X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

পাবনায় হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করলো বহিরাগতরা, আটক ১

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ০৯:২১

পাবনায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বহিরাগতরা এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) রাতের এ ঘটনায় হাসপাতালে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়। 

রাতে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্সের হস্তক্ষেপে চিকিৎসকরা কাজে ফেরেন। লাঞ্ছিতের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে আটকও করেছে পুলিশ।

পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের ডা. এ আর রন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শালগাড়ীয়া এলাকায় মারামারির ঘটনায় আহত এক রোগী আসে। তার সঙ্গে আসেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বেলায়েত আলী বিল্লুর ভাই মনু আলী ও কয়েকজন যুবক। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক আল আমিন সৌরভ রোগীর সঙ্গে নিয়ে আসা একজন চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের পরামর্শ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করতে বলেন। 

কিন্তু ওই যুবকরা তাতে রাজি না হয়ে ডা. সৌরভকে গালাগাল করে মারতে উদ্যত হন। সৌরভ দৌড়ে হাসপাতালের ভেতরে গেলে হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের ক্লিনিক্যাল অ্যাসিসট্যান্ট ডা. হাসানুজ্জামান, সার্জারি বিভাগের ক্লিনিক্যাল অ্যাসিসট্যান্ট ডা. সজীব হাসানের সামনেই আবারও তাকে মারধরের চেষ্টা চলে। 

এ সময় পাবনা মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. মাহফুজ নয়ন বহিরাগত যুবকদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও তারা অকথ্য গালাগাল করে ডা. সৌরভকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। 

ডা. রন জানান, ঘটনার আকস্মিকতায় হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা হতবিহবল হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তারা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে বিষয়টি হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সদর আসনের এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্সকে জানানো হয়। পরে দোষীদের শাস্তির আশ্বাস মিললে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কাজে ফেরেন। 

মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহফুজ নয়ন বলেন, করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পাবনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। ঈদের আনন্দ বাদ দিয়ে তারা দিন রাত হাসপাতালে কাজ করছেন। এ সময় বহিরাগত যুবকেরা চিকিৎসকদের লাঞ্ছিত করবে, বিষয়টা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. সালেহ মোহাম্মদ আলী বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মৌখিকভাবে আমাকে লাঞ্ছিতের ঘটনা জানিয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে. ঘটনার পর রাতেই অভিযুক্ত যুবক মনু আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে মনু আলীকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসকরা দিনরাত এক করে যোদ্ধার মত কাজ করছেন। চিকিৎসকদের লাঞ্ছিতের ঘটনাটি নিন্দনীয়। অপরাধীদের গ্রেফতারের পাশাপাশি চিকিৎসকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর থাকতে বলা হয়েছে। চিকিৎসকরা কাজে ফেরায় হাসপাতালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

রাজশাহী মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে আরও ৪ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে আরও ৪ মৃত্যু

জীবিত থেকেও এক জেলার শতাধিক মানুষ ‘মৃত’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০৪

‘জীবিত থাইকেও যদি জাতীয় পরিচয়পত্র তালিকায় মৃত থাকি, তাইলে মরে যাওয়া ভালো ছিল। তালিকায় মৃত দেখানোর কারণে করোনার টিকা নিতে পারতাছি না, ব্যাংক থেকে ঋণ উঠাইতে পারতাছি না, ছেলেমেয়েকে স্কুলে ভর্তি নিতাছে না, শুধু ভোগান্তিতে পড়তে হইতাছে।’ কথাগুলো বলেছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুরের স্বল্পা চরপাড়া এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে কৃষিশ্রমিক মোফাজ্জল হোসেন (৩৫)।

২০১৯ সালে মৃত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে সর্বশেষ জাতীয় পরিচয়পত্র হালনাগাদের সময় মোফাজ্জল হোসেনকে মৃত দেখানো হয়। 

মোফাজ্জল হোসেন জানান, পাঁচ বছর আগে তার বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন মারা যান। সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় বড় ভাইয়ের সঙ্গে তাকেও স্থানীয় তথ্য সংগ্রহকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতীয় পরিচয়পত্রের হালনাগাদের তালিকায় মৃত দেখিয়েছেন। দুই বছর আগে ব্যাংকে ঋণ নিতে যাওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার জাতীয় পরিচয়পত্র খুঁজে দেখেন মৃত। এরপর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সংশোধনের আবেদন করেন। বারবার নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে দুই বছরেও সমাধান হয়নি সমস্যা। তালিকায় মৃত দেখানোর কারণে করোনার টিকাসহ অনলাইনের কোনও সেবা নিতে পারছেন না তিনি। 

শুধু মোফাজ্জল নন, ২০১৯ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় জেলার শতাধিক জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হয়েছে। এসব ব্যক্তি নির্বাচন অফিসে আবেদন করে দিনের পর দিন ঘুরছেন। কিন্তু কোনও সমাধান পাচ্ছেন না।

একই সমস্যায় পড়েছেন ঈশ্বরগঞ্জের মরিচারচর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে জুবায়ের হোসেন (৩৫)। তিনি জানান, এক মাস আগে মোবাইলে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বাজারের দোকানে যান। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বারবার চেষ্টা করেও খুলতে পারেননি। পরে বিকাশ এজেন্ট জানান তার আইডি কার্ডে সমস্যা আছে। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আইডি কার্ডের সমস্যার কথা জানান। সেখানের কর্মকর্তা সার্ভারে তল্লাশি করে জানান তালিকায় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এই কথা শোনার পর জুবায়ের হতবাক হয়ে যান। নির্বাচন কর্মকর্তার পরামর্শে সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু আজও তার আইডি কার্ড সংশোধন হয়নি।

জুবায়ের আরও জানান, এ ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটলো বুঝতে পারছেন না। মৃত দেখানোর কারণে করোনার টিকার নিবন্ধনসহ অনলাইনে কাজ করতে পারছেন না।

এদিকে, করোনার গণটিকা নিতে গিয়ে উপজেলার মরিচারচর গ্রামের দিনমজুর শিপন মিয়া (৩২) জানতে পারেন মৃত। বারবার চেষ্টা করেও টিকা নিতে পারেননি। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে।

শিপন মিয়া জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তালিকা করতে গাফিলতি করেছেন। এ জন্য তার নাম মৃতদের তালিকায় উঠেছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকার মানুষ তাকে নিয়ে হাসাহাসি করছেন। পরিচয়পত্রের সমস্যার কারণে করোনার টিকা নিতে পারেননি। এ ছাড়া জমি রেজিস্ট্রিসহ কোনও সেবাই নিতে পারছেন না। সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে বারবার ঘুরেও দেড় বছরেও না হওয়ায় হতাশ শিপন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সারওয়ার জাহান বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানো হয়েছে মর্মে সংশোধনের আবেদন করেছেন। তাদের আবেদন ঢাকার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের জনবল কম থাকায় মাঠপর্যায়ে ২০১৯ সালে মৃত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় এলাকাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতা নেওয়া হয়। তথ্য সংগ্রহের সময় শিক্ষকরা ভুলবশত মৃত ব্যক্তির পাশাপাশি জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। এ কারণে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করা হচ্ছে; যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান এবং সংশোধন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকেই করা যাবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ হবে। সেই সঙ্গে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর যে সমস্যা তা দ্রুতই সমাধান করা যাবে।

জেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জীবিত ব্যক্তিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানোর বিষয়টি মানবাধিকার লঙ্ঘন। এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িতরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। সরকার ইচ্ছা করলেই এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন। ভোগান্তিতে পড়া ব্যক্তিদের সমস্যা সমাধানে নির্বাচন কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।’

/এএম/

সম্পর্কিত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

‘চাকরিজীবীরা কীভাবে অর্থশালী আমি বুঝি, সৎভাবে হওয়া অসম্ভব’

‘চাকরিজীবীরা কীভাবে অর্থশালী আমি বুঝি, সৎভাবে হওয়া অসম্ভব’

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে কমেছে মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে কমেছে মৃত্যু

ঢাকায় ঝগড়ার জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, বৃদ্ধা নিহত আহত ১০

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের ধাক্কায় আয়েশা বেগম (৮০) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে সরাইলের পানিশ্বর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। বৃদ্ধার মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষ আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহত আয়েশা বেগমের নাতি শ্যামল মিয়া জানান, সরাইলের পানিশ্বর গ্রামের হুজুর বাড়ির দক্ষিণ পাড়ার সাদ্দাম ও শফিকের সঙ্গে উত্তর পাড়ার ইউনুছ মিয়ার ছেলে জামাল মিয়া ঢাকার একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন। গত এক মাস আগে কারখানায় তুচ্ছ ঘটনায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি তাদের গ্রামের বাড়িতে জানাজানি হলে উভয়পক্ষের আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

আজ দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে আসামিরা হাজিরা দিতে আসেন। হাজিরা শেষে বাড়িতে ফেরার পর দক্ষিণ পাড়ার ইউনুছের সঙ্গে উত্তর পাড়ার শফিকের প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তারা হাতাহাতিতে লিপ্ত হন। এ সময় তাদের ঝগড়া থামাতে যায় সাদ্দাম মিয়ার পক্ষের বৃদ্ধা আয়েশা বেগম। প্রতিপক্ষ ইউনুছ মিয়ার লোকজন ধাক্কা দিলে আয়েশা বেগম মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. ফয়েজুর রহমান ফয়েজ জানান, ওই বৃদ্ধাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। তার বুকে আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।

পানিশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দীন ইসলাম বলেন, ‘বৃদ্ধা আয়েশার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দুইপক্ষ আজ বিকালে আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখনও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১৫

বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১৫

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

নতুন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, ৫৬ দিনে হবে এক কেজি

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২২

জার্মপ্লাজম ব্যবহার করে ধারাবাহিক সিলেকশন ও ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে অধিক মাংস উৎপাদনকারী একটি মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই)। পরিবর্তনশীল আবহাওয়া উপযোগী এই মুরগির জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাল্টি কালার টেবিল চিকেন’ (এমসিটিসি)।

গবেষকদের দাবি, এটি অধিক মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত। বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং জলবায়ুর প্রেক্ষাপটেই এর উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বিএলআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আতাউল গনি রাব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মাধ্যমে আমরা মুরগির পরীক্ষা করিয়েছি। এমসিটিসি সংশ্লিষ্ট যত ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার সেগুলোও সম্পন্ন হয়েছে। দেখা গেছে, এই মুরগির মাংসের গুণাগুণ দেশি মুরগির অনুরূপ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমসিটিসি জাতের মুরগির মাংসের স্বাদ ও পালকের রং দেশি মুরগির মতো মিশ্র বর্ণের হওয়ায় খামারিরা দাম প্রচলিত সোনালি বা অন্যান্য ককরেল মুরগির তুলনায় বেশি পাবেন। এই জাতের মুরগি পালনে জায়গার পরিমাণ, ব্রিডিং, তাপমাত্রা, আলো ও বায়ু ব্যবস্থাপনা অন্যান্য মুরগির মতোই। এই জাতের মৃত্যুর হার খুবই কম। বিএলআরআই পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় সর্বোচ্চ ১.৫ শতাংশ মৃত্যুহার পাওয়া গেছে।’

বিএলআরআইয়ের গবেষকরা বলছেন, মাংসের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এ জাতের উদ্ভাবন করা হয়েছে। আট সপ্তাহে (৫৬ দিনে) এই মুরগির গড় ওজন হবে ৯৭৫ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত। এ ওজন হতে প্রতিটি মুরগির প্রায় ২.২০-২.৪০ কেজি খাবার খায়। যেখানে বাজারে বহুল প্রচলিত অনেক মুরগির এই ওজনে আসতে প্রায় ৯০ দিন লেগে যায়।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এমসিটিসি মুরগির জাতটিকে আমরা বলে থাকি, দেশীয় ব্রয়লার। সরকারি চারটা ফার্ম এবং প্রাইভেট দুইটা ফার্মের মাধ্যমে আমরা পুরো বাংলাদেশকে কাভার করার চেষ্টা করছি। পরবর্তী সময়ে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আরও অন্যান্য এলাকায় এর কার্যক্রম পরিচালনা করবো। এক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে।’

মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘‘মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ধারাবাহিক গবেষণার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে উৎপাদন, অভিযোজন ক্ষমতা, মৃত্যুহার, রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাব ইতোমধ্যে মূল্যায়ন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক খামার পর্যায়ে মূল্যায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য প্রথমে ‘আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড কোম্পানি’র সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় এবং তাদের সঙ্গে যৌথ গবেষণা এখনও চলমান রয়েছে। খামার পর্যায়ে সম্প্রসারণ সফলভাবে করতে পারলে একদিকে স্বল্পমূল্যে প্রান্তিক খামারিরা অধিক মাংস উৎপাদনকারী জাতের বাচ্চা পাবেন। অন্যদিকে, আমদানি নির্ভরশীলতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। একইসঙ্গে মুরগির বাচ্চা ও মাংসের বাজার মূল্যের উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করা এবং দেশের সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় প্রাণিজ আমিষসহ অন্যান্য পুষ্টির চাহিদা পূরণে এ জাতের মুরগি ভূমিকা রাখবে।’’

/এফআর/

সম্পর্কিত

শরীয়তপুরে আউশের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

শরীয়তপুরে আউশের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

‘আগামী সংসদ নির্বাচনও এই সরকারের অধীনে’

‘আগামী সংসদ নির্বাচনও এই সরকারের অধীনে’

জাজিরা-মাওয়া ফেরিঘাট দ্রুত চালুর দাবিতে গণঅনশন

জাজিরা-মাওয়া ফেরিঘাট দ্রুত চালুর দাবিতে গণঅনশন

নারী পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪০

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা সুমাইয়া খাতুন (২৫) নামের এক পুলিশ সদস্য।  শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার চর ভবানীপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সুমাইয়া খাতুন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমে কর্মরত রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়নের চর ভবানীপুরে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে আলী আকবর এবং আজিজুল হকের পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলেছে। এ ঘটনায় একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। শনিবার বিকালে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার কথা থাকলেও আজিজুল হক গংরা না বসে উল্টো রাস্তায় গাছ দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে আজিজুল হকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলী আকবরের পরিবারের ওপর হামলা করে। এ সময় বারান্দায় বসে থাকা আলী আকবরের বোন সুমাইয়া খাতুনের মাথায় রামদা দিয়ে কোপ দিলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত পুলিশ সদস্য সুমাইয়া খাতুন বলেন, ‘শনিবার সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও আজিজুলরা যায়নি। উল্টো তারা আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তা গাছ দিয়ে বন্ধ করে দেয়। রাস্তা বন্ধের কারণ জানতে চাইলেই অপরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার মাথায় রামদা দিয়ে কোপ দিলে অজ্ঞান হয়ে পড়ি, জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে ভর্তি।’

আজিজুল হক জানান, যে জমি নিয়ে বিরোধ ক্রয় সূত্রে সেটির মালিক তিনি। সেই জমি আকবর আলীরা নিজেদের দাবি করে একটা ঝামেলা তৈরি করে চলছে দীর্ঘদিন ধরে। তারা আমাদের ওপর চড়াও হলে আমরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা হামলায় জড়িয়ে পড়ি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘এক নারী পুলিশ সদস্য সুমাইয়া ছুটিতে এসে হামলার শিকার হয়েছেন। সে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

‘চাকরিজীবীরা কীভাবে অর্থশালী আমি বুঝি, সৎভাবে হওয়া অসম্ভব’

‘চাকরিজীবীরা কীভাবে অর্থশালী আমি বুঝি, সৎভাবে হওয়া অসম্ভব’

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

প্রাইভেট কার-পিকআপ সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

প্রাইভেট কার-পিকআপ সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:১২

ভোলায় গ্রাহকদের প্রায় হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ইউনাইটেড মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যেই পালিয়ে গেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম। এতে টাকা ফেরত চেয়ে রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ভোলা আদালত সড়ক ও প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন সহস্রাধিক গ্রাহক।

মানববন্ধনে গ্রাহকরা বলেন, ২০০৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আড়াই হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত হিসেবে এক হাজার কোটি টাকা নেয় ইউনাইটেড মাল্টিপারপাস। ওই টাকা দিয়ে মঞ্জুর আলম তার শ্বশুর আব্দুল খালেক, স্ত্রী রোজিনা, ভাই ইউছুফসহ কয়েক আত্মীয়ের নামে-বেনামে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে লভ্যাংশ দেওয়া বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এরপর গ্রাহকরা তাদের আমানতের টাকা ফেরত চাইলে স্ত্রীসহ পালিয়ে যান মঞ্জু। পুলিশ তার শ্বশুর আব্দুল খালেক ও মঞ্জুসহ তিন ভাইকে গ্রেফতার করেছে। ইতোমধ্যে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মঞ্জু ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা আরও বলেন, তাদের টাকা দিয়ে মঞ্জু তার নিজের ও স্বজনদের নামে ২৭টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এখন টাকা ফেরত দিচ্ছে না। আমরা আমাদের টাকা ফেরত চাই।

/এফআর/

সম্পর্কিত

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

১০ বছরে দুর্গাসাগরে ধরা পড়লো সবচেয়ে বড় মাছ 

১০ বছরে দুর্গাসাগরে ধরা পড়লো সবচেয়ে বড় মাছ 

ধাপে ধাপে সব ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে: মাউশি মহাপরিচালক

ধাপে ধাপে সব ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে: মাউশি মহাপরিচালক

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

রাজশাহী মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে আরও ৪ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে আরও ৪ মৃত্যু

বাসের ধাক্কায় সেনা সদস্য নিহত

বাসের ধাক্কায় সেনা সদস্য নিহত

ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত

ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত

রামেক হাসপাতালে মৃত্যু বেড়েছে

রামেক হাসপাতালে মৃত্যু বেড়েছে

চলন্ত ট্রেনে সন্তান জন্ম দিলেন সাবিনা 

চলন্ত ট্রেনে সন্তান জন্ম দিলেন সাবিনা 

আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়া হলো না তাদের

আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়া হলো না তাদের

রাজশাহী মেডিক্যালে ১৭ দিনে ১০৮ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে ১৭ দিনে ১০৮ মৃত্যু

সর্বশেষ

ই-কমার্স চালু করলো বেসিস

ই-কমার্স চালু করলো বেসিস

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা জাপানের

বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা জাপানের

জীবিত থেকেও এক জেলার শতাধিক মানুষ ‘মৃত’

জীবিত থেকেও এক জেলার শতাধিক মানুষ ‘মৃত’

‘অস্কার ব্রুজন রোমাঞ্চিত’

‘অস্কার ব্রুজন রোমাঞ্চিত’

© 2021 Bangla Tribune