও রফতানি খাতের পরিস্থিতি ভালো ছিল, কৃষিখাতেও বড় কোনও সমস্যা ছিল না। তবে করোনায় সেবা খাত বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পরিবহন ও নির্মাণ শিল্পে ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব পড়েছে।

এদিকে বিবিএসের তথ্য বলছে, করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও গত অর্থবছরে (২০২০-২১) বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। স্থিরমূল্যে এই জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ১১ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। আর মাথাপিছু আয় ২০২৪ ডলার থেকে বেড়ে ২২২৭ ডলারে পৌঁছেছে।

অবশ্য ২০২০-২১ অর্থবছরের নয় মাসের (২০২০ সালের ১ জুলাই-২০২১ সালের ৩০ মার্চ) হিসাব কষে এই তথ্য প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে, এর আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। স্থিরমূল্যে চূড়ান্ত হিসাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ২৭ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। প্রাথমিক হিসাবে ওই অর্থবছরে জিডিপির আকার ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা হয়েছিল বলে এর আগে জানায় বিবিএস।

করোনাভাইরাস মহামারির কঠিন সময়ে গত অর্থবছর ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে আশাব্যঞ্জক মনে করছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর ও ড. জায়েদ বখত। জায়েদ বখত বলেন, বর্তমানে করোনা প্রভাবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চাপে থাকলেও সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের পুরোটা সময় দেশ কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল। যে কারণে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে  করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এই অর্থবছরেও প্রবৃদ্ধি ভালো হবে বলে মনে করেন তিনি।

অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাস্তবে আগের অর্থবছরের মতো তিন, সাড়ে তিন শতাংশ নেমে আসবে। তবে মহামারির এই মহাসংকটের সময়ে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখাটাই সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, এই কঠিন সময়ে ৩-৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধিও যদি হয়, সেটাকেও আমি ‘অসম্ভব অর্জন’ বলে মনে করব।

প্রসঙ্গত,  ২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ। তার আগের অর্থবছরেও (২০১৯-২০) একই লক্ষ্য ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ১ জুলাই শুরু হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে অবশ্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য কমিয়ে ৭ দশমিক ২ শতাংশ ধরেছে সরকার।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ।

২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল ২০২৪ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ১৯০৯ ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ১৭৫১ ডলার। তার আগের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ১৬১০ ডলার।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

বিশেষ ব্যবস্থায় গার্মেন্টস খোলা থাকবে

বিশেষ ব্যবস্থায় গার্মেন্টস খোলা থাকবে

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রফতানির বিশেষ উদ্যোগ

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রফতানির বিশেষ উদ্যোগ

কাঁচামাল দ্রুত পেতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে চিঠি দিলো বিজিএমইএ

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ২২:৫৬

ভারত থেকে রফতানিমুখী পোশাক খাতের কাঁচামাল দ্রুত সময়ের মধ্যে পেতে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান।

বিজিএমইএ’র সভাপতি বুধবার ভারতীয় হাইকমিশনারের সহযোগিতা চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেন। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিজিএমইএ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

বিজিএমইএ’র সভাপতি চিঠিতে উল্লেখ করেন, করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের কারণে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা লিড টাইম (ক্রয়াদেশ প্রাপ্তি থেকে পণ্য জাহাজীকরণ পর্যন্ত সময়) মেনে পোশাক রফতানির চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছেন। বিদেশি ক্রেতারা লিড টাইম সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পণ্য চাচ্ছেন। তবে সরবরাহকারী দেশ থেকে স্বল্প সময়ে কাঁচামাল পাওয়ার ওপরই সেটি অনেকাংশে নির্ভর করছে।

ফারুক হাসান  লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা তাদের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভারতে আমদানি করছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে কাঁচামাল আনতে সময় বেশি লাগছে। বেনাপোল স্থল বন্ধর থেকে আমাদের ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্টদের কাছে শুনতে পাচ্ছি, নিরাপত্তাসংক্রান্ত ইস্যু ও প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে ভারতের বনগাঁ কাস্টমস পয়েন্টে আমদানি করা কাঁচামাল ছাড় করতে বেশি সময় লাগছে। সে কারণে পোশাকশিল্পের কাঁচামালবাহী প্রচুর পরিমাণ ট্রাক আটকে আছে। তাতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।’

হাইকমিশনারকে ভারতীয় অংশের কাস্টমসে পোশাকশিল্পের কাঁচামাল দ্রুত ছাড় করানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেন, আমদানি-রফতানি মসৃণ করা গেলে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়বে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

করোনার টিকা ও কিট চেয়ে দুই রাষ্ট্রদূতকে বিজিএমইএ সভাপতির চিঠি

করোনার টিকা ও কিট চেয়ে দুই রাষ্ট্রদূতকে বিজিএমইএ সভাপতির চিঠি

৫ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে পোশাক কারখানা

৫ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে পোশাক কারখানা

জুলাই মাসে পোশাক কারখানা খুলছে না

জুলাই মাসে পোশাক কারখানা খুলছে না

আগামী লকডাউনেও কারখানা খোলা থাকবে, আশা গার্মেন্ট মালিকদের

আগামী লকডাউনেও কারখানা খোলা থাকবে, আশা গার্মেন্ট মালিকদের

ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ২১:১৭

ব্যাংকগুলোর কাছে থাকা অতিরিক্ত তারল্য আর্থিক খাতে সমস্যা সৃষ্টি করেছে। সে জন্য ওই টাকা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগামী সোমবার থেকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক বিল’-এর মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এর মাধ্যমে ঠিক কত টাকা তুলে নেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধারণ করেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ সর্বশেষ ব্যাংকগুলো থেকে এভাবে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছিল।

ব্যাংকগুলোকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক বিল’-এ অংশগ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চিঠিতে বলা হয়েছে, মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে বাজারে অতিরিক্ত তারল্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের নিলাম অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে এই বিল বিক্রি করে বাজার থেকে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেবে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলো মুনাফা পাবে।

গত ২৯ জুলাই চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণায় বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, অতিরিক্ত তারল্য আর্থিক খাতে বুদ্‌বুদ তৈরি করলে তা তুলে নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। অতিরিক্ত তারল্যের কারণে মূল্যস্ফীতি বা সম্পদের দাম বেড়ে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন নীতি গ্রহণে দ্বিধা করবে না।

এ ছাড়া করোনার মধ্যে প্রবাসী আয় অনেকটা বেড়েছে। ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে। এতে ব্যাংকগুলোতে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা জমা আছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা একেবারেই অলস। বাকি টাকায় কেনা হয়েছে বিভিন্ন বিল ও বন্ড। অনেক ব্যাংক অলস টাকার অপব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ আছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

আগামী রবিবার ব্যাংক বন্ধ, সোম ও মঙ্গলবার লেনদেন ৩টা পর্যন্ত

আগামী রবিবার ব্যাংক বন্ধ, সোম ও মঙ্গলবার লেনদেন ৩টা পর্যন্ত

মেয়াদি ঋণের ৫ শতাংশ পরিবেশবান্ধব খাতে বিতরণের তাগিদ

মেয়াদি ঋণের ৫ শতাংশ পরিবেশবান্ধব খাতে বিতরণের তাগিদ

করোনায় বিশেষ সিএসআরে অনীহা, ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

করোনায় বিশেষ সিএসআরে অনীহা, ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নারী উদ্যোক্তাদের সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

নারী উদ্যোক্তাদের সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে নেতৃত্বের বিকাশের বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৯:৩০

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নেতৃত্বের উন্নয়ন ও  বিকাশের  বিকল্প নেই। প্রতিনিয়ত যে পরিবর্তন হচ্ছে তার সাথে খাপ খাইয়ে নিজেদের প্রতিনিয়ত উন্নত করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিপিএমআই) আয়োজিত “লিডারশিপ ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম ফর পাওয়ার সেক্টর অর্গানাইজেশন্স” শীর্ষক ১২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের (বিপিএমআই) রেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন (অবসরপ্রাপ্ত) বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রাহক সন্তুষ্টিই বিদ্যুৎ বিভাগ ও এর আওতাধীন কর্মকর্তা- কর্মচারীদের মূল লক্ষ্য। কীভাবে গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়ানো যায়—সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন। সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে সামনে রেখে আমাদের সেবা সম্প্রসারণ ও সেবার মান উন্নত হতে হবে।

কোভিড-১৯ পেনডেমিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করে গ্রাহক সেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে বিদ্যুৎ বিভাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিপিএমআই নিয়মিত যে  প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তার আওতায় “লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ফর পাওয়ার সেক্টর অর্গেনাইজেশন্স” প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী, ডিজিএম পর্যায়ের  মোট  ৫০ জন কর্মকর্তা নিয়ে ১২ দিনব্যাপী  ১৩ম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কোর্সটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

/এসএনএস/এমএস/

সম্পর্কিত

ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে যত উদ্যোগ

ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে যত উদ্যোগ

বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা চার কোটি ছাড়ালো

বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা চার কোটি ছাড়ালো

বিদ্যুৎ বিভাগের সাইবার সিকিউরিটি জোরদার করা প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ বিভাগের সাইবার সিকিউরিটি জোরদার করা প্রয়োজন: প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটে পড়বে এলএনজিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র!

জ্বালানি সংকটে পড়বে এলএনজিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র!

আগামী রবিবার ব্যাংক বন্ধ, সোম ও মঙ্গলবার লেনদেন ৩টা পর্যন্ত

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৫:১৭

আগামী রবিবার (৮ আগস্ট) ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত। তবে অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এর আগে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১ ও ৪ আগস্ট ব্যাংক বন্ধ ছিল। বাকি কার্যদিবসে ব্যাংক সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার চলমান বিধিনিষেধ আরও ৫ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করেছে সরকার।

এ অবস্থায় আজ নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে আগামী রবিবার (৮ আগস্ট) ব্যাংক বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

৫ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে পোশাক কারখানা

৫ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে পোশাক কারখানা

সম্পর্কিত

চামড়া নিয়ে এবার কোনও অভিযোগ পাইনি: শিল্পমন্ত্রী

চামড়া নিয়ে এবার কোনও অভিযোগ পাইনি: শিল্পমন্ত্রী

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

দাম নেই, বগুড়ায় চামড়া গেছে ভাগাড়ে

দাম নেই, বগুড়ায় চামড়া গেছে ভাগাড়ে

ময়লার ভাগাড় ও রাস্তায় পড়ে আছে চামড়া

ময়লার ভাগাড় ও রাস্তায় পড়ে আছে চামড়া

‘কম দামে’ চামড়া কিনেও দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

‘কম দামে’ চামড়া কিনেও দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

রংপুরে চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট

রংপুরে চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট

ভারতে চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে বিজিবির সতর্কতা

ভারতে চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে বিজিবির সতর্কতা

সর্বশেষ

আগের অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিলো ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ

আগের অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিলো ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ

করোনা কেড়ে নিয়েছে ৪২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষের প্রাণ

করোনা কেড়ে নিয়েছে ৪২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষের প্রাণ

ত্রিপুরার পর আসাম-কেরালাকে টার্গেট তৃণমূলের

ত্রিপুরার পর আসাম-কেরালাকে টার্গেট তৃণমূলের

বাংলাদেশের রাব্বি পেলেন রূপা

বাংলাদেশের রাব্বি পেলেন রূপা

গাজীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুদ সম্পাদক রাহিম

গাজীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুদ সম্পাদক রাহিম

সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭-৯ আগস্ট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন চালানো যাবে

সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭-৯ আগস্ট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন চালানো যাবে

কওমি মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা সত্য নয়: বেফাক

কওমি মাদ্রাসা খোলার ঘোষণা সত্য নয়: বেফাক

রবীন্দ্রনাথের পারস্য মুগ্ধতা

রবীন্দ্রনাথের পারস্য মুগ্ধতা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

হঠাৎ বেড়েছে লবণের দাম

এবারও কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

এবারও কিছু চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

সায়েন্সল্যাবে বসেছে কাঁচা চামড়ার হাট, শুরু হয়েছে বেচাকেনা

সায়েন্সল্যাবে বসেছে কাঁচা চামড়ার হাট, শুরু হয়েছে বেচাকেনা

কাঁচা চামড়া কিনতে এবার কত টাকা দিচ্ছে ব্যাংক?

কাঁচা চামড়া কিনতে এবার কত টাকা দিচ্ছে ব্যাংক?

কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ

কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ

© 2021 Bangla Tribune