X
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

জনদুর্ভোগ কমাতে এসিল্যান্ডদের নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:১৭

ভুল রেকর্ড সংশোধনের জন্য এসিল্যান্ডদের নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এতে ভূমি সংক্রান্ত জনদুর্ভোগ কমবে বলে আশাবাদী মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। ভূমি জরিপের পর চূড়ান্তভাবে মুদ্রিত ও প্রকাশিত খতিয়ানের করণিক ভুল, প্রতারণামূলক লিখন এবং যথার্থ ভুল মাঠ পর্যায়েই সংশোধন তথা রেকর্ড সংশোধন করার জন্য সহকারী কমিশনারদের (এসিল্যান্ড) নির্দেশ দিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনাসহ বৃহস্পতিবার একটি পরিপত্র জারি করা হয়।

পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী, মাঠ পর্যায়ে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান নিশ্চিত করা সম্ভব হলে খতিয়ানের ছোটখাটো ভুল-ত্রুটি সংশোধনের জন্য ভূমির মালিককে দেওয়ানি আদালত ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এতে ভূমি সংক্রান্ত জনদুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে। এছাড়া পরিপত্রটি পড়ে জমির মালিকগণও সহজে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পেতে পারেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৫ সালে খতিয়ানের ভুল সংশোধন বিষয়ক একটি পরিপত্র জারি করা হলেও ভূমি সংক্রান্ত বিষয়াদি থেকে নানামুখী পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণে ক্ষেত্রবিশেষে মাঠ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া সহজ ছিল না। এমতাবস্থায়, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমনভাবে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেন, যেন তাতে সব বিষয়াদি স্পষ্ট করা থাকে। অর্থাৎ, পরিপত্রটিই যেন একটি রেফারেন্স হিসেবে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ব্যবহার করতে পারেন। ফলশ্রুতিতে ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত ভূমি সেক্টরের জন্য এক যুগান্তকারী, সময়োপযোগী ও ব্যতিক্রমী এ পরিপত্র আজ জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, ‘জরিপ পরবর্তীকালে সেবাগ্রহীতাদের খতিয়ানের এ ধরনের ভুল যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সংশোধনের সেবা দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। আইন ও বিধিতে ক্ষমতা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং এ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রমূলে নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকায় সর্বশেষ জরিপে প্রস্তুত ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত স্বত্বলিপি বা খতিয়ানে পরিদৃষ্ট ভুল সংশোধনের বিষয়ে সহকারী কমিশনারগণ (ভূমি) জনগণকে প্রার্থিত প্রতিকার প্রদান করছে না মর্মে পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা কাম্য নয়।’

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে ‘খতিয়ানের করণিক ভুল, প্রতারণামূলক অন্তর্ভুক্তি এবং যথার্থ ভুল সংশোধন বিষয়ে আইন ও বিধিমালায় উল্লিখিত বিধান এবং জারিকৃত পরিপত্রের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের স্বার্থে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের এ বিষয়ে সচেষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ধারণার সুস্পষ্টতা ও সমরূপতা একান্ত প্রয়োজন।’

পরিপত্রে বিভিন্ন আইনের সূত্র উল্লেখ করে বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ভূমি জরিপের পর চূড়ান্তভাবে মুদ্রিত ও প্রকাশিত খতিয়ানের করণিক ভুল, প্রতারণামূলক লিখন এবং যথার্থ ভুলের বিভিন্ন সম্ভাব্য ধরন বর্ণনা করা হয়েছে পরিপত্রে। এসব ভুল সংশোধনের পদ্ধতিও বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। যেন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সহজেই সাত পৃষ্ঠার পরিপত্রটি থেকে রেফারেন্স গ্রহণ করতে পারেন।

এছাড়া, পরিপত্রে রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদনের প্রক্রিয়ার ব্যাপারে উল্লেখ করা হয় যে, ‘সংশ্লিষ্ট আবেদনের সাথে আবেদনকারীকে আবেদনের জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কোর্ট ফি সংযুক্ত করতে হবে। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করার সিস্টেম চালু হলে তা নির্ধারিত সরকারি হিসাবে সরাসরি প্রদেয় হবে। এ ছাড়া, সংশ্লিষ্ট মিসকেসে রেকর্ড সংশোধনের আদেশ হওয়ার পর আবেদনকারীর নিকট থেকে নামজারি মামলার জন্য নির্ধারিত হারে নোটিশ জারি ফি, রেকর্ড সংশোধন বা হালকরণ ফি এবং খতিয়ান সরবরাহ ফি একত্রে ডিসিআর-এর মাধ্যমে আদায় করে যথারীতি সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তবে জেলা প্রশাসক বা তার প্রতিনিধি কর্তৃক সরকারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদনে কোর্ট ফি কিংবা অন্যান্য ফি আদায় প্রযোজ্য হবে না।’

 

/জেইউ/এফএএন/এমওএফ/   

সম্পর্কিত

ভূমি খাতের সেবা প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে

ভূমি খাতের সেবা প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে

ঘরে বসেই অংশ নেওয়া যাবে ভূমি মামলার শুনানিতে

ঘরে বসেই অংশ নেওয়া যাবে ভূমি মামলার শুনানিতে

জলবায়ু সম্পৃক্ত প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে ভূমি মন্ত্রণালয়

জলবায়ু সম্পৃক্ত প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে ভূমি মন্ত্রণালয়

অনলাইনে যেভাবে দেবেন ভূমি কর

অনলাইনে যেভাবে দেবেন ভূমি কর

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০১

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকার আওতায় আনতে একটি ওয়েব লিংক চালু করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। যেসব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের মাধ্যমে এই লিংক ব্যবহার করে নিবন্ধন করতে পারবেন। ইউজিসি বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) লিংকটি (https://univac.ugc.gov.bd) চালু করেছে বলে জানিয়েছে। যদিও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সাইটটি ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’ অবস্থায় দেখা গেছে। 

ইউজিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকার জন্য নিবন্ধন করেননি, তাদের ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে   নিবন্ধন করতে হবে। যাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ নেই তাদের দ্রুত ওই সনদ সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন সনদ দিতে অনুরোধ করেছে ইউজিসি।  

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘কমিশনের লক্ষ্য- আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসা। ইউনিভ্যাক ওয়েব লিংক ব্যবহার করে তারা নিবন্ধন করতে পারবেন। যেসব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র আছে তারাও এই লিংক ব্যবহার করে সুরক্ষা অ্যাপে সংযুক্ত হয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।’

অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের তথ্য পাওয়ার পর ইউজিসি স্বাস্থ্য বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করবে।

নিবন্ধনের কাজ শেষ হলে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলতে পারবে বলে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

/এসএমএ/এফএ/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৪

গণমাধ্যমে খবর দেখে বা শুনে দেশ পরিচালনা করেন না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পিতা-মাতার থেকে শেখা জ্ঞানের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করেন অন্তর থেকে। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের সমালোচনা করা একটি শ্রেণির অভ্যাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মানুষের একটা বদঅভ্যাসও আছে। কথায় কথায় হতাশ হওয়া। যতই কাজ করি তারপরও বলে এটা হলো না কেন? ওটা হলো না কেন? আমি বলতে চাই, এসব না করে আগে কী ছিল আর এখন কী হয়েছে সেটা দেখলে তো হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা’ এই অবস্থায় কিছু লোক ভোগে, আর কিছু লোক এমনিতেই ভোগে। সেটা নিয়ে আমার কোনও বিষয় নেই। আর মিডিয়া কী লিখলো আর টকশোতে কী বললো সেটা শুনে আমি কখনও দেশ পরিচালনা করি না। দেশ পরিচালনা করি আমার অন্তর থেকে। কারণ, আমার বাবা এই দেশ স্বাধীন করেছেন। দরিদ্র মানুষের জন্য তিনি বছরের পর বছর জেল খেটেছেন। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। সেই মানুষগুলোর জন্য কী কাজ করতে হবে। সেটা আমি বাবা-মায়ের থেকে শিখেছি। আমি সেটাই কাজে লাগাই। মানুষ তার সুফল পাচ্ছে কী না তা যাচাই করি। কে কী বললো, ওটা শুনে হতাশ হওয়া বা উৎসাহিত হওয়া আমার সাজে না। আমি তা করি না।

স্বাধীনতার ঘোষক সম্পর্কে যা বললেন

২৫ বছর দেশে বিকৃত ইতিহাস শেখানো হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ যখন সারা দেশে বেরিকেড দেওয়া হয়, তখন চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাদের হয়ে বেরিকেড দেওয়া লোকদের ওপর গুলি চালায়। এরপরে সে গেলো সোয়াদ জাহাজ থেকে অস্ত্র নামাতে। সেখানে পাবলিক ঘেরাও দিয়ে তাকে আটকালো।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বাধীনতার ঘোষণা ওয়ারলেসের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লো। সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ঘোষণা সংগ্রহ করে সারা দেশে প্রচার করে দিলো। চট্টগ্রামে সেটা প্রচার হলো। ২৬ মার্চ দুপুর ২টা থেকে প্রথমে আমাদের হান্নান সাহেব একের পর এক জাতির পিতার ওই ঘোষণাপত্র পাঠ করতে থাকেন। জহুর সাহেব বললেন, একজন আর্মির লোক ডেকে নিয়ে আসো। তাহলে যুদ্ধ যুদ্ধ মনে হবে। তখন মেজর রফিক সাহেবের কাছে যাওয়া হলো। উনি অ্যাম্বুসে ছিলেন। সরে গেলে পাকিস্তানি আর্মি ঢুকে পড়বে। এজন্য অন্য কাউকে খুঁজতে বললেন। জিয়াকে কিন্তু তখন পাবলিক অ্যারেস্ট করছে—সোয়াদ জাহাজে যেতে দেবে না। ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। ওই দিন জিয়াউর রহমান কিন্তু কোনও ঘোষণা দেয়নি। ওই দিন দুপুর ২টা থেকে আওয়ামী লীগের নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন। তাকে (জিয়াকে) যখন নিয়ে আসে, ২৭ তারিখ সন্ধ্যায় জিয়াউর রহমান ওই ঘোষণাটা পাঠ করেন। যখন জিয়াউর রহমানকে ঘোষক ঘোষক বলা হতো—তখন এই সংসদে প্রশ্ন উঠলো ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। তাহলে উনি ২৭ তারিখ ঘোষণা দেয় কী করে? পরে ইতিহাস এমনভাবে বিকৃত করে যে, সেই ২৭ তারিখকে তারা ২৬ তারিখ বানিয়ে ফেললো। অথচ ২৬ মার্চ জিয়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিল। তাহলে কী করে ঘোষণা দিলো?

শেখ হাসিনা বলেন, যেখানে জাতির পিতা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার সমস্ত ব্যবস্থা করে দেশ স্বাধীন করেছেন। সেখানে একজন মেজর একখানা ড্রামের ওপর দাঁড়িয়ে একটা বক্তব্য দিলেন আর দেশ স্বাধীন হলে গেলো? সবাই যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়লো? এটা হয়?

উর্দু খুব পছন্দের ছিল জিয়ার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান একজন মেজর ছিল। বঙ্গবন্ধু তাকে দ্রুত প্রমোশন দিয়ে মেজর জেনারেল করলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে জিয়া মেজর জেনালের হতে পারতো? কারণ তার বাবা-মা পাকিস্তানে মাইগ্রেট করে। জিয়াউর রহমান ওখানেই আর্মিতে ঢোকে। তার পোস্টিং হয় আমাদের দেশে। সে ভালো করে বাংলাও বলতে পারতো না। উর্দু খুব পছন্দের ছিল তার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে যে ক্যান্টনমেন্টে ছিল জিয়াউর রহমান, সেখানে কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি। যার কারণে সেখানে সব চেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে। সেই গণকবর ভাটিয়ারিতে আছে। সে সঠিক সিদ্ধান্ত দিলে আমাদের সৈনিকরা ব্যবস্থা নিতে পারতো।

জিয়াকে বঙ্গবন্ধু হত্যার আসামি করতে চেয়েছিলাম

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় জিয়াউর রহমানকে আসামি করতে চেয়েছিলেন ‍উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, সে পঁচাত্তরের হত্যার সঙ্গে জড়িত এতে কোনও সন্দেহ নেই। আমি তাকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের তখনকার স্বরাষ্ট্রসচিব রেজাউল হায়াত বলেছিলেন—মৃত মানুষকে তো আসামি করা যায় না। আমার মনে হয় নামটা (আসামি হিসেবে) থাকা উচিত ছিল। কারণ জিয়া যে ষড়যন্ত্রে জড়িত তা ফারুক-রশিদ নিজেরাই বলেছেন। একাধিক বইতে আছে। আর জড়িত না হলে যেসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছিল তাদের ছেড়ে দিলো কেন? জিয়াউর রহমান সেই বিচার বন্ধ করে সবাইকে কারাগার থেকে মুক্তি দিলো। সাত খুনের আসামিকে ছেড়ে দিলো। খুনিদের ঢেকে এনে দল করলো। স্বাধীনতা যুদ্ধই যদি করে থাকে তাহলে একাত্তরের অগ্নিসংযোগকারী, খুনি ধর্ষণকারীদের কেন মন্ত্রী উপদেষ্টা বানালো। সংসদে বসালো। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরষ্কৃত করলো। আর তার বউ খালেদা জিয়া আরও একধাপ ওপরে গিয়ে এমপি বানিয়ে সংসদে বসালো। খুনি, অপরাধী, ধর্ষণকারী, যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি-এদের সঙ্গে তাদের বসবাস।

বিএনপির হারুনুর রশীদের বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদে বলা হয়েছে জিয়াউর রহমান যে সেক্টরে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানে সব থেকে বেশি প্রাণহনি হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন আসে সে তাহলে যুদ্ধে কী কাজ করেছে। পাকিস্তানিদের পক্ষে? যাতে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুবরণ করে, সেই ব্যবস্থা করেছিল কিনা—সেটাই আমার প্রশ্ন। সেক্টরের অধিনায়ক করে প্রাণহানি বাড়িয়ে দেওয়ার মানে কী? নিজের হাতে নিজেদের লোকদের এগিয়ে দিয়েছে মরতে। মেজর হাফিজের বইতে কী আছে? এখন বই চেঞ্জ করছে।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, জিয়ার আমলে প্রত্যেকটি কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। তার রেকর্ড তো থেকে যায়। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন।

বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, এদের থেকে এখন মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়। জ্ঞানের কথা শুনতে হয়। আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়। আমার বাবা-মার হত্যার বিচার চেয়ে আমি মামলা করতে পারিনি। আমাদের সেই অধিকার ছিল না। হ্যাঁ আমাদের দলের বেইমান তো ছিলই। খন্দকার মোস্তাক-টোস্তাক তো ছিলই। এটা তো অস্বীকার করি না। আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে। জিয়াউর রহমান তো খালেদা দিয়াকে নিয়ে মাসে একবার করে আমাদের বাড়ি গিয়ে বসে থাকতো।

বন্ধুত্বের নিদর্শন ও বাজারজাতকরণে আম পাঠানো হয়েছে

পাকিস্তানে আম পাঠানো নিয়ে বিএনপির হারুনুর রশীদের বক্তব্যের জবাবে সরকার প্রধান বলেন, কেবল পাকিস্তান নয়, ভারত-পাকিস্তানসহ আশপাশের প্রতিবেশী দেশ এমনকি মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে সব দেশেই আম পাঠিয়েছি। আমাদের আম অত্যন্ত ‍সুস্বাদু। আম পাঠানোর একটা কারণ হচ্ছে বন্ধুত্বের নিদর্শন এবং দ্বিতীয়টি হলো বাজারজাতকরণ। দুই দিক থেকেই দেখতে হবে। সেজন্য সবাইকে আম পাঠিয়েছি। তবে, একাত্তরে পাকিস্তান আমাদের ওপর যে অত্যাচার করেছে সেটা নিশ্চয়ই আমরা ভুলতে পারি না। এটা ভুলে গিয়েছিল বিএনপি।

২৪ কোটি ডোজ টিকা কিনবো

করোনার টিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, সবাই যাতে টিকা পায় আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। সবাইকে টিকা দেওয়া হবে। ২৪ কোটি ডোজ টিকা আমরা কিনবো। ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। আমাদের দেশে ভ্যাকসিন তৈরির জন্য চুক্তি হয়েছে। সেখানেও ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হবে।

 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৩

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৮৬২ জন এবং মারা গেছেন ৫১ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ১০৯ জনের এবং শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ২০৩ জন। এ দিন সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৯ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯০ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।  

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর)) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩১ হাজার ১৪৯টি। এখন পর্যন্ত ৯৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। 

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ ২৫ জন এবং নারী ২৬ জন। 

মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়,  ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে আছেন ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৭ জন,  ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। 

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ২৯ জন, চট্টগ্রামে ৮ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, খুলনায় ৬ জন, বরিশালে ৩ জন এবং রংপুরে একজন। 

২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪১ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ১০ জন। 

/এসও/আইএ/

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪১

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল সকালে প্রায় ৮০ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ফিনল্যান্ড হয়ে নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন তিনি।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে তিনি বাংলায় ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেন, এবার সাধারণ পরিষদে প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘আশা’।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর করেছিলেন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ওই সময় তিনি ইতালি গিয়েছিলেন ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোভিড মহামারির কারণে অর্থনীতি যে আঘাত পেয়েছে সেটি দূর করে আশার জাগানোর জন্যই এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আশা’।

তবে এবারের অধিবেশনে আরেকটি বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা হলো জলবায়ু পরিবর্তন। এ ছাড়া, বরাবরের মতো রোহিঙ্গা ইস্যুতেও বাংলাদেশ সাইডলাইনে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করবে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বেশ কয়েকটি বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মালদ্বীপ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা আছে। এ ছাড়া বারবাদোজের প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গেও বৈঠক হবে।

আফগানিস্তান সমস্যার কারণে রোহিঙ্গা ইস্যু হারিয়ে যাচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি হারিয়ে যাচ্ছে না। রোহিঙ্গা শব্দটি এখন সবাই জানে এবং বাংলাদেশের কারণে এটি পরিচিত একটি নাম। তারা যে নির্যাতিত হয়েছে এটি সবাই জানে।’

রোহিঙ্গা নিয়ে নতুন কোনও প্রস্তাব থাকবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রস্তাব আগেই দিয়েছি। নতুন করে আর কিছু দিতে চাই না।

 

 

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

ই-কমার্সে প্রতারিতদের পাওনা বুঝিয়ে দিক সরকার, দাবি সংসদে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩১

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের কারণে যারা প্রতারিত হয়েছেন তাদের টাকা সরকারকে ফেরত দেওয়ার দাবি করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জের মতো প্রতিষ্ঠান ব্যবসার নামে প্রতারণা করে হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। যারা টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন তাদের টাকা সরকারকে ফিরিয়ে দিতে হবে। পরে সরকার ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা আদায় করবে। বৃহস্পতিবার সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, অনেক ই-কমার্সের ব্যবসা শুরুর সময়ই বোঝা গিয়েছিল তারা প্রতারণা করবে। অর্ধেক দামে পণ্য বিক্রির অফার দিয়েছিল। প্রচুর মানুষ বিনিয়োগ করেছে। এখন হাজার কোটি টাকা নিয়ে তারা পণ্য দিচ্ছে না। শুধু মানুষকে দোষ দিলে হবে না। প্রতিষ্ঠানগুলো গোপনে ব্যবসা করেনি।

বিএনপি দলীয় এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, যে পরিমাণ বিজ্ঞাপন দিয়ে তারা ব্যবসা করেছে তাতে সরকারের নীতিনির্ধারকদের এটি না জানার কথা নয়। তারা ক্রিকেট দলের স্পন্সরও হয়েছিল। অন্য সব বাদ দিলেও প্রতিযোগিতা আইন অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যবসা চলতে পারে না। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা নেয়নি।

অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান বলেন, অবৈধ ভিওআইপির ভয়াবহ সিন্ডিকেটের কারণে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। মাসে ৩৭৫ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন তিনি।

 

 

/ইএইচএস/এফএ/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালু হবে: রেলমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালু হবে: রেলমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভূমি খাতের সেবা প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে

ভূমি খাতের সেবা প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে

ঘরে বসেই অংশ নেওয়া যাবে ভূমি মামলার শুনানিতে

ঘরে বসেই অংশ নেওয়া যাবে ভূমি মামলার শুনানিতে

জলবায়ু সম্পৃক্ত প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে ভূমি মন্ত্রণালয়

জলবায়ু সম্পৃক্ত প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে ভূমি মন্ত্রণালয়

অনলাইনে যেভাবে দেবেন ভূমি কর

অনলাইনে যেভাবে দেবেন ভূমি কর

সর্বশেষ

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

জাকার্তার বায়ু দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেননি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট: আদালত

বায়ু দূষণ মামলায় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী রায়

© 2021 Bangla Tribune