X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

কেরানীগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে পিটিয়ে জখম, গ্রেফতার ৪

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৮:৪৩

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে লোহার রড ও কাঠের রোলার দিয়ে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় একটি কারখানার মালিকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (৪ আগস্ট) রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন আগানগর ইউনিয়নের কেসি সাহ এলাকায় রাইফা মেটাল নামক কারখানায় র‍্যাব-১০ অভিযান চালিয়ে নির্যাতনের শিকার ওই শিশুকে উদ্ধার করে। সেইসাথে কারখানার মালিকসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো – মো. আব্দুল মালেক, মো. রাজিব আহমেদ, মো. মামুন মোহাম্মদ সাদেক।

র‍্যাব জানায়, শিশুটিকে নির্যাতনের ঘটনাটি নির্যাতনকারীরা ভিডিওতে ধারণ করে। ওই ভিডিওটি র‍্যাবের অভিযানে জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক এনায়েত কবীর সোয়েব বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকালে  বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাইফা মেটাল নামক কারখানার মালিকের ছেলে রাজিবের নেতৃত্বে শিশুটিকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে তার কারখানায় আটকে রাখে। রাত সাড়ে বারোটায় অভিভাবকরা শিশুটিকে ছাড়িয়ে আনতে কারখানায় গেলে রাজিব শিশুটিকে না ছেড়ে আরও মারতে থাকে। শিশুটির হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় লোহার রড ও কাঠের রোলার দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও জখম করে রাজিব। এসময় সে শিশুটির মাথার চুল কেচি দিয়ে এলোপাথাড়ি কেটে দেয়। বিষয়টি কারখানার মালিককে জানালে তিনি তার ছেলেকে কিছু না বলে উল্টো নির্যাতিত শিশুটির অভিভাবককে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকে। ঘটনাটি র‍্যাব-১০ এ জানানো হলে ৪ আগস্ট রাতেই কারখানায় অভিযান চালিয়ে ওই শিশুকে উদ্ধারসহ নির্যাতনকারী চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।

/আরটি/এমএস/

সম্পর্কিত

বাড্ডায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

বাড্ডায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

রাজধানীতে মাদক ব্যবসায়ী সাড়ে ৩ হাজার 

রাজধানীতে মাদক ব্যবসায়ী সাড়ে ৩ হাজার 

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫২

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫২

ফকিরাপুলে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ৪

ফকিরাপুলে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ৪

একটি হাত ব্যাগ ও সৌদি আরব প্রবাসীর কান্না-হাসি

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০১

বিমানবন্দর এক অদ্ভুত রঙ্গ মঞ্চ। কেউ বেড়াতে, কেউ জীবন জীবিকার তাগিদে দেশ থেকে দেশান্তর হয় এ মঞ্চ থেকে। একদিনে প্রিয়জনকে নিয়ে বাড়ি ফেরার আনন্দ। অন্যদিকে প্রিয়জনকে বিদায় দেওয়ার বেদনা। দুটো চিত্রেরই দেখা মেলে বিমানবন্দরে। এর বাইরে নানা ঘটনায় কত শত গল্প। আজকের গল্প সৌদি আরব প্রবাসী ইউসুফ কবিরকে নিয়ে। সৌদি থেকে দেশে ফিরে স্বজনের কাছে যাওয়ার আনন্দ মুহূর্তেই মলিন হয়ে গেলো তার। তবে তার স্থায়িত্ব কয়েক ঘণ্টা। একটি হাত ব্যাগকে ঘিরে তার কান্না-হাসি।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশের অফিসে মলিন মুখে বসে আছেন ইউসুফ কবির। দুচোখ ভেজা তার। কান্না করছেন আর আর্মড পুলিশ সদস্যদের কাছে সাহায্য চাইছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষের পোস্টে তিনি দেখেছেন পুলিশের এই ইউনিট প্রবাসীদের হারানো কিংবা চুরি হওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করে দিচ্ছে। শুধু বিমানবন্দর নয়, ঢাকার বাইরে অন্য জেলা থেকেও উদ্ধার হচ্ছে খোয়া যাওয়া মালামাল। তাই আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনিও এসেছেন আর্মড পুলিশের কাছে। 

২১ বছর ধরে সৌদি আরবে আছেন ইউসুফ। এবার ছুটিতে এসেছেন বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর)। ইমিগ্রেশন ঠিকঠাক মতো করে বেল্টে গিয়ে ব্যাগেজ পেয়েছেন কোনও ঝামেলা ছাড়াই। তারপর এলেন কাস্টম জোনে, সেখানে তার লাগেজগুলো তল্লাশি করা হয়। ইউসুফ কবিরও সহায়তা করলেন কাস্টমস কর্মকর্তাদের। নিজেই নিজের ব্যাগ স্কানিং মেশিনে দিলেন। তল্লাশি শেষে বের হয়ে এলেন টার্মিনাল থেকে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে বাবা, ছেলেসহ স্বজনরা এসেছেন তাকে নিয়ে যেতে। তর আর সইছে না তার।

আর্মড পুলিশের কাছ থেকে হাত ব্যাগ নিচ্ছেন ইউসুফ কবির ইউসুফ কবির বলেন, ‘গাড়ি নিয়ে আমরা রওনা হলাম। পথে দাউদকান্দি এলাকায় আমরা একটি হোটেলে থামলাম নাস্তা করার জন্য। নাস্তা শেষে আবার গাড়িতে উঠে দেখি আমার হাত ব্যাগটি নেই। তখন মনে পড়লো, আমি মনে হয় কাস্টম জোনে ব্যাগটি ফেলে এসেছি।’

এরপরই গাড়ি ঘুরিয়ে আবারও বিমানবন্দরের পথে রওনা দিলেন ইউসুফ কবির। অভিযোগ দিলেন আর্মড পুলিশের কাছে। সেখানে তিনি কাঁদতে থাকেন।

কী আছে এই হাত ব্যাগ, জবাবে ইউসুফ কবির বলেন, ‘ঘড়ি,  মোবাইল ফোন, অলংকারসহ প্রায় ২ লাখ টাকার জিনিসপত্র ছিল।’

বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশের সদস্যরা ইউসুফ কবিরকে বন্দরের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান। অতপর কাস্টম জোনেই পাওয়া যায় তার সেই হাত ব্যাগটি। কিছুক্ষণ আগেও যার চোখ ভেজা ছিল, তার মুখে ফুটলো হাসি। ইউসুফ কবিরকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তার হাত ব্যাগটি। নিজেই খুলে দেখলেন সব কিছুই ঠিকঠাক আছে ব্যাগের ভেতরে। একটু আগেও যে ব্যাগ হারানোর শোকে বিমর্ষ ছিলেন, মুহূর্তেই তার মুখে হাসি।

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, ‘কাস্টমস জোনে প্রায় সময় যাত্রীরা নিজের জিনিসপত্র তাড়াহুড়োয় ভুলে ফেলে যান। ইউসুফ কবিরের ক্ষেত্রেও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। যখন কাস্টমস জোনে তার ব্যাগ তল্লাশির জন্য স্ক্যানিং করা হয় তখন তিন অন্যসব  ব্যাগ নিলেও হাত ব্যাগটি আর নেননি। লম্বা জার্নি করে বিমানবন্দরে নামার পরও যাত্রীদের মধ্যে দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু তখনই অনেকেই মনের ভুলে নিজের মূল্যবান জিনিসপত্র ভুলে ফেলে যান। তাই নিজের জিনিসপত্র খেয়াল করে নিতে সদর্ক থাকা উচিত।’

ছবি: প্রতিবেদক

 

/সিএ/আইএ/

সম্পর্কিত

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শরৎ উৎসব’ উদ্বোধন

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শরৎ উৎসব’ উদ্বোধন

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫২

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫২

ই-কমার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, শীর্ষে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও দারাজ

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৫২

গণমাধ্যম কর্মী নাজমুল হোসেন ইভ্যালি থেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে বাটার তিনটি গিফট ভাউচার কেনেন গত ১ মে। পুরো টাকা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। তার অর্ডার গ্রহণ করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রসেস করার কথা থাকলেও ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনও খবর নেই। বারবার ইভ্যালির সঙ্গে যোগাযোগ করেও সমাধান পাননি তিনি। আর রিফান্ড চাওয়ার কোনও অপশন না থাকাতেও পড়েছেন বিপাকে।

শুধু নাজমুল হোসেন নন, এমন আরও অসংখ্য গ্রাহক ভোগান্তির স্বীকার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক গ্রাহক জানান, গত মার্চ মাসে ৯৬ হাজার ১৯৫ টাকায় টিভিএস আরটিআর (১ লাখ ৭৪ হাজার বাজার মূল্য) মোটরসাইকেল ইভ্যালিতে অর্ডার করেন। ৪৫ দিনের মধ্যে না দিলে তিনি যোগাযোগ করেন ইভ্যালির অফিসে। তারা জানান, অর্ডার প্রসেসিংয়ে আছে। এর দুমাস পর রিফান্ডের কথা বলা হলে রাজি হন, ফর্ম পূরণ করেন। তারপরও সাড়া দেয়নি ইভ্যালি। কুরিয়ারের মাধ্যমে চেক পাঠানোর  কথা থাকলেও তা পাননি তিনি। পরে অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করে চেক পান জুন মাসে। চেক দেওয়ার পর দেখেন ৬ সেপ্টেম্বর তারিখের ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার একটি পোস্ট ডেটেড চেক দেওয়া হয়েছে মিডল্যান্ড ব্যাংকের। তিনি জানান, সেই চেকের অ্যাকাউন্ট অনেক আগেই ক্লোজ। যার ফলে ইভ্যালি থেকে তাকে চেক জমা দিতে মানা করে। এরপর অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফারের মধ্যমে টাকাটা দেওয়ার কথা জানানো হয় ইভ্যালির পক্ষ থেকে। যদিও এখন পর্যন্ত তিনি কিছুই পাননি।    

ইভ্যালির মতো চার বছরে ই-কমার্স খাতে অভিযোগ এসেছে ১৯ হাজার ৩০৪টি। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত এই অভিযোগগুলো দায়ের হয় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে। এর মধ্যে শীর্ষে আছে ইভ্যালি, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিমাণ ৭ হাজার ১৩৮টি। এর মধ্যে ৪ হাজার ৪৯৫টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে জানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ইভ্যালি ছাড়াও ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৬৪৩টি, দারাজের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৫১টি, প্রিয়শপ ডটকমের বিরুদ্ধে ৬২৬টি, ধামাকা শপিংয়ের বিরুদ্ধে ৩২৩টি, ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে ৩২২টি, পাঠাওয়ের বিরুদ্ধে ২৬৭টি, চালডাল ডটকমের বিরুদ্ধে ১৯০টি, আজকেরডিল ডটকমের বিরুদ্ধে ১৮২টি,  বিক্রয় ডটকমের বিরুদ্ধে ১৭৪টি, উবারের বিরুদ্ধে ১২৮টি, সহজ ডট কমের বিরুদ্ধে ৯৩টি, আলেশামার্টের বিরুদ্ধে ২০টিসহ বিভিন্ন ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে ৪ হাজার ৯৮২টি অভিযোগ দাখিল হয়েছে গত চার বছরে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি অভিযোগ হচ্ছে পণ্য সময়মতো না পাওয়া এবং এক পণ্যের পরিবর্তে অন্য পণ্য দেওয়া। বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তদন্ত এবং শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করছে অধিদফতর। এর মধ্যে কয়েকটি ই-কমার্স ভিত্তিক কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ ৯০ শতাংশের ওপরে নিষ্পত্তি হলেও এখনও অনেকগুলোর নিষ্পত্তির হার কম আছে।

অভিযোগ নিষ্পত্তির দিক থেকে এগিয়ে আছে পাঠাও, উবার, আজকেরডিল ডট কম, সহজ ডট কম এবং দারাজ। এছাড়া ই-অরেঞ্জ ডট কমের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৬৪৩টি অভিযোগ এলেও তার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৩৩টির। আর ইভ্যালির বিরুদ্ধে আসা ৭ হাজার ১৩৮টি অভিযোগের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৪ হাজার ৪৯৫টির। ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ এবং ধামাকা শপিংয়ের বিরুদ্ধেই ৫ হাজার অভিযোগ করা হয়েছে। জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৬৪৩টি অভিযোগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শুধু ৩৩টি বা ১ দশমিক ২৪ শতাংশ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পেরেছে ডিএনসিআরপি।

ই-কমার্স খাতের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সচরাচর অভিযোগ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে এলেও ফৌজদারি মামলা আগে কখনও দায়ের হয়নি। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া মেহজাবিন এবং প্রতিষ্ঠানটির বেশ কিছু কর্মকর্তা ১৬ আগস্ট গ্রাহকদের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে গ্রেফতার হন। এরপর থেকে তারা কারাগারেই আছেন। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বনানী থানার ওসি (তদন্ত ) সোহেল রানাকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এছাড়া গুলশান থানায় এক গ্রাহকের করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল এবং এর চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন কারাগারে আছেন।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ নামে একটি আইন থাকলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বছরের জুলাই মাসের আগে পর্যন্ত মানসম্মত কার্যপ্রণালীবিধি (এসওপি) ও নীতিমালা তৈরি করতে পারেনি। এই নীতিমালা অনুযায়ী একটি ই-কমার্স নিয়ন্ত্রক সংস্থা তৈরি করার কথা থাকলেও সরকার এখনও তা করেনি। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বাঁধন গত সোমবার দ্রুত ই-কমার্স নিয়ন্ত্রক সংস্থা তৈরির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেছেন।

ইভ্যালির বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, দেশে বর্তমানে ৩০ হাজার অনলাইন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১০-১২টির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তাই সামগ্রিকভাবে অনলাইন প্রতিষ্ঠানকে খারাপ বলা যাবে না। এর আগে আমরা দেখেছি- ডেসটিনির মতো প্রতিষ্ঠানের সম্পদ কাজে লাগানো হয়নি। সেগুলো অন্যরা ভোগদখলে রেখেছে। অথচ গ্রাহক তাদের পাওনা বুঝে পাননি। ইভ্যালির ক্ষেত্রেও যেন এমনটা না হয় সেজন্য গ্রাহকদের টাকা ফেরতের চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ও গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে সরকারকে ছয়টি প্রস্তাবনা দিয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বিদ্যমান সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করে ই-ক্যাব। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এই প্রস্তাবনাগুলো পাঠায় তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে আছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মাধ্যমে সেন্ট্রাল ডিজিটাল কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি, এবং সমস্যা প্রতিকারে আইন প্রয়োগ। আমাদের অটোমেশনে যেতে হবে। তা নাহলে এরকম হাজার হাজার অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে পারবো না। এই খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর উপায় হচ্ছে ডিজিটাল কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ভোক্তা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এটি দেখবে এবং ই ক্যাব কারিগরি সহযোগিতা দিবে। আমাদের প্রস্তাবনাগুলো যদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিবেচনা করে আমরা আশা করি এই খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে।

ই-ক্যাবের অন্যান্য প্রস্তাবনার মধ্যে আছে‑ ডিজিটাল কমার্স সেল কার্যকর ও এর সক্ষমতা বাড়ানো (প্রয়োজনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার), ডিজিটাল কমার্স পলিসি-২০১৮ মোতাবেক কমিটি গঠন (রিস্ক ফ্যাক্টর ম্যানেজমেন্ট কমিটি, কারিগরি কমিটি, উপদেষ্টা কমিটি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে এসক্রো সেবা চালু, ডাক বিভাগকে সংযুক্ত করে ডেলিভারি বা লজিস্টিক এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম।

/এমআর/ইউএস/
টাইমলাইন: ইভ্যালি
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৫২
ই-কমার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, শীর্ষে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও দারাজ
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৯
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২০
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৪২

সম্পর্কিত

ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ই-ক্যাবের ৬ প্রস্তাবনা

ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ই-ক্যাবের ৬ প্রস্তাবনা

ইভ্যালির রাসেলের রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে যা বললেন আইনজীবীরা

ইভ্যালির রাসেলের রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে যা বললেন আইনজীবীরা

ইভ্যালির রাসেলকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

ইভ্যালির রাসেলকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

রিমান্ড শেষে আদালতে রাসেল

রিমান্ড শেষে আদালতে রাসেল

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৩২

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালির আয়োজন করেছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট সাইক্লিং। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সংগঠন দুটি। সমাবেশে বক্তারার সাইক্লিং নিরাপদে ১০টি সুপারিশ করেছে।

সুপারিশগুলো হলো:

১. সাইকেল নেটওয়ার্ক তৈরি করা।

২. সাইকেলবান্ধব অবকাঠামো তৈরি।

৩. সাইকেল আরোহীদের আরও সচেতনভাবে সাইকেল চালানোর জন্য সতর্ক করা এবং নিয়ম মেনে সাইকেল চালাতে উৎসাহিত করা।

৪. সাইকেল লেন ব্যবহার করার প্রতি সচেতনতা সৃষ্টি করা।

৫. পরিবেশবান্ধব এই বাহনটি ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাইক্লিংয়ের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

৬. দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য নিরাপদ সড়ক ও সাইকেল লেনের ব্যবস্থা করা।

৭. যে স্বল্প পরিমাণ সাইকেল লেন আছে তা দখলমুক্ত করে নিরাপদ সাইক্লিং করার নিশ্চয়তা প্রদান করা।

৮. পারিবারিকভাবে সন্তানকে সাইকেল চালানোয় উৎসাহিত করার জন্য জনমত গড়ে তোলা।

৯. দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সাইকেল পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা রাখতে হবে।

১০. দেশি-বিদেশি ট্যুরিস্ট সাইক্লিস্টনের সরকারি সুযোগ সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শরৎ উৎসব’ উদ্বোধন

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শরৎ উৎসব’ উদ্বোধন

হাতিরঝিলে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

হাতিরঝিলে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২৯

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালির আয়োজন করেছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট সাইক্লিং। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সংগঠন দুটি।

সমাবেশে পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ‘সাইকেল শুধু যাতায়াতের জন্য নয়, পরিবেশের অন্যতম প্রধান বাহন এই সাইকেল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমরা এই সাইকেল চলাচলকে নিরাপদ করতে পারিনি। আজকের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হবে—আমরা নিজেরা নিরাপদে সাইকেল চলাচল করবো এবং অন্যের অসুবিধার কারণ হবো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘লেনসহ সাইকেল চলাচলের অন্যান্য প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা দরকার। সাইকেল সচেতনতামূলক প্রচারণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে ভূমিকা রাখতে হবে।’

বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট সাইক্লিংয়ের প্রধান সমন্বয়ক আমিনুল ইসলাম টুকুসের সভাপতিত্বে উক্ত সাইকেল র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাংলাদেশ মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন ঈশা, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট সাইক্লিংয়ের সমন্বয়ক রজিনা আক্তার দুমিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হাসান, বাংলাদেশ সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফ আহমেদ, বিডিক্লিকের সহ-সভাপতি দিনার হোসেন পাটোয়ারী, মিণফোর্সের সদস্য আহসান হাবীব প্রমুখ।

সমাবেশে সাইক্লিং নিরাপদ করতে ১০টি সুপারিশ করা হয়। সুপারিশগুলো হলো:

১. সাইকেল নেটওয়ার্ক তৈরি করা।

২. সাইকেলবান্ধব অবকাঠামো তৈরি।

৩. সাইকেল আরোহীদের আরও সচেতনভাবে সাইকেল চালানোর জন্য সতর্ক করা এবং নিয়ম মেনে সাইকেল চালাতে উৎসাহিত করা।

৪. সাইকেল লেন ব্যবহার করার প্রতি সচেতনতা সৃষ্টি করা।

৫. পরিবেশবান্ধব এই বাহনটি ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাইক্লিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

৬. দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য নিরাপদ সড়ক ও সাইকেল লেনের ব্যবস্থা করা।

৭. যে স্বল্প পরিমাণ সাইকেল লেন আছে তা দখলমুক্ত করে নিরাপদ সাইক্লিং করার নিশ্চয়তা প্রদান করা।

৮. পারিবারিকভাবে সন্তানকে সাইকেল চালানোয় উৎসাহিত করার জন্য জনমত গড়ে তোলা।

৯. দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সাইকেল পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা রাখতে হবে।

১০. দেশি-বিদেশি ট্যুরিস্ট সাইক্লিস্টনের সরকারি সুযোগ সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শরৎ উৎসব’ উদ্বোধন

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শরৎ উৎসব’ উদ্বোধন

ঢাকায় ‘জলবায়ু অবরোধ আন্দোলন’ কর্মসূচি

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:১৫

জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ঢাকায় ‘জলবায়ু অবরোধ আন্দোলন’ কর্মসূচি পালন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকারের স্বেচ্ছাসেবকরা। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি দেশ বা অঞ্চলের আবহাওয়া ও জলবায়ু তার জীবিকা, জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির উপর প্রভাব রাখে। কিন্তু সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনে দেশে বেশ কিছু প্রাকৃতিক দূর্যোগসহ প্রকৃতির বিভিন্ন অসামঞ্জস্যতা দেখা গিয়েছে। এর ফলে জনজীবন ও বন্য পশু-পাখি ঝুঁকির মুখে। 

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, এই দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক অসামঞ্জস্যতার মূল কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। আর এই জলবায়ু পরিবর্তনে অপরিকল্পিতভাবে নগরায়ন এবং শিল্পায়নের বিস্তার দায়ী। প্রতিনিয়তই পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন আচরণ করে যাচ্ছে মানবসমাজ। ফলে জলবায়ু এই পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সারা বিশ্ব এবং বিলুপ্ত হতে পারে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী।

তাদের দাবি, খুব দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই সবাইকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশবান্ধব পণ্য, যন্ত্রাংশ ব্যবহারে নজর দিতে হবে। সমাজের সকল স্তরের জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সকলের অংশগ্রহণ করতে হবে।

/জেডএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

ই-কমার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, শীর্ষে ইভ্যালি,  ই-অরেঞ্জ ও দারাজ

ই-কমার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, শীর্ষে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও দারাজ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বাড্ডায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

বাড্ডায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

রাজধানীতে মাদক ব্যবসায়ী সাড়ে ৩ হাজার 

রাজধানীতে মাদক ব্যবসায়ী সাড়ে ৩ হাজার 

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫২

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫২

ফকিরাপুলে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ৪

ফকিরাপুলে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ৪

ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা সবুজের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা সবুজের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আইনজীবী তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত ফল ২৫ সেপ্টেম্বর

আইনজীবী তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত ফল ২৫ সেপ্টেম্বর

ইভানার পাশে কেউ ছিল না

ইভানার পাশে কেউ ছিল না

ইভ্যালির রাসেলের রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে যা বললেন আইনজীবীরা

ইভ্যালির রাসেলের রিমান্ড ও জামিন শুনানিতে যা বললেন আইনজীবীরা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতির নাম চেয়ে চিঠি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতির নাম চেয়ে চিঠি

ইভ্যালির রাসেলকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

ইভ্যালির রাসেলকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

সর্বশেষ

একই ব্যানারে গাজীপুরে আ.লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ

একই ব্যানারে গাজীপুরে আ.লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ

একটি হাত ব্যাগ ও সৌদি আরব প্রবাসীর কান্না-হাসি

একটি হাত ব্যাগ ও সৌদি আরব প্রবাসীর কান্না-হাসি

ইলিশ রফতানি: বাংলাদেশের শর্তকে অবাস্তব বললো ভারত

ইলিশ রফতানি: বাংলাদেশের শর্তকে অবাস্তব বললো ভারত

ই-কমার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, শীর্ষে ইভ্যালি,  ই-অরেঞ্জ ও দারাজ

ই-কমার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, শীর্ষে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও দারাজ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

© 2021 Bangla Tribune