X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

‘জনগণের অভ্যুত্থান’ ছাড়া সরকার হটানোর বিকল্প নেই: ফখরুল

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২১, ১৮:৩৬

সরকার হটাতে ‘জনগণের অভ্যুত্থান’ ছাড়া কোনও বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। কারাবন্দি সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর মুক্তির দাবিতে এই নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে যে, একটা অভ্যুত্থান, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে উঠে আসা— এটা ছাড়া কোনও বিকল্প নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের হাতে অস্ত্র নেই, আমরা অস্ত্রবাজ নই। আমরা সশস্ত্র সংগ্রামে বিশ্বাস করি না। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিজয় অর্জন করতে চাই।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এরা রাষ্ট্র ও সরকারকে এক করে ফেলেছে এবং সবকিছুতে দলীয়করণ করে ফেলেছে। একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ একটি দল যে দলটি কখনোই গণতন্ত্রের বিশ্বাস করেনি। আওয়ামী লীগই সেই দল, যারা ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল— সমস্ত দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে দিয়ে। পত্রিকা সব বন্ধ করে দিয়েছিল।’

ফখরুল বলেন, ‘সবচেয়ে বড় যে দাবিতে আমাদের সোচ্চার হওয়া দরকার তা হচ্ছে— এই মুহূর্তে এই ব্যর্থ ফ্যাসিবাদী সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপক্ষে সরকারের অধীনে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় একটা সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে হবে। আসুন, সেই লক্ষ্যে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।’

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমি বলতে চাই, যে যেরকম করে পারেন লড়াইটা ছাড়বেন না। খুব যে বেশিদিন লাগবে এরকম বোধহয় না।’

 

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

আ.লীগের পতন ছাড়া জনগণের মুক্তি নেই: আবদুস সালাম

আ.লীগের পতন ছাড়া জনগণের মুক্তি নেই: আবদুস সালাম

শিবিরের শাখা সেক্রেটারি থেকে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব

শিবিরের শাখা সেক্রেটারি থেকে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে: ডা. জাফরুল্লাহ

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৩

গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কবর দেওয়ার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না। তাই তারা জিয়াউর রহমানে কবরটা খুঁজে নেয়ার চেষ্টা করছে।

রবিবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় শ্রমিক জোটের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান-এর ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

পীরগঞ্জের হামলার কথা উল্লেখ করে জাফরুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি যে ঘটনাটা ঘটেছে, কোথাও কি আমাদের মুখ দেখানোর জায়গা আছে? এই লজ্জা কোথায় রাখি? আমি সেখানে গিয়ে পানি খেতে চেয়েছিলাম, একটা গ্লাসও নেই পানি খাবার। এমন ভাবে ভেঙেছে, লুটপাট করেছে। তারা বলছিল, মা (শেখ হাসিনা) আসেননি, আজকে মা এসে দাঁড়ালে সাহস পেতো তারা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আবার নামতে হবে। এবারে গতবারের মত খেলা খেলতে দেওয়া যাবে না। আমদের রাস্তায় নামতে হবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি  মেসবাহউদ্দীন আহমেদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোটের সভাপতি মোশারফ হোসেনসহ আরও অনেকে।

/জেডএ/এমআর/

সম্পর্কিত

তালেবানকে সমর্থন দিয়ে আফগানিস্তানে দূতাবাস খোলার আহ্বান জাফরুল্লাহর

তালেবানকে সমর্থন দিয়ে আফগানিস্তানে দূতাবাস খোলার আহ্বান জাফরুল্লাহর

শেখ হাসিনার নোবেল না পাওয়ার পেছনে দায়ী ভারত ও আমলারা: জাফরুল্লাহ

শেখ হাসিনার নোবেল না পাওয়ার পেছনে দায়ী ভারত ও আমলারা: জাফরুল্লাহ

এসব রাজনৈতিক কর্মীদের চাকরবাকরের গুণাবলিও নেই: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

এসব রাজনৈতিক কর্মীদের চাকরবাকরের গুণাবলিও নেই: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

‘অগ্নিকাণ্ডে তদন্ত কমিটি ছাড়া সরকার জোরালো ভূমিকা রাখছে না’

‘অগ্নিকাণ্ডে তদন্ত কমিটি ছাড়া সরকার জোরালো ভূমিকা রাখছে না’

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩২

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অপরাধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি বিচারের মুখোমুখিও হতে পারেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা দায়ের হতে পারে। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মেয়র জাহাঙ্গীরের বক্তব্য এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক কিছু শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভা ডাকা হয়েছে।

ওই সভায় জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সভাপতিমণ্ডলীর দুজন প্রভাবশালী সদস্য। কী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে প্রশ্নে ওই দুই নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,  ‘এক্ষেত্রে দলের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করা হবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘এখনই কিছু বলবো না। ১৯ নভেম্বর সিদ্ধান্ত আসবে।’

কী সিদ্ধান্ত আসতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সারা জীবন দেশের মানুষের মুক্তির আন্দোলনে লড়েছেন। জেল-জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাঁকে খাটো করার চক্রান্ত দেশের মানুষ সহ্য করবে না। এখন যা হবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী হবে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে দেশের বিদ্যমান আইনেও ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান আছে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির জনককে নিয়ে কটূক্তির বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে। এই আইনের ২১ ধারায় বলা হয়েছে—কোনও ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালে বা তাতে মদত দিলে অনধিক ১০ (দশ) বছরের কারাদণ্ড এবং ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ একাধিকবার করলে সাজা যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড ৩ (তিন) কোটি টাকা করার বিধানও আছে আইনে।

গোপনে ধারণকৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে মেয়র জাহাঙ্গীরকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করতে শোনা গেছে। বঙ্গবন্ধুর দেশ স্বাধীন করার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

অবশ্য শুরু থেকেই ভিডিওটি বানোয়াট বলে আসছেন মেয়র জাহাঙ্গীর। ভিডিও প্রকাশের পর গত ৩ অক্টোবর জাহাঙ্গীরকে শোকজ করে আওয়ামী লীগ। জাহাঙ্গীর সেটার জবাবও দিয়েছেন। জানা গেছে, শুক্রবার দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ওই শোকজের জবাব নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীরের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে জড়িয়ে যে বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমাদের আহত করেছে।’

তিনি আরও জানান, ‘জাহাঙ্গীরের বক্তব্যের সত্যতা খুঁজে পাওয়া গেছে বলেই তাকে শোকজ করা হয়েছে। ইস্যুটির মীমাংসা করতে কার্যনির্বাহী সংসদের সভা আহ্বান করা হয়েছে ১৯ নভেম্বর। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তি করা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। সেই আলোকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

আ.লীগের পতন ছাড়া জনগণের মুক্তি নেই: আবদুস সালাম

আ.লীগের পতন ছাড়া জনগণের মুক্তি নেই: আবদুস সালাম

শিবিরের শাখা সেক্রেটারি থেকে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব

শিবিরের শাখা সেক্রেটারি থেকে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব

হিন্দুদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি চরমোনাই পীরের

হিন্দুদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি চরমোনাই পীরের

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩১

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দলের প্রার্থিতা প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

গত শনিবার (২৩ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মুলতবি বৈঠকে এই দুই বিভাগের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) দলের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নে মো. গোলাম মোস্তফা খান বাবলু, মির্জাবাড়ীতে মো. সাদিকুল ইসলাম এবং আলোকদিয়ায় আবু সাঈদ তালুকদার।

কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউপিতে এস. এম. আনোয়ার হোসেন, সল্লায় মো. আ. আলীম, গোহালিয়াবাড়ীতে মো. আব্দুল হাই আকন্দ, দশকিয়ায় এম. এ. মালেক ভুঁইয়া, নারান্দিয়ায় মো. মাসুদ তালুকদার, সহদেবপুরে মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান খান, পাইকড়ায় মো. আজাদ হোসেন, কোকডহরায় মো. নুরুল ইসলাম, বল্লা ইউপিতে মো. ফরিদ আহমেদ এবং নাগবাড়ীতে আবদুল কাইয়ুম।

নাগরপুর উপজেলার নাগরপুর ইউপিতে মো. কুদরত আলী, সহবতপুরে মো. আনিসুর রহমান, সলিমাবাদে মো. শাহীদুল ইসলাম (অপু), পাকুটিয়ায় মোহাম্মদ শামীম খান, গয়হাটায় শেখ সামছুল হক,  বেকড়ায় মো. শওকত হোসেন, মোকনায় মো. শরিফুল ইসলাম, দপ্তিয়রে মো. আবুল হাশেম,  ভাদ্রায় মো. হামিদুর রহমান এবং ধুবুরিয়া ইউপিতে মতিয়ার রহমান।

কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউপিতে শাহ মুহাম্মদ মাসুদ রানা, লতিবাবাদে শরীফ আহমেদ খান, মাইজখাপনে মো. আবুল কালাম আজাদ, মহিনন্দে মো. ছাদেকুর রহমান, যশোদলে মো. শফিকুল হক, বৌলাইয়ে মো. আওলাদ হোসেন, বিন্নাটিতে মো. আজহারুল ইসলাম, মারিয়ায় মো. মুজিবুর রহমান, চৌদ্দশতে এ. বি. ছিদ্দিক খোকা, কর্শাকড়িয়াইলে মো. বদর উদ্দিন এবং দানাপাটুলীতে মো. সাখাওয়াত হোসেন দুলাল।

নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপিতে মোহাম্মদ আলী, দামপাড়ায় মো. আলী আকবর, কারপাশায় তাকি আমান খাঁন, নিকলী ইউপিতে কারার শাহরিয়ার আহমেদ, জারইতলায় আজমল হোসেন, গুরইয়ে মো. তোতা মিয়া এবং ছাতিরচররে মো. শামসুজ্জামান চৌধুরী।

কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাপুর ইউপিতে মোহাম্মদ এনামুল হক, উছমানপুরে মো. নিজাম ক্বারী, ছয়সূতীতে মো. ইকবাল হোসেন, সালুয়ায় মোহাম্মদ কাইয়ুম এবং ফরিদপুরে এস. এম. আজিজ উল্ল্যাহ।

মানিকগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউপিতে মো. নাসির উদ্দিন, আটিগ্রামে মো. নূর-এ-আলম সরকার, দিঘী ইউপিতে মতিন মোল্লা, পুটাইলে মহিদুর রহমান, হাটিপাড়ায় গোলাম মনির হোসেন, ভাড়ারিয়ায় আব্দুল জলিল, নবগ্রামে গাজী হাসান আল মেহেদী, কৃষ্ণপুরে বিপ্লব হোসেন, জাগিরে মো. জাকির হোসেন এবং গড়পাড়ায় আফছার উদ্দিন সরকার।

মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার আধারা ইউপিতে মো. সোহরাব হোসেন,  বজ্রযোগিনীতে রবিন হোসেন, বাংলাবাজারে মো. সোহরাব হোসেন, চর শিলইয়ে আবুল হাসেম (লিটন), চরকেওয়ারে মো. আফছার উদ্দিন ভূঁইয়া, মহাকালীতে মো. শহিদুল ইসলাম, মোল্লাকান্দিতে মো. রিপন হোসেন, পঞ্চসারে মহিউদ্দিন খাঁন এবং রামপাল ইউপিতে মো. মোশারফ হোসেন।

টংগীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাপুর ইউপিতে মো. আব্দুর রহিম মিয়া, বালিগাঁওয়ে হাজী মো. দুলাল, আড়িয়লে মো. দ্বীন ইসলাম শেখ, আউটশাহীতে মো. সেকান্দর বেপারী, বেতকায় মো. শওকত আলী খান, ধীপুর   মির্জা বাদশা শাহিন, দিঘীরপাড়ে মো. আরিফুল ইসলাম হালদার, হাসাইলবানারীতে আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, যশলং ইউপিতে মো. আলমাস চোকদার, কামারখাড়ায় মহিউদ্দিন হালদার, কাঠাদিয়া শিমুলিয়ায় মো. আনিছুর রহমান এবং সোনারং টংগীবাড়ীতে মাঝি মো. বেলায়েত হোসেন।

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার হযরতপুর ইউপিতে মো. আনোয়ার হোসেন আয়নাল, কলাতিয়ায় মো. তাহের আলী, রোহিতপরে আব্দুল আলী, শাক্তায় মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, কালিন্দীতে মো. ফজলুল হক, জিনজিরায় মো. সালাউদ্দিন, আগানগরে মো. জাহাঙ্গীর শাহ, শুভাড্যায় মো. ইকবাল হোসেন, কোন্ডায় মুহম্মদ সাইদুর রহমান চৌধুরী, তেঘরিয়ায় মো. লাট মিয়া, বাস্তায় মো. আশকর আলী।

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউপিতে মো. শাহ্ আলম সরকার, চাপাইরে মো. আহসান হাবীব, বোয়ালীতে মো. শাহাদাত হোসেন,  সূত্রাপুরে সুলতান আহমেদ, ঢালজোড়ায় মো. ইদ্রিসুর রহমান, আটাবহে কে, এম, ইব্রাহিম খালেদ এবং মধ্যপাড়া মো. আতাউর রহমান।

নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউপিতে মো. নুরুজ্জামান, হাজীপুর মো. ইউসুফ খান (পিন্টু), করিমপুরে মমিনুর রহমান, নজরপুরে মোহাম্মদ সাইফুল হক, পাঁচদোনায় মো. মাসুম বিল্লাহ, মেহেরপাড়ায় আজাহার অমিত, শীলমান্দীতে মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, আমদিয়ায় আবদুল্লা ইবনে রহিজ, পাইকারচরে আবুল হাসেম এবং কাঁঠালিয়ায় মো. এবাদুল্লাহ।

রায়পুরা উপজেলার অলিপুরা ইউপিতে মো. ওবায়দুল হক, আদিয়াবাদে মো. সেলিম, চান্দেরকান্দিতে মো. খোরশেদ আলম, ডৌকারচরে মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মরজালে সানজিদা সুলতানা, মহেশপুরে আ. রউফ, মুছাপুরে মোহাম্মদ হোসেন ভূঁইয়া, মির্জাপুরে মো. সাদেক মিয়া, রাধানগরে মো. মোহর মিয়া, পলাশতলীতে জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, রায়পুরা ইউপিতে মো. আনোয়ার হোসেন (হালিম) এবং উত্তরবাখর নগরে মো. হাবিব উল্লাহ।

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার সাদিপুর ইউপিতে মো. আব্দুর রশিদ মোল্লা, শম্ভুপুরায় মো. নাছির উদ্দিন, কাঁচপুরে মোশাররফ হোসেন, সনমান্দিতে জাহিদ হাসান জিন্নাহ, বারদীতে মো. মাহাবুব রহমান, পিরোজপুরে মাসুদুর রহমান মাসুম, নোয়াগাঁওয়ে আব্দুল বাতেন এবং জামপুরে মো. হুমায়ুন কবির ভুঁইয়া।

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউপিতে মো. আবদুল হান্নান, বহরপুরে মো. রেজাউল করিম, নবাবপুরে মো. মতিয়ার রহমান, নারুয়ায় মো. জহুরুল ইসলাম, বালিয়াকান্দি ইউপিতে মো. নায়েব আলী শেখ, জংগল ইউপিতে কল্লোল কুমার বসু এবং জামালপুর ইউপিতে এ. কে. এম ফরিদ হোসেন।

কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউপিতে মেহেদী হাচিনা পারভীন, মদাপুরে এ বি এম রোকনুজ্জামান, কালিকাপুরে মো. আতিউর রহমান, মৃগীতে এম, এ, মতিন, সাওরাইলে শহিদুল ইসলাম, মাজবাড়ীতে কাজী শরিফুল ইসলাম এবং বোয়ালিয়ায় মোছা. হালিমা বেগম।

ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার আজিমনগর ইউপিতে বশীর উদ্দিন আহমেদ, আলগীতে মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, কাউলীবেড়ায় মো. রেজাউল করিম, কালামৃধা ইউপিতে এসকান্দার আলী খলিফা, ঘারুয়ায় মো. ফরিদ খাঁন, চান্দ্রায় রুপাই মাতব্বর, চুমুরদীতে এস, এম, জাহিদ, তুজারপুরে মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব),  নাছিরাবাদে আবুল কালাম আজাদ, নুরুল্যাগঞ্জে মীর আশরাফ আলী, মানিকদহ মো. ইমারত হোসেন এবং হামিরদীতে মো. মিরাজ মাতব্বর।

চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুরে মো. কবির হোসেন খান, চরভদ্রাসনে মো. খোকন মোল্যা এবং গাজীরটেকে মো. আহসানুল হক মামুন।

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার পশারগাতী ইউপিতে রহমান মীর, গোবিন্দপুরে ওবাইদুল ইসলাম, খান্দারপাড়ে সাব্বির খান, বহুগ্রামে পরিতোষ সরকার, বাঁশবাড়িয়ায় মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা, ভাবড়াশুরে এস এম রিফাতুল আলম, মহারাজপুরে মো. আশরাফ আলী মিয়া, বাটিকামারীতে শাহ আকরাম হোসেন, দিগনগরে মোহাম্মদ আলী শেখ, রাঘদীতে মো. সাহিদুর রহমান (টুটুল), গোহালায় মো. নজরুল ইসলাম মাতুব্বর, মোচনায় মো. দেলোয়ার হোসেন মোল্যা, উজানীতে শ্যামল কান্তি বোস, কাশালিয়ায় মো. সিরাজুল ইসলাম, ননীক্ষীরে শেখ রনি আহমেদ এবং জলিরপাড় ইউপিতে বিভা মণ্ডল।

ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউপিতে সৈয়দ খালেকুজ্জামান, কুলিয়ায় মো. আব্দুস ছালাম, মাহমুদপুরে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, নাংলায় মো. কিসমত পাশায় নয়ানগরে মো. শফিউল আলম, চরবানিপাকুরিয়ায় মো. শাহাদৎ হোসেন, ঘোষেরপাড়ায় মো. সাইদুল ইসলাম লিটু, ঝাউগড়ায় আঞ্জুমনোয়ারা বেগম এবং শ্যামপুর ইউপিতে এস. এম. সায়েদুর রহমান।

ইসলামপুর উপজেলার সদর ইউপিতে মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী, পলবান্ধায় শাহাদত হোসেন ডিহিদার, গোয়ালেরচরে শেখ মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, গাইবান্ধায়ে মো. মাকছুদুর রহমান আনছারী, চরপুটিমারীয় মো. সামছুজ্জামান এবং চরগোয়ালিনীতে মো. শহিদুল্যাহ।

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউপিতে মো. শামছুর রহমান, নকলা ইউপিতে মো. আনিসুর রহমান, উরফা ইউপিতে মুহাম্মদ রেজাউল হক হীরা, গৌড়দ্বারে মো. শওকত হুসেন খান, বানেশ্বর্দীতে আঞ্জুমান আরা বেগম, পাঠাকাটায় মো. আব্দুস ছালাম, টালকিতে মো. বদরুজ্জামান, চর অষ্টধরে মো. গোলাম রাব্বানী এবং চন্দ্রকোনায় মো. সাজু সাইদ ছিদ্দিকী।

নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউপিতে বন্ধনা চাম্বুগং, নন্নী ইউপিতে মো. বিল্লাল হোসেন চৌধুরী, রাজনগরে বিপ্লব কুমার বর্মন, নয়াবিলে মো. নূর ইসলাম, রামচন্দ্রকুড়াও মন্ডলিয়াপাড়ায় মো. আমান উল্যাহ, কাকরকান্দিতে মো. শহীদ উল্লাহ তালুকদার, নালিতাবাড়িতে মো. আসাদুজ্জামান, রূপনারায়নকুড়ায় মো. মিজানুর রহমান, মরিচপুরানে খন্দকার মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, যোগানিয়ায় মো. আব্দুল লতিফ, বাঘবেড়ে মো. আব্দুস সবুর এবং কলসপাড় মো. আবুল কাশেম।

ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার কুষ্টিয়া ইউপিতে এস এম শামছুল হক, বোররচরে মো. আশরাফুল আলম, পরাণগঞ্জে মো. ইউনুস আলী, ঘাগড়ায় মো. শাহ্ জাহান সরকার এবং অষ্টধার ইউপিতে এমদাদুল হক।

মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লা ইউপিতে সিরাজুল ইসলাম, বড়গ্রামে মো. সিদ্দীকুজ্জামান, তারাটিতে মো. মনিরুজ্জামান, কুমারগাতায় মো. আকবর আলী, বাশাটিতে উজ্জল কুমার চন্দ, মানকোনে মো. রফিকুল ইসলাম (বাহাদুর), ঘোগায় শরীফ আহমদ, দাওগাঁওয়ে মো. মজনু সরকার, কাশিমপুরে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার এবং খেরুয়াজানী ইউপিতে মো. ওয়াজেদ আলী মোল্লা।

ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউপিতে মো. মামুনুর রশিদ, বৈলরে মুহাম্মদ শাহজাহান কবীর, কাঁঠাল ইউপিতে মো. শেখ কবীর রায়হান, কানিহারীতে মো. শহীদউল্লাহ মণ্ডল, রামপুরে মো. আপেল মাহমুদ, ত্রিশাল সদর ইউপিতে জাকির হোসাইন, হরিরামপুরে মো. মেছবাহুল আলম, বালিপাড়ায় গোলাম মোহাম্মদ বাদল, মঠবাড়ীতে মো. সামছুদ্দিন, মোক্ষপুরে মো. আশরাফ উদ্দিন এবং আমিরাবাড়ীতে মো. হাবিবুর রহমান।

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউপিতে সুব্রত সাংমা, দুর্গাপুর সদর ইউপিতে মো. শাহীনুর আলম, চন্ডিগড়ে মো. আলতাবুর রহমান, বিরিশিরিতে মো. রফিকুল ইসলাম (রুহু), বাকলজোড়ায় সফিকুল ইসলাম, কাকৈরগড়ায় শিব্বির আহাম্মেদ তালুকদার এবং গাঁওকান্দিয়ায় মো. আব্দুর রাজ্জাক সরকার।

পূর্বধলা উপজেলার হোগলা ইউপিতে মো. সাইদুল ইসলাম, ঘাগড়ায় রেজু মিয়া আকন্দ, জারিয়ায় মোসা. মাজেদা খাতুন, পূর্বধলা সদর ইউপিতে মো. আব্দুল কাদির, আগিয়ায় মো. মোখলেছুর রহমান খান, বিশকাকুনীতে মোসা. লাভলী আক্তার, খলিশাউড়েকমল কৃষ্ণ সরকার, নারান্দিয়ায় মো. আব্দুল কুদ্দুছ, গোহালাকান্দায় শেখ মো. সালাহ উদ্দিন চাঁন মিয়া এবং বৈরাঢীতে আলী আহাম্মেদ।

কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতী ইউপিতে তাহেরা খাতুন, কলমাকান্দায় পলাশ কান্তি বিশ্বাস, নাজিরপুরে মো. আব্দুল আলী, পোগলায় মো. মোজ্জাম্মেল হক, বড়খাপনে এ কে এম হাদীছুজ্জামান, লেংগুড়ায় রফিকুল ইসলাম, খারনৈতে মো. আবু বকর সিদ্দিক এবং কৈলাটি ইউপিতে মো. জয়নাল আবেদীন।

/ইএইচএস/এমএস/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

মনে হচ্ছে ইকবালের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিবের কাছে তথ্য আছে: ওবায়দুল কাদের

মনে হচ্ছে ইকবালের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিবের কাছে তথ্য আছে: ওবায়দুল কাদের

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

রাজশাহী-রংপুর বিভাগে ইউপি চেয়ারম্যান পদে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

মনোনয়ন ফরমে অ্যানালগই রয়ে গেলো আওয়ামী লীগ

গত কয়েক দশকে দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি হচ্ছে: মেনন

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:১৪

গত কয়েক দশকে দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। সম্প্রতি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে সংসদ সদস্য মেনন বলেন, এটা পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হচ্ছে।

রবিবার (২৪ অক্টোবর)  ‘আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক সংসদীয় ককাস’ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, কুমিল্লার ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মানুষের ওপর নির্যাতন চালানোর জন্যই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, একসময় বিএনপি এ ধরনের সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ক্ষমতায় নিয়ে আশকারা দিয়েছে। এখন আবার সেই শক্তির সঙ্গে আপস চলছে। সে জন্যই তারা সহিংস ঘটনা ঘটানোর এ সাহসগুলো পায়।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনাসম্পন্ন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারছি না।’

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শিরিন আখতার বলেন, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রে অসাম্প্রদায়িক চেতনার যুবসমাজ ও রাজনৈতিক দলকে গড়ে তুলতে হবে। এটা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে অবশ্যই উন্নয়ন হচ্ছে। তবে সংবিধানের মূলনীতির আলোকে উন্নতি করতে হবে। যদি আমরা সেভাবে এগোতে না পারি, তাহলে আবার এমন ঘটনা ঘটবে।’

সরকার দলের সংরক্ষিত আসনের এমপি আরমা দত্ত একটি টাস্কফোর্স গঠন করে সহিংসতার শিকার এলাকাগুলো পরিদর্শনের প্রস্তাব করেন।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, এরশাদের সময়কার এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সাম্প্রদায়িক হামলার পরে মনে করা হয়েছিল, ২০০৮ সালের পরে আর সাম্প্রদায়িক হামলা হবে না। কিন্তু তারপরও দেখা যায়, সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে হামলা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে হামলা বেড়ে যাচ্ছে।

রবিবার অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল সভায় আরও অংশ নেন আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, সাংবাদিক প্রণব সাহা, উন্নয়নকর্মী শঙ্কর পাল প্রমুখ।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে: ডা. জাফরুল্লাহ

গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে: ডা. জাফরুল্লাহ

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

সাম্প্রদায়িক ঘটনা তদন্তে নুরের কমিটি গঠন

সাম্প্রদায়িক ঘটনা তদন্তে নুরের কমিটি গঠন

সাম্প্রদায়িক ঘটনা তদন্তে নুরের কমিটি গঠন

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৮

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে চলমান ঘটনায় দেশবাসীর মতো ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদও উদ্বেগে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র, যুব, শ্রমিক ও পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর।

এ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচনে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (২৪ অক্টোবর) বিকালে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই কমিটি গঠনের কথা জানান তিনি। কমিটিকে দশ কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, ঝুনু রঞ্জন দাস, সাদ্দাম হোসেন, অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা, প্রকৌশলী থোয়াই চিং মং চাক, মো. নিজাম উদ্দীন, আজহারুল ইসলাম (পাঠান আজহার),ফাতেমা তাসনিম, আরিফুল ইসলাম তায়েফ এবং প্রান্ত বড়ুয়া।

দেশে ধারাবাহিকভাবে চলমান সংঘাত-সহিংসতা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার রাতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ এর এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত নেতারা দেশে চলমান সংঘাত- সহিংসতার নিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তারা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি ও তিস্তার ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়াতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে নেতারা একতরফা পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ না করে ভারতকে প্রতিবেশী সুলভ আচরণের আহবান জানিয়ে তিস্তাসহ ৫৪ টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে দেশের মধ্যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি ও কূটনৈতিকভাবে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে: ডা. জাফরুল্লাহ

গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে: ডা. জাফরুল্লাহ

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ইউপিতে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

গত কয়েক দশকে দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি হচ্ছে: মেনন

গত কয়েক দশকে দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি হচ্ছে: মেনন

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

ডিজিটাল আইনে বিচার হতে পারে মেয়র জাহাঙ্গীরের

আ.লীগের পতন ছাড়া জনগণের মুক্তি নেই: আবদুস সালাম

আ.লীগের পতন ছাড়া জনগণের মুক্তি নেই: আবদুস সালাম

শিবিরের শাখা সেক্রেটারি থেকে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব

শিবিরের শাখা সেক্রেটারি থেকে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভুলে একসঙ্গে সংগ্রামের অনুরোধ মির্জা ফখরুলের

হিন্দুদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি চরমোনাই পীরের

হিন্দুদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি চরমোনাই পীরের

নিত্যপণ্যের দাম কমাতে ব্যর্থ সরকার: মির্জা ফখরুল 

নিত্যপণ্যের দাম কমাতে ব্যর্থ সরকার: মির্জা ফখরুল 

জামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

২০ দলীয় জোটজামায়াতের অফিসে আগাছা, দলীয় কর্মকাণ্ড নেতাদের বাসায়

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

জনগণকে প্রতিমুহূর্তে বিভ্রান্ত-বিভাজনের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল 

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

ইকবালকে ‘ভবঘুরে’ বলে লঘু করে দেখার অবকাশ নেই: মেনন

সর্বশেষ

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছুরিকাঘাতে আহত ৩

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছুরিকাঘাতে আহত ৩

‘ইরাকে সরকার গঠনে বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়’

‘ইরাকে সরকার গঠনে বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়’

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

নোয়াখালীতে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় আরও ৪ জন গ্রেফতার

নোয়াখালীতে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় আরও ৪ জন গ্রেফতার

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনায় করা মামলা সিআইডিতে

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনায় করা মামলা সিআইডিতে

© 2021 Bangla Tribune