X
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৫ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

করোনায় আরও ২১৮ মৃত্যু, শনাক্ত ৯৩৬৯

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২১৮ জন। এছাড়া একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩৬৯ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু ২০ হাজার ৬৮৫ জন এবং শনাক্ত হয়েছে ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৪ জন। 

শনিবার (৩১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এদিন সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ১৭ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ ১০ লাখ ৭৮ হাজার ২১২ জন। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৯৭৬টি। অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩০ হাজার ৯৮০টি। এখন পর্যন্ত ৭৭ লাখ ৪০ হাজার ৮৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ১৪  শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৬৬ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১৩৪ জন পুরুষ এবং নারী ৮৪ জন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ১৪ হাজার ৩ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন ৬ হাজার ৬৮২ জন। 

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ১০০ বছরের ঊর্ধ্বে ২ জন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৬ জন এবং ০ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ১ জন মারা গেছেন। 

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৬৭ জন, চট্টগ্রামে ৫৫ জন, রাজশাহীতে ২২ জন, খুলনায় ২৭ জন, বরিশালে ১০ জন, সিলেটে ৯ জন, রংপুরে ১৬ জন এবং ময়মনসিংহে ১২ জন মারা গেছেন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫৬ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৯ জন এবং বাসায় মারা গেছেন ১৩ জন।

/সিও/এনএইচ/

সম্পর্কিত

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

এদিন সকালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-ইডেন কলেজ শাখার সদস্যরা গণভবনে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংসদের নবনির্বাচিত সভাপতি শামীমা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ছাত্রীদের সাক্ষাৎদলের নেতৃত্ব করেন।

দেশে এদিন জরুরি অবস্থা ধারায় রাষ্ট্রপতিকে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা দিয়ে আনা সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলটি জাতীয় সংসদে ২৬৭ ভোটে পাস হয়। বিরোধী সদস্যরা বিলের ওপর ভোট গ্রহণের আগেই এর বিরোধিতা ও অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করে ওয়াকআউট করেন। এদিকে সংসদ অধিবেশনের মধ্যবর্তী সময় ৬০ দিন থেকে ১২০ দিন করা হয়। এছাড়া নিবর্তনমূলক আটকের বিধান সংবলিত আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়। বিল সম্পর্কে বিরোধী সদস্যদের অভিযোগের জবাবে আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর বিনা কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হবে না উল্লেখ করে বলেন, ‘বিশেষ জরুরি প্রয়োজনের কথা চিন্তা করেই সংবিধানে এ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।’ আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপৎকালীন অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রত্যেক দেশের সংবিধানে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের সংবিধানে এমন কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এখন সংসদ সংশোধনী এনে এই শূন্যতা পূরণ করছে মাত্র।’ তিনি বলেন, ‘এটি একটি মামুলি সংশোধনী।’

আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর বিলটি বিবেচনার জন্য উত্থাপন করেন। বাংলাদেশ জাতীয় লীগের আতাউর রহমান খান, ভাসানী ন্যাপের কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন সদস্য যাচাইয়ের জন্য বিরোধী প্রচারণার প্রস্তাব করেন। কিন্তু কণ্ঠভোটে এ প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।

দৈনিক বাংলা, ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ আতাউর রহমান তার বক্তৃতায় এই বিলের বিরোধিতা করে বলেন, ‘বিলটির কোনও প্রয়োজন ছিল না। কারণ, যুদ্ধাবস্থায় অভ্যন্তরীণ গোলযোগ মোকাবিলায় যে প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের একটি ধারাতেই সে রকম অবস্থা মোকাবিলায় মোটামুটি ব্যবস্থা ছিল। অভ্যন্তরীণ গোলযোগ মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা সরকারের অজ্ঞতার পরিচায়ক। সরকারকে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা মোকাবিলা করতে জানতে হবে।’

বঙ্গবন্ধুর জাপান সফর নির্ধারিত

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ বছরের ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর ৬ দিনের জন্য জাপান সফর করবেন বলে জানানো হয়। এদিন ঢাকায় প্রকাশিত বাংলাদেশ পররাষ্ট্র দফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। জাপানে ছয় দিনব্যাপী সফরকালে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বার্থ নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। জাপানে বঙ্গবন্ধুর সফর হবে সকল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশের ঘোষিত নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। বঙ্গবন্ধুর সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের জনগণের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব প্রতিফলিত হবে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করে।

ডেইলি অবজারভার, ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ দেশের মাটিতে আরও ৪৪৪ জন বাঙালি

দিল্লির চুক্তি অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো বাঙালিদের একটি দল নিয়ে জাতিসংঘ নির্ধারিত আফগান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে  ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এতে সামরিক বাহিনীর ২৮ জন জুনিয়র কমান্ডিং অফিসার ও তাদের পরিবার আসেন। পক্ষান্তরে তারা অবতরণের এক ঘণ্টা পর বিমানটি ৮৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ৪০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক অবাঙালিকে নিয়ে পাকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। রাত ১০টায় আবারও ওই বিমানটি ১৪৬ জন বাঙালিকে নিয়ে লাহোর থেকে এসে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

রাত পোহালেই ১৬০ ইউপিতে ভোট

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০০

রাত পোহালেই প্রথম ধাপের স্থগিত ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। এছাড়াও এদিন দেশের ৯টি পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার পরিষদের কয়েকটি উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। ২০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে।

আগের দিন রবিবার প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছে গেছে। নির্বাচনী এলাকায় কোনও সাধারণ ছুটি থাকছে না। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছুটির আওতায় থাকবে। নাগরিকরা সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে ছুটি নিয়ে ভোট দিতে পারবেন।

১৬১ ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় একটি ইউপি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচনে ১৬০টি ইউপির মধ্যে ৪৪টিতে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের সকলেই আওয়ামী লীগ মনোনীত। তবে এসব ইউপিতে সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগে প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করতে হয়। সে হিসাবে ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১২টায় প্রচার কাজ বন্ধ হয়েছে। এ সময়ের পর প্রার্থী বা সমর্থকদের কেউ কোনও ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না।

স্বচ্ছ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. হুমায়ন কবীর খোন্দকার। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমরা যে প্রস্তুতি নিয়েছি তাতে আশা করতে পারি ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

নির্বাচনী এলাকায় যেসব যান চলাচল বন্ধ

১৮ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া ভোটের আগের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা হতে ভোটের দিন ২০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্রাক ও পিকআপ, লঞ্চ, স্পিডবোট এবং ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবাসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল করতে পারবে।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৪ ইউপিতে .লীগ প্রার্থীর জয়

করোনা মহামারির কারণে স্থগিত প্রথম ধাপের ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ৪৪ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মাঠের রাজনীতির প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ইউপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউপিতে কয়েক ধাপে ভোট গ্রহণ হবে। গত ৩ মার্চ প্রথম ধাপে ৩৭১টি ইউপির ভোটের তফসিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে করোনা পরিস্থিতির কারণে ভোট স্থগিত করা হয়। স্থগিত ভোটের মধ্যে গত ২০ জুন ২০৪টি ইউপির ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

/ইএইচএস/এমএস/

সম্পর্কিত

সবাইকে নির্বাচনমুখী করতেই প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সবাইকে নির্বাচনমুখী করতেই প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাবিব

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাবিব

অন্য ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল এ মাসের শেষে

অন্য ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল এ মাসের শেষে

চলতি বছরেই ইউপিসহ সব ভোট সম্পন্ন করতে চায় ইসি

চলতি বছরেই ইউপিসহ সব ভোট সম্পন্ন করতে চায় ইসি

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:২১

দুর্নীতিবাজরা যাতে শাস্তি পায়, সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার মো. জহুরুল হক রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

দুদক সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় তিনি দুদক অফিসের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘উন্নয়নের এ ধারা টেকসই করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ খুবই প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম যাতে দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও পরিবার থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।’ রাষ্ট্রপতি আশা করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধেও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

 

/এনএল/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫৯

দেশে আবারও স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সপ্তাহের নির্ধারিত একদিন এ সুযোগ থাকবে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ফেসবুক লাইভে এসে এ কথা জানান।

এ সময়ে তিনি টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। জানান, প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত একদিনের ভিত্তিতে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত এবং ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠীকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা নিতে বলা হবে।

তিনি বলেন, ‘টিকা দেওয়ার সময় যারা বয়স্ক, তারা যেন পান—এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।’

‘আমাদের পর্যবেক্ষণ বা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠী বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংক্রমিত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এটা মাথায় রেখে টিকাদান কার্যক্রমে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় টিকা পাওয়ার উৎস নিশ্চিত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এক কোটিসহ প্রায় দুই কোটির মতো টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আর এ জন্য মাঠ পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি আরও কীভাবে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করানো যায়, সে বিষয়ে সচেষ্ট রয়েছি।’

মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘ইতোমধ্যে দেশে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে, আর তাই সেসব স্কুল কলেজে আগে যেখানে টিকাদান কর্মসূচি চলতো, বিশেষত স্কুল, সেই জায়গাগুলো থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি উপজেলা অডিটোরিয়ামে এবং উপজেলার যেকোনও বড় হলরুমে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সহকারীদের মাধ্যমে ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। সপ্তাহের যে দুদিন নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থাকবে না, এমন দুই দিন করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা কোভিড-১৯-এর টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে একটি ইউনিয়ন সাব-সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করবেন। টিকা প্রত্যাশীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার জন্য নিবন্ধন করবেন এবং এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে টিকা নেবেন বলে জানান তিনি।

/জেএ/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

বনভূমিতে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নয়: সংসদীয় কমিটি

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৩

কক্সবাজারে বন বিভাগের ৭০০ একর ভূমিতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে সংসদীয় কমিটি। ওই জায়গায় যাতে প্রকল্পটি গ্রহণ না করা হয়, কমিটি সেই ব্যবস্থা করতেও বলেছে।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সংসদীয় কমিটি বলেছে, সংরক্ষিত ওই বিপুল বনভূমি কীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা হবে।

বন অধিদফতর বলছে, বনভূমির মধ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  

সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা যেখানে বেদখলে থাকা বনভূমি উদ্ধার করছি, সেখানে সরকারের আরেকটি সংস্থা যদি জমি নিয়ে নেয়, এটা তো ঠিক নয়।’

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আরেকটি প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণ করতে সংরক্ষিত বনভূমির ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার খবর বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণের জন্য ওই জমি এক টাকা প্রতীকী মূল্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ঝিলংজা বনভূমির ওই এলাকা প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন।

এর আগে ২০১৮ সালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাকাডেমি অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ নির্মাণের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদফতরের কাছে অনাপত্তিপত্র চায়। সংস্থাটি ওই বছরই বিভিন্ন শর্তে অনাপত্তিপত্র দেয়।

ওই এলাকাকে ১৯৩৫ সালে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর ১৯৮০ সালে এটাকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়।

২০০১ সালে দেশের বনভূমির যে তালিকা করা হয়, তাতেও ঝিলংজা মৌজা বনভূমি হিসেবে উল্লেখ আছে।

সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই জমিতে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন প্রকল্পের আওতায় সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে ১০০ একর সৃজিত বাগান রয়েছে। ২০-২০০ ফুট পর্যন্ত বিভিন্ন উচ্চতার পাহাড় রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গর্জন, চাপালিশ, তেলসুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকা হাতি, বানর, বন্য শূকর, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও পাখির আবাসস্থল।

মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই এলাকায় প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এ বনভূমিতে কোনও ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা নিষেধ।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বোঝার চেষ্টা করছি এটা কীভাবে হলো। যদি কেবল জমির দাগ ও খতিয়ান দেওয়া হয় এবং ভূমির আকার ও প্রকৃত বর্ণনা না করে, সেটা হতে পারে কিনা। আমরা মনে করি, সেটাই হয়েছে। এটা আমরা দেখবো। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে অনুমতি এসেছে, সেই দফতরও হয়তো বিষয়টি পুরোপুরি জানে না।’

তিনি বলেন, ‘এই জমির বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। সংরক্ষিত বন হিসেবে এই জমির মালিক জেলা প্রশাসন। আর এ জমি কোনও অবস্থাতেই বন্দোবস্তযোগ্য নয় বলে রিমার্ক থাকে। অর্থাৎ, এই জমি কোনও অবস্থাতেই বন্দোবস্ত দেওয়া যাবে না। কাজেই এই জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’

সভাপতি আরও বলেন, ‘জনপ্রশাসনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকে আমরা সমর্থন করি। তবে ওই জায়গায় এটা হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। কারণ, আমাদের বিধি-নিয়ম এমনকি এটা সংবিধান পরিপন্থী। এটা অন্য জায়গায় হোক।’

ওই প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি এসেছে জানিয়ে করে সভাপতি বলেন, ‘আমরা সেই চূড়ান্ত অনুমতি দিতে না করেছি। পাশাপাশি সঠিক তথ্য তুলে ধরতে বলেছি। আমরা চাই, বিষয়টি যেন পুনর্বিবেচনা করা হয়।’

বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভূমি মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠাবে বলেও তিনি জানান।

বনভূমির ওই জমি বরাদ্দ দেওয়া ‘বিধিসম্মত’ হয়নি উল্লেখ করে সাবের হোসেন বলেন, ‘যেহেতু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, এখন তারা প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র চেয়েছে। আমরা এটা না দিতে বলেছি। পরিবেশমন্ত্রীও আমাদের সঙ্গে একমত।’

বন বিভাগ থেকে আগেই আপত্তি দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বন বিভাগ থেকে আগেই বলেছিল—এটা দেওয়া যাবে না। কিন্তু পরিবেশ অধিদফতর থেকে একটা ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা জানতো না জমির ধরন কী। তাদের কাছে হয়তো দাগ ও খতিয়ান নম্বর দেওয়া হয়েছে।’

বৈঠকের পর সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারে ওই বনাঞ্চলের ৭০০ একর জায়গায় জনপ্রশাসন অ্যাকাডেমি নির্মাণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পর্যালোচনা করার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া কমিটি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সুপারিশ করে।

সাবের চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি সদস্য পরিবেশনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, তানভীর শাকিল জয়, খোদেজা নাসরিন ও আক্তার হোসেন প্রমুখ অংশ নেন।

/ইএইচএস/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

‘ভাসানচর নিয়ে সমঝোতা চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

মৃত্যু বাড়লেও কমেছে শনাক্তের হার

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বাংলাদেশ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বাংলাদেশ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত নেমেছে ৭ এর ঘরে

বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত নেমেছে ৭ এর ঘরে

প্রতি সপ্তাহে টিকা আসবে ৫০ লাখ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতি সপ্তাহে টিকা আসবে ৫০ লাখ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনায় তিন মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু

করোনায় তিন মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু

শনাক্তের হার নেমে এলো ৯ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার নেমে এলো ৯ শতাংশের নিচে

সর্বশেষ

সিনহা হত্যা মামলা: তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

সিনহা হত্যা মামলা: তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

‘মেট্রোরেলের ভাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে’

‘মেট্রোরেলের ভাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে’

সাকিবদের ‘ভয়ঙ্কর’ কলকাতা মাঠে নামছে আজ

সাকিবদের ‘ভয়ঙ্কর’ কলকাতা মাঠে নামছে আজ

জালালাবাদে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার আইএসের

জালালাবাদে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার আইএসের

ময়মনসিংহে মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

ময়মনসিংহে মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

© 2021 Bangla Tribune