X
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

পিংক ড্রাগনে মুসার চমক, শুরুতেই বিক্রি ১০ লাখ টাকা

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২১, ১০:০৬

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফলের আবাদ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন হারুন অর রশীদ মুসা। পেশায় শিক্ষক মুসা ত্বীন, অ্যাভোকাডোর পর এবার পাঁচ বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন পিংক রোজ জাতের বড় ড্রাগন ফল। যে ফলের এক একটির ওজন ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রাম। চারা, সেচ, সার, কীটনাশক পরিচর্যাসহ পাঁচ বিঘা জমিতে তার খরচ হয়েছে প্রায় আট লাখ টাকা। ইতোমধ্যে উৎপাদিত পিংক রোজ ড্রাগন বিক্রি করে তিনি ১০ লাখ টাকা আয় করেছেন। কৃষিতে এলাকাবাসীর কাছে মুসা এখন উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। হারুনুর রশীদ মুসা ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাগমারী গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

নিজের পরিশ্রম ও সাফল্যের বিষয়ে হারুনুর রশীদ মুসা বলেন, প্রায় ১৬ বছর আগে আপেল কুলের আবাদ করি। এরপর পেয়ারা, মাল্টাসহ অন্যান্য ফলের আবাদও করেছি। গত পাঁচ বছর আগে ড্রাগন ফলের আবাদ শুরু করি। এছাড়া অ্যাভোকাডো ফলেরও আবাদ করেছি। বর্তমানে ১১ বিঘা জমিতে ড্রাগনের আবাদ রয়েছে। এরমধ্যে পিংক বড় জাতের ড্রাগনের আবাদ রয়েছে পাঁচ বিঘা জমিতে।

উৎপাদিত ড্রাগন ফল বাগান থেকে চলে যায় ঢাকার আড়তে তিনি জানান, এক বিঘা জমিতে চারাসহ তার খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকা। চারা লাগানোর ৬ মাস পর ফল পাওয়া যায়। ড্রাগন গাছ একবার লাগালে ১৫ থেকে ২০ বছর বাঁচে। বাজারে অন্যান্য ড্রাগনের ফল যখন বিক্রি শেষ হয়ে যায় তখন পিংক রোজ ড্রাগন ফল উঠে। অর্থাৎ পিংক বড় জাতের ড্রাগন ফল একটু দেরিতে উঠে। যে সময় বাজারে ড্রাগন ফল খুবই কম থাকে। এ কারণে দামও ভালো পাওয়া যায়।

করোনাকালে ড্রাগন ফলের বাজার মন্দা গেলেও পিংক রোজ জাতের ড্রাগন ফল ২৫০ থেকে শুরু করে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

মুসা বলেন, এখন প্রতিদিনই বাগান থেকে ড্রাগন ফল তুলছি। বাগান থেকে ক্যারেটে করে ফল ভর্তি করে পাঠাচ্ছি ঢাকার ওয়াচঘাটে। এখন পর্যন্ত ১০ লাখ টাকার বেশি ড্রাগন ফল বিক্রি করেছি। এ সিজনের আগামী দুই-তিন মাসে আরও প্রায় পাঁচ-ছয় লাখ টাকার মতো ফল বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা ও কৃষি কাজে গবেষণায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা বাগান পরিদর্শন করছেন। অনেকে বাগান থেকেও ফল সংগ্রহ করছেন বলে জানান মুসা।

শিক্ষক মুসার ড্রাগন ফলের বাগান স্থানীয় কাগমারী গ্রামের ইসমাইল হোসেন সিরাজী জানান, মুসা পেশায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ফলের আবাদ করে একজন আদর্শ কৃষক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। নতুন নতুন ফলের আবাদ করে তিনি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। এখন তিনি অন্যান্য কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তাদের কাছে উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। অনেকেই তার কাছে কৃষি পরামর্শসহ চারা কিনতে আসছেন।

কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মহাসিন আলী জানান, মুসা একজন ইনোভেটিভ কৃষক। তার বাগানে শুধু ড্রাগন নয়। মাল্টা, অ্যাভোকাডো, ত্বীনসহ বিভিন্ন ধরনের বিদেশি ফলের আবাদ রয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে আমরা তাকে নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছি। আমি নিজেই তার প্রতিটি বাগান পরিদর্শন করেছি। এছাড়া কৃষি বিভাগ থেকে তাকে বিভিন্ন সময় তাকে প্রশিক্ষণেও পাঠানো হয়। মুসার মতো কৃষি উদ্যোক্তারা দেশের কৃষিক্ষেত্রে দারুণ অবদান রাখছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।



/টিটি/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ

ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ

ভারত থেকে ফিরেছেন পাচার হওয়া ১৯ তরুণী

ভারত থেকে ফিরেছেন পাচার হওয়া ১৯ তরুণী

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় দুই রোহিঙ্গা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়ে দাঁড়ালো। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দু’জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষের  ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয় জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে, ভোরে ঘটনাস্থলে চার জন রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার খবর জানায় পুলিশ। এ সময় আহত হয়েছে ১০ থেকে ১২ জন। তাদের মধ্যে চার জনকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোরে উখিয়ার ১৮ নম্বর ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে নিহত চার রোহিঙ্গা হচ্ছেন উখিয়ার বালুখালী-২ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. ইদ্রিস (৩২), ইব্রাহিম হোসেন (২২), আজিজুল হক (২৬), মো. আমীন (৩২) ।

সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে চার জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমি ঘটনাস্থলের রয়েছি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার শিহাব কায়সার জানান, শুক্রবার ভোরে উখিয়া বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চার রোহিঙ্গা নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ১০-১২ জন রোহিঙ্গা।
 
ঘটনার পর পরই এপিবিএন পুলিশ এবং জেলা পুলিশ বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিহতদের উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ এ পর্যন্ত একজনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

/টিটি/

সম্পর্কিত

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৩

চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা এলাকায় সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার ঘটনায় মিরসরাই সদর ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির মো. কফিল উদ্দিন লতিফীকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মিরসরাই পৌর সদর থেকে তাকে গ্রেফতার করে হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে মিরসরাই থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মিরসরাই থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, হাটহাজারীতে মন্দিরে ভাঙচুর ও সহিংসতার মামলায় জামায়াত নেতা কফিল উদ্দিন লতিফীকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হাটহাজারী থানার এসআই আকরাম হোসেন বলেন, হাটহাজারী থানা এলাকায় মন্দিরে ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনায় গত ১৪ অক্টোবর মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত মিলে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় জামায়াত নেতা কফিল উদ্দিন লতিফীকে মিরসরাই থানা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে। 

এর আগে, গত ১৭ অক্টোবর হাটহাজারী থানা এলাকায় মন্দিরে ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনায় মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক ফকির আহম্মদ (৬০), যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহিদ হুসাইন (৩০) ও বিএনপি নেতা নজরুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছিল মিরসরাই থানা পুলিশ।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

জমি নিয়ে বিরোধে ইউপি সদস্যকে মারধর, কাটা হলো বাড়ির সড়ক 

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫৪

পটুয়াখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সাবেক ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম (৪৫) ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগমকে (৪০) মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার জেরে ওই ইউপি সদস্যের বাড়ির প্রবেশপথের সড়ক কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। কেটে ফেলা হয়েছে তার শতাধিক গাছ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের ঝিলনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের সময় ওই পরিবারটি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিয়ে সাহায্য চায়। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায় । 

মারধরের শিকার ইউপি আশরাফুল আলম বলেন, পাঁচ বছর আগে আপোসে প্রতিবেশী মো. মোস্তফা আকনের জমি দিয়ে একটি রাস্তা নির্মাণ করেন তিনি। শর্ত ছিল এর পরিবর্তে তিনি মোস্তফা আকনকে  অন্যত্র জায়গা দেবেন। কিন্তু মোস্তফা আকন এখন ওই জমি নিতে রাজি না। এ কারণে মোস্তফার ছেলে মো. মামুন আকনের নেতৃত্বে  ৫-৬ জনের একটি দল বাড়ির প্রবেশপথের রাস্তা কেটে ফেলে। এ সময় আমার স্ত্রী খাদিজা বেগম বাধা দিলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আমাকে মারধর করা হয়। এরপর মামুন তার সহযোগীদের নিয়ে রাস্তার পাশে শতাধিক ফলদ ও বনজ গাছ কেটে ফেলে। তাদের বেপরোয়া অবস্থা দেখে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করি। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই ওরা পালিয়ে যায়।  

গাছও কেটে ফেলেন হামলাকারীরা এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোস্তফা আকনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই আবদুর রব আকন বলেন, রাস্তাটি আমাদের জমির ওপর দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এ কারণে রাস্তা কেটে দিয়েছি।
 
বাউফল থানার ওসি আলম মামুন জানান, মারামারির ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

‘অপহরণ করে বিয়ে’, ৫ দিন পর শ্বশুরবাড়ি ছেড়েছেন ইশরাত

‘অপহরণ করে বিয়ে’, ৫ দিন পর শ্বশুরবাড়ি ছেড়েছেন ইশরাত

ভোলায় আগুনে ১০ দোকান পুড়ে ছাই

ভোলায় আগুনে ১০ দোকান পুড়ে ছাই

প্রণোদনা পেতে শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের নার্সদের বিক্ষোভ

প্রণোদনা পেতে শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের নার্সদের বিক্ষোভ

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:২০

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কক্সবাজারে আটক ইকবাল হোসেনকে কুমিল্লায় আনা হচ্ছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে তাকে নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয় পুলিশ। 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা সেই ইকবাল আটক

কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সমুদ্রসৈকত এলাকায় ঘোরাফেরা করার সময় ইকবাল হোসেনকে জেলা পুলিশের একটি দল আটক করে। পরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাকে নিতে ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম কক্সবাজারে আসে। ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ইকবালকে কুমিল্লা জেলা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপরই কুমিল্লা জেলা পুলিশের ওই টিম ইকবালকে নিয়ে রওনা দেয়।  ইকবালের বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানাবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

মাজার থেকে যেভাবে কোরআন নিয়ে পূজামণ্ডপে যান ইকবাল

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকার সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর রাতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

মাজারের দুই খাদেমের সঙ্গে কথা বলে কোরআন নিয়ে যান ইকবাল

গত ১৩ অক্টোবর ভোরে নানুয়াদিঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়া যায়। এরপরই দেশের কয়েক স্থানে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার জেরে ওই দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ জন নিহত হন। পরদিন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মন্দির, মণ্ডপ ও দোকানপাটে হামলা–ভাঙচুর চালানো হয়। সেখানে হামলায় দুই জন নিহত হন। এরপর রংপুরের পীরগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বসতিতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এরইমধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকেও চিহ্নিত করে।

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা কে এই ইকবাল?

/এএম/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৩

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে চার জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। হতাহত সবাই রোহিঙ্গা। আহতদের মধ্যে চার জনকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোরে উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রোহিঙ্গারা হলেন, উখিয়ার বালুখালী-২ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. ইদ্রীস (৩২), ইব্রাহীম হোসেন (২২), আজিজুল হক (২৬) ও মো. আমীন (৩২)।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে চার জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমি ঘটনাস্থলে আছি। পরে বিস্তারিত জানাবো।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার শিহাব কায়সার বলেন, শুক্রবার ভোরে উখিয়া বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চার রোহিঙ্গা নিহত হয়। এ সময় আহত হয়েছে আরও ১০ রোহিঙ্গা। 

ঘটনার পরপরই এপিবিএন এবং জেলা পুলিশ বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের আটকে অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ এ পর্যন্ত একজনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছেন শিহাব কায়সার।

/এএম/ইউএস/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

'হামলার দায় এড়াতে পারেন না রাজনৈতিক নেতারা'

'হামলার দায় এড়াতে পারেন না রাজনৈতিক নেতারা'

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ

ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ

ভারত থেকে ফিরেছেন পাচার হওয়া ১৯ তরুণী

ভারত থেকে ফিরেছেন পাচার হওয়া ১৯ তরুণী

চাকা পাংচার হয়ে খাদে বাস, নিহত এক আহত ১০

চাকা পাংচার হয়ে খাদে বাস, নিহত এক আহত ১০

আমরা চাই নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হোক এবং হচ্ছেও: সিইসি

আমরা চাই নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হোক এবং হচ্ছেও: সিইসি

যশোরের শরীফুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

যশোরের শরীফুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

জেলেদের হামলায় নৌ-পুলিশের ইনচার্জসহ আহত ৪

জেলেদের হামলায় নৌ-পুলিশের ইনচার্জসহ আহত ৪

নোয়াখালীতে বিশৃঙ্খলায় গ্রেফতার ১৩০ 

নোয়াখালীতে বিশৃঙ্খলায় গ্রেফতার ১৩০ 

হাজীগঞ্জে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় গ্রেফতার ২৯

১০ মামলায় আসামি ৫ হাজার হাজীগঞ্জে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় গ্রেফতার ২৯

সর্বশেষ

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

প্রেমিক থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি

ফারহান ও ফারিণ দম্পতির গল্প...

ফারহান ও ফারিণ দম্পতির গল্প...

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

হাটহাজারীতে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার

© 2021 Bangla Tribune