X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কঠিন সময় অপেক্ষা করছে

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ২২:৫৪

জুনে লাখ রোগী শনাক্তের পর জুলাইয়ে ইতোমধ্যে ২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে শনাক্ত। ঈদের তৃতীয় দিন (২৩ জুলাই) ভোর থেকে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে দেশব্যাপী ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এ সময় সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, এমনকি গার্মেন্ট কারখানাও। তবে ঈদের আগে বিধিনিষেধ শিথিল করার কারণে স্বাস্থ্যবিধি না মানার একটা প্রবণতা দেখা গেছে গরুর হাটে এবং ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে। ঈদের পর এর একটা প্রভাব চলমান উচ্চ সংক্রমণের ওপর পড়বে বলে ধারণা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। আগের লকডাউনে সংক্রমণের হারে খুব একটা প্রভাব না পড়ায় আসন্ন লকডাউনকে খুব কঠিন সময় হিসাবেই দেখছেন তারা।

দেশে করোনা মহামারির চরম সংকট যাচ্ছে বর্তমানে। জুনে এক লাখের কিছু বেশি রোগী শনাক্ত হলেও জুলাইয়ের অর্ধেক সময়ে তা ছাড়িয়ে গেছে। মাত্র সাত দিন আগে দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৭৬৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আর গত ৯ দিনে প্রায় সাড়ে ৯৫ হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ হাজার করে শনাক্ত হচ্ছেন। রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোও পড়ছে সংকটে। ধীরে ধীরে কমে আসছে খালি শয্যা এবং আইসিইউ বেডের সংখ্যা। তাছাড়া মৃত্যুর হারও আছে ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিদিন গড়ে মারা যাচ্ছেন ২০০ জনের কাছাকাছি। এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২৩১ জন, যেটি দু’দিন আগেই জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

ঈদের ছুটিতে করোনা শনাক্তের হার কিছুটা কম হলেও তা নমুনা পরীক্ষার তুলনায় বেশি। ছুটির প্রথম দিনেই শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের ওপরে দাঁড়িয়েছে। দেশে মোট মৃত্যু পেরিয়ে গেছে ১৮ হাজার। আতঙ্কের তথ্য হলো, এর অর্ধেক মৃত্যুই ঘটেছে সর্বশেষ সাড়ে তিন মাস সময়ের মধ্যে। অর্থাৎ গত বছরের মার্চ থেকে শুরু করে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ১৩ মাসে করোনা সংক্রমণ নিয়ে যত মানুষ মারা গেছেন, তার চেয়েও বেশি মানুষ মারা গেছেন এ বছরের এপ্রিল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সময়ে।

এমন উদ্বিগ্ন পরিস্থিতির মধ্যেও ঈদের আগে শিথিল করা হয় কঠোর বিধিনিষেধ। তাতে আবারও স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসে মানুষ। সর্বশেষ আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের কারণে সংক্রমণ আর মৃত্যু কোনোটাই কমানো যায়নি। ঈদের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে আবারও শুরু হবে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। তবে কিছু সময়ের জন্য শিথিল করে দিয়ে পুনরায় লকডাউনের মধ্যে আশার আলো খুব একটা দেখছেন না জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে সত্যিকার অর্থে যদি কঠোর লকডাউন পালন করা যায় এবং তার সঙ্গে পর্যাপ্ত পরীক্ষা, আইসোলেশন, কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা যায় তাহলে সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করছেন তারা। তাছাড়া শিথিল লকডাউনের কারণে যারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঈদের ছুটিতে যাতায়াত করেছেন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে, তার প্রতিফলন ঈদের পরপরই পাওয়া যাবে বলে জানান তারা।  

সরকারের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. আবু জামিল ফয়সেল বলেন, ‘গত ১ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট যে বিধিনিষেধ ছিল কোনোভাবেই তাকে লকডাউন বলা যাবে না। এ সময় অনেক হেলাফেলা করা হয়েছে। মানুষ যার যার জায়গায় সবকিছুই করেছে। এতে লকডাউনের যে সুফল তা কোনোভাবেই আশা করা উচিত না। এখন খুলে দেওয়ার পর সেটা আরও বেড়ে যাওয়ার কথা। আজকের (২২ জুলাই) রেজাল্ট বলছে, সংক্রমণের হার এখনও অনেক বেশি। মৃত্যুর সংখ্যাও একই কথা বলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো একটা ক্রিটিক্যাল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। যা হচ্ছে তা নিয়ে তো আমাদের প্রচণ্ড শঙ্কার মধ্যে থাকা উচিত।’  

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লকডাউন খুব একটা কাজে দেবে না। কারণ, ঈদের সময় আমাদের যতগুলো মানুষ বাইরে গেছে, এরমধ্যে বেশ কিছু ফিরে আসবে। লকডাউন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সংক্রমণ ট্রান্সফার বন্ধে সাহায্য করে। সংক্রমণের হার কমাতে সাহায্য করে না। সংক্রমণের হার কমাতে গেলে একজন একজন করে টেস্ট করে আইসোলেশনে নিতে হবে অথবা বাসাটিকে কোয়ারেন্টিনের আওতায় নিতে হবে। এছাড়া কিন্তু জেনারেল লকডাউনে এটা কমবে না। লকডাউন করতে হলে ‘রিয়েল লকডাউন’ লাগবে এবং সেটি যদি ৩ সপ্তাহ অন্তত করা যায় তাহলে লেভেল কমে যাবে। অনবরত কিন্তু রিয়েল লকডাউন হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক কমপ্লিকেশন আছে। রিয়েল লকডাউনে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তাছাড়া সরকারের সক্ষমতার একটা ব্যাপার আছে। সুতরাং যেভাবে লকডাউন হয়ে আসছে তা দিয়ে কিছু হবে না। তাই সামনে একটা কঠিন সময় অপেক্ষা করছে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, ‘লকডাউনের বিকল্প নেই। তবে তার সঙ্গে কিছু উপাদান যুক্ত হতে হবে, তাহলে তাতে কাজ হবে। লকডাউনের সঙ্গে আইসোলেশন, কন্টাক্ট ট্রেসিং, টেস্টিং, কোয়ারেন্টিন যুক্ত করতে হবে। ঈদের সময় যারা বাড়ি গেছে, তাদের মধ্যে থেকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে যদি চিহ্নিত করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়, তাতে সমস্যার কিছুটা সমাধান করা যেতে পারে।’

/আইএ/

সম্পর্কিত

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০১:১৪

একুশে পদকপ্রাপ্ত নন্দিত গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে গভীরে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ডেপুটি স্পিকার, বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাতে পাঠানো এসব শোক বার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে রাত ১০টা ৫৬ মিনিটের দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান ফকির আলমগীর। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, দেশবরেণ্য গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তার শােকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়া ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এবং চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে শোকবার্তায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর হয়ে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে, মহান মুক্তিযুদ্ধে কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে এবং নব্বইয়ের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে অসামান্য ভূমিকা রাখা ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ফকির আলমগীর তার গানের মধ্যে দিয়ে এ দেশের মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন।’

বিশিষ্ট গণসংগীত শিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এক শোক বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ফকির আলমগীর ছিলেন এ দেশের কিংবদন্তীতুল্য গণসংগীত শিল্পী। বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তার গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি অনবদ্য ভূমিকা রেখেছিলেন।’

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান ও প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। এক শোকবার্তায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শোকবার্তায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জানান, ফকির আলমগীর স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।  ৬৬ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর গান এ দেশের সাধারণ মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। মহান স্বাধীনতা আন্দোলন ও গণসংগীতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এই বরেণ্য গণসংগীত শিল্পীর  মৃত‍্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। প্রতিমন্ত্রী শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস‍্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এদিকে, একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এই গণসংগীতশিল্পীর চির প্রস্থানে সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ গভীর শোক প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, মহাসচিব শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, নকীব খান ও কুমার বিশ্বজিৎ মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফকির আলমগীরের মৃত্যু বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দেশের গণসংগীত প্রচার ও প্রসারে তার অবদান অসামান্য। 

আরও পড়ুন...

করোনার কাছে পরাজিত হলেন ফকির আলমগীর                                                                                      

/ইএইচএস/এসএমএ/আইএ/

সম্পর্কিত

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২২:০৮

করোনার ভয়াবহ প্রকোপ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) চলাকালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) বিকাল ৫টায় বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, করোনাভাইরাস জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার কর্তৃক ঘোষিত কঠোর লকডাউনের সময় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে।

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট, দেওয়ানি, ফৌজদারি, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি (সমুদ্র-সংক্রান্ত বিষয়) সংক্রান্তে একটি করে মোট তিনটি বেঞ্চে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে অতীব জরুরি বিষয়ে শুনানি করবেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, ফুলকোর্ট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আরও সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়াও সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য ফুলকোর্ট সভায় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০০:১৫

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করেন তিনি। নন-এমপিও হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত তৃতীয় শ্রেণির এই কর্মচারী অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রশাসনিক কাজকর্মও করেন। সাকুল্যে বেতন পান তিনি ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া অতিরিক্ত কাজের জন্য আরও কিছু ভাতা পান তিনি। কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে একশ’ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন। তাও একটি-দুটি নয়, ৯৭টি ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে তার। ঢাকায় একাধিক বাড়ি-ফ্ল্যাটের মালিক তিনি, ব্যবহার করেন দামি গাড়িও। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আতিকুর রহমান খান। স্কুলের ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থা ও নিজস্ব অনুসন্ধানে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বিপুল এই সম্পদের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে আতিকুর রহমান খান প্রথমে কোনও মন্তব্য করতেই রাজি হননি। পরে নিজেই ফোন করে এই প্রতিবেদককে বলেন, আইডিয়াল স্কুলের চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই তিনি ব্যবসা করেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক থেকে তিনি প্রায় ১০ কোটি টাকার মতো ঋণও নিয়েছেন। ব্যবসা করেই তিনি সম্পদ গড়েছেন।

আতিকুর রহমান খান ২০০৪ সালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগদান করেন। ২০১৫ সাল থেকে তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ আছে, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি ‘সোনার হরিণ’ হাতে পেয়েছেন। প্রতিবছর স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণিতে অবৈধভাবে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করানোর নামে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। এসব অর্থ দিয়েই গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাজীপুরের কালিগঞ্জের বাসিন্দা আতিকুর রহমানের বাবা একজন কৃষক। আইডিয়াল স্কুলে যোগ দেওয়ার আগে তিনি কনকর্ড নামে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। আইডিয়াল স্কুলে ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আয়কৃত অর্থ দিয়ে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। রামপুরার বনশ্রী মসজিদ মার্কেটে বিশ্বাস লাইব্রেরি রয়েছে, আফতাবনগরে বি ব্লকে বিশ্বাস বাজার নামে একটি প্রতিষ্ঠান, রামপুরা বনশ্রী এলাকার ৫ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর প্লটে ভিশন-৭১ নামে একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, আফতাবনগরে চারটি বাড়ি এবং বনশ্রীতে আরেকটি বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়া বনশ্রী এলাকায় খান ফিলিং অ্যান্ড এলপিজি, আফতাবনগরে ন্যাশনাল ফ্রায়েড কিচেন নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

 আতিকুর রহমান খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ১৫টি ব্যাংকে আতিকুর রহমান খানের ৯৭টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলো হলো, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড। এসব ব্যাংকে ২০০৭ সাল থেকে চলতি বছরের ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১১০ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৯২ টাকা লেনদেন হয়েছে।

এরমধ্যে আতিকুর রহমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, স্ত্রী নাহিদা আক্তার নীপা, বড় ভাই আব্দুস সালাম খান, ফজলুর রহমান খান ও শ্বশুর নুরুল ইসলামের নামেও লেনদেনও রয়েছে। আতিকুরের বড় ভাই আব্দুস সালাম মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের বাংলা মাধ্যম দিবা শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আতিকুর রহমান খানের মালিকানাধীন ন্যাশনাল ফ্রায়েড চিকেনের নামে সাউথইস্ট ব্যাংকে ২০১৫ সালে একটি হিসাব খোলা হয়। ওই হিসাবে প্রায় সোয়া ২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। কিন্তু সরেজমিন আফতাবনগরে সেই প্রতিষ্ঠানের কোনও হদিস পাওয়া যায়নি। এছাড়া আতিকুর রহমান খানের মালিকানাধীন এইচ কে খান এন্টারপ্রাইজের নামে প্রাইম ব্যাংকের একটি হিসাবে ৮ কোটি টাকার লেনদেন পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় বনশ্রীর মসজিদ মার্কেটের বিশ্বাস লাইব্রেরি দেখা গেছে।

 আতিকুর রহমান খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

ভর্তি বাণিজ্য করেই বিপুল সম্পদ
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ভর্তি বাণিজ্য করেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন আতিকুর রহমান খান। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শাখা ছাড়াও মুগদা ও রামপুরায় পৃথক দুটি শাখা রয়েছে। এই স্কুলে বাংলা মাধ্যমে প্রভাতী ও দিবা এবং ইংলিশ ভার্সনে প্রভাতী ও দিবা শাখায় প্রতি বছর অন্তত ৩ থেকে ৪ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে। প্রতিবছরই অর্থের বিনিময়ে এখানে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়ে থাকে। অবৈধভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য হলেন এই আতিকুর রহমান খান।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শাখায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। এরমধ্যে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী অর্থের বিনিময়ে ভর্তি করানো হয়েছে। প্রতি শিক্ষার্থীকে ভর্তির বিনিময়ে আতিকুল ইসলাম খান ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নিতেন। এই প্রতিবেদকের কাছে তিন জন অভিভাবক অর্থের মাধ্যমে ভর্তি করানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এছাড়া একজন দালালের সঙ্গে ভর্তির বিষয়ে আতিকুর রহমান খানের কথোপকথনের কয়েকটি রেকর্ড রয়েছে এই প্রতিবেদকের কাছে।

অর্থের বিনিময়ে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি অস্বীকার করে আতিকুর রহমান খান বলেন, ‘তিনি অবৈধ এই ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত নন।’

তবে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি। আতিকুর রহমানের ভাষ্য, ‘অবৈধভাবে যাদের ভর্তি করা হয়েছে তাদের লিস্ট এবং রেজুলেশন স্কুলে আছে। তারা কার সুপারিশে ভর্তি হয়েছে তা খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই।’

/ইউএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকায় গ্রেফতার চারশতাধিক

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:০৬

কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন রাজধানীতে ৪০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, লকডাউন অমান্য করে করে অহেতুক ঘোরাফেরা করায় ৪০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০৩ জনকে এক লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে।

প্রসঙ্গত, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

 

/এআরআর/আইএ/

সম্পর্কিত

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

পোস্তার রাস্তায় পচা চামড়ার স্তূপ

দারুসসালামে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোন কারাগারে

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৯:০২

রাজধানীর দারুসসালাম এলাকা থেকে ১৭৮ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দুই বোনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আসামিরা হলেন- মোছা. মিতু আক্তার (২৩) ও মোছা. রিতু আক্তার (২১)।

আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দারুসসালাম থানায় দায়ের হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এ দিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে মহানগরীর দারুসসালাম থানার মাজার রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৭৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব।

উত্তরের জেলা জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল বহন করে নিয়ে ঢাকায় আসা ওই দুই নারী সম্পর্কে বোন উল্লেখ করে র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস জানান, র‌্যাব-৩ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক চক্রের কয়েকজন সদস্য আহাদ পরিবহনের একটি বাসে যাত্রী বেশে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিলের চালান জয়পুরহাট থেকে ঢাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায়।

তাদের কাছ থেকে ১৭৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে উল্লেখ করে বীণা রানী দাস আরও জানান, তারা দুজনে বোরকা পরে ব্যাগ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফেনসিডিলগুলো লুকিয়ে নিয়ে এসেছিল। দুবোনের মধ্যে রিতু বিবাহিত। তার স্বামীর নাম মহিনুল ইসলাম। এরা মূলত বাহক হিসেবে মাদক বহন করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্বচ্ছল পরিবারের দুই তরুণী নিয়মিত এমন মাদক বহনের কথা স্বীকার করে বলেছেন, সাংসারিক টানাপোড়েনে কিছু টাকার আশাতেই ঝুঁকি নিয়ে জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে ঢাকায় এসেছেন তারা।

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, আটক ১

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, আটক ১

সম্পর্কিত

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

আজ থেকে বাংলাদেশ গণসংগীতহীন হলো: ফেরদৌস ওয়াহিদ

স্মরণে ফকির আলমগীরআজ থেকে বাংলাদেশ গণসংগীতহীন হলো: ফেরদৌস ওয়াহিদ

গণসংগীতের জন্য ফকির আলমগীর স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী

গণসংগীতের জন্য ফকির আলমগীর স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী

করোনায় প্রাণ হারালেন গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর

করোনায় প্রাণ হারালেন গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

একদিনে ঢাকায় ফিরলো ৮ লাখ সিম কার্ড

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

সর্বশেষ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

শেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

স্মরণে ফকির আলমগীরশেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় মুখ্য হিট অফিসার নিয়োগ

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় মুখ্য হিট অফিসার নিয়োগ

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা

তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা

করোনায় শিক্ষা কর্মকর্তার মৃত্যু

করোনায় শিক্ষা কর্মকর্তার মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে স্পিকার ও মন্ত্রীদের শোক

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

লকডাউনে সীমিত পরিসরে চলবে হাইকোর্টের বিচার

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

বেতন ৩০ হাজার, ব্যাংকে লেনদেন শত কোটি টাকা!

তবুও বাইরে মানুষ

তবুও বাইরে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাসায় ঘুরতে বেরিয়ে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

দুই দিনে ১১৪৮৩ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

জয়পুরহাট থেকে ফেনসিডিল নিয়ে মিতু-রিতুর ঢাকা যাত্রা

বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আবেদন ফরম পরিবর্তন 

বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আবেদন ফরম পরিবর্তন 

পাঁচ লাখের গরু দুই লাখ, বিক্রেতারা এখনও হাটে

পাঁচ লাখের গরু দুই লাখ, বিক্রেতারা এখনও হাটে

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

মগবাজার বিস্ফোরণ তিতাসের লিকেজ থেকেই: পুলিশ

© 2021 Bangla Tribune