X
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ হবে: জিএম জাহাঙ্গীর

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:১৬

চট্টগ্রামের ফুসফুসখ্যাত রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সদর দফতর সংলগ্ন সিআরবি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণ থেকে সরে আসার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন। প্রকল্পের চুক্তি বাতিল চেয়ে সবশেষ ১০১ নাগরিকের দেওয়া বিবৃতির বিষয়ে জানতে চাইলে রবিবার (২৫ জুলাই) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে এ কথা বলেন তিনি।

জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘সিআরবি এলাকায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) শর্ত মেনেই ইউনাইটেড হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী সিআরবির গোয়ালপাড়া এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। হাসপাতাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে সিআরবিতে গাছ কেটে ফেলার কোনও আশঙ্কা নেই। সিআরবির পরিবেশ আগের মতোই থাকবে। তাই হাসপাতাল নির্মাণ থেকে সরে আসার যৌক্তিক কোনও কারণ নেই। চুক্তি অনুযায়ী হাসপাতাল নির্মিত হবে।’

পূর্ব রেলের সদর দফতর (সিআরবি) এলাকায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল, ১০০ আসনের মেডিক্যাল কলেজ ও ৫০ আসনের নার্সিং ইনস্টিটিউট নির্মাণ প্রকল্প রেল বিভাগ গ্রহণ করার পর থেকে প্রতিবাদ চলছে।

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করে আসছেন সংস্কৃতিকর্মীসহ চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনেরা। নগরীর এক টুকরো অক্সিজেনখ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ না করার দাবিতে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগকে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন ১০১ নাগরিক। তাদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রেলওয়ের অবস্থান সম্পর্কে জানতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে কথা বলেন বাংলা ট্রিবিউনের নিজস্ব প্রতিবেদক।

জাহাঙ্গীর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একটি স্বতন্ত্র সংস্থা স্টাডি করে দেখেছে; গোয়ালপাড়ায় হাসপাতাল নির্মাণ হলে পরিবেশের কোনও বিপর্যয় হবে না। ওখানে একটা কলোনি ছিল। সেখানে যারা বসবাস করতো, তাদের সরিয়ে হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে কলোনির বাসিন্দাদের সরানোর কাজও শুরু হয়েছে।’

চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকা

তিনি বলেন, ‘এখানে হাসপাতাল হলে রেলওয়ের স্টাফরা কম খরচে চিকিৎসাসেবা পাবেন। একইভাবে কম খরচে স্থানীয়রাও চিকিৎসা পাবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এখানে মেডিক্যাল কলেজ হবে, নার্সিং ইনস্টিটিউট হবে। এসব সুযোগ-সুবিধা কিন্তু নগরবাসীই ভোগ করবেন।’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অটল থাকলেও ছাড়তে রাজি নন চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনেরা। হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো চট্টগ্রামের ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই ইট-পাথরের উঁচু দালান আর শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভিড়ে শতবর্ষী বৃক্ষে ঘেরা সিআরবিকে এক টুকরো অক্সিজেন প্ল্যান্ট বলা চলে। পাহাড়ের মধ্যে প্রাকৃতিক শোভামন্ডিত এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণ করতে গেলে শতবর্ষী অনেক গাছ কাটা পড়ার পাশাপাশি এখানকার সবুজ নিসর্গ ধ্বংস হয়ে যাবে। হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থানে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবদুর রবের কবর, যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের প্রথম নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এই মাটি শহীদের স্মৃতিধন্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সিআরবি তথা পাহাড়তলী ছিল বিপ্লবের সূতিকাগার। সেসব স্মৃতি সংরক্ষণে রেল উদ্যোগ নেয়নি। অথচ শহীদের কবর, শহীদের নামে কলোনি, শহীদের নামে যে সড়ক সেই জমি তারা বেসরকারি হাসপাতালকে বরাদ্দ দিয়েছে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে পরিচালিত করছেন। তার সুশাসনকে কলঙ্কিত করতে প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা কতিপয় ষড়যন্ত্রকারী আমলা রেলের জায়গায় বেসরকারি হাসপাতাল প্রকল্পের দুঃসাহস দেখিয়েছেন। সিআরবি এলাকায় এই প্রকল্প স্থাপিত হলে সেটির নেতিবাচক প্রভাব শুধু প্রকল্পের নির্দিষ্ট স্থানেই সীমিত থাকবে না। সময়ের প্রয়োজনে এই প্রকল্প এলাকা ঘিরে নতুন স্থাপনা গড়ে উঠবে। যার ফলে পরিবেশ দূষণ ঘটবে। পুরো এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক বলয় হুমকির মুখে পড়বে। এ অবস্থায় আমরা চট্টগ্রামবাসীর পক্ষে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও বন্দরনগরীর ফুসফুসখ্যাত সিআরবিতে শুধু হাসপাতাল নয়, কোনও ধরনের স্থাপনা করা সমীচীন হবে না। প্রকৃতি ও পরিবেশ বিনাশী সব কর্মকাণ্ড হবে আত্মঘাতী। চট্টগ্রামের ফুসফুস ও বুকভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার স্থানটিকে ঐতিহ্য হিসাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানাই।’

চট্টগ্রামের ফুসফুসখ্যাত রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সদর দফতর সংলগ্ন সিআরবি এলাকা

এদিকে ‘হেরিটেজ জোন’ হিসেবে বন্দর নগরীর মহাপরিকল্পনায় সিআরবি ‘সংরক্ষিত এলাকা’ হওয়ায় বাণিজ্যিক স্থাপনার অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

এরই মধ্যে পূর্ব রেলের সদর দফতর সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিংয়ে (সিআরবি) হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন চেয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম এই নোটিশ পাঠান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রেল মন্ত্রণালয় সচিব, রেলওয়ের ডিজি, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল জোনের জিএম, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির সিইও, পরিবেশ অধিদফতরের ডিজি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, ‘গণমাধ্যমের খবর অনুসারে সিআরবির ছয় একর জমিতে ৫০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং ১০০ শয্যার মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণে এক বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে গত ১৮ মার্চ রেলওয়ে একটি চুক্তি করে। অথচ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও পরিবেশগত সংরক্ষিত এলাকায় তালিকায় রয়েছে সিআরবি। তাই সিআরবি সংরক্ষণ করা জরুরি। সিরআরবি এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলে শত বছরের অধিক পুরোনো গাছ কাটতে হবে। এতে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। এছাড়া সিআরবির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। তাই প্রকল্পটি সিআরবি এলাকা থেকে পরিবর্তন করে পরিবেশের ক্ষতি হবে না, নগরে এমন স্থানে স্থাপনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।’ 

/এএম/

সম্পর্কিত

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

ক্যাম্পের পাহাড়ি ছড়ায় আরও এক বুনো হাতির মৃতদেহ

ক্যাম্পের পাহাড়ি ছড়ায় আরও এক বুনো হাতির মৃতদেহ

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪৫

মনে আছে? বাংলা সিনেমার সেই পরিচিত গল্পের কথা। ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়া, এরপর নানা চড়াই-উতরাই শেষে পরিবারকে খুঁজে পাওয়া। নির্ধারিত দৃশ্যপটে এমন কাহিনি অনেকবার দেখা হলেও এবার বাস্তবেও যেন সেই সিনেমার গল্প সামনে এলো। মাত্র ১০ বছর বয়সে হারিয়ে যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার বাড্ডা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী। তখনকার কিশোর কুদ্দুস জানতেন না তার বাড়ি কোথায়। শুধু জানতেন, গ্রামের নাম। এরপর কেটে গেছে ৭০ বছর। তবে এর সূত্র ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে ৭০ বছর পর বাড়ির ঠিকানাসহ প্রিয়জনদের খুঁজে পেয়েছেন কুদ্দুস। ফিরেছেন মায়ের কাছে। তবে মাঝে কেটে গেছে ৭০ বছর। সে দিনের কিশোর কুদ্দুস এখন ৮০ বছরের বৃদ্ধ। প্রায় ছয় যুগ ছেলের অপেক্ষায় থাকা মা মঙ্গলেমা বিবির বয়স ১১০।

হারিয়ে যাওয়ার পর আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বারুইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বনে যান। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আশ্রাফবাদ গ্রামে ঝরনা বেগমের বাড়িতে মা ছেলের দেখা হয়।

হারিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে কুদ্দুস বলেন, ‘আমি আমার চাচার সঙ্গে বাগমারা (রাজশাহী) থানায় বেড়াতে আসি। চাচা ছিলেন থানার দারোগা। তিন দিন চাচার সঙ্গে ছিলাম। সেখানে ভালো লাগছিল না। এ জন্য বেড়াতে বের হয়ে হারিয়ে যাই। হাঁটতে হাঁটতে চলে যাই আত্রাইয়ের সিংসাড়া গ্রামে। ওই গ্রামের সাদেক আলীর বাড়িতে আশ্রয় পাই এবং সেখানেই বড় হই। পরে বাগমারা বারুইপাড়া গ্রামে বিয়ে করে সেখানে সংসার শুরু করি।’

তার স্বজনরা জানান, খোঁজ পাওয়ার পরই মায়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথাও বলেছেন কুদ্দুস। এত বছর পর নিজের পরিবার খুঁজে পাওয়ায় খুশি কুদ্দুসের স্ত্রী-সন্তানরাও।

হারিয়ে যাওয়া আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী

কুদ্দুসের চাচাতো ভাইয়ের নাতি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১২ এপ্রিল কুদ্দুস মুন্সীর বর্তমান ঠিকানার পাশের গ্রামের (বাগমারা উপজেলার) আইয়ুব আলী নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে তাকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। সেখানে শুধু কুদ্দুসের বাবা-মা ও বাড্ডা গ্রামের নাম ছিল। এরপর আমরা আইয়ুব আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করে কুদ্দুসকে খুঁজে পাই। কুদ্দুস মুন্সীর ভাগ্নেসহ আমরা চারজন গত ২১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) তার রাজশাহীর বাড়িতে আসি।’

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘তারা তিন ভাইবোন ছিলেন। তার মায়ের নাম মঙ্গলেমা বিবি। ২১ সেপ্টেম্বর মায়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছেন কুদ্দুস।’

কুদ্দুস বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে যখন ভিডিও কলে প্রথম কথা বলি, তখন আমার মা আমাকে বলেন, তুই আমার হারিয়ে যাওয়া কুদ্দুস, বাবা। তোর ছোটবেলায় হাত কেটে গিয়েছিল। মায়ের মুখে এ কথা শোনার পর আমি বলি, মা তোর কুদ্দুসের কোন হাত কেটে গিয়েছিল? তখন মা বলে, বাম হাতের বুড়ো আঙুল কেটে গিয়েছিল। তখন আমি বুঝতে পারি যে তিনিই আমার মা।’

বর্তমানে কুদ্দুসের তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে। দুই ছেলে থাকেন বিদেশে। আর এক ছেলে বাড়িতে আছেন বলে জানান কুদ্দুস।

আইয়ুব আলী বলেন, ‘বারুইপাড়া বাজারের মোড়ে এক চায়ের দোকানে বসে ৭০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়ার গল্প বলছিলেন আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী। তার গল্পটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে গত ১২ এপ্রিল আমার ফেসবুক পেজে আপলোড করি। লিখেছিলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার এই বৃদ্ধ আজ থেকে প্রায় ৭০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়ার পর মা-বাবা থেকে বিচ্ছিন্ন।’

বহু মানুষ সেই পোস্টটি শেয়ার করেন জানিয়ে আইয়ুব বলেন, ‘কিছু প্রবাসী আমার ফ্রেন্ড লিস্টে আছেন। তারা দেখেন সেটা। তারপর ওই এলাকার মানুষ ফেসবুকে আব্দুল কুদ্দুসের ভিডিও দেখে যোগাযোগ করেন।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর: পলক

আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর: পলক

মাতব্বরদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া বাউল

মাতব্বরদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া বাউল

মেসে ফ্রিতে থাকতে পারবেন রাবি ভর্তি পরীক্ষার্থীরা

মেসে ফ্রিতে থাকতে পারবেন রাবি ভর্তি পরীক্ষার্থীরা

ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাসে ঢুকে ‘নাগিন ড্যান্স’

ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাসে ঢুকে ‘নাগিন ড্যান্স’

আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর: পলক

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:১৪

সাধারণ জনতার উদ্দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর। আপনাদের ট্যাক্সের টাকায় আমার সংসার চলে। তাই আপনাদের সেবা করাই আমার কাজ।’ শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় নাটোরের সিংড়া উপজেলায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জনগণের সেবায় তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে দিন-রাত শ্রম দিচ্ছেন উল্লেখ করে পলক বলেন, ‘এখন কোথাও আগুন লাগলে, চুরি-ডাকাতি হলে, মাদক ব্যবসা করলে, অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হলে ৯৯৯-এ ফোন করলেই সেবা পেয়ে যান জনগণ। আর এ সবকিছুই সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তির সহায়তায়। শুধু তাই নয়, করোনাকালে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও অনলাইন শিক্ষা চালু ছিল; যা সম্ভব করেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সময়ে মামলার জট কমাতে চালু ছিল ভার্চুয়াল আদালত। যার ফলে দেড় লাখ মামলার শুনানি হয়েছে। এ ছাড়া প্রযুক্তির সহায়তায় ডিজিটাল কুরবানির হাট চালু ছিল। যার ফলে করোনায় অর্থনীতির চাকা ছিল সচল।’

জনসেবায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মদক্ষতার উদাহরণ এনে পলক বলেন, ‘বিশ্বের সব রাষ্ট্র যাতে করোনার ভ্যাকসিন পায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে জোর দাবি জানান। এ জন্য আজ সারাবিশ্ব করোনার ভ্যাকসিন পাওয়ার নিশ্চয়তায় এসেছে।’

সিংড়া পৌর মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় কুমার সাহার সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন– উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখ, হুয়াওয়ে টেকনোলজি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

মাতব্বরদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া বাউল

মাতব্বরদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া বাউল

মেসে ফ্রিতে থাকতে পারবেন রাবি ভর্তি পরীক্ষার্থীরা

মেসে ফ্রিতে থাকতে পারবেন রাবি ভর্তি পরীক্ষার্থীরা

ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাসে ঢুকে ‘নাগিন ড্যান্স’

ছাত্রীদের অনলাইন ক্লাসে ঢুকে ‘নাগিন ড্যান্স’

মাতব্বরদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া বাউল

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৪

‘আমি মুসলমানের সন্তান, পূজা করি না। রাত জেগে তাহাজ্জুদ, ফজর ও রহমতের নামাজ আদায় করি। আল্লাহ, রাসুল এবং ঢাকার ওস্তাদ এমরান চিশতির নামে বাতি জ্বালিয়ে জিকির করি। গ্রামের মাতব্বররা আমাকে নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। নাস্তিক বানানোর ষড়যন্ত্র করছেন। তারা গ্রামের মসজিদের ইমামের পরামর্শে আমাকে জোর করে ঘর থেকে বের করে মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছেন। এখন অপরাধ থেকে বাঁচতে আমার বাবাকে হুমকি দিয়ে মিথ্যাচার করাচ্ছেন। তাদের ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে এক ওস্তাদের আশ্রয়ে আছি।’

বাউল শিল্পীর মাথা ন্যাড়া করে গ্রাম ছাড়ার হুমকি, গ্রেফতার ৩

অজ্ঞাত স্থান থেকে ফোনে এভাবেই নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের কথা জানান বগুড়ার কিশোর বাউল (১৬)। তিনি প্রশাসনের কাছে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছেন। 

তবে শিবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিশোর বাউল নিরাপদে তার ওস্তাদের কাছে আছে। এখনও এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে। অপর দুই মাতব্বরকে গ্রেফতারে এলাকায় অভিযান চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই কিশোর বাউল বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের জুড়ি মাঝপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে ওই বাউল শিল্পী সংসারে অভাবের কারণে দাদার বাড়িতে থাকেন। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করতে পেরেছেন তিনি। ছোটবেলা থেকে বাউল গানের আসক্ত ছিলেন তিনি। তাই বাউল গান শেখার জন্য ওস্তাদ মতিয়ার রহমান মতিন বাউল ও হারমনি মাস্টার খলিলুর রহমানের সঙ্গে চলাফেরা শুরু করেন। তাদের অনুসরণ করে বড় চুল রাখেন এবং সাদা রঙের গামছা, ফতুয়া ও লুঙ্গি পরিধান করতেন। দুই ওস্তাদের সঙ্গে থেকে মুক্তা সরকার, কাজল দেওয়ান, লতিফ সরকার, আমজাদ সরকার ও শাহ্ আবদুল করিমের অন্তত ১০০ গান মুখস্থ করেন। ওস্তাদদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে গান থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে চলতো তার জীবন।  

কিশোর বাউল বলেন, ‘সাদা পোশাকে চলাফেরা ও বিভিন্ন এলাকার অনুষ্ঠানে বাউল মুর্শিদি গান পরিবেশন করায় গ্রামের মাতব্বর শাফিউল ইসলাম খোকন, শিক্ষক মেজবাউল ইসলাম, তারেক রহমান, ফজলু মিয়া, আবু তাহের, মসজিদের ইমাম মোখলেসুর রহমান প্রমুখ ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তারা আমাকে এবং ওস্তাদদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করতেন। প্রতিবাদ করলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ঘরে জিকির করছিলাম। এ সময় অতর্কিতভাবে ঘরে ঢুকে তারা আমাকে টেনে বের করেন। এরপর জুড়ি মাঝপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মোখলেসুর রহমানের পরামর্শে মেশিন দিয়ে আমার মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়। এরপর ফজলু মিয়া আমার বালিশের নিচ থেকে দেড় হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। যাওয়ার আগে মাতব্বররা বাউল গান বন্ধ করতে নির্দেশ দেন। না হলে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।’ 

এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় পাঁচ মাতব্বরের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার বাউল। ২১ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশ শাফিউল ইসলাম খোকন, শিক্ষক মেজবাউল ইসলাম ও তারেক রহমানকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। পরদিন তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়।

এদিকে ঘটনার পর থেকে কিশোর বাউলের বাবা প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সাংবাদিকদের বলছেন, তার ছেলে বাউল গানের নামে ঘরে মূর্তি পূজা করতো। তাই তিনি নিজে তার ছেলের মাথা ন্যাড়া ও তাকে কলিমা পড়িয়েছেন। এতে গ্রামের মাতব্বরদের কোনও দোষ নেই। তার ছেলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।

তবে কিশোর বাউলের দাবি, ‘মাতব্বররা মামলা থেকে বাঁচতে বাবাকে হুমকি দিয়ে এসব বলতে বাধ্য করছেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ফোনে জানতে পেরেছি আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তহীনতায় রয়েছেন। মাতব্বরদের ভয়ে আমিও বাড়ি ফিরতে পারছি না। প্রশাসনের কাছে পরিবার, দুই ওস্তাদ ও নিজের নিরাপত্তা চাইছি। 

শিবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, নির্যাতনের শিকার বাউলের এজাহার অনুসারে তিন মাতব্বরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে। অন্য দুই জনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তারা কোর্টে আত্মসমর্পণ করতে পারেন। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আছে। এছাড়া কিশোর বাউল তার ওস্তাদদের সঙ্গে নিরাপদে আছেন বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর: পলক

আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর: পলক

‘১৭ হাজার কোটি টাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ২০২৬ সালে চালু’

‘১৭ হাজার কোটি টাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ২০২৬ সালে চালু’

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২১

বান্দরবানের রুমায় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে রুমা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার শিক্ষকের নাম সমর কান্তি দত্ত (৫৬)। তিনি রুমা উপজেলার একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চরম্বায়।

জানা যায়, ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ওই ছাত্রী অকৃতকার্য হওয়ার পর শিক্ষক সমর কান্তি দত্তের বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়ে। পড়ানোর সময় একপর্যায়ে সমর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং ভিডিওচিত্রে তা ধারণ করে। লজ্জা ও ভয়ে ঘটনাটি কাউকে বলেনি। কিন্তু এ ঘটনার পর থেকে শিক্ষক মেয়েটিকে বিয়ের জন্য চাপ দেন এবং বলেন বিয়ে না করলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবেন। গত বুধবার ভিডিওটি মেয়েটির মোবাইল ফোনে পাঠালে সে ঘটনাটি বড় বোনকে জানায়। এরপর ওই ছাত্রীর বড় বোন শুক্রবার রাতে রুমা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কাশেম বলেন, মামলা করার পর শিক্ষক সমর কান্তি দত্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ক্যাম্পের পাহাড়ি ছড়ায় আরও এক বুনো হাতির মৃতদেহ

ক্যাম্পের পাহাড়ি ছড়ায় আরও এক বুনো হাতির মৃতদেহ

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ: নতুন করে হবে অভিযোগ গঠন 

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ: নতুন করে হবে অভিযোগ গঠন 

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী

ট্রেনে ডাকাতির সময় হত্যার ঘটনায় মামলা

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:১১

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি এবং দুই জনের খুনের ঘটনায় রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে। ডাকাতের ছুরিকাঘাতে নিহত সাগরের মা হনুফা খাতুন বাদী হয়ে শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ময়মনসিংহ জিআরপি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আট-দশ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ জিআরপি থানার ওসি মামুন রহমান জানান, জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি ও দুই জনের খুনের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে। দ্রুত খুনের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। 

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দলের মারধরের কারণে হানিফ ও সাগর নামে দুই যাত্রী মারা যান এবং দুই জন আহত হয়।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে বেড়েছে মৃত্যু  

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে বেড়েছে মৃত্যু  

বিকল ট্রাকে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় নিহত ৩

বিকল ট্রাকে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় নিহত ৩

আমরা চাকরি করি না, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করি: শিক্ষামন্ত্রী

আমরা চাকরি করি না, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করি: শিক্ষামন্ত্রী

কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি, ছুরিকাঘাতে ২ যাত্রী নিহত

কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি, ছুরিকাঘাতে ২ যাত্রী নিহত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

ক্যাম্পের পাহাড়ি ছড়ায় আরও এক বুনো হাতির মৃতদেহ

ক্যাম্পের পাহাড়ি ছড়ায় আরও এক বুনো হাতির মৃতদেহ

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

‘মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী

গাছের সঙ্গে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত ১, আহত ১২

গাছের সঙ্গে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত ১, আহত ১২

‘বিদ্যালয়ে এসে করোনা আক্রান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি’

‘বিদ্যালয়ে এসে করোনা আক্রান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি’

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সর্বশেষ

মিয়ানমারে দ্রুত গণতন্ত্র ফেরাতে মোদি-বাইডেনের বিবৃতি

মিয়ানমারে দ্রুত গণতন্ত্র ফেরাতে মোদি-বাইডেনের বিবৃতি

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের

বিসিবি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র কিনলেন পাপন

বিসিবি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র কিনলেন পাপন

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেলেন কুদ্দুস

বিসিবি নির্বাচন: সুজনের প্রতিদ্বন্দ্বী সাকিব-মুশফিকের কোচ

বিসিবি নির্বাচন: সুজনের প্রতিদ্বন্দ্বী সাকিব-মুশফিকের কোচ

© 2021 Bangla Tribune