X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

১২ হাজার টাকার খাসির চামড়া মাত্র ৫ টাকা!

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১১:০১

সরকার প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ধরছে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা। আর খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৩ থেকে ১৪ টাকা ধরা হয়েছে। কিন্তু গরুর চামড়া বিক্রি হলেও, খাসি বা বকরির চামড়া কিনছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় এবার পশুর চামড়া কোরবানিদাতার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

বুধবার (২১ জুলাই) বিকালে নীলফামারী বড় বাজারে কথা হয়, নিউবাবুপাড়ার বিপ্লব মিয়া বলেন, বাজারে গরুর চামড়ার বেচাকেনা চললেও খাসি বা বকরির চামড়া নিতে চান না ব্যবসায়ীরা। ১২ হাজার টাকায় কেনা খাসির চামড়ার দাম বলছে ৫ টাকা। শুনেছি সরকারি দাম খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৩ থেকে ১৪ টাকা। সেই অনুপাতে আমার চামড়া দাম হয় ২৪০ টাকা। কে দিবে এই টাকা? 

সদরের কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের পাটকামড়ী গ্রামের কোরবানিদাতা মতিয়ার রহমান বলেন, সরকারের দেওয়া দাম মৌসুমি ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা দিচ্ছেন না। সরকারি দরের কথা জানতে চাইলে তারা দামেই বলে না। এবার কোরবানির পশুর দাম ভালো ছিল। কিন্তু সে অনুপাতে বাজারে চামড়ার দাম অনেকটাই কম। আমার দুটি ভালে মানের চামড়ার দাম চেয়েছি এক হাজার টাকা। মৌসুমি ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা চামড়া দুইটার দাম বলেছেন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। বাধ্য হয়ে ৬০০ টাকায় দিয়ে বাড়ি আসি।

উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের চৌধুরি পাড়া গ্রামের চামড়া বিক্রেতা খোকন মিয়া (৪০) জানান, ৬৬ হাজার টাকায় গরু (প্রায় ৩০ ফুট) কিনে চামড়া বিক্রি করলাম ২০০ টাকায়। এবার গ্রামে চামড়ার মৌসুমি পাইকার চোখেই পড়েনি। অনেকেই এ অবস্থায় চামড়া মাদ্রাসা ও মসজিদে দান করে দিয়েছেন। গত বছরও চামড়ার টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন গরিব মানুষ, এবারও একই অবস্থা।

জেলা শহরের নিউ বাবুপাড়ায় পশু কোরবানি দিয়েছেন খতিবর রহমান খোকন (৫৫)। তিনি বলেন, ৭০ হাজার টাকায় গরু কিনে চামড়ার দাম পেলাম ৩০০ টাকা। বলতে গেলে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে পশুর চামড়া।

এদিকে, জেলা শহরের চামড়া ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম (৫০) বলেন, গত তিন বছর থেকে চামড়া শিল্পে ধস নেমেছে। পাশাপাশি এতিম অসহায়রাও বঞ্চিত হয়েছেন কোরবানির চামড়ার হক থেকে। গত বছর দুইশ’ চামড়া কিনে পথে বসেছিলাম। পরে ঢাকার এক মহাজনের কাছে পানির দামে বিক্রি করেছি। লাভতো দূরের কথা, লবণ ও পরিশ্রমের টাকাই উঠে নাই।

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্চের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী শফিকুল আলম ডাবলু মোবাইলফোনে জানান, মৌসুমি ব্যবসায়ীসহ এই ব্যবসায় মোট তিনবার চামড়া হাতবদল হয়। প্রথমে মৌসুমি ব্যবসায়ী গ্রাম ঘুরে পশুর চামড়া সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় ধাপে পাইকার বা মধ্যস্থতাকারী নগদ টাকায় ওই চামড়া কিনে নেন। তৃতীয় ধাপে আড়ৎদার সেগুলো ট্যানারির মালিকের কাছে বিক্রি করেন। এ কারণে কোরবানিদাতারা সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

তিনি আরও বলেন, তিনবার হাত বদলের পর আড়ৎদার কিংবা ট্যানারির মালিকরা তেমন একটা ক্ষতিগ্রস্ত হন না। কিন্তু গ্রামের পাড়া মহল্লা ঘুরে চামড়া কিনে লোকসানে পড়েন মৌসুমি ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। ট্যানারির মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন তারা। সরকার নির্ধারিত বর্গফুট অনুযায়ী চামড়ার মূল্য পরিশোধের জন্য ট্যানারি মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

/টিটি/

সম্পর্কিত

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৫:২৬

সারাদেশে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বাংলাবাজার প্রান্ত থেকে নৌ রুটে যাত্রী ও যানবাহন আসছে শিমুলিয়া প্রান্তে। ফেরি থেকে নেমেই তারা বিভিন্নভাবে চলে যাচ্ছেন গন্তব্যে। রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাট বেশ ফাঁকা দেখা গেলেও বাংলাবাজার ঘাট থেকে ঢাকামুখী যাত্রীরা আসা শুরু করলে ভিড় বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণাঞ্চলমুখী কোনও যান ও যাত্রী নেই। তবে, বাংলাবাজার ঘাট থেকে যান ও যাত্রী নিয়ে ফেরি চলছে। নৌ রুটে ছয়টি ফেরি চলছে বলে জানান তিনি।

 মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, আমাদের শিমুলিয়া প্রান্তে যাত্রী কিংবা যানবাহনের চাপ নেই। তবে বাংলাবাজার থেকে আসা ফেরিগুলোতে যাত্রী ও ছোট বড় যানবাহন রয়েছে চোখে পড়ার মতো। ফেরি থেকে নেমেই রাজধানীমুখী যাত্রীরা বিভিন্ন মাধ্যমে স্ব স্ব গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। আর স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই শিমুলিয়া ঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৫:১৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে রোগীর চাপ। করোনার টেস্ট করাতে কোনও ধরনের স্বাস্থ্যবিধি বা নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখেই রোগীরা দীর্ঘ লাইনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছেন। এ অবস্থায় রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি উপজেলা পর্যায়ে করোনার টেস্ট কমিয়ে দেওয়ার কারণে জেলা পর্যায়ে রোগীর চাপ বেড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে এক থেকে দেড়শ’ রোগীর করোনা ভাইরাসের অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হতো। কিন্তু আজ সকাল ৮টার পর থেকে হঠাৎ করে রোগীর চাপ বেড়ে যায়। হাসপাতালে আসা বেশিরভাগ রোগীরই জ্বর, সর্দিসহ নানা উপসর্গ রয়েছে। তবে তারা নিরাপদ দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই গাদাগাদি করে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টেস্ট করাচ্ছেন। 

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ওহায়িদুজ্জামান বলেন, হঠাৎ করে রোগীর চাপ বেড়েছে। অ্যান্টিজেন টেস্ট করতে আসা রোগীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আমি কিছুটা অবাক হয়েছি। তাই নিজেই হাসপাতালের উপরতলা থেকে নিচে নেমে এসেছি। হঠাৎ কেন রোগীর চাপ বেড়েছে বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি। তবে যেটুকু জেনেছি উপজেলা পর্যায়ে অ্যান্টিজেন টেস্ট কমিয়ে দেওয়ার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। 

 চাপ সামলানোর জন্য আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে অতিরিক্ত আরও একজনকে দায়িত্ব দিয়ে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্ট আরও বাড়ানো হবে। প্রতিদিন অন্তত দুইশ’ রোগীর যেন টেস্ট করানো যায়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগের মতো কারও ফোন কিংবা তদবির রাখা হবে না। লাইনে দাঁড়িয়েই সবাইকে করোনার অ্যান্টিজেন টেস্ট করাতে হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ২৬৯ জন আক্রান্তের মধ্যে চার হাজার ১৮৯ জন সুস্থ হয়েছেন। কিন্তু এখনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৯৬৭ জন রোগী আইসোলেশনে আছেন। এর মধ্যে সেফ আইসোলেশনে আছেন এক হাজার ৯৪০ জন। প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে চিকিৎসা পাচ্ছেন ২৭ রোগী। এখন পর্যন্ত জেলায় ৪৪ হাজার ৭৫৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। করোনা শনাক্ত হয়েছে সর্বমোট ছয় হাজার ২৬৯ জন। আর মারা গেছেন ৮৬ জন।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৪৭

করোনা সংক্রমণরোধে সরকারঘোষিত কঠোর লকডাউনেও বিধিনিষেধ অমান্য করে নৌ পথে উৎসবে মেতে উঠেছে উঠতি বয়সী তরুণরা। এতে স্বাস্থ্যবিধি যেমন উপেক্ষিত হচ্ছে, তেমনই বাড়ছে করোনা ঝুঁকি। এ অবস্থায় নৌ পথেও অভিযানের দাবি তুলেছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা।

জানা গেছে, প্রতিবছর ঈদের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর বিভিন্ন অংশে নৌকায় ডিজে পার্টির আয়োজন করে এক শ্রেণির উঠতি বয়সী তরুণ। এ বছরও চলমান কঠোর লকডাউনে তারা থেমে নেই। কোনও বাধা ছাড়ায় নৌকায় বিশাল বিশাল সাউন্ড বক্সে গান বাজিয়ে বিকট শব্দে আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠছে তারা। এমন চিত্র সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিতাস নদীর দুই প্রান্তে চোখে পড়ে। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্বাংশের তিতাস নদী এবং শহরের দক্ষিণাংশের কাউতলি কুরুলিয়া অংশে ডিজে পার্টির তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। 

এদিকে একই চিত্র দেখা গেছে নবীনগর উপজেলার তিতাস নদীর রসুলপুর এলাকা এবং একই নদীর বিজয়নগর উপজেলার রামপুর, মনিপুর, দত্তখোলা ও পত্তনে। সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর, ইসলামাবাদ ও আখাউড়া উপজেলার খরমপুর ও শ্যামনগর এলাকাতেও নৌকা ভাড়া করে এমন উৎসব করতে দেখা যায়। প্রতিদিন নদীর বিভিন্ন অংশে ইঞ্জিনচালিত নৌকা যোগে ডিজে পার্টির নামে উঠতি বয়সী তরুণরা গান বাজিয়ে নাচানাচি করে।

শহরের মেট্রো বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. মাসুম মিয়া বলেন, সরকার সবুজ সড়কপথে কঠোরতা দেখালেও নৌ পথে অনেকটা উদাসীন। নৌ পথেও কঠোর হতে হবে। তা না হলে সাধারণ মানুষের চলাচল অনেকাংশে বাড়বে। আর এতে করোনা সংক্রমণও বাড়বে।

আরেক ব্যবসায়ীর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঈদ পরবর্তী সময়ে নদীতে এক শ্রেণির উঠতি বয়সের তরুণদের ডিজে পার্টির তৎপরতা বেড়েছে। বর্তমান করোনাকালে সরকারি কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিধিনিষেধ থাকলেও, নৌ পথে এসব তোয়াক্কা করছে না তারা। তাদেরকে জরিমানা পাশাপাশি আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

তিতাস পাড়ের বাসিন্দা কাশিনগর এলাকার নির্মল দাস জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকায় ডিজে পার্টির নামে উঠতি বয়সী তরুণদের লাফালাফি আর বিকট শব্দে আমরা নদীর তীরের বাসিন্দারা অতিষ্ঠ। তাদেরকে ঠেকাবে কে?

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া  জানান, নৌ পথে ডিজে পার্টির মতো উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড ঠেকাতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে প্রতিটি নৌ পথে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নবীনগরের তিতাস নদীতে ডিজে পার্টি চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। নৌ পথে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেক টিম তৎপর রয়েছে। কাউকেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে নৌ পথে ডিজে পার্টি করতে দেয়া হবে না।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭


খুলনা বিভাগে দুই দিনের মাথায় করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৪৫ জন মারা গেছেন। একই সময় শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২৭৮ জন। এর আগে ২৪ জুলাই বিভাগে ৩৩ জন মারা গেছেন। 
 
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. ফেরদৌসী আক্তার। এ নিয়ে করোনায় খুলনা বিভাগে মৃত্যুের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুই হাজার ১৭১ জন। আর শনাক্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৬২ জন।
 
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে খুলনা জেলায় ১১ জন ও শনাক্ত ১৯৭ জন, বাগেরহাটে মারা গেছেন দুই জন ও শনাক্ত ১১৫, সাতক্ষীরায় মারা গেছেন একজন ও শনাক্ত ৬১ জন, যশোরে মৃত্যু ছয় ও শনাক্ত ১৩৬ জন, নড়াইলে মৃত্যু একজন মারা গেছেন ও শনাক্ত ৩৪ জন, মাগুরায় মৃত্যু তিন জন ও শনাক্ত ৭৪ জন, ঝিনাইদহে মৃত্যু দুই জন ও শনাক্ত ২৭৯ জন, কুষ্টিয়ায় মারা গেছেন ১৫ জন ও শনাক্ত ২৬০ জন, চুয়াডাঙ্গায় একজন মারা গেছেন ও শনাক্ত হয়েছেন ৬৯ জন এবং ‍মেহেরপুরে মৃত্যু তিন জনের ও শনাক্ত ৫৩ জন।



/টিটি/

সম্পর্কিত

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭

সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছেছে ভারত থেকে আসা ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন (এলএমও) বহনকারী ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’। ভারতীয় ট্রেনটির ১০টি কনটেইনারে আসা অক্সিজেন খালাসের পর এই স্টেশন থেকে সড়কপথে ঢাকায় নেওয়া হবে।

রবিবার (২৫ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায় ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’। ইতোমধ্যে ঢাকাসহ বেশকিছু স্থান থেকে অক্সিজেনবাহী লরি এসেছে। এগুলোতে খালাস করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে রেল ও স্বাস্থ্য অধিদফতর।  

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন বুঝে নেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া বেগম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সেলস) নুর উর রহমান প্রমুখ।

অক্সিজেন বুঝে নেয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ

লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া খাতুন জানান, করোনা মোকাবিলায় আমদানিকৃত তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন সড়কপথে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকায় নেওয়া হবে। সেখান থেকে করোনা মোকাবিলায় দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে। এর আগে টাটা দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের অধীনে চক্রধরপুর বিভাগের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন পরিবহনের চাহিদা জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ জানান, করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের সেবার জন্য জরুরিভাবে এ অক্সিজেন লিনডে বাংলাদেশ ভারত থেকে সরকারি সহযোগিতায় আমদানি করা হয়েছে, যা এখান থেকে খালাসের পর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে।

অক্সিজেন নিয়ে এসেছে ভারতীয় ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন জানান, ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন শনিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরে আমদানি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ১০টি কনটেইনারবাহী অক্সিজেন এক্সপ্রেস রওনা দেয়। আজ সকাল ৭টায় ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সর্বশেষ

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার: জিএম কাদের

করোনায় কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার: জিএম কাদের

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

মেয়েদের এক নম্বরের বিদায়

টোকিও অলিম্পিকমেয়েদের এক নম্বরের বিদায়

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

টেস্ট করাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ 

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune