X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

দাম নেই, বগুড়ায় চামড়া গেছে ভাগাড়ে

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ১৫:১৩

বগুড়ায় গরিবের হক কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নেই। এ অবস্থায় ছোট গরু, ছাগল ও ভেড়ার চামড়া রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয়েছে। চাহিদামতো সংগ্রহ করতে না পেরে ও লোকসানের ভয়ে অনেক সাধারণ ব্যবসায়ী ঈদের পরদিন শহরের বাদুড়তলা, চকসুত্রাপুর, চামড়াগুদাম লেন এলাকার রাস্তার পাশে গরু, ছাগল ও গরুর মাথার চামড়া ফেলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা স্তুপ থেকে চামড়াগুলো সংগ্রহ করে ট্রাকে তুলে শহরের বাইরে গোকুলের ভাগাড়ে ফেলে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ফেলে দেওয়া এসব চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দাবি, অন্তত ১৪ হাজার চামড়া তারা অপসারণ করেছেন। এরমধ্যে ছাগলের চামড়া ও গরুর মাথার চামড়াই বেশি ছিল।

শহরের বাদুড়তলার চামড়া ব্যবসায়ী মোকাররম আলী, কামরুল হোসেন, সারোয়ার হোসেন জানান, রাস্তার পাশে স্তুপ করে ফেলে দেওয়া চামড়ার মধ্যে কোরবানির ছাগল ও গরুর নিম্নমানের চামড়া রয়েছে। এ মৌসুমে ব্যবসায়ীরা তাদের চাহিদামতো চামড়া সংগ্রহ করতে পারেননি। ছাগলের চামড়ার চাহিদা এবারও কম। যেসব মৌসুমি ব্যবসায়ী ছাগলের চামড়া কিনেছেন, তাদের বেশিরভাগই লোকসান গুণছেন। ছাগলের চামড়া ১০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আরও কম দামে কিনেছেন। দাম না থাকায় অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে চামড়া ফেলে দিয়ে গেছেন। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা চামড়াগুলো পৌরসভার ট্রাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

সড়কের পাশে ফেলে দেওয়া পচা চামড়া সরিয়ে নিচ্ছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ব্যবসায়ীরা আরও জানান, গত বছরে চেয়ে এবার আমদানি অনেক কম। শহরে কোরবানি বেশি হলেও গ্রামে কম হয়েছে। তারপরও চামড়ার দাম বাড়ছে না।

বুধবার (২১ জুলাই) সকাল থেকে শহরের থানা মোড় থেকে চকসুত্রাপুর পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা চামড়া কেনার জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকান খুলে বসেন। তবে বিগত বছরের মতো আমদানি কম হয়েছে। কোরবানির গরুর চামড়া ৩০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়। ছাগলের চামড়া ১০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকা দাম উঠেছে। ভেড়া ও ছোট খাসির চামড়া ৫ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। 

আবার শহরের একটু বাইরে চাঁদমুহা, বারপুর, ঘোড়াধাপসহ বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমি ব্যবসায়ীরা গরুর চামড়া ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫০ টাকায় কিনেছেন। ছাগলের চামড়া ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা ও ভেড়ার চামড়া পাঁচ টাকায় কেনেন।

স্থানীয় এক মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিক্ষক বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) দুপুরে শহরের চকসুত্রাপুর এলাকায় কয়েকটি ছাগলের চামড়া ফেলে দেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই শিক্ষক জানান, সাতটি গরুর চামড়া ও ১১টি খাসির চামড়া দানে পেয়েছেন। গরুর চামড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। কিন্তু কেউ খাসির চামড়া না নেওয়ায় ফেলে দিতে বাধ্য হন।

বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জপাড়ার ব্যাংকার মামুনুর রশিদ, রাজন ও সায়েদ আলী জানান, তারা পাঁচ ভাগে ৮৭ হাজার টাকায় একটি গরু কেনেন। কয়েকদিন খাওয়ানোর পর প্রায় ৯০ হাজার টাকা দাম পড়ে যায়। কোরবানির পর সে গরুর চামড়া মাত্র ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। 

শহরের কাটনারপাড়ার ব্যবসায়ী আবদুর রহমান জানান, তিনি ৭১ হাজার টাকায় কেনা গরুর চামড়া বিক্রি করেছেন মাত্র ৪০০ টাকায়। তার ১৮ হাজার টাকা দামের খাসির চামড়ার দাম নেই। তাই চামড়াটি একটি মাদ্রাসায় দান করেছেন। 

শহরের সুত্রাপুর এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৬৭ হাজার টাকা দামের গরুর চামড়া বিক্রি করেছেন মাত্র ৪০০ টাকায়। দুটি ভেড়ার চামড়ার দাম ১০ টাকা দিতে চাওয়ায় বিক্রি করেননি। পরে চামড়া দুটি ফেলে দিয়েছেন। 

রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয়েছে চামড়া কয়েকজন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জানান, গত ৮-১০ বছর ধরে তারা চামড়া কেনাবেচা করছেন। তবে গত ৩-৪ বছর ধরে তাদের ব্যবসায় মন্দাভাব যাচ্ছে। চামড়ার দাম না থাকায় পুঁজি হারিয়ে তাদের অনেকে ব্যবসা থেকে সরে গেছেন। সে কারণে তারা এবার আড়ত থেকে জেনে নিয়ে কম দামে চামড়া কিনেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে বগুড়া সদরের গোকুল এলাকায় ময়লার ভাগাড়ে গিয়ে দেখা গেছে, পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা ট্রাকে আনা পঁচন ধরা চামড়া ফেলছেন। তারা জানান, এসব চামড়া শহরের বাদুড়তলা, চকসুত্রপুর, চামড়াগুদাম এলাকায় পড়েছিল। তাদের হিসাবে সকাল থেকে প্রায় ১০ হাজার গরু-ছাগলের চামড়া ভাগাড়ে ফেলেছেন।

বগুড়ার চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিন সরকার জানান, পচে যাওয়ার কারণে নিম্নমানের গরুর চামড়া ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ছাগলের চামড়ার চাহিদা কম থাকলেও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা অনেক কেনেন। দাম না পেয়ে তারাও ছাগলের চামড়াগুলো ফেলে দিয়েছেন। আমরা দ্রুত চামড়াগুলো অপসারণ করছি।

ব্যবসায়ী নেতা আরও বলেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ট্যানারি মালিকদের কাছে আমাদের ২৫ কোটির বেশি টাকা পাওনা রয়েছে। অথচ ট্যানারি মালিকরা পাওনা টাকা পরিশোধ করছেন না। ট্যানারি মালিকরা টাকা না দেওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী পথে বসেছেন। একটি চামড়া কেনার পর তা প্রসেসিং করতে অনেক খরচ হয়। এ কারণে আড়তদারদের চামড়ার বিষয়ে আগ্রহ কম ছিল বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

মধ্যরাতে ঘুম থেকে তুলে যুবককে গুলি করে হত্যা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৭

কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে রাজু আহম্মেদ (৩৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার ভাদালিয়া এলাকার দরবেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভাদালিয়া ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের মুন্তা মণ্ডলের ছেলে রাজু। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাসায় ঘুমিয়েছিলেন রাজু। হঠাৎ প্রতিপক্ষের লোকজন পুরো বাড়ি ঘেরাও করে তাকে ঘর থেকে বের করে মাথায় গুলি করে। উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল আলম জানান, কয়েক মাস ধরে ভাদালিয়া দরবেশপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে কোন্দল চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

জমি নিয়ে বিরোধে ভাবিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

জমি নিয়ে বিরোধে ভাবিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

বারবার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

ছুটি নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে পুলিশ সদস্য নিহত

ছুটি নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে পুলিশ সদস্য নিহত

৫ স্কুলছাত্রীর করোনা শনাক্ত, ক্লাস বন্ধ

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৪

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বাহাদুরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর থেকে ওই দুই শ্রেণির ক্লাস বন্ধ রেখেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কলোনি এলাকার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. ফারহানা পারভীন এ তথ্য জানান।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির দুই জন ও পঞ্চম শ্রেণির তিন জন ছাত্রীর করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের ফলাফল পজিটিভ আসে। তারা ঠাকুরগাঁও সরকারি শিশু পরিবার বালিকার সদস্য।

প্রধান শিক্ষক ফারহানা পারভীন বলেন, বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৪২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। তাদের মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছে ৮৪ জন ও পঞ্চম শ্রেণিতে ৭৬ জন। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয় খোলার পর শিডিউল অনুযায়ী প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নেওয়া হয়। বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করে ক্লাসে প্রবেশ করানো হয়।

তিনি আরও বলেন, করোনা আক্রান্ত পাঁচ ছাত্রী গত ১৬ সেপ্টেম্বর ক্লাসে উপস্থিত ছিল। কিন্তু সেদিন তাদের মধ্যে করোনার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। বিদ্যালয় থেকে যাওয়ার পর ঠাকুরগাঁও সরকারি শিশু পরিবার বালিকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে খোঁজ-খবর নেওয়া হয় ছাত্রীদের। এসময় সরকারি শিশু পরিবার বালিকা কর্তৃপক্ষ জানায় তাদের ওখানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হয়েছে। এরপর থেকে আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর রাখতে শুরু করি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মমতাজ ফেরদৌস বলেন, বাহাদুরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন ছাত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়। এরপর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে আগামী এক সপ্তাহের জন্য ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. রকিবুল আলম চয়ন বলেন, সরকারি শিশু পরিবার বালিকার ১৩ জন ছাত্রীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদেরকে আলাদাভাবে আইসোলেশনে রেখেছি। এর পাশাপাশি আক্রান্তের দিন থেকেই আমরা তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। তারা বর্তমানে সুস্থ আছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বজায় রেখে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। আমরা বিদ্যালয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছি। স্কুলে আশা শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাণ করা হচ্ছে। যদি কোনও শিক্ষার্থীর করোনার লক্ষণ দেওয়া যায় তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে তার নমুনা পরীক্ষা করছি।

তিনি বলেন, যেসব বিদ্যালয়ের শ্রেণির শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে, আমরা তাৎক্ষণিক সেসব শ্রেণির ক্লাস বন্ধ রেখেছি এবং তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

চাঁদপুরে ৩ কলেজ শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত

চাঁদপুরে ৩ কলেজ শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত

মোংলায় শিক্ষকের করোনা শনাক্ত

মোংলায় শিক্ষকের করোনা শনাক্ত

রামেকের করোনা ইউনিটে ২২ দিনে ১৩৮ জনের মৃত্যু

রামেকের করোনা ইউনিটে ২২ দিনে ১৩৮ জনের মৃত্যু

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৯

বাসের দুই যাত্রীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ ছিনতাইয়ের অভিযোগে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ছয় সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক তাদের বিরুদ্ধে এ আদেশ জারি করেন।

মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রুহুল কুদ্দুস জানান, বৃহস্পতিবার  সকালে দুই নারী বাস যাত্রীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বিকালে পুলিশ কমিশনারের দফতরে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। ওই অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে শিরোইল বাস টার্মিনাল বক্সের ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত ছয়জনের মধ্যে দুইজন কর্মকর্তা ও চারজন কনস্টেবল। দুই কর্মকর্তা হলেন-শিরোইল টার্মিনাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এটিএসআই নাসির উদ্দিন ও এএসআই সেলিম।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা থেকে বৃহস্পতিবার সকালে বাসযোগে রাজশাহীতে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে আসেন দুই নারী। শিরোইল বাস টার্মিনালে নামার পর পরই এটিএসআই নাসিরসহ বক্স পুলিশ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে। এরপর ওই দুই নারীকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার দেখানোর হুমকি দেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় তারা ভুক্তভোগীদের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে ওই দুই নারী তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানান। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিকাশের মাধ্যমে পুলিশকে এক লাখ টাকা দেয়। এ ছাড়া তাদের দুই জনের কাছে থাকা নগদ সাড়ে চার হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনার পর ওই দুই নারীর পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সদরদফতরে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরে সদরদফতর থেকে রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারকে এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। রাতে এটিএসআই নাসিরসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেন আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখানোর ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা আদায় এবং সাড়ে চার হাজার টাকা নগদ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দুই নারী থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত চলছে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, গণপিটুনিতে নিহত

পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, গণপিটুনিতে নিহত

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

যৌতুক মামলায় কারাগারে সিআইডির এসআই

যৌতুক মামলায় কারাগারে সিআইডির এসআই

কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি, ছুরিকাঘাতে ২ যাত্রী নিহত

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৬

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী মেইল এক্সপ্রেস কমিউটার ট্রেনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রী নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে জয়দেবপুর থেকে গফরগাঁওয়ে যাওয়ার পথে মাঝামাঝি স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মিতালী বাজার এলাকার বাসিন্দা ওয়াহেদ আলীর ছেলে নাহিদ (৪০) ও শেরপুরের ফারুখ (৪০)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মাঝপাড়া গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২২)। তিনি জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনের জিআরপি থানার ওসি মামুন রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেন সন্ধ্যায় জয়দেবপুর স্টেশন পার হলে গফরগাঁওয়ের মাঝামাঝি স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীদের ছুরিকাঘাত করে ডাকাতরা। এতে তিন জন আহত হন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনটি জামালপুর স্টেশনে পৌঁছালে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত রুবেল মিয়ার চিকিৎসা চলছে বলে জানান ওসি।

/এএম/ /এসএইচ/

সম্পর্কিত

এমপিকে না জানিয়ে সোয়া কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান

এমপিকে না জানিয়ে সোয়া কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ গ্রেফতার

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ গ্রেফতার

বিদেশে বন্ধুত্ব, দেশে এসে এটিএম বুথের টাকা লুট

বিদেশে বন্ধুত্ব, দেশে এসে এটিএম বুথের টাকা লুট

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৮

বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মালিকরা দেশের সংবাদপত্রের নীতি নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণ করে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেছেন, ‘এটি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে উদ্যোক্তাদেরকে ৫০ শতাংশের বেশি মালিকানা দেওয়া হয়। ৫১ শতাংশ মালিকানা থাকে সাংবাদিক উদ্যোক্তাদের। এ ধরনের কঠোর নীতিমালায় না গেলে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকতা পেশাটি সমাজের প্রভাবশালী, অর্থবিত্তশালীদের কাছে আবদ্ধ হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন। এর জন্য যদি সঠিক পলিসি না থাকে, তাহলে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়াটা কঠিন হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত নেতাদের সম্মাননা জানাতে ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে আমরা যদি একটি সঠিক নীতিমালা করতে পারি, তাহলে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারবো। সারা পৃথিবী যদি সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিতে গণমাধ্যম চালাতে পারে, আমরা পারবো না কেন? এ বিষয়গুলো যদি আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছ থেকে আসে তাহলে আমরা কেন এটি অ্যালাউ করবো না।’

নওফেল বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে চিন্তা করতে হবে। কারণ সাংবাদিকতা একটি বিজ্ঞ পেশা। অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিবন্ধিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পেজ খুলে আমি সাংবাদিক হয়ে গেলাম, এ ধরনের যে প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের পত্রিকাগুলো পুরোপুরি বিজ্ঞাপন নির্ভর। এখানে কোনও সাবস্ক্রিপশন ব্যবস্থা নেই। এই ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে। বাইরের দেশের গণমাধ্যমগুলো সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতিতে চলে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ারও সাবস্ক্রিপশন আছে। সাবস্ক্রিপশন থেকে আয় করা অর্থে সাংবাদিকরা ভালোমানের বেতন পান।’

রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার কারণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের সামনে নিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতা কখনও এত বেশি হয়ে যায়, যার কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। সেগুলো নিরসনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উন্নয়ন তখনই হয়, যখন প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ে, জনসেবা নিশ্চিত করতে পারে এবং জবাবদিহিতা সঠিকভাবে হয়। এ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কাজটিই সাংবাদিকরা এগিয়ে নিচ্ছে।’

সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, সিইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহ-সভাপতি অনিন্দ্য টিটো প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

নতুন জাতের মুরগিতে মিলবে বেশি মাংস-দেশি স্বাদ  

নতুন জাতের মুরগিতে মিলবে বেশি মাংস-দেশি স্বাদ  

কাঁচপুরে শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ-রাবার বুলেট

কাঁচপুরে শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ-রাবার বুলেট

বই ছেড়ে সংসার জীবনে ৩০ শতাংশ ছাত্রী 

বই ছেড়ে সংসার জীবনে ৩০ শতাংশ ছাত্রী 

সাঁতরে মসজিদে যাওয়া সেই ইমাম পেলেন নৌকা ও নগদ টাকা   

সাঁতরে মসজিদে যাওয়া সেই ইমাম পেলেন নৌকা ও নগদ টাকা   

ধানক্ষেতে মিললো নারী ইউপি সদস্যের লাশ

ধানক্ষেতে মিললো নারী ইউপি সদস্যের লাশ

সর্বশেষ

মধ্যরাতে ঘুম থেকে তুলে যুবককে গুলি করে হত্যা

মধ্যরাতে ঘুম থেকে তুলে যুবককে গুলি করে হত্যা

শিগগিরই ২০ জেলায় উন্মুক্ত হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বিউটি পার্লার

শিগগিরই ২০ জেলায় উন্মুক্ত হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বিউটি পার্লার

৫ স্কুলছাত্রীর করোনা শনাক্ত, ক্লাস বন্ধ

৫ স্কুলছাত্রীর করোনা শনাক্ত, ক্লাস বন্ধ

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

© 2021 Bangla Tribune