X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ঢাকা শহরের উত্তরাংশসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ১৪:২৯

ঢাকা শহরের উত্তরাংশসহ ধনুয়া, জয়দেবপুর, সাভার, আশুলিয়া, কোনাবাড়ি, টাংগাইল, এলেংগা, নরসিংদীতে বিবিয়ানা ও জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও একেবারে গ্যাস নেই, আবার কোথাও অল্প চাপে গ্যাস পাচ্ছেন গ্রাহকরা। হঠাৎ করেই এই সংকট সৃষ্টি হওয়ায় গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিকাল নাগাদ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পুরো পরিস্থিতি কখন ঠিক হবে তা এখনও অনিশ্চিত।

জানতে চাইলে তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী ইকবাল মো. নুরুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের সাথে আলাপ করেই শেভরন তাদের দুইটি গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা ও জালালাবাদের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করেছে। এখন আমরা বিবিয়ানা থেকে কিছু গ্যাস পাচ্ছি। বিকেলের দিকে আরও কিচ্ছুটা বাড়তে পারে বলে শেভরন আমাদের জানিয়েছে। জালালাবাদ থেকে আপাতত বন্ধ আছে। বিকালে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ যদি শেষ হয় তাহলে গ্যাস পাওয়া যাবে।

তিতাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিবিয়ানা ও জালালাবাদ গ্যাস ক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় তিতাস অধিভুক্ত ধনুয়া, জয়দেবপুর, সাভার, আশুলিয়া, কোনাবাড়ি, টাংগাইল, এলেংগা, নরসিংদী ও ঢাকা শহরের উত্তরাংশে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। গ্রাহকের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

অন্য একটি সূত্র জানায়, সাধারণত বিবিয়ানা থেকে গড়ে ১২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায় আর জালালাবাদ থেকে ২০০-২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিবিয়ানা থেকে এখন পাওয়া যাচ্ছে  গড়ে ১১০০ মিলিয়ন এবং জালালাবাদ থেকে এখন একেবারেই বন্ধ আছে। জালালাবাদ ঈদের সময় থেকেই রক্ষণাবেক্ষণে কাজ চলছে।

এদিকে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) পরিচালক (অপারেশন) তাজুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এখন বিবিয়ানা থেকে ১১০০ মিলিয়নের মতো আসছে। জালালাবাদ বন্ধ থাকলেও বিকাল নাগাদ চালু হওয়ার কথা। সে হিসেবে বিকালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।

এদিকে তিতাসের মোট গড় চাহিদা ১৭০০ মিলিয়নের মতো। এরমধ্যে ১৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো গ্যাস পাচ্ছে তিতাস। ঘাটতি প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

/এসএনএস/এমএস/

সম্পর্কিত

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

গ্যাস ডিটেকটর নিয়ে নেই প্রচারণা, ভাবছে তিতাস

গ্যাস ডিটেকটর নিয়ে নেই প্রচারণা, ভাবছে তিতাস

রবিবার পেট্রোবাংলা-তিতাসের ২০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক

রবিবার পেট্রোবাংলা-তিতাসের ২০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক

ঘুরছে বাংলা কারের চাকা, ৮ লাখেই নতুন মডেল

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫২

নিজস্ব নকশায় গাড়ি তৈরি করছে হোসেন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা কারস লিমিটেড’। নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটিতে ইতোমধ্যে দেড় শতাধিক গাড়ি তৈরি করে সেগুলো বিক্রিও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যে গাড়িগুলোর ইঞ্জিনে লেখা ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’। অচিরেই রফতানি হবে বিশ্বের বড় বড় শহরে। আর দেশের বাজারে আট লাখ টাকা দামের বাংলা কার বিক্রি শুরু হবে আগামী বছরের শেষের দিকে।

বাংলা ট্রিবিউন-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলা কার নিয়ে বিস্তারিত জানালেন হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাকির হোসেন। তার সঙ্গে কথা হয় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ‘বাংলা কার-এর শো-রুমে। যেখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ৮ রঙের বেশ কয়েকটি বাংলা কার।

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলা কার-এর বিশেষত্ব সম্পর্কে বলুন।

জাকির হোসেন: বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দেবে গাড়িটি। চার কোটি টাকা খরচ করে যে গাড়ি বাইরে থেকে আনা যায়, সেই গাড়ির সব সুযোগ-সুবিধাও মিলবে 'বাংলা কার-এ। মার্সিডিজ-বিএমডব্লিউ গাড়ির গ্রাহকরা যে সুবিধা পান বাংলা কার-এ তা মিলবে মাত্র ৩২ লাখ টাকায়।

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলা কার কিভাবে বিশ্বমানের গাড়ি তৈরি করছে?

জাকির হোসেন: আমরা দেশীয় ডিজাইনে গাড়ি ম্যানুফ্যাচার করছি। জাপানিজ ইসুজু ইঞ্জিন, চায়না বডি ও ইন্দোনেশিয়ার চেসিস দিয়ে গাড়িগুলো তৈরি করছি। বিশ্বের বড় বড় শহরে এই গাড়ি সরবরাহ করবো। ১৫০০ থেকে ২৫০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ি তৈরির সক্ষমতা আছে আমাদের। টাটার মতো আমরাও দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি করবো।

সাক্ষাৎকারে জাকির হোসেন

বাংলা ট্রিবিউন: হোসেন গ্রুপ গাড়ির ব্যবসায় কেন?

জাকির হোসেন: দেশের বাইরে পড়ালেখার পর সেখানে চাকরি করেছি চার বছর। সেখানেই গাড়ি ব্যবসার পরিকল্পনা করি। দেশের জন্য ভালো কিছু করার প্রত্যয় থেকেই এ যাত্রা শুরু। ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা যখন বাড়বে, তখন ধরে নিতে হবে দেশ উন্নত হচ্ছে। আর যেহেতু বাংলাদেশের কেউ গাড়ি তৈরি করে না তাই এটি সম্ভাবনাময় খাত। এরপর ৫ বছর লেগেছে শুরু করতেই। এ সময় বিশ্বের সেরা চারটি গাড়ি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা হলো, ইসুজু, ইন্দোনেশিয়ার ডিএফএসকে, ডংফিন চায়না ও কিংস্টার চায়না। এই চার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির পর এখন পর্যন্ত ১১৪টি বাংলা কার ঢাকার রাস্তায় চলছে।

বাংলা ট্রিবিউন: এই চার কোম্পানির ভূমিকা কী?

জাকির হোসেন: গাড়ি ম্যানুফ্যাকচারিং করছে বাংলা কারস লিমিটেড। ডিজাইন করেছে বাংলা কার। প্রয়োজন অনুযায়ী ওই চার কোম্পানির সহযোগিতা নিচ্ছি। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজটা তারা করছে। স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণও দিচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশের গাড়ির ব্যাপারে বিদেশি চার কোম্পানির আগ্রহ কেমন?

জাকির হোসেন: প্রথমে বাংলাদেশের নাম শুনে আমাকে পাত্তাই দেয়নি। তারপর তাদেরকে বোঝাতে পেরেছি। এরপর তারা চুক্তি করতে রাজি হয়। এখন এই চার প্রতিষ্ঠানও বাংলা কার নিয়ে স্বপ্ন দেখছে।

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলা কার-এর চাহিদা কেমন হবে বলে মনে করেন?

জাকির হোসেন: ফ্যাক্টরির সব কাজ শেষ হয়েছে গত বছরেই। কিন্তু পুরো বছরই গেল লকডাউনে। এতে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন কম হয়েছে। গত মে মাস থেকে অর্ডার নেওয়া শুরু করেছি। গত দুই মাসে ১১৪টি বিক্রি হয়েছে। আরও ৪২টি গাড়ি খুব তাড়াতাড়ি চলতে শুরু করবে। কিছুদিনের মধ্যেই হস্তান্তর হবে। সেই হিসাবে এ পর্যন্ত ১৫৬টি বিক্রি হলো বলা যায়।

জাকির হোসেন

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলা কার-এর সু্যোগ-সুবিধা নিয়ে বলুন।

জাকির হোসেন: সহজভাবে বললে কোটি টাকা দামের নতুন গাড়ি আমরা দিচ্ছি ৩২ লাখ টাকায়। ক্রেতাদের ৫ বছরের জন্য কোনও চিন্তা করতে হবে না। ব্র্যান্ড নিউ বাংলা কারে ৫ বছরের ওয়ারেন্টি থাকছে। গাড়িগুলো ডিএফএসকে গ্লোরি মডেলভিত্তিক, যা ইতোমধ্যে বাজারে রয়েছে। একশ’টিরও বেশি ভয়েস কমান্ডসহ একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ভার্চুয়াল সহকারী রয়েছে। মাল্টিমিডিয়া কনসোল কন্ট্রোলার দ্বারা চালিত একটি ৯ ইঞ্চি ইন্টারফেসের ইনফোটেইনমেন্ট ডিসপ্লে আছে। সহজ সংযোগের জন্য একটি নেভিগেশন সিস্টেম ও ইউএসবি পোর্ট আছে।

সাত আসনের গাড়িতে প্রথম ও দ্বিতীয় সারিতে পা রাখার যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। তৃতীয় সারিটি শিশুদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহারযোগ্য। এসইউভিতে আছে একটি সমৃদ্ধ অডিও সিস্টেম।

এ ছাড়া ৩৬০ ডিগ্রি পার্কিং ক্যামেরাসহ টায়ার প্রেসার মনিটরিং সিস্টেম এবং পার্কিং সেন্সর রয়েছে। দুই স্তরবিশিষ্ট প্যানোরামিক সানরুফও আছে।

বাংলা ট্রিবিউন: ব্যাংক ঋণে বাংলা কার কেনা যাবে?

জাকির হোসেন: শতভাগ ব্যাংক ঋণে আমাদের গাড়ি কিনতে পারবেন গ্রাহক। সিটি ব্যাংকসহ এ পর্যন্ত ১০টির মতো ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ৬৫টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে।

বাংলা ট্রিবিউন: রি-কন্ডিশনড গাড়ি ও বাংলা কার-এর মধ্যে পার্থক্য কী হবে?

জাকির হোসেন: রি-কন্ডিশনড গাড়ি কমদামে পাওয়া গেলেও পরে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বাংলা কার-এ নতুন মডেলই পাওয়া যাচ্ছে কম দামে। আটটি বিভাগীয় শহরে শো রুম দিয়েছি। সবগুলো জেলা শহরে ডিসট্রিবিউটর দেওয়া হবে। বিদেশেও ডিসট্রিবিউটর দেবো।

বাংলা ট্রিবিউন: শুরুতে কী ধরনের সমস্যায় পড়েছিলেন?

জাকির হোসেন: গাড়ির ব্যবসা সম্ভাবনাময়। আমাদের টার্গেট মূলত দেশের মধ্যবিত্তরা। পাশাপাশি রফতানিও করা। কিন্তু আর্ন্তজাতিক বাজারে টিকে থাকতে বন্ড লাইসেন্স দরকার। বন্ড লাইসেন্স হলে মোটর পার্টস তথা ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ আনা সহজ। আন্তর্জাতিক বাজারে এই গাড়ি জনপ্রিয় করতে বন্ড লাইসেন্স লাগবেই।

যেহেতু ৯৫ শতাংশ মোটর পার্টস আমদানি করতে হয়। তাই এটা জরুরি। বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ আনতে সরকারকে উচ্চ কর দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া জাহাজের ভাড়াও বেড়েছে। শিপিং খরচ দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। যদি বন্ড লাইসেন্স পাই ও বিনা শুল্কে পার্টসগুলো আনতে পারি তবে বড় অনেক দেশে গাড়ি রফতানি করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, বন্ড লাইসেন্স দেওয়া হলে বড় উদ্যোক্তারাও এ খাতে বিনিয়োগ করবে।

বাংলা ট্রিবিউন: মোটর পার্টস বা যন্ত্রাংশ দেশে তৈরি হবে কবে?

 

জাকির হোসেন: একটি গাড়ি তৈরিতে প্রায় দুই হাজার ধরনের যন্ত্রাংশ লাগে। আমরা ভালো ম্যানুফ্যাকচারিং করতে পারলে দেশেই তৈরি হবে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ তথা যন্ত্রাংশ। অবশ্য দেশে এমন কিছু কারখানা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

তবে দুই হাজার যন্ত্রাংশের জন্য দেড় থেকে দুই শ' ফ্যাক্টরি থাকা দরকার। যেটা এখন সম্ভব নয়। পার্টসগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি করা গেলে ভালো হতো। আপাতত যে দেশের যে যন্ত্রাংশের কোয়ালিটি ভালো, আমরা সেখান থেকেই আমদানি করছি।

বাংলা ট্রিবিউন: বছরে কতগুলো বাংলা কার বিক্রির আশা করছেন?

জাকির হোসেন: বিদেশি চার কোম্পানির সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে, সেই অনুযায়ী বছর অন্তত পাঁচ হাজার গাড়ি বানাতেই হবে। অর্থাৎ বছরে পাঁচ হাজার বিক্রি করতে হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: পিএইচপিসহ কিছু বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বিশ্বের নামিদামি বিভিন্ন কোম্পানির গাড়ি দেশে তৈরি করে বাজারজাত করছে। তাদের সঙ্গে বাংলা কার-এর পার্থক্য কী?

জাকির হোসেন: পিএইচপি তৈরি করছে প্রোটনের গাড়ি, প্রগতি মিতশুবিসির গাড়ি। আমাদেরটা নিজস্ব নকশার গাড়ি। অন্যরা ভালো গাড়ি বিক্রি করলেও বিদেশি ব্র্যান্ডের বাইরে আসার সুযোগ নেই। আমি আমার মতো করে গাড়ির ব্র্যান্ডিং করতে পারবো। ভেতরকার সুযোগ-সুবিধা যোগ করতে পারবো। সবচেয়ে বড় কথা আমি মেড ইন বাংলাদেশ লিখতে পারবো।

অচিরেই আমরা লরি, ট্রাক, কার, পিকআপ, বাসসহ ১২ ধরনের গাড়ি নামাব। তাছাড়া ইলেকট্রিক গাড়িও তৈরি হবে। ১২টি গাড়ি নতুন নামে ব্রান্ডিং করবো।

বাংলা ট্রিবিউন: করপোরেট অর্ডার বেশি, নাকি ব্যক্তিগত?

জাকির হোসেন: আপাতত ব্যক্তিগত অর্ডার বেশি। তবে বড় বড় কোম্পানি তাদের এমডি ও ম্যানেজার পর্যন্ত কর্মকর্তাদের জন্য বাংলা কার-এর করপোরেট অর্ডার দিচ্ছে। এসএসএফ ও পূবালী ব্যাংক অর্ডার দিয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: সর্বনিম্ন কত টাকায় বাংলা কার পাওয়া যাবে, সেটা কবে আসবে?

জাকির হোসেন: এখন অন্য মডেলগুলোর অর্ডার নিচ্ছি। তবে সব স্বাভাবিক থাকলে আগামী বছরের শেষের দিকে ৮ লাখ টাকা দামের নতুন মডেলের গাড়ি পাওয়া যাবে। সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার গাড়িও থাকবে বাংলা কার-এ। মধ্যব্ত্তি থেকে উচ্চবিত্ত, সবাই বাংলা কার কিনতে পারবে।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

জাকির হোসেন: আমি মনে করি, পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে বিশ্বের বড় বড় শহরে অন্তত ১ শতাংশ বাংলা কার থাকবে। বন্ড লাইসেন্স দিলে বাংলা কার-এর কারণে বছরে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে সরকার।

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন

/এফএ/

সম্পর্কিত

শীর্ষ করদাতার সম্মাননা পেলো ইসলামী ব্যাংক

শীর্ষ করদাতার সম্মাননা পেলো ইসলামী ব্যাংক

২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানির প্রস্তাব নেপালের

২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানির প্রস্তাব নেপালের

পোশাক রফতানি বাড়াতে দূতাবাসের সহযোগিতা চায় বিজিএমইএ

পোশাক রফতানি বাড়াতে দূতাবাসের সহযোগিতা চায় বিজিএমইএ

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

ফের আইন ভেঙে বিনিয়োগ করছে ব্যাংক, ঝুঁকিতে শেয়ার বাজার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০৮

ইভ্যালির প্রতারণা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। এমন সময়ে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে শেয়ারবাজারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, আইনি সীমা লঙ্ঘন করে আবারও বেশ কয়েকটি ব্যাংককে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে দেখা যাচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১০ সাল পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিপুল বিনিয়োগ ছিল পুঁজিবাজারে। সে সময় আইনি সীমা লঙ্ঘন করে অধিকাংশ ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপে হঠাৎ করেই ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ প্রত্যাহার করা শুরু করলে ধস নামে পুঁজিবাজারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এনআরবি ব্যাংক ও এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক আইনি সীমা লঙ্ঘন করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে। ইতোমধ্যে ব্যাংক দুটিকে জরিমানা করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংককে সতর্ক করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারের

ওপর। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি সিদ্ধান্তের কারণে গত সপ্তাহে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা মূলধন হারিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)। অর্থাৎ টানা ছয় সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর গেলো সপ্তাহ কিছুটা পতনের মধ্য দিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। এর আগে টানা ছয় সপ্তাহের উত্থানে ডিএসই’র বাজার মূলধন ৫০ হাজার কোটি টাকার ওপরে বেড়েছিল।

অবশ্য এর আগে ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে ধস নামার পেছনে বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়ী করা হতো। এরপর থেকে দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ও ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ছিল পরস্পরবিরোধী অবস্থানে।

সর্বশেষ তথ্য বলছে, সম্প্রতি ব্যাংক কোম্পানি আইনের সীমা লঙ্ঘন করে পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্সের শেয়ারে বিনিয়োগ করার অভিযোগে এনআরবি ব্যাংককে ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর কয়েক দিন আগে শেয়ারবাজারে নির্ধারিত সীমার বেশি বিনিয়োগ করার দায়ে এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংককে ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আরও কয়েকটি ব্যাংককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অদাবিকৃত বা অবন্টিত লভ্যাংশ ‘স্থিতিশীল তহবিলে’ জমা করা নিয়ে দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে বৈপরীত্য শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী অদাবিকৃত লভ্যাংশের অর্থ শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতায় গঠিত তহবিলে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে এ ধরনের অর্থ তহবিলে জমা দিয়েছে, তা-ও ফেরত আনার কথা বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, এ টাকা বিনিয়োগকারীর। শেয়ারবাজারের তহবিলেই এ অর্থ স্থানান্তর করা যুক্তিযুক্ত। বিএসইসি অবন্টিত লভ্যাংশ শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য গঠিত তহবিলে ফেরত আনতে চায়। এ জন্য নতুন করে আইনি বিধানও করেছে সংস্থাটি।  

দুই সংস্থার এমন অবস্থানের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেছেন, দুই সংস্থা মধ্যে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে গত আগস্টেও বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নির্দেশনা ঘিরে দুই সংস্থার সমন্বয়হীনতার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে প্রতিদিন প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেয়। সেই সঙ্গে শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ খতিয়ে দেখতে ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস পরিদর্শনও শুরু করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই ব্যবস্থার পর শেয়ারবাজারে যাতে পতন না হয়, সে জন্য শেয়ারের বিপরীতে সর্বোচ্চ ঋণসীমার আওতা বাড়িয়ে সূচকের ৮ হাজার পয়েন্ট পর্যন্ত উন্নীত করা হয়।

এদিকে সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল পাঁচ লাখ ৮৬ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেলো সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন কমেছে ১১ কোটি ৮৪৩ কোটি টাকা।

আগের ছয় সপ্তাহে বাজার মূলধন বাড়ে ৫১ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। এ হিসাবে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা মূলধন বাড়ার পর প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা কমলো।

এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৮২টির। আর ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসই-এক্স কমেছে ৩০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ২৭৭ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে কমেছে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ১৫ দশমিক ২১ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৮৩ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট।

অপরদিকে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের সপ্তাহেও বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে এই সূচকটি বেড়েছে ২৭ দশমিক ৪১ পয়েন্ট। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ১৫০ দশমিক ৩০ পয়েন্ট।

গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ২২৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় দুই হাজার ৭৭৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৫৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১১ হাজার ১২২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১৩ হাজার ৮৮৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে দুই হাজার ৭৬৫ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

ঘুরছে বাংলা কারের চাকা, ৮ লাখেই নতুন মডেল

ঘুরছে বাংলা কারের চাকা, ৮ লাখেই নতুন মডেল

ওজোনস্তর রক্ষায় সফলভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

ওজোনস্তর রক্ষায় সফলভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

এক মাসে মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

এক মাসে মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

ওজোনস্তর রক্ষায় সফলভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪৯

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মানুষকে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচাতে ওজোনস্তর রক্ষায় গৃহীত ভিয়েনা কনভেনশন ও মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সফলভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশ মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নের সকল ধাপ যথাসময়ে সঠিকভাবে অতিক্রম করেছে এবং প্রটোকলের বাধ্যবাধকতা প্রতিপালন করছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ এবং ২০১৭ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি কর্তৃক বাংলাদেশ প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে। 

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ‘মন্ট্রিল প্রটোকল মেনে ওজোনস্তর রক্ষা করি, নিরাপদ খাদ্য ও প্রতিষেধকের শীতল বিশ্ব গড়ি’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বসুন্ধরা কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম নূরুল আলম রেজভী এবং ভাইস চেয়ারম্যান এসএম শামছুল আলম, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মো. জিয়াউল হক, ওজোন সেলের সিনিয়র অফিসার সত্যেন্দ্র কুমার পুরকায়স্থসহ অন্যরা।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নে ৫টি এয়ারকন্ডিশনার উৎপাদন কোম্পানি ও একটি চিলার উৎপাদন কোম্পানিকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব ও শক্তি সাশ্রয়ী এসি উৎপাদন করা যাবে। এ লক্ষে সরকারের বিভিন্ন নীতি গ্রহণের ফলে ২০২৫ সালে এইচসিএফসির ব্যবহার ৬৭.৫ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এইচপিএমপি স্টেজ-২ বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমতুল্য গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ এড়ানো সম্ভব হবে। 

তিনি বলেন, রেফ্রিজারেশন সেক্টরে নিয়োজিত প্রায় ১০ হাজার টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওডিএস চোরাচালান রোধে কাস্টমস কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা ও ওডিএস আইডেন্টিফায়ার প্রদান করা হয়েছে। 

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডসহ সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে মন্ট্রিল প্রটোকলের প্রত্যেকটি বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। 

/এসএনএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

এক মাসে মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

এক মাসে মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

পোশাক রফতানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

পোশাক রফতানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

খেলাপি ঋণ আদায়ে ‘মিট দ্য বরোয়ার’ সভা করবে বেসিক ব্যাংক

খেলাপি ঋণ আদায়ে ‘মিট দ্য বরোয়ার’ সভা করবে বেসিক ব্যাংক

আমদানি করা চাল এসেছিল, দাম কমেনি কেন?

আমদানি করা চাল এসেছিল, দাম কমেনি কেন?

বাজার দর

এক মাসে মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪২

ডজন খানেক নিত্যপণ্যে ক্রেতাদের ভোগাচ্ছে টানা এক মাসের বেশি দিন ধরে। এরমধ্যে অন্যতম ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি সপ্তাহেই বেড়েছে। এই সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। আর এক মাসের মধ্যে এই মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ টাকার মতো। ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগি এখন কিনতে হচ্ছে ১৫০ টাকার বেশি দিয়ে।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, বৃহস্পতিবারের (১৬ সেপ্টেম্বর) তুলনায় শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

এদিকে শুধু ব্রয়লার মুরগি নয়, পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৫০-১৫৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা।

ব্যবসায়ীরা এ দিন পাকিস্তানি কক বিক্রি করছেন কেজি ২৮০-৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৭০-২৮০ টাকা। এর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ২২০-২৩০ টাকা।

মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী মহাররম আলী বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা বাড়লেও সে অনুযায়ী সরবরাহ নেই। বরং খামারে মুরগির উৎপাদন কমেছে। এ কারণেই দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, কয়েকদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০০ টাকার মতো বেড়েছে। ফলে যে মুরগি মাস খানেক আগে আমরা ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি এখন সেই মুরগি ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে  মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সীমিত আয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। রাজধানীর মানিকনগর এলাকায় বুয়ার কাজ করা সুফিয়া বেগম বলেন, মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে গত এক মাস ধরে মুরগি খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন তারা।

বাজারের তথ্য বলছে, মুরগির মতো গত এক মাস ধরে বাড়ছে ডিমের দামও। যে প্রতি হালিতে ডিমের দাম বেড়েছে ৫ টাকারও বেশি। এ সপ্তাহে ডিমের দাম বেড়েছে প্রতি ডজন ১০ টাকার মতো। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০৫-১১০ টাকার মধ্যে। আর মুদি দোকানে গত সপ্তাহে এক পিস ডিম বিক্রি হয় ৯ টাকা, এখন তা বেড়ে ১০ টাকা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা প্রতিপিস ডিম ১১ টাকাও বিক্রি করছেন।

এছাড়া গত এক মাসে দেশি হলুদের দাম বেড়েছে ৬০ টাকার মতো। এক মাসে বড়দানার মসুর ডালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকার মতো। গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকার মতো। খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৬ টাকা। পাম অয়েলের (সুপার) দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ টাকার মতো। গত এক মাসে প্যাকেট ময়দার দাম বেড়েছে কেজিতে ৮ টাকা। একইভাবে প্যাকেট আটার দাম বেড়েছে কেজিতে ৬ টাকার মতো।

সরকারের হিসাবে গত এক বছরে পামওয়েল সুপার এর দাম বেড়েছে ৬৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। আর

খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ। দেশি হলুদের দাম বেড়েছে ৫৫ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এদিকে এখনও ভোক্তাদের মোটা চাল কিনতে প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। একইভাবে চিকন চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ টাকা পর্যন্ত। এদিকে বাজারের তথ্য বলছে,  এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির দামও বেড়েছে। রাজধানীর ব্যবসায়ীরা গত সপ্তাহের মতো শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি করছেন ১৪০ টাকা পর্যন্ত। গাজর ও টমেটোর কেজি বিক্রি করছেন ১২০ টাকা। অবশ্য নতুন করে দাম বেড়েছে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটল, করলার। ঝিঙের কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৬০ টাকা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৭০ টাকা। চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা।

এছাড়া পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। ঢেঁড়সের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৭০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকার মধ্যে। বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০-৭০ টাকা।

কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা, কাঁচকলার হালি ২-৩০ টাকা, লাল শাকের আঁটি ২০-৩০ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১৫-২০ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ৫-১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৩৮০ টাকা। মৃগেল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে গড়ে ২৮০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১৮০ টাকা কেজি দরে। পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৬০০ টাকা। পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১৬০ টাকা।

বাজারে বড় (এক কেজির ওপরে) ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১৩০০ টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৮০০ টাকা কেজি। ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

ওজোনস্তর রক্ষায় সফলভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

ওজোনস্তর রক্ষায় সফলভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

পোশাক রফতানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

পোশাক রফতানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

খেলাপি ঋণ আদায়ে ‘মিট দ্য বরোয়ার’ সভা করবে বেসিক ব্যাংক

খেলাপি ঋণ আদায়ে ‘মিট দ্য বরোয়ার’ সভা করবে বেসিক ব্যাংক

‘এসি রুমে বসে বাজার সামলানো যায়?’

‘এসি রুমে বসে বাজার সামলানো যায়?’

ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২৫

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাসেলের মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ইভ্যালির এক গ্রাহক।

জানা গেছে, ইভ্যালির বিরুদ্ধে পাঁচ হাজারেরও বেশি অভিযোগ জমা হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে। এর মধ্যে বেশিরভাগই হলো ‘টাকা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন পণ্য না পাওয়া’র অভিযোগ।

প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকদের কাছ থেকে ইভ্যালির নেওয়া প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকার খোঁজ পাওয়া যায়নি দুদকের অনুসন্ধানে। এই অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা আছে বলে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত ইভ্যালির নেওয়া অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকারও হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এ টাকা আত্মসাৎ বা অবৈধভাবে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা গেছে, গত বুধবার মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. আরিফ বাকের ইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করে একটি প্রতারণার মামলা করেন। মামলায় ইভ্যালির আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে আরিফ বাকের উল্লেখ করেছেন, ইভ্যালির অনলাইন প্লাটফর্মে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাননি তিনি।

জানা গেছে, ইভ্যালির নিবন্ধিত গ্রাহক ৩৭ লাখের বেশি। এরা নানাভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন ইভ্যালির দেনা আছে দুই লাখ ৮ হাজার গ্রাহকের কাছে। যার পরিমাণ ৩১১ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ১৫ জুলাই পর্যন্ত মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনার পরিমাণ ছিল প্রায় ২০৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। দেশের প্রায় ২৫ হাজার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।

পণ্য কিনলেই অর্থ ফেরতের অস্বাভাবিক অফার দিয়ে ব্যবসা করছিল ইভ্যালি। ১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার দেওয়া প্রতিষ্ঠানটি থেকে বলা হতো ১০০ টাকার পণ্য কিনলে সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ‘সাইক্লোন’, ‘থান্ডারস্টর্ম’, ‘আর্থকোয়াক’সহ নানা ধরনের লোভনীয় অফার দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করা হতো। দেওয়া হতো অস্বাভাবিক মূল্যছাড়। কিছু গ্রাহক লাভ পেলেও বেশিরভাগই আছেন টাকা ফেরতের অনিশ্চয়তায়।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আট ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে প্রচলিত বিভিন্ন আইনভঙ্গের প্রমাণ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পুলিশ সদর দফতরের একটি তদন্ত টিম অনুসন্ধান করে নানা অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে অর্ডার করা পণ্য নির্ধারিত সময়ে ডেলিভারি না দেওয়া, গ্রাহকদের সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, পণ্য ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হলেও টাকা ফেরত না দেওয়া- ইত্যাদি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া ক্যাশব্যাক অফারের মাধ্যমে পাওনা টাকা নগদ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত না দিয়ে ই-ওয়ালেটে যোগ করা এবং ই-ব্যালেন্স থেকে পণ্য কেনার সময় ১০০ শতাংশ ব্যবহার করতে না দেওয়ার অভিযোগেরও প্রমাণ পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইভ্যালি থেকে অনেক সময় কমমূল্যের ও মানহীন পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে ইভ্যালি। লোভনীয় ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাকের অফার দিয়ে দ্রুত গ্রাহকদের কাছে পরিচিতি পায় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু সময়মতো পণ্য না দেওয়াসহ নানা অভিযোগে সমালোচনার শীর্ষে চলে আসে।

মাঝে ইভ্যালিতে হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ কর‌বে ব‌লে ঘোষণা দি‌য়ে‌ছিল দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ যমুনা। কিন্তু সম্প্রতি এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে গ্রুপটি।

জানা গেছে, ই-ভ্যালির কার্যক্রম শুরুর দুই বছর পার না হতেই নানা কৌশলের আশ্রয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেড় হাজার কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। অথচ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন মাত্র এক কোটি টাকা।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ইভ্যালির বিরুদ্ধে শুধু প্রতারণা নয়, মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ইভ্যালি যা করেছে তা হলো মাছের তেলে মাছ ভাজা। আবার কিছু তেল সেখান থেকে সরিয়েও ফেলেছে। এই ধরনের ব্যবসা শেষপর্যন্ত টেকে না। ইভ্যালি যেভাবে ব্যবসা করেছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের মূলধন ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ইভ্যালি দুটি ক্ষতি করেছে- প্রথমত, গ্রাহকের ক্ষতি। দ্বিতীয়ত, ইকমার্সের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট। এরপর থেকে দেশি কোনও প্রতিষ্ঠানকে জনগণ বিশ্বাস করবে না। এই সুযোগে বিদেশি কোম্পানি এসে নিয়ম মেনে ব্যবসা করবে। পরে তাদের দাপটে দেশে নতুন কোনও প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতেই পারবে না।’

/এফএ/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৯
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২০
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৩০
ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?

সম্পর্কিত

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে দায়িত্ব নেবে না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

১০ ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

১০ ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইভ্যালি থেকে সরে আসার ঘোষণা যমুনা গ্রুপের

সম্পর্কিত

শরীয়তপুরে আউশের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

শরীয়তপুরে আউশের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

‘আগামী সংসদ নির্বাচনও এই সরকারের অধীনে’

‘আগামী সংসদ নির্বাচনও এই সরকারের অধীনে’

জাজিরা-মাওয়া ফেরিঘাট দ্রুত চালুর দাবিতে গণঅনশন

জাজিরা-মাওয়া ফেরিঘাট দ্রুত চালুর দাবিতে গণঅনশন

১৮ কেজির কাতল ২৫ হাজারে বিক্রি 

১৮ কেজির কাতল ২৫ হাজারে বিক্রি 

স্কুলের শিক্ষার্থীরা পাবে ফাইজারের টিকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

স্কুলের শিক্ষার্থীরা পাবে ফাইজারের টিকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

ছাত্রলীগের পদ পেতে অছাত্র ও হত্যা মামলার আসামির দৌড়ঝাঁপ

ছাত্রলীগের পদ পেতে অছাত্র ও হত্যা মামলার আসামির দৌড়ঝাঁপ

সেতুর পাটাতন ভেঙে টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে যান চলাচল বন্ধ

সেতুর পাটাতন ভেঙে টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে যান চলাচল বন্ধ

ছয় বছর ধরে পানিবন্দি ফতুল্লার ওসমান আলী স্টেডিয়াম 

ছয় বছর ধরে পানিবন্দি ফতুল্লার ওসমান আলী স্টেডিয়াম 

সর্বশেষ

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

না জানিয়ে পরিদর্শনে যাবো: শিক্ষামন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধে রিট খারিজ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধে রিট খারিজ

ল্যাবএইডে ১১ পদে চাকরি, আবেদন করুন ঘরে বসেই

ল্যাবএইডে ১১ পদে চাকরি, আবেদন করুন ঘরে বসেই

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

আগাম জামিন পেলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী

আগাম জামিন পেলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী

চলমান স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

চলমান স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

‘শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তরুণদের দক্ষতাবৃদ্ধি জরুরি’

‘শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তরুণদের দক্ষতাবৃদ্ধি জরুরি’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

গ্যাস ডিটেকটর নিয়ে নেই প্রচারণা, ভাবছে তিতাস

গ্যাস ডিটেকটর নিয়ে নেই প্রচারণা, ভাবছে তিতাস

রবিবার পেট্রোবাংলা-তিতাসের ২০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক

রবিবার পেট্রোবাংলা-তিতাসের ২০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক

দক্ষিণের জেলাগুলোতে গ্যাস অনুসন্ধানে নজর

গ্যাস অনুসন্ধানে টু-ডি, থ্রি-ডি’র দুই প্রকল্পদক্ষিণের জেলাগুলোতে গ্যাস অনুসন্ধানে নজর

© 2021 Bangla Tribune