X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ১০:০০

গত মে ও জুনে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিন দেশব্যাপী কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়। ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য ১৪-২২ জুলাই লকডাউন শিথিল করা হয়। তবে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের দ্বিতীয় দফায় কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।

ঈদুল আজহার আগে ও পরের এই লকডাউনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গ্রেফতার, জরিমানা ও মামলার হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ঈদের আগেই বেশি কঠোর ছিল পুলিশ। ওই সময় প্রথম তিনদিনে রাজধানীতে গ্রেফতার ও জরিমানার পরিমাণ ছিল দ্বিতীয় দফার প্রথম তিনদিনের চেয়ে বেশি।

তবে ডিএমপি’র দাবি, ঈদের আগের লকডাউনে মানুষের বাড়ি যাওয়ার তাড়া ছিল। তারা বিধিনিষেধ ও আইন উপেক্ষা করে রাস্তায় বের হতেন। কিন্তু ঈদের পর মানুষের এই তাড়া নেই। অনেকে বাড়ি থেকে এখনও ঢাকায় ফেরেনি। তাই অহেতুক ঘোরাফেরাও কম।

ঈদের আগে-পরে
ঈদের আগের লকডাউনের প্রথম তিনদিনে (১-৩ জুলাই) রাজধানীতে গ্রেফতার হয় এক হাজার ৪৯১ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা করা হয় ৭৬৬ জনকে। একই দিনে ১ হাজার ৩৩টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। জরিমানা করে ২৯ লাখ ৩১ হাজার ৬০০ টাকা।

পক্ষান্তরে ঈদের পরের লকডাউনের প্রথম তিনদিনে মহানগরীতে এক হাজার ৩৭৩ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং মোবাইল কোর্টে জরিমানা করা হয় ৫৭৩ জনকে।

অর্থাৎ ঈদের পরের লকডাউনের চেয়ে আগের লকডাউনে ১১৮ জন বেশি গ্রেফতার হয়েছিল। দ্বিতীয়বারের লকডাউনে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ১ হাজার ৪০৩টি গাড়িকে ৩৪ লাখ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে। সেই হিসাবে অবশ্য দ্বিতীয় লকডাউনে গাড়ির জরিমানা ও মামলা বেড়েছে।

লকডাউনে ডিএমপির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদের আগের লকডাউনের প্রথম দিন (১ জুলাই) রাজধানীতে গ্রেফতার হয়েছিল ৫৫০ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা হয় ২১২ জনের। ‍মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয় ৩৯১ জনকে। অর্থাৎ প্রথমদিন  ১১৫৩ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় ডিএমপি, ক্রাইম বিভাগ ও মোবাইল কোর্ট। একই দিনে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২৭৪টি গাড়ির বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দেয় এবং ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা করে।

চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদ। ছবি: নাসিরুল ইসলাম

অপরদিকে, ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। লকডাউনের প্রথমদিন ২৩ জুলাই ৪০৩ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। মোবাইল কোর্টে ২০৩ জনকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়। একই দিন ট্রাফিক বিভাগ ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

ঈদের আগের লকডাউনের দ্বিতীয় দিন (২ জুলাই) রাজধানীতে গ্রেফতার হয়েছিল ৩২০ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা হয় ২০৮ জনের। একই দিন ট্রাফিক বিভাগ ২১৯টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করে ও জরিমানা আদায় করে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

ঈদের পরের লকডাউনের দ্বিতীয় দিন ২৪ জুলাই ৩৮৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। জরিমানা হয় ১৩৭ জনের। তাতে আদায় হয় ৯৫ হাজার ২৩০ টাকা। ট্রাফিক বিভাগ এদিন ৪৪১টি গাড়িকে ১০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা করে।

ঈদের আগে প্রথম লকডাউনের তৃতীয় দিন (৩ জুলাই) ঢাকায় গ্রেফতার হয় ৬২১ জন। মোবাইল কোর্টে ৩৪৬ জনকে জরিমানা করা হয় এক লাখ ৬ হাজার ৪৫০ টাকা। ওইদিন ৫৪০টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করে সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী ১৯ লাখ ২২ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।

২৫ জুলাই রাজধানীতে গ্রেফতার হয় ৫৮৭ জন। ডিএমপি ও মোবাইল কোর্টে ২৩৩ জনকে জরিমানা করা হয় ১ লাখ ৯৫০ টাকা। অপরদিকে, এদিন ৫২১টি গাড়িকে ১২ লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়ন এবং বিধিনিষেধ মানাতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ঈদের আগেই বেশি কঠোর ছিল।

তবে ডিএমপির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আগে যে কয়টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হতো, এখনও সে কয়টি হচ্ছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট রয়েছে। ট্রাফিক বিভাগ কঠোর পরিশ্রম করছে। ঈদের আগে মানুষের বাড়ি যাবার চাপ ছিল। তাই সেই সময় গ্রেফতার-জরিমানা বেশি হয়েছে। এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। তাই গ্রেফতার-জরিমানা কম হচ্ছে।’

প্রথম লকডাউন ঘোষণার সময় ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম হুঁশিয়ারি করে বলেছিলেন, ‘নাগরিকদের অবশ্যই লকডাউন মেনে চলতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যিনিই বের হবেন, তাকেই গ্রেফতার করা হবে।’

কমিশনারের এই ঘোষণার পর প্রতিটি এলাকাতেই পুলিশকে কঠোর হতে দেখা গেছে।

গত ১ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই ১৩ দিনের লকডাউনে বিধিনিষেধ অমান্য করে ঘরের বাইরে বের হওয়ায় মোট ১১ হাজার ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার করে ডিএমপি। এরমধ্যে থানা-পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৮ হাজার ৫৪০ জনকে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে গ্রেফতারের পর সাজা দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৮৯৪ জনকে। এ সময় জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯০৫ টাকা, যা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

শিগগিরই ২০ জেলায় উন্মুক্ত হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বিউটি পার্লার

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৮

দেশের ২০টি জেলা শহরে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিউটি পার্লার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। মহিলা অধিদফতরের বাস্তবায়নাধীন ‘উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় বিউটি পার্লার ছাড়াও দেশের ৬৪টি জেলা শহরেই ‘সেলস ও ডিসপ্লে সেন্টারে’ পণ্য সমগ্রী বিক্রি ও প্রদর্শন চালু হবে। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করে জনসাধারণের জন্য তা উন্মুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের গত মঙ্গলবারের (২১ সেপ্টেম্বর) অফিস আদেশে জানানো হয়, এর আগে বিউটি পার্লার এবং সেলস ও ডিসেপ্ল সেন্টারের ভেন্যু ভাড়া ও চুক্তি সম্পাদন করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ২০২১ সালের জুন মাসে দেওয়া হয়েছে। সেলস ও ডিসপ্লে সেন্টারএবং বিউটিপার্লার স্থাপনের লেআউট ও থ্রিডি ডিজাইনও পাঠানো হয়েছে। ডিজাইন মোতাবেক সন্নিবেশ করার জন্য এবং উদ্যোক্তা নির্বাচনের জন্য ইতোপূর্বে প্রকল্প কার্যালয় থেকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে সব কাজ শেষ করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা অনুরোধ জানিয়ে বলা অফিস আদেশে বলা হয়, আগামী ১০ কর্মদিবসের পর যে কোনও দিন যে কোনও সময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিব, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালক মহোদয়ের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি, প্রকল্প কার্যালয় এবং অডিট ভবন সরেজমিন বা অনলাইনে পরিদর্শন ও অডিট করবেন।

/এসএমএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

ঢামেকের সামনে থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

ঢামেকের সামনে থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

আজও নারীর মৃত্যু বেশি

আজও নারীর মৃত্যু বেশি

পোশাকশ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে

পোশাকশ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকার বিষয়ে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা হাইকোর্টের

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকার বিষয়ে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা হাইকোর্টের

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০০

দেবী আগমনের ঘণ্টা বাজবে মহালয়ায়। আগামী ৬ অক্টোবর মহালয়া। এর সঙ্গে সঙ্গেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, দেবী এবার আসবেন ঘোড়ায় চড়ে এবং বিদায় নিবেন দোলায় চড়ে। মহালয়ার পাঁচদিন পর ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১১ অক্টোবর বোধনের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠী পালিত হবে। আর ১৫ অক্টোবর হবে দেবী বিসর্জন। উৎসবকে ঘিরে তাই এখন প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা।   

সনাতন ধর্ম মতে, যা কিছু দুঃখ-কষ্টের বিষয়, যেমন– বাধাবিঘ্ন, ভয়, দুঃখ-শোক, জ্বালা-যন্ত্রণা এসব থেকে ভক্তকে রক্ষা করেন দেবী দুর্গা। শাস্ত্রকাররা দুর্গা নামের অর্থ করেছেন— দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায়, তিনিই দুর্গা। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্যক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন মানুষ অস্থির না হয়ে তাকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন।

ধূপ, কাশা, ঘণ্টা আর ঢাকের তালে তালে শুরু হবে শারদীয় উৎসব। তাই শেষ সময়ে চলছে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ। সারা দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পুরান ঢাকার শাখারিবাজারে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন সম্প্রদায়ের পালেরা (প্রতিমা তৈরীর মূল কারিগর)। সেখানের কয়েকটি পালবাড়ি ঘুরে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বাবা-দাদার আমল থেকে। প্রতিবছর তারাই মূলত প্রতিমাগুলো তৈরি করেন। কারিগরদের সঙ্গে পরিবারের বাকি সদস্যরাও তখন যুক্ত হন। প্রথমে কাঠ-বাঁশ দিয়ে ফ্রেম তৈরি করে খড় দিয়ে মূর্তির আদল তৈরি করা হয়। তার ওপর দেওয়া হয় কাদা-মাটির প্রলেপ। এভাবে একের পর এক প্রলেপ লাগিয়ে শুকাতে হয়। সব শেষে রং লাগিয়ে পোশাক ও গহনা পরানো হয়। কারিগরেরা বলছেন, প্রতিমা তৈরিতে উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এঁটেল মাটি, বাঁশ, কাঠ, খড়, পাটের আঁশ।

কারিগরার জানান, প্রতিমা তৈরির খরচ প্রতিবছরই বাড়ছে। বর্তমানে আকারভেদে একেকটি প্রতিমা তৈরি করতে ২০ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। কোনও কোনও মণ্ডপে লাখ টাকার বেশিও খরচ করেও প্রতিমা তৈরি করা হয়। কাজভেদে একেকজন কারিগর মৌসুমের প্রতি মাসে আয় করেন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।  তারা আরও জানান,  কোনও কোনও মণ্ডপে প্রতিমার কাঠামো তৈরি করে মাটির কাজও শেষ হয়েছে। ১০-১২ দিন  পর থেকেই শুরু হবে প্রলেপ ও রং দেওয়ার কাজ। সব কাজ শেষ হবে পূজা শুরুর দুই একদিন আগে।

স্কুল জীবন থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন হরিপদ পাল। তার প্রতিষ্ঠান শিমুলিয়া ভাস্কর শিল্পালয়। বয়সের ভারে কাজ নেওয়া কমিয়ে দিয়েছেন বর্তমানে। তাছাড়া করোনা পরিস্থিতির কারণেও কাজ আসার পরিমাণ কম বলেও জানান তিন। বর্তমানে একটি দেবীর প্রতিমা তৈরি করছেন। সেটি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পূজা মণ্ডপের জন্য বলে জানান তিনি। হরিপদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যদি হাতের কাজ তৈরি করার পর পারি সম্ভব হয় তাহলে আরও দুই একটা কাজ নেব। কিন্তু এখন আর নিচ্ছি না। করোনার আগেও অনেক প্রতিমা তৈরির কাজ করেছি। কিন্তু এখন বয়সের কারণে আর আগের মতো কাজ করতে পারি না।

হরিপদ জানান, ঢাকার বনানী পূজামণ্ডপসহ সারাদেশেই অনেক প্রতিমা তৈরির কাজ করেছেন। চিকনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে আর সেখানে কাজ করা হয় না। দেশের বাইরে থেকেও আগে প্রতিমা তৈরির করার জন্য বায়না করা হতো, তবে সেটি এখন হয়না বলে জানান তিনি। ওয়াশিংটনসহ ভারতেও বায়নার কাজ করেছেন হরিপদ পাল। তিনি জানান, প্রতিমার কাজ অনেক আছে। কিন্তু করতে পারছি না বলে ফিরিয়ে দিচ্ছি।

নারায়ণগঞ্জের সুকৃতি শিল্পালয়ের প্রতিমাশিল্পী সুকুমার পাল এবার তৈরি করছেন বনানী পূজামণ্ডপের প্রতিমা। তিনি জানান, এবার চার-পাঁচটি কাজ পেয়েছি। অর্ডার কম কিন্তু যেসব আছে তাতে কাজ অনেক বেশি। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে চারটি প্রতিমা তৈরির কাজ আছে। আর বনানীতে একটি প্রতিমা তৈরির কাজ আছে।

প্রতিমা অঙ্গরাজ ভাস্কর শিল্পালয়ের প্রতিমাশিল্পী এস কে নন্দী জানান, আমাদের কাজ পুরদমে চলছে। আমার এখানে সাতটি প্রতিমার অর্ডার আছে। ঢাকার গোপীবাগে ভোলা নন্দগিরি আশ্রমের দুটি প্রতিমার কাজ চলছে আর সিলেটের পাঁচটি প্রতিমার কাজ করছি। গত বছরের চেয়ে এই বছর কাজ একটু বেশি। তারপরও অনেকে আমার কাছে আসছিল, কিন্তু আমার সক্ষমতা আর নেই। যার কারণে ফিরিয়ে দিতে হয়েছে। আগামিবার যদি পরিস্থিতি ভালো হয় তাহলে আরও আগে থেকে শুরু করবো কাজ।

এদিকে সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে ১৮ দফা প্রস্তাবনা সরকারকে দিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে সেগুলো নিয়ে পর্যালোচনা হবে। এর মধ্যে গতবছর করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত করা কয়েকটি শর্ত শিথিলের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতবার ৩৬ দফা প্রস্তাবনা ছিল এবার কমিয়ে ১৮ দফা দিয়েছি আমরা। উৎসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয় যেগুলো গতবার ছিল না, সেগুলো এবার থাকবে। পাশপাশি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়গুলো নিশ্চিত করা হবে। মাস্ক ছাড়া এবারও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না মণ্ডপে। এবারও আলোকসজ্জা, ডিজে এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় যে শোভাযাত্রা করা হয় সেগুলো করা যাবে না। যার যার প্রতিমা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিকটস্থ স্থানে বিসর্জন দিবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

তিনি আরও বলেন, সবকিছু যেহেতু মোটামুটি খোলা সেহেতু আশা করছি অনেক মানুষ এবার পূজায় অংশ নিবে। যদিও আমরা রেস্ট্রিকশন দিয়ে রেখেছি। ৩০ তারিখের বৈঠকে কিছু জিনিস শিথিলতার বিষয়ে আমরা বলবো। প্রশাসন যেন তাতে নজরদারি রাখে সেগুলো আমরা বলবো।

 

/এফএএন/

সম্পর্কিত

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০০

বারবার উদ্যোগ গ্রহণের পরও পুরোপুরি বাঁচানো যাচ্ছে না বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীকে। এক দিকে দখলমুক্ত করলেও অন্যদিকে ফের দখল করে নিচ্ছে নদীখেকোরা। সরকার এই চার নদীর অবৈধ দখল রোধ করতে চায়। একইসঙ্গে নদীর তীরের পরিবেশ উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, অবকাঠামো নির্মাণ করে রাজধানীর চার নদীর দখলমুক্ত তীর রক্ষা, নাব্যতা, গভীরতা ও প্রশস্ততা বাড়ানো এবং নদীর দূষণ কমিয়ে আনার প্রকল্প নিয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি ২০১৮ সালে নেওয়া হলেও নানা কারণে বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি এতে সংশোধনী আনা হয়েছে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে তা অনুমোদন পেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরে পিলার স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষাঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের চার নদীর সীমানা পিলার ও ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজের গতি হতাশাজনক। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী বছরের জুনে। অগ্রগতি মাত্র ৪০-৪৫ শতাংশ। তাই সময় বাড়িয়ে সংশোধনের প্রস্তাব করতে উদ্যোগী হয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। 

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ওয়াকওয়ে সংলগ্ন ৩৫ দশমিক ৩৫৮ কিলোমিটার ড্রেন, ২ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার নদী সংরক্ষণ বাঁধ, জেটির জন্য ২১ কিলোমিটার পার্কিং ইয়ার্ড ও ৪টি ঘাট নির্মাণ ডিপিপিতে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অপরদিকে রেট সিডিউল পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট অংশের ব্যয় ও পরিমাণ বাড়ানো এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ ১ বছর বাড়ানোর জন্যই সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকাকে ঘিরে রাখা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে অবৈধ দখল রোধ, পরিবেশগত উন্নয়ন সাধন, সৌন্দর্য বর্ধন ও জনসাধারণের চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৭৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এ অর্থ ব্যয়ের পর বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তীরে প্রকল্পের কাজ অনেকটাই দৃশ্যমান। তবে বালু ও শীতলক্ষ্যার তীরে কাজের তেমন অগ্রগতি হয়নি।

পিলার স্থাপনে যেটুকু কাজ হয়েছে তাতেও অনিয়ম হয়েছে। পাইলিং না করে পিলার বসানোয় বেশ কয়েকটি পিলার উল্টে পড়েছে। এ অবস্থায় প্রকল্প ব্যয় ৩৩৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলে তা একনেকে অনুমোদন পায়।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ঢাকার সদরঘাট, উত্তরখান, তুরাগ, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গীরচর, কোতায়ালী, মিরপুর, কেরাণীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সদর বন্দর, সোনারগাঁও ও গাজীপুর সদর এলাকায় ১৮ দশমিক ২১ লাখ ঘনমিটার মাটি খনন ও অপসারণ করা হবে।

নদীর তীরভূমিতে ৩৩ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার, তীরভূমির কলামের ওপর ১৭ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে এবং ওয়াকওয়ে সংলগ্ন ৩৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার ড্রেন তৈরি হবে। ৮০টি আরসিসি সিঁড়ি বানানো হবে। ১০ দশমিক শূন্য ৪ কিলোমিটার কি-ওয়াল, ২৯১টি বসার বেঞ্চ ৮৫০ মিটার সীমানা প্রাচীর ও ৩৮৫০টি সীমানা পিলার, ৪টি ঘাট, ১৪টি জেটি ও ২৮টি স্পাড, ২ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার নদী রক্ষা বাঁধ, ২১ হাজার বর্গমিটার পার্কিং ইয়ার্ড, ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও ৩টি ইকোপার্ক নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রকল্পটি ২০২২ সালের ৩০ জুনে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত থাকলেও একবছর বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ৩০ জুন শেষ করা হবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দখলদারিত্ব রোধ ও আবর্জনা পরিষ্কারের মাধ্যমে নদীর প্রবাহ বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম জানিয়েছেন, ‘এটি একটি বড় প্রকল্প। পুরোপুরি বাস্তবায়ন নির্ধারিত সময়ে সম্ভব নয়। প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়ন হলে ঢাকার চার নদীর তীর বিনোদন কেন্দ্রও হবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

ক্যাম্পাস দেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরামর্শ ইউজিসির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৫৪

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে সতর্ক করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি হয়। অপরদিকে ‘ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা’ সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে ইউজিসির ওয়েবসাইটে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে ১০৮টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও ইউজিসির অনুমতিক্রমে ৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাকি ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেনি।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের www.ugc.gov.bd ভিজিট করে অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত ক্যাম্পাস ও কমিশন নির্ধারিত আসন সংখ্যার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে ভর্তি হতে পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।

গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০, কমিশনের নিয়ম-নীতি ও নির্দেশনা উপেক্ষা করে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় অননুমোদিত ক্যাম্পাস, প্রোগ্রাম ও নির্ধারিত আসন সংখ্যার অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করছে।

এ সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে অবৈধভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে কমিশন থেকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অর্জিত ডিগ্রির মূল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী হবেন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ করা ডিসি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৯৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার সকলেই নিয়োজিত রয়েছেন। এ ছাড়া, রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি রয়েছে ৬৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে, প্রো-ভিসি ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ট্রেজারার আছে ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার পদে কেউ নেই। কমিশনের ওয়েবসাইটে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যাবলী’ শিরোনামের সেবা-বক্সে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে।

এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ করেছে ইউজিসি। এরপর অননুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ কোনোভাবে প্রতারিত হলে তার দায় ইউজিসির ওপর বর্তাবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।  

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কমিশন থেকে এ অবধি কোনও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পিএইচডি প্রোগ্রাম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি সেন্টার পরিচালনারও অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভুয়া নামে বা স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অবৈধভাবে ওয়েবসাইট বা অফিস খুলে তথাকথিত পিএইচডিসহ বিভিন্ন ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে যা কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত কোনও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা/ক্যাম্পাস/স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কমিশন দেয়নি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

অনলাইনে কারিগরির অ্যাডভান্সড কোর্সে নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

অনলাইনে কারিগরির অ্যাডভান্সড কোর্সে নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা

ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৩

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা-২০১৯ শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে। এই পরীক্ষায় ১২ থেকে ১৯ ব্যাচের নিয়মিত ও পুনঃপরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাউবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাউবি'র বিএ এবং বিএসএস পরীক্ষা-২০১৯ এর প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ সেমিস্টারের স্থগিত পরীক্ষা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে।

এছাড়াও ডি-নোভো (DeNovo) রেজিস্ট্রেশন করা ১১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিএ এবং বিএসএস পরীক্ষা-২০১৯ এ অংশ নিতে প্রথম সুযোগ এবং ১০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সর্বশেষ সুযোগ এটি। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উল্লিখিত ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ছাড়া অন্য কোনও ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।

 

/এসএমএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

ক্যাম্পাস দেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরামর্শ ইউজিসির

ক্যাম্পাস দেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরামর্শ ইউজিসির

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

নদীর দখল রোধে আবার পিলার

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

বাউবি’র স্থগিত বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা  শুক্রবার শুরু

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

গুলশানে তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

সরকারি কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য হচ্ছে দিবাযত্ন কেন্দ্র

সরকারি কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য হচ্ছে দিবাযত্ন কেন্দ্র

‘সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে’

‘সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে’

অনূর্ধ ১০ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগীই প্রায় ২৫ শতাংশ

অনূর্ধ ১০ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগীই প্রায় ২৫ শতাংশ

রাজারবাগ দরবারের বিরুদ্ধে দুদক, সিটিটিসি ও সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ বহাল

রাজারবাগ দরবারের বিরুদ্ধে দুদক, সিটিটিসি ও সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ বহাল

রোহিঙ্গাদের জন্য ১৮ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

রোহিঙ্গাদের জন্য ১৮ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

সর্বশেষ

শিগগিরই ২০ জেলায় উন্মুক্ত হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বিউটি পার্লার

শিগগিরই ২০ জেলায় উন্মুক্ত হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বিউটি পার্লার

৫ স্কুলছাত্রীর করোনা শনাক্ত, ক্লাস বন্ধ

৫ স্কুলছাত্রীর করোনা শনাক্ত, ক্লাস বন্ধ

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

দুর্গাপূজাকে ঘিরে ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পী,  উদযাপনের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আরএমপির ৬ সদস্য বরখাস্ত

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

© 2021 Bangla Tribune