X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

কক্সবাজারে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:৩৬

রোহিঙ্গা বসতির কারণে বনভূমি ধ্বংস ও মানুষের নানা অত্যাচারে আবাসস্থল হারিয়ে কক্সবাজারে হ্রাস পেয়েছে বন্য হাতি। এসবের মধ্যে টেকনাফ পাহাড়ের গহীনে একটি বন্য হাতির বাচ্চা প্রসবের সুসংবাদ দিয়েছে দক্ষিণ বন বিভাগ। এ নিয়ে এক বছরে ১৬টি বাচ্চা দিলো বন্য হাতি।

দক্ষিণ বন বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার (০২ আগস্ট) দুপুরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হোয়াইক্যং বিটের মংলা জাইন চাকমার ঘোনা এলাকার বনে একটি বন্য হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে। এ নিয়ে গত এক বছরে বন বিভাগে বন্য হাতির বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬টি।

টেকনাফের হোয়াইক্যং রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান বলেন, ‘বনের ভেতর একটি বন্য হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে দেখতে পেয়ে দায়িত্বরত সিপিজির সদস্যরা বন বিভাগকে জানান। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘সবকিছু প্রাকৃতিকভাবেই ঘটছে। মা হাতি ও বাচ্চা সুস্থ এবং স্বাভাবিক আছে। সিপিজি সদস্যদের মা ও বাচ্চা হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে।’

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, ‘২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে উখিয়া ও টেকনাফের অন্তত ১০ হাজার একর বনভূমি ধ্বংস করে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এ কারণে বনাঞ্চলে হাতিগুলোর পরিবেশ, আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। বন্য হাতির জীবন সংকটে পড়েছে। বন্ধ হয়ে যায় তাদের চলাচল। এসবের মধ্যে বন্য হাতির বাচ্চা প্রসবের খবর অত্যন্ত সুখকর। এই অবস্থায় হাতিদের যে আবাস্থল রয়েছে, তা নিরাপদ রাখতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তাসহ নানাভাবে হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শেখ নাজমুল হুদা বলেন, ‘হাতির আবাসস্থলের এসব এলাকায় আগের পরিবেশ ফিরে এসেছে। এখনও হাতির নিরাপদ আবাসস্থল জোন হিসেবে রয়েছে এসব বনাঞ্চল। খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ এবং সহনীয় পরিবেশ রয়েছে বলে এখনও হাতিরা এসব এলাকায় বিচরণ করছে। সেই সঙ্গে বাচ্চা প্রসব করছে। এসব বন্য হাতিকে বিরক্ত করা যাবে না। যদি মানুষের কারণে অবাধ চলাফেরা করতে না পারে, তাহলে হাতিগুলো অন্যত্র চলে যেতে পারে। তাই বন বিভাগকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’  

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন বনাঞ্চলে গত এক বছরে এক বছর বয়সী  প্রায় ১৬টি বাচ্চা দেখা গেছে। হিমছড়ি, ধোয়াপালং, পানেরছড়া, ইনানী, হোয়াইক্যং, শীলখালী রেঞ্জের বনাঞ্চলে এসব বাচ্চা প্রসব করে মা হাতি। এসব হাতি এশিয়ান প্রজাতির।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, সর্বশেষ ২ আগস্ট দক্ষিণ বন বিভাগের হোয়াইক্যং বিটের মংলা জাইন চাকমার ঘোনা এলাকার বনের অভ্যন্তরে একটি হাতি বাচ্চা প্রসব করেছে। মা এবং বাচ্চা হাতি সুুুস্থ আছে। ২০১৭ সালের সর্বশেষ জরিপে কক্সবাজারের এই দক্ষিণ বনাঞ্চলে মোট এশিয়ান হাতির সংখ্যা ছিল ৬৩টি। এসব হাতি থেকে প্রজনন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, সারাদেশে ২৬৮টি মহাবিপন্ন এশিয়ান হাতির দুই-তৃতীয়াংশের বাস কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে। কিন্তু কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে রেললাইন, বিভিন্ন প্রকল্প, অবৈধ দখলসহ বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে হাতির আবাসস্থল উজাড়, চলাচলের করিডোর বাধাগ্রস্ত হয়ে খাদ্য সংকটে পড়েছিল এসব হাতি। ফলে বাধ্য হয়ে খাবারের খোঁজে লোকালয়ে হানা দেওয়ায় বন্য হাতি ও মানুষের মধ্যে তিক্ততা দেখা দেয়।

অন্যদিকে, ফসলরক্ষায় এসব হাতিকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে ও গুলি করে হত্যার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে গত তিন বছরে কক্সবাজার দক্ষিণ ও উত্তর বনাঞ্চলে ১৮টি বন্য হাতির মৃত্যু হয়।

 

/এএম/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি, ছুরিকাঘাতে ২ যাত্রী নিহত

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৪৯

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী মেইল এক্সপ্রেস কমিউটার ট্রেনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রী নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে জয়দেবপুর থেকে গফরগাঁওয়ে যাওয়ার পথে মাঝামাঝি স্থানে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনের জিআরপি থানার ওসি মামুন রহমান।

তিনি জানান, বিকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেন সন্ধ্যায় জয়দেবপুর স্টেশন পার হলে গফরগাঁওয়ের মাঝামাঝি স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীদের ছুরিকাঘাত করে ডাকাতরা। এতে তিন জন আহত হন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনটি জামালপুর স্টেশনে পৌঁছালে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত রুবেল মিয়ার চিকিৎসা চলছে। তার বাড়ি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মাইজপাড়া গ্রামে।

/এএম/

সম্পর্কিত

এমপিকে না জানিয়ে সোয়া কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান

এমপিকে না জানিয়ে সোয়া কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ গ্রেফতার

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ গ্রেফতার

চুরির সময় দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়ি

চুরির সময় দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়ি

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৮

বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মালিকরা দেশের সংবাদপত্রের নীতি নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণ করে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেছেন, ‘এটি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে উদ্যোক্তাদেরকে ৫০ শতাংশের বেশি মালিকানা দেওয়া হয়। ৫১ শতাংশ মালিকানা থাকে সাংবাদিক উদ্যোক্তাদের। এ ধরনের কঠোর নীতিমালায় না গেলে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকতা পেশাটি সমাজের প্রভাবশালী, অর্থবিত্তশালীদের কাছে আবদ্ধ হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন। এর জন্য যদি সঠিক পলিসি না থাকে, তাহলে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়াটা কঠিন হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত নেতাদের সম্মাননা জানাতে ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে আমরা যদি একটি সঠিক নীতিমালা করতে পারি, তাহলে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারবো। সারা পৃথিবী যদি সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিতে গণমাধ্যম চালাতে পারে, আমরা পারবো না কেন? এ বিষয়গুলো যদি আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছ থেকে আসে তাহলে আমরা কেন এটি অ্যালাউ করবো না।’

নওফেল বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে চিন্তা করতে হবে। কারণ সাংবাদিকতা একটি বিজ্ঞ পেশা। অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিবন্ধিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পেজ খুলে আমি সাংবাদিক হয়ে গেলাম, এ ধরনের যে প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের পত্রিকাগুলো পুরোপুরি বিজ্ঞাপন নির্ভর। এখানে কোনও সাবস্ক্রিপশন ব্যবস্থা নেই। এই ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে। বাইরের দেশের গণমাধ্যমগুলো সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতিতে চলে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ারও সাবস্ক্রিপশন আছে। সাবস্ক্রিপশন থেকে আয় করা অর্থে সাংবাদিকরা ভালোমানের বেতন পান।’

রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার কারণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের সামনে নিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতা কখনও এত বেশি হয়ে যায়, যার কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। সেগুলো নিরসনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উন্নয়ন তখনই হয়, যখন প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ে, জনসেবা নিশ্চিত করতে পারে এবং জবাবদিহিতা সঠিকভাবে হয়। এ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কাজটিই সাংবাদিকরা এগিয়ে নিচ্ছে।’

সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, সিইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহ-সভাপতি অনিন্দ্য টিটো প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

‘অক্টোবরে রংপুরে থানা-ওয়ার্ড কমিটি গঠনে আ.লীগের বর্ধিত সভা’

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০০

অক্টোবরে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের থানা এবং ওয়ার্ড কমিটি গঠনের জন্য বর্ধিত সভা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘ওই সভাতেই কমিটি গঠনের তারিখ ঘোষণা হবে।’

একই কথা জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাফিয়ার রহমান। তিনি বলেন, ‘এ মাসেই (নভেম্বর) বর্ধিত সভা করার কথা ছিল। পরে সেটা সামনের মাসের প্রথম দিকে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

জানা গেছে, দীর্ঘ আড়াই বছরেও রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের থানা কমিটি গঠিত হয়নি। এদিকে, ৩৩টি ওয়ার্ডের কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হলেও এখনও সম্মেলন বা কাউন্সিল হয়নি। দেড় বছর পর রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। অথচ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেই বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের। ফলে নেতা কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। এ কারণেই কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  

মহানগর আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে থানা কমিটি গঠনের জন্য মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও সেই কার্যক্রম এখন পুরোপুরি বন্ধ। কমিটি না থাকায় দলের কোনও কর্মকাণ্ড নেই। ফলে দলীয় কার্যক্রমে সৃষ্টি হয়েছে চরম স্থবিরতা।

এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও রংপুর মেট্রোপলিটান চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রেজাউল ইসলাম মিলন বলেন, ‘মহানগরের সব ওয়ার্ড কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। একইভাবে থানা কমিটিও হচ্ছে না। দলকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে এবং নতুন নেতৃত্বের জন্য সম্মেলন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।’

মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট দিলশাদ হোসেন মুকুল বলেন, ‘আমরা থানা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম, কিন্তু করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। থানা কমিটি গঠন এবং মেয়াদ শেষ হওয়া ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা খুবই প্রয়োজন।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

তিস্তায় বিলীনের অপেক্ষায় কমিউনিটি ক্লিনিক

তিস্তায় বিলীনের অপেক্ষায় কমিউনিটি ক্লিনিক

নীলফামারীর ৮৬৩ মণ্ডপে হবে শারদীয় দুর্গোৎসব

নীলফামারীর ৮৬৩ মণ্ডপে হবে শারদীয় দুর্গোৎসব

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

আ.লীগ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আ.লীগ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৯

সৌদি নাগরিককে দেশে এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ব্যক্তি থানায় মামলা দায়েরের পর বুধবার রাতে চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

কোতোয়ালি থানার ওসি নেজাম উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। গ্রেফতার তিন জনকে আদালতের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। গ্রেফতার তিন জন হলেন মো. আব্দুল মান্নান (৫৮), মো. জোবাইর হোসাইন রিজভী (২৩) ও আবু তৈয়ব (৫৮)। 

নেজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ভুক্তভোগী আবুল হাছান দীর্ঘ ২২ বছর সৌদি আরবে থাকার পর দুই বছর আগে দেশে ফেরেন। ছুটি শেষে পুনরায় সৌদি আরবে যেতে চাইলে দেখেন ভিসায় সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ সিল দেওয়া। তিনি সৌদি আরবে যেতে পারেননি। সৌদি নাগরিক আদনান সাঈদ তার টাকা-পয়সা সব নিয়ে ধোঁকা দিয়েছেন। স্ত্রীর গহনা বিক্রি করতে গিয়ে পরিচয়ের পর হাজারী গলির স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী আবুল হাছানকে ঘটনা খুলে বলেন। এরপর তার সমস্যা সমাধানের জন্য জিনের বাদশা পরিচয় দিয়ে মো. আব্দুল মান্নানের কাছে নিয়ে যান হাছান।

মান্নান ধর্মীয় আধ্যাত্মিক শক্তি এবং জিনের মাধ্যমে সৌদি নাগরিক আদনান সাঈদকে বাংলাদেশে এনে দিতে পারবেন বলে জানান। বাংলাদেশে এসে তার সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিয়ে যাবে বলেও জানান। টাকা এবং সৌদি নাগরিককে বাংলাদেশে ফেরত আনতে হলে শুরুতে দুই লাখ টাকা এবং তিন ভরি স্বর্ণ ও যুক্তরাষ্ট্রের এক হাজার টাকার ডলার দাবি করেন মান্নান। পবিত্র কোরআন শরিফ ছুঁয়ে শপথ করে বলায় মান্নানকে মার্চ-সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশ নম্বরে ২৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা দেন হাছান। এ ঘটনায় হাছান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে ওই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, প্রথমে কোতোয়ালি থানার হাজারী গলি এলাকা থেকে এজাহারনামীয় আবু তৈয়বকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ থানার হোয়াক্যাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে আব্দুল মান্নান ও জোবাইর হোসাইন রিজভীকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

/এএম/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব, মারধরের ৮ দিন পর ছাত্রলীগকর্মীর মৃত্যু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪০

টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মারধরের ঘটনায় আহত মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ছাত্রলীগকর্মী মো. সাজিদুল ইসলাম মীম (২২) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মীম উপজেলার ইসমানিরচর গ্রামের আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় হোসেন্দি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম মোল্লাসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে ১৭ সেপ্টেম্বর মামলা করেন মীমের বাবা। এর আগে, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার ইসমানিরচর এলাকায় মারধরে গুরুতর আহত হন ছাত্রলীগের এ কর্মী।

গজারিয়া থানার পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর থানায় মারধরের মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, একই গ্রুপের মধ্যে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে। নিহত হওয়ায় মারধরের মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বনভোজনে যাওয়ার জন্য গত ১০ সেপ্টেম্বর সংগ্রাম মোল্লার (২৪) কাছ থেকে ৪০০ টাকা ধার নেন মীম। এ টাকা পরিশোধ নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে মো. আতাউর (২৭), সম্রাট (২২), তুষার (২০), সাব্বির (২২), নিজুম (২২), অপু (২২), মো. আরজু (২০), শুভ (২০) এবং অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বাধে মীমের। তারা মীমকে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ জানালে সংগ্রাম মোল্লা, আতাউর, সম্রাট, তুষার হাতুড়ি দিয়ে মীমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। বাকিরাও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এরপর স্থানীয়রা মীমকে গুরুতর আহত অবস্থায় গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আহমেদ রুবেল জানান, মীম নিহতের ঘটনায় হোসেন্দি ইউনিয়নের ছাত্রলীগ সাধারণ সংগ্রাম মোল্লাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দলীয়ভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

গাজীপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অগ্নিসংযোগ

গাজীপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অগ্নিসংযোগ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

এক্স-রে মেশিন পলিথিনে মোড়ানো, রোগীরা ছুটছেন এদিক-সেদিক

এক্স-রে মেশিন পলিথিনে মোড়ানো, রোগীরা ছুটছেন এদিক-সেদিক

শাপলা বিক্রির টাকায় চলে সংসার 

শাপলা বিক্রির টাকায় চলে সংসার 

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

চাঁদপুরে ৩ কলেজ শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত

চাঁদপুরে ৩ কলেজ শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত

অবশেষে রাঙামাটিতে চালু হলো সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট

অবশেষে রাঙামাটিতে চালু হলো সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট

আসামি বহনকারী মাইক্রোবাসে বিস্ফোরণ,  ৪ পুলিশ দগ্ধ

আসামি বহনকারী মাইক্রোবাসে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

নতুন জাতের মুরগিতে মিলবে বেশি মাংস-দেশি স্বাদ  

নতুন জাতের মুরগিতে মিলবে বেশি মাংস-দেশি স্বাদ  

সর্বশেষ

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

© 2021 Bangla Tribune