X
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৪০

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পাঁচ শিশুসহ নয় রোহিঙ্গা নাগ‌রিক‌কে আটক ক‌রে‌ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থে‌কে ফেরার প‌থে তাদের আটক ক‌রে পু‌লি‌শে দেওয়া হয়। 

আটককৃতরা কক্সবাজারের বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮ ও টেংরাখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৩-এর বাসিন্দা। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) আলমগীর হো‌সেন এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন। 

তিনি বলেন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থে‌কে পা‌লি‌য়ে ভূরুঙ্গামারী উপ‌জেলার সীমান্ত প‌থে ভার‌তে যাওয়ার চেষ্টা ক‌রেছিল। কিন্তু বি‌জি‌বির কড়া নজরদা‌রি‌তে সীমান্ত অ‌তিক্রম কর‌তে ব্যর্থ হ‌য় তারা। ফি‌রে আসার সময় উপ‌জেলার তিলাই ইউ‌নিয়‌নের ছাট গোপালপুর এলাকার কাছুর মো‌ড়ে লকডাউন বাস্তবায়‌নে মা‌ঠে থাকা ভ্রাম্যমাণ আদালত তা‌দের আটক ক‌রে। 

পু‌লিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী উপ‌জেলা সহকারী ক‌মিশনারের (ভূ‌মি) নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি অটোরিকশায় কিছু লোককে গাদাগাদি করে যে‌তে দে‌খেন। এ সময় অ‌টো‌রিকশা থা‌মি‌য়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, সলিম নামের এক ব্যক্তির সহায়তায় ভারত যাওয়ার জন্য সীমান্ত পা‌ড়ি দি‌তে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়েছে।

ও‌সি আলমগীর হো‌সেন বলেন, আটক রোহিঙ্গাদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তা‌দের‌  সং‌শ্লিষ্ট রো‌হিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠা‌নোর ব্যবস্থা নেওয়া হ‌চ্ছে।

/এএম/

সম্পর্কিত

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রধান শিক্ষক নিহত

পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রধান শিক্ষক নিহত

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

অক্টোবরে চালু হচ্ছে বিমানের সৈয়দপুর-কক্সবাজার ফ্লাইট 

অক্টোবরে চালু হচ্ছে বিমানের সৈয়দপুর-কক্সবাজার ফ্লাইট 

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৩

নীলফামারীর সৈয়দপুরে মনজিলা বেওয়া নামের এক নারীর বিরুদ্ধে জীবিত স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ১৭ বছর ধরে বিধবা ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে। তার বাড়ি উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মণপুর পশ্চিমপাড়া (দোলাপাড়া) গ্রামে।

স্থানীয়রা জানায়, মনজিলা বেওয়ার একটি সেমি পাকা বাড়ি আছে। তার স্বামী চৌমুহনী বাজারে একটি হোটেলে কাজ করেন।

মনজিলা বেওয়া জানান, ২০০৪ সালে ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন তার ভাই আইয়ুব আলী। তিনি সমাজকর্মী ফরিদা বেগমের মাধ্যমে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, তার স্বামী বাড়িতে থাকেন না। মাঝে মাঝে বাড়ি থেকে চলে যায়। দীর্ঘদিন তার কোনও খোঁজ-খবর থাকে না। ওই সময় তিনি প্রায় এক বছর নিখোঁজ ছিলেন। এ অবস্থায় সন্তানদের নিয়ে সংসার চালানো কষ্ট হওয়ায় তার ভাই (আইয়ুব আলী) সরকারি সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন। ২০০৪ সালের ১ জুলাই থেকে নিয়মিত ভাতা তুলছেন মনজিলা।

এ ব্যাপারে সমাজকর্মী ফরিদা বেগম জানান, বিধবা ভাতা শুরু হয় ১৯৯৭-৯৮ সালের দিকে। এ সময় যারা এসেছেন তাদেরকে ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। ইউপি মেম্বার বা চেয়ারম্যান যাচাই করে নামের তালিকা দিতেন। সে অনুযায়ী আমরা ভাতার অন্তর্ভুক্ত করতাম। 

তিনি আরও বলেন, একেকটি ইউনিয়নে প্রায় নয় থেকে ১২ হাজার ভাতাভোগী। এত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্ত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই হয়তো এমন ভুল হয়েছে। এতদিন কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ দেয়নি।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ জানান, আমি নতুন এসেছি। তাই এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানি না। তাছাড়া এটা অনেক দিনের কথা। সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ দিলে আমরা কার্ডটি বাতিল করে দেবো। কার্ড করে দেওয়ার বিষয় যদি আমার অফিসের কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত থাকে, তা প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

নুরুলের ৪৬০ কোটি টাকার সম্পদের কথা শুনে হতবাক গ্রামবাসী

নুরুলের ৪৬০ কোটি টাকার সম্পদের কথা শুনে হতবাক গ্রামবাসী

ধ্বংসের পথে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

ধ্বংসের পথে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রধান শিক্ষক নিহত

পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রধান শিক্ষক নিহত

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০২

গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে হাতের রগ কাটা ও গলায় ওড়না প্যাঁচানো এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে ও তরুণীর নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লাশটি মাস্টারবাড়ি বন বিভাগের অফিসের পাশে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে উদ্ধার করা হয়ে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের ডান হাতের কবজিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রগ কাটা ও গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর গুমের উদ্দেশে লাশ সেখানে ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

সুদিনের মৌমাছিদের কমিটিতে স্থান নেই: কৃষিমন্ত্রী

সুদিনের মৌমাছিদের কমিটিতে স্থান নেই: কৃষিমন্ত্রী

পুলিশের ভুলে বিনা অপরাধে ২ বছর কারাভোগ, পাচ্ছেন মুক্তি

পুলিশের ভুলে বিনা অপরাধে ২ বছর কারাভোগ, পাচ্ছেন মুক্তি

গাজীপুরে একদিনে ৩ জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

গাজীপুরে একদিনে ৩ জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভাড়া দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪৯

করোনাভাইরাসের প্রকোপে গত বছরের মার্চে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কালুয়া গড়ের আবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এলাকার রাস্তার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের থাকার জন্য ওই বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

গত ১২ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পরও সেখানে বসবাস করছেন তারা। এর ফলে গাদাগাদি করে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

জানা গেছে, কালুয়া গড়ের আবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারটি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে একটি অফিস কক্ষ, বাকি তিনটি শ্রেণিকক্ষ। বিদ্যালয় বন্ধের সময় দুটি কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলেও তারা সেখান থেকে যাননি। বর্তমানে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে পাঠদান চলছে ১০০ শিক্ষার্থীর। 

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম মাসুদুল হক বলেন, গজালিয়া-চৌমুহনী রাস্তার কাজ চলছে। এ কারণে বিদ্যালয়ের সভাপতি সলেমান সানা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লোকদের একটি কক্ষে আশ্রয় দিয়েছেন।

বিদ্যালয় চালুর পরও দুটি কক্ষে লোক বাস করছে

সলেমান সানা জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাস ঢালী ও এলাকাবাসীর চাপে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ ব্যবহার করতে দিয়েছি। কিন্তু ভাড়ার কথা তার জানা নেই বলে জানান তিনি।

বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান সানা বলেন, প্রধান শিক্ষক স্কুলের দুটি কক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দিয়েছে। এর ফলে একটি কক্ষে গাদাগাদি করে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ঝঙ্কার ঢালী জানান, এক সপ্তাহ আগে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে ১২ সেপ্টেম্বরের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে শিক্ষার্থীদের পাঠ উপযোগী করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সরকিরি প্রতিষ্ঠান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়ার এখতিয়ার প্রধান শিক্ষকের নেই।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

হেলপার ঘুমাচ্ছিলেন ট্রাকের নিচে, চালক উঠে দিলেন টান

হেলপার ঘুমাচ্ছিলেন ট্রাকের নিচে, চালক উঠে দিলেন টান

বিকেএসপিতেই শেষ হতে পারতো আফিফের ক্যারিয়ার 

বিকেএসপিতেই শেষ হতে পারতো আফিফের ক্যারিয়ার 

১৫ বছর আগে মেহেদীকে বলা হাথুরুর কথাই সত্যি হলো

১৫ বছর আগে মেহেদীকে বলা হাথুরুর কথাই সত্যি হলো

চাকরি দেওয়ার কথা বলে ডেকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

চাকরি দেওয়ার কথা বলে ডেকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

হেলপার ঘুমাচ্ছিলেন ট্রাকের নিচে, চালক উঠে দিলেন টান

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪৬

চুয়াডাঙ্গায় ট্রাকচাপায় ইব্রাহিম হোসেন (১৫) নামের এক ট্রাক হেলপার নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাটকালুগঞ্জ ইমরান ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইব্রাহিম হোসেন সদর উপজেলার গাইটঘাট গ্রামের রেলপাড়ার শরিফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই ট্রাকের চালকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক ও চালক সাইদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা থেকে মালবোঝাই ট্রাকটি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় চালকের ঘুম এলে ইমরান ফিলিং স্টেশনের সামনে গাড়িটি রাখেন চালক। পরে চালক সাইদুল ইসলাম ভেতরে এবং সহকারী ইব্রাহিম ট্রাকের নিচে বিছানা করে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে চালকের ঘুম ভাঙলে তিনি ট্রাকটি চালু করে সামনে নিতে গেলে ইব্রাহিম ঘুমন্ত অবস্থায় চাকার নিচে পিষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এ সময় আটক করা হয় চালক সহিদুলকে ও ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মুক্তি দেওয়া হয়েছে আটক ট্রাকচালককে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

ভাড়া দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ

ভাড়া দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ

বিকেএসপিতেই শেষ হতে পারতো আফিফের ক্যারিয়ার 

বিকেএসপিতেই শেষ হতে পারতো আফিফের ক্যারিয়ার 

মায়ের ওষুধ নিয়ে ফেরা হলো না

মায়ের ওষুধ নিয়ে ফেরা হলো না

বিকেএসপিতেই শেষ হতে পারতো আফিফের ক্যারিয়ার 

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৫

পঞ্চ পাণ্ডবের পর বাংলাদেশ ক্রিকেটকে যারা প্রতিনিধিত্ব করবেন তাদের মধ্যে অন্যতম তরুণ ক্রিকেটার আফিফ হোসেন ধ্রুব। একাধারে ব্যাটিং-বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করা আফিফ বর্তমান সময়ের সেরা একজন অলরাউন্ডার। তবে খুলনা মহানগরীর ছোট বয়রার করিমনগরে জন্ম নেওয়া আফিফের ক্রিকেট ক্যারিয়ার হয়তো শুরুতেই শেষ হয়ে যেতো। ২০১২ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) অধ্যয়নরত অবস্থায় নিয়ম ভাঙার জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে জরিমানা দিয়ে ফের বিকেএসপিতে ভর্তি করা হয় ক্রিকেট পাগল আফিফকে। এরপর আর ফিরে আসা হয়নি, এগিয়ে যাওয়ার পথে যুক্ত হয়েছে সাফল্যের নতুন নতুন পালক।  

আফিফের বাবার নাম মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মা হেলেনা বেগম। ধ্রুব তাদের একমাত্র ছেলে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া ক্রিকেটার আফিফ হোসেন ধ্রুবর জন্ম খুলনায় হলেও ক্রিকেট ক্যারিয়ার গড়ে ওঠে বিকেএসপিতে। 

বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন বিকেএসপির হয়ে। যদিও বয়সভিত্তিক অনূর্ধ্ব-১৪ দলে খেলেছিলেন খুলনার হয়ে। পরবর্তীতে খুলনা বিভাগের হয়ে জাতীয় দলেও খেলেছেন এই ক্রিকেটার। ইতোমধ্যে দেশের হয়ে ২৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ব্যাট হাতে করেছেন ৩২৪ রান, আর ঝুলিতে রয়েছে ছয় উইকেট।

আফিফের বাবা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তৃতীয় শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় সে ক্রিকেটের জন্য পাগলামি শুরু করে। এ সময় তাকে মোহামেডান ক্লাবের সেলিম স্যারের কাছে নিয়ে ভর্তি করি। এরপর ২০১০ সালে বিকেএসপিতে ক্রিকেটের অডিশন দিয়ে শীর্ষ স্থান নিয়ে ভর্তি হয় আফিফ। সেখান থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাশ করে বের হয়। পরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এআইইউবিতে বিবিএতে ভর্তি হয় আফিফ। পাশাপাশি চলে তার খেলাধুলা। 

২০১৮ সালে জাতীয় দলে তার অভিষেক হয়। এরপর ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে বিশ্ব আসরে খেলার সুযোগ পেয়েছে সে। ক্রিকেটার হওয়ার তার স্বপ্ন পূরণ হ লো। এখন তার সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। আমি বাবা হিসেবে তার সাফল্য কামনা করি।

তবে আফিফের ক্রিকেট ক্যারিয়ার হয়তো বিকেএসপিতেই শেষ হয়ে যেতো। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে আফিফের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ে আফিফ বিকেএসপি থেকে বহিষ্কার হয়। কারণ ছিল নিষেধ থাকার পরও আফিফ সেখানে মোবাইল ব্যবহার করে এবং ধরা পড়ে। সে ঘটনার পর আমি, ওর নানা, বড় খালা বিকেএসপিতে গিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলি। আমরা যাওয়ার পর জানা যায়, বিকেএসপির মধ্যে আগে বহিষ্কার হওয়া এক ছেলে ব্যট দিয়ে আফিফকে প্রহার করে। সব মিলিয়ে আফিফ গো ধরে আর বিকেএসপিতে পড়বে না। শিক্ষকরা সে ঘটনা জানার পর ওই বহিষ্কৃত ছেলেকে বিকেএসপির মাঠ থেকে বের করে দেয়। আর আলোচনার পর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে আফিফকে পুনরায় বিকেএসপিতে ভর্তি করানো হয়। এরপর আফিফকে নিয়ে আমরা বান্দরবান ঘুরতে যাই এবং সেখানে এক সপ্তাহ থেকে তাকে স্বাভাবিক করি। এটা ছিল সবচেয়ে কষ্টকর ঘটনা।

ছেলের সাফল্যের টুকরো স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, খুলনার জোড়াগেটে একটি স্পোর্টসে লটারিতে প্রথম পুরস্কার ছিল টিভি। আফিফ সে সময় পাঁচটি টিকিট কেটেছিল। আর আমি ছিলাম লটারি তোলার দায়িত্বে। আফিফ আমার হাতে দায়িত্ব দেখে বলেছিল ‘দেখো বাবা প্রথম পুরস্কারটা তোমার হাত ধরে আমিই পাবো। লটারির শেষে দেখা গেলো প্রথম পুরস্কারের টিকিটটা ছিল আফিফের হাতেই।

/টিটি/

সম্পর্কিত

ভাড়া দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ

ভাড়া দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ

হেলপার ঘুমাচ্ছিলেন ট্রাকের নিচে, চালক উঠে দিলেন টান

হেলপার ঘুমাচ্ছিলেন ট্রাকের নিচে, চালক উঠে দিলেন টান

১৫ বছর আগে মেহেদীকে বলা হাথুরুর কথাই সত্যি হলো

১৫ বছর আগে মেহেদীকে বলা হাথুরুর কথাই সত্যি হলো

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রধান শিক্ষক নিহত

পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রধান শিক্ষক নিহত

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

অক্টোবরে চালু হচ্ছে বিমানের সৈয়দপুর-কক্সবাজার ফ্লাইট 

অক্টোবরে চালু হচ্ছে বিমানের সৈয়দপুর-কক্সবাজার ফ্লাইট 

স্ত্রী-সন্তান রেখে শালিকে নিয়ে পালানোয় শিক্ষক বরখাস্ত

স্ত্রী-সন্তান রেখে শালিকে নিয়ে পালানোয় শিক্ষক বরখাস্ত

শিশুর মৃত্যুর পর মা-দাদির ‘ছিনতাইয়ের নাটক’

শিশুর মৃত্যুর পর মা-দাদির ‘ছিনতাইয়ের নাটক’

৩০ বছর পর ভোটার তালিকায় নাম উঠলো শরিফুলের

৩০ বছর পর ভোটার তালিকায় নাম উঠলো শরিফুলের

রংপুরের ৮ পত্রিকার প্রকাশনা নিষিদ্ধ

রংপুরের ৮ পত্রিকার প্রকাশনা নিষিদ্ধ

বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকায় কেনা মোবাইলটি ফেরত দিলেন কলিমউল্লাহ

বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকায় কেনা মোবাইলটি ফেরত দিলেন কলিমউল্লাহ

বাবাও চান বিশ্বকাপে ভালো খেলুক লিটন দাস

বাবাও চান বিশ্বকাপে ভালো খেলুক লিটন দাস

সর্বশেষ

চাঁদের হাই রেজুলেশন ছবি তোলা যাবে ইনফিনিক্সের ফোনে

চাঁদের হাই রেজুলেশন ছবি তোলা যাবে ইনফিনিক্সের ফোনে

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

স্বামীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা তুলছেন ১৭ বছর

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

© 2021 Bangla Tribune