X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব: উদ্বিগ্ন মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১০:৪৮

পাসপোর্ট পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে মালয়েশিয়া থেকে পাসপোর্ট আবেদনকারীদের। করোনার আগে দ্রুত পাসপোর্ট দিতে পারলেও মহামারি করোনার ফলে সৃষ্ট প্রতীক্ষা ক্রমশ দীর্ঘই হচ্ছে। এনিয়ে প্রবাসীরা গ্রেফতার হওয়া, সময়মত ভিসা নবায়ন করতে না পারা এবং জরিমানা দেওয়ায় উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। তবে হাইকমিশন এবং ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে দ্রুত প্রবাসীদের নিকট পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে।

এদিকে পাসপোর্টকে কেন্দ্র করে দালালি, প্রতারণা এবং হয়রানির অভিযোগ দীর্ঘ পুরাতন। বিপরীতে সার্ভিসের উন্নতি বিধানে প্রচেষ্টা যেন প্রত্যাশার সামান্যই পূরণ করেছে। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়, পাসপোর্ট করতে দিয়েছে কিন্তু পাচ্ছে না, দালাল টাকা নিয়ে উধাও, অপরদিকে সরকার দালাল ধরছে ইত্যাদি।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকদের পাসপোর্ট প্রাপ্তি নিয়েও এমন ঝামেলা বা হয়রানির বাইরে নয়। ইতিপূর্বে অনেক কাহিনী ঘটে গেছে সরকার ব্যবস্থাও নিয়েছে। সর্বশেষ সরকার আলাদা ভবন নিয়ে পাসপোর্ট সেবা দিচ্ছিল করোনার কারণে সেটাও বন্ধ করতে হয়েছে। সেখানে অধিক লোক সমাগমের ফলে যানবাহন ও লোক চলাচলে এবং পরিবেশ নোংরা করা নিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে সমাবেশ করতেও দেখা গেছে। সেখান থেকে পুলিশ বেশ কয়েকজন দালালকে গ্রেফতার করে এবং এতে প্রবাসীদের মনে স্বস্তি আসে যে, এখন আর দালালের উৎপাত সহ্য করতে হবে না।

একইভাবে করোনা আসার ফলে অফিসে লোক সমাগমের নিষেধ থাকায় ডাকযোগে পাসপোর্ট আবেদন নেওয়া শুরু হয়। পাসপোর্ট ডেলিভারি সরাসরি ছিল, কিন্তু অধিক লোক সমাগম আয়ত্তে আনা সম্ভব না হওয়ায় এবং করোনা সংক্রমণ বিস্তার লাভ করায় বেশ কয়েকজন পাসপোর্ট শাখার স্টাফ আক্রান্ত হয়। তাই মালয়েশিয়া সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি পাসপোর্ট সেবা বন্ধ করতে হয়েছে। এর পরিবর্তে ডাকযোগে পাসপোর্ট প্রদান শুরু করে। ফলে যে যে-ই এলাকায় থাকে সেখানের পোস্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট নিতে পারছেন। কিন্তু করোনার কারণে চলাচলের বিধিনিষেধ থাকায় ডাকঘরে গিয়ে পাসপোর্ট নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

অপরদিকে, অনলাইন পদ্ধতি সকলে অভ্যস্ত না হওয়ায় বুঝে ওঠতে সময় লাগছে এবং অনলাইনে সার্চ করলেও পাসপোর্ট ঢাকা থেকে আসেনি, এখনো পায়নি, দেখাচ্ছে না ইত্যাদি জাতীয় সমস্যা দেখা যাচ্ছে। পাসপোর্ট আবেদন করার পর হাইকমিশন পাসপোর্ট অধিদফতরের অনলাইনে কাজ সম্পন্ন করলে ডেলিভারি স্লিপ নং আসে। এরপর এটি দিয়ে ডাকবিভাগের অনলাইন সুবিধা নিয়ে ডাক বিভাগের বারকোড নিতে হয়। এই বারকোড দিয়েই পাসপোর্ট ডেলিভারি নেওয়া হয়।

প্রাপ্তিতেও সমস্যা হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও নজর দিতে হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

পাসপোর্ট যেকোনও নাগরিকের আন্তর্জাতিক পরিচয়পত্র। তাই এটি না পেলে প্রবাসীদের সান্ত্বনা থাকে না, অপরদিকে ভিসা প্রাপ্তির প্রচলিত উপায় ও পদ্ধতিও অনুসরণ করতে হয়। বর্তমানে বৈধদের ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা এবং অবৈধদের বৈধ হবার সুবর্ণ সুযোগ নিতে পাসপোর্ট আবশ্যক। এরপর অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে বৈধতা পাবে, কিন্তু পাসপোর্ট ছাড়া আবেদন করার কোনও সুযোগ নেই। তাই আবেদনকারীরও উদ্বিগ্নতা রয়েছে। এই টেনশন দেশে থাকা পরিবারেরও আছে।

হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন কাভার্ড ভ্যান ভর্তি আবেদন হাইকমিশনে আসছে। যা প্রক্রিয়া করে পাসপোর্ট পোর্টালে আপলোড করতে ২/৩ সপ্তাহ লেগে যাচ্ছে এরপর পাসপোর্ট ঢাকা থেকে প্রিন্ট করে হাইকমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ডাকযোগে বিতরণ করা হয় আবেদনকারীর চাহিদা অনুযায়ী। ডাক বিভাগের অনলাইন সিস্টেম ফলো করলে হাইকমিশন বুঝতে পারে যে আবেদনকারী কোথায় আছেন এবং সে অনুযায়ী প্রেরণ করা হচ্ছে। 

বর্তমানে ডাক বিভাগ সমগ্র মালয়েশিয়ায় ৪০টির মত শহরে সার্ভিস দিচ্ছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ডাক বিভাগ ক্রমশ সমগ্র মালয়েশিয়ায় চালু করবে; এজন্য জনবল এবং অবকাঠামো তৈরি করছে। আর অনলাইনে দুইবার প্রক্রিয়া করার পদ্ধতি থেকে বের হয়ে একটি ইউনিক পদ্ধতি চালু করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসীদের দ্রুত পাসপোর্ট দিতে প্রয়োজনীয় সকল পদ্ধতি অনুসরণ ও অবলম্বন করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং হাইকমিশনে অনুরোধ করা হয়েছে।

এবিষয়ে সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তাফা ফিরোজ বলেন, সময়মত পাসপোর্ট পাবার ক্ষেত্রে সকল পদ্ধতি সহজ করা গেলে করোনাকালেও ভালো সার্ভিস দিয়ে প্রবাসীদের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব। পাসপোর্ট কেন্দ্রিক সমস্যার কথা প্রবাসীর পরিবারও বলে থাকে, তাই এদিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারম্যান এসএম শাকিল চৌধুরী বলেন, করোনা পরিস্থিতি সবকিছু পাল্টে দিলেও সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। আমি জানি আগে দূতাবাস দ্রুত সার্ভিস দিয়েছে, কিন্তু করোনার কারণে পারছে না। প্রবাসী সংগঠন গুলোকেও সরকারের পাশাপাশি আরও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে হবে। সবাইকে সম্মিলিতভাবে এই করোনা প্রতিক্রিয়া মোকাবিলা করতে হবে।

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার গোলাম সারোয়ার বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রবাসীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দূতাবাসের অর্ধেকের মত কর্মকর্তা/কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যগণ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন এবং একজন কর্মচারী অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু প্রবাসী ভাই-বোনদের সেবার স্বার্থে  দূতাবাস একদিনের জন্যও বন্ধ করা হয়নি।

দূতাবাসের প্রতি আস্থা রাখতে এবং মুষ্টিমেয় কিছু স্বার্থান্বেষী সুবিধাবাদীর অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহ্বান জানান হাইকমিশনার গোলাম সারোয়ার।

/ইএইচ/

সম্পর্কিত

বিমানবন্দরে র‍্যাপিড টেস্টের দাবিতে মন্ত্রণালয়ের নিচে প্রবাসীদের অবস্থান

বিমানবন্দরে র‍্যাপিড টেস্টের দাবিতে মন্ত্রণালয়ের নিচে প্রবাসীদের অবস্থান

বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান

বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান

বিমানবন্দরে র‌্যাপিড পিসিআর টেস্টে আটকে আছে আরব আমিরাত প্রবাসীদের ভাগ্য

বিমানবন্দরে র‌্যাপিড পিসিআর টেস্টে আটকে আছে আরব আমিরাত প্রবাসীদের ভাগ্য

সারাদেশে প্রবাসী কর্মীদের জন্য হেল্প ডেস্ক স্থাপন

সারাদেশে প্রবাসী কর্মীদের জন্য হেল্প ডেস্ক স্থাপন

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৭

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সার্বিকভাবে ধারণ করতে পারলে বিশ্ব আসনে বাংলাদেশকে আরও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতাকে আমরা সার্বিকভাবে ধারণ করেছি বলেই আজকে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির সূচক বিশ্বে একটি আলোচিত বিষয়। এই জায়গাটায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহীদ শেখ কামাল মিলনায়তনে মুজিব শতবর্ষ ও বিশ্ব নদী দিবস-২০২১ উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ও পরিবেশ ভাবনা এবং আমাদের করণীয়’  শীর্ষক  সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নদীগুলোকে রক্ষা করে এর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার। পঁচাত্তর পরবর্তী দূষিত সমাজ ব্যবস্থার কারণে নদীগুলোও দখল ও দূষণের কবলে পড়েছে। বঙ্গবন্ধু নদী নিয়ে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের পর বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে অপবাদ ও অপপ্রচার করা হয়েছে। এ জায়গা থেকে আমাদের নদীগুলোও রক্ষা পায়নি। যখন পুরো সমাজ ব্যবস্থা দুর্নীতিবাজ হয়ে যায়, তখন লুটেরা স্বভাবের একটি সমাজ তৈরি হয়। রাষ্ট্র এদের লালন-পালন করে। সেখানে ভালো কিছু থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে নদী রক্ষার জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হতো না। নদীর প্রবাহ ঠিক থাকতো। নদীগুলো বাংলাদেশের জনগণের  জীবন ও জীবিকার উৎস হিসেবে কাজ করতো।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দূষিত সমাজ ব্যবস্থার কারণে নদীগুলো দূষিত হয়ে গেছে, দখল হয়ে গেছে। এই যে দুরবস্থা, এটা এমনি এমনি আসেনি। কিছু মানুষ ভাবতো জায়গা ফাঁকা আছে, এটা আমার পছন্দ, এটাই আমার দখল করতে হবে। এভাবেই কিন্তু হয়েছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে আমরা যখন ঢাকার চারপাশে নদী দখল উচ্ছেদ শুরু করলাম, আমরা কিন্তু দেখিনি কোনটা কার জায়গা। প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে বলেছিলাম, তখন তিনি আমাদের সাহস দিয়েছিলেন। বাংলাদেশে এমন একজন নেতাকে পেয়েছি, যার সাহস আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়, আমাদের উৎসাহ যোগায়। তিনি যে সাহস আমাদের দিয়েছেন, সে সাহসে আমরা কাজ করছি। এই ঢাকার চারপাশ আমরা দখলমুক্ত করেছি। সেগুলোকে রক্ষা করার জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদী দখলমুক্ত করতে গিয়ে সরকারকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। পচাঁত্তরের পর একটি ধারা তৈরি হয়, মানুষ মনে করেছিল, অপরাধ করলে বিচার হবে না। নদী দখল করলে বিচার হবে না। অনেকে নদীর পাড়ে গিয়ে ঘর তুলেছে, অনেকে নদীর পাড়ে কলকারখানা গড়ে তুলেছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন অপরাধীদের হাতে ছিল। বাংলাদেশ অপরাধীদের লালন করেছিল। কাজেই এই দুরবস্থা শুধু আমাদের নদীর নয়, পুরো বাংলাদেশকে গ্রাস করেছিল।’

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আলী কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, কমিশনের ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক ইকরামুল হক এবং বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুনির হোসেন।

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার তিন নদীতে প্রাণ ফেরানো সম্ভব

ঢাকার তিন নদীতে প্রাণ ফেরানো সম্ভব

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৮

দুর্নীতির মামলায় পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ও সাবেক দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত ।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে সাক্ষ্য দেন সাদ্দাম হোসেন ও রফিকুল ইসলাম। এরপর তাদের সাক্ষ্য শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা শেষ করেন। এরপর পরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত এইদিন দিন ধার্য করেন।

মামলায় এ পর্যন্ত  ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

২০২০ সালের ১৮ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ২০২০ সালের ৪ মার্চ দুদকের পক্ষে অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ হয়। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। 

একই বছরের ১৯ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করেছিলেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। 

প্রসঙ্গত, ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর খন্দকার এনামুল বাছির ও ডিআইজি মিজানুর রহমান ওরফে মিজান সাময়িক বরখাস্ত হন।

/এমএইচজে/এনএইচ/

সম্পর্কিত

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৫

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে ভুল থাকার ঘটনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এবং সদস্যকে (কারিকুলাম) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 

এ ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে থাকা ভুল সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যান, সদস্য (কারিকুলাম), সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আলী মুস্তফা খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।  

এর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আলমগীর আলম এ রিট দায়ের করেন। 

রিট আবেদনে বলা হয়, সপ্তম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১০ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে- ‘১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন ছিল শুধু পূর্ব পাকিস্তানের’; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের সকল প্রদেশে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল। 

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি’ শিরোনামের লেখায় ৩ নং পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, ‘এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো এক সাহসী, ত্যাগী, ও দুরদর্শী নেতার ‘আর্বিভাব’ হয়। অথচ প্রকৃত সত্য এই যে, বঙ্গবন্ধু হঠাৎ কোন ‘আর্বিভূত’ নেতা নন। তিনি তিলে তিলে বাঙালি জাতির নেতা হয়ে উঠেছেন। 

একইভাবে অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মাইল’ এর স্থলে ‘কিলোমিটার’ হবে। 

নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ২ থেকে ৯ নং পৃষ্ঠার বিভিন্ন জায়গায় ‘শেখ মুজিব’ লেখা হয়েছে। অথচ বর্তমানে সকল ক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু’ লিখতে হবে মর্মে নির্দেশনা রয়েছে। ২১ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি’ এর স্থলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি’ হবে। ২৯ নং পৃষ্ঠায় ‘প্রেসিডেন্ট ভবন’ এর স্থলে ‘বঙ্গভবন’ হবে। 

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

বিশেষ কোনও টিকা নিয়ে ‘ফ্যাসিনেশন’ থাকা যাবে না

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৯

করোনা প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার টিকা, তবে একমাত্র নয়। ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এর সঙ্গে লাগবে টিকা। আর এই টিকা নিয়ে প্রশ্ন বা বিশেষ কোনও কোম্পানির হতে হবে, এমন ফ্যাসিনেশন (মোহ) থাকা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর।

তিনি বলেন, যে টিকা দেশে আসবে সেটাই নিতে হবে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন দৈনিক শনাক্ত নেমে এসেছে হাজারের নিচে। অতি সংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবের পর এ যেন এক স্বস্তির বার্তা। তবে ডা. আলমগীর বলছেন, স্বস্তি নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনও সুযোগ নেই। সংক্রমণের এই নিম্নমুখী হার অব্যাহত রাখতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সঙ্গে নিতে হবে টিকা।

ডা. আলমগীর বলেন, ভাইরাসের ট্রান্সমিশন (সংক্রমণ ক্ষমতা) যেহেতু অনেক বেশি, পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় এই ভাইরাসের পরিবর্তন হতে পারে।

করোনাকে একটি অনবরত পরিবর্তনশীল ভাইরাস অভিহিত করে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এর ভ্যারিয়েন্ট বদলে অতি সংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্ট আসতে পারে। সুতরাং, এখনও অসতর্ক হওয়া যাবে না। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাবধান থাকতে হবে। সেই সঙ্গে যাদের সুযোগ রয়েছে তাদের টিকা নিতে হবে।

‘টিকাও সংক্রমণ কমার অন্যতম উপায়, যদিও একমাত্র কখনোই নয়। টিকা নেওয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণ পাঁচ শতাংশের নিচে ধরে রাখা সম্ভব। নয়তো যেকোনও সময় এটা বেড়ে যেতে পারে’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সংক্রমণের হার যদি পাঁচ শতাংশের নিচে দুই সপ্তাহ ধরে কোনও দেশে অব্যাহত থাকে; তাহলে সেই দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে গত ছয় দিন ধরে সংক্রমণের হার পাঁচের নিচে। আগামী দুই সপ্তাহ যদি এটা বজায় থাকে তাহলে কি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মনে করা হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা বলা হয়ে থাকে। কিন্তু এর আসলে তেমন কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

ডা. আলমগীর বলেন, পৃথিবীর বহু দেশেই সংক্রমণের হার তিন থেকে চার সপ্তাহ পাঁচের নিচে ছিল। কিন্তু এরপর আবার বেড়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল ভিয়েতনাম। কিন্তু বর্তমানে যে কয়েকটি দেশে সংক্রমণ বেশি তার মধ্যে ভিয়েতনাম একটি। আমেরিকাতেও সংক্রমণ অনেক বেশি।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের পার্শ্ববর্তী মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনে প্রতিদিন অনেক মানুষ শনাক্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর যেকোনও জায়গায় ভাইরাসের পরিবর্তন হতে পারে। তাই এখন স্বাস্থ্যবিধির ওপরেই আসলে বিশেষ জোর রাখতে হবে।

এই বেড়ে যাওয়াটা কেন হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যবিধিতে উদাসীনতা, ভাইরাসের বদলে যাওয়াসহ নানা কারণেই এটা হতে পারে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি টিকা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডা. এএসএম আলমগীর। তিনি বলেন, সবাইকে টিকা নিতে হবে এবং টিকা নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না। যে টিকা আসে সেটাই নিতে হবে। কারণ, প্রতিটিই সমান কার্যকর।

আমাদের দেশে ফাইজার ও মডার্নার টিকা নিয়ে অনেকের মোহ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা ভুল করছেন। টিকা নিয়ে কোনও ধরনের ফ্যাসিনেশন থাকাই যাবে না।’

কিন্তু এই বাছাই বা ফ্যাসিনেশনের পেছনে কোন টিকার কার্যকারিতা কতটুকু রয়েছে, সে হিসাবটাও সাধারণ মানুষ আমলে নিচ্ছেন জানালে তিনি বলেন, টিকার কার্যকারিতা শুধু অ্যান্টিবডি দেখে করা হয় না। এটার সায়েন্স জটিল। পৃথিবীর বহু দেশেই ‘নিউট্রিলাইজিং বা নিষ্ক্রিয়করণ অ্যান্টিবডি’ শূন্য কিন্তু টিকা কার্যকর।

ডা. এ এস এম আলমগীর আরও বলেন, এরসঙ্গে আরও অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে। সব মিলিয়ে টিকা কার্যকর হয়। কেবল অ্যান্টিবডি দেখে এই টিকা ভালো, এই টিকা খারাপ- এটা যারা বলছেন তারা ভুল বলেন।

টিকা নিয়েই যে সবাই অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছেন এটা ঠিক নয় মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, টিকা নেওয়ার পর ছোট ছোট স্যাম্পল নিয়ে যারা নিউট্রিলাইজিং অ্যান্টিবডির কথা বলে, এটাও ঠিক নয়। এতে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

যেকোনও টিকার যদি শতকরা ৫০ শতাংশ কার্যকর হয়, তাইলেই সেই টিকা নেওয়া যায় এবং সেটাই মহামারি প্রতিরোধে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে—বলেন ডা. আলমগীর।

/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৩

করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী ও চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এই দিন ধার্য করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিন আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মশিউর রহমান নামের এক সাক্ষী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। এ দিন তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা শেষ করেন। জেরা শেষ হওয়ায় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এইদিন ধার্য করেন। মামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। এর আগে গত বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গতবছরের আগস্ট ঢাকার চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হায়াত মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করেন। 

এর আগে গত বছরের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরের ডা. সাবরিনা ও আরিফসহ আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটটি দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটে ডা. সাবরিনা ও আরিফকে মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে।

অভিযোগপত্রে অন্য আসামিরা হলেন— আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিমানবন্দরে র‍্যাপিড টেস্টের দাবিতে মন্ত্রণালয়ের নিচে প্রবাসীদের অবস্থান

বিমানবন্দরে র‍্যাপিড টেস্টের দাবিতে মন্ত্রণালয়ের নিচে প্রবাসীদের অবস্থান

বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান

বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান

বিমানবন্দরে র‌্যাপিড পিসিআর টেস্টে আটকে আছে আরব আমিরাত প্রবাসীদের ভাগ্য

বিমানবন্দরে র‌্যাপিড পিসিআর টেস্টে আটকে আছে আরব আমিরাত প্রবাসীদের ভাগ্য

সারাদেশে প্রবাসী কর্মীদের জন্য হেল্প ডেস্ক স্থাপন

সারাদেশে প্রবাসী কর্মীদের জন্য হেল্প ডেস্ক স্থাপন

ঈদে প্রবাসীদের দেশে আসার ঢল থামাতে বেবিচকের বিধি-নিষেধ

ঈদে প্রবাসীদের দেশে আসার ঢল থামাতে বেবিচকের বিধি-নিষেধ

বিদেশগামীদের কাছে 'আমি প্রবাসী’ অ্যাপ পৌঁছে দেবে ব্র্যাক

বিদেশগামীদের কাছে 'আমি প্রবাসী’ অ্যাপ পৌঁছে দেবে ব্র্যাক

মন্ত্রীর সহযোগিতায় ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী কর্মীর স্ত্রী

মন্ত্রীর সহযোগিতায় ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী কর্মীর স্ত্রী

ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা,  স্ট্রোকে প্রবাসীর  মৃত্যু!

ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা,  স্ট্রোকে প্রবাসীর মৃত্যু!

‘প্রবাসীদের ঈদ বলে কিছু নেই’

‘প্রবাসীদের ঈদ বলে কিছু নেই’

‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপে পাওয়া যাবে যেসব সুবিধা

‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপে পাওয়া যাবে যেসব সুবিধা

সর্বশেষ

বাংলাদেশকে বুঝতে শুরু করেছে তুরস্ক

বাংলাদেশকে বুঝতে শুরু করেছে তুরস্ক

সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার, বাংলাদেশে প্রথম!

সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার, বাংলাদেশে প্রথম!

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া রোধে আরও জনবল চায় রেল

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া রোধে আরও জনবল চায় রেল

জাতীয় লিগে ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়ে ফিটনেস পরীক্ষা

জাতীয় লিগে ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়ে ফিটনেস পরীক্ষা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

© 2021 Bangla Tribune