X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ মসজিদ

৩৫০ বছর আগের হায়াত বেপারী মসজিদ

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৩১

বাংলাদেশের যে স্থাপনাশৈলী এখনও বিমোহিত করে চলেছে অগণিত মানুষকে, তার মধ্যে আছে দেশজুড়ে থাকা অগণিত নয়নাভিরাম মসজিদ। এ নিয়েই বাংলা ট্রিবিউন-এর ধারাবাহিক আয়োজন ‘বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ মসজিদ’। আজ থাকছে ঢাকার হায়াত বেপারী মসজিদ।

১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে হায়াত বেপারী নামের এক ধনী ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার নামেই মসজিদের নামকরণ। রাজধানীর নারিন্দার ধোলাইখাল সড়কের নতুন রাস্তার মোড়ের ৭২ হৃষিকেশ দাশ রোডে গেলে দেখা যাবে ঐতিহাসিক মসজিদটি। নারিন্দা পঞ্চায়েত মসজিদ নামেও পরিচিত এটি।

আগে মসজিদ ঘেঁষা একটি সেতু ছিল। সেতুর নাম ছিল ‘নারিন্দা পুল’। বুড়িগঙ্গার শাখা ছিল ধোলাইখাল। আজ সেই খাল কিংবা পুল নেই। ধোলাইখাল নামে জায়গাটা অবশ্য রয়ে গেছে। রয়ে গেছে মসজিদটিও।

হায়াত ব্যাপারী মসজিদের অবস্থান ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ খ্যাত ‘বিনত বিবির মসজিদ’–এর কাছেই। মোগল সম্রাটের আমলে নির্মিত বিনত বিবির মসজিদটি নারিন্দা চৌরাস্তার মোড়ে। হায়াত ব্যাপারীর মসজিদ তার ঠিক বিপরীতে। দুটি মসজিদই ঢাকার ঐতিহ্য বহন করে আছে।

বিনত বিবির মসজিদের শিলালিপি পাওয়া গেলেও হায়াত ব্যাপারী মসজিদ নিয়ে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। হায়াত ব্যাপারী কে ছিলেন, সে সম্পর্কেও সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। কেউ বলছেন, হায়াত ব্যাপারী ছিলেন মোগল সম্রাটের একজন স্থপতি। তিনি নারিন্দায় পুল নির্মাণ করে সম্রাটের কাছ থেকে অনেক উপহার লাভ করেন। তা দিয়ে তিনি নারিন্দায় অনেক সম্পত্তি কেনেন। আবার কারও মতে, হায়াত ব্যাপারী ছিলেন দক্ষ রাজমিস্ত্রি। দক্ষ হাতে সেতু ও মসজিদটি তৈরি করেন।

৩৬০ বছর বয়সী ঐতিহাসিক এই মসজিদটির পুরনো কিছু নিদর্শন কয়েক বছর আগেও দৃশ্যমান ছিল। পরিসরও ছিল বিশাল। কিন্তু নানা সময়ে দখলের কবলে পড়ে ক্রমে এটি ছোট হয়ে এসেছে। মসজিদের জমি দখলের বিষয়ে নারিন্দার স্থায়ী প্রবীণ বাসিন্দা মো. হায়দার আলী বলেন, মসজিদটির জন্য হায়াত ব্যাপারী এক শ’ বিঘা জমি রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু আজ মসজিদটির নামে দুই কাঠা জমিও নেই। স্থানীয় এক প্রভাবশালী সব দখল করে নিয়েছেন। থানায় অভিযোগ করেও সুরাহা হয়নি। মসজিদের পাশের দোকান থেকে শুরু করে ট্রাক স্ট্যান্ড পুরোটাই ছিল মসজিদের জায়গা। এখন এর কিছুই নেই।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

জুমার খুতবায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কথা বলার আহ্বান

জুমার খুতবায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কথা বলার আহ্বান

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৬

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন ইমনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসীর আদালত ওই আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৭ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। এরপর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রামপুরার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি এক নারী সহকর্মীর ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে এ মামলা হয়।’

‘ইমন তার সহকর্মীর ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও তথ্য গণমাধ্যমের কালোবিড়াল নামের একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট দেন। এছাড়াও একই বার্তা ও পেজ লিঙ্ক শতাধিক সহকর্মীকে ইনবক্সে পাঠান।’ রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি রফিকুল ইসলাম।

/এমএইচজে/এমএস/

সম্পর্কিত

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

‘একাত্তরের মতো আগামী দিনেও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করবো’

‘একাত্তরের মতো আগামী দিনেও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করবো’

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪২

২০২২ সালের পর ঢাকা শহরে যত্রতত্র, উন্মুক্ত স্থানে আর বর্জ্য থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দক্ষিণ সিটির ৬৩ ও ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, ‘আজ  ৫৩ নম্বর ও ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২টি বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন করলাম। এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৪২টি অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

তিনি বলেন, ‘এ বছরের মধ্যে ৭৫টি ওয়ার্ডেই বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।  ৭৫টি ওয়ার্ডেই বর্জ্য সেবা সংগ্রহকারী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছি। তাদের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রে নিয়ে আসবো। সেখান থেকে আমরা মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে বর্জ্য স্থানান্তর করবো। সুতরাং, ২০২২ সালের পর ঢাকা শহরের উন্মুক্ত স্থানে আর বর্জ্য থাকবে না।’

যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকার ফলে বাসযোগ্যতার তালিকায় ঢাকা শহর একেবারে নিম্ন সারিতে অবস্থান করছে জানিয়ে তাপস বলেন, ‘বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে শহরগুলোর যে তালিকা প্রণয়ন করা হয় সেখানে দেখা যায়, ঢাকা সর্বনিম্নে অবস্থান করে। এর একটি অন্যতম কারণ হলো— ঢাকা শহরের যেখানে-সেখানে, রাস্তার ওপরে, নর্দমার ভেতরে-বাইরে, খালে-বিলে সব জায়গায় বর্জ্য উপচে পড়ছে। যত্রতত্র উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য পড়ে থাকে। সে জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক একটি করে অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমাদের ৭৫টি ওয়ার্ডেই এই কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। অনেকগুলো ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘আমাদের ব্যাপক কার্যক্রমের ফলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর হার একেবারে নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মাত্র ১০ জন ডেঙ্গু রোগী ছিল। কিন্তু আমরা দেখছি, ঢাকার অন্যান্য এলাকাসহ আশপাশের এলাকা ও অন্যান্য জেলায় ডেঙ্গু রোগীর বিস্তার বেড়েছে। এতে দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা হ্রাস পেলেও দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও আগামী মাসের ১ তারিখ থেকে কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধে আমরা কার্যক্রম শুরু করবো।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈমসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসএস/ এপিএইচ/

সম্পর্কিত

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ১১ নভেম্বর

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ১১ নভেম্বর

‘অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’

‘অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:২২

বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।  বুধবার (২৭ অক্টোবর) ‘বৃহত্তর নাগরিক সমাজ সংগঠন বিকাশে অন্তর্ভুক্তিমূলক-সহনশীলতার সংস্কৃতি’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল অধিবেশনে বিডিসিএসও প্রক্রিয়ার বার্ষিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে এই অভিমত প্রকাশ করেন তারা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও উন্নয়ন সমুন্বয়ের সভাপতি ড. আতিউর রহমান।

ভার্চুয়াল অধিবেশনে বক্তারা বলেন, সামাজিক এই শক্তি বা পুঁজি  তৈরি উন্নয়ন করতে প্রয়োজন উন্নয়ন ও উন্নয়ন সহযোগিতাগুলোর স্থানীয়করণ, অন্তর্ভুক্তি বা ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস এবং সহনশীলতার মানসিকতা। বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য এই ধরনের সামাজিক শক্তি অপরিহার্য এবং সামাজিক মূলধনকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চারটি নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে গ্র্যান্ড বার্গেইন, উন্নয়ন কার্যকারিতা এবং চার্টার ফর চেঞ্জ আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতিমালা পূরণ করার জন্য আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৃটিশ হাইকমিশনের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুডিথ বারবার্টসন, ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব ভলান্টারি অ্যাসোসিয়েশনের ইগনাসিও প্যাকার এবং বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর’র প্রতিনিধি জোহানেস ভ্যান ডার ক্লাউ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন হিউম্যানিটারিয়ান এইড ইন্টারন্যাশনালের সুধাংশু শেখর সিং (ভারত),  বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের শরীফ জামিল এবং ক্রেডিট ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সভাপতি  মোর্শেদ আলম সরকার।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী করোনা ভ্যাকসিন নিয়েও এক ধরনের বর্ণবাদ এবং দ্বন্দ্ব রয়েছে, অথচ বাংলাদেশ তার সীমিত সামর্থ্য নিয়েই লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, এটা আমাদের জণ্য অবশ্যই গর্বের একটি বিষয়। রোহিঙ্গাদেরকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে  আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্প্রদায়ের উদ্যোগ খুবই সীমিত, এটা আমাদের অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ, কিন্তু আমরা তাদের মর্যাদা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশিরা নৈতিকতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা সবার জন্য প্রযুক্তি নিশ্চিত করবো।’

সুধাংশু  শেখর সিং বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তি এবং সহনশীলতার ক্ষেত্রে ভিন্নমতকেও শুনতে হবে এবং সমালোচনামূলক সুশীল সমাজ বিকাশের সুযোগ রাখতে হবে।’ তিনি ধনী দেশের পরামর্শ মতো কাজ না করে তৃতীয় বিশ্বের নাগরিক সমাজকে তাদের নিজস্ব বিষয়বস্তু তৈরি করার আহ্বান জানান।

জুডিথ হারবার্টসন বলেন, ‘ব্রিটিশ জনগণ স্থানীয়করণ এবং স্থানীয় সুশীল সমাজকে সহযোগিতা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতোমধ্যে স্থানীয় এনজিও ও সিএসওগুলোর সঙ্গে যৌথ চাহিদা মূল্যায়ন এবং সমন্বয় কাঠামো রয়েছে আমাদের। ব্রিটিশ সরকার এখানে একটি প্রাণবন্ত সুশীল সমাজ দেখতে চায়।’

ইগনাসিও প্যাকার বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যার প্রতি দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্ব দেন, এনজিও ও সিএসও-গুলোকে একে অপরের কথা শুনতে হবে, সুশীল সমাজ হিসেবে আমাদের একটি সাধারণ ন্যূনতম অবস্থান দরকার, স্থানীয়করণের ক্ষেত্রে আমাদের ভালো উদাহরণ তৈরি করতে হবে।’

জোহানেস ভ্যান ডার ক্লাওউ উল্লেখ করেন যে, ইউএনএইচসিআর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। ইউএনএইচসিআর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণভাবে সরকারের সঙ্গে রয়েছে। তিনি বাংলাদেশি জনগণ ও সরকারের ব্যতিক্রমী উদারতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মোর্শেদ আলম সরকার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বাংলাদেশি সিএসও/এনজিওর সক্ষমতার ঘাটতির দিকে অতি মনযোগ দেওয়া উচিত নয়। তাদের উচিত স্থানীয় এনজিওগুলোকে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনার ভার ছেড়ে দেওয়া।’ এএইচএম বজলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পরবর্তী সময়ের জন্য বাংলাদেশের এনজিওগুলোকে প্রস্তত করতেও স্থানীয়করণ প্রয়োজন।’

এতে নির্ধারিত আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন— আরপিএস’র আকবর হোসেন, আফাদ’র  সৈয়দা ইয়সমিন,  এবং  বিএনএনআরসি’র এএইচএম বজলুর রহমান। অধিবেশন পরিচালনা করেন মোস্তফা কামাল আকন্দ ও ইকবাল উদ্দিন। স্বাগত বক্তৃতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিডিসিএসও প্রক্রিয়ার জাতীয় সমন্বয়ক রেজাউল করিম চৌধুরী।

 

/এসও/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

করোনা আক্রান্ত হলে হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী 

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ১১ নভেম্বর

রেইনট্রিতে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় ১১ নভেম্বর

‘অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’

‘অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’

শিশুদের জলবায়ু ঘোষণাপত্র কপ-২৬’র এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি: স্পিকার

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৮

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, শিশুরাই হতে পারে পরিবর্তনের নিয়ামক। শিশু ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করছে শিশুদের জলবায়ু ঘোষণাপত্র। শিশুরা কেমন গ্রহ ও পৃথিবী চায়, তা নীতিনির্ধারকদের জানাতে পারছে। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে শিশুদের চিন্তাধারাকে কপ-২৬ এর বৈশ্বিক এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। এক্ষেত্রে, বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্লাটফর্মে নেতৃত্ব দিতে পারে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ইউনিসেফ বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শিশুদের জলবায়ু ঘোষণাপত্র হস্তান্তর’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ফোরামে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। তিনিই প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট গঠন করেছিলেন। বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে তিনি ‘চ্যাম্পিয়ন অফ দি আর্থ’ পুরস্কার লাভ করেছেন।

স্পিকার বলেন, বিশ্বব্যাপী সকলে জলবায়ু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি, যদিও বাংলাদেশ এর জন্য দায়ী নয়।

পার্লামেন্টারি ককাস অন চাইল্ড রাইটসের সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপি এবং আরমা দত্ত এমপি  বক্তব্য রাখেন।

ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘২০২২ সালের পর রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

‘টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি’

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

মাদকের নতুন রুটের বিষয়ে ভারতকে জানালো বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০১

ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসা মাদকের বিভিন্ন রুটের বিষয়ে দিল্লিকে তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।  সমুদ্রপথে মাদক চোরাচালান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টিও তাদের জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল।  সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে বিকাল পৌনে ৩ টা পর্যন্ত অনলাইনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে আরও ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ভারতের সঙ্গে মাদক পাচারের নতুন নতুন রুট নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  আমরা তাদের কিছু তথ্য দিয়েছি। তারাও কিছু তথ্য দিয়েছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের সীমান্ত থাকায় উভয়দেশের আন্তর্জাতিক ভাবে গুরুত্ববহন করে।  আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য দুই দেশই ভূমিকা রাখবে।

ইয়াবা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভারতের কিছু অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার হয়। সেটিও ভারতকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাম্প্রতিক মাদক পাচারে সমুদ্রপথ ব্যবহার করা হচ্ছে— এটি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমুদ্রপথে ইয়াবা পাচার বেড়েছে। কারণ স্থলপথগুলোতে কড়াকড়িতে হয়তো সমুদ্রপথে আসছে।

ইয়াবার তুলনায় আইস আরও বেশি তীব্র আকার ধারণ করেছে। এবিষয়ে উভয় দেশে তৎপর রয়েছে বলেও জানান ডিজি।

তিনি বলেন, আমাদেরর সমস্যাগুলো ভারতকে বলেছি। তারা সীমান্তের অনেকগুলো ফেনসিডিল কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে মাদক সমস্যা সমাধানে অগ্রসর হতে হবে জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, গত ডিসেম্বরে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তারা আমাদের বিষয়গুলো জানে। মিয়ানমারের সরকার যদি ব্যবস্থা নিতো তাহলে হয়তো এরকম আসতো না।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। উভয় দেশই বেশ কিছু আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সংস্থার (বিমসটেক, সার্ক, কমনওয়েলথ ইত্যাদি) সদস্য। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এবং ভারত মাদকদ্রব্য চোরাচালান এবং মাদক সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে একযোগে কাজ করছে।

সভায় উভয় পক্ষই সমুদ্র পথকে ব্যবহার করে মাদক চোরাচালান এবং মাদক সন্ত্রাসীদের উদ্ভাবিত নতুন নতুন রুট সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়, কেমিক্যাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নীতিমালা ও বিধি-বিধান নিয়ে তথ্য বিনিময়, ফলপ্রসূ অপারেশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা বিনিময়, মাদক বিষয়ক প্রাসঙ্গিক অপরাপর সম্যক তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো আগামীতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বেগবান করবে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে মাদকদ্রব্য এবং মাদক সন্ত্রাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আরও অধিকতর ভূমিকা রাখবে।

/এআরআর/এমআর/

সম্পর্কিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

যাত্রাবাড়ীতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারী পথচারীর

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

নারী সহকর্মীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে সাংবাদিক গ্রেফতার

নারী সহকর্মীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে সাংবাদিক গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

জুমার খুতবায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কথা বলার আহ্বান

জুমার খুতবায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কথা বলার আহ্বান

পূর্ণিমা তিথিতে ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মীর বন্দনা

পূর্ণিমা তিথিতে ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মীর বন্দনা

ছবিতে জশনে জুলুস

ছবিতে জশনে জুলুস

ঈদে মিলাদুন্নবীতে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

ঈদে মিলাদুন্নবীতে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

রবিউল আউয়াল: যে মাস আনন্দের, বেদনারও

রবিউল আউয়াল: যে মাস আনন্দের, বেদনারও

কুনজর থেকে শিশুকে রক্ষায় টিপ দেওয়া যাবে?

কুনজর থেকে শিশুকে রক্ষায় টিপ দেওয়া যাবে?

সর্বশেষ

দেশের চার বিভাগে মৃত্যু নেই  

দেশের চার বিভাগে মৃত্যু নেই  

সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করলো আফ্রিকান ইউনিয়ন

সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করলো আফ্রিকান ইউনিয়ন

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও সুসম্পর্ক চায় রাশিয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যেও সুসম্পর্ক চায় রাশিয়া

© 2021 Bangla Tribune