X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতায় ঢাবি দল চ্যাম্পিয়ন

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৮:১৬

দেশের প্রথম জিএনওবিবি জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ চ্যালেঞ্জে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের দল। রানার আপ হয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আয়োজকরা জানান, গত ২৪ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত  অনুষ্ঠিত এই কুইজ চ্যালেঞ্জের উদ্যোক্তা জীবপ্রযুক্তিবিদদের সংগঠন গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশি বায়োটেকনোলজিস্টস-জিএনওবিবি। শিক্ষার্থীদের মাঝে জীবপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় দেশের ৪১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭২টি দল।

প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। কুইজ মাস্টার হিসেবে সঞ্চালনায় ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আদনান মান্নান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের শিক্ষক ড. সাবরিনা মরিয়ম ইলিয়াস ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নূরনবী আজাদ জুয়েল। ফাইনাল রাউন্ডের বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অণুজীববিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের স্কুল অব এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সের ডিন, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. শাহ মোহাম্মদ ফারুক। আরও বক্তব্য রাখেন— জিএনওবিবির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জেবা সেরাজ, সাধারণ সম্পাদক ও আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানী  ড. আসাদুল গনি,  এনওয়াইবিবি’র সভাপতি মাহমুদা কবির শাওন।

এই কুইজ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য  বিজ্ঞানচর্চা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিল্প ও গবেষণার উন্নত ক্ষেত্র তৈরিতে দেশের তরুণ মেধাশক্তিকে অনুপ্রাণিত করা। প্রতিযোগিতার সার্বিক সহযোগিতায় ছিল নেটয়ার্ক অব ইয়ং বায়টেকনলজিস্ট বাংলাদেশ (এনওয়াইবিবি)। প্রতিযোগিতায় কমিউনিটি পার্টনার ছিল ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি, চিটাগাং ইউনিভার্সিটি রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার স্টাডিজ সোসাইটি, আইইউবি লাইফ সায়েন্স ক্লাব, খুলনা ইউনিভার্সিটি হেলিক্স, মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ক্লাব, ইউএসটিসি বিবিটেক সায়েন্স ক্লাব, নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাব, বমেশুপ্রবি সায়েন্স ক্লাব।

 

 

 

 

/এসও/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

৪৭১ জন ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগের সুপারিশ

৪৭১ জন ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগের সুপারিশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু আগামী সপ্তাহে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু আগামী সপ্তাহে

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:১৯

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করেন গুলশান থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম। 

গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, ইভ্যালির মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে আজই আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাসেলের মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসায় অভিযান পরিচালনা শেষে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আরিফ বাকের নামে একজন ভুক্তভোগী গুলশান থানায় মামলাটি করেছেন। মামলায় অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত মে মাসে ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে আরিফ বাকের তার বন্ধুদের নিয়ে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। যার (ইনভয়েস) নম্বর ১। এ ছাড়া পণ্যের অর্ডার বাবদ সকল মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ড‘র মাধ্যমে সম্পূর্ণ পরিশোধ করেন। 

আরিফ অভিযোগ করেন, পণ্যগুলো ৭-৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে সরবরাহে ব্যর্থ হলে উক্ত প্রতিষ্ঠান সমুদয় টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে তারা পণ্য সরবরাহ করেনি। আমি বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে ফোন করি। প্রতিবার তারা আমার পণ্যগুলো ‘শিগগিরই দিচ্ছে’ বলে আশ্বস্ত করে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে ইভ্যালি পণ্য অথবা টাকা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পর আমি তাদের অফিসে যাই। তখন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী কর্মকর্তা (সিও) মো. রাসেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছি। 

এজাহারে আরিফ জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনিসহ তার বন্ধুরা ইভ্যালি অফিসে গিয়ে পণ্যের অর্ডার সম্পর্কে কথা বলতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। এক পর্যায়ে অফিসের অভ্যন্তরে থাকা ইভ্যালির সিইও রাসেল উত্তেজিত হয়ে তার রুম থেকে বেরিয়ে আরিফকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে এবং পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এক পর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেছেন আরিফ। 

পণ্য না পাওয়ায় আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জানিয়ে আরিফ বলেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রয়ের নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আমার মতো বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের অসংখ্য গ্রাহকের নিকট থেকে আনুমানিক ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

/এমএইচজে/ইউএস/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:১১
ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২

সম্পর্কিত

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ থেকে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য’ গ্রেফতার

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:১৩

ইভ্যালি তার দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণা করার পরিকল্পনা ছিল প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলের। জিজ্ঞাসাবাদে নিজেই এমন তথ্য জানিয়েছেন, বলছে র‌্যাব। 

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে উত্তরা র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

রাসেল পরিকল্পিতভাবে এই ব্যবসা করে আসছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইভ্যালি ছিল একটি পরিবার নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা। প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রে স্বচ্ছতা ছিল না। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটির কোনও জবাবদিহিতাও ছিল না। ফলে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি দায়ভার বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর সেই কারণেই বর্তমানে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। ইভ্যালির নেতিবাচক ব্যবসায়িক স্ট্র্যাটেজি উম্মোচিত হলে অনেক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে সরে এসেছে। ব্যবসায়িক উত্তোরণ নিয়ে রাসেল তিনি নিজেও সন্দিহান ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য দিতে পারেননি।

গ্রেফতারকৃত রাসেল ও নাসরিনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

গ্রাহকের টাকা কীভাবে ফেরত পাওয়া যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়গুলো তদন্ত করছে। গ্রাহকের বিভিন্ন পরিমাণ টাকা এখানে লগ্নি করা আছে। বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চয়ই একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থা করা হবে গ্রাহকদের টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের টাকা কীভাবে দেবেন- জিজ্ঞাসাবাদে এমন প্রশ্নে রাসেল আমাদের কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে যেসব সংস্থা কাজ করছে, সকলে মিলে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজ করলে হয়তো অর্থ পাওয়া সম্ভব হবে।

/আরটি/ইউএস/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:০৭
দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২

সম্পর্কিত

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:১৩

‘২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ইভ্যালির দায় ছিল ৪০৩ কোটি টাকা, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ ছিল ৬৫ কোটি টাকা’- বিভিন্ন সংস্থায় প্রকাশিত এই বিপুল পরিমাণ দেনার বিষয়ে র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানটির এমডি ও সিইও মোহাম্মদ রাসেল কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। বরং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ দেনার পরিমাণ আরও বেশি; ‘প্রায় হাজার কোটি টাকা’ বলে র‌্যাবকে জানিয়েছেন।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। 

তিনি জানান, রাসেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন- বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বর্তমানে ইভ্যালির প্রায় ৩০ লাখ টাকা রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি গেটওয়েতে ৩০-৩৫ কোটি টাকা আটকে আছে, যেগুলো গ্রাহকের টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির দেনার বিষয়ে রাসেল কোনও সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানিটির আরও বহু দেনার কথা জানা গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আমাদের প্রায় হাজার কোটি টাকা দেনার কথা জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃত রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা

ইভ্যালি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একটি লোকসানি কোম্পানি উল্লেখ করে খন্দকার আল মঈন বলেন, এই প্রতিষ্ঠান থেকে এখন পর্যন্ত কোনও ব্যবসায়িক লাভ রাসেল করতে পারেননি। গ্রাহকের অর্থ দিয়েই তিনি তার যাবতীয় ব্যয়, বেতন, নিজস্ব খরচ নির্বাহ করতেন। ক্রমে ক্রমে তার দেনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি এবং তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন পদাধিকারবলে ইভ্যালি থেকে মাসে ৫ লাখ টাকা করে বেতন নিতেন বলেও জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা। এছাড়া তারা কোম্পানির টাকায় অডি ও রেঞ্জ রোভার দুটি দামি গাড়ি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করেন।

/আরটি/ইউএস/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২
ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

সম্পর্কিত

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালি বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৯

অস্বাভাবিক সব অফার দিয়ে দেশে ‘ভেলকি’ সৃষ্টি করেছিল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। আর এর ফলে দায় বেড়ে খাদের কিনারায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্ডার করে ঠিক সময় পণ্য না পেয়ে মামলাও করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক। গ্রেফতার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল বলছেন, প্রথমত তিনি একটি ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তি সময়ে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা দেশের বড় কোনও প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল তার।

আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল তার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সম্পর্কে এমন তথ্য র‌্যাবকে জানিয়েছেন বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

তিনি জানান, মোহাম্মদ রাসেল ‘জেনে-শুনেই’ এই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন।

এছাড়াও ইভ্যালিকে শেয়ার মার্কেটেও অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা ছিল মোহাম্মদ রাসেলের। খন্দকার আল মঈন জানান, প্রতিষ্ঠানটির বয়স তিন বছর অতিবাহিত হলে তিনি শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্ত হতেন- এমনটাই প্রচেষ্টা ছিল তার। সম্প্রতি ইভ্যালি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে প্রায়শই ফেসবুক লাইভে এসে গ্রাহকের কাছে সময় চাইতেন মোহাম্মদ রাসেল। এটা তার সময়ক্ষেপণের একটা ‘অপকৌশল’ ছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, রাসেল ২০০৭ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করেন। ২০১১ সালে ব্যাংকিং সেক্টরে চাকরি শুরু করেন। প্রায় ৬ বছর চাকরির পর ২০১৭ সালে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন। তিনি প্রায় এক বছর শিশুদের ব্যবহার্য একটি আইটেম নিয়ে ব্যবসা করেন এবং পরে তিনি ওই ব্যবসা বিক্রি করে দেন। ২০১৮ সালে আগের ব্যবসালব্ধ অর্থ দিয়ে ইভ্যালি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু হয়। কোম্পানিতে তিনি সিইও এবং তার স্ত্রী চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আরও বলেন, ইভ্যালির অবকাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভাড়াকৃত স্পেসে ধানমন্ডিতে প্রধান কার্যালয় এবং কাস্টমার কেয়ার স্থাপিত হয়। একইভাবে ভাড়াকৃত স্থান আমিন বাজার ও সাভারে তাদের ওয়্যার হাউজ চালু করা হয়। কোম্পানিতে শুরুর দিকে প্রায় দুই হাজার স্টাফ ছিল। সেই সঙ্গে প্রায় ১৭০০ অস্থায়ী কর্মচারীও ছিল। যা বর্তমানে ১৩০০ জন স্টাফ এবং প্রায় ৫০০ জন অস্থায়ী কর্মচারীতে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রথমদিকে কর্মচারীদের মাসিক বেতন বাবদ ইভ্যালির খরচ হতো প্রায় ৫ কোটি টাকার বেশি, যা বর্তমানে দেড় কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। গত জুন থেকে অনেকের বেতন দিতে সক্ষম হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল 
ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন?
ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৩

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিও) মোহাম্মদ রাসেল জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ব্যবসা বাড়াতে তিনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আইটেম নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তিনি তার এই ইভ্যালির মাধ্যমে মোবাইল সেট, টিভি, ফ্রিজ, এসি, মোটরবাইক এমনকি গাড়িও বিক্রি করেছেন। মূল্যছাড়ের অফারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি বিশাল আকারের লাইবেলিটিজ তৈরি হয়।

‘ব্যবসায়িক অপকৌশল’ হিসেবে নতুন গ্রাহকদের উপর দায় চাপিয়ে পুরাতন গ্রাহকদের আংশিক অর্থ ফেরত অথবা পণ্য ফেরত দিতেন উল্লেখ করে এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তার এই দায় ট্রান্সফারের দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্কে যতো গ্রাহক তৈরি হয় লাইবেলিটিজ বাড়তে থাকে।’ 

গ্রেফতারকৃত রাসেল ‘জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছেন’ বলে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তিনি। কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বিদেশি একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে লোভনীয় অফারের আলোকে ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু করে।

/আরটি/ইউএস/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

ইভ্যালির দেনা হাজার কোটি টাকা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

৪৭১ জন ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগের সুপারিশ

৪৭১ জন ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগের সুপারিশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু আগামী সপ্তাহে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু আগামী সপ্তাহে

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

কমপক্ষে এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে ঢাবির হল  খুলে দেওয়ার সুপারিশ 

কমপক্ষে এক ডোজ টিকা নেওয়ার শর্তে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ 

শিক্ষক দিবসে ঐচ্ছিক ছুটির দাবি

শিক্ষক দিবসে ঐচ্ছিক ছুটির দাবি

এইচএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়লো

এইচএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়লো

গেটের বাইরে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভিড় কমাতে নেই উদ্যোগ 

গেটের বাইরে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভিড় কমাতে নেই উদ্যোগ 

স্কুলের সামনের হকার উচ্ছেদ করবে কে?

স্কুলের সামনের হকার উচ্ছেদ করবে কে?

পরীমণির রিমান্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা মামলার শুনানি বুধবার

পরীমণির রিমান্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা মামলার শুনানি বুধবার

সর্বশেষ

ইভ্যালিতে নেই তাহসান, পাননি বকেয়াও

ইভ্যালিতে নেই তাহসান, পাননি বকেয়াও

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

আমার B ও ৯
দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

দায় মেটাতে না পারলে দেউলিয়া ঘোষণার প্রস্তুতি ছিল ইভ্যালির

ব্রিটেনের রেড লিস্ট মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

ব্রিটেনের রেড লিস্ট মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

© 2021 Bangla Tribune